ক্ষুধার লড়াই এবং আমাদের করণীয়
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:০২
আমরা, এদেশের মানুষ সবসময় বহুবার প্রমান করেছি আমাদের মনুষ্যত্বের। প্রতিবার আমরা প্রবল আবেগে এগিয়ে গিয়েছি বন্যা-সিডর-জলচ্ছ্বাস-পাহাড়ধ্বস এ বিপন্ন মানুষকে বাঁচানোর জন্য।
আমরা ব্লগে নিয়মিত লিখে যাচ্ছি খাদ্য সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে।
আবারো আমরা খুব স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে তো আসতেই পারি সেই সব মানুষদের কে বাঁচানোর জন্য! পারি তো?
সেটা করতে সবার আগে জানা দরকার আসলে কোন এলাকার মানুষরা সবচে' বেশী আক্রান্ত? আমার জানামতে গ্রাম এলাকায় 'দাদন ব্যবসা' জমজমাট আকার ধারন করেছে। চড়াসূদে দরিদ্র মানুষরা টাকা বা খাদ্য ধার নিচ্ছে।
আমাদের এখানে সাংবাদিক ব্লগার ভাইয়েরা এইসব খবরের ব্যাপারে সাহায্য করতে পারেন। সেই এলাকাগুলো চিহ্নিত করতে, যেখানে মানুষরা আসলেই বাঁচার লড়াইয়ে নেমেছে। কিংবা আপনি/আপনারা আশংকা করছেন কোনো এলাকাকে তেমন বিপাকে পড়ার। সেক্ষেত্রে আগেভাগে সেখানে যাওয়া যায়।
এই খবরগুলো আমাদের ব্লগারদের সংগঠিত হতে সাহায্য করত। এ ব্যাপারে সামহয়্যার ইন এরও সাহায্য লাগতে পারে।
আমরা কি একটু আগেভাগে এ বিষয়ে চিন্তা এবং কাজ করতে পারি যেন ঘটনা ঘটে যাবার পর অহেতুক তীব্র-তীক্ষ্ণ যন্ত্রনায় না ভুগি?
সুজনবাঙালী বলেছেন:
অবশ্যই আমরা সেটি পারি এবং আমরা সেটি করবো । কিন্তু দেশে এখন এমন একটি সরকার ক্ষমতায় আছে যারা দুর্ভিক্ষ ঠেকানোর চেয়ে দুর্ভিক্ষের বাস্তব অবস্থা গোপন করে গদি বাচাতে ব্যাস্ত । এদের বিদেয় করতে না পারলে দুর্ভিক্ষ চলতেই থাকবে ।
লেখক বলেছেন: বিপন্নদের জন্য কোনোবারই কি আমরা সরকারের দিকে তাকিয়ে থেকেছি? সুতরাং তাদের অস্তিত্ব ভুলে যাই।
জানা বলেছেন:
পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের অংশ নেয়ার একটুখানি সদিচ্ছা আর সামান্য কর্তব্যবোধ থেকেই আমরা বিপন্নদের পাশে দঁাড়াতে পারি।আসুন সংগঠিত হই এবং এগিয়ে যাই। আমরা পারব আর তা দরুহ বা নজীরবিহীন নয়।
সহযোগিতায় সা.ইন সবসময়ই সাথে আছে।
আপনাকে ধন্যবাদ মোস্তফা একটি সচেতন প্রস্তবনার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জানা।
যদি স্টিকি করার সিদ্ধান্ত হয় তো সে ক্ষেত্রে আপনারা তেমন একটা ব্যবস্থা করুন যেখানে মানুষ, যেমন এসএমএস এর মাধ্যমেও অংশগ্রহন ক'রে ফান্ড তৈরী করতে সাহায্য করবে।
ভাল থাকুন।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
জানা আপু এইরকম বিষয়বস্তুর একটা পোস্ট লিখে নোটিশবোর্ডের মাধ্যমে তা স্টিকি করা হোক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম আপনাকে, বিষয়টিকে গুরুত্ব এবং স্টিকির প্রস্তাব দেওয়ার জন্য।
হাসিবুল বলেছেন:
আপনার বক্তব্যের সাথে সহমত।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
পুরোপুরি একমত সেইসাথে আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এধরনের extremely extremely important একটা বিষয় নিয়ে লেখার জন্য... প্রসঙগত উল্লেখ্য, নেটের যে সুবিধা আমরা নিচ্ছি সেটাকে সচেতনতার জন্য পুরো কাজে লাগানো উচিত
সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেছেন:
সম্পূর্ণ একমত।
আমরা সাংবাদিক ভাইদের কাছ থেকে খবরের ভিতর খবর অর্থাৎ সত্য জানতে আগ্রহী। তৃণমূল থেকে খবর দিন প্লিজ।
আমাদের একজন 'মোনাজাত উদ্দীন' ছিল';....... আপনারাও পারবেন, হয়ত আরো ভাল ভাবে তুলে আনতে পারবেন সেই 'পায়রাবন্দের' কথা। আপনাদের প্রয়োজনীয় জ্ঞানের সাথে আছে আধুনিক প্রযুক্তি।
সবার সম্মিলিত চেষ্টা খুব দরকার এখন।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
