আমার প্রিয় পোস্ট

আমার বিয়েতে কারও দাওয়াত নাই আগেই বইলা রাখলাম ...

০২ রা মে, ২০০৭ রাত ১১:০৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

১...

যখন ছোট ছিলাম তখন বিয়ে খাওয়ার কথা শুনলেই মনটা নেচে উঠতো ... নতুন জামা-জুতা পরে বাবা মায়ের হাত ধরে কলকল করতে করতে পোলাউ-রোস্ট-জর্দা খাওয়া, আর ক্যামেরাম্যানকে দেখলেই ছুটে গিয়ে সামনে দাঁড়িয়ে ভিডিওতে ঢুকে যাওয়ার অপচেষ্টা (একবার এক ক্যামেরাম্যান আমাকে মোটামুটি ঘাড় ধরেই সামনে থেকে সরিয়ে দিয়েছিল, বউয়ের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম তাই ) ... মজাই লাগতো ...

বয়স বাড়ার সাথে সাথে দাওয়াত পাওয়া কমতে লাগলো ... কলেজ-ভার্সিটিতে পড়ার সময় অলমোস্ট কোন দাওয়াতই পাইনি ... পাবো কিভাবে? বেশিরভাগ বিয়েতে খালি বাবামাকেই দাওয়াত করে ... ফ্যামিলিতে কারও বিয়েও হয়না ... আমার দাওয়াতা পাওয়াও হয় না ...

ইদানিং আবার পাওয়া শুরু করেছি ... কলিগরা একের পর এক একলা থেকে দোকলা হচ্ছেন ... সেই সুবাদে খানাদানাটা খারাপ হচ্ছে না ...

গেল মাসে একটা বিয়ে খেলাম ... ভাইয়ার বয়স খুব বেশি না ... একটা প্রাইভেট ভার্সিটি থেকে পাস করেছেন বছরখানেক হল ... স্বাভাবিকভাবে চললে আরও বেশ কিছুদিন পরেই বিয়ে করার কথা ছিল ... কিন্তু কি আর করা ... প্রেম বলে কথা ... "কায়সারের বিয়ের বয়স হয় নাই, কিন্তু ওর বউয়ের তো হয়ে গেছে" আসিফ ভাইয়ের ভাষায় এটাই হল কায়সার ভাইয়ের বিবাহ করার আসল কারণ ... যাই হোক, এসব নিয়ে মাথা ঘামাই না ... বিরিয়ানীটা হেভী ভালো ছিল তাতেই আমরা খুশি ...

সেই কায়সার ভাইয়ের সাথে আজকে কথা হল ... হাশিখুশি স্বভাবের ছেলেটা কেমন গম্ভীর ... ভাবলাম ছুটির দিনেও অফিসে আসতে হওয়ায় হ্য়তো মুড অফ ... কে জানে বউ ঝাড়ি দিছে কিনা ... সার্ভার নিয়ে গুঁতাগুতির ফাঁকে কথা হল অনেকক্ষণ ... তখনি জানলাম আসল ঘটনা ...

ভাইয়া বাইরে যেতে চান এমএস করতে ... কানাডার খুব ভালো একটা ভার্সিটিতে অ্যাডমিশন হয়ে গেছে ... টিউশন মোটামুটি ফ্রী ... তারপরেও ইনিশিয়ালি প্রায় লাখ চারেক টাকা লাগবে ... সমস্যা সেটাই ...

ভাইয়া বললেন, "এমন না যে আমার বাপের টাকাটা দেয়ার সামর্থ্য ছিলো না, গত বছর বোনের বিয়ে দিছে, তারপরেও পারতো আমারে দিতে ... কিন্তু আমার বিয়েতে প্রায় পাঁচ-ছয় লাখ টাকা বের হয়ে গেছে ... নিজে যা জমাইছিলাম দিয়ে দিছি ... তারপরেও বেশিরভাগই দিছে বাপ ... এখন কোন মুখে আবার টাকা চাই? আর চাইলেই বা বাপে দিবে কোথা থেকে? টাকার গাছ তো নাই ..."

"তাইলে এতো ধুমধাম কইরা বিয়া করতে গেলেন ক্যান?"

"কি করব? আততীয় স্বজনরা আছে না? না খাওয়াইলে কথা শুনাইতে ছাড়বে কেউ?"

কি আর বলব ... বলার নাই কিছু ...


২ ...

কায়সার ভাইয়ের ঘটনা শেষ ... এবার বলি রেজওয়ানের কথা ...

