আমার প্রিয় পোস্ট

যে শিক্ষক বুদ্ধিজীবী কবি ও কেরানী প্রকাশ্য পথে হত্যার প্রতিশোধ চায়না আমি তাদের ঘৃণা করি

পাহাড়ি নিপীড়িত জনগোষ্ঠির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং স্বায়ত্তশাসন দাবীর প্রশ্নে শাসকশ্রেণীর বিভিন্ন অংশের রঙ বে রঙের জোড়াতালি তত্ত্বের বিপরীতে একটি বিশ্লেষণ।

১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২৪

শেয়ারঃ
0 33 0

আমাদের নিজেদের মত করে সাজানো সমাজে আদ্যপান্ত লোহার ব্যারিকেড দিয়ে অনেক ধেয়ে আসা জ্বলজ্বলে সত্য, নির্মম বাস্তবতা, বেশুমার মানবতার অবমাননা আর নির্জলা মনুষ্যমৃত্যু সংবাদগুলোকে আমরা নিখুঁত কায়দায় অবজ্ঞা-অবহেলায় এড়িয়ে যাওয়া রপ্ত করেছি। একে আমরা বলি-শান্তি আর সৌহার্দপূর্ণ বসবাস! অ্যাফ্লুয়েন্ট নগরকেন্দ্রীক সমাজে এটি একটি ‘আর্ট’ বটে! চোখ মেললেই যেখানে থ্যাতলানো মুখচ্ছবি, পা বাড়ালেই যেখানে মড়ার খুলি, হাত বাড়ালেই যেখানে এলিট শ্রেণীর পৃষ্ঠপোষকতায় রাষ্ট্রীয় ‘আর্টিস্টিক হত্যাকান্ডের’ শিকার মৃত মানুষের ঠেলে বেরিয়ে আসা নাড়িভুঁড়ি, সেখানে আমাদের প্রাণান্ত চেষ্টা ফরগট-ফরগট-ফরগটেন! তার পরেও কিছু বেয়াড়া বাতাস কিছু অপ্রিয় বিষয় বয়ে নিয়ে আসে। আমরা ক্ষণের জন্য থমকে যাই। পর মুহূর্তে নীতি,তত্ত্ব আর আশু করণীয় মিশেল করে নিরাময়ের দাওয়াই আবিষ্কার করি। সেবন করি। অতঃপর নিরাময়! শান্তি! শান্তি! অপার শান্তি!!

এই অপার শান্তির বাতাবরণটি গত মাসের ১৯/২০ তারিখে একটু নড়ে গিয়েছিল। আমাদের দেশপ্রেমিক বীর সেনাদের তপ্ত বুলেটে কিছু পাহাড়ি ‘বেআক্কেলের’ মত মরে গিয়েছিল। অকস্মাৎ এমন বেয়াড়া ঘটনা ধামাচাপা দিতে আমরা মোটেই বিলম্ব করিনি! তাড়াতাড়ি এই মৃত্যুকে কর্পূরের মত উবিয়ে দিয়ে তত্ত-তালাশ করে তত্ত্ব হাজির করেছি। তাদের মৃত্যুকে অনিবার্য করে দিয়েছি বিচ্ছিন্ন হবার স্পর্ধার তকমা আর তিলক এঁকে। এই পোস্টের বিষয়বস্তু সেই ‘তকমা’ আর ‘তিলক চিহ্ন’ পরিয়ে মৃত্যুকে জায়েজ করবার অপচেষ্টাকারিদের বিরুদ্ধে স্বশব্দ প্রতিবাদ।

পাহাড়ে কবে থেকে বিরোধের সূত্রপাত, কেন পাহাড়িরা প্রতিবাদমুখর, সংখ্যাগুরু বাঙালিরা কেন কি উদ্দেশে পাহাড়ে শ্যেন দৃষ্টি ফেলেছে, কেন পাহাড়িরা নিজেদের বঞ্চিত মনে করছে, কবে থেকে এই বঞ্চিত মনে করা শুরু সে সব কম-বেশি সকলেই জানেন। জনসমক্ষে আনব না করেও তা ঠেকানো যায়নি। তাই সেই খতিয়ান এখানে টানা হচ্ছে না। বছরের পর বছর ধরে চালানো অত্যাচারের মাসওয়ারি বা বছরওয়ারি পরিসংখ্যানও দেওয়া হচ্ছেনা। শুধু জাতিগত নিপীড়ন করে একটি জাতিস্বত্তার উচ্ছেদের দুরভিসন্ধীই উল্লেখের চেষ্টা করা হচ্ছে।

জাতিগতভাবে সংখ্যালঘুতে পরিণত করা ও নিশ্চিহ্ন চূড়ান্ত লক্ষ্য।

পাকিস্তানী বড় বুর্জোয়া শ্রেণী যেমন বাঙালিদের উপর জাতিগত নিপীড়ন চালিয়েছিল,( আরো বিভৎস কায়দায়, তখন জাতিগত রিপ্লেসমেন্ট হচ্ছিলনা), ঠিক একই কায়দায় ৭২ সাল থেকে বাঙালি বড় বুর্জোয়া শাসক শ্রেণী ক্ষুদ্র পাহাড়ি জনগোষ্টির উপর জাতিগত শোষণ-নিপীড়ন চালিয়ে আসছে। যা আজ গণহত্যা-জ্বালাও-পোড়াও এর সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এই নিপীড়ন পরোক্ষ/অঘোষিত সামরিক শাসনরূপে চলছে। পাহাড়িদের উচ্ছেদ করে বাঙালি পুনর্বাসনের প্রক্রিয়ায় এখন পাহাড়িরা নিজ ভূমিতে সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়ে যাচ্ছেন। ৩০ বছর যাবৎ এই পুনর্বাস প্রক্রিয়া চলছে।আগামি ১০/১৫ বছরের মধ্যে পাহাড়ি জনগণের আর জাতিগত অস্তিত্ব হয়ত খুঁজে পাওয়া যাবেনা। তারা জাতিগতভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারেন। এখনই পাহাড়িরা সেটেলাদের চেয়ে সংখ্যায় কমে গেছেন।

এখন প্রশ্ন আসে, কেন এই এথেনিক নির্মূলকরণ? কারণ প্রথমেই পাহাড়িরা বলে ফেলেছে-তারা তাদের নিজস্ব জাতিস্বত্তা নিয়েই আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার চায়। তারা তাদের ঐতিহ্যগত নিজস্ব সংস্কৃতি, তাদের নিজস্ব আচার, নিজস্ব ভাষাভাষির সংস্কৃতিতে বসবাস করতে চায়। তাদের চিরায়ত ভূমি ব্যবস্থকেই বহাল রাখতে চায়। আর সেই চাওয়া মানেই সেখানে বাঙালি সেটেলারদের তারা স্বাগত জানাবে না। জানায়ওনি। এটাই হচ্ছে শাসকশ্রেণীর সাথে তাদের মূল দ্বন্দ্ব। আর শাসকশ্রেণী সেই দ্বন্দ্ব মোকাবেলা করার জন্য তোপের মুখে ঠেলে দিয়েছে সমতলেরই আর এক হতভাগ্য দরিদ্র চাষাভুষাদের। তাদের টাকা-পয়সা, জমিজিরেতের লোভ দেখিয়ে পাহাড়ে পাঠিয়েছে পাহাড়ি-বাঙালি সমতা আনার জন্য।

এরপর শাসকদের পক্ষে বলা হচ্ছে- ‘পাহাড়িরা পাহাড়ের আদিবাসী নয়’! ‘বাংলাদেশের সংবিধান মানার কারণে পাহাড়েও বাঙালিদের সমান অধিকার’। ‘বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকেই পাহাড়িদের বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সমতলের নাগরিকদেরকেও মেনে নিতে হবে'। অসহায় গরিব সেটেলারদের ধরে ধরে পাহাড়ে পাঠানোর পর বলা হচ্ছে-‘পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমারা বার্মার আরাকান প্রদেশ থেকে এসে এদেশে বসতি স্থাপন করেছে এবং তারাই বহিরাগত!’

এসব প্রচার চালায় পাহাড়ে বাঙালি গণপরিষদ, আর সমতলে উগ্র জাতীয়তাবাদীরা। এই জাতীয়তাবাদীরা নৃত্বাত্তিক চুলচেরা বিশ্লেষণ করে দেখাতে চায় ‘যেহেতু পাহড়িরা নৃ-জাতিগোষ্ঠি নয়, সেহেতু তারা পাহাড়ের আদিবাসীও নয়। সুতরাং তাদের ‘আদিবাসী’ দাবী ধোপে টেকে না!(যদিও ইতিমধ্যে জাতিসঙ্ঘ এই আদিবাসী বা ইনডিজেনাসদের রক্ষার জন্য একটি ক্লজ করতে বাধ্য হয়েছে। এটির ঐতিহাসিক এবং রাজনৈতিক তাৎপর্য আছে। দুনিয়ার বেশির ভাগ স্থানেই বড় জাতির জাতীয়তাবাদের ঠেলায় ক্ষুদ্র জাতিস্বত্ত্বার ক্রমশ নিজভূমি থেকে উচ্ছেদ হওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনের ফলেই জাতিসংঘ তাদের এই স্বীকৃতটা দিতে বাধ্য হয়েছে।)

আর এই রকম একটি ব্যাখ্যা তৈরি করে পাহাড়ে একপ্রকার ‘উপনিবেশ’ই গড়ে তুলেছে শাসকগোষ্ঠি। এই ব্যাখ্যা নিয়ে দরিদ্র বাঙালিদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে পাহাড়ি-বাঙালি দাঙ্গা উষ্কে দিচ্ছে। শাসকশ্রেণীর হাতিয়ার হিসেবে তার সেনাবাহিনীর অফিসার থেকে শুরু করে বেসামরিক আমলা, ব্যবসায়ী, বুর্জোয়া রাজনৈতিক নেতারা প্রত্যেকেই কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে-পাহাড় কেটে, জঙ্গল সাফ করে, জমি লিজ নিয়ে পাহাড়ি জনগণকে স্রেফ লুট-ধর্ষণ করে। এখন নতুন এক ফন্দিফিকির বের করা হয়েছে! বলা হচ্ছে পাহাড়ে চাকমারাই বহিরাগত!

আসুন দেখা যাক ‘বহিরাগত’ প্রশ্নে ইতিহাসের রায়ঃ
সুদূর অতীতে চাকমা বা অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিগুলো এখানে ছিলনা। জায়গাটি মনূষ্য বসতিবিহীন ছিল। চাকমারা তখন পার্শ্ববর্তি আরাকান বা অন্য কোন জায়গা থেকে এসে এসেছেন, যেমন একাত্তরের আগে বাঙালি শাসকদেরও অস্তিত্ব ছিলনা। মানুষের ইতিহাসে এরকম সর্বত্র হয়েছে, কারণ পৃথিবীর সব জায়গা প্রথম থেকেই মানুষের বাসপোযোগী ছিলনা। বাইরে থেকে মানুষ গিয়ে এক একটা জায়গাকে বাসপোযোগী করে বসতি স্থাপন করে। এখানে আদিবাসী তারাই যারা প্রথমে একটা জায়গাকে বাসপোযোগী করে বসতি স্থাপন করেন। সেই হিসাবে চাকমা এবং অন্য ক্ষুদ্র জাতিস্বত্তাগুলোই পাহাড়ে আদিবাসী।

পার্বত্য জনগণের উপর যে জাতিগত নিপীড়ন ও শোষণ-লুণ্ঠন চলছে এবং এ ক্ষেত্রে বাঙালিরাই হচ্ছে নিপীড়ক জাতি এবং এ নিপীড়ন চলছে উগ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদের কারণে। সেটি দিবালোকের মত স্পষ্ট হলেও তাকে বিভিন্ন তত্ত্ব-দর্শন-ফেৎনা-সংবিধানের সূত্র দিয়ে জায়েজ করার চেষ্টা হচ্ছে। রাষ্ট্রের অখন্ডতা, বর্হিশত্রু কর্তৃক দেশ দখলের শঙ্কা, বিচ্ছিন্ন হয়ে বাংলাদেশ খন্ডিত হওয়ার ভীতি মিশিয়ে কার্যত পাহাড়িদের অধিকারকে অস্বীকার করা হচ্ছে। এই কাজগুলি করা হচ্ছে তিন ভাবে। এক পক্ষের ত্বত্ত্ব হচ্ছে ‘৫৪ হাজার বর্গমাইল পুরোটাই আমার দেশ’, এখানে পাহাড়ি-বাঙালি সহাবস্থান করবে। পাহাড়েও সেটেলারদের থাকার পূর্ণ অধিকারের কথা বলছেন। আর এক পক্ষ একটু নমনীয় হয়ে বলছেন-‘৯৭ সালের শান্তিচুক্তি অনুযায়ী পাহাড়িদের কার্যত আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার দেওয়াই হয়েছে। তাই সংবিধানের আলোকেই পাহাড়ে বাঙালি সেটেলার, পাহাড়ি, সেনাবাহিনী থাকবে’। এই দুই পক্ষের সোজাসাপ্টা বক্তব্য না বোঝার কিছু নেই। কিন্তু তৃতীয় আর পক্ষ আছেন যারা মুখে মার্কসবাদের সাম্য এঁটে শ্রমজীবী মানুষের হিতাকাঙ্খী সেজে সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদের দখলিকরণের বিরুদ্ধাচারণের নামে ওয়েলফেয়ার স্টেটের ধুয়ো তুলে কার্যত ফ্যাসিস্ট জাতীয়তাবাদী সংখ্যাগুরুত্বের অহমিকায় পাহাড়ি জনগোষ্ঠির আত্মনিয়ন্ত্রেণের অধিকারকে ‘বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার দাম্ভিকতা’ বলে দু-ধারী কৃপাণ হাতে ময়দানে নেমে গেছেন। এই বুদ্ধিবৃত্তিক ভন্ডামির মুখোশ উন্মোচন পাহাড় বিষয়ে জানা-বোঝার এবং সিদ্ধান্ত টানার ক্ষেত্রে আশু কর্তব্য।
এই তৃতীয় পক্ষের পুরোধা হিসেবে বন্ধুবর পি মুন্সী বলছেনঃ(এখানে পি মুন্সী একটি নিমিত্ত মাত্র)

(ক)পুরানো সমস্যাটাকে তিনি(শেখ মুজিব) জাতীয়তাবাদের দম্ভে খাটো করে জবরদস্তি করতে গিয়েছিলেন, এবং সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ হলো একাজে তাকে উৎসাহিত করেছিলেন, সংবিধান "বিশারদ", "প্রণেতা" কামাল হোসেন এন্ড গং। কলোনি লর্ড আ্যববুরি ও তাঁর বাংলাদেশী "সুশীল দোসর" চাকরবাকর এবং তাদের সংগঠন সিএইচটি কমিশন"
এই ‌'সংবিধান বিশারদদের' এই পক্ষটি ব্যঙ্গ করে বলেন-‘উকিল-মোক্তারের’ সংবিধান। অথচ দেখুন যে বিশারদদের কানপড়ানি শেখ মুজিব শুনেছেন বলে বলা হচ্ছে তিনিই(মুন্সী) আবার সেই সংবিধানকে বেদবাক্য বলছেন-

১. বাংলাদেশ রাষ্ট্রের কনষ্টিটিউশনের বিরুদ্ধে যায় এমন কোন দাবি করে সেই কনষ্টিটিউশনের অধীনেই আবার পাহাড়িরা বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকতে পারে না। ২. শান্তিচুক্তির প্রথম ভিত্তিমূলক একটা কথা লেখা আছে যে, বাংলাদেশের কনষ্টিটিউশন মেনেই পাহাড়িরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করছে। ৩. এমনিতেই কনষ্টিটিউশনের বাইরে গিয়ে কোন দুই পক্ষ আঁতাত করে কোন চুক্তি করলেও আমাদের কোর্টে সেই চুক্তিই বাতিল হয়ে যাবে। ৪. বৈধভাবে পাহাড়ি-সমতলীর সহবস্হান যদি পাহাড়িরা নাই চায় তবে পাহাড়িদের সমঝোতা চুক্তি করতে আসার কোন মানে হয়না, দরকারই বা কী?

এখানে আর ফুটনোটের কোন দরকার আছে বলে মনে হয়না, কেননা তিনিই নিজের যুক্তিকে নিজেই খন্ডন করেছেন।

(খ) পার্বত্য চট্টগ্রামের ভুমি সমস্যা আমরা কী করে সমাধান করব সেটা এখন আর মুল ইস্যু নয় - বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি করছে যারা সেই হায়নার দলের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়াতে হবে। নইলে বাংলাদেশকেও বাঁচানো যাবে না।

অর্থাৎ তিনি মূল সমস্যা নিয়ে ঠেকিয়েছেন "বাংলাদেশ বাঁচানো যাবেনা" তে। এর পরপরই তিনি বলছেন-“ক্ষমতাসীন সরকারের সিরিয়াস রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের জন্য একজন বিশেষ দূত নিয়োগ দিতে পারেন, যিনি হবেন পার্বত্য ইস্যুতে রাষ্ট্রের প্রধান এজেন্ট বা কর্তা। আসলে তিনি হবেন পার্বত্য ইস্যুতে অন্তর্বতীকালীন এই সময়ে রাষ্ট্রের মুল রাজনৈতিক এজেন্ট। ঐ অঞ্চলের সেনা, পুলিশ সহ সব বাহিনী, সিভিল প্রশাসন তার অপারেশনাল অধীনে কাজ করবে। ভুমি কমিশনের সিদ্ধান্তের তিনি তার কাজের সাথে সমন্বয় করবেন এবং বাস্তবায়ন করতে বাধ্য থাকবেন”।
এই বৈপরীত্য নিয়েও আমাদের ফুটনোট দেওয়ার আবশ্যকতা দেখিনা,কারণ তিনি ধরেই নিয়েছেন যে ভূমি সমস্যা এখন আর মূল সমস্যা নয়! বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সমস্যাই মূল!

(গ)কাজেই সারকথা হলো, পাহাড়ি এলাকায় সমতলী যে কেউ নিজের বৈধ মালিকানা জমিতে অথবা বৈধ মালিক কারও বাসা বা জমি ভাড়া নিয়ে বসবাস, ব্যবসা করতে পারবে। দুনিয়ার কেউ নাই এটা বাধা দিতে পারে; তাতে কোথাও কোন শান্তিচুক্তি একটা হোক আর নাই হোক।

এই কথার পর আর কি বলার থাকতে পারে? এতক্ষণ ধরে তিনি ইনিয়ে-বিনিয়ে যে তত্ত্ব-পলিসি হাজির করলেন তাতে সমাধান নেই টের পেয়েই আসল চেহারায় আবির্ভূত হলেন! “দুনিয়ার কেউ নাই এটা বাধা দিতে পারে; তাতে কোথাও কোন শান্তিচুক্তি একটা হোক আর নাই হোক।” কি ভয়ংকর হুমকি! এইমত হুমকি কেবল মাত্র দিতে পারেন কোন ফ্যাসিস্ট স্বৈরশাসক, যে কিনা উগ্র জাতীয়তাবাদী। যার আশু লক্ষ্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা আর সামরিক শক্তি বলে একটি জনগোষ্ঠির অধিকারকে পদদলিত করা। নিপীড়িত জনগোষ্ঠির মুক্তির মন্ত্র মাকর্সবাদ কি এই শিক্ষা দেয়? নিশ্চই না। আসুন দেখি মাকর্সবাদ কি বলে?কারণ এই সব ক্ষুদ্র জাতিস্বত্তার টিকে থাকা বা বেঁচে থাকার প্রশ্নটির ব্যাখ্যা মাকর্সবাদ ছাড়া আর কোথাও পূর্ণাঙ্গরূপে মেলে না।

আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রসঙ্গে স্তালিন বোঝেন-“জাতির ইচ্ছামত জীবন বিন্যাসের অধিকার। অর্থাৎ সে জাতির স্বায়ত্তশাসনের ভিত্তিতে জীবন বিন্যাসের অধিকার যেমন আছে, আবার তেমনি সম্পূর্ণ পৃথক হবার অধিকারও আছে। মাকর্সবাদী-লেনিনবাদীদের কাছে সব জাতিই সার্বভৌম এবং সব জাতিই সমান অধিকার সম্পন্ন। কমিউনিস্টরা সব দেশেই জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ঘোষণা করে। আর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার কথাটির অর্থ হলো, কেবল জাতির নিজের হাতেই তার ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের অধিকার থাকবে, জাতির জীবনে জবরদস্তি করার অধিকার কারও নেই(জাতি সমস্যা ও স্তালিনের চিন্তা। পৃষ্ঠা ৪)।

এবার এই পক্ষ হয়ত বলবেন-‘ হ্যাঁ, তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার থাকতেই পারে, তাতো অস্বীকার করা হচ্ছেনা, তাই বলে স্বায়ত্তশাসনের অধিকার কেন থাকবে’?

আমরা আবারও স্তালিনের স্মরণাপন্ন হইঃ “স্বায়ত্তশাসনের ধারায় জাতি মাত্ররই জীবন-বিন্যাসের অধিকার আছে, এমনকি পৃথক হবারও অধিকার আছে। এ ক্ষেত্রে মাকর্সবাদীরা সর্বদা বিচার করে দেখবে-সেই স্বায়ত্তশাসনের দাবী অথবা পৃথক হয়ে যাবার দাবী সেই বিশেষ জাতির বেশিরভাগ লোক তথা মেহনতি মানুষের পক্ষে সুবিধাজনক হবে কি-না”(প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৫)

এবার কি তারা বলবেন-‘পাহাড়িদের এইসকল দাবী বেশিরভাগ লোকের নয়? মুষ্টিমেয় কয়েকজনের? তা যেহেতু বলার উপায় নেই, তাই তারা বলছেন-“নৃতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে পাহাড়িরা কোন জাতিই নয়, জাতি হয়ে উঠতে পারেনি”।

মাকর্সবাদে এরও উত্তর আছেঃ “একটি জাতি হচ্ছে ঐতিহাসিকভাবে গড়ে-ওঠা একটি স্থায়ী জনসমষ্টি যা একই ভাষা, অঞ্চল, অর্থনৈতিক জীবন এবং একই সংস্কৃতির মধ্যে অভিব্যক্ত মনস্তাত্ত্বিক গঠনের ভিত্তিতে গঠিত”(প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা-২)।

সুতারাং চাকমারা বা অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিগুলো ১০০০ বিসি তে ছিল কি ছিলনা সেই প্রশ্ন অবান্তর।

এই কথিত রাষ্ট্র-সমাজ বিশ্লেষকদের আরও একটি ভ্রান্ত ধারণা হচ্ছে পাহাড়িরা বর্হিশত্রুর সাথে (এখানে সিএইচটি, যাদের সাথে থাকা লোকজনকে মুন্সীজী ‘চাকার-বাকর’ বলছেন) আঁতাত করে দেশ ভাঙ্গার ষড়যন্ত্র করছে! এ প্রসঙ্গে আমরা যথাযথ উত্তরটি পাই লেনিনের কাছে।

লেনিন বলছেন-“আমরা যদি হাজার ঢঙে ঘোষণা ও পুনরাবৃত্তি করতে থাকি যে, সমস্ত জাতীয় অত্যাচারের আমরা ‘বিরোধী’ আর অন্যদিকে যদি নিপীড়কের বিরুদ্ধে এক নিপীড়িত জাতির কোন কোন শ্রেণীর অতিগতিশীল ও আলোকপ্রাপ্ত অংশের বীরত্বপূর্ণ বিদ্রোহকে ‘যড়যন্ত্র’ আখ্যা দেই, তাহলে আমরা কাউটস্কিপন্থীদের মতো সেই একই নির্বোধ স্তরে নেমে যাব”(জাতীয় সমস্যায় সমালোচনামূলক মন্তব্য,জাতিসমূহের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার)।

এবার লেনিন এই তথাকথিত মাকর্সবাদীদের (কার্যত: রাষ্ট্রবাদীদের) বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত টেনেছেন এভাবে-

“জাতি ও ভাষাসমূহের সমানাধিকার যে স্বীকার করে না এবং তার স্বপক্ষে দাঁড়ায় না, সর্বপ্রকার জাতীয় নিপীড়ন ও অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে না, সে মাকর্সবাদী নয়, এমন কি গণতন্ত্রীও নয়।”

এ প্রসঙ্গে আরো পরিষ্কার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায় কমিউনিস্ট পার্টির ইস্তাহারে। মাকর্স-এঙ্গেলস বলছেন-
“ব্যক্তির উপর ব্যক্তির শোষণ যে অনুপাতে শেষ করা হয়, এক জাতির উপর অন্য জাতির শোষণও সেই অনুপাতে শেষ করা হবে। জাতির ভিতর বিভিন্ন শ্রেণীর দ্বন্দ্ব যে অনুপাতে লুপ্ত হবে, সেই অনুপাতে এক জাতির প্রতি অন্য জাতির শত্রুতাও শেষ হবে”(কমিউনিস্ট পার্টির ইস্তাহার, পিকিং, ১৯৬৫, পৃষ্ঠা ৫৫)