মানুষকে বাচাঁনোর জন্য বিচ্ছিন্ন ভাবে উদ্যোগ নিলে কতোটুকু ফলপ্রসূ হবে সেটা দেখার বিষয় । বিষয়টি দ্রব্যের অভাব নয় , বিষয়টি ক্রয়ক্ষমতার সাথে সম্পর্কযুক্ত ।
বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে কিছু এলাকায় । বৈশাখ মাসে পুরো দমে এটা শুরু হয়ে যাবে দেশের সব এলাকায় । তাই খাদ্য সংকটের একটা সাময়িক সমাধান আসবে ।
কিন্তু মুশকিল হচ্ছে বোরো ধানের মন এবার ৭০০/৮০০ টাকার নিচে নামবে বলে মনে হয় না । কৃষককে তো বাঁচতে হবে । বেশি দামে সার কিনে পানি কিনে শ্রম দিয়ে ৭০০ টাকা মনে ধান বিক্রী করলে হয়তো কয়েকটা দিন একটু শান্তিতে থাকতে পারবে ।
কিন্তু ৭০০ টাকা মনের ধান আবার নিদান কালে সে কিনতে পারবে না ।
লেখক বলেছেন: আপনি যে প্রশ্নটা আনলেন তা তো দেশের পুরো সিস্টেম পরিবর্তনের ব্যাপার যেটা রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাজ। সেখানে আমি আপনি আপাততঃ কিছু করতে পারছি না। আর যারা এখন দেশ পরিচালনাতে আছে তাদের কাছে নেতৃত্ব আশা করা বোকামি।
কিন্তু তাই বলে এর আগেও কি আমরা বনার্তদের সাহায্যে যাইনি? পাহাড়ধ্বসে যাইনি? সিডরে যাইনি? গিয়েছি এবং প্রমান করেছি সরকারের সাহায্য ছাড়াও আমরা 'ডিযাস্টার ম্যানেজমেন্টে' ভাল।
আমার বিশ্বাস, এই আপদকালীন সময়টাতেই এইমানুষগুলোর সাহায্য দরকার, পরবর্তী পরিস্থিতিতে তারা আবার প্রমান করবে কিভাবে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হয় যা তারা বারংবার প্রমান করেছে।
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন:
আপনাদের সুন্দর আহবানের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।আপনাদের কাছে অনোরোধ, দয়াকরে সাহায্য পাঠাবার ঠিকানা ও প্রবাসীদের জন্য ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার যোগ করুন ।
লেখক বলেছেন: কোন উদ্যোগ সংগঠিত হলে এখানেই জানতে পারবেন। তখন ঠিকানা, অথবা ব্যাংক একাউন্টও জানতে পারবেন।
ভাল থাকুন।
এস এম বাবু বলেছেন:
আপনার সাথে একমত!
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
আপনার সাথে একমত। আসুন আমরা সকলে মিলে দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াই। অভাবী মানুষকে চাল দিয়ে সহায়তা করি। প্রবাসীরা তাদের আয়ের একটি অংশ রিলিফ ফান্ডে পাঠাতে পারেন।
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
সহমত আরিফ জেবতিক ভাইয়ের সাথে। মোস্তফা আমিন ভাই, ঠিক কী ধরনের সাহায্য করতে পারি আমরা ব্লগাররা, একটু বুঝিয়ে বলবেন কি?
লেখক বলেছেন: এখনো সুসংগঠিত কোন প্রস্তাবনা নাই আমার কাছে। আপনি দিতে পারেন যদি ভেবে থাকেন। তবে জেবতিক ভাইয়ের তথ্য যদি ঠিক হয় অর্থ্যাৎ দ্রব্যের অভাব না থাকে তাহলে নগদ অর্থই দেওয়া যেতে পারে; কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনে অভাবি এলাকায় দেওয়া যেতে পারে - সেক্ষেত্রে জেবতিক ভাইয়ের ঐ আশঙ্কাও কোন কোন কৃষকের জন্য থাকবে না যে নিদান কালে কোন্ দামে ধান কিনবে; ধান ভাঙানো মিল কারো থাকলে তারাও সাহায্য করতে পারে - সবার বুদ্ধি এক করলে উপায় একটা হবে - এ বিশ্বাস আছে।
মানবী বলেছেন:
প্রতিদিন ব্লগের পাতায় "খাদ্য সংকট তীব্রতা"র কথা পড়ে এমন একটি উদ্যোগের কথা মনে হয়েছে। আপনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা ইনিশিয়েটিভ নিয়ে পোস্টটি দেবার জন্য।সামহোয়্যারইনব্লগে দেশের বিভিন্ন অন্চলের ব্লগার আছেন, তাঁরা নিজ নিজ আক্রান্ত এলাকার সংবাদ এখানে তুলে ধরতে পারেন। আমি জানি খাদ্যের এই সংকট সমগ্রদেশেই। তবু কি বসুন্ধরা সিটিতে ভীড় কমেছে? ফ্যান্টাসী কিংডম বা বিলাসী রেস্তোরায়?