রেজওয়ান আমার সাথেই পাস করেছে ... প্রোগ্রামার হিসেবে আমাদের মাঝে তার খ্যাতি কিংবদন্তীতুল্য ... সেই খ্যাতি যে বাড়াবাড়ি কিছু না সেটা সে প্রমাণ করেছে পাস করার কয়েকদিনের মাঝেই বাংলাদেশের অন্যতম সেরা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানীতে জব পেয়ে ... কাজ নিয়ে সে খুব স্যাটিসফাইড সেটা বোঝা যায় ... প্রেম করে অনেক আগে থেকেই ... উস্কুখুস্কু চেহারার রেজওয়ানের পাশে মিতুর মত মিষ্টি একটা মেয়েকে মানানোর কথা না, কিন্তু কোন এক অজানা কেমিস্ট্রীর কারণে মানিয়ে যায় ... অদ্ভূত ভাল লাগে দুজনকে একসাথে দেখলে ...

মিতুর ফ্যামিলি থেকে চাপ দিচ্ছে রেজওয়ানকে বিয়ে করার জন্য ... রেজওয়ান পারছে না ... সব ঠিক আছে কিন্তু এক জায়গাতেই আটকে যাচ্ছে ... ফাংশন করতে টাকা লাগে ... রেজওয়ানের বাবা রিটায়ার্ড ... ছোট বোন আছে দুইটা ...এই অবস্থায় রেজওয়ান এত টাকা পায় কই?

নিজে জমায়ে বিয়ে করবে তাতেও রেজওয়ান রাজি না ... নতুন সংসারে টুকটাক অনেক খরচ হয় ... বাবা-মা সারা জীবন কষ্ট করেছেন ... টাকা দিয়ে তাঁদের কিছু সুখ-সাচ্ছন্দ্যের ব্যবস্থা করে দেয়া যায় ... সেসবের বদলে গন্ডায় গন্ডায় আততীয়-স্বজন, যাদের সাথে বছরে একবারও হয়তো দেখা হয়না, তাদের খাওয়াতে রেজওয়ানের যথেষ্ট আপততি ...

রেজওয়ান-মিতুর তাই আর বিয়ে করা হচ্ছে না ... ধানমন্ডি লেকে বসে বাদাম খায় খালি দুইজনে ...


৩ ...

দেশ এগিয়ে যাচ্ছে ... বদলে যাচ্ছে সময়, বদলে যাচ্ছে আমাদের ধ্যান-ধারণা, মূল্যবোধ ...

একসময় মেয়ে প্রেম করে শুনলেই বাবা-মায়ের হার্ট এ্যাটাক হয়ে যেত ... এখন তার বদলে আগে প্রথমে খোঁজ নেয় ছেলেটা কে, কেমন ... তারপর অন্য কথা ...

একসময় ছেলেরা ভাবত মেয়েরা ঘরকন্না করবে, বাচ্চা মানুষ করবে, আর কি চাই ... আর এখন বদলে যাওয়া আর্থসামাজিক পরিস্থিতি আমাদের বাধ্য করে চাকরিজীবী বউ খুঁজতে ...

সবই বদলাচ্ছে ... তাহলে বিয়ের এই অর্থহীন খাওয়া-দাওয়া দেন-পাওনার ব্যপারগুলিও কি বদলাতে পারে না? ... আজকাল একটা বিয়েতে যে পরিমাণ খরচ হয় সেই টাকাটা হাতে পেলে নব-দম্পততির কতটা উপকার হয় তা আমরা কয়জন ভেবে দেখি? বিশেষ করে সদ্য পাস করা একটা ছেলে, প্রেমিকার ফ্যামিলির চাপে পড়ে যার বিয়ে করতে হচ্ছে তার জন্য?

পাশ্চাত্যে নাকি বিয়েতে বুফে সিস্টেমে খাওয়া হ্য় ... যার যার বিল সে সে পে করে ... একসাথে খাওয়ার আনন্দতাই আসল কথা ...

আমাদের দেশে তেমন একটা প্রথা চালু করা কি খুব কঠিন?

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিয়ে ;

 

  • ৫৭ টি মন্তব্য
  • ৪৪২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০২ রা মে, ২০০৭ রাত ১১:২৩
comment by: ফরিদ বলেছেন: এদেশে চালু হলে, ভেরিগুড হয়। অগ্রীম স্বাগতম
২. ০২ রা মে, ২০০৭ রাত ১১:৪০
comment by: অনন্তমৈথুন বলেছেন: ভাল লাগলো কিন্তু ভাই দাওয়াত না দেন ঠিক আছে, ঠিকানা দিয়ে দিব খাবার পাঠিয়ে দিবেন।
৩. ০২ রা মে, ২০০৭ রাত ১১:৪৩
comment by: দ্রোহী বলেছেন: দাওয়াত দিতে না চাইলে দিবেন না- আসবো না। কিন্তু ঠিকানা দিলে খাবার পাঠিয়ে দিতে তো আপত্তি থাকার কথা না।
৪. ০২ রা মে, ২০০৭ রাত ১১:৪৫
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: লেখাটা খুবই সময়োপযোগী।
ঠিক বলেছেন। এখনকার ছেলেমেয়েরা যারা নিজের পায়ে দাঁড়ানোর পরে বিয়ের চিন্তা করে, তাদের জন্যে বিয়ের খরচটা বিশাল একটা বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। এবং এ কারণে অনেকেরই আপনার বন্ধু রেজওয়ানের মত অবস্থা হয়। এই ব্যাপারগুলো নিয়ে আসলেই আমাদের সমাজে একটা পরিবর্তন আসা দরকার।
------------

