somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ছড়া ছড়িয়ে দাও........
জায়গা মিলবে না, মিলবে না


ভীমরুলের প্রতিজ্ঞায় আমাদের মস্তক উন্নত

আর অপেক্ষায় তোদের মৃত্যু যন্ত্রনা!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28843938 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28843938 2008-09-16 14:06:32
আমরা আর অসহায়ত্ব - পাশাপাশি
আমি ধরফর করে উঠলাম...তারপর? কি করব? তেইশ মাসের ঘুমে-কাদা হয়ে থাকা ছেলেটাকে বুকের মধ্যে নিয়ে মশারির ভিতর টানটান বসে থাকি....মাথায় অনেক কিছু একসাথে ভীড় করে।

চার পাঁচ সেকেন্ডে কি চার তলা থেকে নীচে নামা সম্ভব?
আমরা নেমে গেলাম, কিন্তু ঐ ঘরে মা-আব্বা শুয়ে আছেন - তাদের কি হবে?
সামনের দরজায় তো রাতে তালা দিয়ে রেখেছি, তাহলে কি তালা খুলে শোব?
রাস্তায় দাঁড়ালে পাশের উঁচু বাড়িগুলো ভেঙে পড়লে তখনো তো মারা যাব, তাহলে?..........


শেষে 'গৃহমন্ত্রী'কে বলি - 'আস আত্মসমর্পণ করি, কোন লাভ নেই পালিয়ে, কতদূর পালাব আমরা? কাকে রেখে, কাকে নিয়ে যাব? তারচে' ঘুমিয়ে পড়ি, সেখানে কিছু হলে হোক'।

বলি, কিন্তু ছেলেটার দিকে তাকিয়ে বুক ভেঙে যায়। ভীষন অসহায় লাগে একজন বাবা হিসাবে, বোবা চিৎকারে কেঁপে উঠি - তোমার জন্য কিছুই করার নাই বাজান!

বাতি নিভিয়ে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকি আর ভাবি, কী ভীষন অসহায় আমরা! বোঝার আগেই সব শেষ। ঝড়-ঝঞ্ঝা-জলচ্ছাস সব বোঝা যায় কিন্তু ভূমিকম্প? কিছু বুঝে ওঠার আগেই........শেষ। সৃষ্টিকর্তার কাছে তীব্র অভিযোগ জানাই, এত অসহায় যদি করেছ তাহলে বোধশক্তি দিলে কেন? এই অনূচিৎ, একপেশে খেলা কতটুকু যুক্তিযুক্ত?..............


মধ্যরাতে আর জেগে থাকা সম্ভব হয় না, ঘুমিয়ে পড়ি।

........একটা অন্যমনস্ক সকাল শুরু হয়। আর দিনের কাজে আমার রাতের চিন্তা পাশে সরে যায়..........
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28825609 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28825609 2008-07-30 13:57:42
মোনাজাত উদ্দীন - আমাদের চারণ সাংবাদিক - আপনার জন্য ভালবাসা
দৈনিক সংবাদে যখন উনি লিখতেন তখন থেকেই তাঁর লেখা পড়ি। 'পথ থেকে পথে', 'কানসোনার মুখ', পায়রাবন্দের শেকড়ের কথা', 'ছোট ছোট খবর'..... কী অসাধারন লেখা! এমন দরদ দিয়ে এখন কেউ লেখে কিনা কে জানে? ঐ 'দুই পয়সা' মানুষগুলোর জন্য কার এত মাথাব্যথা? অনুসন্ধানী লেখা পাওয়া খুব মুশকিল। মাইলের পর মাইল চটি পায়ে একটা ব্যাগ কাঁধে নিয়ে গ্রামকে গ্রাম নিউজ কভার করা - দেশ বা মানুষের জন্য ভালবাসা-মমতা না থাকলে সম্ভব না। নেশা ছিল কি তাঁর মানুষকে ভালবাসবার?

ছয়ফুট উচ্চতার মেদহীন একজন মানুষ ছিলেন মোনাজাত উদ্দীন। কিভাবে যমুনাতে পড়ে গিয়ে মারা যায়! নদী কি এত নির্দয় হয়?

সত্য রিপোর্টের কারনে অজস্র শত্রু তৈরী করেছিলেন কি? তাঁর মৃত্যুর কারন নিয়ে সাংবাদিকরাও খুব একটা ঘাটাঘাটি করেননি! খুব স্বাভাবিকভাবেই সবাই মেনে নিলেন! কেন? মানুষটি কি নিঃসঙ্গ ছিলেন? মানা যায় না। তবে কি স্ব-পেশার মানুষদের বিরাগভাজন হয়েছিলেন খুব ঘনিষ্টতা না রাখার জন্য? সরাসারি কথা বলার জন্য? কেন তাঁর মৃত্যুর কারন নিয়ে আপনারা এগোলেন না? কেন এটাকে 'স্বাভাবিক বা দুর্ঘটনায় মৃত্যু' মনে করলেন?

আমি যতদূর জানি মোনাজাত উদ্দীন 'প্রেস ক্লাব'-এর সদস্যপদের জন্য খুব বেশী মরিয়া ছিলেন না এবং 'সদস্য'-টুকুও ছিলেন না।

যে বহুযুগ পরে শেখাল নিরস সংবাদকেও সাহিত্যে উত্তরণ করা যায়,
যে আমাদের শেখাল 'গ্রাম সাংবাদিকতা',
যে চিনিয়ে দিল গ্রামকে যেখানে আমাদের সবারই নাড়ী পোঁতা,
যে দেখিয়ে দিল সমাজের ভন্ডদের,
যে খবরের ভিতরের খবর বের করে আনতো অতি সাধারন মানুষের স্বার্থে - তাঁকে আমরা মনে রাখিনি! তাঁর পরিবারের কে কোথায় আছেন কেউ জানি না-খোঁজ নিই না? জানি তাঁর ছেলেটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পড়তে আত্মহত্যা করেছিল, কি দুঃখে তা আর জানা হয়নি। কিন্তু আর অন্য সদস্যরা?

..............আমরা বারবার প্রমান করছি, এ দেশকে যারা ভালবেসেছে সেই মানুষগুলো বড়বেশী অপ্রয়োজনীয় - তাই না? আমরা কি অলক্ষ্যে আমাদেরকে জাতি হিসাবেই এমন প্রমান করছি? উদাসীন, নির্বোধ? ভাবতে কখনোই ভাল লাগে না আমরা তেমন, কিন্তু....?
নাকি ঐ মানুষরা যা করছে আমরা সেগুলোকেই Granted ধরে নিচ্ছি? তাহলে তো কৃতজ্ঞতা থাকা উচিৎ। তার লক্ষণই বা কই?

আমি জানি আর বিশ্বাস করি পল্লীর সেই কিষানী বউ, হাটের ছোট্ট দোকানী বা সেই প্রাকৃতজনেরা আপনাকে হয়ত আপনার নামে নয় - আপনার কাজকে ভালবাসবে আজীবন। মনে রাখবে আর আনমনে জিজ্ঞাসা করবে 'একজন ছিল যে আমাদের কথা বলত, সেই মানুষটা কই'? আপনার অভাব কি পূরণ হবার?

মোনাজাত উদ্দীন আপনি আমার ভালবাসা গ্রহন করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28794728 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28794728 2008-05-06 10:27:06
বঙ্গবন্ধু এবং আমাদের চিন্তার দৈন্যতা
যখন আব্রাহাম লিঙ্কনের কাছে আসে সিদ্ধান্ত নিতে তখন উনি অল্প কিছু সময় ভেবে বললেন সবাইকে মুক্ত করে দাও! তৎকালীন ওয়ার সেক্রেটারি স্টানটোনকে লিঙ্কন এই আদেশ দেন। তখনকার জনগনের মনে বড় একটা প্রশ্ন ছিল, এই বন্দীদেন কেন লিঙ্কন মুক্তি দিলেন! অনেক পরে বিশ্লেষকরা বের করেছেন, ঐ কাজটা তখন লিঙ্কন না করলে আজকের আমেরিকা হয়ত হত না, পুরো প্রক্রিয়াটা অনেক পিছিয়ে যেত। সাড়ে চার বছরের যুদ্ধে যখন গোটা দেশ ক্লান্ত তখন আবার উনি চান নাই পাঁচ লক্ষ সৈনিককে সাজা দিতে, চান নাই আবার জাতিটাকে দ্বিখন্ডিত করতে, নতুন ক'রে পাঁচ লক্ষ শত্রু তৈরী করতে। আজকের সমাজ বিশ্লেষকরা লিঙ্কনের ঐ সীদ্ধান্তকে সঠিক বলেই স্বীকার ক'রে নিয়েছেন।

স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু এই কাজটিই করেছিলেন। ভাবুন, আমেরিকা, চীন, মধ্য প্রাচ্য এবং অবশ্যই পাকিস্তান (মনে করা হয় তখনকার ভারতও) একযোগে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরেছে, দেশের অবকাঠামো পুরোটাই অনুপস্থিত-বিচারবিভাগ সহ, তখন ছোটখাট দালালগুলোকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষনা করাটাই ছিল সবচেয়ে যুক্তিপূর্ণ কাজ। না করলে কী হত আজকের স্বাধীন দেশের স্বাধীন বিচারবিভাগের জট লাগা মামলা দেখলে আন্দাজ করা যায়, তাই না?