সেকারনেই নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠিকে চিহ্নিত করে আমরা সংকট মোকাবিলার কিছুটা চেষ্টা করতে পারি।
প্রবাসীরা সাধ্যমতো একটি এ্যামাউন্ট নিয়মিত পাঠাতে পারেন, তা যতো ছোট বা বড় হোক। একটি বার্গার মিল, একদিনের ধুমপানের খরচ, একটি ভালো রেস্টুরেন্টের ডিনার স্যাক্রিফাইস করেও তো কিছু সাহায্য হয়।
এই উদ্যোগটি সফল করার জন্য সকলকে এগিয়ে আসার অনুরোধ।
পোস্টটি স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
মুনিয়া বলেছেন:
আপনার চিন্তাটা খুবই গঠনমূলক... আশা করছি যথেষ্ট সাড়া পাবেন
স্বাধীন বাংলা বলেছেন:
সাংবাদিকদের পাশাপাশি সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত অংশগ্রহন জরূরী।বিষয়টি সমকালীন।
আসুন সবাই মিলে ক্ষুধার লড়াইয়ে অংশগ্রহন করে
ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়ি।
মোহাম্মদ বলেছেন:
ধন্যবাদ, সবার এগিয়ে আসা দরকার।
রোকন বলেছেন:
মোস্তফা, আপনার প্রস্তাবটা সুন্দর এবং নিঃসন্দেহে জরুরী একটা প্রস্তাবনা। সিডরের সময় আমরা যারা আমেরিকার ডিসি, ম্যারিল্যান্ড, ভার্জিনিয়া'র দিকে থাকি, তারা ফান্ড করে দেশে টাকা পাঠিয়েছি। বিদেশিরাও সেই ফান্ডে স্বতঃস্ফুর্তভাবে টাকা দিয়েছে। বাংলাদেশ এম্ব্যাসি রিলিফ ফান্ড খুলেছিলো। আমি আজকে আপনার পোস্ট দেখে একটু আগে তাদের ফোন করেছিলাম জানার জন্য তারা কোনো রিলিফ ফান্ড খুলেছে কিনা। রিসিপশনিস্ট ভদ্রলোক অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন - কিসের ফান্ড? এখানে আমার পরিচিত আরো কয়েকজন বাঙালী আছেন যাঁরা আগেও নানা দুর্যোগে একদিনের বেতন দেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন। আপনি যদি জানাতে পারেন আমরা কিভাবে সাহায্য করতে পারি তাহলে আমি হয়তো একটা ফান্ড তৈরীর চেষ্টা করতে পারি। সা.ইন যদি কোনো ফান্ড তৈরী করে সেটাতেও সহযোগীতা করা যায়। সমস্যাটা হলো, এইসব ছোটোখাটো সাহায্য দিয়ে কাজের কাজ কিছু হবেনা। কিছু মানুষের হয়তো একদিন কি বড়জোর দু'দিনের খাওয়া জুটবে। তারচেয়ে কিছু টাকা একত্র করে কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হয় এমন কিছু যদি করা যায় আমার মনে হয় সেটা অনেক বেশী সাহায্য করবে।
এখান থেকে পরিস্থিতি যাচাই করা অনেক কঠিন। পেপারে পড়ে আর দেশে থাকা বন্ধু-বান্ধবের সাথে কথা বলে যা আন্দাজ করতে পারছি তাতে অবস্থা মোটেও ভালো মনে হচ্ছেনা। যদি কোনো ভাবে সাহায্য করতে পারি, তাহলে জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো। আমার সাথে ব্যাক্তিগতভাবে যোগাযোক করার জন্য অনুরোধ রইলো।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই জানতে পারবেন রোকন। ধন্যবাদ আপনোকে। ভাল থাকুন।
চমৎকার আইডিয়া, দেরী কি, সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ কাজে নেমে পড়ুন।
এছাড়াও বিভিন্ন এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য দেয়া যেতে পারে যেখানে প্রয়োজনে সম্মিলিত সাহায্য পৌঁছানোর কথা ভাবা যেতে পারে।
যদিও আশা করছি আল্লাহ্ এখনো সে রকম কোন পরিস্থিতিতে ফেলেননি প্রিয় বাংলাদেশকে।
ধন্যবাদ সামহোয়্যারইনকে, এ পোষ্টখানা স্টীকি করার জন্য এবং ধন্যবাদ লেখককে।
দিগন্ত বলেছেন:
ডেইলি স্টারে দেখলাম এবার বোরো বাম্পার ফলন হবে আশা করছে। সুতরাং ...
হার্টবিট বলেছেন:
মোস্তফা আমিন ভাই, এরকম practical পোষ্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আর রোকন ভাই এর লেখা পড়ে মনটা ভাল হয়ে গেল। রোকন আপনার Idea খুব সুন্দর। একদিন বা দুদিনের খাবার ব্যবস্থা করে মানুষ কে বাচানো যাবেনা। আমরা যদি সঠিক পরিকল্পনা করে এগোতে পারি তাহলে বাংলাদেশের একটি এলাকাকে হলেও বাচাতে পারবো।
আমি অবশ্যই আপনার সাথে যোগাযোগ করবো।
ৃৃমম বলেছেন:
ক্ষুধার্ত মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের প্রতি শ্রদ্ধা।আর কোন মন্বন্তর মেনে নেবো না।
আর কোন মানিব বন্দোপাধ্যায়কে যেনো অনাহারে মৃতদের মিছিলে বসে লিখতে না হয় : "কেড়ে খায়নি ক্যানো?!"
