আমার প্রিয় পোস্ট
- কিছু দেশের গান (রিঃপোষ্ট) - একলা একজন
- চার পাঁচ হাজার পিঁপড়ার দুঃখ - সরকার আমিন ১৯৬৭
- বিদ্যাকূটে যাওয়া না-যাওয়া নিয়ে একটা গল্পের ভণিতা - সুমন রহমান
- ক্রমশ নির্মীয়মান দৃশ্য কিংবা চরিত্রের গল্প - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- নেশা অথবা নিশির টান; বাইসন... এইসব - মাজুল হাসান
- 'আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ - একরামুল হক শামীম
- চিলেকোঠার সানাই - আজহার ফরহাদ
- শুয়ে থাকার কাল - মানস চৌধুরী
- আরিফুল হোসেন তুহিনের অসামান্য উদ্যোগে সামান্য ভূমিকা রাখতে চাচ্ছি - রিয়াজ শাহেদ
- আজ রাতে কোথায় ঘুমাবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- `রবীন্দ্রচর্চার জন্য সবার আগে প্রেমিক হতে হবে'- আবদুল মান্নান সৈয়দ - েফরদৌস মাহমুদ
- আমি পান্ডিত্যের কাঁফনে মোড়া এক শাস্ত্রীয় শকুন - সামী মিয়াদাদ
- খেরোখাতার আসন্ন পৃষ্ঠাটি - রহমান হেনরী
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- মনে হয় যেন লেখার সময় অন্য কারো করতলে ছিলাম-- মাহমুদুল হক - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ভিনদেশী কবিতা : হাহাকার, তবু এক অচিন-আনন্দময় যাত্রা-১ - মাজুল হাসান
- আমার ছবি কইবে কথা যখন আমি থাকবো না---- (উৎসর্গ : প্রথম আর দ্বিতীয় হওয়া সকল পরীক্ষার্থী) - মেহরাব শাহরিয়ার
- নবীনদের জন্য - নাদান
- কেন লেখেন? - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- আস্তিক-নাস্তিক-সংশয়ী এবং তাদের ঈশ্বর - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- "গণহত্যা": এ্যান্থনি মাসকারেনহাসের অবশ্যপাঠ্য প্রতিবেদন, ৩য় অংশ (বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ, পর্ব ৩২) - ফাহমিদুল হক
- সিদ্ধার্থ, নির্বাণের পথ (সিরাতুল মোস্তাকিম) নিজেকেই খুঁজে নিতে হয়। - নাজিম উদদীন
- জল প্রিজমের গান - মৃদুল মাহবুব
- এসো ৭১ এর গল্প শোনাই সবাই মিলে - জ্বিনের বাদশা
- আমাদের টমি আর শের আলীর গল্প - এস্কিমো
- পাকিস্থানি কুলাংগারদের বর্বরতা-একটি ঐতিহাসিক ভিডিও ক্লিপ - না বলা কথা
- না এলেই ভালো হতো...! - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- "চলচ্চিত্র সমাজ পরিবর্তন করতে পারে না, কখনো করেও নি" -- সত্যজিৎ রায়ের সাক্ষাৎকার - ফাহমিদুল হক
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- "পুরনো পাকিস্তানের সমাপ্তি": বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ, পর্ব ১৩ - ফাহমিদুল হক
- জীবন একটা গম্ভীর বিদ্রুপ! - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- আমার নিরন্তর মুসলমান হয়ে ওঠা - সামী মিয়াদাদ
গল্পঃ গ্রীষ্মের দিনলিপি
২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০৯
![]()
এক
আমাদের এখানে দারুন গ্রীষ্ম এখন। কাঠফাটা রোদে রোদ-চশমা, সানস্ক্রীনের নীচে উদোম জীবন, বেড়াতে-যাব আর বেড়াতে চলো চেহারা সবার। আমাদের স্বজনেরা যখন বাঙ্গী পাকা গরমে- চাঁদনী চক কিংবা নিউমার্কেটে সিদ্ধ হয়, তখন আমরা বিভূঁইয়ের গরমকাল নিয়ে নেকু-পুশু হই।