পাহাড়ে যে বাঙালি জাতিস্বত্তা কর্তৃক পাহাড়ি জাতিস্বত্তা নিপীড়িত-নির্যাতিত হচ্ছে তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন সমতলের সাধারণ মানুষকে যারা বুদ্ধি-চেতনা দিয়ে শাণিত করেন সেই বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চাকারীরা পাহাড়িদের ন্যায্য দাবীকে পাশ কাটানো, খন্ডন করা এমন কি তীব্র বাক্যবাণে প্রতিহত করার জন্য বিভিন্ন ইস্যুকে জোড়াতালি দিয়ে একটি নির্ঘন্ট বানিয়ে অনুসিদ্ধান্তে উপনীত হতে চাইছেন। সেই সিদ্ধান্ত টানার সময় তারা এই রাষ্ট্রের অখন্ডতাও হুমকির মুখে এমনটিও প্রচার করছেন। প্রচারের প্রধান বিষয়
(১)কলোনি লর্ড আ্যববুরি ও তাঁর বাংলাদেশী "সুশীল দোসর" চাকরবাকর এবং তাদের সংগঠন "সিএইচটি কমিশন"।(২) ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ কর্তৃক পাহাড়কে বিচ্ছিন্ন করে করদ রাজ্য বানানো।(৩) সেনাবাহিনী প্রত্যাহার হলেই পাড়াড়িরা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।(৪) পাহাড়িরাও বাঙালিদের উপর অত্যাচার-নির্যাতন চালাচ্ছে।(৫) বাংলাদেশের ভূখন্ডকে কিছুতেই আলাদা হতে দেওয়া হবেনা।

এই প্রচারের স্বপক্ষে আছে আওয়ামী লীগের একাংশ, কুখ্যাত লংদু হত্যাকান্ড চালানো ফ্যাসিস্ট জিয়ার বিএনপি, স্বৈরাচারী এরশাদের দল, কুখ্যাত জামাত এবং অপরাপর ইসলাম পছন্দ দল। গিয়াস কামাল চৌধুরীর সম্পাদনায় বিএনপি’র ‘রাজদরবারের নবরত্ন’ এমাজ উদ্দীন আহমদ, ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেন, এবনে গোলাম সামাদ, মুনশী আব্দুল মান্নান প্রমূখরা ‘আহা পর্বত আহা চট্টগ্রাম’ নামে ২৮৮ পৃষ্ঠার একখানা ‘ইশতেহার’ সম্পাদনা করে বিষবাষ্প ছড়াচ্ছেন। তারা সেনাবাহিনী দিয়ে বল প্রয়োগ করে পাহাড়িদের দমনের ব্যবস্থাপত্র দিয়ে আসছেন। অপর দিকে নূহ আলম লেনিন এর সম্পাদনায় ডা.এস এ মালেক, আবু সাইয়িদ, ড.হারুন-অর-রশিদ প্রমূখরা ‘জুম পাহাড়ে শান্তির ঝরনাধারা ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি’ প্রণয়ন করে সেই শান্তিচুক্তিকেই পাহাড়ের একমাত্র সমাধান বলছেন(এ বিষয়টি পরের পর্বে আলোচিত হবে)।

এই সমস্ত বিষয়গুলি মাথায় রেখেই পাহাড়ের হানাহানির অবসানের চিন্তা করতে হবে। উপরে উল্লেখিত কল্পিত জুজুসমূহের ভয়ে ভীত হতে চাইলে ভীত হওয়া কেউ ঠেকাতে পারবেনা। ‘জেএসএস’ বা ‘ইউপিডিএফ’ই যে সমগ্র পাহাড়ি জাতিস্বত্তার মুক্তির একমাত্র গ্যারান্টার সেটাও ভ্রান্ত ধারণা। তারা এইক্ষেত্রে যথেষ্ট পরিমানে প্রস্তুত নয় তাও সত্যি। ভারতীয় সম্প্রসারণবাদের প্রশ্নে তাদের পরিষ্কার কোন বক্তব্যও নেই। তাতে করে কি চোদ্দটি ছোট-বড় জাতিস্বত্তার মুক্তি আকাঙ্খা ফুৎকারে উড়িয়ে দেওয়া যাবে? মোটেই তা নয়। গাছের ফলটি পেঁকে উঠলে তা আপনাতেই খসে পড়বে। পাহাড়ে সেনা উপস্থতি যে পাহাড়িদের রক্ষা করার জন্য নয় সেটি বুঝতে পাহাড়িদের খুব বেশি জ্ঞানী হবার দরকার করেনা।

শেখ হাসিনা যেভাবেই বুঝুন শান্তিচুক্তি অনুযায়ী ক্রমান্বয়ে তার সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত সেই গাছটিতে পাকতে থাকা ফল যেন ধুয়ো দিয়ে পাকানো না হয়। সেনা উপস্থিতি মানেই ফলটিকে পাকতে উদ্বুদ্ধ করা। এখন যারা বলছেন-সেনা প্রত্যাহার মানে পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া! তাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৯৬’র নির্বাচনের আগে মাতম তুলেছিলেন-আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে মসজিদে আজানের বদলে উলুধ্বনি শোনা যাবে, ফেনী পর্যন্ত ভারত দখল করে নেবে! এখনো সেই ভাঙ্গা রেকর্ড ঘসে ঘসে বাজানো হচ্ছে।

এদের সাথে জায়ানবাদী ইজরাইলীদের কোন তফাৎ নেই। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের পুলিশী রাষ্ট্র ইজরাইলী ইহুদীবাদীরা যেমন যুক্তি দেয়, তারাই ফিলিস্তিনের আদি নাগরিক, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ইহুদীরাই এখানে ছিল। বাংলাদেশী মুসলমান সাম্প্রদায়িক জাতীয়তাবাদীদের ‘শত শত বছর আগে বাঙালিরাই পাহাড়ে সেখানে ছিল’ কথাটি কি অদ্ভুতভাবে মিলে যায় ইজরায়েলী ইহুদীদের সাথে! ভিয়েতনামেও এই একই ঘৃণ্য কাজ করেছিল আমেরিকানরা। সেখানে সামরিক অভিযান চালানোর সময় যেমন ক্লাস্টার ভিলেজ বানানো হয়েছিল, তেমনি এখানে বানানো হয়েছে গুচ্ছগ্রাম। উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় যেখানে পুণর্বাসন দেয়া হয়েছে, সেখানে খুঁটি গেঁড়ে চিহ্নিত করেই এর আশেপাশে মিলিটারী ক্যাম্প বসানো হয়েছে। তারপর পুণর্বাসন শিবির খোলা হয়েছে। এইভাবে দেশের এক দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে আর এক অধিকারবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়ে পরিস্থিতিকে দিনে দিনে জটিল থেকে জটিলতর করা হয়েছে । সমতল ভূমির ভূমিহীনেরা জানেনা শাসকদের উদ্দেশ্য কী ? জমি আর টাকার প্রলোভনই তাদের কাছে মূল বিষয়। তারা দুমুঠো খেতে পেয়ে বড় মাছ শিকারের ছোট মাছ হয়ে বড়শিতে গেঁথে ঝুলছে। চূড়ান্ত বিচারে বাংলাদেশের বড় বুর্জোয়া দলসমূহ (ঠিক এই মুহূর্তে বিএনপি,জামাত, জাতীয় পার্টি, বুর্জোয়া লেজুড় বাম), সামরিক-বেসামরিক আমলা সহ পুরো শাসক সামন্ত শ্রেণীই পাহাড়িদের শত্রু, পাহাড়ি জনগণ এটা ভালভাবেই বোঝেন। একই সাথে দক্ষিণ এশিয়ার ছোট দেশ সমূহের সাধারণ শত্রু ভারত তো আছেই ওৎ পেতে। পার্বত্য চট্টগ্রামে চূড়ান্ত শান্তি প্রতিষ্ঠা, পাহাড়ি জনগণের অধিকার আদায় কিভাবে হবে সেটা সেখানকার অভ্যন্তরীন দ্বন্দ্ব, তার বিকাশ, দ্বন্দ্বের গতিমুখ নির্ধারণ আর ইতিহাসই নির্ণয় করে দেবে।


[এই পোস্টটি কাউকে আক্রমনের উদ্দেশ্যে নয়। নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের গায়ে যেন পাকিস্তানী উপনিবেশবাদীদের কালিমা না লাগে, নিজের সেনাবাহিনীর হাত যেন নিজেরই জনগণের রক্তে রঞ্জিত না হয় সেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি জাতীয়তাবাদের ভেতরে থেকেও কিভাবে আন্তর্জাতিকতাবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবা যেতে পারে তা-ই দেখানোর চেষ্টা। আর যেহেতু নিপীড়িত জাতিস্বত্তার মুক্তি, ক্ষুদ্র জাতিস্বত্তার টিকে থাকার বিষয়গুলি নিয়ে মাকর্সবাদ-লেনিনবাদের চেয়েও ভাল কোন তত্ত্ব এখন পর্যন্ত আমাদের সামনে নেই বলে মাকর্সবাদের ব্যাখ্যা ব্যবহৃত হয়েছে]



 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): পাহাড়পাহাড়ি জাতিস্বত্তাপাহাড়িদের উপর অত্যাচার-নিপীড়ন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৩৮
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন: এত কথা না লিখে কষ্ট না কইরা পাহাড় সহ পুরা দেশ তাগোরে দিয়ে দেওয়া হউক লিখে দিলে ভাল হইত তাইলে + দিতে পারতাম।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:০৯

লেখক বলেছেন: যাদের তুচ্ছ সমানাধীকার দেয়ার মুরোদ নেই তাদের মুখে এসব কথা মানায় না।

২. ১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৪০
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন: আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন: এত কথা না লিখে কষ্ট না কইরা পাহাড় সহ পুরা দেশ তাগোরে দিয়ে দেওয়া হউক লিখে দিলে ভাল হইত তাইলে + দিতে পারতাম।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:১০

লেখক বলেছেন: প্লাস দিয়ে কি করে?
খায় না পিন্দে?

৩. ১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫০
খারেজি বলেছেন: দুইটা ছাগল মুখ দিল সবার আগে, এই আফসুস রয়া গেল এত সুন্দর পোস্টে।

অভিনন্দন মনজু ভাই। এইটা এমন একটা ইস্যু, যেইখানে প্রগতিশীল রঙওয়ালা আর প্রতিক্রিয়াশীল নিপীড়ক এক কাতারে দাঁড়ায়।

আধানারীবাদীরাও ধর্ষকদের কাজের জাস্টিফিকেশন খোঁজে, আধখেচড়াসমাজতন্ত্রীরাও জাতিগত নিপীড়নের বৈধতা দেয়।


এই রকম একটা ইস্যুতে আপনি এইভাবে দাড়াইছেন, সালাম মনজু ভাই।
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ খারেজি।
ছাগল-পাগল আর জ্ঞানপাপীদের আক্রমন নতুন কিছু নয়। ব্লগে কম দিন দেখছি না। এতে কিছুই যায়-আসে না।

কারো কারো এতেই আনন্দ!

৪. ১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৩
নাজিম উদদীন বলেছেন: এখন সময় নাই, দেখে গেলাম পরে সময় নিয়ে পড়ব।
১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: পড়ে আবার এসেছেন সে জন্য ধন্যবাদ নাজিম।

৫. ১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৪
খারেজি বলেছেন:

আর আসলেই অবাক হৈছি, পি মুন্সীর মত লোক বদমাইশদের প্রচারণার সাথে সুর মিলায়া পাহাড়িরা আদিবাসী কিনা সেই ধোয়াসা তুইলা সেইখানে দরিদ্র বাঙালিদের বসতি গড়ারে জাস্টিফাই করে!
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন:
এদের হিপোক্র্যাসি দেখে অবাক হওয়ারও সময় পাবেন না, তার আগেই দেখবেন আরো নতুন নতুন অবাক হওয়ার মত তত্ত্বের জন্ম হয়ে গেছে!

এদের মানবিকতা বা অধিকার সবই নিজের জন্য রক্ষিত। অপরের বেলায় কাচকলা!

১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: অভিবাদন আমি ও আঁধার।

৭. ১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৫
শ্লোগান বলেছেন:
আমি ঢাকার কাঠাল বাগানের স্বায়ত্তশাসন চাই! কারন আমি ছাগল আমার কাঠালপাতা বড়ই পছন্দ কিন্তু আবাল গুরুদের কারনে আমি আমার অধিকার থেকে বন্চিত।
৮. ১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৬
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন: @খারেজী একদিন পি মুন্সী একদিন রাগ ইমন করতেই করতেই মইরা যাইতাছে ।আফসুস
১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০. ১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৮
খারেজি বলেছেন: আছাসভা, তুমার মত ছাগল দেশে যত বেশি থাকব, ইন্ডিয়া ততবেশি দিন দেশটারে লূটতে পারব।

তুমার মত রামছাগলের কল্যাণে পাকিস্তানের রাজনীতি অর্থনীতি সবই ইন্ডিয়ার কব্জায় গেসে।

১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: কে বুঝবে এসব!

১১. ১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৮
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
এই পোস্ট কি প্রিয় পি মুনশী'র নজরে পড়বে? আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে, বাঙালীদের স্বাধীকারের দাবীকে উনি কিভাবে দেখেন।

সেল্যুট মনজু ভাই!
১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:০১

লেখক বলেছেন: একাত্তর পর্যন্ত ঠিক ছিল। এমনকি সাতাত্তর পর্যন্তও। এর পর পরই বাঙালি/বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ রূপ বদলাতে শুরু করেছে।

এখন জাতীয়তাবাদী গ্রাসকরণ চেষ্টার গায়ে বিচ্ছিন্নতার তকমা লাগিয়ে জায়েজ করার কোশেশ চলছে!!

১২. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০০
খারেজি বলেছেন: আছাসভা, তুমার মত ছাগল দেশে যত বেশি থাকব, ইন্ডিয়া ততবেশি দিন দেশটারে লূটতে পারব।

তুমার মত রামছাগলের কল্যাণে পাকিস্তানের রাজনীতি অর্থনীতি সবই ইন্ডিয়ার কব্জায় গেসে।

১৩. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০২
পারভেজ বলেছেন: চমৎকার বিশ্লষন।
সবার সুবুদ্ধি, সৎ বুদ্ধি জাগ্রত হোক।
আমরা নিরীহ মানুষকে অত্যাচারিত হতে দেখতে চাইনা আর।
তা সে বাঙালী হোক কিংবা পাহাড়ি।
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পারভেজ।

"আমরা নিরীহ মানুষকে অত্যাচারিত হতে দেখতে চাইনা আর।
তা সে বাঙালী হোক কিংবা পাহাড়ি।"

১৪. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৩
সত্যান্বেষী বলেছেন: পাহাড়িদের সাথে আমাদের সরকার যা করে এবং যা করবে তা যদি সঠিক হয় তাহলে পাকিস্তানের শাসকগোষ্টি ৬৪ থেকে ৭১ পর্যন্ত আমাদের সাথে যা করেছিল তাতো বেশ সহজেই জায়েজ হয়ে যায়।

পরিশ্রমী লেখা। শুধু এটুকু বলবো - আমি শোষিত এবং শেষ পর্যন্ত শোষনহীনতার পক্ষে।
১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:০২

লেখক বলেছেন: "শুধু এটুকু বলবো - আমি শোষিত এবং শেষ পর্যন্ত শোষনহীনতার পক্ষে"

শেষ পর্যন্তও এই কথাটি বলতে পারা এবং বিশ্বাস করতে পারার জন্য অভিবাদন গ্রহন করুন কমরেড।

১৫. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৫
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

@আমি ছাড়া সবাই ভাল
@ব্রাইটসেন্ট্রাল
@বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত
@শ্লোগান

এই বিশ্লেষণে আপনাদের আপত্তি থাকতেই পারে। যেমন মুনশী'র বিশ্লেষণে মনজু ভাইয়ের আপত্তি ছিল সেটা সেখানে ব্যাখ্যা করতে চেষ্টা করেছেন, তারপর বিস্তারিত এই পোস্ট দিয়েছেন।

আপনাদের আপনত্তির জায়গাটা সকলের সাথে শেয়ার করুন। তাহলে বরং আলোচনাটা এগুতে পারে।
১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৫০

লেখক বলেছেন: সেই বিদ্যা ছিল কবে?

১৬. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৬
ইউনুস খান বলেছেন: প্রশ্ন হলো যে, কিভাবে পাহাড়ী জনপদকে শান্ত রাখা যায়? যারা মনে করে সেখান থেকে সেনাবাহিনী সরিয়ে দিলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে তাদের সাথে আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনভাবেই একমত না।

পার্বত্য চট্রগ্রাম ভৌগিলিকভাবে বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং সেখানকার আইনশৃঙ্খলা সরকারী ভাবে নিয়ন্ত্রিত সুশৃঙ্খল বাহিনীর মাধ্যমেই হতে হবে। তা না হলে পার্বত্য চট্রগ্রাম ভারতের আসামের বিচ্ছিন্নবাদীর হাতে চলে যেতে পারে এবং চোরাকারবারীদের স্বর্গে পরিণত হতে হবে।

কিন্তু কোনভাবেই সেখানে পাহাড়ী হত্যা সমর্থন করিনা। তেমনি ভাবে কোন বাঙালী সন্তান হারা হোক তাও চাইনা।
১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৫২

লেখক বলেছেন: ভৌগিলিকভাবে বাংলাদেশের জন্য দেশের প্রতিটি ইঞ্চিই গুরুত্বপূর্ণ।

১৭. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৬
সত্যান্বেষী বলেছেন: তথ্যসমৃদ্ধ এবং মানবিক আবেদনময় পোস্টটির জন্য লেখকের কাছে গভীর কৃতজ্ঞতা।
১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৫২

লেখক বলেছেন: আপনার প্রতি লেখকেরও কৃতজ্ঞতা।

১৮. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৬
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: এই পোষ্টের কমেন্টের প্রতি খেয়াল করলেই বুজা যাইবো ৫৫৫৬০ বর্গমাইলের বা;লাদেশকে কে কতটুকু ভালবাসে.......!!!


৭১ এ ৩০ লাখ শহীদ আর ৩ লাখ নারী ইজ্জত দেয়ার সময় ক্লীয়ার করা দরকার ছিল, দেশের ১০ ভাগ সন্ত্রাসী সন্তু লারমা ও ভারতকে দিয়ে দেয়া হবে|


ভাজাকার ধরার ফাঁদ হিসাবে এই পোষ্ট ওয়াচে রাখলাম, আর পোষ্ট দাতাকে অশেষ ধন্যবাদ..........!!!!
১৯. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৭
মনজুরুল হক বলেছেন:

@আমি ছাড়া সবাই ভাল
@ব্রাইটসেন্ট্রাল
মাইনাস দেন কোন সমস্যা নাই, সেইটা আপনের ব্লগীয় অধিকার, কিন্তু এই পোস্টে আজেবাজে কথা না বলতে অনুরোধ করছি। ব্লক করতে বাধ্য করবেন না।
২০. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৮
ইউনুস খান বলেছেন: চোরাকারবারীদের স্বর্গে পরিণত হতে পারে।
১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: কোন অঞ্চল চোরাকারবারীদের কাছে স্বর্গ নয়? ঢাকা এলিট চোরাকারবারীদের স্বর্গ হলো কিভাবে?

২১. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:১১
মুনশিয়ানা বলেছেন: ... এই ‌'সংবিধান বিশারদদের' এই পক্ষটি ব্যঙ্গ করে বলেন-‘উকিল-মোক্তারের’ সংবিধান। অথচ দেখুন যে বিশারদদের কানপড়ানি শেখ মুজিব শুনেছেন বলে বলা হচ্ছে তিনিই(মুন্সী) আবার সেই সংবিধানকে বেদবাক্য বলছেন-

মনজুভাই, কোন গনতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সংবিধান প্রনয়নের পদ্ধতি নিয়ে কারও সমালোচনা থাকতেই পারে। সে সংবিধান গনপ্রতিধিত্বের বিচারে আসার প্রমাণ হতেই পারে। কিন্তু আমরা তো সেই সংবিধানকে ছুড়ে ফেলে দেই নাই।একটা গনতান্ত্রিক সংবিধান রচনার আগ পর্যন্ত সবাই বসবাস করছি এই সংবিধানের অধীনেই।

এখন সেই সংবিধান প্রতিনিধিত্বমুলক নয়, এই অজুহাতে এর সঙ্গে স্ববিরোধ পুর্ণ কোন কিছুকে প্রশ্রয় দেবার মত নৈরাজ্য কি আমরা দেখাতে পারি?

পাহাড়ী সমতলী সহ দেশের প্রতিটি নাগরিকই এই সংবিধানকে মেনে চলতে বাধ্য। ফলে পাহাড়ীরা যে সংবিধানের আওতায় থেকে শান্তিচুক্তি সম্পাদন করেছ, সেই সংবিধানের অপরাপর ধারা সমুহ অগ্রাহ্য করে কি করে?

এখন কেউ যদি এমন দাবী তুলে, এক্ষেত্রে আমাদের সুপ্রীম কোর্ট কি অবস্থান নেবে? যে চুক্তি বা দাবী সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, তা কি বাতিলের আদেশ দিবে না?
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন:

পাহাড়িরা নিশ্চিভাবেই সংবিধান মানতে বাধ্য। তাদের সাথে শান্তিচুক্তিও করা হয়েছে সংবিধানের আলোকে।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সেই শান্তিচুক্তির শর্তানুযায়ীই যখন সেখান থেকে ক্রমান্বয়ে সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়েছে, তখনই এক শ্রেণীর জোর আপত্তি এসে গেছে। বলা হচ্ছে: সেনা সরালেই সেটেলাদের মেরে কেটে সাফ করে দেবে পাহাড়িরা!

কেন সাফ করে দেব? ১৯৭২ এর আগেও সেখানে প্রায় ১০ শতাংশ স্থানীয় বাঙালি ছিল তখন তো মেরে কেটে সাফ করেনি? এখন সেই ভয় কেন আসছে? কারণ আমরা সেখানে সংখ্যানুপাত সমান করার জন্য বাঙালি মাইগ্রেট করিয়েছি।

তেমনি, যখন শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছিল, যখন সেনা প্রত্যাহারের শর্ত রাখা হয়েছিল তখনই তো ভাবা উচিৎ ছিল পাহাড়ে বপন করা বাঙালিদের রক্ষা করার উপায় কি?

যেহেতু ওখানে দরিদ্র বাঙালিরা স্বইচ্ছায় যায়নি, সরকারই ঠেলে পাঠিয়েছে। সুতরাং তাদের নিরাপত্তাও ঠিক করতে হবে সরকারকে। আর সেটা শর্ত মোতাবেক সেনা প্রত্যাহার করেও।

২২. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:১১
কখনও মানব কখনও দানব বলেছেন: মনজু ভাই হারামির বাচ্চাগুলারে কইষা লাত্থি লাগান।
২৩. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:১২
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: @প্রশ্নোত্তর:

৫৫৫৬০ বর্গমাইলের ১ ইন্চিও ছাড়তে রাজী না|

পাহাড়ী-বা;গালী সবাই ভাই ভাই| সবাইকে আইনের আশ্রয় দেয়া হোক|

বিদেশী এনজিও আর ভারতীয় দূতাবাসের টাকা খাওয়া ব্লগাররা দেশ বেচে নিজের ব্যা;ক একাউন্ট বাড়ানোর চেষ্টা করতেছে.....।
২৪. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:১৪
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
কিছু চিন্হিত নিকের সমস্যা কি জানেন মনজু ভাই? তারা খালি শিরোণাম আর শেষের কয়েক লাইন পড়েই নিজেদের জ্ঞানগর্ভ নির্বুদ্ধিতার প্রমাণ রাখার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

পি মুন্সীর লেখার একজন ভক্ত আমি। কিন্তু তার ভিতরেও যখন কন্ট্রোভার্সি দেখি, একজন ভক্ত হিসেবে আমার অবস্থান নড়ে যায়।

আপনার লেখা পি মুন্সী বা তার পন্থার অনুসারীদের জন্য উপযুক্ত একটা জবাব হয়েছে...

হ্যাঁ, আপনি মার্ক্সবাদ কে মনে প্রাণে ধারণ করেন বলেই আপনার ব্যখ্যায় মার্ক্সবাদ প্রাধাণ্য পেয়েছে। তবে এ প্রসঙ্গে গণতান্ত্রিক ব্যখ্যারও প্রয়োজন আছে বলেই আমার ধারণা, আফটার অল আমরা (সো কল্ড) গণতান্ত্রিক দেশের অধিবাসী...

বিদ্রোহী রণ ক্লান্তের ৩ নং কমেন্ট টা রিপোর্ট করলাম। সাথে তাকে ব্লগে প্রকাশের অযোগ্য একটা গালিও দিলাম।
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:০১

লেখক বলেছেন: না বৃত্ত, এখানে সমস্যা হলো নিজেকে প্রগতিশীল সমাজতন্ত্রী ভাবতে অনেকেরই ভাল লাগে, কিন্তু যখন সেই ভাললাগা মতবাদের মূল সূত্র নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়, তখন আর সেই সূত্র কেউ সামনে আনতে চায়না। তাই বাধ্য হয়েই সূত্রগুলো উল্লেখ করতে হয়েছে।

মতাদর্শ কোন জাতপাত নির্ণয় করে প্রয়োগ হতে পারেনা।

২৫. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:১৭
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত

খুব ভালো কথা বলেছেন, সবাইকে আইনের আশ্রয় দেয়া হোক। এ প্রসঙ্গে আসছি। তার আগে আপনার বিদেশী এনজিও আর ভারতীয় দূতাবাসের টাকা খাওয়া ব্লগাররা দেশ বেচে নিজের ব্যা;ক একাউন্ট বাড়ানোর চেষ্টা করতেছে.....। এ কথাটার নিন্দা জানাই। নিজের মতের বিরুদ্ধে মত আছে এটা মেনে নিয়েই আলোচনায় প্রবৃত্ত হতে হয়। তাই বিরুদ্ধ মত শুনেই তাদেরকে ভারতীয় দূতাবাসের টাকা খাওয়া বলাটা ঘোরতর অন্যায় এবং বেআইনীও বটে।

১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: আমরা খুব দ্রুতই এক একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে চলে আসি! মনে হয় যেন সব কিছুই আমাদের বিচার-বুদ্ধির অনুগত দাস। সব কিছুই ছেলের হাতের মোয়া!