নেমেসিস বলেছেন:
পোস্ট বক্তব্য অস্পস্ট । যেখানে সারা দেশেই মানুষ উচ্চমুল্যের দরুন খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করতে পারছে না সেখানে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রয়াস কিভাবে এই অবস্থা উত্তরন ঘটাবে সেটা বোঝা গেল না । লেখক বন্যা-সিডর-জলচ্ছ্বাস-পাহাড়ধ্বস এর উধারন টেনেছেন । কিন্তু সব গুলোই এলাকা বিশেষে ঘটেছিলো । আর তাই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সাহায্য তৎপরতা কাজে দিয়েছিলো । কিন্তু সমস্যা এখন অন্যরকম এবং ব্যপক । শুধুমাত্র রাস্টযন্ত্রের মতো প্রতিস্ঠানই কেবল পারবে এ জাতীয় পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে । আমরা হয়তো পারবো রাস্ট্রকে এই কাজে নিয়োজিত হবার আহবান জানাতে বার বার ।
মনে রাখবেন ফেস পাউডারের ব্যবহার কেবল মুখশ্রিকে সুন্দর দেখাবে পুরো দেহ কে নয় ।
বিবর্ণ বলেছেন:
কিন্তু কি ভাবে....? কোন প্রকৃয়ায়! দেশের বর্তমানের সরকারে জনগনের প্রতি নূন্যতম দ্বায়বদ্ধতা নেই। তারা যা ইচ্ছা তাই করছে। আপনি আমি এগিয়ে গেলে তারা কিভাবে গ্রহন করবে তা ভেবে দেখার বিষয়। তবু ধন্যবাদ আপনার বুকজোড়া মানবতার জন্য।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে মহৎ হলেও কার্যকরী নয় যেখানে সিনারিও সারাদেশ ব্যাপি ও ব্যাপকতা অনেক বৃহৎ।নির্দিস্ট এলাকায় এ ধরনের উদ্যোগ নির্দিস্ট সংখক মানুষের সাহায্যে আসবে, যেমন আসে লঙরখানা খোলার মতোই। বৃহৎ অংশের কোনোই লাভে আসবে না কারন এটা শুধু মাত্রই রাস্ট্র বা সরকার দ্বারা সম্ভব।
এ ধরনের উদ্যোগ সামহোয়্যারইনের প্রচারে অনেক লাগবে বলেই মনে হয় তারা এগিয়ে এসেছে, সিএসআর (CSR) বলে একটা কথা আছে!! ব্যাপারটা চোখে লাগছে, বিশেষ করে জানার আগ্রহ দেখেই।
ভুতঅদ্ভুত বলেছেন:
রাশেদ আর এস্কিমো ব্যানড আর আপনারা আছেন ক্ষুধার লড়াই নিয়া! কি বুদ্ধি আপনেগো! মজা করলাম...............।
সময়োপযোগি পোষ্ট। +
আমার বক্তব্য - প্রতিবার আমরা যেমনভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি এবারও দাঁড়াই না কেন? ১০ জন বা ১০০ জন মানুষ যদি আমাদের প্রচেষ্টায় একবেলা বা একদিন ভাল থাকে তো কারো কোন ক্ষতি নাই।
তবে, কোনভাবেই চাই না অমন দুর্দিন আসুক, কখনই না।
ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা আমাদের দেশটাকে সুখী করুন - সর্বার্থে।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আপনার উদ্যোগ ও প্রচেস্টার জন্য অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু এতে কাজের কিছু হবে না। বিষয়টি যখন সরকারী নীতি এবং অনেকখানি আন্তর্জাতিক নীতির সাথেও জড়িত, তখন প্রকৃত সমাধানের জন্য সে বিষয়ের সচেতনতা অধিক প্রয়োজন। আপনার এই উদ্যোগ টিউমারে মলম লাগিয়ে সাময়িক উপশম হয়তো পাওয়া যেতে পারে বড়জোড়- কিন্তু টিউমার নির্মূল হবে না। তবে সাময়িক উপশমই যদি উদ্দেশ্য হয় এবং এর মাধ্যমে সান্ত্বনা লাভ ও অনেক কিছু করে ফেললাম বলে প্রবোধ লাভ যদি উদ্দেশ্য হয়- তবে ভিন্ন কথা।
আর, সমস্যার প্রকৃত সমাধান চাইলে প্রকৃত রোগের কারণ অনুসন্ধান বের করতে হবে। খাদ্য সংকটের প্রকৃত কারণ কি? কম উৎপাদন? দুনিয়া জুড়ে খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি?? এসব মোটেই মূল কারণ নয়। বুঝতে হবে, আমাদের মোট প্রয়োজনের ৯০ শতাংশই আমরা নিজেরাই উৎপাদন করতে পারি। বাকি ১০ ভাগ মাত্র আমদানি করতে হয়। এই ১০ ভাগ আমদানির জন্য সমস্ত ১০০ ভাগেরই মূল্য কি বাড়াতে পারে ব্যবসায়িরা???