সেই 'সাধারন ক্ষমা'কে আমরা কেউ কেউ 'মারাত্মক ভুল' বলি, রাজাকাররা সেগুলোকে উদাহরণ হিসাবে টানার ধৃষ্টতা দেখায়। আমরা বোধহয় মারাত্মক ভুল করি যখন কাউকে বিচার করি দেশ-কাল-পাত্রকে বিবেচনায় না এনে। বঙ্গবন্ধুকে মহামানব বানাবার কোন ইচ্ছা আমার নাই কিন্তু তাঁকে বিচার করার আগে একটু পড়াশোনা করা উচিৎ, হুটহাট করে কিছু মন্তব্য (কখনো সস্তা মন্তব্য) করলে রাজাকারদের কাছ থেকে বাহবা পাবেন, সন্দেহ কি, কিন্তু দায় থেকে কি মুক্তি পাবেন?

ঐ সময়টা দেশীয় বা বৈশ্বিক পরিবেশ আসলে কেমন ছিল? তখনকার দেশীয় বা বৈশ্বিক অর্ধনীতি বা রাজনীতিই বা কেমন ছিল? প্রশাসন চালাবার মত কি আদৌ দক্ষ মানুষ ছিল? যারা ছিল তারা কারা? দেশপ্রেমিক না দালাল? ব্যাংকগুলোতে যুদ্ধের পর কতটুকু দেশী বা বৈদেশিক মুদ্রা ছিল? যা ছিল সেগুলো কিভাবে দেশের বাইরে গেল? দেশের অবকাঠামোই বা কেমন ছিল? তৎকালীন বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের কার কি ভূমিকা ছিল? সি.আই.এ. ঢাকার স্টেশন চিফ চেরি-র ভূমিকা কী ছিল?.....................দেশপ্রেমিক যদি নিজেকে মনে করি তাহলে দেশ সম্বন্ধে সঠিক ইতিহাস কেন জানতে চাই না? কেন প্রশ্ন করি না?

শুধু বলার জন্য বা লেখার জন্য বঙ্গবন্ধু'র সমালোচনা ক'রেন না; অনেক সাধনার পর, পূণ্যের পর আল্লাহ্ অমন একজন নেতা দিয়েছিলেন যার কারনে কিছু ক'রে খাচ্ছি।

অনুরোধ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে প্রচুর আলোচনা করুন, তাঁর ঐ সময়কার পদক্ষেপগুলো নিয়ে আলোচনা হোক কিন্তু সেই সাথে অন্য "নেতা"দের বিষয়গুলোও আসুক পাশাপাশি। আয়নায় উন্মোচিত হোক সবার চেহারা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28788869 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28788869 2008-04-18 01:12:06
ফাটাফাটি - সাবাস্ বাংলাদেশ!
প্রথম যে প্রশ্নটা মাথায় আসে তা হল, এখানে কিভাবে কৃষকরা বাঁচে, তাঁদের জীবিকা কি? সবাই কি তবে মৎসজীবি? হ্যাঁ তা তাঁরা হতেই পারতেন, কিন্তু তাঁদের হিসাব নিকাশ ভিন্ন। সহজ অমন পথ না বেছে তাঁরা পছন্দ করল চিরায়ত কৃষিকে। কিভাবে?

সেই সত্য গল্পটা বলতেই তো লিখতে শুরু করলাম!

অসাধারন এবং ব্যতিক্রমী পদ্ধতি। পানির মধ্যে চলে চাষাবাস! অদ্ভুত! আমি পড়ে (দৈনিক সমকাল) খুবই অবাক হয়েছি আর মনে মনে চিন্তা করেছি যে দেশে এত প্রতিভাবান কৃষক আছে সেখানে আর যা-ই সম্ভব খাদ্যাভাব সম্ভব না। শুধু দরকার সঠিক নেতৃত্ব।

সম্পূর্ণ নিজেদের উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে তাঁরা কাজটি করেন। তা-ও প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে।

তাঁরা উৎপাদন করেন মূলতঃ বিভিন্ন শাক-সবজির চারা আর মশলা আর জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চলে বিক্রী দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায়। তাঁরা বলতে অনেক - বৈঠাঘাটা, দেউলবাড়ী-দোবড়া এবং তার আশপাশের শত শত একর জমিতে চলে এই একই পদ্ধতিতে চাষাবাদ।

প্রথমে তাঁরা বীজতলা তৈরী করে পানির উপর! এটা তৈরী করতে প্রধানত ব্যবহার করে কচুরিপানা, টেপাপানা, চুনা শেওলা যা আবার ঐ পানি থেকেই সংগ্রহ করে। বীজতলাটা হয় এক-দেড় ফুট পুরু, পাঁচ-ছয় ফুট চওড়া আর একশ থেকে দুইশ ফুট লম্বা যাকে তাঁরা বলেন 'ধাপ' এবং সেই সুবাদে তাঁরা হন 'ধাপচাষী'। তাঁরা এখানে ফলান লাউ, কুমড়া, শশা, শিম, করলা, বেগুন, মরিচ, বরবটি, টমেটো, পেঁপের চারা। পাশাপাশি চলে লালশাক, শশা, ঢেঁড়স, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি আর বলছিলাম মশলার কথা, হলুদের চাষ।

এই 'ধাপ' বীজলায় সার সরবরাহ হয় কিন্তু ঐখান থেকেই, অর্থাৎ ঐসব পানা আর শেওলা থেকেই, সাথে থাকে নারকেলের ছোবড়ার গুঁড়ি যার পুরোটাই বিশুদ্ধ জৈবসার।

ভাবুন তো এই সম্ভাবনার কথা! কোনো সরকারী পরামর্শের জন্য তাকায় থাকে নাই; নিজেরা নিজেরা উদ্ভাবন করে পঞ্চাশ বছর ধরে এই কাজটা তাঁরা করে চলেছেন। আমার কাছে অবিশ্বাস্য লাগে বিষয়টা!

এই খবরগুলো শুনলে পোষাকী ভাষায় একে বিশেষায়িত না করে বলা যায় এককথায় - ফাটাফাটি! সাবাস্ বাংলাদেশ!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28788085 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28788085 2008-04-15 17:03:35
বৈষম্য এত প্রকট কেন-২?
'৮০-র দশকে বাবার বদলির সুবাদে আসা এবং তারপর সেখানেই স্থায়ী বসবাস। এখন আমার সবচে' প্রিয় স্থান বলতে পারেন এই অঞ্চল।

যে বিষয়টা নিয়ে লিখতে বসেছি তা হল গ্যাস। সেই '৮০-র দশক থেকেই দেখছি এখানে গ্যাসের সিলিন্ডার। তখন থেকে আজও আমাদের পরিবার ওই সিলিন্ডার ব্যবহার করছে। আজও আমার সত্তর উর্ধ্বো বাবাকে গ্যাস কিনতে যেতে হয়। আমি যখন ছিলাম তখন আমিই এই কাজটা করতাম। চাকুরীর কারনে প্রিয় শহর ছেড়ে আসা '৯৫ তে। তখনকার এই সিলিন্ডারের দামটা এতকাল পরে আর মনে পড়ে না তবে এখন তা ১২০০ টাকায় ঠেকেছে! আমাদের বাসায় মাসে দুইটা লাগে - তো মাসে গেল আড়াই হাজার টাকা! আর আপনারা (এখন আমিও) যারা ঢাকাবাসী? আন্-লিমিটেড ৩৩৩ টাকা! রান্না, পানি ফুটানো, কাপড় শুকানো, এমনকি শীতকালে ঘর গরম করা - সব চলে!
আমার বাবা অবসর নিয়েছেন অনেক আগে, তার জন্য এটা বড় বেশী খরচ! এবং খুব বেশী বৈষম্য।