পশ্চিমের শীত মানেই বরফ খুঁড়ে গাড়ী আবিষ্কারের অসহ্য স্মৃতি। আমরা পূবের মানুষেরা, পশ্চিমের চাদি-ফাটানো গরমে আহ্লাদের-বেনারসি হয়ে গ্রীষ্ম-পালন করি। আর অনভ্যস্ত হাফপ্যাণ্টে উরু পুরিয়ে, ফেলে আসা পুকুর পাড়ের ল্যাংড়া-আম গাছটার কথা ভাবি।
এসব গ্রীষ্মের বিকেলে কাজ শেষে ঘরে ফিরলে, 'ফ্রিজে খাবার আছে, গরম করে নিয়ো' বলে আরেকজন কাজে ছোটে। একজনের ঘরে ফেরা, আরেকজনের কাজে ছোটার ফাঁকতালে আমাদের বয়স বাড়ে; ক্লোরেস্টরলের মাত্রা সহ্যসীমা ছাড়ায়। জীবনটাকে গোছানোর কথা ভাবলেই- লাইফ ইন্সুরেন্সের লোকদের শোনাতে হয় বাবা-মায়ের উচ্চ রক্তচাপের ইতিহাস এবং জানা যায়, নিজের পয়সার টয়লেট বানানোর আগেই আমরা বহুমূত্রে আক্রান্ত হয়েছি।
এমন উথাল-পাথাল গ্রীষ্মে টের পাই- আমরা সাতাশ থেকে সাঁইত্রিশে এসে ঠেকেছি। বয়সের একমুখী সমীকরনে বিরক্ত হয়ে, আয়নার মুখোমুখি দাঁড়ালে- বয়স বেড়ে যাওয়ার দুর্ঘটনায় আমরা বিব্রত হই। তারপর খুব চালাকের মতো নিজেকে ত্রিশে বসিয়ে অন্যের মাথায় পাকা-চুল গুনি। এতসবের পরেও বছর বছর আমাদের বয়স বাড়ে। শুধু গরমের বন্ধে দেশে ফিরে গেলে, মা যখন মাথায় হাত বুলিয়ে দেন- তখনই বুঝি খুব একটা বুড়ো হইনি। পাতে চিতোই-পিঠা, আর কসানো-মুরগীর-ঝোল নিয়ে মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে- আমরা উচ্চরক্ত চাপের কথা ভুলে যাই। অনুচ্চ-জীবনের সহজলভ্য অসুখ-বিসুখ পরোয়া না-করে- শুধু এ সময়টাতেই আমরা সুস্থ বেঁচে থাকি।
আমরা সাঁইত্রিশে পরলেও, বাবাকে ঘিরে খেতে বসার দৃশ্যটি ভুলে যেতে পারিনা। একদিন ভাবতাম, আমরা ছানা-পোনারা সন্ধ্যা হলেই ঘরে ফিরে আসবো; আর মায়ের নাম-লেখা কাঁসার প্লেটে কাজলী মাছের চর্চরি দিয়ে ভাত মেখে খাব। আঙ্গুল ডোবানো ঘন-ডালে পাঁচ-ফোঁড়ন ভেসে থাকবে। আর, ঢেকুর ওঠার আগেই মা ঠাণ্ডা পানি বাড়িয়ে দেবে। মা কেমন করে যেন সব কিছুই জানতো। আশ্চর্য সব ম্যাজিক জানে মায়েরা! মায়ের পাখার বাতাসে এসব গ্রীষ্মের দুপুর ভাতঘুম দেয় আমাদের উঠানে।
এখানে গ্রীষ্মের দিন দীর্ঘ বলেই, আমরা টাঙ্গাইল শাড়ীর আঁচলে মাকে খুঁজি। আমাদের মায়েরা এমন দুপুরেই আচারের বয়াম রোদে দিয়ে রাখে; গরমে কষ্ট পাব ভেবে আমাদের জন্য হাতপাখা বানায়।
দুই
এখানে এখন সন্ধ্যা নামে দেরীতে; আর সন্ধ্যা নামলেই কেমন নীরব হয়ে যায় চারপাশ। বিকেলে হাওয়া খেতে এখানে কেউ ছাদে ওঠেনা বলে- গোধূলী নামেনা এসব শহরে; রাত হয়। উরু আর ভ্রু'র জ্যামিতিতে, কনে-দেখা আলোর বাগধারা কোথায় মুখ লুকায় কে জানে! এরই মাঝে মনে পড়ে, বাড়ীর কলতলায় এখন ঝমাঝম শব্দ উঠেছে; দু'শ পঁচিশটা চড়াই সকালের বাসি-ভাতের লোভে হুটোপুটি খাচ্ছে ওখানে। পশ্চিমে আমরা যখন ঘুমাই, পৃথিবীর অন্যপাড়ে- আমাদের পূবের মায়েরা জেগে ওঠে।