মনে রাখবেন, যখন বাম্পার ফলন হয়েছিল সে সময়েও রংপুর দিনাজপুর অঞ্চলে মঙ্গা হয়। কেন???
আমাদের মোট চাষযোগ্য জমি কত, প্রতি হেক্টর এক ফলনের উৎপাদন দিয়ে গুণ করে পাবেন মোট উৎপাদন, আর, আমাদের মোট কনজাম্পশান হিসাব করে দেখুন তো আমাদের খাদ্য সংকট থাকার কথা কি-না???
এসব বিষয়ে সচেতনতা ছাড়া কোনদিনই এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসা যাবে না। কিছু চ্যারিটি করে কিছু মানসিক প্রশান্তি পেতে পারেন, কিন্তু ক্ষুধা দূর করা আকাশ-কুসুম কল্পনা ছাড়া কিছুই হবে না.......
আপনাদের দিনমজুরের কৃষি নিয়ে পোস্ট তিনটি পড়ার আহবান করছি। এবং সামহোয়ারইন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করবো- সেই পোস্ট তিনটিকে স্টিকি করুন। (তিনটি পোস্ট স্টিকি করা সমস্যা হলে- দিনমজুরকে অনুরোধ করবো- তিনটি পোস্ট একসাথে জুড়ে দিয়ে একটি পোস্ট বানাতে)। দিনমজুরের পোস্ট তিনটির লিংক দিয়ে যাচ্ছি....।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
দিনমজুরের পোস্ট তিনটির লিংকঃ
Click This Link
Click This Link
Click This Link
মাদারি বলেছেন:
একমত@নাস্তিকের ধর্মকথা
সেই সাথে অবশ্য আমাদেরও আশু কিছু উদ্যোগ নেয়া দরকার। যে যতখানি ভূমিকা রাখতে পারি, ততখানি।
তবে এটাও ঠিক, এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের উদ্যোগ ও ভূমিকা সবচেয়ে বেশি দরকার।
ত্রিভুজ বলেছেন:
ভাল লাগলো আপনার বক্তব্য মোস্তফা আমিন। এবিষয়ে আমাদের অবশ্যই করার মত কিছু আছে। আমাদের কিছু উদ্যোগ নেয়া খুবই জরুরী....
রাফা বলেছেন:
আপনারা কি উপলব্দি করতে পারছেন এটা কিন্তু কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ নয় । সমস্যা টি কিন্তু সাময়ীক নয় এটা বর্তমান সরকারের একটি ক্ষমার অযোগ্য ব্যর্থতা ।একমাত্র ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি করেই এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব । যা কোন সরকারই শুধূ করতে পারে ।হ্যা আমরা অল্প কিছু লোকের হয়ত কিছু আয় বারানোর চেষ্টা করতে পারি যেমন কাউকে একটা রিকশা কিনে দিতে পারি কিংবা কাউকে একটি পান দোকান করে দিতে পারি ।কিন্তু বাস্তব সমাধান সরকারেই করতে হবে।কিছু কি বোঝাতে পারলাম।ধন্যবাদ
জানা বলেছেন:
ক্ষুধার লড়াইয়ে আমাদের করনীয় নিয়ে সকলের সম্মিলিত উদ্বেগ আর আন্তরীকতা একটি ভাল উদ্যোগ সফল করবে বিশ্বাস করি। আর এ,জন্য মতামত এবং পরিকল্পনা জানিয়েও সহযোগিতায় অংশ নেয়া যেতে পারে ; অঞ্চলভিত্তিক তথ্য জানিয়ে, পরিস্থিতির ব্যপকতা, গুরুত্ব এবং সমাধানের সম্ভব্য উপায় জানিয়ে সহযোগিতা কামনা করছি।
আবারো ধন্যবাদ মোস্তফা আমিন আপনাকে এবং সবাইকে যঁারা বিষয়টিতে নানাভাবে অংশ নিয়ে যাচ্ছেন।
পদক্ষেপটি সফল হোক।
আগন্তুক বলেছেন:
আমাদের কার কী করনীয় সেটি করলেই তো হয়?
দিনমজুর বলেছেন:
আমার পোস্ট তিনটিকে একত্রিত করে নতুন একটি পোস্ট দিয়েছিঃ
আশা করি পড়বেন।
পোস্টঃ সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি
Click This Link
লেখক বলেছেন: দিনমজুর ভাই, আপনার লেখা অনেক গোছানো আর তথ্যবহুল। অনেক ধন্যবাদ।
আপনি অনুমতি দিলে আপনার এই লিংক্ টা আমার পোস্ট-এর সাথে দিতে চাই তাহলে সবাই এক জায়গায় একসাথে অনেক তথ্য পাবে।
অবশ্য সেই ক্ষেত্রে সা.ইন কতৃপক্ষের অনুমতি লাগবে যার দায়িত্বটা আমি নিচ্ছি।
আপনার উত্তরের অপেক্ষায়।
ভাল থাকুন।
নেমেসিস বলেছেন:
১০ জন বা ১০০ জন মানুষ যদি আমাদের প্রচেষ্টায় একবেলা বা একদিন ভাল থাকে তো কারো কোন ক্ষতি নাই।
>>> ক্ষতি আছে রে ভাই । সিডর এলাকায় ত্রান কার্যক্রমের মাঝামাঝি সময়ে একটা নিউজ পড়ে হতাশ হইছিলাম । ঐ সব এলাকার এক শ্রেনীর লোকজন কর্ম বিমুখ হয়ে উঠছিলো ব্যপক ত্রান পাওয়ার ঠেলায় । তাদের কথা কাজ করলে মজুরী পাবে ৩০০/৪০০ টাকা ।কিন্তু ত্রান আনতে পারলে ঐটার বিক্রয় মুল্য পাবে ৮০০/১০০০ টাকা । তাই সাময়ীক সময়ের জন্য ঐ এলাকায় কেউ কাজ করতো না ।
ভেবে দেখেন আমরা কি আবার আরেক জায়গাতে এরকম কর্মবিমুখতা আনতে চাই কি না ??? সাহায্য করতে বিন্দু মাত্র আপত্তি নাই আমার। কিন্তু সাহায্য খরচ করতে হবে কর্মসংস্থান তথা মানুষের হাতে বাড়তি কয়েকটা টাকা যাতে আসে সেই লক্ষে ।
আশাকরি বোঝাইতে পারলাম ।
মদন বলেছেন:
সাথে আছি...