প্রশ্ন হলো, সেই একটাই, আমার বাবা (এবং সকলেই যারা রাজশাহী থাকেন) সরকারের নিয়মানুযায়ী কর্ দিয়ে থাকেন, আইন-কানুন মেনে চলেন - তবে? আগে না হয় যমুনা সেতু ছিল না, দশ বছরেও গ্যাস পাইপটা যমুনা সেতু পার হলো না কেন! পার না হলে কোন সমস্যা নাই; না হওয়াই উচিৎ বলে মনে করি। সেক্ষেত্রে অবিলম্বে দেশের সব পাইপ লাইন বন্ধ করে সিলিন্ডার প্রবর্তন করা হোক। দেশকে বাঁচাতে হলে সেটাই কর্তব্য। অপচয় বন্ধ, সমতা আনয়ন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জ্বালানি সঞ্চয় - সবকিছুর জন্যই দরকার। এর বিকল্প কি আছে, যদি শুধুমাত্র গ্যাসের কথা ধরা হয়? খুব সম্ভব নাই।

আমি দেশের অনেক বৃহৎ সমস্যা নিয়ে আলোচনা না করে এটাকে বেছে নিলাম - সে জন্য কেউ কেউ অবাক বা বিরক্ত হবেন কিন্তু নাগরিক হিসাবে আমার কাছে বিষয়টা একই সঙ্গে বিরক্তিকর এবং অসম্মানজনক। এটা নিয়ে সরকারের বক্তব্য মোটেই স্পষ্ট না; আর উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্য মেনে কেউ এর প্রতিবাদও করবে না।

সরকারের কি এই অধিকার আছে তার নাগরিকদেরকে ভিন্ন-ভিন্ন চোখে দেখার? সে যেমন পারে না কোন নির্দিষ্ট ধর্মকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম করতে, ঠিক তেমনি করে পারে না কোন এক অঞ্চলকে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দিতে যুগের পর যুগ। তা কোনমতেই সুস্থ নিয়মতান্ত্রিক সরকারের চরিত্র না।

আমি জানি এই লেখা বর্তমান কোনো কর্তাব্যক্তির বিবেচনায় টোকা দেবে না অথবা রাজনীতিবিদদের নজরে আসবে না, কষ্টটা ভাগাভাগি করে মনটা হালকা করা আর কি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28788023 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28788023 2008-04-15 13:57:28
বৈষম্য এত প্রকট কেন-১?
আপনি কতদূর পড়াশোনা করেছেন? ডিগ্রি? অনার্স-মাস্টার্স? এমবিএ? তারপর কি সরকারী চাকুরী না আধা? না প্রাইভেট? কোনটা?

কখনো মনে হয় না কী ভীষন বৈষম্য?

সরকারী আর বেসরকারী বেতনে পার্ধক্য থাকতেই পারে, কিন্তু তা কতখানি? এত ব্যাপক পার্থক্য কখনও ভাল কিছু গড়তে দেয় না, তা বাধা হয়ে দাঁড়াবেই। অনেকের মত আমিও এই ব্যাপারে চুপই থাকতাম কারন তাঁদেরই মত আমিও জানতাম না, কিন্তু জেনে যাওয়ার পর না লিখে থাকা গেল না। এটা নিয়ে আলোচনা হ্ওয়া উচিৎ।

অনার্স-মাস্টার্স-এমবিএ করে যে মানুষটা বিসিএস এর মত কঠিন পদ্ধতির একটা পরীক্ষা পাশ করল এবং চাকুরীতে যোগ দিল সে মাস শেষে বেতন তোলেন তিন বছর পর ১১,৯৩৬ টাকা আর সমযোগ্যতা নিয়ে আরেকজন যে বেসরকারী সংস্থায় কাজ করেন, মাস শেষে তোলেন তার ১০ গুন! দুজনই কিন্তু এক সরকারকেই কর্ দেয়, সমান গ্যাস খরচ করেন, একই দামে চাল-মাছ-মুরগি-মাংস-বাজার করেন!
কোনভাবেই কি এটা সুস্থ ছবি? বাদ দেন সমযোগ্যতার, যে ১০ গুন বেতন তোলেন তার গাড়িচালক,যে অষ্টম শ্রেনী পাশ, ঐ অফিস থেকে মাস শেষে সরকারী কর্মকর্তার চেয়ে ৭০০০ টাকা বেশী বেতন তোলে! কী ব্যাখ্যা দেবেন এর?

ক্যাপিটালিজম্ এর এটাই কি রীতি, সরকারের কোনও নিয়ন্ত্রন থাকবে না! কেউ কি জানেন কোন তথ্য এ বিষয়ে?

এগুলোর জন্য কি দূর্নীতি বাড়ে? নিশ্চয়ই বাড়ে। দূর্নীতি করতে তো এই পুরো সিস্টেমই আপনাকে বাধ্য করছে। আপনার পাশের মানুষ আপনার চেয়ে ব্যয়বহুল জীবন যাপন করবে আর আপনি মাস শেষে সংসার চালানোর চিন্তায় উদ্বিগ্ন, কারন আপনি একজন সৎ সরকারী কর্মকর্তা।

এত ভীষন বৈষম্য রেখে একই দেশে একই সমাজে আপনি ভারসাম্য আনার কথা ভাবতে পারেন? সম্ভব?

এখন বঝুন সরকারের কোন্ মাত্রায় দায়িত্বশীল হওয়া দরকার?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28787735 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28787735 2008-04-14 14:01:05
ক্ষুধার লড়াই এবং আমাদের করণীয়
আমরা ব্লগে নিয়মিত লিখে যাচ্ছি খাদ্য সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে।

আবারো আমরা খুব স্বাভাবিকভাবে এগিয়ে তো আসতেই পারি সেই সব মানুষদের কে বাঁচানোর জন্য! পারি তো?

সেটা করতে সবার আগে জানা দরকার আসলে কোন এলাকার মানুষরা সবচে' বেশী আক্রান্ত? আমার জানামতে গ্রাম এলাকায় 'দাদন ব্যবসা' জমজমাট আকার ধারন করেছে। চড়াসূদে দরিদ্র মানুষরা টাকা বা খাদ্য ধার নিচ্ছে।

আমাদের এখানে সাংবাদিক ব্লগার ভাইয়েরা এইসব খবরের ব্যাপারে সাহায্য করতে পারেন। সেই এলাকাগুলো চিহ্নিত করতে, যেখানে মানুষরা আসলেই বাঁচার লড়াইয়ে নেমেছে। কিংবা আপনি/আপনারা আশংকা করছেন কোনো এলাকাকে তেমন বিপাকে পড়ার। সেক্ষেত্রে আগেভাগে সেখানে যাওয়া যায়।

এই খবরগুলো আমাদের ব্লগারদের সংগঠিত হতে সাহায্য করত। এ ব্যাপারে সামহয়্যার ইন এরও সাহায্য লাগতে পারে।

আমরা কি একটু আগেভাগে এ বিষয়ে চিন্তা এবং কাজ করতে পারি যেন ঘটনা ঘটে যাবার পর অহেতুক তীব্র-তীক্ষ্ণ যন্ত্রনায় না ভুগি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28785822 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28785822 2008-04-07 11:02:41
আমরা কি বোকা, নাকি তেমন ভাবা হচ্ছে?
সরকারের রথিমহারথিরা বলছেন খাদ্যের কোন অভাব নাই। তাই যদি হয়, অর্থাৎ খাদ্য সংকট না থাকলে বাজারে কেন আগুন? মানুষ কেন তাহলে হামলে পড়ছে সব জায়গায়? 'রাঘব-বোয়াল' ধরতে পারছে এই সিন্ডিকেট ধরতে পারছে না কেন! আমরা কি ভেড়া নাকি মনে করা হচ্ছে তেমন কিছু?

সেদিন কাগজে পড়লাম - ৪জন মিলে নাকি পুরো রডের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে - এটা সরকার চাইলেই বন্ধ করতে পারে না, এটা আপনাদের বিশ্বাস হয়? যারা দুই-দুইজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে জেলে পুরে ফেলতে পারে তারা এই ৪জনকে ধরতে পারে না!

তাহলে উপসংহার কি? কে আসলে জড়িত? কিংবা কারা? তারা কি আসলেই অনেক শক্তি রাখে? অনেক বুদ্ধি? সব ধরনের গোয়েন্দা চ্যানেল, দেশের সর্বময় ক্ষমতা থাকা স্বত্তেও যখন এদের ধরা হয়না তখন আমরা কি উপসংহার টানব?

সদ্য ক্ষমতা ছেড়ে যাওয়া খালেদা জিয়ার নামে কেন একটা মামলাও হয় না, আদালতে প্রেরণ তো অনেক পরের কথা, অথচ যে মানুষটা ২০০১ এ ক্ষমতা ছেড়েছে তাকে কেন লান্ছিত করা হচ্ছে? কেন এমন হচ্ছে আসলে? আমরা কি সত্যি বোকা নাকি ভাবা হচ্ছে?

