আমার প্রিয় পোস্ট
- কিছু দেশের গান (রিঃপোষ্ট) - একলা একজন
- চার পাঁচ হাজার পিঁপড়ার দুঃখ - সরকার আমিন ১৯৬৭
- বিদ্যাকূটে যাওয়া না-যাওয়া নিয়ে একটা গল্পের ভণিতা - সুমন রহমান
- ক্রমশ নির্মীয়মান দৃশ্য কিংবা চরিত্রের গল্প - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- নেশা অথবা নিশির টান; বাইসন... এইসব - মাজুল হাসান
- 'আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ - একরামুল হক শামীম
- চিলেকোঠার সানাই - আজহার ফরহাদ
- শুয়ে থাকার কাল - মানস চৌধুরী
- আরিফুল হোসেন তুহিনের অসামান্য উদ্যোগে সামান্য ভূমিকা রাখতে চাচ্ছি - রিয়াজ শাহেদ
- আজ রাতে কোথায় ঘুমাবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- `রবীন্দ্রচর্চার জন্য সবার আগে প্রেমিক হতে হবে'- আবদুল মান্নান সৈয়দ - েফরদৌস মাহমুদ
- আমি পান্ডিত্যের কাঁফনে মোড়া এক শাস্ত্রীয় শকুন - সামী মিয়াদাদ
- খেরোখাতার আসন্ন পৃষ্ঠাটি - রহমান হেনরী
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- মনে হয় যেন লেখার সময় অন্য কারো করতলে ছিলাম-- মাহমুদুল হক - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ভিনদেশী কবিতা : হাহাকার, তবু এক অচিন-আনন্দময় যাত্রা-১ - মাজুল হাসান
- আমার ছবি কইবে কথা যখন আমি থাকবো না---- (উৎসর্গ : প্রথম আর দ্বিতীয় হওয়া সকল পরীক্ষার্থী) - মেহরাব শাহরিয়ার
- নবীনদের জন্য - নাদান
- কেন লেখেন? - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- আস্তিক-নাস্তিক-সংশয়ী এবং তাদের ঈশ্বর - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- "গণহত্যা": এ্যান্থনি মাসকারেনহাসের অবশ্যপাঠ্য প্রতিবেদন, ৩য় অংশ (বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ, পর্ব ৩২) - ফাহমিদুল হক
- সিদ্ধার্থ, নির্বাণের পথ (সিরাতুল মোস্তাকিম) নিজেকেই খুঁজে নিতে হয়। - নাজিম উদদীন
- জল প্রিজমের গান - মৃদুল মাহবুব
- এসো ৭১ এর গল্প শোনাই সবাই মিলে - জ্বিনের বাদশা
- আমাদের টমি আর শের আলীর গল্প - এস্কিমো
- পাকিস্থানি কুলাংগারদের বর্বরতা-একটি ঐতিহাসিক ভিডিও ক্লিপ - না বলা কথা
- না এলেই ভালো হতো...! - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- "চলচ্চিত্র সমাজ পরিবর্তন করতে পারে না, কখনো করেও নি" -- সত্যজিৎ রায়ের সাক্ষাৎকার - ফাহমিদুল হক
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- "পুরনো পাকিস্তানের সমাপ্তি": বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ, পর্ব ১৩ - ফাহমিদুল হক
- জীবন একটা গম্ভীর বিদ্রুপ! - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- আমার নিরন্তর মুসলমান হয়ে ওঠা - সামী মিয়াদাদ
পাঁচ-কুড়ি-এক বাছাই বচন
১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:২৪
১
রাজনীতি একধরনের খেলা; দুর্বৃত্ত আর উদ্ধতরাই যেখানে জয়ী হয়।
