আমার প্রিয় পোস্ট

mostafizripon@gmail.com

চলচ্চিত্রঃ ব্রিক লেন

২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:৩৩

শেয়ারঃ
0 0 0

'ব্রিক লেন' ব্রিটেনের দুই প্রজন্মের অভিবাসীদের নিয়ে তৈরী অসাধারন একটি চলচ্চিত্র। সদ্য কৈশর উত্তীর্ণ নাজনীন লণ্ডনে পাড়ি জমায় স্বামীর হাত ধরে। পেছনে ফেলে আসে দিগন্ত বিস্তৃত ফসলের মাঠ, ক্ষেতের আল ধরে ছুটে চলা দূরন্ত জীবন- যে জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল তারই একমাত্র সহদরা। নাজনীন যেন সেই চারাগাছ যাকে ব্রিক লেনের লাল ইটের মাঝে উপড়ে এনে বসানো হয়েছে- যে অপরিসর জানালার ফাঁক দিয়ে পৃথিবীকে দেখে, আর ফেলে আসা সবুজ মাঠের স্বপ্ন বুকে নিয়ে বেঁচে থাকে। প্রতিবেশীর দরজায় বখাটে ব্রিটিশদের গালিগালাজ- 'বেজন্মা পাকিস্তানী, দেশে ফিরে যা', কিংবা ব্রিটিশ নারীর উল্কিআঁকা শরীর, অথবা ঘরে ফেরার পথে একঝলক দেখা প্রতিবেশীর মদ্যপানের দৃশ্য- নাজনীনকে ব্রিটিশ ভাবতে বাধা দেয়।

ব্রিক লেনে নাজনীনের বাড়ী, কিন্তু এটি যেন তার বসতভিটা নয়। তার জীবন থমকে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশে- যে জীবনের সাথে একমাত্র যোগসূত্র ছোটবোনের চিঠি। ছোটবোনের 'সাত সাগর আর তের নদী পাড়ের রাজকন্যা' আর দশটা বাঙালী নারীর মতোই স্বামীকে কেন্দ্র করে বেঁচে থাকে, হয়তো সেটি এক বিশেষ ধরনের ভালোবাসার জীবন- কিন্তু তা নিতান্তই দরকারি ভালোবাসা। দুই কন্যাকে মানুষ করা, স্বামীর সেবাযত্ন, প্রয়োজনে বাজার করতে যাওয়া- এই নাজনীনের জীবন- সেখানে ঘর আছে, দিগন্ত নেই। যে বোনের চিঠির জন্য নাজনীন অপেক্ষা করে, যার সাথে সতের বছর দেখা নেই- সে-ই শুধু অদরকারের ভালোবাসা হয়ে নাজনীনের মুখে ঝলমলে হাসি ছড়ায়। ছোটবোন তার গোপন কথা বলে, প্রাণের কথা বলে সেসব চিঠিতে। বোনকে বলার মতো অনেক গোপন কথা নাজনীনেরও জমা হয়ে গেছে এতদিনে। সে বাংলাদেশে বেড়াতে যাওয়ার স্বপ্নদেখে; কিন্তু স্বামীকে জোড় দিয়ে কথাটা বলতেও পারেনা।

নাজনীন সেলাইয়ের কাজ শুরু করে। বোনকে দেখতে যাবে- সে পয়সা জমায়। তার চাকুরী হারানো দার্শনিক স্বামী শুরুতে এটিকে সহজে মেনে না নিলেও চুপ করে থাকে। নাজনীন প্রেমে পড়ে একদিন। যে ছেলেটি সেলাইয়ের কাজ দিত তাকে, তার ভালোবাসা নাজনীনের জীবনে লাল চুমকি বসানো পোষাকের আলো ছড়ায়। এরই মধ্যে টুইন টাওয়ার ধ্বংসের ঘটনায় ব্রিটেনের মুসলিম অভিবাসীরা সাদা চামড়ার মানুষদের সন্দেহ আর প্রতিহিংসার শিকার হতে থাকলে ছেলেটি ইসলামপন্থী আন্দোলনে যোগ দেয়। নাজনীন ছেলেটিকে একসময় ফিরিয়ে দেয়- যার কাছ থেকেই সে ভাবতে শিখেছে- ব্রিটেনই আমার বাড়ী।