কিসলু বলেছেন:
+
ঝুমী বলেছেন:
বেশ ভাল বলেছেন। +
রোকন বলেছেন:
অবস্থাটা যে শুধু বাংলাদেশেই খারাপ তা নয়। পুরো বিশ্বের অর্থনীতির অবস্থাই খুব করুন। আমাদের একটু চামড়ার গভীরে ক্ষত হয় কারন আমরা গরীব। আমেরিকার অর্থনীতির খুব নাজুক অবস্থা। সেই সাথে আমাদের মতো অর্থনীতি যারা অনেকাংশে আমেরিকার অর্থনীতির উপর নির্ভরশীল তারা প্রায় মরতে বসেছে। আমি যখন প্রথম এদেশে আসি তখন তেলের দাম ছিল এক গ্যালন ২.২ ডলার। এখন সেই তেলের দাম হয়েছে ৩.৮/গ্যালন। চাল কিনতাম ১২ডলার/১০ কেজির ব্যাগ। এখন সেই চাল হয়েছে ২৮ডলার/ব্যাগ। তেলের দাম এখন প্রতি সপ্তাহে ১০ সেন্ট করে বাড়ছে। আমি গাড়ি চালানো ছেড়ে দিয়েছি। ওটা এখন একটা বিলাসিতা। ত্রান জিনিসটা খুব খারাপ একটা ব্যাপার। আমরা বাঙালীরা যেকোন দুর্যোগেই সবার আগে চিন্তা করি কিভাবে ত্রান দেয়া বা পাওয়া যায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় হয়ত ব্যাপারটা সাময়িকভাবে গ্রহনযোগ্য হতে পারে কিন্তু এরকম সময়ে এটা মোটেও গ্রহনযোগ্য কোন সমাধান নয়। কারন:
১. কত টাকা, কত দিনে, কোথায় কিভাবে এবং কাকে দেয়া যায় সেটা নিশ্চিত না। প্রথমদিকে মনে হয়েছিলো এটা বুঝি বরাবরের মতোই নিম্নবিত্তদের উপর দিয়েই যাবে। এখন দেখা যাচ্ছে মধ্যবিত্তরা আরো বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। নিম্নবিত্তরা রাস্তায় ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে নেমে পড়ছে। মধ্যবিত্তের সেই সুযোগটুকুও নেই।
২. ত্রান সবসময়েই সীমিত। বিলিয়ন ডলার ত্রান আসলেও সেটা ফুরাতে বাধ্য। তার উপর লুটপাটের আশংকা থাকে।
৩. কোথা থেকে শুরু করবেন? সব এলাকাই সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্থ।
৪. এটা যে কতদিন চলবে কেউ বলতে পারেনা। রাজনৈতিক অবস্থা আরো শোচনীয়। পলিসি মেকাররা একেকবার একেক কথা বলছে। "নিরব দুর্ভিক্ষ" আর "হিডেন হাঙ্গার" এর পার্থক্য অনেক চিন্তা করেও বের করতে পারলামনা। অনিশ্চয়তা যে কোন অর্থনীতির জন্যই ক্ষতিকর।
৫. এবার বিদেশী সাহায্যও খুব বেশী পাওয়া যাবে বলে মনে হয়না। যারা সাহায্য করবে তারাই গ্যাঁড়াকলে। আমার এক সহপাঠী এদেরকে নাম দিয়েছে "বৈশ্বিক দাদন ব্যাবসায়ী"। এদের ব্যাবসা যে খুব ভালো যাচ্ছেনা, সেটা সবারই জানা।
আমার মনে হয় সবচেয়ে সহজ সমাধান হতো যদি কমিউনিটি/এলাকা ভিত্তিক কোন কার্যক্রম চালু করা যেতো যাতে অন্তত কিছু পরিবারের কর্মসংস্থান হয়। এই মুহুর্তে কোনো আইডিয়া মাথায় আসছেনা। কিন্তু সবাই মিলে চিন্তা করলে আমি নিশ্চিত কিছু না কিছু বের হবে। আমরা এখানে আগামী রোববার সবাই একত্রিত হচ্ছি এ ব্যাপারে কিছু করা যায় কিনা যাচাই করতে। ফলাফল কি হলো আমি সেটা এই পোস্টে জানিয়ে দেবো। এর মধ্যে যদি আপনারা কোনো আইডিয়া দিতে পারেন তাহলে আমি সেটা এখানে উপস্থাপন করে কিভাবে তার সাথে সম্পৃক্ত হওয়া যায় তার চেষ্টা করবো।
ইয়াসির রাজন বলেছেন:
সাথে আছি
রোকন বলেছেন:
ডেইলি স্টারে একটা খবর পড়লাম এই মাত্র। সরকারমশাইয়ের টনক নড়েছে। Click This Link
দেখাযাক কদ্দুর কি হয়। আশায় আছি।
মাইনুল বলেছেন:
গরিব ও মধ্যবিত্তের জন্য রেশন চালু করা যায়।
রোকন বলেছেন:
সেটা চালু আছে এবং সরকারকেই তা করতে হবে। আমি বলতে চেয়েছি আমরা কি করতে পারি?
