আমাদের চারপাশে বিভিন্ন উপায় বা ঘটনা থাকে এবং আছে ভাল থাকার, এটা কোন জোর ক'রে ভাল থাকার বিষয় না, সত্যিই, আপনি যদি চান ভাল থাকতে পারেন - আবার সেটাকে 'বাস্তবতা'কে এড়িয়ে ভাল থাকা সেটাও বলতে পারেন না, বরং 'বাস্তবতা' থেকে ভাল থাকার উপকরণ নিয়ে ভাল থাকা বলতে পারেন। যারা মনে করেন যে আমাদের দেশটাকে দিয়ে কিস্যু হবে না, নানা সমস্যাই চারিদিকে সবার আগে চোখে পড়ে, যারা কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারেন না, সামনে আসলেই ভাল দিন অপেক্ষায়, তাদেরকেই বলা - ভাল থাকুন, আশপাশ থেকে ভাল কিছু খুঁজে। সম্ভব।
এই দেখুন না, আমি আমার একজন অগ্রজের সাথে কথা বলছিলাম বাংলাদেশকে নিয়েই। কথা বলছিলাম দেশের আসলে কি হবে? সামনে কোন আলো দেখা যায় কিনা ইত্যাদি। তিনি আমাকে থামিয়ে যা বললেন তা আপনাদের সাথে ভাগাভাগি করি।
১৯৭৪ সাল। উনি তখন ইংল্যান্ড-এ। আমাদের দেশে তখন দুর্ভিক্ষের মত অবস্থা। স্বাভাবিক কারনেই তাঁরও মন খুব খারাপ - এত ত্যাগ, এত জীবনের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা তার স্বাদ এত তিক্ত! মনের অবস্থার সাথে চেহারায়ও মিল ছিল হয়ত, সেই জন্যই তাঁর বাড়িওয়ালী তাঁকে ডেকে বললেন - শোন, ইংল্যান্ড কয়েক শ' বছরের শিল্পন্নোত স্বাধীন একটা দেশ, সেই আমরাই ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর এক টুকরা রুটির জন্য, লন্ডনের বরফ শীতে ঘন্টার পর ঘন্টা ৫ ছেলে মেয়ে নিয়ে দাঁড়িয়ে থেকেছি, সত্যিকার অর্থেই জন প্রতি এক টুকরা রুটির জন্য দাঁড়িয়ে থেকেছি। আমরা তো এত হতাশ হইনি, ধৈর্য ধরেছি, কাজ করেছি, সবাই মিলে আবার দেশকে তৈরি করেছি। যুদ্ধের পর পৃথিবীর সব দেশেই এমন হয় - তোমাদের উচিত সবাই মিলে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশটাকে গড়ে তোলা - মন খারাপ ক'রো না।
জানি না গল্প....না, কাহিনীটা গুছিয়ে বলতে পারলাম কিনা। সমঝদারদের জন্য এটাই যথেষ্ট হওয়া উচিত। আমার 'আমি' বলে পুরো দেশ ঘন্টায় ১০০ মাইল বেগে দৌড়ানোর জন্য তৈরী, অপেক্ষা শুধু ভাল নেতার - "কখন আসবেন কবি......."। আমরা আবগময় একটা জাতি, এই জাতিকে দিয়ে সব করানো সম্ভব "অবিশ্বাস্যকে সম্ভব করানোও সম্ভব যদি আমাকে তুমি তেমন মায়ায় বাঁধো- স্বাক্ষী '৫২, '৭১, '৯০......."।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