এখানের গ্রীষ্মে মাঝে মাঝে বৃষ্টিও হয়; ঝুম বৃষ্টি। বাংলাদেশের ব্যাঙ ডাকা বর্ষার মতো এই-সেই বৃষ্টি। ছাতা হারানো মানুষগুলো বৃষ্টিভেজা হয়ে ঘরে ফেরে। আবার কেউ কেউ ভিজবে বলে বৃষ্টি মাথায় পার্কের বেঞ্চিতে বসে থাকে। কাদা-জলে মাখামাখি নেই বলেই- এ বৃষ্টির বরিষণ খেতাব নেই। তবু, হিসেবের বর্ষায় কলিম শরাফী মনে করিয়ে দেন, 'এমনও দিনে তারে বলা যায়।' এমন দিনে- যারে বলা যেত, সে কাজে গেছে। কাউকে কিছু বলার নেই।
আমাদের ঘরে রবীন্দ্রনাথ অকারনেই বেজে চলেন।
আমরা যারা আদার ব্যাপারী, আর যারা কোন এককালে জাহাজের খবর রাখতাম- তারা একটু একটু করে অচেনা রোদ-জলে নিজেকে বুঝতে শুরু করি। চিনতে শুরু করি, পশ্চিমের সিঁদুরে মেঘে ঘরপোড়া গরুদের। আমাদের মেনীমুখো জীবন, হুলোর গান শোনায় দেশভাবনায়।
এমন গ্রীষ্মের শুরুতেই খবর আসে, কোন এক গানওয়ালা এ শহরে আসবেন। চেনা সুরে অচেনা শহর মাতানোর বিজ্ঞাপনে ছয়লাব হয় বাঙ্গালী পাড়া। ভুল বানানের পোষ্টারে বাংলা শব্দ বড় অচেনা-আপন মনে হয়।
বৈশাখী মেলা, কিংবা কোন এক পুনর্মিলনীর দিনে- পাঞ্জাবী, আর সূতী-শাড়ীতে ইস্ত্রী ডলে- আমরা শেকড়ের খোঁজ করি মেডিসন স্কোয়ারে, ড্যানফোর্থ রোডে অথবা ব্রিক লেনে। আরেক বাংলাদেশ শিরনামে- পূবের পত্রিকায় খবর ছাপা হয়। আমরা স্বদেশ হারিয়ে, ছায়া-দেশ রোপন করি আরেক ভূবনে। গুল্মের অস্থায়ী-মূলকে মহীরূহের শেকড় ভাবতে ভাবতে আমাদের আরেক দফা বয়স বাড়ে। মাকে ছবি পাঠাই, বোঝাতে চাই- দেখ, কত আনন্দে আছি!
তিন
আমরা যারা আকবর বাদশা, আর হরিপদ কেরানী হয়ে এখানকার উত্তর-দক্ষিন আর পূর্ব-পশ্চিম বরাবর সোজা রাস্তায় ঘর-বাহির করি, তারা সময়-নেই-এর অনন্ত সময়ে ডুব সাঁতার দেই বৃষ্টিজলে। অপরিসর গৃহে আমাদের শিশুরা- আমাদের আরেক সংস্করণ হয়ে বেড়ে ওঠে। ওদের চৌকষ ইংরেজীতে বিমুগ্ধ হতে না-হতেই টের পাই- বেঙ্গলী টু ইংলিশ অভিধানের ক্ষমতা নেই আমাদের সন্তানকে পাঠ করার।
আমাদের সন্তানেরা দাদুভাইকে ফোন করে এখানের গ্রীষ্মের সংবাদ দেয়। টের পাই, সংবাদ-সমাচার বিশেষ জমছে না। আমাদের পাঁচ বছরের কন্যাটি ফোন রেখে দিতে দিতে যখন বলে, 'শি ডাজ'ন্ট স্পিক ইংলিশ', তখন ভারী উদোম মনে হয় আমাদের গ্রীষ্মযাপন। আমরা লজ্জা ঢাকার জন্য বারান্দায় এসে দাঁড়াই; বরফের দিন খুঁজি ছলকে ওঠা গ্রীষ্মে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ছোটগল্প, গ্রীষ্মের দিনলিপি, মোস্তাফিজ রিপন, ছোটগল্প, গ্রীষ্মের দিনলিপি, মোস্তাফিজ রিপন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্প বিভাগে ।
লেখক বলেছেন: বুকিং সাদরে গৃহীত হলো। মন্তব্য চাই। পর্যবেক্ষন চাই। শুধু পড়লেই ক্ষমা নাই কিন্তু। ![]()
লেখক বলেছেন: আন্দালিব ভাই, খুব তড়িঘড়ি করে লেখা। কড়া সমালোচনা চাই।
(হায়! আমিও যদি এভাবে তাঁতে বুনতে পারতাম কথামালা! )
প্রবাসজীবনের সংকট-টা বড় প্রচ্ছন্ন রেখেছেন। স্মৃতিকাতরতায়ই শুধু টের পেলাম সেটাকে। আপনাকে ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: আন্দালিব, গল্পের আয়তন নিয়ে কি ধারনা আপনার? শেষটা কি হঠাৎ করে হয়েছে মনে হয়?