২
হাসিনা খালেদা দুটি বড় সন্ত্রাসী সংগঠনের প্রধান, এই মিথ্যাটি দশবার বললে সত্য হয়ে যায়; কথাটি ভয়াবহ সত্য জেনেই এটিকে আমরা মিথ্যা ভাবি।
৩
গরীব রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ পাপ; গরীব এবং দুর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ মহাপাপ; কিন্তু গরীব এবং দুর্নীতিগ্রস্ত মুসলিম রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ অপরাধ।
৪
জামায়াত, জাতীয়পার্টি এবং বামদল বাংলাদেশের রাজনীতির উচ্ছিট অন্নভোগী।
৫
রাজনীতিতে উচ্চাভিলাষী সেনাপ্রধান নয়, চেনা দুর্নীতিবাজই বেশী গণত্ন্ত্রী।
৬
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়া অচিকিৎস্য এক ধরনের চর্মরোগের মতো, শীতকালে যার প্রকোপ বাড়ে।
৭
গণতন্ত্রের কোন শারীরিক অবয়ব নেই বলেই শতভাগ দুর্নীতিগ্রস্ত সাংসদদের কতিপয় জেলহাজতে গেলেই গণতন্ত্র বিনষ্ট হয়না; ভোটের মাধ্যমে তিনশ' সন্ত্রাসী নির্বাচিত হলেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়না।
৮
জামায়াত এখনো বিএনপির কাঁধে ভর করেনি, হাত রেখেছে মাত্র।
৯
হাসিনা এবং খালেদার পরস্পরের প্রতি বিদ্বেষ আর তার প্রকাশ নোংরা নয়, কুৎসিত।
১০
পাকিস্তান ছাড়া শুধুমাত্র বাংলাদেশেই রাজনীতিবিদদের ইউনিফর্ম চালু আছে।
১১
বাংলাদেশে পরস্পর বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমর্থকরা একে অন্যকে ঘৃনা করে; নেতারা একে অন্যকে ঘৃনা করে এবং কুৎসিত ভাষায় গালি দেয়; আর কর্মীরা একে অন্যকে ঘৃনা করে, কুৎসিত ভাষায় গালি দেয় এবং খুন করে।
১২
মৌলবাদ আমাদের অজ্ঞতা কিংবা অসর্কতার ফসল নয়; অদূরদর্শী প্রতিহিংসার ফলাফল।
১৩
রাজনীতিবিদরা সুবিধাজনক অবস্থান থেকে বিকৃত, অস্পট এবং বিচ্ছিন্নভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গটি মনে রেখেছেন।
১৪
রাজনীতিবিদরা নিজেদের প্রতিপক্ষের জন্য গর্ত খোঁড়েন এবং সবাইকে নিয়ে সেই গর্তে পড়েন।
১৫
সীমান্তের বাইরে আমাদের প্রভু নয়, বন্ধু রয়েছে। কিন্তু দূতাবাসগুলোতে রয়েছে ঈশ্বর।
১৬
বাতিল হওয়া নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনা 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং' নামের একটি নতুন কথা শিখেছেন। আর আমরা শিখেছি দুটো- 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং'এবং 'মনোনয়ন বানিজ্য'।
১৭
ভারত উপমহাদেশের রাজনীতি মৌলবাদের বদ্ধ ডোবায় জন্ম নিয়েছে, বেড়ে উঠেছে এবং লালিত হচ্ছে।
১৮
এরশাদ তার সকল সাবেক স্ত্রী এবং বান্ধবীদের টুকরো টুকরো জাতীয় পার্টি উপহার দিয়েছেন।
১৯
একে-৪৭ রাইফেলের উৎপত্তি চল্লিশের দশকের শেষভাগে, রাশিয়ায়। কাটা রাইফেলের উৎপত্তি আশির দশকের শুরুতে, বাংলাদেশে।
২০
বিএনপি'র ছত্রছায়ায় গোলাম ফারুক অভি হয়ে উঠেছিল সন্ত্রাসী। জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে অভি এখন একাধারে লম্পট এবং সন্ত্রাসী।