নাজনীনের বড় মেয়ে শাহানা বাবার ধমকে 'আমার সোনার বাংলা'র ইংরেজী তর্জমা মুখস্ত করলেও তাতে আনন্দ পায়না। আহমেদ সাহেব ভুলে যান তাদের সন্তান বাঙ্গালী নয়, ওরা ব্রিটিশ। বড় মেয়েটি জিন্সপ্যাণ্ট পছন্দ করে বলে তিনি তাকে মেমসাহেব বলে ডাকেন। বাংলাদেশী উচ্চারণে এবং ভুল ইংরেজীতে মেয়েকে শাসন করতে গেলে মেয়ে তাকে ইংরেজীটি ঠিক করে দেয়; আহমেদ সাহেব ঘোষনা দেন, 'আজ থেকে বাড়ীতে ইংরেজী বলা বন্ধ।' এমন অনেক ছোট ছোট ঘটনায় ধরা পড়ে যায় প্রথম প্রজন্মের প্রবাসী আর তাদের সন্তানের মধ্যকার সাংস্কৃতিক দূরত্ব কতটুকু। প্রকাশ পেয়ে যায় নাজনীনের মতো আহমেদ সাহেবও ব্রিকলেনে বেঁচে আছেন, কিন্তু তার শেকড় এখানকার নয়- বাংলাদেশের। আহমেদ সাহেব সিদ্ধান্ত নেন পরিবারের সবাইকে নিয়ে একেবারে দেশে ফিরে যাবেন। বাবার সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেয়ে শাহানা বাড়ী থেকে পালায়। নাজনীন তাকে আবার ঘরে ফিরিয়ে আনে, আর স্বামীকে বলে দেয়- সে তার মেয়েদের নিয়ে লণ্ডনেই থাকবে, ব্রিক লেনই তার বসতবাড়ী। আহমেদ সাহেব বুঝতে পারেন, নাজনীন তার সেই 'ভিলেজ গার্ল' নয় আর; তার উড়বার আকশটুকু এখানেই; তার পরবাসই তার সন্তানদের মাতৃভূমি।

খুব সংক্ষেপে বলতে গেলে 'ব্রিক লেন' ছায়াছবির গল্প এটুকুই। টানটান উত্তেজনার কোন কাহিনী নয়, এটি প্রথম প্রজন্মের অভিবাসীদের জীবন নিয়ে চিত্রিত সাধারন গল্প। বাংলাদেশের গ্রামের অতি সাধারন এক নারীকে নিয়ে আবর্তিত হয়েছে সে গল্প, যার ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে আছে শিশির মাখা এক কৈশরের পদ্য- যে পায়ে পায়ে পাড়ি দেয় সাত সাগর আর তের নদী, তাড়াতে চাইলেও পিছু ছাড়েনা।

ব্রিক লেন ছবির শেষ দৃশ্যটি অসাধারন কাব্যময়। দুই প্রজন্মের তিনজন নারী উঠোনের তুষারে একটি তারকার আকৃতিতে শুয়ে 'স্নো এঞ্জেল' বানাচ্ছে, ওপরে খোলা আকাশ। আহ মুক্তি, নিজেকে খুঁজে পাওয়ার আনন্দ! ব্রিক লেন ছবিটি শুরু হয়েছিলো শিশির ভেঁজা ধানক্ষেতের দৃশ্যে এক কিশোরীর বিমুগদ্ধতা দিয়ে; আর শেষ হয়েছে লণ্ডনের তুষারপাতে পরিনত এক নারীর মুক্তির আনন্দকে ঘিরে।