ধন্যবাদ প্রশ্ন।

২৬. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:১৭
খারেজি বলেছেন:
মুনশিয়ানা, সংবিধানের দোহাই দিয়া কি আপনি সবকিছুকে জাস্টিফাই করবেন কিনা?

সংবিধানের কোন একটা ধারার অধীনে চুক্তি করার কারণে কি য়াপনি রাষ্ট্রধর্ম বিল বা বাকশাল ইত্যাদি মাইনা নেন সেগুলা স্রেফ সংবিধানের অংশ বৈলা?

নাকি সেইগুলারেও গণতান্ত্রিক করার দাবি জানান?

রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি যদি আমরা দেই, দিতে থাকি, তাহলে সংবিধানরে মানবিক করার, বৈষম্যহীন করার বা দুর্বল জাতিসত্তাগুলার আন্দোলনটা কারা করবে?

সুপীমকোর্টে মামলা? সুপ্রীম কোর্ট বা রাষ্ট্র তাদের কাজ করবে। কিন্তু তারা যাতে গণতান্ত্রিকতম কাজটা করতে বাধ্য হয়, সেই জনমতটা গঠন প্রগিতশীলদের কাজ।
১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:০৭

লেখক বলেছেন: মাই ডিয়ার ফ্রেন্ড মুনশিয়ানার সাথে এ নিয়ে আরো এক দফা আলোচনা হতে পারে। আশা করি মুনশিয়ানা সেই আলোচনায় অংশ নেবেন। আপনিও থাকবেন।

১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লড়াকু।

২৮. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:১৮
উসীমজদ্দীন বলেছেন: বিশ্লেষন ভাল। সমাধানের কিছুতো বলেননি। অধিকার বঞ্চিত পাহাড়ীরা কিভাবে অধিকার ফিরে পাবে কিংবা সমতলের দরিদ্র মানুষগুলো যারা ৩০বছর যাবৎ পড়ে আছে,সরকার তাদের কোথায় নিবে? এ বিষয়ে ২লাইন লিখলে ভাল হত।
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ উসীমউদ্দীন।
সমাধান এই রাষ্ট্রকেই দিতে হবে। আমি সমাধান দেওয়ার জন্য যথাযথ ব্যক্তি নই। এই পোস্টে কেবল কিছু ভ্রান্ত ধারণা খন্ডন করার চেষ্টা করেছি। ওই বিষয়ে পরের পোস্টে আলোচনার চেষ্টা করব।

২৯. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:১৯
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন: @প্রশ্নো,পার্বত্য চট্রগ্রাম ভৌগিলিকভাবে বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই কথাটাই যারা অস্বীকার করতে চাই কৌশলে তারা রাজাকারের ডিজিটাল সংস্করন ভাজাকার।



আর লেখক,আমার প্রথম কমেন্ট খারাপ ছিলনা।আবাল খারেজী শুরু করছে।আবলামী করলে থাবডানি তো খাইতেই হইবে।আগে যে শুরু করছে হেরে ব্লক করেন আর না হয় থামান।
৩০. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:১৯
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: বৃত্তবন্দী বলেছেন:


বিদ্রোহী রণ ক্লান্তের ৩ নং কমেন্ট টা রিপোর্ট করলাম।


-------->> কার কাছে রিপোর্ট করলা...??
পিনাক দাদু না কী সন্তু দা'র কাছে....?????
৩১. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২১
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: সত্যান্বেষী বলেছেন: তথ্যসমৃদ্ধ এবং মানবিক আবেদনময় পোস্টটির জন্য লেখকের কাছে গভীর কৃতজ্ঞতা।
১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দ্বিতীয়নাম।
কৃতজ্ঞতা।

৩২. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২৬
মুনশিয়ানা বলেছেন: পোষ্টে কমেন্টদাতাদের উদ্দেশ্যে আবেদন- দয়া করে শালীনতার মধ্যে থাকুন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ইস্যুটি আমাদের জন্য ভীষন গুরুত্বপুর্ণ একটা ইস্যু। এ বিষয়ে বিস্তর কথা খরচের দরকার আছে।
সুস্থ একটা বিতর্ক আমরা এখানে করতে চাই।

মনজু ভাই, আশা করবো কোন ধরনের অশালীন মন্তব্য বক্তব্যকে আপনি প্রশ্রয় দেবেন না। বিশেষ করে গরম তাওয়া পেলেই যারা নিজ নিজ রুটি ভাঁজতে শুরু করে দেয়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।
১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: কি করতে পারি বলেন! শেষতক কয়েকটারে খালি ব্লক করলাম।

৩৩. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২৬
রোবোট বলেছেন: লেখায় প্লাস। আদিবাসী/উপজাতি/পাহাড়ি সংক্রান্ত ব্যাপারে উদার বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাও একইরকম স্বীকৃতি দেয়।
দেশের সেনাবাহিনী-প্রশাসনকে নিঃশর্ত সমর্থন দেয়াই দেশপ্রেম-মানবতার একমাত্র/প্রধান শর্ত না।
ইউনুস খানের কমেন্টে ১০০ ভাগ একমত না হলেও স্পিরিট ভালো লেগেছে।
৩৪. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২৭
রোবোট বলেছেন: লেখায় প্লাস। আদিবাসী/উপজাতি/পাহাড়ি সংক্রান্ত ব্যাপারে উদার বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাও একইরকম স্বীকৃতি দেয়।
দেশের সেনাবাহিনী-প্রশাসনকে নিঃশর্ত সমর্থন দেয়াই দেশপ্রেম-মানবতার একমাত্র/প্রধান শর্ত না।
ইউনুস খানের কমেন্টে ১০০ ভাগ একমত না হলেও স্পিরিট ভালো লেগেছে।
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন:
"দেশের সেনাবাহিনী-প্রশাসনকে নিঃশর্ত সমর্থন দেয়াই দেশপ্রেম-মানবতার একমাত্র/প্রধান শর্ত না। "

এটাই শত কথার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কথা।

৩৫. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২৯
ইউনুস খান বলেছেন: @মনজুরুল ভাই,
২৬ নং এর জবাব থেকে কোটেশান নিয়া জানতে চাই - আপনে কি মনে করেন শান্তি চুক্তিটা পুরাপুরি ভাবে মানা সম্ভব? যদি উত্তর হ্যাঁ হয় তাহলে সেখান থেকে সেনাবাহিনী সরিয়ে দিলে এটার পরিণতি কতটুকু ভয়াবহ হতে পারে সেটা কি ভেবে দেখেছেন?
আর যদি না হয় তাহলে বলবো ঠিকমতো বিচার বিশ্লেষন না করে তড়িগড়ি করে শান্তি চুক্তি করা হয়েছিলো।
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন:
"ঠিকমতো বিচার বিশ্লেষন না করে তড়িগড়ি করে শান্তি চুক্তি করা হয়েছিলো।"

মনে হয়না। এত বছর পরে এসে যদি এটা বলি, সেটা কাজের কথা নয়। ৯৭ এর পরে ১৩ টা বছর পার হয়ে গেছে। এর মধ্যে সেনা প্রভাবিত সরকারও ২ বছর ক্ষমতায় ছিল, তারাও তো পারত শর্ত সংশোধন করতে?

যেটুকু চুক্তি মানলে পাহাড়িরা "চুক্তিভঙ্গের" দায় চাপাতে পারবে না সেটুকু মানতে দ্বিধা কেন? সরকার তো বলেছিল পুরোটাই মানবে। এখন তারা যদি বলে ১৩ বছরে কতটুকু মানা হয়েছে? তাহলে কি জবাব আছে আমাদের হাতে?

৩৬. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩০
তাসলিমা মুন বলেছেন: চমৎকার একটি লেখা। পুরোটা পড়তে পারলামনা। আমার সব সময় এরকম হয়, বেশি ভাল লাগলে আমি একবারে পড়তে পারিনা। এথনিসিটি নির্মূল বিষয়টি দেখতে কি সংবিধান লাগে? চুক্তির দোহাই লাগে? বিষয়টি কি এমনই অদৃশ্যমান? তাহলে কি আমরা বলতে পারি ইজরায়েল যা করছে ঠিক করছে? আরব আরব ভাই ভাই!
ইহুদি নিধনে হিটলার তাহলে সঠিক করেছিলো বলে আপনারা মনে করেন?
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন:
আপনার মন্তব্যটি স্বর্নকারের ঠুকুরঠাকুর এর বিপরীতে কামারের এক ঘা!
ধন্যবাদ আপনাকে।

৩৭. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩২
খারেজি বলেছেন:
আছাসভা
পাকিস্তান আর বাংলাদেশের দশা নিয়া আমার কমেন্টটার মানে যদি বুঝতা, তাইলে পয়লা বেকুবের মত কমেন্টা করতা না।
৩৮. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৩
ইউনুস খান বলেছেন: @রোবোট ভাইয়া ঠিক কোন জায়গায় একমত না বললে আলোচনা এগিয়ে নিতাম।
একটা জিনিস এইখানে ব্লগীয় দলবদ্ধতা বা ব্লগীয় কোন্দল বা ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতাকে আড়ালে রেখে আলোচনা চালিয়ে নিলে মনে হয় একটা গ্রহণযোগ্য সমাধানে আসা যেতে পারে। যদিও এটা হয়তো কোনদিন উপরে মহলে পৌছাবেনা তথাপি নিজেদের আত্নতুষ্টি বলে একটা কথা আছে।
৩৯. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৫
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন: @খারেজী আর তুমিও যদি আমার প্রথম কমেন্টটার মানে বুঝতা তাইলে আবলামী করতা না ।তুমারতো এখন পৌষ মাস।বসে তোমারে যে এই পুস্টে আবলামীর লাইসেন্স দিয়া দিছে।
৪০. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৭
হামদান বলেছেন: একপেশে মনে হলো, পরের পর্বের অপেক্ষায়
১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: পড়ে বললেন তো?

৪১. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৯
খারেজি বলেছেন:
আছাসভা

তোমার বেরেন এত কম, তুমারে ইগন্র এখন থাইকা।

ম্যা ম্যা করতে থাক যত খুশি।
৪২. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪০
খারেজি বলেছেন:
ধন্যবাদ তাসলিমা মুন।

এই পয়েন্টটাই আমি মুনশিয়ানাকে বলতে চাইছি।
৪৩. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৫
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন: খারেজী দুই ব্লগে তোমারে দেখইা তোমার স্বভাব আমার জানা আছে ।তোমার মত আবালের মাঠ ছাইড়া যাওনের স্বভাব আমার জানা আছে ।হ্যাপি ব্লগিং :)
৪৪. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৫
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @হামদান

কোন পয়েন্টটা একপেশে মনে হলো?
৪৫. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৫
ইউনুস খান বলেছেন: @মনজুরুল ভাই
তার মানে আপনে চাচ্ছেন সেখান থেকে সেনাবাহিনী সরে যাক।

তাহলে সেখান থেকে সেনাবাহিনী সরিয়ে দিলে এটার পরিণতি কতটুকু ভয়াবহ হতে পারে সেটা কি ভেবে দেখেছেন?

২০ নং মন্তব্য পুনরায় উপস্থাপন করলাম।
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন: আমিও আমার বক্তব্য পুনরুল্লেখ করলাম: যেটুকু চুক্তি মানলে পাহাড়িরা "চুক্তিভঙ্গের" দায় চাপাতে পারবে না সেটুকু মানতে দ্বিধা কেন? সরকার তো বলেছিল পুরোটাই মানবে। এখন তারা যদি বলে ১৩ বছরে কতটুকু মানা হয়েছে? তাহলে কি জবাব আছে আমাদের হাতে?

চুক্তিতে যদি থাকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে, তাহলে চুক্তি মানার অর্থ সেনা প্রত্যাহার সহ ভূমি সংস্কার এবং চুক্তির অন্যান্য শর্তাবলি ক্রমান্বয়ে কার্যকর করা।

৪৬. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: অনেক বড় পোষ্ট। কিছু পড়লাম; কিছু পরে পড়ার জন্য রেখে দিলাম। পি মুন্সীর পোষ্টটাও পড়তে হবে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের এই সমস্যাটি নিয়ে আমার জ্ঞানের লেভেল অনেক নিচে। তাই, সহমত- বিপরীত মত কিছুই জানাচ্ছি না। সেইসাথে, আরো পড়ার কোন বিকল্প খুঁজে পাচ্ছি না।
আপনাকে ধন্যবাদ।
১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৫২

লেখক বলেছেন: তায়েফ আহমাদ। এখানে খুব উঁচু মাপের লেভেল দরকার আছে বলে মনে হয়না। আমরা সবাই খুব সাধারণ মানের চিন্তক। তবে আমাদের চিন্তার সেই ক্ষুদ্র ক্ষমতা দিয়েই আমরা যা দেখি তা কিন্তু দ্বিগগজ পন্ডিতেরা দেখেও দেখছেন না!

ঠিক বলেছেন। দুটো পোস্টই মিলিয়ে পড়া দরকার।

আবার আসবেন আশা করি।

৪৭. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৯
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

নিজের মতের বিরুদ্ধে মত আছে এটা মেনে নিয়েই আলোচনায় প্রবৃত্ত হতে হয়। তাই বিরুদ্ধ মত শুনেই তাদেরকে ভারতীয় দূতাবাসের টাকা খাওয়া বলাটা ঘোরতর অন্যায় এবং বেআইনীও বটে......


---------->> নিজের দেশের স্বাধীনতা খর্ব করা, ১০ ভাগ দিয়ে দেয়ার পক্ষে যুক্তি(!) আপনার কাছে শুধু বিরুদ্ব মত প্রকাশ বলে মনে হয়.....??

তাহলে পাকি রাজাকারগো আকামরে আপনি কি বলবেন......???
৪৮. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫০
খারেজি বলেছেন:
ইউনুস খান,

সেনাবাহিনী সরানো বিষয়টারে দুইভাবে দেখা যাইতে পারে।

রাষ্ট্র যদি মনে করে, তার নিরাপত্তা ও সামরিক কৌশলগত দিক আছে, সহজেই সে সীমান্তরক্ষী বা অন্যান্য ব্যবস্থা নিতে পারে, যেমনটা সে দেশের অন্য এলাকায় নেয়। অই অর্থে সীমান্তরক্ষী সরানোর দাবি করার অর্থ নাই। তার সাথে নাগরিক, তা সে চাপাইয়ের বাঙালি হোক, আর খাগড়াছড়ির পাহাড়ি হোক, কোন সম্পর্ক নাই।

কিন্তু সেনাবাহিনী বা বিডিয়ার যেন কোন ভাবে পাহাড়ি (কিংবা চাপাইনবাবগঞ্জের বাঙালি) জনগোষ্ঠীর জীবনে প্রভাবক হয়ে না দাড়াক। তাদের ওঠা বসা, তাদের বাণিজ্য, তাদের প্রতিযোগিতা, সব কিছুতে নির্ধারক না হোক। তাদের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ না করুক।

এই অর্থে সেনাপ্রত্যাহার।
৪৯. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫২
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন: বিদ্রোহী এত অধৈর্য্য হন কেন?নজরে রাখেন শুধু এমতে কইলেতো এলবি করন যাইবনা।
৫০. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫৩
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @ইউনুস খান

মিলিটারি কি কোনদিন সমাধান দিয়েছে? অপারেশন সার্চলাইট কি দিয়েছিল? অথচ দেখুন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ভেবেছিল মাত্র সপ্তাদুয়েকের মাঝেই সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। বাঙালি জাতিগোহ্ঠী নামে কোন কিছুর অস্তিত্ব তারা স্বীকার করেনি, মুছে দিতে চেয়েছে। ফলাফল - বাঙালি জাতি পৃথিবীর ইতিহাসে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

উল্টোটাও হতে পারতো - তারা মিলিটারির বদলে সমাধানের পথ খুঁজতে পারতো। সেক্ষেত্রেও মিলিটারি থাকতে পারতো না।

মোদ্দা কথা হচ্ছে যে পথেই এগোন না কেন, নিজ দেশের ভেতরে মিলিটারি মোতায়েন রাখা যায় না।
৫১. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫৪
সালমান সিদ্দিকী বলেছেন:
লেখাটি আসাধারন লেগেছে পাহাড়িদের স্বাধিকার আদায়ের সংগ্রামে লুঙ্গি বামদের আবাল যুক্তিগুলি দেখলে করুনা লাগে স্যালুট মঞ্জু ভাই এসব বুর্জোয়াদের আসল চেহারা আমাদের দেখানোর জন্য
১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:১০

লেখক বলেছেন: সালমান সিদ্দিকী, আশা করেছিলাম আপনার কাছ থেকে আরো কিছু তথ্য পাব। আশা এখনো জারি আছে। সময় হলে আর একবার আসলে খুব ভাললাগবে।

৫২. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫৪
সত্যান্বেষী বলেছেন: বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত ছাগলের তিন নম্বরের মতো ফাল পারা শুরু করলো বুঝলাম না। লেখকের বক্তব্যের বিপরিতে বেশ কয়েকটি বক্তব্য এখানে যা অপাঠ্য নয়। রণক্লান্ত কি পারতো না তার বিরুদ্ধাচারণকে আরেকটু শোভন করতে? কিংবা এমন একটি সিরিয়াস ইস্যুতে নিদেন পক্ষে ব্লগের পরিবেশটা নষ্ট না করতে?
১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:১১

লেখক বলেছেন: কয়লা ধুলেই কি ময়লা যায়!

৫৩. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫৭
রোবোট বলেছেন: ইউনুস খান
সেনাবাহিনী সমস্যার একটা অংশ। আবার ক্ষেত্রবিশেষে সমাধানেরও অংশ।
পাহাড়িদের কালচার একদম আলাদা। তাঁদের বিশেষ অধিকার না মানলে সমস্যা সমাধান হবে না।
কাউকে ব্ল্যাংক চেক দিতে চাইনা আমি।
৫৪. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫৮
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
@বিদ্রোহী.....- আপনি ভব্যতার লিমিট ক্রস করতেছেন। ভার‌ত আমার চোখে শক্তিশালী একটা প্রতিবেশী দেশ ছাড়া আর কিছুই না, এবং যাদের অনেক আচরণই আমাদের দেশের স্বার্থের জন্য হুমকি স্বরূপ। তবে এ্যটলিস্ট আপনাগো মত সবকিছুতেই ভারতীয় জুজু দেখি না। আর চিন্তা করার উপযুক্ত একটা মগজ ধারণ করি বলেই আপনাদের মত উগ্র জাতীয়তাবাদের চর্চা করি না।

@মনজু ভাই আপনি কি প্লিজ এসব নির্বোধদের ব্লক করবেন? যারা পোস্টের কনটেন্টকে অন্য দিকে পরিচালনার চেষ্টায় মেতে আছে?
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: কি আর বলব বৃত্ত! যুক্তিতে না এসে কেউ যদি পোস্টের মূল সুরের বাইরে গান গাইতে থাকে, কি করার আছে?

এর পর এই ধরণের আর একটি কমেন্ট এলেই ব্লক করা হবে।

৫৫. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:০২
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত

আপনাদের কয়েকজনের ক্রমাগত এই একটা বাজে কথা শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে গেলাম। আপনি আমাকে একটু দেখানতো কোথায় বলা হয়েছে দেশের ১০ ভাগের একভাগ কাউকে দিয়ে দিতে হবে?

পাকি রাজাকারদের কথা বলছেন? ভুল করলেন সাথে হাসালেনও। রাজাকারদের মনে ছিল রাষ্ট্র ভেঙ্গে যাওয়ার ভয়। যেমনটা আছে এখন আপনার মনে। সুতরাং রাজাকারদের কথা না রাষ্ট্রপক্ষ থেকে তোলাই ভালো।
৫৬. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:০২
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: সেনা বাহিনী সরাইয়া নিয়া আসো, সাত দিনও লাগবো না ঐ এলাকার বা;গালীগো হুতু-তুতসীগো মতো কাবার করতে.......|

১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন:
"একই সাথে দক্ষিণ এশিয়ার ছোট দেশ সমূহের সাধারণ শত্রু ভারত তো আছেই ওৎ পেতে। "

আপনি কি এই লাইনটা দেখেন নাই? এরপরও অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করলে ব্লক করতে বাধ্য হব।

৫৭. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:০৩
রোবোট বলেছেন: পি মুনশী/রাগ ইমনের বক্তব্য জানতে পারলে ভালো হত এ পোস্টে।
৫৮. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:০৩
সালমান সিদ্দিকী বলেছেন: বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত নামে আবাল এরকম একটা সিরিয়াস পোষ্টে তার লাদি লাদি দিয়ে পোষ্টকে নষ্ট করছে মঞ্জু ভাই এরে ব্লগ মারেন বেটা কানাডায় বইসা মুরগির রান চিবায়ে আমাদের দেশপ্রেম এর সবক দেয়
১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: আমরা তো তারে আজ থেকে চিনি না! ওর এই স্বভাব কোন কালেও যাবেনা। কি আর করা! শেষ পর্যন্ত লিমিট ক্রস করায় ব্লক করতেই হলো।

৫৯. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:০৭
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: বৃত্তবন্দী বলেছেন:

@বিদ্রোহী.....- আপনি ভব্যতার লিমিট ক্রস করতেছেন।

---------->> কোন লাইনটা ভব্যতার কক্ষচ্যুত হইলো দেখাইলে আপনার কাছে ভব্যতার পাঠ লইতাম.....!!!!!!!

বৃত্তবন্দী বলেছেন:

@মনজু ভাই আপনি কি প্লিজ এসব নির্বোধদের ব্লক করবেন? যারা পোস্টের কনটেন্টকে অন্য দিকে পরিচালনার চেষ্টায় মেতে আছে?

------------>> এইতো থলে থেকে মার্কস বাদ-লেলিন বাদ আর বা;লাদেশের "রাম পন্হী" বামদের বিড়াল বের হয়ে এলো.......!!!
৬০. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:১২
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত

আপনাকে একটা কথা বলি - আপনার যদি আসলেই বলার মত কোন কথা না থাকে তাহলে খামাখা শক্তি নষ্ট করছেন কেন? এতগুলো মানুষকেই বা বিরক্ত করছেন কেন? তারচেয়ে বরং শুনুন অন্যরা কি বলে, তারপর যদি কিছু বলার মত খুঁজে পান বলবেন নিশ্চয়ই।
৬১. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:১৩
মনজুরুল হক বলেছেন:

ব্যক্তি আক্রমন আর অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করার কারণে"বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত " কে ব্লক করা হলো।
৬২. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:১৪
মামুন মাইসেল্ফ বলেছেন: বিদ্রোহী রণ কেলান্তের পুটিক দিয়া অলোয়েজ গিয়ার উইঠা থাকে। এরা কেনা দিন ভালো কোন যুক্তি কর্তের ধারের কাছে নাই। এটাই তাদের ক্ষুদ্র মনবৃত্তির তাড়না। তারেকের গোয়া লেহনে এরা সদা ব্যস্ত। এরা আবার কি তর্ক বোঝে??? এদের এমন কমেন্টেই মানসিক প্রশান্তি।

এই ছাগলগুলারে ব্লক মাইরা এভোয়েড কারাই শ্রেয়। কারণ এরা ভাবে যত বেশি কমেন্ট করতেছে তত সে জ্ঞানী....
১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: দয়া করে আমার পোস্টে আর এধরণের মন্তব্য করেননি সে জন্য ধন্যবাদ। তবে এই মন্তব্যটিও আপনার করা উচিৎ হয়নি। এইভাবে আক্রমন করে আসলে কিছুই সমাধানে আসে না।

৬৩. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:১৬
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @মামুন মাইসেল্ফ

দয়া করে ব্যাক্তিআক্রমণ করা থেকে বিরত থাকেন।
৬৪. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:১৮
মনির হাসান বলেছেন: আগের বার মন্তব্য লিখতে লিখতে কারেন্ট গেল । দেরি করে ফেললাম ।


মনজু ভাই, বাঙ্গালী সেটেলারদের প্রতি আপনার একটা সহানুভুতি খেয়াল করলাম পোস্টে । বড় অংশে তারা গরীব, সহায়সম্বলহীন, জমি আর টাকার লোভে বসত গড়েছে এট সত্যি । কিন্তু এই অশিক্ষিত কুলাঙ্গার'দের আসল চেহারা মোটেও সহানুভুতি পাবার যোগ্য না ।

ছোট্ট একটা ঘটনা বলি ... রামুতে টেম্পোতে করে যাচ্ছিলাম, টেম্পোতে বাঙ্গালী ভরা দুই একটা রাখাইন । ঢাল বলে আস্তে চলছে টেম্পো । রাস্তা দিয়ে যেতে থাকা এক রাখাইন তরুনী, হাতে ব্যাগ, নিরিহ নিপাট সচ্ছল ভদ্রঘরের মেয়ে দেখেই বোঝা যায় । হেল্পারটা হঠাৎ বিকট চিৎকার করে তার বুক নিয়ে একটা মন্তব্য করল । সিচুয়েশনটা অনুভব করেন । মুহুর্তেই মেয়েটার ছোখে অন্ধকার নেমে আসল । টেম্পোর ভেতরের যে দুই তিনটা রাখাইন ছিল তাদের মাথা নত হয়ে গেল । বাঙ্গালী যাত্রী দাত ক্যালাতে ক্যালাতে হেলপার'কে হাল্কা বকা দিল । আর আমি অ্যাবসেন্ট মাইন্ডেড ছিলাম বলে তৎক্ষনাত কোন প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারলাম না । ঘটনাটা বুঝতে বুঝতে আমার আরো দুই তিন ঘন্টা লেগেছিল ... এমন আবাল আমি ।


এ শ্রেনীটার জন্য আমার কোন সহানুভুতি নেই ।
৬৫. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:১৮
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
কিছু মনে করবেন না বিদ্রোহি..... আপনার বয়েস কতো? আপনি যে হারে সবাইকে ভব্যতার সীমানা ছাড়িয়ে তুমি তুমি করে বলছেন তাতে মনে হচ্ছে, হয় আপনার বয়েস ৬০-৭০ এর কোঠায় নয়তো আপনার বেড়ে ওঠার পরিবেশটা আপনি ওরকম পাননি যেখানে অপরিচিত কাউকে আপনি বলার মতো সাধারণ ভদ্রতা শেখানো হয়...