২১
একজন মৌলবাদী কখনো ধার্মিক হতে পারেনা।
২২
নিম্ন আয়ের মানুষেরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রত্যাক্ষাত, রাজনীতিবিদদের দ্বারা প্রতারিত এবং সরকার কর্তৃক পরিত্যক্ত।
২৩
'প্রবল বামপন্থী' নেতা এবং 'প্রকট বাম-ভাবাদর্শী' লেখক বুদ্ধিজীবিরাই একাত্তর পরবর্তীতে 'চরম ডান' এবং 'তথাকথিত মধ্যপন্থীতে' রূপান্তরিত হয়েছেন।
২৪
শেখ হাসিনা তার সততা আর অধিকার আদায়ে লড়াকু মনোভাব প্রকাশ করতে মাঝে মাঝেই বলেন, 'আমি জাতির পিতার কন্যা'। শেখ হাসিনা 'জাতির পিতা' আর 'জৈবিক পিতৃত্ব' শব্দ দু’টির পার্থক্য জানেন না।
২৫
বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচন মানে, এক নারীর 'জনগণের বিজয় হয়েছে' এবং অন্যজনের 'জনগণ প্রত্যাক্ষান করছে' বাণী।
২৬
রাজনীতিতে মৌলবাদী পিশাচের শেষ অস্ত্র আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা; আর রাজনৈতিক দুরাচারের শেষ অস্ত্র সংবিধান রক্ষা।
২৭
ধর্মে মুক্তবুদ্ধির চর্চাকে শুধু বিপদজনকই ভাবা হয়না, ধর্ম বিরোধী আচরনও মনে করা হয়।
২৮
রাজনৈতিক ব্যভিচারীদের প্রিয় বুলি, 'জনগণের সেবা' এবং মাতৃভূমিকে ধর্ষণউদ্যোত লম্পটদের শেষ বুলি, 'সংবিধান রক্ষা'।
২৯
'নিজামি', 'সাঈদী' অথবা 'গোলাম আযম' ইত্যাদি বাংলা ভাষায় 'মীর জাফর' বিশেষণটির প্রতিশব্দ।
৩০
তত্ত্বাবধায়ক সরকার কথাটির মানে, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মতো যা নিজেই একটি বিবাদমান পক্ষ এবং সেনা সমর্থিত।
৩১
মানুষ যখন শেষ শক্তিটুকু দিয়েও দুর্জনকে প্রতিরোধ করতে পারেনা, তখন সে অভিসম্পাত করে; স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রসঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিরোধের সর্বশেষ স্তরে রয়েছে।
৩২
দাগী মস্তানেরাই রাজনৈতিক দলের যুব সংগঠনের কর্মী। তবে উঠতি সন্ত্রাসীরা সাধারন সম্পাদকের পদ লাভ করে।
৩৩
যখন কোন আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, 'রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই', তখন বুঝে নিতে হবে- স্বাধীনতা বিরোধী অথবা জামায়াতপন্থী কোন বিএনপি নেতা মনোনয়ন বাণিজ্যে নৌকা মার্কা লাভ করেছেন।
৩৪
বাংলাদেশের হিন্দুরা আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংক; আর আওয়ামী লীগ দ্বারা নির্যাতিতরা বিএনপি'র।
৩৫
মৃত্যুর পর বঙ্গবন্ধু পরিবার সহানুভূতি পেয়েছে; আর শহীদ জিয়া পরিবার পেয়েছে জনপ্রিয়তা।
৩৬
'অর্ধেক মৌলবাদ' বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব না থাকলেও 'মডারেট মুসলিম রাষ্ট্র' উপাধীটি বাংলাদেশের মানুষেরা উদারভাবে গ্রহন করেছে।
৩৭
জামায়াতে ইসলামী সমর্থন করে শুধু মৌলবাদকে; জোটভূক্ত হলেও বিএনপি মুক্তিযুদ্ধ ও মৌলবাদ দু'টিকেই সমর্থন করে।
৩৮