তারেক জিয়া কেন একটার পর একটা মামলা থেকে জামিন পায়? হাইকোর্টের মামলার রায় কেন সুপ্রিম কোর্ট স্থগিত করে? কার নির্দেশে? যেখানে মুক্তিযোদ্ধা ফোরাম পুরোদেশকে একাট্টা করার জন্য মরিয়া তখন ভারপ্রাপ্ত আইন সচিব কিভাবে বলে 'মুক্তিযোদ্ধাদের মত রাজাকারদের সন্তানদের জন্যও কোটা নির্দিষ্ট করা উচিৎ'? কার জোরে আসলে? দেশটার কোন জায়গাটা ধরে টান মারলে এরা নীচে পড়বে? তারপর..........

সে কথাটা না হয় ভবিষতের জন্যই থাকল। পকেটের সব লকানো কৌশলগুলো দেখানো উচিৎ না সবসময়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28785655 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28785655 2008-04-06 15:57:55
যে দুইটা বই পড়ছি, আপনিও পড়তে পারেন, তবে একদমই আপনার ইচ্ছা
যুক্তি প্রতিষ্ঠায়, লেখার মান-এসবের কথা চিন্তা করলে ২য় টা বেশী নম্বর পাবে।

বইদুটো পড়া উচিৎ বিশেষ করে যারা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে ফেরেন। অনেক প্রশ্ন মনে জমা হবে, হয়ত উত্তরও পেয়ে যাবেন। বড় বড় ভুল ধরা পড়বে। বড় বড় পাপ কিংবা পাপী ধরা পড়বে। অনেক জানালা খুলে যেতে পারে অনেকের কাছে। হতে পারে যাদেরকে এতদিন মাথায় করে রেখেছি তাদের আসল চেহারা প্রতিবিম্বিত হবে।

সত্য জানতে হলে সব ধারার লেখাই পড়া উচিৎ - এই বিশ্বাসে আমি আস্থা রাখি। আপনারও পড়তে পারেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28784162 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28784162 2008-03-31 17:14:12
ফের '৭১ রচনা করার পালা
এদের আসলে বয়স কত? এদের পরিবারগুলোর পরিচয় কি? পড়াশোনা জানে? ইতিহাস পড়ে? অনুভূতি শূণ্য? বন্য? নাকি এরা 'বুদ্ধীপ্রতিবন্ধী'?

আমি কিংবা আমার মত বহুজনের মুক্তিযুদ্ধ চোখে দেখার সৌভাগ্য হয়নি, কিন্তু সত্যি কি আমরা দেখিনি? অসংখ্য বইয়ের মধ্যে, অগ্রজের কথায়-অভিজ্ঞতায়, বহু নিদর্শনের মধ্যে - আমরা কি দেখিনি মুক্তিযুদ্ধ?

তাহলে এরা আসলে কোন্ প্রাণী? কাদের ঔরসে জন্ম?

এটা সত্যি পরিবারের একটা বিরাট প্রভাব পড়ে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের উপর, তাই বলে আমার ব্যক্তি পরিচয় ছাপিয়ে যাবে? আমার স্বত্তাকে মুছে ফেলে? আমার নিজস্ব কিছুই থাকবে না? না থাকলে আমি 'ব্যক্তি' মানুষ নই। আমি দ্রবিভূত কোন পদার্থ। বাপ-চাচা রাজাকার তো সেও তাই হবে? পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রাখতেই হবে!

আমার সহজ একটা প্রশ্ন এদের কাছে - '৭১ এ এদের বাপ-চাচা, ভাই, ভগ্নিপতি পাকিস্তানীদের বা রাজাকার-আলশামস্-আলবদরদের হাতে মারা গেলে অথবা ওদের দ্বারা এদের বোন.................. না উচ্চারণ করতে পারলাম না, পারা যায় না... বুঝে উত্তর দিক....তখন এদের জবাব কী হত? এমনই প্রশ্ন থাকত আমাদের কাছে - থাক এতদিন পর আবার কী লাভ, কী হবে! না কি নাঙ্গা দা নিয়ে ধাওয়া করত ওদের? আমার খুব জানতে ইচ্ছা করে ওদের জবাবটা শুনতে।

হয়ত বোকার মত প্রশ্ন করে ফেললাম, ওদের কাছে এমন প্রশ্ন করার কোন মানেই হয় না। ওদের এই অনুভূতিটুকু থাকলে তো মানুষের মতই আচরণ করত। একই কাতারে দাঁড়াত আমাদের সাথে - সেইসব পশুদের হত্যাকরার জন্য।

বড্ড দেরী হয়ে গেছে আমাদের, ওদের অনেক সময় দিয়ে ফেলেছি, আর না প্লিজ, যেখানেই ওদের পাব, সেখানেই ফের '৭১ রচনা। এবার নষ্ট-বিষাক্ত গাছের ঝাড় উজার করার সময়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28783318 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28783318 2008-03-28 23:58:37
জীবনকে অন্যভাবে দেখা যায়, দেখা জরুরী...
দর্শনের ক্লাস শুরুর আগে শিক্ষক বেশ কিছু উপকরণ নিয়ে উপস্থিত। ক্লাসের সময় শুরু হতেই একটা বড় পাত্র নিয়ে তার মধ্যে গল্ফ বল দিয়ে টায়টায় ভরে ফেললেন।
ক্লাসকে জিজ্ঞেস করলেন, পাত্রটা ভরা তো, না? স্বাভাবিক ভাবেই সবাই সমস্বরে তা'তে সায় দিল।
এবার তিনি সেই পাত্রে পাথরকুচি ভরে ঝাঁকি দিলেন, বলগুলোর খালি জায়গা সেই পাথরকুচি দিয়ে ভরে গেল।
আবার জিজ্ঞেস করলেন, এবার পাত্রটা ভরে গেছে তো, না? সবাই দেখল এটাকে ভরাই বলা যায়। যেটুকু খালি তা আসলে খুবই সামান্য। সুতরাং, ভরা।
হাতের কাছে বালি ছিল, শিক্ষক পাত্রটার উপর তা ঢেলে আবার ঝাঁকি দিলেন এবং পাত্রে যা শুণ্যস্থান ছিল তা পূরণ করে দিল বালি। ক্লাসে উপস্থিত সবাই বুঝল শিক্ষকের উদ্দেশ্য।
শিক্ষক জিজ্ঞেস করার আগেই সবাই বলল, এবার পূর্ণ হয়েছে।
শিক্ষক এবার কফি মেশিন থেকে দু কাপ কফি ঢেলে দিলেন! আর তা সাথে সাথে বালির সাথে মিলিয়ে গেল! পুরো ক্লাস্ তখন বোকা বণে গেছে। কেমন হলো বিষয়টা! কেউ পারলাম না?
এখন আস তোমাদের বলি কেন এত কিছু করলাম বা দেখালাম। এই বড় পাত্রটাকে আমাদের জীবনের সাথে তুলনা করতে পার আর গল্ফ বলগুলো ভীষন কাজের! এগুলোকে বলতে পার তোমার পরিবার, তোমার ছেলে মেয়ে, তোমার স্বাস্থ্য, তোমার বন্ধু বান্ধব, অথবা তোমার খুব প্রিয় শখ! ভেবে দেখ তোমার সব শেষ অথচ এগুলো তোমার সাথে আছে - তোমার জীবন কি তখনো পূর্ণ না?
শিক্ষক বলে চলেন: আর এই যে পাথরকুচি, এগুলো হলো তোমার চাকুরি, তোমার বাড়ি, তোমার গাড়ি ইত্যাদি ইত্যাদি। আর বালি? সেগুলো আরো ছোটখাট বিষয়-আসয়। এখন তুমি যদি উল্টো দিক থেকে ভাব, যেমন, আগে যদি বালি দিয়ে পূর্ণ করো তাহলে গল্ফ বল বা পাথরকুচির জন্য জায়গা থাকবে না, থাকবে কি? জীবনের ক্ষেত্রেও একইভাবে ভাব। তুমি পুরো সময় যদি ছোটখাট বিষয় নিয়েই ব্যস্ত থাক তাহলে যা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তা থাকবে অবহেলিত, যা করবে তোমাকে দূরের মানুষ। বরং যা তোমাকে সুখী করে তাদের প্রতি মনোযোগি হও। ছেলেমেয়ের সাথে খেলাধুলা কর, নিজের দিকে তাকাও, স্ত্রীকে নিয়ে বেড়াতে যাও, সব ভুলে আবার ষোল বছরের রোমান্সে ডুবে যাও। বাকি যা কিছু ওগুলো হয়ে যায়...যাবে। বলি, গল্ফ বলগুলোর যত্ন নাও, যেগুলো আসলেই তোমার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ।
পিছন থেকে একটি মেয়ে জিজ্ঞেস করল, তাহলে দু' কাপ কফির মাহাত্যটা কি স্যার?
শিক্ষক বললেন, ভাল করেছ জিজ্ঞেস করে। ওটা দিয়ে বলতে চাই, জীবন যতই পূর্ণ থাকুক না কেন বন্ধু'র জন্য জায়গা রাখতে কখনো ভুল না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28781797 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28781797 2008-03-23 17:33:26
গল্প হলেও সবার জীবনেই ঘটে.....
দৃশ্যটার শুরু এমন:
মেয়েটার মন সত্যিকার অর্থেই খুব খারাপ - হতে পারে বান্ধবী'র সাথে মন কষাকষি, হতে পারে কোন কিছু না পাওয়াতে, হতে পারে পছন্দের ছেলেটি... অনেক কিছু। মেয়েটার আসলেই মন খারাপ।
মা বুঝলেন।বললেন,
- হ্যাঁ, মন খারাপ হওয়াটা স্বাভাবিক। ঠিক হয়ে যাবে; আস তোমার পছন্দের কেক্ বানিয়ে দিই, খাবে।
রান্না ঘরে গিয়ে মা তার মন খারাপ করে থাকা মেয়েটাকে কাঁচা ডিম দিয়ে বললেন
- এটা মুখে দিয়ে খেয়ে ফেল।
মেয়েটার মন আরো খারাপ হয়ে গেল! এমন সময় মা এত হাল্কাভাবে মন ভাল করতে চাচ্ছে! ডিমটা পাশে সরিয়ে রাখল।
মা বুঝতে পেরে ময়দা এগিয়ে দিয়ে বললেন
- তাহলে এটা দিয়েও শুরু করতে পার।
এবার মেয়েটার ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল। চিৎকার করে উঠল মা'র এমন নিষ্ঠুর আচরণে।
-তুমি আমাকে কাঁচা ডিম, ময়দা খেতে দিচ্ছ কেন? এগুলো এমন করে খাওয়া যায়? কোন মা তার সন্তানকে এসব দেয়?.....
...অনেক কথা......
মা তাকে পুরোটুকু শেষ করতে দিলেন, চুপ হয়ে শুনলেন। মেয়ে থামলে, খুব নরম স্বরে, আত্মবিশ্বাসে শুরু করলেন,
- শেষ? এখন আমি বলি? শোন মেয়ে, তুমি যখন ময়দা, ডিম, তেল, বেকিং পাউডার, চিনি আলাদা আলাদা করে খাবে তখন তা ভীষন বিস্বাদ। কিন্তু সব মিলিয়ে যখন জ্বাল দেওয়া হয় তখন তা হয় সুস্বাদু কেক্। তুমি আমি এখানেই ভুলটা করি। ঈশ্বরের দেওয়া কোন দুঃখে খুব বেশী ভেঙ্গে পড়ি। ওটাতেই ব্যস্ত থাকি, বর্তমানেই ডুবে থাকি। ভুলে যাই ঈশ্বর আমাদের চেয়ে অনেক বেশী আমাদেরকে জানেন, চিন্তা করেন! আমরা জানি না, শেষে আসলে কী অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য! আজকের দুঃখটাকেই তুমি বড় করে দেখছ, সামনের কিছুই জান না। ঈশ্বর কেন এত আয়োজন করেছেন সেটা তাঁকেই চিন্তা করতে দাও, বরং তুমি আমি কাজ করে যাই, ফল দেওয়ার কাজ তাঁর এবং সেটাই সরল আর সঠিক রাস্তা।