@ মনজু ভাই- আমি বলিনি মতাদর্শ জাত-পাত নির্ণায়ক। আমি যেটা বলতে চেয়েছি সেটা হ'লো মতাদর্শিক ভিন্নতাকে দুরে সরিয়ে রেখে আমাদের উচিত এই ব্যাপারটাকে ভালো ভাবে টেক কেয়ার করা। এবং এটা করার সময় অবশ্যই রাষ্ট্রীয় পেটোয়া বাহীনি যাতে নিরংকুশ প্রাধান্য না পায় সেদিকটাতেও লক্ষ্য রাখতে হবে। আমার ভালোবাসার দেশটাতে আমি কোনো গৃহযুদ্ধ তৈরী হবার মত পরিস্থিতি হোক এমনটা কখনই চাই না।
১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৪১

লেখক বলেছেন: সমস্যা হলো বৃত্ত, মতাদর্শীক ভীন্নতা নিয়ে আর যাই হোক কোন শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে পৌঁছানো যায়না। যেটা করা যায়-আপাতত: ধামাচাপা। শান্তিচুক্তির পরও ১৩ বছর ধরেই সেই কাজটা হয়ে আসছে। এতে তেমন কোন পরিবর্তন হয়নি পাহাড়ের অশান্তিতে।

তারপরও "নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল"র মত এই শান্তিচুক্তিকে কেন্দ্র করেও একটা সমঝোতায় আসা যায়। আর সেই কাজটি করতে হবে এই রাষ্ট্রকে, কারণ সমস্যা সৃষ্টিই করেছে রাষ্ট্র। তাই সমাধানও তাকেই করতে হবে।

৬৬. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:১৯
ইউনুস খান বলেছেন: @মনজুরুল ভাই
আপনে যা বলতে চাইছেন তার সারমর্ম দাঁড়ায় সেনাবাহিনী সরে যাক। দুঃখিত একমত হতে পারলাম না।

@খারেজি
আপনের জবাব আগেই দিয়া দিসি ২০ নং কমেন্টে।

@প্রশ্নোত্তর @মনজুরুল ভাই @খারেজি
পার্বত্য চট্রগ্রাম ভৌগিলিকভাবে বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং সেখানকার আইনশৃঙ্খলা সরকারী ভাবে নিয়ন্ত্রিত সুশৃঙ্খল বাহিনীর মাধ্যমেই হতে হবে। তা না হলে পার্বত্য চট্রগ্রাম ভারতের আসামের বিচ্ছিন্নবাদীর হাতে চলে যেতে পারে এবং চোরাকারবারীদের স্বর্গে পরিণত হতে হবে। ইতিমধ্যে এটা প্রমাণিত সত্য যে, পার্বত্য চট্রগ্রামে চোরাকারবারীদের দৌরাত্ন বিরাট ভাবে বেড়ে গেছে। তাছাড়া আরেকটা জিনিস মনে হয় আমরা ভুলে গেছি সেটা হলো একটা মহল পার্বত্য চট্রগ্রামের স্বায়ত্নশাসন চায়। যা কোনভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব না।
ইউপিডিএফ (নামটা ভুল হতে পারে কিন্তু এরকমই) নামে একটি পাহাড়ী সন্ত্রাসী সংগঠন সেখানে অস্তিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

কিন্তু কোনভাবেই সেখানে পাহাড়ী হত্যা সমর্থন করিনা। তেমনি ভাবে কোন বাঙালী সন্তান হারা হোক তাও চাইনা।
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে আপনি একমত হতে পারেন নাই। এখন আমরা বলছি: সেনাবাহিনী থাকা মানে একটি ক্ষুদ্র জাতিস্বত্তার জনগোণ্ঠির বিরুদ্ধে শক্তিশালী সেনাবাহিনী। তারা কিছু করুক বা না-করুক, পাহাড়িরা মনে করছে তারা অঘোষিত মার্শাল-ল' এর মধ্যে বাস করছে।

পাহালে শক্তিশালী জনপ্রশাসন গঠন করে সেনাবাহিনী না সরালে যেটা হবে সেটা হলো, ছোট খাট বিভিন্ন ঘটনায় সেনাদের অংশ গ্রহন এবং পাহাড়িদের আরো দূরে ঠেলে দেয়া। সেনাবাহিনী যে সেটেলার-পাহাড়িদের উভয়ের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ থাকতে পারছে তার কোন নজির কিন্তু দেখা যাচ্ছেনা। পোস্ট আরো বড় হয়ে যাবে বলে উভয় পক্ষের হতাহতের বিবরণ দেইনি।

এই পোস্টে কোথাও জনসংহতি সমিতি বা ইউপিডিএফকে ক্লিনচ্যাট দেওয়া হয়নি। তাদের মধ্যেও সমস্যা আছে, কিন্তু তাতে করে পাহাড়ে সেনা উপস্থিতি জায়েজ হয়ে যায় না।

৬৭. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:২১
তাসলিমা মুন বলেছেন: @খারেজি,সেনাপ্রত্যাহার। অ্যাবসল্যুটলি। আমি আমার বাংলাদেশের অনেক বন্ধুকে আমেরিকার বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করতে শুনেছি ইরাকে এবং আফগিনাস্তানে সেনা মোতায়েনের জন্য কিন্তু ঐ বন্ধুরাই আমাদের পাহাড়ে সেনা মোতায়েনকে চোখ বন্ধ করে সাপোর্ট করে যায়! রাজনৈতিক ইতিহাস যাই-ই হোক, যখন একটি গোস্ঠীর জীবন যাপন নিজ রাস্ট্র বা ভিনরাস্ট্রের সেনাবাহিনী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, সে জাতি আর যাই হোক নিজেদেরকে কোন স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক মনে করার কোন কারনই তাঁদের জন্য থাকতে পারেনা। সে ক্ষেত্রে পাহাড়ী নাগরিকদের সাথে ইরাক এবং আফগানদের পার্থক্য কোথায়?
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আপনার বলা এই কথাটিই আমরা বলতে চাইছি। আমরা যখন মানবতাবাদী তখন সেই মানবতা যেমন ফিলিস্তিনিদের জন্য কাঁদে, কাশ্মীরের জন্য কাঁদে, তেমনি পাহাড়িদের জন্যও কাঁদা উচিৎ। অথচ নিজের জাতিয়তাবাদী সংকীর্ণতার কারণে আমরা পাহাড়ি প্রসঙ্গে এক শ'আশি ডিগ্রী ঘুরে দাঁড়াই!

এটা যুক্তির কথা যে আমার দেশের প্রতিটি ইঞ্চিতে আমার সেনা বাহিনী যেতে পারে, থাকতে পারে। কিন্তু এই পাহাড়ে তো সেনাকে বার্মা বা ভারতের সাথে সীমান্ত সমস্যার কারণে পাঠানো হয় নাই! তাদের কি কারণে পাঠানো হয়েছে সেটা সকলেই জানেন।

এখন যদি যুক্তির প্রশ্নই ধরি, তাহলে বিশ্বের কোথাও নিজের দেশেরই এক অংশের বিক্ষোভ-বিদ্রোহ দমন করতে সেনা পাঠানো মানেই সেখানে বিক্ষোভকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া। এই সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় তাদেরই বের করতে হবে, যারা এটি সৃষ্টি করেছেন।

৬৮. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:২১
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @মনির হাসান

ব্যাক্তির কিংবা একটা নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর আচরণগত নৈতিকতা কোন মাত্রায় সেটা কিন্তু এমনে এমনে গড়ে ওঠে না। রাষ্ট্র তারে সহযোগীতা করছে দখলদার আচরণ করতে, ফলে সে সাহসী হইসে। সুতরাং দোষটা ঐ টেম্পোর হেল্পারকে দেয়া যায় না, দায়টা রাষ্ট্রের।

রাষ্ট্র দুইটা জনগোষ্ঠীরে মুখোমুখি দাড় করায়ে দিছে শত্রুতার ঝান্ডা দিয়া, তার শত্রুতা তো করবোই।
৬৯. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:২৪
ইউনুস খান বলেছেন: রোবোট বলেছেন: ইউনুস খান
সেনাবাহিনী সমস্যার একটা অংশ। আবার ক্ষেত্রবিশেষে সমাধানেরও অংশ।
তার মানে আপনে সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয়তাও অনুভব করছেন। ৭১ নং মন্তব্য পড়ার অনুরোধ রইলো। আমি সেনাবাহিনী বলতে চাইনি কিন্তু সরকারের সুশৃঙ্খল বাহিনীর কথা বলেছি। সেটা সেনাবাহিনী হলেও সমস্যা নেই যেখানে শৃঙ্খলতা থাকবে। যারা অপ্রয়োজনে পাহাড়ীদের জীবনে হস্তক্ষেপ করবেনা।
৭০. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:২৫
খারেজি বলেছেন:
@ ইউনুস খান

আপনার উত্তরটা হয় নাই। সীমানারক্ষা আর জাতিগোষ্ঠীর জীবন নিয়ন্ত্রণ এক বিষয় না।

@ তাসলিমা মুন
আমার মনে হয়, আজকে কানাডায় গণভোটে কুইবেকের স্বাধিকারে বিষয়ে সিন্ধান্ত নেবার মত ঘটনা দুইশ বছর আগের কানাডায় না ভাবাটাই প্রাগম্যাটিক কাজ হবে। ভবিষ্যতে আমরাও নিশ্চয়ই একটা সভ্য জাতি হবো, কিন্তু ওই পর্যন্ত অগ্রগতি হবার আগ পর্যন্ত বদমাশদের হাতে যুক্তি তুলে না দেয়া বা হিস্টিরিয়াগ্রস্তদের দেশভাঙার আতঙ্কে হার্টফেল না করানোটাই যুক্তিযুক্ত।


১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:০৬

লেখক বলেছেন: খারেজি। এখানে উল্টে এটাও প্রশ্ন তোলা যায়। যেখানে বর্হিশত্রুর আক্রমন থেকে দেশ রক্ষার জন্য সেনাবাহিনী লালন-পালন করা হয়, সেখানে নিজের দেশেরই একটি জনগোষ্ঠিকে তারা কেন "বর্হিশত্রু " ভাববে?

৭১. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:২৫
মনির হাসান বলেছেন: পাকিস্তানী ফ্যাক্টরির কনডমের মেস্টেকিং-গুলা এখনও জন্ম সনদ রিনিউ করেনাই ।

মনজু ভাই মুখ খারাপ করুম ... পারমিশন চাই ।

১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: না মনির মুখ খারাপ করার দরকার দেখি না।

৭২. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:২৯
সত্যান্বেষী বলেছেন: যারা সেখানে নিরন্তর সেনাবাহিনী বহাল রাখতে চান তাদেরকে বলি ৭২ নং কমেন্টটি আবারো পড়তে। কি সীমাহীন ভন্ডামী আমাদের!
৭৩. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:২৯
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
@মামুন মাইসেল্ফ- সরি টু সে, আপনিও কিন্তু ভব্যতার সীমা অতিক্রম করলেন। ব্যাক্তি আক্রমণ না করে আপনি পোস্টের ব্যাপারে কিছু বলার থাকলে বলুন।
প্লীজ অন্য ভাবে দেখেন না ব্যপারটাকে।

@ মনির- তুমি যেই ঘটনাটা উল্লেখ করলা তাতে আমি মনে করি সেটলার বাঙ্গালী শ্রেণীটার দোষ নেই। আমি এখানে রাষ্ট্র যন্ত্রের দোষ দেখি, যে ঐ শ্রেণীটাকে এভাবে গড়ে ওঠার জন্য দায়ী। ইভেন তুমি দেখো, এই ব্লগেই শিক্ষিত শ্রেণীর অনেকের আচরণও ঐ হেল্পারের মতো। হয়তো অতটা মোটা দাগে শরীর নিয়ে কথা বার্তা না, কিন্তু তবুও...
৭৪. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩০
খারেজি বলেছেন: মুনির

ঠিকাছে, ওই বাঙালিগুলার কাজটা খুবই আপত্তিকর ছিল। প্রতিবাদও দর্কার ছিল।

কিন্তু তাই বলে হরেদরে দরিদ্র মানুষদের এই রকম ভাবাটা ঠিক না। সেটলাররা আসলেই তো পরিস্থিতির শিকার। একদিকে এই বাঙালির অর্থনীতি তাদের বাপদাদার ভিটা থেকে উচ্ছেদ করে, আরেক দিকে ঠেলে দেয় আরেক জাতিগোষ্ঠীর ভূমিতে।

এরা তো আসলেই পরিস্থিতির শিকার।
৭৫. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩০
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @ইউনুস খান

সুশৃঙ্খল বাহিনীর কথা বলছেন - স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ইত্যাদি আর সীমান্ত রক্ষায় বিডিআর। এর বাইরে কেন সেনাবাহিনী প্রয়োজন? এই দুই বাহিনী নিশ্চয় স্বীকৃতভাবে অক্ষম না!

তিনটা প্রশ্ন:

১) পশ্চিম বাঙলার মাওবাদীদের হাতেও সাতক্ষীরা, যশোর ইত্যাদি এলাকা দখল হয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কা করেন না কেন? সেই এলাকাগুলোর গুরুত্ব কি পার্বত্য চট্টগ্রামের চেয়ে কোনভাবে কম?

২) বাংলাবান্ধা/হিলি/তামাবিল এই সীমান্তগুলোর চেয়ে বেশি চোরাকারবারী চলে পার্বত্য চট্টগ্রামে এমন কোন দলিল কি আপনি দিতে পারেন? আমার জানা নাই। যদি না পারেন, তাহলে একটু বুঝিয়ে বলেন যে, কেন সেটা বাংলাবান্ধা/হিলি/তামাবিলের চেয়ে আলাদা বিশেষত্ব পাবে?

৩) একটা মহল পার্বত্য চট্রগ্রামের স্বায়ত্নশাসন চায়। যা কোনভাবেই মেনে নেওয়া সম্ভব না। কেন সম্ভব না? কাশ্মীর সম্পর্কেও কি আপনার একই মত? আপনার ঔচিত্যবোধের জায়গা থেকে কথাটা বলবেন।

১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৫১

লেখক বলেছেন: প্রশ্ন, এখানে আর একটা কথা এ্যাড করতে চাই:

আমরা যে এত রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বর কথা বলি, আমরা কি খেয়াল করি "হানা", "সোফা" "টিফা" নামক চুক্তিবলে আমেরিকা যে কোন সময় যে কোন ব্যক্তিকে তার রাষ্ট্রের প্রতি হুমকি মনে করে এই বাংলাদেশের যে কোন অঞ্চল থেকে তুণে নিয়ে যেতে পারে! যায়ও। তার প্রমান কিছুদিন আগে বাংলাদেশের একটি ছেলেকে ঢাকা থেকে তুলে নিয়ে গেছে এফ বি আই। কি করতে পেরেছে আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী?

মনে আছে পানামার সেই প্রেসিডেন্টকে তুলে নেওয়ার কথা? তার নাম সম্ভবত নরিয়েগা।

৭৬. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩২
খারেজি বলেছেন: প্রশ্নত্তোর

৮০ নম্বর কমেন্ট পৈড়া টাশকিত। যুক্তি আর স্যাটায়ার এমন মিশতে কমই দেখছি।
৭৭. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩৩
মনির হাসান বলেছেন: ৭৩'এ প্রশ্ন'দার সাথে একমত, "রাষ্ট্রের আগ্রহ ঐ কুলাঙ্গার শ্রেনী'টাকে কুলাঙ্গারী করতে উৎসাহীতো করতেছে ।" কিন্তু আমি শুধু বলতে চাই কুলাঙ্গার যদি ভালো হইতো তবে রাষ্ট্র যতই আগ্রহী হোক তাকে দিয়া কুলাঙ্গারী করাতে পারতো না ।

মোদ্দা কথা "এই কুলাঙ্গার শ্রেনীর প্রতি আমার কোন সিমপ্যাথি নাই" । আমি তাদেরও অপরাধির কাঠগড়ায় দেখতে চাই ।
১৩ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:০৫

লেখক বলেছেন: সে কি!!!

৭৮. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩৩
ইউনুস খান বলেছেন: @তসলিমা মুন
এই জন্য ঐ সকল দেশে সেনা মোতায়নের বিরোধিতা করে কারন আমেরিকার সেনারা অন্য দেশকে লুটেপুটে খাওয়ার জন্য মোতায়িত হয়। এবং ঐ সকল দেশকে অর্থনৈতিক, সামাজিক ভাবে শেষ করে দিচ্ছে। স্বাভাবিক জীবন-যাপনও যেখানে এখন দুঃস্বপ্ন।
এখন পার্বত্য চট্রগ্রামে সেনাবাহিনী সরিয়ে দেওয়ার আগে কিছু প্রাসঙ্কিগতা (৭১ নং মন্তব্যে উল্লেখ করেছি) আসে যার সমাধান কি হতে পারে।
৭৯. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩৪
শ্লোগান বলেছেন:


পিনাক রন্জনের নির্দেশ....
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৫৪

লেখক বলেছেন: জাতীয়তাবাদী ব্যামো সহজে নিরাময় হবার নয়।

৮১. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩৯
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @আরিফুর রহমান

কারণ জাতীয়তাবাদ অত্যন্ত ভয়াবহ অসুখ!
১৩ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:০৭

লেখক বলেছেন: এবং দুরারোগ্যও বটে।

৮২. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৪২
বৃত্তবন্দী বলেছেন: মনির ৮২ নং কমেন্টে তোমাকে এক্সট্রিমিস্ট হিসেবে দেখা যায়। নো স্যার আগে অপরাধী হিসেবে তোমার বিচার করতে সেই সিস্টেমটাকে যেই সিস্টেমের কারণে তারা অপরাধী। হ্যাঁ বিচ্ছিন্ন ভাবে করা অপরাধের জন্য ঐ লোকটা (যে অপরাধ করেছে) তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী আমিও করি। কিন্তু পুরো শ্রেণীকে আমি অপরাধী হিসেবে কাঠগারাতে দাঁড়া করানোর পক্ষপাতী আমি নই।
১৩ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:০৭

লেখক বলেছেন: সহমত বৃত্ত। আমাদেরকে অবশ্যই খন্ডিত আর সামগ্রীকতার ভেতর পার্থক্য বুঝতে হবে।

৮৩. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৪৬
খারেজি বলেছেন: @ বৃত্ত, ৮৭ একদম ঠিক কথা।
৮৪. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৫৮
ইউনুস খান বলেছেন: @খারেজি
৭৫ এ আমার কোন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বললেন বুঝলাম না।

@মনজুরুল ভাই
৭১ নং মন্তব্যে আমি আপনাকে ট্যাগ করছিলাম। কিন্তু জবাব দিলেন ৭২ এর :)

@প্রশ্নোত্তর
স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনী কতটুকু কি করতে পারবে সেটা মনে হয় আমরা জানি। যেখানে মান্দাতা আমলের কিছু টু-নটের রাইফেল নিয়া ওরা ডিউটি করে। অথচ ইউপিডিএফ (নামটা ভুল হতে পারে কিন্তু এরকমই) সেখানে একে-৪৭ নিয়া অপারেশন চালায়। গত পরশুদিনই আমরা দেখেছি সেখানে ১ জন পাহাড়ী নেতাকে রাতের বেলা আক্রমন করেছে ইউপিডিএফ (নামটা ভুল হতে পারে কিন্তু এরকমই)।

বিডিআর সীমান্ত পাহাড়া দিচ্ছে ঠিক আছে। কিন্তু দেশের অভ্যন্তরে যখন একটা মহল স্বায়ত্নশাসন (যা আপনে দিতে রাজি) দাবি করে সেখানে বিডিআরের কথাটায় অপ্রাসঙ্গিক।

এখন আপনের প্রশ্নের জবাবগুলো জেনে নিন-
১। আশংকা করিনা সেই এলাকার মানুষ মাওবাদীদের অংশ হতে চায়না। সুতরাং এটা সহজেয় অনুমেয় যে ঐ এলাকার মানুষই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে একটা শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে। আর ঐ সকল এলাকা গুলোর অবস্থান পার্বত্য চট্রগ্রামের মতো এতোটা দুর্গম নয়।

২। বাংলাবান্ধা/হিলি/তামাবিল এই সীমান্তগুলোর চেয়ে বেশি চোরাকারবারী চলে - এর উত্তরে আমি হ্যাঁ-না দুইটায় বলতে পারি। কারন যাতায়াতের সহজবোধ্যতার জন্য যেমন এই সকল এলাকার নিউজ তারাতারি আসে যা আমরা দেখতে পায় আর দুর্গম এলাকা বলে আমরা খুবই কম জানতে পারি পার্বত্য এলাকার কথা।
আমি আরেকটা কারনে বেশী গুরুত্ব দিবো। পার্বত্য এলাকায় এমনিতেই আমাদের প্রভাব কম দুর্গম বলে। সুতরাং সেখানে চোরাকারবারিরা একবার ঠিকমতো ঝেকে বসলে তাদের উৎখাত করা খুব সহজ হবেনা। আপনাকে ধরে নিতে হবে যে, চোরাকারবারীরা স্থলপথে অনেক শক্তিশালী হবে কারন তাদের হাতে থাকবে অত্যাধুনিক সব অস্ত্র।

৩। আপনি যদি পার্বত্য চট্রগ্রামের স্বায়ত্নশাসন চান তাহলে আমি আপনার সাথে কথা বাড়াবোনা। কাশ্মীর প্রসঙ্গ নিয়ে এসে কিভাবে আমাকে ঘায়েল করতে চাইলেন বুঝলাম না। শোনেন আপনের মা মরে গেলে আপনে কাঁদবেন আর আমার মা মারা গেলে সমবেদনা জানাবেন। তাই'না?
তবুও জবাবটা দিচ্ছি কাশ্মীরের স্বাধীনতার পক্ষে আমি। কারন ভারত পাকিস্থান দুই দেশই কাশ্মীররে নিয়া খেলতেছে। যা কাশ্মীরের মানুষের জীবন-যাপনকে নিঃস্ব থেকে নিঃস্ব করে দিচ্ছে। সো কাশ্মীরের স্বাধীনতা সময়ের দাবি।
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: খুব অল্প কথায় সহজ করে বলি ইউনুস খান।
আমরা কাশ্মীর, ফিলিস্তিন সহ সকল নিপীড়িত জাতিগোষ্ঠির টিকে থাকার এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের স্বপক্ষে আছি, থাকব। আমরা কোনভাবেই কাশ্মীরীদের বেশি নিপীড়িত আর আমাদের পাহাড়িদের কম নিপীড়িত ভাবতে রাজি নই।তেমনি ভারতের মনিপুরি, মিজোরামী,অসমীয়া, নাগাদের উপর ভারতের নিপীড়নের বিরুদ্ধে।

নিপীড়ি জনগোষ্ঠি বা জাতিস্বত্তার কোন ভৌগলিক সীমারেখা নাই।

৮৫. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:০১
মনির হাসান বলেছেন: একটা ভুল হচ্ছে ... বরাবরের মতো আমারই দুর্বলতা এটা । আমি সমগ্র সেটেলারদের কথা বলছিনা । বলছি যারা ঐ রকম কুলঙ্গার ... তাদের কথা ।

দুঃখজনক যে তাদের সংখ্যা শতাংশের হিসেবে একেবারে কম না । আমার এক বন্ধু শিবির করে । স্কুল থেকেই এবং পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড আছে । সে চাকরী করে এখন রাঙ্গামাটি'তে । তার মুখ থেকেই যখন বাঙ্গালী সেটেলারদের এই কুলাঙ্গারীর হাজার হাজার খবর পাই তখন বোঝেন পরিস্থিতি কি রকম ভয়াবহ ।

এমনকি এই যে ফেব্রুয়ারীর কাওস'টাতো আমি বলবো আদিবাসী'দের জন্য ভালোই হয়েছে ... তাদের প্রতি আমাদের মনোযোগ এসেছে । এসময়টা একশ দুইশ পাহাড়ি মরলেও বাকিরা বেচে যাচ্ছে । দুই পক্ষই চাপে থাকে ।

আর বাকি সময়টা ... মানে শান্ত সময়টা ... মানে দিনে একশবার নিরব মৃত্যুর স্বাদ'টা পেতে হয় না তাদের ।
১৩ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:০৯

লেখক বলেছেন: তোমার এবারের ব্যাখ্যাটা অনেক ভাল হয়েছে মনির।

৮৬. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:০২
ইউনুস খান বলেছেন: লেখক বলেছেন: প্রশ্ন, এখানে আর একটা কথা এ্যাড করতে চাই: আমরা যে এত রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বর কথা বলি, আমরা কি খেয়াল করি "হানা", "সোফা" "টিফা" নামক চুক্তিবলে আমেরিকা যে কোন সময় যে কোন ব্যক্তিকে তার রাষ্ট্রের প্রতি হুমকি মনে করে এই বাংলাদেশের যে কোন অঞ্চল থেকে তুণে নিয়ে যেতে পারে! যায়ও। তার প্রমান কিছুদিন আগে বাংলাদেশের একটি ছেলেকে ঢাকা থেকে তুলে নিয়ে গেছে এফ বি আই। কি করতে পেরেছে আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী? মনে আছে পানামার সেই প্রেসিডেন্টকে তুলে নেওয়ার কথা? তার নাম সম্ভবত নরিয়েগা।


হাসালেন মনজুরুল ভাই। আপনে একটা অপরাধের কারনে আরেকটা অপরাধকে জায়েয করতে পারেন না। তাহলে তো দেশে সংবিধান, আইন-কানুন কিছুরই দরকার নেই।
বরং ঐ সকল অপশক্তি, বেআইনের বিরোধিতা করুন।
১৩ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:১৭

লেখক বলেছেন: কারণে-অকারণেই যদি আপনার হাসি পায় তাহলে সত্যিকারের হাসির সময় আবার যেন কান্না না পেয়ে বসে!