এক লম্পট সামরিক জান্তা ইসলামকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ঘোষনা করেছে।
৩৯
রাশিয়া ভাঙ্গার পর থেকে বাংলাদেশের বাম রাজনীতিকরা নিজেদের মস্কোপন্থী বা পিকিংপন্থী ভাবার পরিবর্তে আওয়ামীপন্থী, বিএনপিপন্থী কিংবা জামায়াতপন্থী ভাবতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন।
৪০
বাংলাদেশের রাজনীতিতে মৌলবাদ পলকা সূতায় ঝুলিয়ে রাখা একটি ছুড়ি; প্রতিক্ষণে যেটি হৃদপিণ্ড বরাবর নেমে আসছে।
৪১
সকল মুক্তিযোদ্ধা আমৃত্যু দেশপ্রেমী নন; কিন্তু সকল রাজাকার চিরদিনই দেশদ্রোহী।
৪২
রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার অধার্মিকদের শেষ অস্ত্র।
৪৩
ধার্মিকদের মতো রাজনৈতিক দলের সমর্থকরা কোন প্রকার যুক্তি ছাড়াই নিজের দলকে শ্রেষ্ঠ ভাবেন।
৪৪
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বর্তমান কিংবা ভবিষ্যত নেই; শুধু অতীত আছে।
৪৫
ক্ষমতাসীন দল দুর্নীতিতে বাংলাদেশের বারংবার শীর্ষ অবস্থানকে সরকার ব্যবস্থায় বিপর্যয় হিসেবে দেখেনা; গলাবাজ মূর্খের মতো একে বিরোধী দলের কারসাজি আর আন্তর্জাতিক চক্রান্ত বলে প্রচার করে।
৪৬
মুক্তিযোদ্ধাদের দেশপ্রেম পরীক্ষার বিষয় অসীম; কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধীদের পরীক্ষাটি বাংলাদেশের সংবিধানের কতিপয় ধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ।
৪৭
সন্তানহীন কিংবা বন্ধ্যা রাষ্ট্রপ্রধান বাংলাদেশে ভোটের রাজনীতিতে অজনপ্রিয়।
৪৮
বাংলাদেশের দুর্নীতি জৈববিজ্ঞানের পরিভাষায় একটি 'সিমবায়োসিস' প্রক্রিয়া, যেখানে লাভের আশায় আমরা সবাই সবার পিঠ চুলকে দিচ্ছি।
৪৯
স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের অধিকাংশ রাজনীতিবিদ ছাপান্ন হাজার বর্গ মাইলকে গণশৌচাগার হিসেবে ব্যবহার করেছেন।
৫০
বাংলাদেশের রাজনীতি সামনে আগায় না, জনগণের দিকে তেড়ে আসে।
৫১
রাজনীতিতে বাংলাদেশের জনগণ মূলতঃ দু'টি দলে বিভক্ত; স্বেচ্ছাদাস এবং দাস।
৫২
বাংলাদেশের রাজনীতি শিক্ষিত, স্বভবনাময় এবং স্বচ্ছল বাংলাদেশীদের প্রবাসী নামের উদ্বাস্তু হতে উৎসাহী করছে।
৫৩
প্রগতিবাদী ছাত্র সংগঠন অথবা মৌলবাদী ছাত্র সংগঠন যে দলই বিশ্ববিদ্যালয় দখল করুক, পরিণতি একই; সন্ত্রাস।
৫৪
রাজনৈতিক বিভক্তি মন্যুষত্ব খণ্ডিত করেনা; বিলুপ্ত করে।
৫৫
দারিদ্র গণতন্ত্র বোঝেনা।
৫৬
বাংলাদেশে অশিক্ষিত মানুষেরা পুলিশকেই সরকার ভাবেন; যে শুধু ঘুষই নেয়না, ডাকাতিও করে।
৫৭
আওয়ামী লীগ আর বিএনপি যখন একই সাথে ক্ষমতার বাইরে থাকে শুধু তখনই তারা পরস্পরকে ভালোবাসে।
৫৮
জামায়াত এবং বিএনপির ঐক্য মিলনোদ্যত একটি ঘোড়া আর একটি গাধার ভালোবাসা প্রকাশের মতো; খচ্চর সেই মিলনের অবধারিত ফসল।
৫৯
সুবিধাবাদী প্রেমিক লম্পট; সুযোগ সন্ধানী প্রেমিক রাজনীতিবিদ।
৬০
বাংলাদেশের রাজনীতি গলফ থেকে শুরু করে হাডুডু পর্যন্ত নেমেছে।
৬১