তবে এই দাওয়াতগুলোর কিন্তু আরেকটা ভূমিকা আছে আমাদের সমাজে। খেয়াল করে দেখবেন, ছেলেদের পরিবার বড় কোন প্রোগ্রাম না হলেও খুব একটা আপত্তি করে না। কিন্তু মেয়েদের পরিবার সবসময়েই চায় খুব ধুমধাম ও আয়োজন করে বিয়েটা হোক। মোটা দাগে ভাবলে এটার পেছনে মূল কারণ হলো সামাজিক অনিরাপত্তাবোধ। মেয়ের পরিবার চায় যত বেশি সংখ্যক মানুষ যেন বিয়ের খবরটা জানতে পারে। এটা মেয়ের পরিবারের দোষ নয় কিন্তু, আমাদের সামাজিক ব্যবস্থারই একটা ফলাফল বলা যায় একে।

----------
তবু, এরকম মানসিকতার পরিবর্তন আসুক সমাজে, এটাই চাইবো সবসময়। দরকার হলে সমাজটাই বদলে যাক আরো। বিয়ে করাটা যেন সবার জন্যে কেবলই আনন্দময় হয়ে ওঠে, চিন্তার বোঝা যেন না হয়।
----------

আপনার বিয়েতে তবু চেয়ে-চিন্তে দাওয়াত নিয়ে রাখলাম। না হয় বুফে-ই হবে সেটা।
শুভকামনা। :-))
৫. ০২ রা মে, ২০০৭ রাত ১১:৫৪
comment by: রেজওয়ান বলেছেন: খুব ভাল বলেছেন। এমন যে কবে হবে এদেশে? আমি বেশ অনেকবার দেখেছি ছেলে ও মেয়ে পক্ষ মিলে একটি রিসেপশন করে । কমন আত্তীয়দের দুবার খাওয়ানোর অপচয় থেকে বাঁচা যায়।
৬. ০২ রা মে, ২০০৭ রাত ১১:৫৮
comment by: অনন্তমৈথুন বলেছেন: এখানে যেই রেজওয়ান এর কথা লেখা আছে, আপনি কি সেই রেজওয়ান?
৭. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১২:২৭
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: ফরিদ, দ্রোহী, অনন্তমৈথুন, কনফু, রেজওয়ান -> অনেক অনেক ধন্যবাদ পড়ার পরে কষ্ট কইরা কমেন্ট পড়ার জন্য :-)

অনন্ত, দ্রোহী, কনফু -> আমারে মনে হয় কোর্ট ম্যারেজই করতে হবে, বাসার যা সিচুয়েশন ... সো এই রাবণের শ্রাদ্ধ থেকে বাঁইচা যাওয়ার আশা আছে :-)

কনফু -> আপনার অবজারভেশন মনে হয় ঠিকাছে ... তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমি উল্টাটাও দেখছি ... যেখানে ছেলের ফ্যামিলি জোর করে, মেয়ের ফ্যামিলি কিছু বলতে পারে না ...

রেজওয়ান -> হ্যাঁ, কমন রিসিপশন শুরু হইছে, এটাকে একটা পজিটিভ সাইন হিসাবে দেখা যায় ... তবে এটাও কিন্তু কম খরচ না ...

অনন্ত -> না রে ভাই, এই রেজওয়ান সেই রেজওয়ান না ... সেই রেজওয়ান ব্লগ পড়লেও লেখে টেখে না ...
৮. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১২:২৯
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: সহমত@কনফু।
চাইলে একটা পদ্ধতি বের করে ফেলা যায়।কিংকর্তব্যবিমূঢ়,আপনার সময় হলে বলবেন,একটা বুদ্ধি বের করব আমরা সবাই মিলে।

তবে ছেলেদের চেষ্টা করা উচিত নিজ রোজগারে বিয়ে করা,তা সে যতো ছোট অনুষ্ঠানই হোক।বাবা মা এতো কষ্ট করে মানুষ করলেন,আবার বিয়েও দিয়ে দেবেন,এটা তাদের উপর অন্যায় হয়ে যায়।