৮৭. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:০৭
খারেজি বলেছেন:
ইউনুস খানের ৮৯ নম্বর কমেন্টের শেষ লাইনটা ইন্টারেস্টিং।

(আর দুই দেশ খেলার কারণেই কেন কাশ্মীর ন্যায্য হয়া উঠল, বুঝলাম না।)

আর ৭৫ এ আপনার পাহাড়ে সেনাবাহিনী রাখা নিয়া কমেন্টেরই উত্তর দিসি, ৮৯ এ যা কৈছেন, তারও উত্তর আছে ওইখানে।


তবে একন আমি আপনার ৮৯ এর শেষ লাইনটা নিয়াই ভাবতেসি। আমার ধারণা আপনি পাকিস্তন-ভারতের খেলার কারণে না, আশা করি স্বীকার করবেন, কাশ্মীরের জনগণ চায বৈলাই ওইটার স্বাধীন হওয়া উচিত বৈলা মনে করতে শিখবেন।
৮৮. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:১২
বৃত্তবন্দী বলেছেন: @ইউনুস- হানা সোফা টিফা এই চুক্তি গুলো করার সময় আপনারা, যারা এখন পাহাড়ীদের কে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখে বিভিন্ন ভাবে তাদের যৌক্তিক চাওয়া গুলোকে দমিয়ে রাখতে চাইছেন, তারা কিন্তু প্রতিবাদ করে নাই। আমার হাসি আসে না। আমাদের দ্বৈত অবস্থান দেখে আমার ঘেণ্ণা লাগে নিজেদের উপরই।
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৩১

লেখক বলেছেন: মাঝে মাঝে চোখে ঠুসিও পরাইতে হয়। আর ক্ষমতা বইলা একটা কথা আছেনা? কোথায় হাবাগোবা পাহড়ি আর কোথায় বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পাওয়ার আমেরিকা!

৮৯. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:১৭
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @ইউনুস খান

আপনার কথা একটাও ধোপে ঠিকে না।

১) মান্দাতা আমলের টু-নট দিয়েই পুলিশ সমতলের দোর্দন্ড প্রতাপ সন্ত্রাসীদেরকে সামলায়, বাংলাভাই, শায়খুল হাদিসরে ধরে। তারপর আইন, আদালত, ফাঁসি পর্যন্ত হয়। তারচেয়েও বড় কথা, ব্লগার ইউনুস খানের দাবী মতে সরকার কি মেনে নেবে যে পুলিশ-র‌্যাব আইন শৃঙ্গলা রক্ষা করতে অক্ষম?

২) আপনি ঠিকঠাক মতো কোন উত্তর দিলেন না। কোন দলিলও হাজির করলেন না। ফলে আমাদের জানা হলো না হিলি সীমান্তে কেন মিলিটারি প্রয়োজন নাই কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামে আছে। মানে দাড়ালো, আপনার নিজের দাবী আপনি নিজেই ডিফেন্ড করতে পারলেন না।

৩) স্বায়ত্বশাসনে আমার বা আপনার রাজী অরাজীতে কি যায় আসে? একটা জাতিগোষ্ঠী নিজে ঠিক করবে সে কি অন্য জাতির অধীন রাষ্ট্র ব্যবস্থায় থাকবে নাকি স্বায়ত্বশান নিবে, নাকি একেবারে আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করবে। এইখানে আমার বা আপনার কোন এক্তিয়ারই নাই এটা ঠিক করে দেয়ার। যৌথ রাষ্ট্র থেকে একটা জাতিগোষ্ঠি আলাদা হবে কি-না সেটা নির্ভর করে রাষ্ট্রের বড় অংশীদারের ভূমিকার উপর। স্মরণ করেন, পাকিস্তান গঠনে পূর্ব-পাকিস্তানিদের ভূমিকাই ছিল বেশি, অথচ বড় অংশীদার পশ্চিম পাকিস্তান যখন তার ভূমিকাতে ঘাপলা করলো, কেবল মাত্র তখনিই বাঙালিদের স্বায়ত্বশাসনের প্রয়োজন দেখা দিল, তার আগে না।

মা মারা যাওয়ার উদাহরণে আপনার শিশুসুলভ মনে পরিচয় পেলাম। মায়ের মৃত্যুর কথা যখন হবে তখন সন্তান হয়ে অনুভব করতে চেষ্টা করুন, নয়তো বলুন সেটা মায়ের মৃত্যু নয়, খালার মৃত্যু।
১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: একটা জাতিগোষ্ঠী নিজে ঠিক করবে সে কি অন্য জাতির অধীন রাষ্ট্র ব্যবস্থায় থাকবে নাকি স্বায়ত্বশান নিবে, নাকি একেবারে আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করবে। এইখানে আমার বা আপনার কোন এক্তিয়ারই নাই এটা ঠিক করে দেয়ার। যৌথ রাষ্ট্র থেকে একটা জাতিগোষ্ঠি আলাদা হবে কি-না সেটা নির্ভর করে রাষ্ট্রের বড় অংশীদারের ভূমিকার উপর। স্মরণ করেন, পাকিস্তান গঠনে পূর্ব-পাকিস্তানিদের ভূমিকাই ছিল বেশি, অথচ বড় অংশীদার পশ্চিম পাকিস্তান যখন তার ভূমিকাতে ঘাপলা করলো, কেবল মাত্র তখনিই বাঙালিদের স্বায়ত্বশাসনের প্রয়োজন দেখা দিল, তার আগে না।

আপনার এই মন্তব্যে স্যালুট কমরেড।

৯০. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:১৮
খারেজি বলেছেন:

মনজু ভাই ৭৫ এর উত্তরে আপনার প্রশ্নটা সঠিক। কিন্তু রাজনৈতিক বিকাশটারেও মনে হয় কনসিডার করা উচিত।

সেই অর্থেই বলতে চাইছি, মুন আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাবাহিনীরে যেভাবে দেখেন, বাংলাদেশের ভূখন্ডে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীরে সেইভাবে দেখানো যায় না। এইখানে ইস্যুটা আরেকটু সেনসেটিভ।
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:২৯

লেখক বলেছেন: সেটাই। আমাদের এখানে কিছু কিছু মানুষের এমন অদ্ভুত যুক্তি আছে! তারা মনে করেন, একটা স্বাধীন দেশের সেনাবাহিনী কেন তার দেশের আর একটা অঞ্চলে ক্যাম্প করতে পারবে না?

এর উত্তর তো আপনি দিয়েই দিয়েছেন: তাহলে পুলিশ-বিডিআর আছে কি করতে?

৯১. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:১৯
-ছন্নছাড়া- বলেছেন: এত সুন্দর একটা পোস্টে এত মাইনাস দেখে অবাক হলাম। আমার ক্ষমতা থাকলে একটা প্লাস অবশ্যই দিতাম। আপনার বিশ্লেষণ ভাল লেগেছে।
১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৩০

লেখক বলেছেন: আমি মোটেই অবাক হইনি! ফ্যাসিস্ট মেন্টালিটির বর্হিপ্রকাশ মাইনাস আর বিদ্রুপে করেছে সেটাই আমাদের ভাগ্য! ওরা জাতীয়তার ধ্বজা রক্ষায় অনেক নীচেও নামতে পারে।

৯২. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:২২
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: রফিকুল হকের ব্যাক্তিআক্রমণ রিপোর্ট করছি।
৯৪. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৩৭
ইউনুস খান বলেছেন: @খারেজি এইটা কেন বুঝলেন না সেইটা বুঝলাম না। নরমালি দুপক্ষ অন্যকোন পক্ষকে নিয়ে টানাটানি করে সেখানে তৃতীয় পক্ষের আলাদা সত্ত্বা নিয়ে নেওয়ায় নিরাপধ।
অস্বীকার করার কোন ব্যপারই এখানে নাই। দুপক্ষের টানাটানিতে একটা ভূখন্ড, ঐখানকার কিছু মানুষের দুর্বিষহ জীবন-যাপনই আমাকে এদিকে প্রভাবিত করেছে। অন্য কিছু হলে কি ভাবতাম তা এখনো জানিনা। কারন পরিবেশ পরিস্থিতির উপরও ডিপেন্ড করে অনেক কিছু। পার্বত্য চট্রগ্রামে এমন কোন অবস্থা সৃষ্টি হয়নি যে তাদেকে স্বায়ত্নশাসন দিয়া দিতে হবে।

এনিওয়ে আপনি কি পার্বত্য চট্রগ্রামে স্বায়ত্নশাসনের পক্ষে? হলে কোন যুক্তিতে?

৭৫ এর জবাবটা কেমন হইছে সেইটা খাঁটি বাংলায় বললাম না। কিন্তু কেন বললেন সেইটার ব্যাখ্যা আশা করতেছি।

১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:২২

লেখক বলেছেন: ইউনুস খান। আপনি তো সেই পোস্টের শুরু থেকেই একের পর এক প্রশ্ন করে যাচ্ছেন। এবার আমি আপনাকে মাত্র একটা প্রশ্ন করি:

স্বয়ত্তশাসন বলতে আপনি কি বোঝেন?

(সংক্ষেপে বা বিস্তারিত, যে কোনভাবে উত্তর দিতে পারেন)

৯৫. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৩৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: গেলো সপ্তাহে লন্ডনে চিটাগাং হিল ট্র্যাকস এর ওপর এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে একজন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি তাদের অবস্থার বর্ননা দেন। এছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন সিএইচটি কমিশনের একজন কর্মী, জনৈক রিসার্চার ও প্রচুর বাঙালী। তাদের প্রাণবন্ত আলোচনায় অনেক কিছুই উঠে আসে।

ইস্নিপ্সে পুরো অনুষ্ঠানের অডিও তুলে রাখা হয়েছে। আগ্রহীরা এই ফোল্ডারের একটিমাত্র ফাইলটি শুনে দেখতে পারেন।

প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ননা ছাড়াও সেখানে বসবাসরত অনেক আদিবাসীর নিজস্ব বক্তব্যও এখানে শোনা যাবে।

সঙ্গত কারনেই কারো নাম উল্লেখ করা হলো না। বক্তব্যের সারবস্তুর দিকেই আমাদের নজর। নাম জানতে চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:১৪

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু আরিফুর রহমান। ইস্নপটা আগে সেইভ করে নিচ্ছি...

১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:২৪

লেখক বলেছেন: আরিফুর রহমান। এইসব শুনিয়েও এদের খুব একটা পরিবর্তন হবেনা, কারণ এরা বলবেন: ওসবই সিএইচটি কমিশনের প্রপাগান্ডা! দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত!!

৯৬. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৪০
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:

দাদা,
প্রথমেই অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বার্নি ইস্যু নিয়ে পোস্টের অবতারণা করার জন্যে।

আমি সশরীরে পার্বত্য চট্টগ্রামের গহিন এলাকায় গিয়েছি তাদের সাথে কথা বলেছি। পড়ে যতোটা না জেনেছি তাদের সাথে কথা বলে উপলব্ধি করেছি ঢের বেশি।

আদিবাসীরা শুরু থেকেই সুবিধা বঞ্চিত। এখনো তাই। এইসব অঞ্চলে বোট (টেম্পু/ট্রলার), আবাসিক হোটেল, বাস, অটোরিকশা, ট্রাক অধিকাংশের মালিক পাহাড়ি বাঙালি এবং বাঙালি সেটেলাররা। আর পাহাড়ি আদিবাসীরা অধিকাংশই এখনোই জুমচাষের উপর নির্ভরশীল। এমন কি হ্রদের মাছ পর্যন্ত বাঙালিদের, বাঙালিরা লিজ নিয়ে বাঙালি জেলেদের (যাদের আনা হয় উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে) দিয়ে মাছচাষ এবং মাছ ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিপণন এবং বাইরে রপ্তানি করে। দেশের সিংহভাগ মাছ উৎপাদিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রামের বিস্তারিত হ্রদে।

যে বিদ্যুতের জন্যে পাহাড়িরা একদিন বাস্তুহারা হয়েছে, সেই বিদ্যুৎসুবিধা তারা এখনও পায়নি, কেবল জেলাসদর গুলিতেই বিদ্যুত আছে।

এখন পাহাড়ে পাহাড়ি আদিবাসীরা সংখ্যালঘু। খুব সম্ভব তাদের হার ৪২ শতাংশ। আর সংখ্যালঘু মানেই নির্যাতিত এবং সুবিধাবঞ্চিত।

একসময় সেটেলারদের বসানোর আগে। পাহাড়িবাঙালি মিলেমিশে থাকতো। তখন বাঙালি ছিলো সংখ্যালঘু। জিয়া বাঙালি ছিন্নমূলদের পাহাড়ে বসানোর পর থেকেই শুরু হলো সমস্যা। কেননা, যার কিছু নেই সে যদি হঠাৎ করে কিছু পেয়ে যায় সদ্যপাওয়া নিজেরটা আকড়ে ধরার সাথে সাথে অন্যেরটাও কেড়ে নিতে নিজের দখলে রাখতে চায়। এইখানে ধর্ম একটা বিরাট ফ্যাক্ট। বাঙালি সেটেলারদের ধরতে গেলে নব্বইভাগই মুসলমান, আর অশিতি মুসলমান মাত্রই ফ্যানাটিক হ্ওয়ার সম্ভাবনা আশি ভাগ। পারিবারিকভাবেই তারা জেনে যায় ইসলাম ছাড়া কোনো ধর্ম নাই। অন্যান্য ধর্মীয় গোষ্ঠি বিধর্মী, বা জাতিগোষ্ঠী (বলাবাহুল্য আমাদের দেশে ধর্মের ভিত্তিতে জাতিগোষ্ঠী নির্ধারণ করা হয় প্রকৃত অর্থে, ভাষাভিত্তিক বাঙালি কেবল নথিপত্রে, ওটা মানেনও কয়েকজন) বিধর্মী মানেই পাপী, এবং এদের শেষ ঠিকানা নরক। ফলত তৈরি হয় একধরনের ঘৃণা। আর ঘৃণাটা প্রকাশিত হয় দলে ভারি হওয়ামাত্র।

হিশেব করলে দেখা যায় উগ্রজাতীয়তাবাদিদের মধ্যে হিন্দু খ্রিষ্টান কিংবা বৌদ্ধ তেমন কেউ নেই। বলতে গেলে সবাই মুসলমান। তাই বলতে পারছি উদ্রজাতীয়তাবাদের জন্ম ইসলাম ধর্ম থেকেই, বাঙলা ভাষা থেকে নয়। যদিও বলা হয় ইসলাম মানবতাবাদী, কিন্তু ইতিহাস বলে ইসলামই সবচে বেশি পৃথক করেছে। যথা ইসলামি রাষ্ট্রকল্পে বিধর্মী কোনো প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয় না।

পাহাড়ে এখন হানাহানি রোধ কোনো চুক্তি কিংবা প্রশাসন কিংবা সেনাবাহিনি (সেনাবাহিনি অবশ্য একটাকাজ পারে, সেটা হলো কল্পনা চাকমার মতো আন্দোলনকারি আরও কাউকে রাতের অন্ধকারে অপহরণ করে নিয়ে ধর্ষণ করে লাশ গুম করে ফেলতে) বন্ধ করতে পারবে না। কারণ হিংসা আর প্রতিহিংসা পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘতর হ্রদটির মতো আজ বিস্তারিত।

উপায় হলো, আমার যা মনে হয়, বাঙালি সেটেলাদের প্রত্যাহার করে সরকারি খাসজমি (হাজার হাজার একর খাসজমি পড়ে আছে এবং বেদখল হয়ে আছে, বেখল করে রেখেছে প্রভাবশালি পুঁজিপতিরা যাদের জমির দরকার নাই) এবং সেইসব পাহাড়ে আদিবাসিরা থাকে না ওইসব জায়গায় পুনর্বাসন করতে হবে। জিয়ার ইচ্ছাকৃত ভুল এবং হঠকারিতার মাসুল এ ছাড়া আর কোনোভাবেই দেয়া সম্ভব নয়।

একটা জাতিসত্তা স্বায়ত্তশাসন এমনিতেই দাবি করে না। কেনো দাবি করে সেটা বলাবাহুল্য।


উগ্রজাতীয়তাবাদী, ফেসিস্ট এবং ফ্যানাটিক শক্তি ধ্বংস হোক।

১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:১৮

লেখক বলেছেন: তোমার এই অসাধারণ মন্তব্যটি এই পোস্টকে আলোকিত করেছে, যেমন আরো অনেকের অসাধারণ মন্তব্য এই পোস্টকে সমৃদ্ধ করেছে।

এভাবে যদি আমরা অনেকেই ভাবতে পারতাম তাহলে অনেক কঠিন সমস্যাও সাধারণ ভাবে মোকাবেলা করতে শিখতাম।

এখন আর কিছু বলছি না। পরে এ নিয়ে আরো আলোচনা হবে। ভাল থেকো।

৯৭. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৪৫
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:

এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী

৯৮. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৪৭
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @নির্ঝর নৈঃশব্দ্য, অসাধারণ মন্তব্য!
৯৯. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৪৭
তাসলিমা মুন বলেছেন: @ইউনুস খান, আপনার প্রশ্নের জবাব লেখক চমৎকারভাবে আমার কমেন্টসে দিয়ে দিয়েছেন। যারা এই সমস্যা সৃস্টি করেছেন, তাদেরকেই ভেবে বের করতে হবে সমাধানটি কি হতে পারে? একটি রাস্ট্রের কয়েকটি বিভাগ থাকে, সামরিক বিভাগ এমন একটি বিভাগ যাদেরকে যখন শান্তি শৃংখলা রক্ষা করার জন্য ব্যাবহার করা হয়, তখন বিষয়টি শান্তির পরিবর্তে প্রতিরোধের জন্ম দেয়। একটি সিভিল গভঃ যখন একটি এথনিক গ্রুপের উপর সেনাবাহিনী চাপিয়ে দেয়, তখন সেই সেনবাহিনী তাদের বিধাতা হয়ে ওঠে। পৃ্থিবীর ইতিহাস বলে মানুষ আর যা-ই হজম করুক শৃঙ্খল সহ্য করেনি। ৯১ এর গন অভ্যুত্থান আমরা কেউই ভুলে যাইনি।
পাহাড়ীদের শান্তি রক্ষা করার জন্য সেনা বাহিনীই শেষ সমাধান নয়। এটা তখনই করা হয় যখন কোন গোস্ঠীকে দমন করার প্রয়োজন হয়। দমন নীতি সব সময় প্রতিরোধ এবং ঘৃনার জন্ম দেয়। আমি মনে করি, সংখ্যা গরিস্ঠর ভেতর একটা উন্নাসিকতা কাজ করে। আমরা জাতীয়তা বোধের নামে আসলে ভুগছি সেই উন্নাসিকাতায়। আমরা বেস্ট। পাহাড়ীরা অবুঝ! বিষয়টি মোটেও তা নয়। পাহাড়ি গোস্ঠীর ভেতরই রয়েছে মেধাবী মানুষ। ওদের নিজস্ব জীবন যাত্রার সাথে সুপরিচিত, একই চেতনায় উজ্জিবিত নিজ দলনেতা/নেত্রি। মেধায় উৎকর্ষতায় আমাদের রাজনীতিবিদদের চাইতে তারা কম কিছু নয়। আমাদের সরকারগুলোর দরকার তাদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং বিনয়। দরকার ডায়লগ। জাতি হিসেবে তাদের স্বিকৃতি তাদেরকে সম্মানের সাথে দিতে হবে।

আরও একটি পোস্টে সেদিন পড়লাম বাংলাদেশের সব নাগরিকই বাঙালি। পাহাড়িরাও বাঙালী। এটা কি করে সম্ভব? নৃতাত্ত্বিকরাতো তাহলে ভিমরি খেয়ে পড়বে। বাংলাদেশে বাস করলেই সবাই বাঙালি হয়ে যাবে? এটাতো অ্যাসিমিলেশন হয়ে গ্যালো। একটি দেশ সমৃদ্ধ হয় নানাবিধ মোজাইক পাথরের কম্বিনেশনে। ডাইভারসিটি বলে কোন কালচারই তো আমরা তাহলে স্বীকার করছিনা। প্রত্যেক জাতিই তার আপন মহিমায় উজ্জ্বল। আমরা তার জন্য গর্বিত। আমি আমার পাহাড় নিয়ে গর্বিত। আমি গ্রেটফুল ওরা আমার খুব কাছে আবার স্বকীয়তায় ভরপুর একটি জাতি। লেট দেম বি।
ইরাকে আফগানেই শুধু আমেরিকার অর্থনৈতিক স্বার্থ আছে, বলতে চাচ্ছেন পাহাড়ে বাঙালিদের বা রাস্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থ নেই? তাই কি?
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:২৪

লেখক বলেছেন: আপনার প্রতি অকুণ্ঠ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অল্প কথায় গুছিয়ে অনেক বিস্তৃত সত্য তুলে ধরেছেন।

গাছের ফলটি পেঁকে উঠলে তা আপনাতেই খসে পড়বে। পাহাড়ে সেনা উপস্থতি যে সেই ফলটি পেকে উঠতে ইন্ধন যোগাচ্ছে সেটা আগে বোঝা দরকার । সেনারা যে পাহাড়িদের রক্ষা করার জন্য নয় সেটি বুঝতে পাহাড়িদের খুব বেশি জ্ঞানী হবার দরকার করেনা।

১০০. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৪৭
খারেজি বলেছেন:



স্টিকি করা উচিত পোস্টটারে।



বিতর্ক আরো জমুক।
১০১. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৪৯
খারেজি বলেছেন:
নির্ঝর,

এইরকম একটা কমেন্টের অপেক্ষায় ছিল এইরকম একটা পোস্ট।


আপনারেও সালাম।


পোস্টটা স্টিকি হৌক।
১০২. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৫০
চিন্তিত তাপস পাল বলেছেন: উগ্রজাতীয়তাবাদী, ফেসিস্ট এবং ফ্যানাটিক শক্তি ধ্বংস হোক।
১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নির্ঝর

১০৪. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৫১
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: আমিও দাবি করছি পোস্টটি স্টিকি করা হোক। বিতর্ক আর আলোচনায় সমৃদ্ধ হোক বাংলাদেশের এই অত্যন্ত স্পর্শকাতর সমস্যাটি সম্বন্ধে আমাদের জানা-বুঝা। বন্ধ হোক মানুষ হয়ে মানুষের বিরুদ্ধে ঘৃনা ছড়ানো। শান্তি আসুক!
১০৫. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৫৪
ইউনুস খান বলেছেন: @বৃত্তবন্দী
ঠিক কত নাম্বার মন্তব্যে, কোন লাইনে আমি পাহাড়ীদেরকে প্রতিপক্ষ হিসাবে দাঁড় করাইতে চাইছি দেখান। আমার মন্তব্যগুলো আবার পড়ুন।

@প্রশ্নোত্তর
১। বাংলাভাই, শায়খ আব্দুর রহমানরে ধরছে কে? উত্তর - র‌্যাব। আর এই র‌্যাবের ইউনিটের নেতৃত্বে ছিলো সেনাবাহিনীর কর্ণেল গোলজার [যাকে নাকি তারা হত্যা করেছিলো যারা চায় বাংলাদেশে সেনাবাহিনী না থাকুক]। এইখানে আমি সরকারের প্রতিনিধি না ব্লগার ইউনুস খান।

২। আমার জবাবে যদি কিছু না বুঝে থাকেন তাহলে আপনাকে কিছু বলার নাই। তবে আগের জবাবটা এখানে রিপিট করলাম।

-- বাংলাবান্ধা/হিলি/তামাবিল এই সীমান্তগুলোর চেয়ে বেশি চোরাকারবারী চলে - এর উত্তরে আমি হ্যাঁ-না দুইটায় বলতে পারি। কারন যাতায়াতের সহজবোধ্যতার জন্য যেমন এই সকল এলাকার নিউজ তারাতারি আসে যা আমরা দেখতে পায় আর দুর্গম এলাকা বলে আমরা খুবই কম জানতে পারি পার্বত্য এলাকার কথা।
আমি আরেকটা কারনে বেশী গুরুত্ব দিবো। পার্বত্য এলাকায় এমনিতেই আমাদের প্রভাব কম দুর্গম বলে। সুতরাং সেখানে চোরাকারবারিরা একবার ঠিকমতো ঝেকে বসলে তাদের উৎখাত করা খুব সহজ হবেনা। আপনাকে ধরে নিতে হবে যে, চোরাকারবারীরা স্থলপথে অনেক শক্তিশালী হবে কারন তাদের হাতে থাকবে অত্যাধুনিক সব অস্ত্র।

৩। তাহলে আমরা কিছুদিন পর এই জাতি ঐ জাতি করার পর এই গুষ্টি ঐ গুষ্টি করে খান গুষ্টির জন্য আলাদা একটা রাষ্ট্র পাবো?
১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:২৫

লেখক বলেছেন: হা হা হা!