বাকশাল পরবর্তী রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের পাশাপাশি কাদের সিদ্দিকীই শুধু বঙ্গবন্ধু শব্দটিতে ভাগ বসাতে পেরেছেন।
৬২
রাজনীতিতে অনুদান চাদাবাজির প্রতিশব্দ।
৬৩
রাজনীতিতে 'বিতর্কিত ব্যক্তি' কথাটির মানে যিনি একই সাথে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি বিরোধী।
৬৪
সহিংস রাজনীতিতে সাধারন মানুষ নিহত হয়, অস্ত্রধারী দলীয় কর্মী শহীদ হয়।
৬৫
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুনিদের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।
৬৬
রাজনৈতিক দলের যুব সংগঠনগুলো মূল দলে ঠাঁই না পাওয়া মধ্যবয়স্ক ঠিকাদারদের প্রতিষ্ঠান।
৬৭
জামায়াত একধরনের মানসিক বিকারগ্রস্তদের রাজনৈতিক সংগঠন; রোগটির বিস্তার শুরু হয় ছাত্র শিবিরের সদস্য হওয়ার মাধ্যমে।
৬৮
বাংলাদেশের রাজনীতির অভিধানে লজ্জা এবং ভয় বলে কোন শব্দ নেই।
৬৯
মেধাহীন আর সন্ত্রাসীরাই বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী রাজনীতিতে সবচেয়ে টেকসই।
৭০
বিশ্বে বাংলাদেশই একমাত্র রাষ্ট্র যেখানে স্বাধীনতা বিরোধীদের ফায়ারিং স্কোয়াডে না পাঠিয়ে জাতীয় সংসদে বসান হয়েছে।
৭১
ধর্ম আর রাষ্ট্রনীতির সীমারেখা নেই বলেই মুসলিম দেশগুলো সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্থ।
৭২
বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা আর স্বাধীনতা বিরোধীদের পারিবারিক আর ব্যক্তিগত সম্পর্ক জটিল গাণিতিক সূত্রে একাকার হয়ে গেছে।
৭৩
ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজনীতি করে জামায়াত; মুক্তিযুদ্ধের দোহাই দিয়ে রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ; বিএনপি দু’টোরই দোহাই দেয়।
৭৪
বাংলাদেশের রাজনীতিতে জনগণ মানে ব্যাপকভাবে প্রতারিত, নির্বোধ এবং অশিক্ষিত কয়েক কোটি মানুষ।
৭৫
দুর্নীতিগ্রস্থ রাজনীতির শেষ অস্ত্র ধর্ম।
৭৬
একত্রে ধর্ম এবং রাজনীতি শক্তিশালী বিস্ফোরন্মূখ এক জারক।
৭৭
শহীদ মিনার চিরসবুজ বৃক্ষের মতো, যা আপনাকে আশ্রয়
দেবে; বিশ্বাস হারানোর শেষ মূহুর্তেও মানুষকে ভালোবাসতে শেখাবে।
৭৮
ধার্মিক আর ধর্মান্ধ একই বস্ত্রে ঢাকা ভিন্ন দু'জন মানুষ।
৭৯
অধিকাংশ সরকারী আমলাই প্রজাতন্ত্রের নয়, রাজনৈতিক দলের দাস।
৮০
বাংলাদেশের প্রতিটি সিবিএ নেতা অসংখ্য মন্ত্রী এবং আমলা বুকপকেটে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়।
৮১
বাংলাদেশের মানুষের নাগরিক জীবনবোধের অজ্ঞতা অপরাধ তুল্য।
৮২
সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী নিরীহ প্রতিবেশীর জন্য জীবন্ত এক দুঃস্বপ্ন; যার অপমৃত্যুতে এলাকাবাসী মিষ্টি বিতরন করে।
৮৩
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা দেশের সড়ক ব্যবস্থার মতোই কাঁচা, পাকা আর নৌপথে বিভক্ত।
৮৪
বামপন্থী আর ইসলামপন্থীরা যত মত তত পথে নয়; যত পৃষ্ঠপোষক তত মতে বিভক্ত।
৮৫
উপমহাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোকে পারিবারিক সম্পত্তি হিসেবে দেখা হয়; যেখানে মালিকপক্ষ দলের স্বেচ্ছাদাস সর্মথকদের জন্য উইল করে হলেও দলীয়প্রধান নির্ধারন করে রাখে।
৮৬
ক্রীতদাসদেরও মুক্তি ঘটে একদিন; রাজনীতির স্বেচ্ছাদাসদের কোনদিনও না।
৮৭
রাজনীতির দুর্বৃত্তায়ন শুধু প্রশাসন আর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেই ঘটেনা, দেশের সাধারন মানুষেরাও একসময় এই কূটচক্রের অংশ হয়ে দাঁড়ায়।
৮৮
মৌলবাদ একটি ব্যাপক শক্তিশালী তত্ত্ব; মৌলবাদী হতে হলে বিশেষ কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য না হলেও চলে।
৮৯
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আশেপাশের মার্কেট, কাঁচাবাজার আর মুদি দোকানগুলো সরিয়ে নিলেই ছাত্ররাজনীতি অজনপ্রিয় হতে শুরু করবে।
৯০
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রাজনীতির মাঠে আদরে লালিত ঘোড়া; মাঝে মাঝেই যা রাজনীতি ডিঙিয়ে ঘাস খায়।
৯১
যখন সেনা শাসন গেলাও দুস্কর, উগরানোও দুঃসাধ্য, তখনই রাজনৈতিক নেতারা সেনাবাহিনীকে জাতীর অহংকার বলে ঘোষনা করে এবং কথাটি কথার কথা জেনে একই কথা বারবার বলতে থাকে।
৯২
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পুঁজি একটি- বিএনপি'র দুঃশাসন; কিন্তু বিএনপি'র দু'টি- আওয়ামী লীগের দুঃশাসন আর জামায়াত।
৯৩
রাজনীতি শেখ হাসিনাকে ডক্টরেট ডিগ্রী উপহার দিয়েছে; খালেদাকে জন্মদিন।
৯৪
কুৎসার রাজনীতি মানুষের সৃজনশীলতাই নষ্ট করেনা, মনুষ্যত্বেরও অবলোপ ঘটায়।
৯৫
বাংলাদেশ সরকার এখনও জানেনা, বিনামূল্যে কনডম বিতরনে দরিদ্র শিশুদের বেলুনের অভাবই মেটে, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ হয়না।
৯৬
এরশাদ বাংলাদেশে পীর ব্যবসাকে জনপ্রিয় আর রাজনীতিমুখী করেছে।
৯৭
রাজনীতির নামে আপনি ছাত্রলীগ মারুন, শিবির মারুন, বাম কিংবা বিএনপি মারুন, মনে রাখবেন আপনি মানুষকেই হত্যা করছেন।
৯৮
বাংলাদেশের রাজনীতি ক্রিয়াশীল নয়; প্রতিক্রিয়াশীল।
৯৯
রাজনীতির ভূক্তভোগীরাই বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর ভোটব্যাংক।
১০০
বাংলাদেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দল জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক চক্রান্তের শিকার নয়; অংশ।
১০১
আমার ভালোবাসার নাম উৎকণ্ঠা; বাংলাদেশকে আমি প্রিয় উৎকণ্ঠা নামে ডাকি।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছোট বচন, মোস্তাফিজ রিপন, রাজনীতি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ছোট বচন বিভাগে ।
লেখক বলেছেন: কী যে বলেন! লেখাগুলো একসাথে করতে পেরে ভালো লাগছে।
আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইল।
তারিক টুকু বলেছেন:
আপনার অনেক জ্ঞানগম্যি। অনেক।
লেখক বলেছেন: এত চট করে বিষয়টা বুঝে ফেললেন! আপনারও জ্ঞানগম্যি কম নয় কিন্তু!