আপনি এত খুঁতখুঁতে হচ্ছেন কি তাড়াতাড়ি লিখে ফেলার জন্য?
লেখক বলেছেন: হ্যা। আমি নিজে সন্তুষ্ট হওয়ার আগ পর্যন্ত কোন পোষ্ট আজ অব্দি দেইনি। এবারই প্রথম।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
আচ্ছা, "ছন্দের যাদুকর" বলে বাংলা পদ্যে একটা খেতাব আছে, আমি ভাবছি গদ্যেও এমন একটা খেতাব আপনাকে দিবো ........ যদিও জানি খেতাব দেবার মুরোদ ও আমার মত আদার ব্যাপারীর নেই যে দুইটা সমাজের চিত্র আপনি ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, প্রেক্টিকেল অভিজ্ঞতা না থাকলে শুধু মাত্র কল্পনায় এমন নিখুঁত ভাবে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব না ........ তাই এই গল্পটা পড়ে মনে হয়েছে, লেখক নিজেই এই গল্পের পর্দার আড়ালের নায়ক।
আর গল্পের কথা কি বলবো, আপনার মত কথামালার বুনন আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারি না। অসাধারন .......... অনেকটা ক্যানেজির মিউজিকের মত, পড়ার পর নিজেকে মাতাল মাতাল লাগে। নিঃসন্দেহে এইটা ছোট গল্পের নতুন একটা ধারা .........
আর একটা কথা না বলে পারছিনা, (সাহস করে বলেই ফেলছি ) অন্য রকম একটা আবেশ থাকলেও গল্পে কোন চমক নেই ........ মানে আমি পাঠক হিসাবে কিন্তু চমক আশা করি। আমি যখন কোন গল্প পাঠকরি, একটা বাক্য পড়া হলে আমি অবচেতন মনে পরবর্তী বাক্য কি হবে বা ঘটনা কোন দিলে মোড় নিবে তা চিন্তা করি। যদি আমার চিন্তার সাথে লেখকে চিন্তা মিলে যায় তাহলে আর কোন চমক থাকে না , কিন্তু যদি না মিলে তাহলে কিন্তু আপন মনেই চমকে উঠি ...... এই অবচেতন মনের খেলাটা শুরুই হয়না আপনার গল্প পড়তে থাকলে, মানে আপনার গল্প পড়ার সময় আমার অচেতন মন কেমন যেন হ্যাং হয়ে থাকে ..... হা হা হা , হতে পারে এইটা আমরই সমস্যা ..... হা হা । দেখি অন্য ঝানু পাঠক/গল্পকাররা কি বলে ......
-----------------------------------------------------------------------
ও একটা কথা, "তখন আমরা বিভূঁইয়ের গরমকাল নিয়ে নেকু-পুশু হই। " ------- এইখানে "নেকি-পুশু" এর মানে বুঝিনি
অবশেষে অনেক অনেক ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: কথা সত্য, গল্পটিতে চমক নেই। এটিও সত্য যে, আমার অধিকাংশ গল্পের ক্ষেত্রেই একথা খাটে। চমক নেই। ইদানিং জীবনানন্দ দাশের 'বোধ' কবিতাটির কথা মনে হয়। কবিতাটিতে চমক নেই। কিন্তু এমন কিছু একটা আছে সেখানে, যা আমাকে দিনের পর দিন ভাবিত রেখেছে। জানি, আমার গল্পের প্রসঙ্গে জীবনানন্দের কথা টানাটা খুব অর্বাচীনের মতো হলো। তবু, আমি চমকহীন এমন একটা গল্প লিখতে চাই- যা অন্যকে অনেক সময় ধরে ভাবাবে।
গল্পে 'নেকু-পুশু' কথাটি ন্যাকামি অর্থে ব্যবহার করেছি। কথাটি কিন্তু অভিধানে পাওয়া যাবেনা!