পরিচালক সারা গেভ্রন চমৎকার কাহিনী বুনেছেন সেলুলয়েডে। বিষন্ন কিন্তু অনিবার্য ভালোলাগা সূচনা সঙ্গীতে কিসের বার্তা আমার জানা হয়নি, কিন্তু আমি আবিষ্ট হয়েছি। অভিবাসী নাজনীনের স্মৃতি পিপিলিকারা- দিগন্তজোড়া মাঠে, বৃষ্টিস্নানে অবোধ্য অথচ অসাধারন কবিতার মতো ঘুরপাক খায়; 'ইস্ট ইজ ইস্ট' কিংবা 'বেণ্ড ইট লাইক বেকহাম' যেখানে মাথাকুটে মরবে।
_____________________________________________

ব্রিকলেন চলচ্চিত্রকে নিয়ে আরো লেখা-
ইরতেজা আলী'র চলচ্চিত্র সমালোচনাঃ ব্রিকলেন
Click This Link

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ব্রিক লেনচলচ্চিত্র ;
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:৩৯
লিপিকার বলেছেন: এটা কী মনিকা আলীর "ব্রিক লেন" উপন্যাসের চলচ্চিত্র রূপ?
২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:৪২

লেখক বলেছেন:
মনিকা আলী'র 'ব্রিক লেন' উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত।

২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০১

লেখক বলেছেন:
ছায়াছবিটিও ভালো লাগবে আশাকরি।

৩. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:১৪
ইরতেজা বলেছেন: ছবির সেরা দৃশ্য আমার কাছে মনে হয়েছে শেষ দৃশ্যটি এবং কৈশরে নাজনীন গ্রামের দৃশ্য। ক্যামেরা কাজ ছিল চমৎকার। স্বল্প বাজেটে খুবি যত্নশীল করে ছবিটি বানানো হয়েছে। থ্রি চিয়ার্স সারাহ গ্যাভ্রনের এ্যান্ড হার টিম।

আপনার রিভিউ দারুন লেগেছে। অসাধারন লিখেছেন।
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ইরতেজা। 'ব্রিক লেন' নিয়ে আপনার লেখাটিও কিন্তু চমৎকার। 'ব্রিক লেন'-নিয়ে লেখা আরো একটি রিভিউ ছিলো সা.ইন-এ। ব্লগারের নামটি ভুলে গেছি। সে লেখাটিও খুব ভালো।

২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন:
আবারো ধন্যবাদ।

৫. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৩৩
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: বাসায় আছে....দেখবো দেখবো কইরাও দেখা হইতেছেনা

দেইখা ফালামু...ধন্যবাদ
২১ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০৮

লেখক বলেছেন:
ভালো লাগবে।

৬. ২১ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৪৪
জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন: রিভিউ পড়ে ভাবছি বৃটেনের পুরোনো বাঙালী অভিবাসীরা কচুরিপানার মতই চরায় আটকে পড়েছেন। যে কারণে বাসনা গুমড়ে মরে বুকের কন্দরেই। কিন্তু বাংলাদেশীদের পাকিস্তানী বলে গালি দেবার মাহাত্ম্য অনুধাবন করতে পারছি না।
২২ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৩০

লেখক বলেছেন:
'বৃটেনের পুরোনো বাঙালী অভিবাসীরা কচুরিপানার মতই চরায় আটকে পড়েছেন'- কথাটি শুধু বাঙালী অভিবাসীদের জন্য নয়, অভিবাসন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত প্রথম প্রজন্মের সবার জন্য এটি সত্য।

আপনি বলেছেন, 'বাংলাদেশীদের পাকিস্তানী বলে গালি দেবার মাহাত্ম্য অনুধাবন করতে পারছি না'। আসলে প্রতিবেশীটি বাঙ্গালী না পাকিস্তানী এমন কোন তথ্য চলচ্চিত্রটিতে নেই। লণ্ডনে গড়পড়তাভাবে বাদামী চামড়ার মানুষদের 'ইণ্ডিয়ান' শব্দটি দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। তবে, 'পাকি' শব্দটি বাদামী চামড়ার মুসলমানদের জন্য কেউ কেউ ব্যবহার করে, যদিও শব্দটি বর্ণবাদকে প্রকাশ করে বলে বৃটেনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