হার্টবিট বলেছেন:
রোকন ভাই, একটি idea (i.am.maruf) হতে mail করে ছিলাম, feedback পাই নি।
হার্টবিট বলেছেন:
রোকন ভাই কে করা mail টি আমাদের ব্লগ এর সবাই কে বলছি,i am new in the blog "somewherein".
i read the comment of রোকন ভাই . i think if we can take the following step properly our dream will come in to reality.
the idea is to make a non-profitable fund by which we will maintain some organization such as poltry, fishries etc.
at first we will select poor unemployed people and make them trained. In the training session, we may give them allowance. the aim of the trust will be only to provide job to poor and helpless.
Please response for the sake of the nation.
আমার মনে হয়, আমাদের ব্লগ এর সবাই যদি চেষ্টা করি, তা হলে এটা কেন আমরা আরও বড় কোনো কাজ করতে পারব।
রোকন বলেছেন:
মারুফ, আমি আপনাকে রিপ্লাই করেছি। একটু দেরি হয়েছে কারন আমার অফিস থেকে পার্সোনাল ইমেইল এক্সেস করা যায়না। দুঃখিত। আপনার প্রস্তাবটা ভালো, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে। আমাদের এখন এমন কিছু দরকার যা ইমিডিয়েট রেজাল্ট দেবে। অর্থনীতিতে Recession এবং Inflation একসাথে হওয়া বিরল। যদি হয় তার পরিনতি হয় ভয়াবহ। যেটা আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি। আমরা খুব সামান্যই করতে পারবো এখানে। সরকারকেই সিংহভাগ সামলাতে হবে, এটা নিশ্চিত।
হার্টবিট বলেছেন:
thanks for replying.but i think it is not so hard to imply short term situtions like this. if we able to collect the fund, we start our mission.
first we arrange training program. in the training, we give money to the trine, and immediate after training they will work in our selected project. As there is no direct output so our fund will give subsidiary to generate immediate income for the people.
Once our project will be profitable, we will expand our social work.
hope to get feedback.
দিনমজুর বলেছেন:
@মোস্তফা আমিন
আমার লেখাটার লিংক আপনি যেখানে ইচ্ছা সেখানে দিতে পারেন, আপত্তির কোন প্রশ্নই উঠে না। আমার সমস্ত পোস্টই আসলে বিভিন্ন জায়গা থেকে টুকে টুকে তৈরি করা, এবং মনে করি এসব লেখা যত বেশি লোক পড়তে পারে তত ভালো। সুতরাং আমি আমার যেকোন লেখার ব্যাপারে স্বত্ত্ব নিয়ে চিন্তিত থাকি না, আমার যেকোন লেখা যেকেউ যেকোন জায়গায় নিতে পারেন। শুধু এটুকু আশা করি যে, হয়তো যিনি আমার লেখা বা লেখার অংশ ব্যবহার করছেন তিনি সেটির সূত্রটি উল্লেখ করবেন। তবে তাও যদি উল্লেখ না করেন- তবু আমার কোন আপত্তি নেই। আর, আপনি তো শুধু লিংক নিতে চেয়েছেন! অনুমতির কোন প্রয়োজন নেই।
@নেমেসিস
আপনার কথার সাথে একমত হতে পারলাম না.......
আপনি যে কথাটি বলেছেন, সেটি খুব জঘণ্য প্রচারণা। ত্রাণের কারণে মানুষের কর্মবিমুখতা!!!
একবার সিডর আক্রান্ত অঞ্চলে আপনার যাওয়া দরকার ছিল বলে মনে করছি, অথবা কোন মঙ্গাপীড়িত অঞ্চলে....
লেখক বলেছেন: দিনমজুর ভাই, আপনাতে অনেক ধন্যবাদ। উত্তর দিতে এসে দেখি আপনার লেখাটাও স্টিকি হয়ে গেছে, যা ভাল লাগল।
অনুরোধ আপনার এই লেখাটা কোন দৈনিকেও প্রকাশ করুন, বহু মানুষ জানতে পারবে। আমি জানি না সা.ইন কে জানাতে হবে কিনা এ ব্যাপরে!