আমাদের দেশের বিয়েতে একটা বড়ো অপচয় সোনার গয়না।ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।বিয়ের পর আমার বউ আজ পর্যন্ত সেগুলো পরে দেখেনি,(ভারী ভারী গয়না পরে মেয়েরা প্রতিদিন বসে থাকবে,সেটা আশা করাও হাস্যকর।)এর চেয়ে বালিকা রাজী থাকলে,গোল্ড প্লেটেড রুপার গয়না দিয়ে কাজ চালানো যায়,কেউ কিছু বুঝতে পারবে না।মাঝখান থেকে লক্ষাধিক টাকা সাশ্রয়।পরে না হয় কয়েক বছর পরে প্রয়োজনে সোনার গয়না কেনা গেল।

কিছু ব্যাংক আজকাল বিয়ে উপলক্ষে লোন দেয় শুনেছি,এটাও কাজে লাগানো যেতে পারে।

সুন্দর টপিকের জন্য থ্যাংকস।
৯. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১২:৩০
comment by: আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: কিংকর্তব্যবিমূঢ় খুব ডিফিকালট সামাজিকতা তাইকা বাইর হওয়া। সফল হও
১০. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১২:৩১
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: আবেগে আপ্লুত না হয়ে যুক্তিবাদী এবং বাস্তবতাকে মেনে সিদ্ধান্ত নিলে মনে হয় সমস্যা হবার কথা নয় ।

দিন কাল পাল্টেছে । বদলে গ্যাছে মানুষের প্রয়োজন , সুবিধা , অসুবিধা ।ঐতিহ্য তৈরী হয় এবং বদলায় মানুষের দরকারে ।

দুজন মানুষ যদি বিয়ে করে ফেলাটা জরূরী মনে করে , তো অনুষ্ঠান এর চিন্তা বাদ দিয়ে করে ফেলা উচিত।বেঁচে থাকলে আর টাকা পয়সা হলে অনেক অনুষ্ঠান করা যাবে ।

এখন কিন্তু বড় ভাই বোন বাদ দিয়ে ছোটরা বিয়ে করে ফেলছে । কারন , ঐ । যার যখন সুবিধা । একজনের জন্য আরেক জনের জীবন আটকে থাকার মানে হয় না।
১১. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১:২৭
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: আরিফ ভাইয়ের সোনার গয়না ধারণাটা আমিও সাপোর্ট করি,মধ্যবিত্ত একটা ছেকের জন্য এইটা বিশাল বোঝা।সবার কথাও ঠিক আছে,তবে কিংকর্তব্য,মাইন্ড কইরেন না ১টা কথা কই,আইডিয়াটা বলা যত সোজা করা ততোই কঠিন,যদিও আমার প্রেম বিয়া কোনটাই নাই,চারপাশ দেইখা বলি।হয় আপনের মা-বাপ,নাইলে মেয়ের মা-বাপ,কেউ না কেউ বেইকা বসবেই ঐভাবে কাজ করতে গেলে(না বেকলে আপনে চরম ভাগ্যবান বলা লাগবে),এখন বিয়া করার সময় অধমের কথা মিলায়া নিয়েন।
১২. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১:৪০
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: আরিফ জেবতিক -> ওয়েলকাম টু মাই ব্লগ ... আমিও তো চাই একটা ছেলে নিজের বিয়েটা যেন নিজেই করতে পারে ... বিয়ের ফাংশনের চেয়ে টাকা খরচ করার আরও অনেক উপায় আছে ... কিন্তু আমাদের সামাজিকতা এখনও ঠিক এ্যালাউ করে না এটা ... বিশেষ করে সদ্য পাস করাদের ক্ষেত্রে ...

গয়নার ব্যপারে আপনার কথাটা প্র্যাকটিকাল ... বালিকাদের আপততি থাকার কথা না ... কিন্তু বালিকাদের মা-খালাদের কথা আলাদা ...

আইজুদ্দিন (নাকি হারাধন?) -> আমার খুব বেশি ঝামেলা হওয়ার কথা না বলছিই তো ... তাও দোয়া রাইখেন ...

রাগু আপা -> হ্যাঁ দিন বদলাচ্ছে ... সেটাই আশার কথা ...
১৩. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১:৪৫
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: ফারহান -> আমি জানি ব্যপারটা খুবই কঠিন, সেই জন্যেই তো লিখলাম ... আস্তে আস্তে নিশ্চই একটা সমাধান বের হয়ে আসবে ... দুই ফ্যামিলি একসাথে অনুষ্ঠান করতেছে এইটাও একসময় অকল্পনীয় ছিল, এখন তো স্বাভাবিক তাই না?