মেয়েটি ততক্ষণে স্তব্ধ, চোখ ছলছল এবং অবশেষে মায়ের কোলে নিজেকে সমর্পণ।

(ই মেইল এ পাওয়া একটা গল্পের অনুবাদ)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28779659 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28779659 2008-03-16 16:39:16
'বীরপুরুষ' তার দায়িত্ব পালন করেছিল, এবার আমাদের পালা...
'বীরপুরুষ' কবিতার কিছু খুচরা লাইন।

আমরা কি এমন উদ্বিগ্ন হতে পারি? আমাদের দেশের অবস্থা ঐ রকমই না? আমরা আসলেই জানি না দেশটা কোথায় যাচ্ছে অথচ সরকারের লোকগুলো যেভাবে কথা বলছে যেন আমরা একপাল কৃতদাস! ওদের দয়ায় বেঁচে আছি।

উলঙ্গ পক্ষপাতিত্ব, ব্যর্থতার ছাপ প্রতি পদে পদে - বাজার নিয়ন্ত্রণ, সার বিতরণ, সড়ক ব্যবস্থাপণা ইত্যাদি ইত্যাদি....এত কিছুর পর আসলেই আমাদের কী করা উচিৎ? এই সরকার তো ইতিমধ্যে জনগণের কাছে প্রমাণ করেছে যে তাদের চেয়ে গত সরকার ভালো ছিল - এর চেয়ে বড় ব্যর্থতা আর কী হতে পারে? 'বীরপুরুষ' তো ডাকাতদের সাথে লড়ে রক্ত মেখে ঘেমে মায়ের কাছে ফিরে এসেছিল, আমরা কী নিয়ে 'মায়ের' কাছে ফিরি?

যে সমর্থন, আর ভালবাসা নিয়ে তাদের ক্ষমতায় আসা আজ ঠিক তার বিপরীত অবস্থানে তারা। বোঝা যায় তাদের আত্মবিশ্বাসের অবস্থা দেখলে। সেই আত্মবিশ্বাস থাকলে আজ তাদের কার্যকলাপে এত অনিয়ম ধরা পড়ত না।

বাঁচার তাগিদেই আজ ডাকাত খেদানো খুব জরুরি। পছন্দ আমাদের হাতে, আমরা কি করব?

'হারে রে রে রে রে' ডাক তো শোনা যাচ্ছে - তবে কি আমরা 'চোর ব্যাটা টা কী করে দেখব' নাকি নিজেদেরকে শান দেব?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28756024 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28756024 2008-01-02 17:30:35
হে কল্যাণময় বৃষ্টি!
বৃষ্টির রঙ কী! বাংলাদেশের বৃষ্টির বঙ? আকাশে তাকালে নীল-কালো, গাছের দিকে তাকালে কতরকম সবুজ যে হয় তার রঙ! কখনো হালকা, কখনো গাঢ়, কখনো কচিকলাপাতা, কখনো কালোর মত সবুজ রঙে রঙ ধরে! বৃষ্টি ভেজা কোন মানুষের গায়ে তার রঙ হয় তামাটে! শীতকালে বৃষ্টি হয় না, না? শীতকালে বৃষ্টি হলে সর্ষে ক্ষেতে নিশ্চয়ই তার রঙ হত হলুদ! যেমন কাশবনের বৃষ্টি হয় দুধ শাদা।

হে কল্যাণময় বৃষ্টি তুমি নামো আমাদের জানালার পাশের আমগাছটাতে, ছোট্ট উঠানটাতে, স্কুলের মাঠে, সড়কটাতে, কলেজের পুকুরে, আর নামো আমাদের শহরের সমস্ত গলিতে, গাছে, বাজারে তারপর মানুষের মনে। ঝমঝম শব্দে নামো, হাজার শিশুর খিলখিল হাসির মত নামো, প্রচন্ড বেগে তোড়ে নামো, দিগ্বিদিক ভাসিয়ে নামো, নামো আর নামো আর আমরা ভিজি, ভিজি শরীরে, মনে, স্বত্তায় অতঃপর ভিজতে ভিজতে জীবন ধারায় স্নাতক হই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28736042 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28736042 2007-10-07 16:04:45
কোন এক রাত দ্বিপ্রহরের ভাবনা..... বাইরে তীব্র ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক, মাঝে মাঝে কুকুরের, রাত করে বাড়ী ফেরা কোন মানুষের রিক্সার টুনটুন শব্দও আছে।
ঘুম আসছে না কিছু্তেই। দুপুরে ঘুমালে এমনই হয় হয়ত। আজকের দুপুরটা কেমন যেন গুমোট ছিল। আবহাওয়াটা দিনকে দিন কেমন যেন বদলে যাচ্ছে। বর্ষাকালে তেমন বৃষ্টি কই! গাছগুলোতে পাগলের মত কদম ফোটে না আর। কিছুদিন আগেও বর্ষায় আশপাশের রাস্তা কদম ফুলের গন্ধে ভরে থাকত।
আজকের দিনটাই কেমন মন ভার করা একটা দিন গেল। সকালটাই শুরু অসহ্য গুমোট গরমে। এর বিরুদ্ধে কিছু করার নাই তাই গরমটাকে উপভোগ করছি। তারই মধ্যে ফের উপলব্ধি করি মানুষ আদতে একা।
আমরা কেউ কারো কাছেই পূর্ণ পরিচিত না। নিরন্তর শুধু একে অপরকে চিনতে পারার চেষ্টা। বাবা ছেলেকে, মা মেয়েকে, বোন ভাইকে, স্বামী স্ত্রীকে - সবাই সবাইকে চিনতেই চাই, চিনে সুখী হতে চাই, সুখী হতে চেয়েও তবু আশ্চর্য আমরা কারো সামনেই নিজেকে চেনাই না! আমিত্ব, ছোট ছোট অভিমানের মরুভূমি, ছোট ছোট ভুল বোঝাবুঝির চোরাবালি, কিছু কপটতার মরিচিকা আমাদেরকে ক্রমশ একে অপরের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।
এই দূরত্ব ঘোচানোর সমাধান আমার কাছে নেই, শুধু বলা - 'হরি দিন যে গেল সন্ধা হল পার কর আমারে' - যখন পরিণতি তখন এই দূরত্বের আসলে কী মানে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28735467 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28735467 2007-10-04 20:29:43
'বসন্ত' - এর বিণাশ চাই কারন:
* এটা একটা রোগ
* এটা থাকাতে গোসল করা যায় না - এই গরমেও
* এটা থাকলে আপনি গৃহের মধ্যে গৃহবন্দী
* এটা আপনাকে একঘরে করে
* আপনাকে অছ্যুত্ একটা অনুভূতি দেয়
সর্বপোরি:
* এটার কারনে আপনি আপনার প্রিয় মানুষজনকে স্পর্শ পর্যন্ত করতে পারবেন না!
আমার ছেলেটাকে কুড়ি ফুট দূর থেকে দেখতে হচ্ছে! যে কিনা প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই আমার গায়ে মাথা রাখত!