১০৬. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:১২
খারেজি বলেছেন: ইউনুস খানের ১১১ কমেন্টের ৩ নম্বর পয়েন্ট দেখে বুঝলাম এতক্ষন কোন মাপের বুদ্ধিজীবীর লগে কতা কৈতেছিলাম। B:-)


এই পুস্টে সেরা কমেন্ট ওইটাই।
শ্রেষ্ঠ বুঝনেওয়ালা এই মাল।
১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:১৪

লেখক বলেছেন: স্যরি খারেজি! এই শেষ রাতেও এক ঘন্টার লোড শেডিংয়ের খপ্পরে পড়েছিলাম! একটু আগে কারেন্ট আসল।

মাপতে এখন আর গজ-ফিতে লাগেনা! জায়গামত একটা ঝাঁকি দিলেই সারে! হুড়মুড় করে আসল সত্য বেরিয়ে আসে।

১০৭. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৩১
চিন্তিত তাপস পাল বলেছেন: জাতির অখন্ডতা নিয়া এত্ত এত্ত বুলি কপচাইছিল সেই রাজাকারগুলা, সেই একাত্তুরে। লাভ হয় নাই। যা ভাঙ্গার তা ভাঙ্গবেই। সেকেন্ড জেনেরেশন মুখে যতই সুশীল ভাব নিয়া চলুক হিপোক্রেসি ধরা খায়। বাপদাদার অখন্ডতার ল্যাংড়া ভুত এখনও ঘাড় থে নামে নাই।
১২ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।

১০৯. ১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:১৮
চিন্তিত তাপস পাল বলেছেন: এখন প্রশ্ন হইতেছে - পাহারিরা কি আদৌ স্বাধীনতা চায় কিনা। এত্ত পাহারিগো লগে মিশলাম কাউরে চাইতে দেখি নাই। এত্ত পাহারে গুরলাম কোনদিন কাউরে দেখলামনা স্বাধিনতা চাইতে। যারা পাহারিদের সাথে মিশছেন তারা একবাক্যে একমত হবেন। খালি মগবাজারের প্রেসনোট আর তাগো সেকেন্ড জেনেরেসন পোনাপাচ্চির আহাজারীতে শুনা যায় পাহারিদের স্বাধিনতার দাবী।


@হক ভাই- এইটা একটা ভাইটাল পয়েন্ট। পারলে দৃষ্টি দিয়েন।
১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:০৭

লেখক বলেছেন: পরের পর্বে এই বিষয়টা আলোচনায় আসবে। পাহাড়িরা কি চায় বা না চায় তাদের ভাবনার আগেই তো আমরা প্রেসনোট দিয়ে দিচ্ছি!

পয়েন্টটা মনে থাকল। নিশ্চই পরের পর্বে বিশদে যাব।

১১০. ১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:৩১
হোরাস্‌ বলেছেন: তসলিমা মুন এর সবগুলা কমেন্টে ঝাঁজা। নতুন করে বলার কিছু নাই। +

১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হোরাস্ । আমিও তার মন্তব্যে অভিভূত!

১১১. ১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:০৪
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
ধন্যবাদ মনজু ভাই চমৎকার পোস্টের জন্য ।

উপরে নয়াদিগন্ত পাঠক ডিজিটাল ছাগসন্তান ওরফে আছাসভা এবং উহার কতিপয় ছাগবন্ধু ছাড়া বাকী চমৎকার সব মন্তব্য , এবং বিশ্লেষণে অজানা অনেক দিক উঠে আসছে । আলোচনা চলতে থাকুক ।
১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:১১

লেখক বলেছেন: ওদের আর কি বলব! ওদের মাথার উপর ছাতা হয়ে বিরাজ করা রাজ্যের বইপত্তর পড়া পোস্টমর্ডানিস্টদের পাহাড়ি প্রশ্নে যেমন উগ্রতা দেখছি তাতে ওরা তো ঝাকের কৈ, কানে হেঁটে এগুতেই থাকবে।

ধন্যবাদ শিপন।

১১২. ১২ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:১০
প্রতারিত পুরুষ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। উপভোগ্য আলোচনা। জাতীয়তাবাদী লাদির আধিক্যে ব্লগে দুর্গন্দ বের হচ্ছিল, এখানেও তার কিছু নমুনা দেখলাম। এগুলারে লাথির উপ্রে রাখা ছাড়া উপায় নাই, ভদ্রপথে কাজ হবেনা।
১২ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: যার যা রুচি তাই সে বলে যাচ্ছে। কি আর করার আছে বলুন! সবাই আমরা জানি, কে কতদূর যেতে পারে।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১১৩. ১২ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:২৮
শয়তান বলেছেন: মুনশীর নীল হেলমেট জুজুর কথা বাদ পরছে :P
১১৪. ১২ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৩১
শয়তান বলেছেন:
**

একটা ছাগফিল্টার লাগায়া নেন পোস্টে । নয়ত ভাল একটা বিতর্ক দেখা থেকে সবাই বঞ্চিত হবো হয়ত আমরা ।

**
১২ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৩০

লেখক বলেছেন: নাহ্ আর পারা গেলনা! কাল থেকে অনেক ধর্য্য ধরে দেখলাম। এরা ফেয়ার প্লেকে মনে করছে দুর্বলতা। আরো একটাকে ব্লক করা হলো।

১১৫. ১২ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৩৬
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন: আব্দুর রাজ্জাক শিপন তুমি যে ভাজাকার সেইটা এমতে প্রকাশ না করলেও পার।আর শোন আবাল হইতে আরো যোগ্যতার ধরকার আছে।
আর শোন আজকে বাপ মায়েরে ফোন কইরা জিগাইয়ো তারা কি তোমারে জম্নের পর পাহাড়ে চাইড়া দিছিল ?যদি বলে কেন?তাহলে বলবা,কারণ আমার ভাষার ঠিক নাইতো তাই।
১১৬. ১২ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৪৩
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন: আর শিপন ইনকিলাবেতো লিখতা। রাজাকারের মুখপত্র যাগোরে মানতা হেডায়তো ইনকিলাব ১ নম্বরে।নাকি ইনকিলাব ভাজাকার হইয়া যাওয়ায় জারজ সন্তান (ইনকিলাব) যায়েজ হইয়া গেছে?

শোন তোমারে একখান কথা কয়।তোমার এইসব আবলামী ছাড়।তোমার মত করে তুমি থাক আমার মত করে আমারে থাকতে দাও।ভালো থেকো।
১১৭. ১২ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:১৩
মগা হাজী বলেছেন: চমতকার পোষ্ট। স্টিকি করা হোক।
১১৮. ১২ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৩১
জেনন বলেছেন: চমৎকার, ধন্যবাদ আপনাকে। কারন আপনি পার্বত্য চট্টগ্রামের মূল সমস্যাকে বুঝতে চেষ্টা করেছেন, করছেন।
১২ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৪১

লেখক বলেছেন: আমি এখানে উপলক্ষ মাত্র। পাহাড়ের বিষয়টা আমাদের সকলেরই কম-বেশি বোঝা উচিৎ। আমরা কেন অত্যাচারের অপবাদ মাথায় নেব? তাও আবার নিজের ভাইয়ের বিরুদ্ধে অত্যাচার!

এখানে আপনাদের সবার সচেতনাই সমস্যার ভেতর থেকে বেরুনোর সমাধান দিকনির্দেশ করতে পারে।

১১৯. ১২ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:১০
জাতিষ্মর বলেছেন: একটা জিনিস বুঝলাম নাহ, ইতিহাসকে তো পিছনে নিয়া ঠিক করা যাইবো নাহ। সেইটা করতে গেলে তো বর্তমান ইসরায়েল যেরকম পাচ হাজার বছরের পুরোনো ইতিহাস নিয়া ফিলিস্তিনে বাসা বাধছে সেইরকম হইয়া যাইবো। যেইটা হইয়া গেছে সেইটা মাইনা নিয়াই তো আগাইতে হইব। এখন বাংগালিরাই ঐখানে বেশী। তো এইরকম পরিস্থিতিতে আদিবাসিদের স্বায়ত্বশাষন দেয়া কি ঠিক হবে? পূর্বের অনেকগুলা কমেন্ট দেইখা মনে হইল পাহাড়ী,বাংগালী উভয়েই পরস্পরের প্রতি খেইপা আছে। এমতাবস্থায় সেনাবাহীনি সরায়ে নেয়াটা আদৌ উচিত হবে? সেনাবাহিনীর উভয়ের প্রতি সমান ব্যবহার করতে পারলেই তো কাজ হইয়া যায়। বাংলাদেশের সেনাবাহিনি বাংলাদেশের সমস্ত নাগরিকের সাথে সমান ব্যবহার করবে সেটাইতো চাই।
১২০. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪৯
খারেজি বলেছেন:
পাচ হাজার বছর পিছনে যাবার দর্কার নাই জাতিস্মর। এইটা এমন না যে, ওইখানে বাঙালি উদ্বাস্তু গণগোষ্ঠী বিশাল শেকড় গেড়ে বসেছে। এখনও সময় আছে এর একটা রিজনেবল ব্যবস্থা গ্রহনের।

নির্ঝর নৈশব্দের কমেন্টা পড়ে দেখুন, পাহাড়িরা অনেক আগে থেকে বসতি করা বাঙালিদের প্রতি মোটেই হোস্টাইল ছিল না।
১২১. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:০৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: পোস্টটা স্টিকি হওয়া উচিত ছিলো।
১২২. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০১
নাজিম উদদীন বলেছেন: সরাসরি প্রিয় পোস্টে । অনেক কিছু পরিষ্কার হল।

কথাবার্তার(তত্ত্ব) প্যাঁচে ফেলে অনেকেই জলঘোলা করার চেষ্টা চালিয়েছেন এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন। আমি যতটুকু বুঝি, জোর করে সেনাবাহিনী দিয়ে শান্তি আনা যায় না, সেনাবাহিনী সে কাজ করছেও না। একই দেশের সংখ্যালঘু লোকদের উপর অত্যাচার করে আমরা বরং ঐ এলাকাকে আরও অস্হির করে তুলছি। নিরাপত্তার জুজুর ভয় দেখিয়ে দেশে যেমন রাজনীতি চলছে তেমনি পার্বত্য এলাকায়ও অরাজকতা চালিয়ে পরিস্হিতি উত্তপ্ত করতে চাইছে কিছু মহল। এতে ক্ষতিগ্রস্ত কারা, নীরিহ পাহাড়ী এবং গরীব ভূমিহীন সমতলের সেটলাররা।

সেটলাররা পড়ছে বিপাকে না পারে সমতলে ফেরৎ যেতে , না পারছে শান্তিতে পাহাড়ে থাকতে।

Click This Link
১২৩. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২১
সত্যান্বেষী বলেছেন: নির্ঝর নৈঃশব্দের কমেন্টটি (৯৬) অনেক কিছুকেই দিনের আলোর মতো পরিষ্কার করলো। জাতীসত্ত্বার প্রশ্নে মার্কসের সংজ্ঞা মুসলমানদের কাছে নতমুখে ফিরে যাওয়া, অবিকল পাকিস্তানী শাসকগোষ্টির আদলে পাহাড়ে বাঙালী কর্তক বৃহত্তর অর্থনৈতিক সুবিধাভোগ, জিয়ার উদ্ভট ফ্যাসিস্ট সিদ্ধান্ত, সম্ভাব্য প্রতিকারের পথ - অনেক কিছুই জানা গেল।

আমি আসলে বিষয়টা সম্পর্কে তেমন গভীরভাবে জানতাম না, তবে এটি বুঝতাম পাহাড়ীদের উপর জুলুম-নির্যাতন-বঞ্চনা চলছে। চলছে বাঙালী কর্তৃক, রক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ রাষ্ট্র নামের রাক্ষস কর্তৃক। মনজুরুল হকের মার্কসিস্ট দৃষ্টিভঙ্গি থেকে জাতিসত্ত্বার বিশ্লেষন, পাহাড়ীদের সমস্যার পূর্বাপর - এইসব মিলে এখন আমি অনেকটাই আলোতে। আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞতা।

শেষ পর্যন্ত আমি শোষণহীনতার পক্ষে - সেই শোষণ যদি আমার বাপ কর্তৃকও হয়।
১২৪. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৪২
জাতিষ্মর বলেছেন: @খারেজি আপনি কি চাইতেছেন ওখানকার প্রায় ৫০ ভাগ লোকরে সরায়ে অন্য কোথাও রাখবো? এইডা আপনার সমাধান?ভালোই। তো রাখবো কই? মনে রাখতে হইব এরাও কিন্তু ভুমিহিন। সরকারের তো একটা দায়িত্ব আছে ওগো কিছু ভূমি দেওনের। কইততা দিব? CHT এর জন ঘনত্ব কিন্তু অনেক কম।
যাই হোক তারা তো কাম কাজ ব্যবসা পাতি কইরা ঐখানে চলতাছে? নাকি? সরানোর সময় হেরা যদি বেইক্কা বয়? তখন কি বাংগালী vs সেনাবাহিনী লাগব?
"পাহাড়িরা অনেক আগে থেকে বসতি করা বাঙালিদের প্রতি মোটেই হোস্টাইল ছিল না"। তাইলে নতুন বসত করা বাংগালীগো কিছু সময় দেন। তাদের শিকড় গজাইতে দেন। পরস্পর পরস্পরের গুরুত্ব বুঝুক। পরস্পরের গুরুত্ব বুঝতে পারলেই তো আর হোস্টাইল হইব নাহ।

আর একটা কথা। ৭১ এর আগে কোনো কারণেই যদি বাংলাদেশে ৫০ ভাগের বেশি পাকি থাকতো,তাইলে ব্যাপারটা কিরকম হইত?



১২৫. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:১৫
খারেজি বলেছেন: জাতিস্মর


একদিক দিয়া মনে হৈতে পারে, পাহড়ের বেশিরভাগ জনগোষ্ঠী। আরেক দিক দিয়া এর পরিমান কয়েক লাখ বাঙালি। এদের এখনও বড় অংশের পাহড়ে কোন আইনী মালিকানাধীন জমিও নাই।

এখন বিবেচ্য বিষয় কয়েকটা:

১. এরা ভূমিহীন। মূল ভূখণ্ডে দরিদ্র সৃষ্টির যে কারখানা আছে, তারই একাংশকে ওইখানে সামরিকভাবে ব্যবহার করা হচ্চে। এইটা তাদের দারিদ্র দূর করার উদ্দেশ্য করা হয় নাই। তাদের বড় অংশ ওইখানেও বেশ দরিদ্র জীবনই যাপন করেন, তার সাথে আছে মৃত্যু, রোগ, অশিক্ষা ইত্যাদতি। একদম নিরুপায় হযেই তাদের বড় অংশ ওইখানে থাকেন। কথা হলো, দরিদ্র তৈরির এই কারখানা চালূ থাকলে আপনি কত লোককে ওইখানে ঠেলতে থাকবেন? ইতিমধ্যেই যে ভূমিহীন মানুষ তৈরি হয়েছে,তাদের ভগ্নাংশকে পাঠালেও পাহাড় আর পাহাড় থাকবে না, বন আর বন থাকবে না।

২. ওইখানে তাদের বড় অংশকে বেইআইনী কাজের সাথেও যুক্ত থাকতে হয়। এই বেআইনী কাজের মাঝে আছে পাহাড়, অরণ্য ধ্বংস, চোরাকারবারী, পরের জমি দখল। কারণটাও খুব সরল। এর বাইরে নতুন কাজ নাই। এখন, আপনি কি আপনার দেশের বন-পাহাড় উজার করতে চান? সুন্দরবনেও কি এইভাবে বসতি করবেন?

৩. ঐতিহ্যগত ভাবে এইটা তাদের বসতি। এই বসতিতে আপনি ক. সংরক্ষিত বনভূমি হিসাবেও চিহ্নিত করছেন। এখন এই সরক্ষিত বনভূমি আর খ. তাদের ঐতিহ্যগত আবাসভূমি উভয়ই রক্ষা এক সূত্রে গাথা, সেইটা হৈল এইখানে নতুন বসতি-আবাদী ঠেকান। এইটা কোন আহ্লাদী কথা না, এইটা দুনিয়ার যে কোন অর্থনীতিবিদের হিসাবে খুবই বাস্তবসম্মত হিসাব। পাহাড় অরণ্য আপনারে, আপনার ভবিষ্যত প্রজন্মরে যুগ যুগ ধরে যা দেবে, তা টিকিয়ে না রাখলে আবদুল ওয়াদুদ ভুইয়া বা এদের মত ভূইফোর কিছু বড়লোক পাবেন, কিন্তু দেশের/জাতির ভবিষ্যত অন্ধকার।

৪. অতীতে যারা ওই এলাকায় গিয়েছেন, তারা সম্মতি নিয়েই গিয়েছেন। তাদের সাথে তাই নৈকট্য ও নিবিড়তা ছিল পাহাড়ীদের। এখন আপনি কি ওই এলাকায়, যা আরেকটি জনগোষ্ঠীর চিরায়ত আবাস, তা দখল করতে চান কিনা? তাকে বৈধ মনে করেন কিনা। যদি সিরিয়াসলি শান্তি চান, তাইলে এক হিসাব। কিন্তু যদি তাদের জমি দখল করে শান্তির আশা আমরা কিভাবে করব? তারা তো খুন হয়েও প্রতিশোধ নিতেই চাইবে। এই রকম অস্থিরতা সুযোগ দেয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে কিনা। প্যালেস্তাইনেও দেখুন,আন্তর্জাতিক ভাবেই গ্রহণযোগ্য একটা দাবি হলো, গত কয়েক দশকে যে আবাসভূমি গড়ে তোলা হয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহার।

৫. বাংলাদেশে পাকিদের কাল্পনিক বাসস্থান নিয়া সমস্যার সমাধানটা আপনিই বলেন, আম্রা শুনতে চাই।
১২৬. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:২৬
জাতিষ্মর বলেছেন: খারেজী

উপরের কমেন্টে আপনি বনভুমি ধংসের ব্যাপারটা আনলেন কয়েকটা পয়েন্টে। আজ থেকে একশ বছর আগে ঐখানে যত বনভুমি ছিলো চল্লিশ বছর আগে কি একই বনভুমি ছিলো? যদি না থাকে সেইটার দায়ভার কি পাহাড়ীদের উপর বর্তায় নাহ? তখনো তো বাংগালীরা ঐভাবে যাওয়া শুরু করে নাই। সেক্ষেত্রে পাহাড়ী বাংগালী উভয়ই তো দায়ী।

বাংগালীদের ঐখানে জোর করে নিয়ে গেলেও আসতে তো কেউ বাধা দিচ্ছে নাহ। তারা যেহেতু আসতেছে নাহ তার মানে অবশ্যই একটা বেটার লাইফ লিড করতেছে ঐখানে।

বনভূমি ধংস করা ছারা আর কোনো কাজের ব্যবস্থা করা যায় নাহ? সেটা করলেই তো এইধরণের কাজ থাইকা বিরত রাখা যায়।
"অতীতে যারা ওই এলাকায় গিয়েছেন, তারা সম্মতি নিয়েই গিয়েছেন" কার কাছে সম্মতি নিয়া গেছেন?

তখন একটা জাতিগত দাংগা হইত।

১২৭. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৩৯
জাতিষ্মর বলেছেন: প্রত্যেকটা সমস্যাকে আলাদা ভাবে দেখাই ভালো,অন্য কোনো একটা সমস্যার সাথে তুলনা করতে গেলে,সমস্যার মূল থেকে সরে আসার সম্ভাবনা থাকে বইলা মনে হয়।
১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:২৪

লেখক বলেছেন: এখানে প্রত্যেকটি পক্ষ প্রত্যেকটি পক্ষের সাথে জড়িত। আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। বিবেচনা করতে হবে সামগ্রীকতা ধরেই।

১২৮. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:০০
খারেজি বলেছেন: জাতিষ্মর

এই বনভূমি উজাড় হওয়াটা একেবারে সাম্প্রতিক কালের ঘটনা।

শুরু হয় কাপ্তাই বাধ দিয়া । আর প্রায় পুরাটাই বাঙালি বসতি-সেনাবাহিনী-ইজারাদার-ব্যবসায়ী ইত্যাদি সযোগেই ঘটেছে।

পাহাড় না ধ্বংস করে আপনি এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে ওইখানে বসাবার কোন মিনিমাম উপায়ই করতে পারবেন না।

কিন্তু তারচে বড় কথা, আপনি এই ভূমি দখলরে তার মানে আরও বহু দিন সমর্থন করবেন কি না! পাহাড় অরণ্য নাই হয়ে যাবার চেয়ে এইটা কম এথিক্যাল কোয়েশ্চেন না।

আর, সবগুলা বিষয়রে আলাদা কৈরা দেখা যাইব না। একসাথে বিবেচনায় কৈরাই সিদ্ধান্ত নিতে হৈবে। নাইলে আন্দাজি তথ্য আর তার উপরে সিদ্ধান্ত নিতে থাকবেন। মূল বহুত দূরে থাকবে।
১২৯. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:২০
মনজুরুল হক বলেছেন:

ধন্যবাদ খারেজি। আপনি যথাযথ উত্তর দিয়েছেন। তার পরও যদি কেউ গায়ের জোরে ঠেলেই জিততে চান তাহলে কিছু করার নেই, কারণ এই পোস্টে সীমিত জায়গায় হাজার হাজার শব্দ লেখা যাবে না। জাতিষ্মর যে প্রশ্নগুলো তুলেছেন তার ডজন ডজন উত্তর জমা আছে। এখানে কেবল একটিই উল্লেখ করছি:

শান্তিচুক্তি: ৩ এর ক (২)যে সব "বেআইনী অনুপ্রবেশকারী" পার্বত্য চট্টগ্রামে জমি ক্রয়, বন্দোবস্তি বা কেদখল করে বসতি স্থাপন করবে তাদেরকে সরিয়ে দিতে হবে।

(খ) পাকিস্তান শাসনামলের শুরু থেকে বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে চুক্তিপত্র সম্পাদিত না হওয়া পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে যে সব অধিবাসী ভারত ও বার্মায় চলে যেতে "বাধ্য হয়েছে" তাদেরকে পার্বত্য চট্টগ্রামে পুনর্বাসিত করতে হবে।

এসব কিভাবে করা হবে সেটা সরকার এবং চুক্তির অপর পক্ষেরই নির্ণয় করতে হবে। আমরা সে সবের জাবাবদিহি করার কেউ নই।
১৩০. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:২৮
জাতিষ্মর বলেছেন: বনভূমি ধ্বংস নিয়া আলোচনার ইতি টানি এই বইলা যে আর কোনো বনভূমি ধ্বংস হইব নাহ। ধরে নিলাম। তাছাড়া যখন শুরু হইছে বললেন তখন এইসব নিয়া সচেতনেতা ছিলো নাহ। শুরুর সময়টা যে বললেন সেইটা কি ঠিক? কারণ মানুষ যখন ঐখানে গেছে তখন থাইকাই বন জংগল কাটা কাটি কইরাই তো বসত শুরু করছে। তাই নাহ?
১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৪১

লেখক বলেছেন: একাত্তরের সেই ডামাডোলের মধ্যে পাহাড়িরা চাইলে যুদ্ধের ভেতর আর এক যুদ্ধও শুরু করতে পারত। করে নাই, কারণ তখন সেখানে যে বাঙালিরা বসবাস করত তারা আশপাশের জেলা থেকে কালক্রমে বসতি গেড়েছিল। ৭৮ সালের পর ঝাকে ঝাকে বপন করা হলো তখন থেকেই তারা মাইনরিটির আতংকে ভুগতে শুরু করে। এর আগে দরকার করেনি। একটা হারমোনি সেখানে ছিলই।

১৩১. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৩২
রোবোট বলেছেন: গত ৩০ বছরে কিভাবে সমতলীদের কি দ্রুতগতিতে পাহাড়ে পুনর্বাসন করা হয়েছে সেটাওভিসাবে আনতে হবে। পাহাড়ীদের বিরূপ হবার এটাও ১টা কারণ। ২০ বছরে ঢাকা থেকে ৫ লাখ লোক নিয়ে গাইবান্ধা বা মাগুরা নিয়ে পুনর্বাসন করালে গাইবান্ধা বা মাগুরা জনসংহতি সমিতি হৈতে দেরী হবে না।
১৩ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:০৪

লেখক বলেছেন: "২০ বছরে ঢাকা থেকে ৫ লাখ লোক নিয়ে গাইবান্ধা বা মাগুরা নিয়ে পুনর্বাসন করালে গাইবান্ধা বা মাগুরা জনসংহতি সমিতি হৈতে দেরী হবে না।"

আপনার এই লাইনের কোন সদুত্তর হয়না, তাই সেইটাই রি-পোস্ট করলাম।

ধন্যবাদ রোবোট।

১৩২. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৫১
শাহেরীন বলেছেন: জঙ্গল তুমি কার; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, নাকি বেনিয়ার ঠেকেদার? জঙ্গল তুমি কার; সরকারি রাইফেল, নাকি দলের পাওনাদার? জঙ্গল তুমি কার; বাইরের তাত্ত্বিক, নাকি জন্ম সুত্রে যার? জঙ্গল তুমি কার; শাল মহুয়ার ছায়া, নাকি পুলিশী বলাৎকার? জঙ্গল তুমি কার; মুখ বুজে সব সওয়া, নাকি বিদ্রোহ এইবার???
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:৩৩

লেখক বলেছেন:

বিদ্রোহ এইবার???