৭. ২২ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:২৪
ফেরারী ফেরদৌস বলেছেন: অফ টপিকঃ লেখক কি স্বরকল্পন আবৃত্তিচক্রের সাথে জড়িত ছিলেন?
২২ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৩১

লেখক বলেছেন:
হ্যা ভাই।

৮. ২২ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৪৮
ফেরারী ফেরদৌস বলেছেন: @লেখক, অফ টপিকঃ আমি ২২ তম আবর্তনে প্রশিক্ষণার্থী ছিলাম। খুব ইচ্ছে ছিল আবৃত্তিতে কাজ করার। গ্রুপে চান্স পাই নি :( । যারা পড়াশোনার জন্য গ্রুপে সময় সেভাবে দিতে পারবে না, কিন্তু আবৃত্তির আগ্রহ আছে, তাদের জন্য কিছু অপশন রাখতে পারলে ভাল হত।

যতদূর মনে পড়ে, রাজাকারের নামতা আপনার লেখা ছিল। অসাধারণ ছিল সেটা!
২২ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:০১

লেখক বলেছেন:
ফেরদৌস জেনে আনন্দিত হলাম যে- আপনি স্বরকল্পনের শিক্ষার্থী ছিলেন। যদি আবৃত্তি নিয়ে কাজ করার এখনো ইচ্ছে থাকে তবে স্বরকল্পনের সাথে যোগাযোগ করুন।

'রাজাকারের নামতা'র অডিও পাওয়া যায় কিন্তু! ও, জরুরী কথা- রাজাকারের নামতা আমার লেখা নয়। আমি গ্রন্থনা আর নির্দেশনায় কাজ করেছি। ওখানে আমার লেখা একটি ছড়া সংযোজন করা হয়েছিল মাত্র।

৯. ২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:০৭
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: এই ব্লগে ব্রিকলেন ফিল্মটা নিয়ে এ পর্যন্ত তিনটা রিভিও পড়লাম। এখনও ছবিটা দেখা হয়নি। বইটাও পড়া নেই।

রিভিও পড়ে ধারনা পেলাম।
২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:২৪

লেখক বলেছেন:
তৃতীয় রিভিউটির ব্লগারের নাম আমি ভুলে গেছি। আপনার কি মনে আছে? পারলে লিংকটি অ্যাড করে দিন প্লিজ।

ছবিটি দেখুন, ভালো লাগবে।

১০. ২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:২৮
বি পজেটিভ বলেছেন: ছবিটা দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল - বউ সহ। বউ-এর কমেন্ট শুইনা আমি টাসকি খাইছি!

আমি নাকি বুড়া স্বামীটার মতো!! আমার অন্যকিছু দিয়া ট্রাই করতে হইবো।

ছবিটা আমার মন ছুয়ে গেছে। +
২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৫৮

লেখক বলেছেন:
:)

১১. ২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:৩০
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ভুলে গেছি। তবে রিভিউটা চমৎকার ছিল। মনে পড়লে লিংক দেব ।

আরেকটা আছে শোহাইল মোতাহির চৌধুরীর। যদিও ওটা তিনি সচলায়তরে লিখেছিলেন। তবে এখানেও পোষ্ট করেছিলেন।
Click This Link
২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:০২

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ। সচলায়তন সম্পর্কে আপনি কি ভাবেন?

২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:৩২

লেখক বলেছেন:
খুব সম্ভবতঃ সা.ইন-এ ব্রিক লেন নিয়ে যে আরেকটি পোষ্টের কথা আমরা বলছিলাম সেটি শোহাইল মতাহির চৌধুরীর এই পোষ্টটিই। ভালো লেখা।

১২. ২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:৩৯
মু্ক্ত মানব বলেছেন: 'ব্রিক লেন' শিরোনামের একটি কবিতা শেয়ার করলাম আপনাদের জন্য। সুন্দর লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:০৬

লেখক বলেছেন:
কবিতাটি ভালো লেগেছে।

১৩. ২২ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:১৭
মু্ক্ত মানব বলেছেন: Tarquin Hall এর লেখা ২০০৫ সালে প্রকাশিত 'Salaam Brick Lane: A Year in the new East End' বইটিও বেশ আলোচিত।
২২ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: বইটি আমার পড়া নেই। ছোট করে একটি রিভিউ দিতে পারেন?