আর আমার কথা তো আগের কমেন্টেই বলছি, কোর্ট ম্যারেজের চান্স বেশি, সো এদিক থেইকা বাইচা যাওয়ার চান্স আছে :-)
১৪. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১:৪৮
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: খাইসে,একবারে কোর্টে? পোস্ট মডার্ন হয়া গেল না?? (ব্যক্তিগত ব্যাপারে নাক গলানো হয়া গেলে দুঃখিত)
১৫. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১:৫০
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: আমি মনে হয় সমস্যাটা শুধু ছেলেদের অ্যাংগেল থেকে দেখছি, মেয়ের ফ্যামিলিতেও এই ফাংশনটা খুবই বড় একটা বোঝা হওয়ার কথা ... আমরা যৌতুক নিয়া এত কথা বলি, অথচ এই সমস্যাটা ক্ষেত্রবিশেষে যৌতুকের চেয়েও বড় হয়ে উঠতে পারে ... আর মেয়েদের জন্যেও ব্যাপারটা খুবই অপমানজনক হওয়ার কথা, নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করার পরেও যদি বিয়ের ব্যপারে বাপ-ভাইয়ের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হয় ...
১৬. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১:৫৩
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: ফারহান -> কোর্ট বা কাজী অফিস, যেইটা হয় (ঠিক জানি না নিজে নিজে বিয়ে করতে গেলে কই যাইতে হয়) ...

নিজের রাস্তা নিজে দেখতে হবে এইটা মোটামুটি শিওর :-(
১৭. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ১:৫৯
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: বোঝা,তারপরেও করতে চায়,স্ট্যাটাস না আর কি কি জানি আসে।
আর স্বাক্ষী লাগলে কইয়েন,কাজী অফিস আমার বাসার সামনেই আসে।
১৮. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ২:০৭
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: ওয়েট করেন ..দেরি আছে :-)
১৯. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ২:০৭
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: আরেকটা কথা যোগ করি।বিয়েতে গিফট দিলে ক্যাশ টাকা দেয়াটা ভালো।নবদম্পতির উপকার হয়। বেশ জমে যায় কিন্তু।

বাড়ির ছোটছেলে বা ছোটমেয়ের জন্য কাজী অফিস ভালো সমাধান।কিন্তু বড়োদের জন্য নয়,সামাজিকতা ছোট ভাইবোনগুলো ক্ষতি করে।

আর গয়নার ফাকিটা কিন্তু বুঝা যায় না।আমার এক কাজিন সেটা করেছে,১৫ হাজার টাকায় গাউসিয়া থেকে তৈরী করেছে জড়োয়া সেট। কেউ ধরতে পারে নি।বিয়ের দিন নিয়ে গেছে,হুটহাট কনেকে পরানো হয়েছে,কে আর এসব চিন্তা করতে যায়।(মেয়ের জানা ছিল অবশ্য)
২০. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ২:১২
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: আরিফ ভাইয়ের কথা অনুযায়ী তাইলে আমার খবর আসে,ছোট বড় না,আমি একখানই,আমার বাপ-মা রেই সব দেখা লাগবো মনে হয়,যাক,দিল্লী দূর অস্ত:)
২১. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ২:১৩
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: ক্যাশ টাকার আইডিয়াটা গডফাদারে দেখসিলাম,ঐদিকে মনে হয় ঐটাই রীতি,জোশ আইডিয়া।
২২. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ২:১৫
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: একজন হলে তো মজা।দুনিয়া তুমহারা হ্যায়।
২৩. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ২:২১
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: নদীর এপার কহে---সবাই ভাবে অন্যে সুখে আসে:( একজন হওয়ার কি জ্বালা,যে হয় সেই জানে গুরু,কি আর কমু!
২৪. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ২:২৪
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: সবই বুঝি আরিফ ভাই ... কিন্তু আমি একা বুঝলে তো হবে না ... বাপ-মা-বাকিদেরও বুঝতে হবে ... শখ কইরা কেই বা কাজী অফিসে যাইতে চায়?