১৩৩. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:১৯
মেজো ছেলে বলেছেন: পাহাড়িদের উচ্ছেদ করে বাঙালি পুনর্বাসনের প্রক্রিয়ায় এখন পাহাড়িরা নিজ ভূমিতে সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়ে যাচ্ছেন

নিজভূমি কি আবাদসূত্রে, নাকি দখল সূত্রে? নাকি মানবিক কারনে?


=====

আলোচনা খুব জমজমাট হয়েছে। ফিউশন ফাইভ, রাগ ইমন, আইরিন সুলতানাকে মিস করেছি। তাহলে মনে হয় আরো জমতো।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন: বংশ পরম্পরায় বসবাস সূত্রে।

১৩৪. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:০৭
জাতিষ্মর বলেছেন: "ধন্যবাদ খারেজি। আপনি যথাযথ উত্তর দিয়েছেন। তার পরও যদি কেউ গায়ের জোরে ঠেলেই জিততে চান তাহলে কিছু করার নেই, কারণ এই পোস্টে সীমিত জায়গায় হাজার হাজার শব্দ লেখা যাবে না।" এর পরে আর কি বলা যায়?

সমাধান হিসাবে শান্তিচুক্তির দুইটা ধারা দিলেন। এইটাই যদি সমাধান তাইলে এত বড় পোস্ট দেয়ার তো দরকার ছিলো নাহ। বড় করে লিখে দিতে পারতেন "শান্তি চুক্তির বাস্তবায়ন চাই"। শব্দের অপচয় কম হইত,ব্যান্ডউইথ কম খাইত,কার্বনের নি:সরণ কম হইত!!!!, জলবায়ু গরম কম হইত।

যেকোনো সমস্যা সমাধান করার উপায় হচ্ছে এই সমস্যার যারা স্টেক হোল্ডার তাদের স্বার্থ ঠিকঠাক মত বুঝায়ে দেয়া। আপনার এই ব্লগের টোন টা ছিলো এইরকম যে মার্ক্স,লেনিন বলছে এইরকম সুতরাং এইটাই সমাধান।

"৭৮ সালের পর ঝাকে ঝাকে বপন করা হলো তখন থেকেই তারা মাইনরিটির আতংকে ভুগতে শুরু করে। এর আগে দরকার করেনি। একটা হারমোনি সেখানে ছিলই।"

জিয়া বা এরশাদরে সব দোষ দেয়ার কি মানে বুঝলাম নাহ, এদের কারো সাথেই কি পাহাড়ীদের ব্যক্তিগত আক্রোশ ছিলো,কিংবা ভোট বা আসন সংক্রান্ত কোনো ব্যপার? বা বাংগালী ভূমিহীনদের উপর হঠাৎ দরদ উথলাইয়া পড়ল যে তাদেরকে পাহাড়ে পূনর্বাসিত করল? ইমপসিবল।
পাহাড়ে একটা সমস্যা আগের থাইকাই ছিলো বইলা মনে হয়(৭৮ এর আগে)। আর সেই সমস্যার একটা সমাধান হিসাবে তারা বাংগালীগো দলে দলে সেইখানে পূনর্বাসিত করে। সমাধান ভুল বা শুদ্ধ যাই হোক না কেনো। সুতরাং ৭৮ সালের পর ঝাকে ঝাকে বপন করা বাংগালীরাই পাহাড়ের প্রথম সমস্যা না, সমস্যা অবশ্যই তার আগেও ছিলো।


প্রত্যেকটা সমস্যাকে আলাদা ভাবে দেখাই ভালো, আলোচনা সুবিধা হয় না হইলে উপড়ে দেখেন খারেজী ভাইয়া পুরা সমস্যা টা বন বিভাগে নিয়া যাচ্ছিলেন।
আবার একটা সমস্যার সাথে আরেকটা সমস্যা তুলনা করাও ঠিক না। ফিলিস্তিন সমস্যা,কাশ্মীর সমস্যা,CHT সমস্যা অবশ্যই নিজ নিজ দোষ-গূনে আলাদা।











১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: "যেকোনো সমস্যা সমাধান করার উপায় হচ্ছে এই সমস্যার যারা স্টেক হোল্ডার তাদের স্বার্থ ঠিকঠাক মত বুঝায়ে দেয়া। আপনার এই ব্লগের টোন টা ছিলো এইরকম যে মার্ক্স,লেনিন বলছে এইরকম সুতরাং এইটাই সমাধান।"

না। মাকর্স-লেনিন বলেছেন বলেই এটা সমাধান নয়। খেয়াল করবেন, আমি এখানে কোন সমাধান দেবার চেষ্টা করিনি। সেটা আমার কাজও নয়। শুধু এটুকুই বলার চেষ্টা করেছি যে, পাহাড়িদের দাবীর পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য ডজন ডজন "যদি" "কিন্তু""যেহেতু"র দরকার করেনা। স্রেফ আদর্শগত কারণেই দাঁড়ানো যায়।

এখন যদি বলেনঃ সেই আদর্শ আমি মানলেই আপনি মানবেন কেন? বা আপনি মানতে বাধ্য নন। এটাও ঠিক আছে। এই আদর্শ'র কথা বলা হয়েছে মুন্সীকে, তাও মানতে বলা হয়নি(এভাবে বলা যায়ও না)। আমরা কেন মেনেছি শুধু সেই যুক্তিটুকুই ধেখানো হয়েছে।

"৭৮ সালের পর ঝাকে ঝাকে বপন করা হলো তখন থেকেই তারা মাইনরিটির আতংকে ভুগতে শুরু করে। এর আগে দরকার করেনি। একটা হারমোনি সেখানে ছিলই।"

জিয়া বা এরশাদরে সব দোষ দেয়ার কি মানে বুঝলাম নাহ, এদের কারো সাথেই কি পাহাড়ীদের ব্যক্তিগত আক্রোশ ছিলো,কিংবা ভোট বা আসন সংক্রান্ত কোনো ব্যপার? বা বাংগালী ভূমিহীনদের উপর হঠাৎ দরদ উথলাইয়া পড়ল যে তাদেরকে পাহাড়ে পূনর্বাসিত করল? ইমপসিবল।
পাহাড়ে একটা সমস্যা আগের থাইকাই ছিলো বইলা মনে হয়(৭৮ এর আগে)। আর সেই সমস্যার একটা সমাধান হিসাবে তারা বাংগালীগো দলে দলে সেইখানে পূনর্বাসিত করে। সমাধান ভুল বা শুদ্ধ যাই হোক না কেনো। সুতরাং ৭৮ সালের পর ঝাকে ঝাকে বপন করা বাংগালীরাই পাহাড়ের প্রথম সমস্যা না, সমস্যা অবশ্যই তার আগেও ছিলো।"

জিয়া-এরশাদের ব্যক্তি আক্রোশ ছিলনা সেটি যেমন আমরা নির্ণয় করতে পারিনা, তেমনি ব্যক্তি আক্রোশ ছিল সেটিও নির্ণয় করতে পারিনা। তবে ইতিহাস স্বাক্ষ দেয় তাদের দূরভিসন্ধী ছিল। তারা মনে করেছিলেন, জাতিগতভাবে বাঙালি মেজোরিটি হয়ে গেলে শক্তির ভারসাম্য আসবে। তখন বল প্রয়োগ ছাড়াও সেখানকার সমস্যার মোকাবেলা করা যেতে পারে। এপ্রসঙ্গে ভুরি ভুরি রেফারেন্স আছে। সেটা আর পোস্টে দেবার আশা রাখি।

হ্যাঁ, বাঙালি বপন করার আগেও নানা সমস্যা ছিল, কিন্তু সেগুলো এখনকার মত বৈরী ছিলনা। প্রাধান্যেও ছিলনা।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩৫. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৩১
শয়তান বলেছেন: সাধারন মানুষের কথা বাদ দেন । সেনা ক্যাম্পের নামে যে সব ভুমি সরকার অধিগ্রহন করতেছে সেইগুলার ব্যাপারে কার কি চিন্তাভাবনা ??
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: সবই জাতির "বৃহত্তর স্বার্থে"!!!

১৩৬. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৪২
জাতিষ্মর বলেছেন: "এ প্রসঙ্গে আরো পরিষ্কার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায় কমিউনিস্ট পার্টির ইস্তাহারে। মাকর্স-এঙ্গেলস বলছেন-
“ব্যক্তির উপর ব্যক্তির শোষণ যে অনুপাতে শেষ করা হয়, এক জাতির উপর অন্য জাতির শোষণও সেই অনুপাতে শেষ করা হবে। জাতির ভিতর বিভিন্ন শ্রেণীর দ্বন্দ্ব যে অনুপাতে লুপ্ত হবে, সেই অনুপাতে এক জাতির প্রতি অন্য জাতির শত্রুতাও শেষ হবে”(কমিউনিস্ট পার্টির ইস্তাহার, পিকিং, ১৯৬৫, পৃষ্ঠা ৫৫)এ প্রসঙ্গে আরো পরিষ্কার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায় কমিউনিস্ট পার্টির ইস্তাহারে। মাকর্স-এঙ্গেলস বলছেন-
“ব্যক্তির উপর ব্যক্তির শোষণ যে অনুপাতে শেষ করা হয়, এক জাতির উপর অন্য জাতির শোষণও সেই অনুপাতে শেষ করা হবে। জাতির ভিতর বিভিন্ন শ্রেণীর দ্বন্দ্ব যে অনুপাতে লুপ্ত হবে, সেই অনুপাতে এক জাতির প্রতি অন্য জাতির শত্রুতাও শেষ হবে”(কমিউনিস্ট পার্টির ইস্তাহার, পিকিং, ১৯৬৫, পৃষ্ঠা ৫৫)"

এখানে ব্যক্তির উপর ব্যক্তির শোষণ আমরা শেষ করলাম নাহ,সেইটা পাহাড়ী জাতি নিজেদের মধ্যকার ব্যক্তিদের শোষণ, কিংবা বাংগালী জাতি নিজেদের মধ্যকার শোষণ কোনাটাই নাহ, তার আগেই জাতিগত শোষণের কথা চিন্তা করতেছি, এইধরণের চিন্তাকে হঠকারী বলা যায় না? মনে সন্দেহের জন্ম নেয় নাহ যে এর পিছনে কোনো রাজনিতি কাজ করতেছে? এই শোষন টা কে পূজিকইরা কেউ কারো স্বার্থ হাসিল করতে চায়? কারন উভয়পক্ষেই তো শোষক আছে, আছে হীন স্বার্থ।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: প্রতিটি ঘটনার পেছনেই রাজনীতি আছে। থাকতেই হয়, তবে রাজনীতি বা জাতিগত শোষণ তো হাওয়ায় উড়ে আসে না, ব্যক্তি এবং ব্যক্তি সমন্বয়ের সমষ্টির হাত ধরেই আসে।

প্রতিটি রাজনৈতিক ঘটনাকে পুঁজি করে ফায়দা তোলার চেষ্টা বিবদমান সব প্রতিপক্ষেরই থাকে। কৌশলগত সুবিধে নিয়ে কে সেই ফায়দা তুলে নেবে সেটা সেই সময়কার বাস্তব প্রেক্ষিতই নির্ণয় করে দেয়।

১৩৭. ১৩ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৫৩
অনুপম শাহানশাহ বলেছেন: আমি আরেকটি ব্লগে আপনাকে, মনজুরুল হক, কিছু প্রশ্ন করেছিলাম। এই লেখাতে তার উত্তর খুঁজেছি। পাই নি। অবশ্য থাকার কথাও নয়। কারো উপর অতি মাত্রায় ক্ষিপ্ত হয়েছেন কি? রাগবেন না।এই ধরনের গুরুত্বপুর্ণ বিষয়ে আবেগ তাড়িত না হয়ে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করা দরকার। আবেগ অবশ্য দোষের কিছু নয়। আপনার কাছে প্রত্যাশা অনেক, তাই বললাম।
বিরক্ত হবেন না আশা করি। একই প্রশ্ন এখানেও করছি।

আমি আপনার লেখা পছন্দ করি। আপনি ঠিক কাদের বিরুদ্ধে বলেন, ধরতে পারি না সবসময়। আমি যেহেতু ব্লগে নতুন, অনেকের লেখা পড়ি নাই অতএব কে কার পক্ষে বা বিপক্ষে বলতে পারব না। পড়বার সুযোগ পেলে মন্তব্য করব। তবে অন্য জায়গায় অন্যদের বক্তব্য যেভাবে সারমর্ম করেছেন সেই বিষয়ে বলি --
কেউ বোধহয় লিখেছে, ‘এই রাষ্ট্রটিকে যে করেই হোক টিকিয়ে রাখতে হবে।‘ যদি বাংলাদেশের জনগন অখন্ড গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রশক্তি দিয়ে উপমহাদেশে সকল নিপীড়িত জনগোষ্ঠির আন্দোলন সংগ্রামে ভুমিকা রাখতে পারে তাহলে এই বক্তব্যে অসুবিধা কি? তাহলে প্রশ্ন হল বাঙ্গালি আবাঙ্গালি আদিবাসী সকলের প্রথম কাজ হল বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পূর্ণ করা। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রশক্তি কায়েম করা। এই রাষ্ট্র রেখে দিয়ে ঝগড়া করার অর্থ বুঝলাম না। বাঙ্গালি ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ফ্যাসিস্ট ও সাম্প্রদায়িক চরিত্র আমাদের জানা। আদিবাসীদের বিরুদ্ধে গণহত্যার কাহিনীও আমরা জানি। যে কারনে আমি মানবাধিকার ও নৈতিক জায়গা থেকে পাহাড়ী জনগোষ্ঠির পক্ষে। নিঃশর্তে। কিন্তু নীতি আর রাজনীতি এক কথা নয়। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের খোলনলচে বদলাবার প্রশ্ন উহ্য রেখে যারাই বাঙ্গালি বনাম আদিবাসী বিভাজনে বিভক্ত হয়ে যায় – একপক্ষ এই রাষ্ট্রের পক্ষে, অন্য পক্ষ ক্ষুদ্র জাতিসত্তার আত্ম নিয়ন্ত্রণের নামে স্বাধীন জুম্ম রাষ্ট্রের পক্ষে -- রাজনৈতিক দিক থেকে আমি দুই পক্ষেরই বাইরের লোক থাকতে চাই। এটা কি ভুল? ‘জাতীয়তাবাদ’ যদি ফ্যাসিজমের রূপ ধারণ করে তাহলে জুম্ম জাতীয়তাবাদ কী?

আপনি কি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ‘আত্ম নিয়ন্ত্রণের অধিকার” সংক্রান্ত তর্ক আর অগণতান্ত্রিক বাংলাদেশে সাম্রাজ্যবাদ যেভাবে বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়কে পরস্পরের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিচ্ছে, দাঙ্গা লাগাচ্ছে -- দুটাকে একাকার করে ফেলছেন না? লেনিনের বরাতে? আমি লেনিন অতো পড়ি নাই। আপনার লেখা পড়ে পড়া দরকার ভাবছি। পড়ে আরো প্রশ্ন করব। বুঝি যে লেনিন বাংলাদেশের গরিব নিপীড়িত মানুষের সঙ্গে পাহাড়ের নিপীড়িত হতভাগ্য জনগণের মধ্যে ঐক্য গড়বার রাজনীতিটাই করতেন। বাংলাদেশ ভেঙ্গে যাক এটা কি লেনিন চাইতেন? যেমন চাইতেন না পাহাড়ে গণ হত্যা ও রক্তক্ষয়ী সহিংসতা। সেই রাজনীতিটা কেমন হবে? বা হতে পারে? এটাই তো আমাদের সকলের ভাববার কথা। বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিতে নিপিড়িত শ্রেণীর মধ্যে ঐক্যের কি কোন সম্ভাবনা নাই? আপনি যে শ্রেণীর সেই শ্রেণীর কথা বলছিনা। হয়তো এটা ঠিক যে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর একটা অংশ বাংলাদেশ ভাগ হয়ে যাক এটা চায়; বা, ভাগ হয়ে গেলে তাদের কিছুই আসে যায় না। লেনিন, আপনি আশা করি মানবেন ‘জাতি সত্তা’-র রাজনীতি করতেন না। তিনি করতেন শ্রেণী রাজনীতি। শ্রেণীর জায়গা থেকেই তিনি ‘জাতিগত” নিপীড়ণের রাজনীতি করেছেন। আপনার আলোচনহ্ব শ্রেণী হারিয়ে গিয়েছে বলে আমার মনে হয়েছে।

এই কারণে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি তে আপনার সমাধানে আমার অস্বস্তি জেগেছে। যে আপনি বোধহয় লেনিনকে ভুল ভাবে আমাদের কাছে হাজির করছেন।

আপনার বহু কথার সঙ্গেই আমি একমত। বলাই বাহুল্য। কিন্তু রাজনীতিটাই তো মূল জায়গা।
আশা করি উত্তর দেবেন।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: দুঃখিত, আপনার উত্তর দিতে দেরি হলো।

আপনি পোস্টের মেরিট ধরতে একটু বিপাকে পড়েছেন মনে হয়। এখানে আমি আমার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত টানিনি। আমি শ্রেণীকে হেলা করেছি, না জাতিকে আপরাইজ করেছি, সেটা মূল বিষয় নয়। বিষয়ের মূলে আছে "পাহাড়িরা জাতি হয়ে না উঠতে পারলে কি তাদের দাবী অন্যায্য হয়ে যাবে? স্বায়ত্তশাসনের অধিকার আদায়ের জন্য তাদেরকে আগে জাতি হিসেবে সুগঠিত হয়ে আসতে হবে? নিপীড়িত জাতিস্বত্তার আন্দোলনকে মাকর্সবাদ-লেনিনবাদ কি চোখে দেখে" সেটির একটি বিশ্লেষণ চেষ্টা।

আপনার উত্তরে আরো বিস্তারে বলা যেত, কিন্তু আপনি ১৩৯ নম্বর কমেন্টে একটা সিদ্ধান্ত টেনে বসেছেন। সেখান থেকে আপনাকে আর সরানোর দরকার আছে বলে মনে করছি না। আপনার সিদ্ধান্তে আপনি অটল থাকুন।
ধন্যবাদ।

১৩৮. ১৪ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:২০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

ছাগল ছাড়া সবাই ভালো,
তোমার ছাগ ছাগ সুখ ইয়াহু আইডিতে উত্তর পাঠায়ছি ।
এই পোস্টের আলোচনায় ব্যাঘাত না ঘটানোর জন্য ।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শিপন।

১৩৯. ১৪ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৫৯
অনুপম শাহানশাহ বলেছেন:
পিমুন্সির উত্তর তার ব্লগে পড়লাম। গালাগালির যে সহজ পথটা আপনি বেছে নিয়েছেন তাতে আপনাকে ভুল বোঝার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিলেন। সেখানে জিপিএসের মন্তব্য থেকে আমার ধারণা আরো শক্ত হোল যে আপনি লেনিন কে ভুল ভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। এটা ঠিক না। এখন আপনার উত্তরের অপেক্ষায় আছি। পিমুনসির লিনক:
click here
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: আমাকে গালাগালি করতে দেখলেন কোথায়? স্ববিরোধী বক্তব্য দেওয়ার কারণে "হিপোক্র্যাট" বলা কি গালাগালি? আপনি দেখি একেবারে বিচারকের আসনে বসে রায়ও দিয়ে ফেললেন!

এবার অনুগ্রহ করে আপনার লিংক দেওয়া পোস্টে গিয়ে আরো একবার পড়ুন।

১৪০. ১৪ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:২০
ব্লগ মাফিয়া বলেছেন: চমতকার সব মন্তব্য,
দারুন ভালো লাগলো,
একটা বিষয় পরিষ্কার বিশেষ ভাষা ও কালচার থাকলে তাদের স্বায়ত্বশাসন থাকা উচিত....।

আমি সিলেট বিভাগের স্বায়ত্বশাসন দাবী করছি

আশা করছি লেখক এবং মন্তব্যকারীরা ( কয়েকজন শিশু ব্লগার ছাড়া) আমার সাথে একমত হবেন..।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন: আপনার দাবী করা ঠেকায় কে? আদায় হোক বা না হোক।

১৪১. ১৪ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:২১
ব্লগ মাফিয়া বলেছেন: চমতকার সব মন্তব্য,
দারুন ভালো লাগলো,
একটা বিষয় পরিষ্কার বিশেষ ভাষা ও কালচার থাকলে তাদের স্বায়ত্বশাসন থাকা উচিত....।

আমি সিলেট বিভাগের স্বায়ত্বশাসন দাবী করছি

আশা করছি লেখক এবং মন্তব্যকারীরা ( কয়েকজন শিশু ব্লগার ছাড়া) আমার সাথে একমত হবেন..।
১৪২. ১৪ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: কুর্নিশ। ইউনিভার্সাল ভার্সান।

________________

আগাছা পরিস্কার করতে শিকড় সুদ্ধই নির্মূল করা নিয়ম। সেটাও ভালাই হইতাছে ;)
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:০৬

লেখক বলেছেন: তুমি মাঝে মাঝে এমন ডুব দেও কেন? তোমার দীপঙ্কর নিক নিয়ে ম্যালা কথা শুনতে হয় আমাকে। একসময় এই নিয়া দুই কথা কইয়া যাইবা।

১৪৩. ১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৪৪
হিমু ব্রাউন বলেছেন: comment by: খারেজি বলেছেন: দুইটা ছাগল মুখ দিল সবার আগে, এই আফসুস রয়া গেল এত সুন্দর পোস্টে।

অভিনন্দন মনজু ভাই। এইটা এমন একটা ইস্যু, যেইখানে প্রগতিশীল রঙওয়ালা আর প্রতিক্রিয়াশীল নিপীড়ক এক কাতারে দাঁড়ায়।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: স্বার্থের বেহেস্তে যাবার টিকিটের জন্য এককাতারে তো দাঁড়াতেই হবে! প্রয়োজনে জামার জামায় গিঁট্টু দিয়েও সহমর্মী হতে হবে!!

১৪৪. ১৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:০১
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: হা হা হা হা | উফাসের হাসি ছাড়া তাগো লেইগ্যা আর কিছু নাই।
Click This Link
______________________________________


দাদা, আর কইয়েন না, নানাহ ঝামেলা, মেশিন ফরম্যাট হইছে, নতুন মেশিন বসানি হইচে, আর ইন্টারনেটের কথা তো কইয়া খালি সময় নষ্ট।
কুনুমতে আপনেরটায় একটা কমেন্ট করতে পারছিলাম সেদিন।
তাছাড়া, সামুতেতো আমি ডিসেম্বর থেইক্যা অনিয়মিত হইয়া পড়চি সঙ্গত কারনেই।
১৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: সেই "সঙ্গত" কারণটা কি ?