জনপ্রিয় না-হলেও কথাটি কিন্তু অনেকেই ব্যবহার করেন।
গল্পের পেছনের মানুষটি কিন্তু আমি নই। আমার চারপাশের মানুষের কথা বলেছি বলেই- গল্পটি বহুবচনে লেখা। ![]()
জ্বিনের বাদশা বলেছেন:
আপনার লেখার যে জিনিসটা ভালো লাগে, প্রত্যেকটা বাক্য পড়েই মনে হয়, আমি এভাবে লিখতে গেলে আমাকে একটু ভেবে ভেবে ঢেলে সাজিয়ে লিখতে হতো ... প্রত্যেকটা বাক্যেরই আলাদা আকর্ষণ ... অনেকটা এভাবে বলা যায় ... এই লেখা থেকে থেকে পাঁচটা বাক্য ছেঁটে ফেলতে বললে বিপদে পড়ব ... যেকোনটাকে বাদ দিলেই মনে হবে কিছু একটা বলা হলোনাযেমন এই অংশটা,
"তবু, হিসেবের বর্ষায় কলিম শরাফী মনে করিয়ে দেন, 'এমনও দিনে তারে বলা যায়।' এমন দিনে- যারে বলা যেত, সে কাজে গেছে। কাউকে কিছু বলার নেই। আমাদের ঘরে রবীন্দ্রনাথ অকারনেই বেজে চলেন।"
প্রথম বাক্যটা না হয় লিখে ফেললাম, কিন্তু এরপরে দ্বিতীয়টার হিউমার আনতে বেশ ভাবতে হতো। তারপর তৃতীয়টার শূন্যতা, চতুর্থটার বাক্যবাণ ... অসাধারণ কম্বিনেশন!
প্রশ্ন, আপনার কি ন্যাচারালি এভাবে বের হয়ে আসে? নাকি সময় নিয়ে ঘষামাজা করেন?
লেখক বলেছেন: আমি লিখতে গেলে ঘষামাজা করতে হয়। এক গল্প যে আমি কতবার বদলে ফেলেছি- ইয়োত্তা নেই। কোন কিছু লেখা শেষ হলে আমি পড়তে বসি। যদি পাঠের সময় কোন বাক্য বা শব্দ ঠিক 'স্মুথ' মনে না হয়- শুরু হয় আমার ঘষা-মাজা। বাক্যে তৎসম শব্দ ব্যবহারের প্রবণতা আমার প্রবল। অবচেতন ভাবেই ঘটে এটা। লেখা শেষ হলে এগুলোকে খেদাই।
এগল্পটিতে ঘষা-মাজা নেই। তাড়াহুড়া করে লেখা; অধৈর্য হয়ে পোষ্ট করা। তাই, কেমন যেন তৃপ্তি পাচ্ছিনা।
অনেকদিন পরে আমার মন্তব্য পেয়ে ভালো লাগলো।
কঁাকন বলেছেন:
মায়ের নাম-লেখা কাঁসার প্লেটে কাজলী মাছের চর্চরি দিয়ে ভাত মেখে খাব। আঙ্গুল ডোবানো ঘন-ডালে পাঁচ-ফোঁড়ন ভেসে থাকবে। আর, ঢেকুর ওঠার আগেই মা ঠাণ্ডা পানি বাড়িয়ে দেবে। মা কেমন করে যেন সব কিছুই জানতো। আশ্চর্য সব ম্যাজিক জানে মায়েরা!
লেখক বলেছেন: আসলেই, আশ্চর্য সব ম্যাজিক জানে মায়েরা।
পারভেজ বলেছেন:
গল্পের চাইতে গদ্য কাব্যের আমেজটাই বেশী পেলাম! খুব ভাল লাগলো লেখাটা। উপলব্ধি আর স্মৃতি কাতরতা প্রতিটি লাইনে!লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পারভেজ।
আগেও বলেছি,আপনার ডিটেইলিং,মানে আপনার গল্পটাকে মনে হয়েছে বিশাল কোন উপন্যাসের শুরুর পাতা,একটা ঘরের জানালা দিয়ে দেখছেন বের হবার আগে বাইরের অবস্থা। তাতে সমস্যা কোথায়? বরং লেখা পড়ে আমার জানালার বাইরে তাকাতে ইচ্ছা হল,পাশের বাসার খোলা ছাদ আর সবুজ গাছের দুলুনি দেখা হল,নিচ থেকে ভেসে আসা গুঁড়োগাড়াদের কিঁচমিচ শোনা হল,আর কিছুর দরকার আছে কি?
