ফড়িঙের লেজ
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৬
যতটা মনে পড়ে, আমার শৈশবের রৌদ্র খেলার দিন। ঘোড়দৌঁড়ের মতো ছুটছে আমাদের বেড়ে উঠা। আকাশে নদীর রেখার মতোন সম্পর্ক গড়েছিলাম বাবলা গাছের ছায়াতলে বালিয়াড়ির দেহে। আমার মা তখন পিতার সাথে দেনমোহরের হিসাব নিয়ে করেছিল বাড়াবাড়ি।কোন আঘাতে যেন উদ্বিগ্ন পিতা শৈশবের উত্তরালি কেড়ে নিল আমার করতল হতে।সেই থেকে পিতার সাথে আমার আশৈশব শত্রু শত্রু খেলা।
কেউ একদিন আমার সাথেই দেনমোহরের হিসাব কষবে,আমার শ্যাওলার গন্ধস্পর্শী বানিয়ার পুকুর রুদ্ধ করে দেবে এই ভয়ে বিদীর্ণ হয় আমার খরতপ্ত যৌবন।
আমার পিতা পরাজয়ের মৃত্যুর লজ্জায় মাটির সাথে মিশে গেছে অনেকদিন....,নিভে গেছে তার শৈশবের অগুনতি বালিকারা। আমার হয়েছে অন্য দশা।শৈশব মৃত্যুর পর আমি মিশে গেছি বয়সের লজ্জার কাছে। আর আমার বালিকারা রোদের আঁশটে গন্ধ নিয়ে ঘাসের মতো সবুজ বুক নিয়ে দাঁড়ায় আমার সামনে। ওদের স্তনে গ্রীবায় হাত রেখে আমি কার কথা ভেবে যেন ফিরিয়ে নিই কম্পিত চোখ আনত কোটরে।
আমি ভাবিনা এমন-বড় হলেই বিপরীত কোন শব্দের গন্ধ নিতে হবে,বাঁধা পড়তে হবে কারো পাঁকে,দেনমোহরে।নিজের সাথে মৈথুনে কাটবে না হয় আনগ্ন রাত।
আমার স্বপ্ন মথুরা জলের মতো স্থির,প্লাবনের বিভীষিকার চাইতে আর্দ্র,কটু জীবনের স্বাদ মুছে গিয়ে হয়েছে গভীর নিমগ্ন যৌবন ভারাতুর বয়স পরিক্রমা।
একদিন শৈশবের লেজে বেঁধে দেয়া সুঁতোয় পাঠানো চিরকুট ফিরে এসেছে উত্তর নিয়ে।আমি এখন লিখব চিঠি তার প্রত্তু্ত্তরে, আমার অনাগত যৌবন বিধুরতার কাছে।
সে আমার নতুন শৈশব....
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কিবিতা ;
তোতা মিয়া বলেছেন:
সাহিত্যের মুকুটখানা নি:সন্দেহে আপনার হাতে তুলে দেয়া যেতে পারে। শো কেসে রাখলাম পরম যতন করে।


