২২ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন:
আপনার 'হাওয়া হাওয়া' লেখাটা রিপোষ্ট করুনা না!

২৩ শে মে, ২০০৮ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন:
আপনার ওই লেখাটি বেশ সুন্দর। রিপোষ্টে অনেক নতুন পাঠক উপকৃত হবে।

১৫. ২৩ শে মে, ২০০৮ রাত ১:৪৮
মু্ক্ত মানব বলেছেন: না রে ভাই। কেমন লজ্জা লাগে পুন:পোস্টাইতে। গন উইথ দ্য উইণ্ড নিয়ে অনেকেই তো লিখেছেন...। শুভেচ্ছা রইলো।
২৩ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন:
সা.ইন যদি সংকলিত পোষ্টগুলো নিয়ে একটু মনযোগ দিয়ে কাজ করতো তবে রিপোষ্টের প্রয়োজন হতোনা।

আপনার জন্যও শুভেচ্ছা রইলো।

১৬. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৩১
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সচলায়তন নিয়ে ভাবার কোন সুযোগই পাই নি ভাই, যখন সামহোয়ারে সাইনআপ করি, প্রায় একই সময়ে সচলায়তনেও করেছিলাম, আজতক আমার একাউন্ট একটিভ হয় নি। একটি মেইলও করলাম সেদিন। কোন সাড়া নেই। তাই আপাতত কোন উৎসাহ পাচ্ছি না যুদ্ধ করে ওইখানে ঢুকতে। আর লেখা টেখা পড়ে যেহেতু কোন মন্তব্যও করতে পারছি না। তাই ওই ব্লগে বেশী যাওয়াও হয়না। যদিও আমি জানি ওখানে অনেক ভাল ভাল লেখা আসে।
২৭ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩১

লেখক বলেছেন: সত্যি কথা বলতে কি, সা.ইন-এ লেখার আগে আমি এত বেশী স্বাধীনতা বিরোধীদের মুখোমুখি হইনি। মাঝে মাঝে বিরক্ত লাগে।

১৭. ২৬ শে মে, ২০০৮ সকাল ৭:৪৬
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সেটা একটা বিরক্তিকর দিক।
২৭ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩০

লেখক বলেছেন: একটা সময় ছিল, যখন দেখতাম- মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীরা লুকিয়ে থাকত। এখন ওরা প্রকাশ্যে জগতের সর্ববিষয়ে নছিহত করে, এমন কি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়েও।

১৮. ৩০ শে মে, ২০০৮ রাত ১২:৫৬
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: রিপনভাই ছবি টা চেন্জ করে ফেললেন কেন?
৩০ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৪১

লেখক বলেছেন: শরম করলো।

১৯. ৩০ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৪৪
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: তবে যাই বলেন । আপনার ছবিটা দারুন ছিল। আপনি এতটা ইয়াং জানা ছিল না। হাহ হা।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: সাড়ে চুয়াত্তর ছবিটা দেখেছেন? তুলশি দাশের 'জ্ঞানবৃদ্ধ' সংক্রান্ত প্রেমপত্রের কথা মনে আছে?

২০. ৩০ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৪৬
আজহার ফরহাদ বলেছেন: কেমন আছেন রিপন? ছবিটার কথা শুনেছি অনেক। দেখতে হবে।

ভাল থাকবেন।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: ছবিটা ছিলো সম্পূর্ণ রঙ্গীন। সাদা-কালো জামানা থেকে সরাসরি রঙ্গীনে এসে কিঞ্চিত শরম লাগলো!

