কিছুদিন আগে একটা ঘরোয়া বৈঠকে শুনতে ছিলাম মুক্তিযুদ্ধের সময় ৮-১০ বছর বয়সীর এক ভয়ানক অভিজ্ঞতার কথা। তিনি জানালেন, ঐ সময়কার কথা মনে হলে এখনও শিউরে উঠি। পাকিস্তানিরা এহেনও কর্মকাণ্ড নেই তারা করেনি। দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠা আগুণ এখনও দুঃস্বপ্নের মতো লাগে। মেয়েরা ছিলো জীবন-মৃত্যুর মুখোমুখি। কতো নারী যে সম্ভ্রমহানির পর আত্মহত্যা করেছে!! আর যারা বেছে আছে তারাতো প্রতিনিয়তই মরছে। ধুঁকে ধুঁকে মরছে। পাক সেনাদের সবরকম অপকর্ম করার সহযোগিতায় যারা ছিলেন, সেই গোলাম আযম, নিজামী, মুজাহিদরা স্বাধীন দেশের পতাকা গাড়িতে নিয়ে আবার সগর্বে এদেশ শাসন করবে, সেটাই তো সবচেয়ে বড়ো লজ্জার পর্ব।
কোনো রকম অন্যায় যদি তারা না করে থাকেন, তাহলে তারা ছাড়া পাবেন। আর যদি প্রমাণিত হয় যে তারা দোষী, তাহলে আমরা শাস্তিটা নিজেই দিতে চাই। সবার সামনে। জামায়াত পন্থীরা কি রাজি আছেন?
এতো দিন পত্রপত্রিকা ইন্টারনেটের আর্কাইভ ফুটেজ গুলো কি সবই ফেক! আমরা কি ভুল জানি। ইতিহাস কি আমাদের ভুল তথ্য উপস্থাপন করেছে? আপনারা এগুলো ভুল থাকলে এতোদিন চুপ করে থাকলেন কেন? স্বাধীনতার ৪০ বছর কি আপনারা এগুলো ভুল প্রমাণিত করতে পারতেন না? সেই সময়ের পত্রিকায় গো আযমের বিবৃতি, মিছিল মিটিং, বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়ন, সবই কি মিথ্যা?
আপনার কি একজনও স্বাক্ষী দাঁড় করাতে পারবেন এগুলোর বিরুদ্ধে?
আপনাদের দাবী, ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করা। কিন্তু আমিতো সারাদিন আপনাদের খালেদা জিয়ার পেছন পেছন ঘুরতে দেখি। আপনারা কি পেরেছেন খালেদা জিয়াকে নামাজ পড়াতে? সেটা না হয় বাদই দিলাম। আপনাদেরই তো কখনো দেখলাম না যখন মিছিল মিটিং করেন সেসময় নামাজ পড়তে। তাহলে কীসের আদর্শে জনগণ আপনাদের দলে ভিড়বে? হে জামায়াত পন্থীরা, আমাদের জানাটা ভুল প্রমাণিত করুন। পাক সেনারা এদেশের নিরীহ জনগণের উপর এত নির্যাতন করলো, সেগুলো কি ইসলাম সমর্থন করে? স্বাধীনতার ৪০ বছরেও আপনারা কি কোনোদিন বলেছেন, পাকিস্তান যা করেছে সেগুলো অন্যায় ছিলো? আপনাদের আমীর সগর্বে বলে, জামায়াতের হেডকোয়ার্টার লাহোরে!!! আমরা যা জানি সেগুলো কি সবই ভুল!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