দূর থেকে দেখে আমার অনুভূতির কথা বাদ দিলেও তার অবস্থা
সহ্য করা যায়? ওখান থেকেই ছটফট করে কোলে আসার জন্য।

আজকে তাই সৃষ্টিকর্তার কাছে একজন পিতার প্রার্থনা - এই অসুখের চির বিণাশ চাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28735317 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28735317 2007-10-03 21:27:25
মানুষের স্পর্ধা.... আমাদের এই যাওয়াটা ব্যক্তিগত উদ্যোগ ছিল। কাজটা শেষ করার পর আমরা সবাই খুব তৃপ্ত ছিলাম - তৃপ্ত ছিলাম এই জন্য যে ঐসব এলাকায় কোন সাহায্য যায় না - এতোটাই প্রত্যন্ত।

গুপিয়াখালি থেকে যখন আমরা ফিরে আসছি তখনকার একটা দৃশ্য দিয়ে লেখাটা শেষ করি - যমুনার তোড়ে চারিদিক শুধুই ভাঙছে, মানুষগুলো যতখানি সম্ভব ঘরগেরস্থালির জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলছে - তার ভিতর একদম নদীর পার ঘেঁষে ষাটোর্দ্ধ চারজন বৃদ্ধ, যুবক, কিশোর না শিশু - কী বলব জানি না - তারা তাশ খেলছে! এ দৃশ্য আমাদের সবাইকে বোবা বানিয়ে দিল। প্রকৃতির এমন সর্বগ্রাসী আক্রমন, এমন দারিদ্র - এর মধ্যে থেকে নিয়তিকে এমন উপহাস করা হয়ত মানুষকেই মানায়।
আমরা এই দৃশ্য নিয়ে এখনো কথা বলি। বলি - মানুষগুলোর স্পর্ধা চমকে ওঠার মত, সম্মান করার মত তো বটেই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28735126 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28735126 2007-10-02 20:20:40
আমার দশ মাসের কাছাকাছি ছেলের সঙ্গে কথোপকথন......... - (ফোকলা মুখের একগাল হাসি)।
- বাবা জানিস, তোকে পাওয়াতে আল্লাকে এইমাত্র একটা বিশাল ধন্যবাদ দিলাম।
- উঁম্
- তোর থুতনিটা একদমই তোর মা'র টার মত, কপি-পেস্ট। অবিকল সেই রকমই একটা ভাঁজ পড়ে।
- (সে আমার চুলের ভিতরে হাত ঢুকিয়ে টানতে থাকে)।
- ড্যাড্, বড় হয়ে কি হবি তুই?
- ওঁ
- খুব ভাল মানুষ হোস্, আচ্ছা বাবা?.......পাপা, কাক টা কোথায় গেল, দেখতো? টিকটিকিটা? এই কাক-টিকটিকি আসো আমার বাবার সাথে খেল।
- উ উ উয্য্য্ (আঙুল তুলে ছাদের দিকে, বাইরের দিকে দেখায়)

...রাতের বেলা...

- বাবা, ঐ যে, ঐটা হলো চাঁদ আর তার পিছনে সবটাই আকাশ, দেখেছো বাবা, দেখেছো?
- (চোখ তুলে বিশাল চাঁদ-আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে আমার ছেলে)।
- বাবা, চাঁদ কোথায়, চাঁদ?
- (ভরা চাঁদের আলোয় আমাকে অবাক করে..চোখ আর আঙুল দিয়ে সে আমাকে চাঁদ চিনিয়ে দিল!)
- বাবা, এইটা হলো গাছ। মানুষ যদি 'সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি' হয় তাহলে গাছ 'সৃষ্টির মহান সৃষ্টি'। কারো ক্ষতি করে না, বুঝেছো পাপা?
- (সে তার ভাষায় অনেক কথা বলে যায়। তার স্কেলের চেয়ে অনেক উপরে উঠে তা তা..দা দা ব'লে একমনে জানালার শিক ধরে দাঁড়িয়ে দুলে দুলে কথা ব'লে যায়)।
- বাবা, তুই আকাশের মত বড় আর গাছের মত মহান হবি, আচ্ছা বাবা? কিন্তু মানুষ হোস, ঠিক আছে? promise?
- (কী যে ব'লে গেল বুঝলাম না)
- আমি লালনের সেই ব্যাকূল প্রশ্নের গান ধরলাম ও'র জন্য-"ইতর-আতরাফ ব'লে, দূরে ঠেলে নাহি দেবে, এমন মানব সমাজ কবে গো, কবে গো সৃজন হবে, যেদিন হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খৃীষ্টান জাতি গোত্র নাহি রবে?" বাজান, পারবি তো, না?
- (খুব ব্যস্ত হয়ে পড়ে সামনের একটা পিঁপড়া ধরতে)।
- তোদের পারা উচিত্, পারবি। তোরা অনেক সাহসী হবি, যাকে ঘৃনা করার তাকে যুক্তিতে কর্মে ঘৃনা করিস, যাকে ভালবাসার তাকে পাগলের মত ভালবাসিস, আচ্ছা বাবা?
- (পিঁপড়াটাকে ধরতে তখন সে আরো মনযোগী)।
- বিশ্বাস করি তোদের প্রজন্ম 'confused generation' নামে পরিচিত হবে না, তোদের লক্ষ্য, পরিচয় অনেক আগে থেকেই স্থির থাকবে, দেখিস।

.....ছেলেটা আমার গলা জড়িয়ে ধরে ঘুমের জন্য আমার কাঁধে মাথাটা এলিয়ে দেয়। আমাদের বাপব্যাটার একটা দিন পার হয়ে যায়....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28719530 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28719530 2007-07-05 23:20:00
মনজাগতিক বিষয় আসয়
কী অপূর্ব ফাঁদে, মায়ায় অসাধারণ বন্ধনে বেঁধে রেখেছে সৃষ্টিকর্তা আমাদের! স্কুলে যাবার আগে মনে হত কখন স্কুল যাব, যখন স্কুল শেষ হল তখন কলেজ টানল, তারপর বিশ্ববিদ্যালয়, প্রেম, চাকরী, উন্নতি, প্রমোশন, বিয়ে, সংসার, সন্তান...series of mysteries - পিছনে অন্য ঘটনা ঘটেই চলেছে। তিলে তিলে। আমি ছুটে যাচ্ছি কোন্ ঠিকানায় কে জানে। ঠিকানা অজানা সবার! অথচ গন্তব্য অবশ্যম্ভাবি। সবার জন্য অবধারিত। এসব চিন্তার মধ্যেই এক সময় ঘুমে জড়িয়ে আসে চোখ। ঢলে পড়ি ঘুমের বুকে। ঘুম থেকে উঠে শুরু হয় আর একটি নতুন দিন, আবার মায়া। আবার বেঁচে থাকা। স্বপ্ন নিয়ে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28716189 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28716189 2007-06-16 21:42:16
চট্টগ্রাম ট্রাজেডির পর আমার অনুভুতি
পাহাড় কাটা নিয়ে বহুবার বহুজায়গায় লেখালেখি হয়েছে, সমাবেশ হয়েছে, রিপোর্ট হয়েছে কিন্তু ফলাফল শূণ্য। কোন সরকার এ নিয়ে মাথা ঘামায়নি হয়ত এরাও ঘামাবে না। কিন্তু জাতি হিসাবে আমরা আর কতকাল 'ঘটনা ঘটার পর' সচেতন হব? আমরা কেন আগে থেকে এ বিষয়ে কাজ করি না?