ক্যাশের আইডিয়াটা ভালো ... আমাদের অফিসে আমরা তাই করি ... বেশ ভালো অ্যামাউন্টের টাকা উঠে ...
২৫. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ২:২৫
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: হিসাব কইরা দেখসি ১০ ভরি সোনার গয়না ২ লাখ টাকা,ঠিক করসি ৪০ বছর হোক পরে বিবাহের কথা ভাবা যাইবে।(নিজের কেউ থাকলে ১৫ হাজারে বানানি যাইত তবে বাপ-মা এর দেখা মেয়ে হইলে মেয়ে নিশ্চয়ই এই কায়দায় রাজি হবেনা,কি কন?)
২৬. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ২:২৭
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: ভাইরে ততদিনে নেট প্র্যাকটিস করতে করতে ব্যাট ভাইংগা ফেলবেন ... ব্যাটিং আর করা হইবো না :-)
২৭. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ২:৩১
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: নেটে আর নাই আমি ভাই,পয়লা দানেই রেড কার্ড খাইসি,যারে পসন্দ হইসিল সে কইসিল আমার নাকি চেহারা সুবিধার না আর ভবিষ্যত নাকি লোডশেডিং:( এক্ষণে ঠিক করলাম যারে বিয়া করমু তারে ঐ ১৫ হাজারের গয়নাতে রাজি হইলেই করমু,নাইলে মাঠের বাইরে থাকমু।
২৮. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ২:৩৭
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: চালায়া যান ... হাল ছাইড়েন না ...

আজকে শাহানের লগে দেখা হইছিল ... আপনের কথা কইল :-)
২৯. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ৩:০৯
comment by: শাহেনশাহ বলেছেন: হুম....চিন্তার পোস্ট
৩০. ০৩ রা মে, ২০০৭ রাত ৩:১৫
comment by: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: বাহ, আমার ভাবনাগুলো বলে দিলেন! আমার মত অতিরিক্ত সামাজিক প্লাস চাকুরিজীবি বাবা মা পেলে সমস্যা আছে... পরিচয়ের পরিধি অনেক বেড়ে যায়। বিয়ে করতে গেলে দেখা যাবে দাওয়াযোগ্য মানুষের লিস্টি ছোট করতে কালঘাম ছুটে যাচ্ছে।

গয়নার ব্যাপারটা আমারও পুরাপুরি অর্থ নষ্ট মনে হয়। তবে এখানেও সামাজিকতার ঝামেলা। বিয়ের আসরে বউকে হ্যারাস করে আগত অতিথিরা--বাপের বাড়ি থেকে কোনটা আর শ্বশুড় বাড়ি থেকে কোনটা।

সম্মিলিত দাওয়াতটা খুব ভালো আইডিয়া আসলে। তবে এখন তো শুধু বিয়ের অনুষ্ঠানের দাওয়াতটাই সব না। হলুদেও খরচ কম হয় না। বিয়ে উপলক্ষেও শুনি সবাইকে কি কি দেয়া লাগে! সব মিলিয়ে সামাজিক চাপ অনেক বেশি এই এক অনুষ্ঠানকে ঘিরে। পশ্চিমে কিন্তু মানুষের বিয়ে না করার একটা বড় কারণ হলো, সবাই একটা ফেয়ারী টেইল ওয়েডিং চায়। সেই সামর্থ না হওয়া পর্যন্ত তাই বিয়ের কাছ ধার দিয়ে যায় না।
৩১. ০৩ রা মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৮
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: শাহানশাহ, সন্ধ্যাবাতি -> থ্যাংকস ফর কমেন্ট ...

সন্ধ্যা -> এই অর্থহীন সামাজিকতাটাই বিরক্তি লাগে ...যারা সত্যিই কাছের মানুষ তারা অবশ্যই বুঝবে কার কি অবস্থা, তারা বাপের বাড়ি শ্বশুর বাড়ি নিয়ে ঝামেলা করবে না ... কিন্তু যেসব মানুষ শুধু সামাজিকতা নিয়েই মাথা ঘামায় তাদের এত সহজে শান্ত করা যাবে না ...
আপনি লেখা কমিয়ে দিচ্ছেন কেন?
৩২. ০৩ রা মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩৩
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: আইজুদ্দিন, লাস্ট ওয়ার্নিং ... কোন ফালতু কমেন্ট নাই ... নেক্সট টাইম ব্যান করুম ...
৩৩. ০৩ রা মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪৩
comment by: আলভী বলেছেন: পুরোপুরি সহমত।

আমার বন্ধু নিয়াজ কিছুদিন আগে বিয়ে করল, পাত্র পক্ষ আর কনে পক্ষ মিলে একটা পার্টি দিছে, ঘরোয়া গোছের। তেমন খরচ হয় নাই। ওর এই উদ্যোগ এ হয়ত অনেকেই অখুশী ছিল, কিন্তু আমরা খুশী হইছি। সাহসও পাইছি।
৩৪. ০৩ রা মে, ২০০৭ দুপুর ১:৫৭
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: আলভী,কিছু শক্ত হতেই হয়।
আমার বোনের বিয়েতে যা খরচ হয়েছে,আমার বিয়েতে হয়েছে তার এক তৃতীয়াংশ। বোনের বিয়ের সময় বাবা বেচেছিলেন,তার একমাত্র মেয়ে,তার ইচ্ছামতো হুজ্জত করেছেন।আমার বিয়েতে আমি আমার পকেট অনুযায়ী হিসেব করেছি।