শুধু আমার দিকটা আরেকবার পরিস্কার করি - পুনরায় বলি আমার এই প্রস্তাবটা সমাজ-রাষ্ট্র পরিবর্তনের ডাক ছিল না কোনমতেই। বলতে চেয়েছি আমাদের আশেপাশের যারা দুঃসময়ে পড়েছে বা পড়তে যাচ্ছে তাদের জন্য কিছু করতে পারি কিনা - এখনই অথবা আগেভাগে।
আমাদের কোন সরকারই আমাদের দায়িত্ব খুব একটা নেয় না, অনেকটা "আল্লাহ্ র মাল আল্লাহ্ ই দেখেন" আর আমরা হয়ত বিশ্বাস করি "আল্লাহ্ আমাদের পরীক্ষা নিচ্ছেন" সবসময়।
সেইখানে বলতে চেয়েছিলাম আমরা আমাদের মত দেখতে মানুষদেরকে একটু সাহায্য করতে পারি কিনা।
প্রতিদিনের খাদ্য সংগ্রহের সংগ্রাম যখন বাঁচা-মরার প্রশ্ন তৈরী করে তখন আবার সরকারের উপর অপ্রয়োজনীয় বা ব্যর্থ নির্ভরশীলতা সেই সংকটকে আরো প্রলম্বিত করবে, সেখানে অতি ক্ষুদ্র আমাদের প্রচেষ্টা কিছুটা স্বস্তি বা শান্তি এনে দিতে পারত - এটাই মনে হয়েছে।
আবারো সবাইকে ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।
BangladeshCiroJibiHok বলেছেন:
লেখককে সময়োপযোগী পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। তাঁর সাথে সহমহ পোষণ করে সবাইকে পরিস্থিতি মোকাবেলায় ভূমিকার রাখার আহবান জানাচ্ছি। প্রতিটি সামর্থবান মানুষ যদি প্রতিদিন একবেলা করে একজন অনাহারি মানুষের আহারের ব্যবস্থা করেন তাহলে লক্ষ লক্ষ মানুষের খুধার যাতনা খানিকটা লাঘব হতে পারে। এটা স্থায়ী সমাধান না হলেও এই মহূর্তে এ ছাড়া আর উপায় কি?
পাশাপাশি সবাইকে এও মনে রাখতে অনুরোধ করি এই জাতীয় অগণতান্ত্রিক সরকারের কাছে খুব বেশি আশা না করাই ভাল। ভবিষ্যতে সুশীল সমাজ (?), দেশবিরোধী পত্রিকা (প্রথম অন্ধকার ও ডেইলি বাস্টার্ড) এবং দালাল বুদ্ধিজীবীদের সহযোগীতায় এই জাতীয় সরকার যেন আর ক্ষমতায় না আসতে পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে সকলকে অনুরোধ করি।
বিস্মিত হয়েছি জনগণের এই দুঃসময়ে তাদের পাশে দাড়ানোর লেখকের আহবান অস্পষ্ট ও অপ্রয়োজনীয় বলে নেমেসিস ও নাস্তিকের ধর্মকথার মতো উজবুক ও ক্ষতিকর প্রাণীদের পোস্ট পড়ে।
সুধী বলেছেন:
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক কে ধন্যবাদ। নিন্দুকরা সব কিছুতে নিন্দা করবে। এটাই তাদের কাজ। তাদের কথা ভেবে লাভ কি? আসুন মতভেদ ভুলে এ সময় সবাই গরীব দুখীদের পাশে দাড়াই।
লেখককে ধন্যবাদ।
নেমেসিস বলেছেন:
প্রিয় দিনমজুর আমার অভিজ্ঞতা বেশ ভালই আছে । মঙ্গাপীড়িত অঞ্চল বাদে প্রতিটি দুর্যোগকবলিত এলাকায় ত্রান / সাহায্য আমরা সাধারনত পাঠাই । মনে করবেন না শুধুমাত্র পত্রিকা পড়া তথ্য এগুলো । বাস্তবভিত্তিক প্রমানও আছে । ধন্যবাদ আপনাকে । @ BangladeshCiroJibiHok যদি আমি প্রতিটি দুর্যোগে ব্যক্তিগত উদ্দোগ্যে আপনার ধারনার অতীত সাহায্য সহযোগিতা করেও ক্ষতিকর প্রানী ও উজবুক নাম পাই তবে সেটাই সই ।
মণিপুরী বলেছেন:
ভালো লেগেছে। অনেক তথ্যবহুল।
সালাউদ্দিন সেলিম বলেছেন:
আমাদের পেট আমাদেরকেই বাঁচাতে হবে, ঐ সব রেশন খাদকদের আশায় বসে থাকলে চলবে না। ওরা তো ১ টাকা কেজি চাল খায় তাই ওদের সহজে ক্ষুধা লাগে না।
এর চেয়ে আসুন আমরা সংগঠিত হয়, আমাদের যা সম্পদ আছে তাই দিয়ে কীভাবে উৎপাদন বেশি হারে বাড়ানো যায় তার পথ খুঁজে বের করি....
ফাতাহ্ বলেছেন:
একটু লিরাস্ক প্লিজ ।সবাইকে চায়ের আমন্তন........
