আমরা কবে একটা দেশপ্রেমিক সরকার পাব? যে দেশের সাথে আমাদের মত 'দুই পয়সার' মানুষকেও ভালবাসবে? ভালবেসে আমাদের সাথে নিয়েই আমাদের এই দেশটাকে গুছিয়ে তুলবে?

বিশ্বাস আছে পাবই সেই সরকারকে, তবে কবে? দেখে যেতে পারব তো?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28716038 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28716038 2007-06-15 13:48:53
স্বাক্ষী '৫২, '৭১, '৯০... এই দেখুন না, আমি আমার একজন অগ্রজের সাথে কথা বলছিলাম বাংলাদেশকে নিয়েই। কথা বলছিলাম দেশের আসলে কি হবে? সামনে কোন আলো দেখা যায় কিনা ইত্যাদি। তিনি আমাকে থামিয়ে যা বললেন তা আপনাদের সাথে ভাগাভাগি করি।
১৯৭৪ সাল। উনি তখন ইংল্যান্ড-এ। আমাদের দেশে তখন দুর্ভিক্ষের মত অবস্থা। স্বাভাবিক কারনেই তাঁরও মন খুব খারাপ - এত ত্যাগ, এত জীবনের বিনিময়ে যে স্বাধীনতা তার স্বাদ এত তিক্ত! মনের অবস্থার সাথে চেহারায়ও মিল ছিল হয়ত, সেই জন্যই তাঁর বাড়িওয়ালী তাঁকে ডেকে বললেন - শোন, ইংল্যান্ড কয়েক শ' বছরের শিল্পন্নোত স্বাধীন একটা দেশ, সেই আমরাই ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর এক টুকরা রুটির জন্য, লন্ডনের বরফ শীতে ঘন্টার পর ঘন্টা ৫ ছেলে মেয়ে নিয়ে দাঁড়িয়ে থেকেছি, সত্যিকার অর্থেই জন প্রতি এক টুকরা রুটির জন্য দাঁড়িয়ে থেকেছি। আমরা তো এত হতাশ হইনি, ধৈর্য ধরেছি, কাজ করেছি, সবাই মিলে আবার দেশকে তৈরি করেছি। যুদ্ধের পর পৃথিবীর সব দেশেই এমন হয় - তোমাদের উচিত সবাই মিলে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশটাকে গড়ে তোলা - মন খারাপ ক'রো না।
জানি না গল্প....না, কাহিনীটা গুছিয়ে বলতে পারলাম কিনা। সমঝদারদের জন্য এটাই যথেষ্ট হওয়া উচিত। আমার 'আমি' বলে পুরো দেশ ঘন্টায় ১০০ মাইল বেগে দৌড়ানোর জন্য তৈরী, অপেক্ষা শুধু ভাল নেতার - "কখন আসবেন কবি......."। আমরা আবগময় একটা জাতি, এই জাতিকে দিয়ে সব করানো সম্ভব "অবিশ্বাস্যকে সম্ভব করানোও সম্ভব যদি আমাকে তুমি তেমন মায়ায় বাঁধো- স্বাক্ষী '৫২, '৭১, '৯০......."।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28713441 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28713441 2007-05-30 16:42:10
কেন নির্বাচন চাই?
আমি তাই কখনোই চাই না অ-নির্বাচিত কেউ আমাকে দিনের পর দিন 'শাষন' করুক আর আমার মাথার উপর ছড়ি ঘোরাক, অর্থাত যাকে আমি নির্বাচিত করি নাই আমার হয়ে কাজ করার জন্য তাকে তো আমি 'উড়ে এসে জুড়ে বসা কেউ' ভাববই। বিশেষ করে যখন সে তালগোল পাকিয়ে আমার দম বন্ধ করে ফেলছে। আমার স্বাধীন স্বত্বা তাতে ক'রে দারুন অপমানিত হয়। আমি তাই সর্বান্তঃকরণে চাই 'নির্বাচন'।