সামাজিকতা কতোটুকু রক্ষা করা যায়,ততোটুকু দরকার,তবে অপচয় হয় অনেক বেশি,আর সেটা সামাল দিতে পারলে আখেরে বরকনেরই মঙ্গল।

৩৫. ০৩ রা মে, ২০০৭ দুপুর ২:৩৭
comment by: ফ্রুলিংক্স বলেছেন: আচ্ছা বিয়ে না করলেই তো হয়। এতো খরচের ঝামেলা নাই।

বড় ভাইয়া যা এক্কান বিয়ে করেছে তাতে আমি আগামী ৫ বছর পর বিয়ের স্বপ্ন দেখি।আত্মীয়স্বজন ছাড়াই যে খরচ থাকলে যে কি হতো আল্লা জানে।সবাই ইউরোপিয়ান। বাপ এক পয়সাও দিবো না বিয়ের জন্য।মনে হয় দেশে থাকলেই ভালো হতো।
৩৬. ০৩ রা মে, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৮
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: আলভী ভাই, আরিফ ভাই -> ঠিক কথা ... যেটুকু সামর্থ ঠিক সেটুকুই করা হবে, তার বেশি না ...

ফ্রুলিংক্স -> এইতো আসল কথা বলছেন ... আমিও আমার পোলারে কমুনে, বাবা, বিবাহ কইরো না :-)
৩৭. ০৪ ঠা মে, ২০০৭ রাত ৩:০২
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: হ,দিল্লী কা লাড্ডু খাইতে মানা করবেন আর পোলায় শুনবো,দুনিয়া এতোই সোজা?
শাহান শালা আমারে নিয়া কি কইসে??:(
৩৮. ০৪ ঠা মে, ২০০৭ রাত ৩:৩৪
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: ফারহান -> শাহান শালায় তো অনেক কিছুই কইছে ... সব নাইবা শুনলা ;-)
৩৯. ০৪ ঠা মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৫
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: কিংকর্তব্য,১টা অফ টপিক প্রশ্ন,টাইম পাইলে ভাইবা জবাব দিয়েন,ত্রিভুজ আমার ব্লগে ঢুইকা গায়ে পইড়া ঝগড়া বাধাইতে চাইতাসে,কিন্তু ছাগলের সাথে কাইজ্যা কইরা নিজের বিজ্ঞাপন করতে চাইতাসি না,আবার কথাগুলি হজমও হইতাসে না,কি করা উচিত?
৪০. ০৪ ঠা মে, ২০০৭ রাত ৮:২৮
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: পড়লাম ... শালার প্রতি আগে একটু সহানুভূতি ছিল ... এখন আর নাই ... শালা আসলেই একটা ছাগল ... অ্যান্ড নিয়মিত বরতিতে পশ্চাদ্দেশে লাথি না খাইলে তার চুলকানি হয় ...

ছাগলের সাথে গুতাগুতি করতে যদি না চান তাইলে কমেন্টটা ডিলিট কইরেন না, খালি তোরে ব্যান করলান বইলা একটা গালিসমৃদ্ধ কমেন্ট দেন, তারপর ব্যান করেন।