(আশাকরি বচনগুলো পাঠ করে আপনারও অনেক 'জ্ঞানগম্যি' হয়েছে।)
লাল দরজা বলেছেন:
ওরে ভাই ফাটাফাটি জিনিস, পুরাটা পড়ি নাই। চল্লিশ খানের মত পইড়া না কমেন্ট করে পারা গেল না! বাকীটা পড়তে হবে... ভালইছে, ধন্যবাদ ভাইজান।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার উচ্ছ্বাস আমাকে আরও লেখায় উৎসাহিত করছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রাফা বলেছেন:
কিছু কিছু ক্ষেত্রে মত দ্বৈততা আছে।তবুও পোষ্ট টি অসাধারণ।ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: মতদ্বৈততা তো থাকবেই- এ কারনেই বৈচিত্র তৈরী হয় চিন্তায়।
অনেক ধন্যবাদ।
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে রিপন ভাই। প্রিয় পোস্টে রাখছি। হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুলো পড়া আছে নিশ্চয়ই?
লেখক বলেছেন: 'চোখের মতন সেই ইষ্টিমার
সব রাত্রে আসে,
যারা পাটাতনে শুয়ে আছে তারা আমার গভীর আত্মীয়।'
হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ পাঠ করেছিলাম '৯৩-এ। খুব আলোড়িত হয়েছিলাম।
'ভালো থেকো ফুল, মিষ্টি বকুল ভালো থেকো।
ভালো থেকো নদী, বহে নিরবধি ভালো থেকো।'
সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেছেন:
অনেকগুলো বিষয়ে মতভিন্নতা আছে।
লেখক বলেছেন: রাজনীতিতে 'জান যাবে তবুও ন্যাম ফ্লাট ছাড়ব না'; কিংবা সাংসদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবীতে ঐক্যমত্য ছাড়া আর সব বিষয়ে মতভিন্নতা আছে। আপনার মতভিন্নতা অনেকগুলো বিষয়ে, এটি সবগুলো বিষয়েই হতে পারত, তাই না! তবে, সুমনের ভাষায়- 'ভিন্নমতে করি ঘ্যাচ ঘ্যাচ' না হলেই হয়; বাংলাদেশের রাজনীতি খুব বেশী ঘ্যাচ ঘ্যাচে।
নাজিম উদদীন বলেছেন:
অসাধারণ কাজ । এগুলো বই আকারে ছাপান। যদিও বচন পরিমিতির কারণে সুপাঠ্য, কিছু কিছু বিষয় আপনি বিস্তারিত লিখতে পারেন।
লেখক বলেছেন:
নাজিম, আমাকে সংকোচে ফেলে দিলেন। (যদিও খুশী হয়েছি আপনার মন্তব্যে।)
ভুতঅদ্ভুত বলেছেন:
আপনার সবগুলু বচনই পড়েছি। এখানকার ৫২ নাম্বারটা জটিলসসসসসস
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ তাকা।



















নেমেসিস,
আপনার উৎসাহেই 'ছোট বচন'গুলোকে একসাথে করলাম।