১৪৫. ১৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:২৪
ভাবনাবিহীন বলেছেন: ঐতিহাসিক বিশাাাাাাাাাাাাাাাল জমায়েত ভাকুরদলের
১৪৬. ১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২২
অনুপম শাহানশাহ বলেছেন: আপনি রেগে গিয়েছেন মনে হয়। আমি আসলেই আপনার অবস্থান বুঝতে চাই। সরলভাবে ও সততার সঙ্গে। আশা করি আপনি আমাকে সহযোগিতা করবেন। আমি কি জানি আর না জানি আপনাকে সরল ভাবেই জানিয়েছি। আমি আপনার মতো জ্ঞানী না হতে পারি, কিন্তু আপনি প্রশ্ন এড়িয়ে যচ্ছেন কিনা বুঝতে পারব। পাহাড়ের প্রশ্ন খুবই গুরুত্ত্বপুর্ণ বিষয়। আশা করি আপনি আমার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবেন।।পিছুটান দেবেন না।

আপনার গালাগালির নমুনা দেখুনঃ

''কিন্তু তৃতীয় আর পক্ষ আছেন যারা মুখে মার্কসবাদের সাম্য এঁটে শ্রমজীবী মানুষের হিতাকাঙ্খী সেজে সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদের দখলিকরণের বিরুদ্ধাচারণের নামে ওয়েলফেয়ার স্টেটের ধুয়ো তুলে কার্যত ফ্যাসিস্ট জাতীয়তাবাদী সংখ্যাগুরুত্বের অহমিকায় পাহাড়ি জনগোষ্ঠির আত্মনিয়ন্ত্রেণের অধিকারকে ‘বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার দাম্ভিকতা’ বলে দু-ধারী কৃপাণ হাতে ময়দানে নেমে গেছেন। এই বুদ্ধিবৃত্তিক ভন্ডামির মুখোশ উন্মোচন পাহাড় বিষয়ে জানা-বোঝার এবং সিদ্ধান্ত টানার ক্ষেত্রে আশু কর্তব্য।
এই তৃতীয় পক্ষের পুরোধা হিসেবে বন্ধুবর পি মুন্সী বলছেনঃ(এখানে পি মুন্সী একটি নিমিত্ত মাত্র)"

আপনি কি একে গালাগালি বলবেন না? পি মুন্সীর সঙ্গে আপনার মতে নাও মিলতে পারে। কিন্তু এভাবে গালি দিয়ে কি আলোচনা এগিয়েছে বলে আপনার মনে হয়? আমি বুদ্ধিজীবিদের ব্যপার স্যপার বুঝি কম। একটু বুঝিয়ে বলবেন কি?
১৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: "আপনার গালাগালির নমুনা দেখুনঃ ''কিন্তু তৃতীয় আর পক্ষ আছেন যারা মুখে মার্কসবাদের সাম্য এঁটে শ্রমজীবী মানুষের হিতাকাঙ্খী সেজে সাম্রাজ্যবাদ-সম্প্রসারণবাদের দখলিকরণের বিরুদ্ধাচারণের নামে ওয়েলফেয়ার স্টেটের ধুয়ো তুলে কার্যত ফ্যাসিস্ট জাতীয়তাবাদী সংখ্যাগুরুত্বের অহমিকায় পাহাড়ি জনগোষ্ঠির আত্মনিয়ন্ত্রেণের অধিকারকে ‘বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার দাম্ভিকতা’ বলে দু-ধারী কৃপাণ হাতে ময়দানে নেমে গেছেন। এই বুদ্ধিবৃত্তিক ভন্ডামির মুখোশ উন্মোচন পাহাড় বিষয়ে জানা-বোঝার এবং সিদ্ধান্ত টানার ক্ষেত্রে আশু কর্তব্য। এই তৃতীয় পক্ষের পুরোধা হিসেবে বন্ধুবর পি মুন্সী বলছেনঃ(এখানে পি মুন্সী একটি নিমিত্ত মাত্র)" আপনি কি একে গালাগালি বলবেন না?"

আপনার কাছে এটা গালাগালি মনে হলো? বেশ। মনে যখন হলোই তো এখন কি করা করা যাবে বলেন? মাফ চাইতে হবে?

এক কাজ করেন। এইটা নিয়ে একটা পোস্ট দিয়ে ব্লগবাসীর কাছে বিচার দেন। ব্লগের সবাই দেখুক মনজুরুল হক কিভাবে গালাগালি করেছে!!!

আপনার মন্তব্য পড়ে রাগ না বিরক্ত হচ্ছি। এইসব "গালাগালি" পড়তে আর না আসুন, সেটাই ভাল না?

১৪৭. ১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৫৬
অনুপম শাহানশাহ বলেছেন: আমার ১৩৭ নাম্বার কমেন্টের উপর লিখেছেন, আমি আপনার ''পোস্টের মেরিট ধরতে একটু বিপাকে পড়েছি"। হতে পারে। আসলেই আমার বুদ্ধি কম। পড়াশুনাও আপনার বা পি মুন্সির ধারে কাছেও নাই।
লিখেছেন আমি "১৩৯ নম্বর কমেন্টে সিদ্ধান্ত টেনে বসেছি"। আমার সিদ্ধান্ত ভুল তো হতে পারে। সে ভুল ধরিয়ে দেওয়া বা তা দেখাবার দায় তো আপনারই। আপনার লেখা নিয়েই আমি কথা বলছি। কিন্তু বলছেন, "সেখান থেকে আপনাকে আর সরানোর দরকার আছে বলে মনে করছি না। আপনার সিদ্ধান্তে আপনি অটল থাকুন।" এ আবার কেমন কথা? আমার মন্তব্যকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করাই যদি আপনার নীতি হয় আমি তো পণ্ডিতদের মন কিভাবে জয় করতে হয় জানি না। বুঝলাম আপনি আমার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে চান ন। তাই কি? পরিষ্কার করেই না হয় বলুন।আমি সামান্য মানুষ। মেনে নেব।
লিখেছেন, আপনি আপনার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত টানেন নি। তাহলে কি লিখছিলেন? এইসব কি রাজনীতি না? ''শ্রেণীকে হেলা" করেন নি, "জাতিকে আপরাইজ" করেন নি, অথচ মার্ক্সবাদ লেনিনবাদ কি চোখে নিপীড়িত জাতিসত্তার আন্দোলনকে দেখে সেই বিষয়ে আলোচনায় নেমেছেন। বেশ। শ্রেণীর প্রশ্ন বাদ দিয়ে বা শ্রেণী ও জাতির সম্পর্ক ও বিরোধের প্রশ্ন না তুলে এ আবার কেমন মার্ক্সবাদ লেনিনবাদ? একটু ব্যাখ্যা করে বলবেন কি? আরো গোলমালে পড়ে গেলাম।
১৪৮. ১৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:০৯
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: Click This Link


অসঙ্গতি কিংবা সঙ্গতির বেসাতি
১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: আপাতত পড়ার মুডে নাই। সাইনাস জনিত শিরপীড়া!

১৪৯. ১৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:১৮
চন্দন বলেছেন: চাকমারাই বাঙালীদের দোষারোপ করতে নিজেদের বাড়িতে আগুন লাগিয়েছে.... বললেন থাংগো পাংকোয়া- চেয়ারম্যান সাজেক ইউনিয়ন পরিষদ।

এরপর আপনি কি বলবেন ?

খাগড়াছড়িতে পুড়ে যাওয়া বাঙ্গালী পরিবারের বাড়ীর চিত্র কি কোন পত্রিকায় আসেছে?

নিহত বাঙ্গালীর কথা কি কোথাও ছবি সহ ছেপেছে?
যেমন করে ওদের মৃতদের ছবি ছাপানো হয়েছে?

পুরো মিডিয়া কার ইন্দনে কাজ করতেছে মনে হয়?

রাতের বেলা পাহাড়ী সন্ত্রাসী কর্তৃক তুলে নিয়ে মা-মেয়েকে এক সাথে ধর্ষনের ঘটনায় আমাদের সুশিলরা কোন প্রতিবাদ করেছে ?

কাঠ কাটতে যাওয়া কাঠুরিয়া গন্যহত্যার খবর কি আপনারা পান ?

শান্তি বাহিনীকে কোন দেশের মিলিটারী একাডেমীতে প্রশিক্ষন দেওয়া হয় ?

কোন দেশ শান্তি বাহিনীকে অর্থও অস্ত্র সহায়তা দেয় ?

আহত সেনা সদস্যদের ছবি কি কোন পত্রিকায় এসেছে ?

ছোট থেকে এক সাথে বড় হয়েও আমার চাইতে কম মেধাবী হয়েও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপজাতীয় কোঠায় আমার প্রতিবেশী ভর্তি হয়ে যায় আমার চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া কি আর কোন উপায় আছে ?

বাংলাদেশের ঘটনায় জাতি সংঘের হস্তক্ষেপ কামনা করে দিল্লি ভিত্তিক হিউম্যান রাইটস সংঘটন, কাশ্মির , সিকিম, আসাম, মিজোরাম ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘটে যাওয়া মানবাধিকার লংঘনের কয়টি ঘটনায় তারা জাতি সংঘের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ?

পাহাড়ের ৫৪% শতাংশ জনগোষ্টী হয়েও আমরা আজও নিজভুমে পরবাসী কেন ?

শান্তি বাহিনী আর ইউপিডিএফ এ চাকমা আর গুটিকয়েক মারমা ছাড়া অন্যন্যা উপজাতি জনগোস্ঠীর অংশগ্রহন আছে কি ?

১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: আপনার দর্শনে আপনি ঠিকই বলেছেন। এই পক্ষের মতামতকারীরা সংখ্যাগরিষ্ঠও, কিন্তু আমি আপনার সাথে একমত নই। কেন নই সেটা পোস্টের ভেতরেই বলা আছে।

ধন্যবাদ।

১৫০. ১৮ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৮
নাজনীন১ বলেছেন: উপরে আপনার পোস্ট এবং মন্তব্য পড়ে আপনার মতামত অল্প কিছু যা বুঝলাম,

১। আপনি প্রতিটি জাতিসত্ত্বার আলাদা পরিচয়ে আগ্রহী।

--- এখন এটা কিভাবে করা যাবে? সংবিধান সংশোধন করে , নাকি আলাদা ভূখন্ডের মাধ্যমে? নাকি আর কিছু উপায়ে? আপনার স্পষ্ট অবস্থান কোনদিকে? বুঝিনি।

২। বিভিন্ন সরকার কর্তৃক বাঙালী বসতি স্থাপন করা পছন্দ করেননি।
--- এখন তাদের ব্যাপারে কি ধরণের ব্যবস্থা চান, যারা ইতিমধ্যে গিয়েছে তাদেরকে উচ্ছেদ নাকি আর নতুন করে যেন আর কাউকে পাঠানো না হয়? সেটাও বুঝিনি।

৩। শান্তিচুক্তি যেটা হয়েছে, সেটা পুরোপুরি মানা হলে কি সব সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করেন?
-- যদি উত্তর হ্যাঁ হয়, তাহলে সরকার কেন এখনো সে উদ্যোগ সেভাবে নিচ্ছে না বলে মনে হয়?
-- যদি উত্তর না হয় তাহলে চুক্তির কোন কোন দফার ব্যাপারে আপনার আপত্তি? সেক্ষেত্রে কি কি হলে আপনি সহমত পোষণ করতেন?

৪। ২/৩ দিন আগেও পত্রিকায় দেখেছি পাহাড়ে ভূমি কমিশনকে কাজ করতে দেয়ার ব্যাপারে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অসহযোগিতার কথা, এ ব্যাপারটা আপনি কিভাবে দেখেন?

৫। ব্লগে একটা পোস্ট দেখেছিলাম, সন্তু লারমা নাকি পার্বত্য অঞ্চলে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে দিতে ইচ্ছুক নয়, এটা কি সত্যি? এ ব্যাপারে আপনার মতামত কি?

৬। আর স্বায়ত্ত্বশাসন প্রশ্নে উপরেও একটা প্রশ্ন এসেছে, আমি আর রিপিট করলাম না? তবে এক্ষেত্রেও আপনার মতামত জানতে আগ্রহী।

আর প্রায় সাতদিন হয়ে গেল, এখনো পরের পর্ব দিলেন না। অপেক্ষায় আছি। সবদিক থেকে দেখার সুযোগ পাওয়া যাবে।
১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন:

পিসি খুলেই আপনার কমেন্টের উত্তর লিখলাম। কারেন্ট চলে গিয়ে সব নেই হয়ে গেল! পরে আবার লিখব। আপাতত এতটুকুই বলতে পারছিঃ

পরের পর্ব আর আসবে না।
কি হবে দিয়ে? পাহাড় পাহাড়েই থেকে যাবে! নিপীড়িত মানুষগুলো নিপীড়িত এবং বিচারহীনই থেকে যাবে। মধ্যিখানে জাতীয়তাবাদের আত্মশ্লাঘা আর হিনম্মণ্যতার পারাকাষ্ঠা দেখে কেবলই ঘৃণা বাড়বে! জাতীয়তাবাদের অহম এক দূরারোগ্য ব্যাধি, মুহূর্তে মিত্রকে শত্রু কাতারে দাঁড় করিয়ে দেয়।

১৫১. ২৪ শে জুন, ২০১০ রাত ৮:০২
দিনমজুর বলেছেন: আপনার পোষ্ট টি এত দেরীতে দেখার জন্য খুব খারপ লাগছে। আমাদের লেখাটায় অনুপম শাহানশাহ এর প্রশ্নের উত্তর দিতে গেয়ে ঘটনা ক্রমে আপনার এই পোষ্ট টি চোখে পড়ল।

দুর্দান্ত হয়েছে। পোষ্ট টি। স্যালুট!
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন:
অনেক অনেক দিন পর ব্লগে আসার সময় মেলে। এই দীর্গ বিরতীতে অনেক কিছুই ঠাওর করতে পারিনা।

ভালো আছেন?
অনেক কথা জমে আছে। খরচ করা দরকার।

১৫২. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:০১
তানিয়া মুন বলেছেন: ভালো লাগলো খুব। শুভেচ্ছা।
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৪০

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা। অনেক পরে উত্তর দিলাম বলে মার্জনা করবেন। আমি এখন আর নিয়মিত আসতে পারিনা।

ভালো থাকুন।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ ভোর ৪:৩৮

লেখক বলেছেন:
কৃতজ্ঞতা।

১৫৪. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৪৯
হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেন: স্বাগতম। প্রগতিশীল ওরফে ফ্যাশানের নাস্তিক কাম লীগারদের মাল্টিনিক সমগ্র ইতিমধ্যেই প্রচুর গালাগালি আর অস্থিরতার মাধ্যমে পরিবেশ তৈরি করেছে, যাতে আপনি ব্লগে ফিরতে পারেন।

স্বাগতম !
৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: গুড। এতে আপনার অবস্থান কোথায়?

১৫৫. ১৯ শে নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:২৩
সচেতন নাগরিক বলেছেন: একপেশে লেখা। মনে হয় প্রপাগান্ডামুলক।
২২ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন:

মনে হয় কেন? ঠিকই তো একপেশে লেখা। তবে সেই একপাশ হচ্ছে অবহেলিত পাহাড়ীদের পাশ।

জগতের সকল কিছুই কোন না কোনভাবে প্রপাগান্ডা।

১৫৬. ২২ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:০৩
বিদ্রোহী কান্ডারী বলেছেন: পশ্চিমবঙ্গ থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হোক। কারন সেখানে সংখালঘু বাঙ্গালীরা থাকে। পুব আর পশ্চিম বাংলা মিলে বাংলাদেশ করা হউক। আমার বাঙ্গালী ভাইরা আজ ভারতের হাতে বন্দী। কি বলেন সেনা প্রত্যাহার সাপোর্টকারীরা?
১৫৭. ২২ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:১২
বিদ্রোহী কান্ডারী বলেছেন: ঘটনাক্রম (১৯৭৭-) : পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালি ও সেনা হত্যা
৬ মে ১৯৭৭ : সাঙ্গু নদীতে কর্তব্যরত অবস্থায় আবদুল কাদিরসহ পাঁচ সেনাসদস্যকে হত্যা।

২৫ অক্টোবর ১৯৭৭ : বান্দরবানে নিহত হন নায়েক আবদুল গণি মিয়া, নায়েক আবদুস সাত্তার, নায়েক আরিফ, সিপাহী লুৎফর রহমান, সিপাহী আলী হোসেন এবং সিপাহী আবদুল খালেক মুন্সি।

২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ : সাঙ্গু নদীতে অ্যামবুশ, এক সেনাসদস্যকে হত্যা এবং প্রচুর গোলাবারুদ লুট।

৫ জুলাই ১৯৭৯ : কাপ্তাই নতুন বাজার থেকে ২ জন আনসার সদস্যকে অপহরণ করে হত্যা।

১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯ : দীঘিনালায় নায়েক এসএম রুহুল আমিনকে হত্যা।

১৪ অক্টোবর ১৯৭৯ : খাগড়াছড়িতে পাঁচ সেনাসদস্যকে হত্যা।

১৯ ডিসেম্বর ১৯৭৯, লংগদু : একই রাতে একযোগে কয়েকটি গ্রামে হামলা, ২০ অ-উপজাতীয়কে হত্যা, আহত ৪০, ১০৪টি বাড়ি অগ্নিদগ্ধ।

২৩ জানুয়ারি ১৯৮০ : খাগড়াছড়িতে তিন সেনাসদস্য খুন, আহত ৫।

২১ এপ্রিল ১৯৮০ : ফালাউংপাড়া নামের একটি স্থানে অ্যামবুশ করে ১১ রাইফেল ব্যাটালিয়নের ২০ জন জওয়ানকে হত্যা, প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র লুট।

১ মার্চ ১৯৮০ : ঘন্টিছড়া নামের একটি স্থানে অ্যামবুশ করে হত্যা করা হয় মেজর মহসিন আলমসহ ২২ জন সেনাসদস্যকে।

২৫ মার্চ ১৯৮০, কাউখালী : বাঙালি বসতিতে হামলা, দুই পক্ষে নিহত ২৯, আহত ১১ জন।

১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৮০, কাউখালী, বেতছড়ি ও কচুখালী : আকস্মিক আক্রমণে ৬ বাঙালি খুন, আহত ২৫ জন।

২৯ এপ্রিল ১৯৮৪ : খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গায় বাঙালি বসতিতে গণহত্যা। হতাহতের প্রকৃত চিত্র পাওয়া যায়নি।

৩০ ও ৩১ মে ১৯৮৪, ভূষণছড়া ও বরকল : দিবাগত রাতে বাঙালি বসতিতে হামলা, ৮৮ জনকে গুলি করে হত্যা, আহত ৩৩ এবং ১৮ জন অপহৃত। আগুনে পুড়ে ছাই ২৬৪টি বাড়ি।

১৯ জুলাই ১৯৮৬ : খাগড়াছড়িতে এক সেনাসদস্য নিহত, আহত ৭।

২২ জুলাই ১৯৮৬, দীঘিনালা : সশস্ত্র হামলায় ২৪ বাঙালি খুন, ৩২ জনকে অপহরণ।

৭ আগস্ট ১৯৮৬ : ২ জন আনসার সদস্যকে অপহরণ করে হত্যা।

২১ জুন ১৯৮৭ : নাড়াইছড়ির অদূরে অ্যামবুশ, সেনাসদস্য আবদুর রাজ্জাক, ইসমাঈল হোসেন ও মোহনলালকে হত্যা।

২৪ নভেম্বর ১৯৮৭ : শিলছড়িতে দুই সেনাসদস্যকে গুলি করে হত্যা।

১৮ এপ্রিল ১৯৮৯, বাশখালী : পাহাড়ি-বাঙালি সংঘর্ষে ১৫ জনের মৃত্যু।

২৭ জানুয়ারি ১৯৮৯ : বন কর্মকর্তা আবুল হোসেন, বজল আহমদ ও মাহবুবুল আলমকে অপহরণ করে হত্যা।

৪ মে ১৯৮৯, লংগদু : আকস্মিক আক্রমণে ১৫ বাঙালির মৃত্যু।

১৬ এপ্রিল ১৯৯০, নাইক্ষ্যংছড়ি ও বলিপাড়া : ১৯ বাঙালিকে গুলি করে হত্যা। এ বছরই থানচিতে ১১ জন সেনা জওয়ানকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়।

১০ জানুয়ারি ১৯৯২, খিরাম : খিরাম বন কার্যালয়ে আক্রমণ, ৬ কর্মচারীকে হত্যা।

২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯২, লংগদু : চলন্ত লঞ্চে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ১৭ বাঙালিকে হত্যা।

২৯ জুন ১৯৯২ : মহালছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে পাহারা চৌকির ওপর হামলা, দুজন সেনা সদস্য নিহত।

১৪ জুন ১৯৯৫ : শান্তিবাহিনীর ২০ সদস্যের একটি গ্রুপের হাতে ব্যাংক লুট। গার্ডকে হত্যা এবং দুই ব্যাংক কর্মচারীকে অপহরণ।

৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬, পাকুয়াখালী (রাঙামাটি) : নৃশংস হামলা চালিয়ে ৩৫ জন নিরস্ত্র বাঙালি কাঠুরিয়াকে হত্যা



লেখাটি ফিউশন ফাইভ এর একটি লেখা থেকে নেওয়া। যাদের মধ্যে কিঞ্চিত দেশপ্রেম আছে তারা জেগে উঠুন।
২২ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ৩:২৪

লেখক বলেছেন: এই ফালতু প্রশ্নের জবাব আগেই দেয়া হয়েছে। আইরিন, দিনমজুরদের পোস্টে। নতুন করে আর কিছু বলার নেই।

১৫৮. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৩:২৫
মনজুরুল হক বলেছেন:
"পাহাড়িরা নিশ্চিভাবেই সংবিধান মানতে বাধ্য। তাদের সাথে শান্তিচুক্তিও করা হয়েছে সংবিধানের আলোকে।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সেই শান্তিচুক্তির শর্তানুযায়ীই যখন সেখান থেকে ক্রমান্বয়ে সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়েছে, তখনই এক শ্রেণীর জোর আপত্তি এসে গেছে। বলা হচ্ছে: সেনা সরালেই সেটেলাদের মেরে কেটে সাফ করে দেবে পাহাড়িরা!

কেন সাফ করে দেব? ১৯৭২ এর আগেও সেখানে প্রায় ১০ শতাংশ স্থানীয় বাঙালি ছিল তখন তো মেরে কেটে সাফ করেনি? এখন সেই ভয় কেন আসছে? কারণ আমরা সেখানে সংখ্যানুপাত সমান করার জন্য বাঙালি মাইগ্রেট করিয়েছি।

তেমনি, যখন শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছিল, যখন সেনা প্রত্যাহারের শর্ত রাখা হয়েছিল তখনই তো ভাবা উচিৎ ছিল পাহাড়ে বপন করা বাঙালিদের রক্ষা করার উপায় কি?

যেহেতু ওখানে দরিদ্র বাঙালিরা স্বইচ্ছায় যায়নি, সরকারই ঠেলে পাঠিয়েছে। সুতরাং তাদের নিরাপত্তাও ঠিক করতে হবে সরকারকে। আর সেটা শর্ত মোতাবেক সেনা প্রত্যাহার করেও।"
-----------------------------------------------------------------------------

আজ ২ ডিসেম্বর। পাহাড়ের শান্তিচুক্তির ১৩ তম বার্ষিকী। এই দীর্ঘ তেরটা বছর পার করে এসে যদি কোনো পাহাড়ি নিজেকে প্রশ্ন করে-- কি পেলাম?

তাকে আমাদের মডারেট মুসলিম কাম সেক্যুলার কাম বন্ধুবৎসল জাতির পক্ষ থেকে এক লাইনের উত্তর........থোড় বড়ি খাড়া/ খাড়া বড়ি থোড় !!!
১৫৯. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১২
পিচ্চি চাপাবাজ বলেছেন: i have one request to all,please check back how many times our hill tracts specialist visited hill tracts or stayed there.

now a days so many persons r visiting chittagong hill tracts(CHT) and after staying one or two weeks sending report that army is burning down everything there.who built those roads now those specialists are using to go there??

my father was a tea garden manager there,he told us how they faced threat from chackmas.

our police force r not capable enough to protect us in city area.just think when we have to depend on them in hill what will be the concequence??

And at last remember that there is no benifit to speak for poor bangalies.but so much benefit to speak for paharis.u will easily get media attention.


১৬০. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৯
পিচ্চি চাপাবাজ বলেছেন: what বিদ্রোহী কান্ডারী said it might seems to u ফালতু প্রশ্নে .but persons lost their father,brother or relatives for them that is important.
১৬২. ২১ শে জুন, ২০১১ দুপুর ১:১২
বিপ্লব রহমান বলেছেন: লেখক বলছেন: ‘জেএসএস’ বা ‘ইউপিডিএফ’ই যে সমগ্র পাহাড়ি জাতিস্বত্তার মুক্তির একমাত্র গ্যারান্টার সেটাও ভ্রান্ত ধারণা। তারা এইক্ষেত্রে যথেষ্ট পরিমানে প্রস্তুত নয় তাও সত্যি। ভারতীয় সম্প্রসারণবাদের প্রশ্নে তাদের পরিষ্কার কোন বক্তব্যও নেই। তাতে করে কি চোদ্দটি ছোট-বড় জাতিস্বত্তার মুক্তি আকাঙ্খা ফুৎকারে উড়িয়ে দেওয়া যাবে? মোটেই তা নয়। গাছের ফলটি পেঁকে উঠলে তা আপনাতেই খসে পড়বে।

@ মঞ্জু ভাই, অনেকদিন পর পার্বত্য সমস্যা নিয়ে গৎবাধা ছাঁচের বাইরে একটি চিন্তাশীল লেখা পড়লাম। লেখার সঙ্গে খুব বেশী দ্বিমত করার কিছু নেই। +

তবে আমার কৌতুহল ্ওপরে উদ্ধৃত অংশে। তাহলে পার্বত্য সমস্যার সমাধান কোন পথে? ...
---
আপনার অনুমতিক্রমে লেখাটি আমরা আদিবাসী বাংলা ব্লগ - এ পুন:প্রকাশ করতে চাই।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৩৮৬৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমাদের মাতৃগর্ভগুলি এই নষ্ট দেশে
চারিদিকের নিষেধ আর কাঁটাতারের ভিতর
তবু প্রতিদিন রক্তের সমুদ্রে সাঁতার জানা
হাজার শিশুর জন্ম দেয়,যারা মানুষ ।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