আর যদি আরেকটু শিক্ষা দিতে চান তাহলে ঐ অংশটুকুর স্ক্রীণপ্রিন্ট নিয়া ফ্রন্টপেজে নতুন একটা পোস্ট দেন (ছাগলে যেমন মাঝে মধ্যে দেয়) ... তারপর পাবলিকের হাতে ছাইড়া দেন ...
৪১. ০৬ ই মে, ২০০৭ রাত ১১:৪২
comment by: পরে বলব বলেছেন: আইচ্ছা এই রেজোয়ান ডা কেডা? আমগো রিদোয়ান?
৪২. ০৭ ই মে, ২০০৭ রাত ১২:০২
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: পরে বলব :-)
৪৩. ০৭ ই মে, ২০০৭ রাত ১২:০৪
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: মামু তুমি তো ভালই পোস্ট ফোস্ট মার আগে দেখি নাই ক্যান?
৪৪. ০৭ ই মে, ২০০৭ রাত ১০:৫৩
comment by: আলভী বলেছেন: চাইনীজ ঠিক করে দিলাম (অফটপিক)। মাহবুব মোশর্েদের পাস্টে।
৪৫. ০৯ ই মে, ২০০৭ রাত ১১:৪৬
comment by: পরে বলব বলেছেন: আব্বু, পরে বলব। শালা আমার ডায়লগ আমারে দেস। আমার মুখ টা একটু খারাপ, মাইন্ড কইরেন না কেও।
৪৬. ১৩ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৫৫
comment by: আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন: কনফু'র কথাগুলোই বাস্তবতা।
আরেকটা ব্যাপার আছে, বিয়ে মানে খাওয়া দাওয়া। কলেমা পড়ানোর পর সবাই যখন মোনাজাত ধরে - 'ইয়া পরওয়ারদেগার, এই জুটিরে তুমি সুখে রাইখো' টাইপ শুভকামনা জানানোয় আগ্রহ কম মানুষেরই থাকে।
আহ! কবে যে শেষ বিয়ে খেলাম! আড়াই তিন বছর বোধ হয় হয়ে গেলো। নেক্সট বোধ হয় আপনার বিয়ে খেতে যাচ্ছি, কী বলেন!
৪৭. ১৩ ই মে, ২০০৭ রাত ১০:১৬
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: নারে ভাই ... আমার বিয়া হইতে দেরি আছে ... আর হইলেও দাওয়াত পাইবেন কিনা জানি না ... কত লম্বা পোস্ট দিলাম দেখলেন তো :-)
৪৮. ১৪ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৫৮
comment by: ভেড়া বলেছেন: কিংকর্তব্যবিমূঢ় , তুই একটা বিশাল বদ ।
৪৯. ১৪ ই মে, ২০০৭ রাত ১০:৫৭
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: এতদিনে বুঝলি? :-)
৫০. ১৫ ই মে, ২০০৭ সকাল ৮:৫৫
comment by: ভেড়া বলেছেন: বিয়ে টা সাইরে ফেল , আমি বিয়া খাইতে চাই ।
৫১. ২০ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৩৫
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: হক কথার এক কথা বলেছেন। ঐ একই কারণে আমার বিয়েতেও ফুলস্টপ পড়ে গেছে। তাই চেনা পৃথিবীর বাইরে অচেনার মাঝে আনন্দকে উত্সারিত করে নিতে হয়!

আর ওটাকে বুফে বলে না...বলে
goin' dutch.

এবারে কিছু পরিসংখ্যান দেই -

আমাদের এখানে একজন উচ্চ-মধ্যবিত্ত লোকের বিয়েতে খরচ হয় ( জাতীয় গড় ) ৩৪ থেকে ৬৮ লাখ টাকা ( বাংলাদেশি মুদ্রায় )।

এবং একজন মধ্য-মধ্যবিত্ত মানুষের ব্যয় হয় ১৪ থেকে ২৪ লাখ টাকা ( ঐ )।

সমস্ত হিসেব বর্তমান ফরেক্স অনুযায়ী।
৫২. ২১ শে মে, ২০০৭ ভোর ৫:০৭
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: "চেনা পৃথিবীর বাইরে অচেনার মাঝে আনন্দকে উত্সারিত করে নিতে হয়!" - বুঝি নাই ...

গোইং ডাচ কথাটা জানতাম, ভুলে গেছিলাম ... মেন করায়ে দেওয়ায় অসংখ্য ধন্যবাদ ...

আর "আমাদের এখানে" বলতে কি বোঝাইলেন বুঝি নাই ... কোথায় আছেন বস?

থ্যাংকস ফর কমেন্ট ...
৫৩. ২১ শে মে, ২০০৭ ভোর ৫:২১
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: কিংভাই আপনার প্রথম প্রশ্নের উত্তর আমার নিকের মধ্যেই লুকিয়ে আছে।

...আর আমি আছি ভারতে। চয়নিকাকে ভালোলাগার জন্যে আপনাকেও ধন্যবাদ।
৫৪. ২৬ শে মে, ২০০৭ রাত ১২:৪৫
comment by: ভেড়া বলেছেন: মেয়েরা কিন্তু বিয়েতে একগাদা খরচ চায় । জামা চায়, গয়না চায় । বাপরা সাধারণত মেয়ের বিয়ের জন্য টাকা জমায়ে রাখে , তাই সমস্যা হয় না । কিন্তু ছেলে গুলার বিয়ে করতে অনেক সময় লাগে । আহারে বেচারারা ।
৫৫. ২৬ শে মে, ২০০৭ রাত ১:০২
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: কথা সইত্য ... তোর মনে হয় অনেক ঝামেলা হবে ... নাকি? :-)
৫৬. ২৬ শে মে, ২০০৭ রাত ১:০৩
comment by: শমশেরআলম বলেছেন: IUT তে আছো নাকি?
৫৭. ২৬ শে মে, ২০০৭ রাত ১:৪৭
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: আছি না ... ছিলাম ... লাস্ট সেপ্টেম্বরে লাথি মাইরা বাইর কইরা দিছে ...
...
আপনি আছেন কই? (এবং ছিলেন কই?)

 



 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৫৫৫৪