আপনারা দ্বিমত পোষন করতেই পারেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28712029 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28712029 2007-05-22 17:14:15
আমরা কেন সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ দেখুন না 'পলান সরকার' বা 'কার্তিক প্রামানিক' মত মানুষকে। আমাদের আশপাশে ভাল কাজ হয়, হয়েছে, হচ্ছেও নিশ্চয়ই - কখন তা রিপোর্ট হয় কখন হয় না, আমরা জানতে পারি না। তাই বলে তাঁরা কি থেমে থাকেন? প্রচার হওয়ার আগেও তাঁরা তাঁদের কাজ করেছেন এখনো করে যাচ্ছেন।
একজন মানুষের কোনকিছুর প্রতি আবেগ কতখানি তীব্র হলে এমন ব্যাকূল হতে পারে! নিজের টাকায় বই কিনে পায়ে হেঁটে গ্রামের পর গ্রাম মানুষকে পড়তে উতসাহিত করা ছোটখাট আবেগ না রে ভাই!
আসুন এবার কার্তিক প্রামানিকের কথায় - তিনি চ্যানেল আই থেকে কৃষি পদক পেয়েছেন সাথে কিছু টাকাও পেয়েছেন - দেখুন তাঁর কান্ড, তিনি যে টাকাটা পেলেন তাও নাকি গাছ লাগানোর পিছনে ব্যয় করবেন এবং এ ব্যাপারে তাঁর স্ত্রী নাকি তাঁকে পূর্ণ সহযোগিতা দেবেন! এই মানুষগুলো আছেন বলেই নিজেকে মানুষ-মানুষ মনে হয় - মনে হয় আমিও শ্রেষ্ঠের কাতারে। আমারও মাথা আছে, দুই হাত আছে আমিও ইচ্ছা করলে ভাল কিছু করতে পারি-পারব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28710768 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28710768 2007-05-15 18:18:51
ধর্ম ভাবনা - খোলা আর শুদ্ধ মনে আলোচনা হোক
ধর্মের আসল কাজ কী ? একই আল্লাহ্ কিন্তু এত ধর্ম কেন ?যুগে যুগে নতুন ধর্মই বা পাঠাল কেন ? আমরা যারা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করি বা করছি সেটার কি আদৌ কোন মানে আছে ? তার শেষ আসলে কি - 'শূণ্য' না ? একই আল্লাহ্ তারই দেয়া একই আকাশ, একই বাতাস, একই জল, একই মাটি-ফুল-ফল-খাদ্য - সব সে-ই বরাদ্দ করেছে সবার জন্য - ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে । মুসলমানের জন্য বেশী অন্যদের জন্য কম এমন হয় নাই । মুসলমানদের পাড়ায় বেশী সূর্যের আলো অন্য পাড়ায় কম এমনও হয় না । তাহলে আমরা যারা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করি তারা খোদার উপর খোদাগিরি করছি না ? মানুষের মধ্যে যা কিছু ভাগাভাগি, মন্দ তা তো বেশীর ভাগই মানুষেরই তৈরী । নানা ছুতায় আমরাই তা করেছি । আল্লাহ্ কি আদৌ তোয়াক্কা করে কে তাকে নামাজ পড়ে ডাকল, না পূজা-আর্চনা করে বা অন্য কোন উপায়ে ?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28709249 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28709249 2007-05-05 17:48:17
পুরানো তবু ন্যায্য প্রশ্ন...প্রসঙ্গ আমাদের ইউনুস এই যে সে নোবেলে শান্তি পুরস্কার পেল কেন পেল ? শান্তি নিয়ে তার কি উল্লেখ করার মত কোন কাজ আছে ? এই পুরস্কার তো মাদাম তেরেসা পেয়েছিলেন ! ইউনুসকে তার পাশে মানায় ? না, সত্যি এগুলো হয়তো বেশ খানিকটা পুরানো প্রশ্ন কিন্তু মাথাতে আসছেই !
দুনিয়ার কত জায়গায় কত অশান্তি ঘটেছে বা ঘটে চলেছে তার বিরুদ্ধে তাকে কখনো কোনো কথা বলতে শুনেছেন ? কেউ ? আমাদের দেশে না হয় অচ্ছুত লোকেদের বাস সে ব্যাপরে তার উতসাহ না-ই থাকতে পারে কিন্তু অনেক দেশের ব্যাপারে তো তার কথা বলা উচিত ছিল !
আস্ত একটা আফগানিস্তানকে ধ্বংস করে ফেলল, ইরাককে ধ্বংস করছে চোখের সামনে, ফিলিস্তিনে মানুষ মারছে কুকুর বিড়ালের মত, ইথিউপিয়া, নাইজেরিয়া, সির্রিয়ালিয়ন...ইত্যাদি ইত্যাদি তাছাড়া কতবার আমাদের দেশে বা ভারতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হল, আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামে সেই আদিকাল থেকে অশান্তি, ২০০১ এর নির্বাচনের পর হিন্দু জনগোষ্ঠীর উপর অকথ্য-অমানবিক অত্যাচার - সেই তীব্র তীক্ষ্ণ চিতকারেও তাকে কি কখনো, প্রতিবাদ-সমবেদনা দূরে থাক, কথা বলতে শুনেছেন ? 'ভয়ানক শান্তিপ্রিয়' না ? এইসবের উত্তর জানা আছে আপনাদের কারো ?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28709168 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28709168 2007-05-05 01:24:35
মাথায় আবার প্রশ্ন এসেছে ! যখন গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবসা শুরু করেছিলেন তখন তো একাই ছিলেন সবাই তো আপনার ধারনাকে অবাস্তব বলেছিল - সরে যাননি কেন তখন ? একটু খোলাসা করে বলবেন ব্যবসার কোন হিসাবটা মিলল না বলে 'রাজনীতি' থেকে সরে পড়লেন ? রাজনীতিতে 'পলিটিক্স' জমল না বলে ?
আমার একটা লেখায় কিছুদিন আগেই বলেছিলাম - হাসিনা খালেদার বিকল্প ইউনুস না - এত তাড়াতাড়ি সেটা মিলে যাবে ভাবতে পারিনি । ওই দুইজন অন্ততঃ এখনো 'লড়াই' করছে - তা সে যে দর্শনেরই ধ্বজাধারী হোক না কেন - আমি তাদেরকে ইউনুসের চেয়ে বেশী নম্বর দেব । সম্পূর্ণ প্রতিকূল পরিবেশেও তারা তাদের স্থান থেকে প্রতিবাদ করছে - অথচ পাশে নাই কেউ ! দলের কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী, সরকার - সবার চোখ সন্দেহে ভরা, তারপরও তারা কথা বলছে ।
আর দেখুন ইউনুসকে ! সরকারের 'ব্যাক আপ', অন্য দলের কিছু 'চরিত্র'দের আশ্বাস, এমনকি আওয়ামী লিগ-বিএনপির পক্ষ থেকে সরাসরি বলাও হল "স্বাগতম", সবার উপরে জনগণ তার সাথে আছে এমনি দাবীই তার, অথচ......আসলেই কী কারন বলুন তো ইউনুস সাহেব ? এই ভন্ডামি না করলেই হত না ? বিশ্বাসে এতবড় আঘাত দেওয়ার পর তার অনুসারীরা কি বলবেন এখন ? মাথায় করে রাখবেন এখনো? মাফ করে দেবেন ? চলুন আমরাও হাসিনা-খালেদাদের মাফ করে দেই । কি বলেন ?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28709084 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28709084 2007-05-04 15:33:03
মাথায় কত প্রশ্ন আসে, দিচ্ছে না কেউ জবাব তার......
রাজনীতিকে সুদ্ধ করতে এ তো রীতিমত ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে !একটার পর একটা চাল চালা হচ্ছে এবং অবশ্যম্ভাবী ব্যর্থতায় ডুবছে - এরকম ইতি টানলে আটকাবেন কীভাবে ? যা ভাল কাজ করেছেন তার জন্য ধন্যবাদ । আমরা জানতেও চাই না কোন গুণে হঠাত্ করে দেশে এতগুলো ফেরেস্তার মত মানুষ এসে আমাদের 'শাষণ' করতে শুরু করল ? আমাদের জন্য কিছু ভাল কাজ করেছেন, যা ভবিষ্যতে অন্য দলগুলোকে ঠিক পথে চলার জন্য কিছুটা হলেও বাধ্য করবে ।
কিন্তু আপনারা কী করছেন এগুলো ?
তারেক রহমানের সাথে সাথে হাসিনার নামে মামলা দিলেন তাতে তারেকের মামলার ওজন বায়বীয় হয়ে গেল না ? আপনারা যাওয়ার পরই বলাবলি হবে 'ষড়যন্ত্র' ।
আম-জনতার জন্য যা প্রয়োজনীয় সেই দ্রব্যমূল্যকে নিয়ন্ত্রণ না করে আপনারা শামীম ওসমানের সহযোগীদের ধরার জন্য ইন্টারপলের সাহায্য চাচ্ছেন । অথচ সেই আইনশৃঙ্খলার দৃষ্টিকোণ থেকেও যদি দেখা যায় তাহলেও আপনারা কিবরিয়া বা আহসান উল্লাহ মাষ্টারের খুণিদের ধরার ব্যাপারে কোন উচ্চবাচ্চ করেন না ! ব্যাপারটা ইন্টারেস্টিং এবং রহস্যজনক বটে।
দুদক চেয়ারম্যান তার সম্পত্তির হিসাব দিলেন কিন্তু আর কেউ দিলেন না কেন ? মইনুল হোসেন খুব বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন - একজন ২ বারের বেশী প্রধানমন্ত্রী হয় কীভাবে ? অথচ তিনি যুগের পর যুগ ইত্তেফাকের সম্পাদকের পদ আগলে রাখেন কেন ? কখনো তিনি তার প্রতিষ্ঠানের মানুষদের কাছে জানতেও চাননি তাকে তারা চায় কিনা ? আমরা কি অবাক হয়েছি ?

প্রশ্ন জমছেই - জমলে উপচাবে এটাই স্বাভাবিক । খুব শীঘ্রী আবার উপচে পরবে তাতে সন্দেহ নাই ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28709024 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28709024 2007-05-04 00:42:07
ঘরপোড়া-আমাদের কিছু প্রশ্ন
এগুলো বলার কারন, দেশে নির্বাচন কবে হবে - এই প্রশ্নের উত্তর খুব জটিল । উত্তরটা হলো সব ঠিকঠাক না করে নির্বাচন করা যাবে না । এই 'সব' মানে কি ? ছবি সহ আইডি কার্ড, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, দূর্নীতি দমন ইত্যাদি । ছবি সহ আইডি কার্ড ছাড়া দেশে এর আগে নির্বাচন হয়নি ? কিংবা স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ছাড়া ?

ব্যাপারগুলো ঠিক পরিষ্কার না । দেশে যথেষ্ট সার সংকট চলছে, ঢাকা শহরে অনেক জায়গায় তীব্র পানি সংকট, গ্রামে তীব্রবিদু্যৎ সংকট এ খবরগুলো কি আপনারা জানেন ? এগুলো না আসছে খবরের কাগজে, না আসছে টেলিভিশনে ! ব্যাপারটা গোলমেলে না ? কোথায় ফিলটারিং হচ্ছে ?

উপরের প্রশ্নগুলো করলাম কারন.............যা হয়েছে এ পর্যন্ত তা ভাল - কোন সন্দেহ নাই । কোন নির্বাচিত সরকারের জন্য এই কাজ করা খুব কষ্টের হত তাতেও সন্দেহ নাই । কিন্তু নির্বাচনের ব্যাপারে আলসেমি অথবা অতি সতর্কতা দেখানো সন্দেহজনক এবং এই যে সার, পানি বা বিদু্যতের সংকট, সেগুলোকে ধামাচাপা দেওয়াটাও কেমন-কেমন লাগে 'সিঁদুরে মেঘে ভয় তো পাবই' ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28705836 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28705836 2007-04-12 06:50:59
আদরের সম্পদ আমাদের
অথচ ত্রিশ লক্ষ মানুষ তাদের জীবন ত্যাগ করেছিল আমাদের এই দেশ-মায়ের জন্য ! সেই উৎসর্গকতবড় মাপের তা কি কখন চিন্তা করি, করেছি ?

তাদের কাছাকাছি আমরা আর কখনই যেতে পারব না, ঈশ্বর সেই সুযোগ আর আমাদের দেবেন না কিন্তু তাদের সম্মান জানানোর কোন সুযোগ যেন আমরা নিজেরা না হারাই । বড় আদরের, গর্বের সম্পদ তারা আমাদের । ভালবাসা দিয়ে আগলে রাখি চলুন সেই ইতিহাস, সেই সব মানুষদের যারা এখনো আমাদের পাশেই আছেন ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28705739 http://www.somewhereinblog.net/blog/mostafajamalblog/28705739 2007-04-11 08:16:52