২১. ৩০ শে মে, ২০০৮ রাত ৩:৪৭
আজহার ফরহাদ বলেছেন: রিপন ভাইকি ছবি চেঞ্জ করেছিলেন? হায় মিস করলাম।

দেন দেন আবার দেন।
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: দিলাম কিন্তু।

৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:৩৯
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আপনার আর কোন লেখা পাচ্ছি না কেন?
৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:২৭

লেখক বলেছেন: লিখব লিখব করেও লেখা হচ্ছে না। সেই পুরনো রোগ- আলসেমিতে ধরেছে। তবে ব্লগের সব লেখাই পড়ছি কিন্তু। ফাহমিদুল হকের খুব ভালো একটা লেখা আছে আজ, পড়েছেন?

২৪. ৩০ শে মে, ২০০৮ ভোর ৬:২৭
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: মনে হচ্ছে আপনার নতুন লেখা আজই পাচ্ছি! আপনি টাইপে ব্যস্ত আছেন।
৩০ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:৪০

লেখক বলেছেন: একটা পিগমি সাইজের লেখা আছে, কিন্তু নিজেরই ভালো লাগছে না। দেখি ওটাকে ঘষে-মেজে মানুষ করা যায় কিনা!

২৫. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ১২:৪৬
ফাহমিদুল হক বলেছেন: রিপন, ব্রিক লেন নিয়ে আমিও লিখবো ভাবছি।
৩১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:০১

লেখক বলেছেন: আপনার লেখার আমি নিয়মিত পাঠক। অপেক্ষায় রইলাম। আগাম ধন্যবাদ জানিয়ে রাখছি।

২৬. ৩১ শে মে, ২০০৮ রাত ১:১৭
আমি বাঙ্গালি বলেছেন: চলচ্চিত্রটি আমি ভীষণ উপভোগ করেছি।
৩১ শে মে, ২০০৮ ভোর ৫:১০

লেখক বলেছেন: আমিও। 'সিটি অব জয়' ছবিটা দেখেছেন?

আমি জানিনা- এটি একধরনের পক্ষপাতও হতে পারে, প্রসঙ্গটি বাংলাদেশ বা বাংলাভাষী বলেই আমি হয়তো ব্রিক লেন'কে বিশেষ দৃষ্টি দিয়ে বিচার করেছি। ইণ্ডিয়ানা জোন্স সিরিজের 'টেম্পল অব ডুম' দেখেও এই ধরনের এক অনুভূতি কাজ করেছিলো।

০৩ রা জুন, ২০০৮ সকাল ৮:২৩

লেখক বলেছেন: সবুরে মেওয়া ফলাচ্ছি। :)

২৮. ০৩ রা জুন, ২০০৮ সকাল ৭:০৬
নাজিম উদদীন বলেছেন: ভাল লিখেছেন।
মুভিটা দেখব আশা করি।
০৩ রা জুন, ২০০৮ সকাল ৮:২২

লেখক বলেছেন: ভালো লাগবে আশাকরি। গতকাল মিরা নায়ারের 'মিসিসিপি মাসালা' ছবিটা দেখলাম। ছবিটা না দেখে থাকলে দেখে নেবেন, ভালো লাগবে।

০৬ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:০০

লেখক বলেছেন: মেওয়া ফলেছে কিনা জানিনা, তবে একটা পিগমি প্রসব করেছি।
Click This Link

পড়লে কৃতজ্ঞ থাকব।

৩০. ০৪ ঠা জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৫
মাজহারুলইসলাম বলেছেন: রিপন ভাই পূর্বে ছবিটাই ভালো ছিলো

মাজহারুল ইসলাম মিণ্টু
০৬ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:০১

লেখক বলেছেন: ওই মিয়া, তোমার নিজের ছবি নাই ক্যান?

৩১. ২৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:৩৫
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: নিউইয়র্কে ছবি টা দেখলাম ।

আমার ভালোই লেগেছে। কেউ কেউ দ্বিমত পোষণ করলেও
শিল্পসম্মত কাজ হয়েছে।
৩০ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৭:১০

লেখক বলেছেন: দ্বিমত থাকতেই পারে। আমার ভাল লেগেছে। ভাল ছবি।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮১১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অর্থহীন কমলালেবুর পিঠে ঘরকুনো গাছ
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