লেখক বলেছেন: আপনার বিনয়ে আমি বরাবরের মতোই মুগ্ধ। ফারহান, আমার এই অকিঞ্চিৎকর গল্প সম্পর্কে কি সুন্দর করেইনা কথাগুলো বললেন। (খুব সম্ভবতঃ যারা লিখতে পারেন না, তারা এমন গুছিয়ে বলতে পারেন। বেঁচে থাক আপনার লিখতে না-পারা।) ![]()
লেখক বলেছেন: ফুল চন্দন পড়ুক।
চন্দনের প্রসঙ্গ মনে হতেই সুনীলের একটা কবিতার কথা মনে পড়লো-
'ভ্রু-পল্লবে ডাক দিলে, দেখা হবে চন্দনের বনে'...
আসিফ আহমেদ বলেছেন:
আপনার গল্পে আলাদা করে বলার আর কিছু নেই।এবারের লেখাটায় একবারে অন্য আমেজ পেলাম... শুভেচ্ছা জানুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আসিফ ভাই। খুশী হলাম আপনার মন্তব্যে।
নুশেরা বলেছেন:
ফারহান দাউদ বলেছেন: ব্যাপারটা বলতে পারেন,জেমস জয়েস কোন উপন্যাস শুরু করলেন,তার প্রথম দু'টো পাতা মাত্র শুরু করে গিয়ে মনে হল,উপন্যাসের বাকি ৫০০ পাতা মনে হয় পরে লিখবেন বলে ডিনার করতে উঠে গেছেন।একমত।
লেখক বলেছেন: নুশেরা আপনার লেখার হাত চমৎকার। কেমন লাগছে ব্লগে?
লেখক বলেছেন: শামীম ভাই, আপনার মন্তব্য পেলে সবসময়ই ভালো লাগে।
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
চমৎকার, যথারীতি; তবে কিছু প্রশ্ন আছে রিপন ভাই, আপাতত প্রথমটি করছি- এটিকে কি গল্প বলা যায়?
লেখক বলেছেন: এটিকে গল্প বলা যাবে কি-না? কঠিন প্রশ্ন। একটি প্রশ্ন মাথায় আসলো- গল্প কাকে বলে?
আপাতভাবে এখানে কোন একক গল্প নেই- যা বলা হয়েছে। কাহিনী নেই- যার পরিণতি আছে। চরিত্র নেই- যাকে কেন্দ্র করে গল্প এগিয়ে যাবে।
আমি এটিকে বলছি কোলাজ (কলাজ) গল্প। টুকরো টুকরো ঘটনা (তাও আবার ট্রেনের জানালায় ধারে বসে দেখার মতো- হুট করে কোথায় পালিয়ে যায়!) মিলিয়ে তৈরী করা গল্প। অসংখ্য জলকণা মিলে যেমন সৃষ্টি হয় জলধারা, তেমনি গল্পকণা মিলিয়ে তৈরী হতে পারে বড় কোন গল্প।
এ গল্পের কোন শুরু নেই; শেষও নেই। পাঠক গল্পটি পাঠের রেশ নিয়ে আরো নতুন নতুন দৃশ্য নির্মান করুক- এটা চেয়েছি আমি। জানিনা আমি কতটুকু সফল। কিন্তু, আমি জানি, এটি একটি সম্ভাবনাময় ধারা তৈরী করতে পারে।
আত্মকথনের সব চেনা উপাদান থাকলেও এটি কিন্তু আত্মকথন নয়। চেনা নাম, আর কথার আড়ালে সত্যর একটা সরল আভাস তৈরী হতে পারে। এ ধরনের গল্পের এটা একটা চমকপ্রদ দিক। সত্য নয়; কিন্তু সত্যের মতো।
সূর্য বলেছেন:
হায় হায়, রিপন ভাই কী করলেন এইটা? পুরা ধরা। যাই হোক, আটলান্টিকের এইপাড়ে আমরা যারা গ্রীষ্ম এলে কোথাও যাওয়ার চিন্তা করি আর খোঁজ করি সেখানে চেনা কেউ আছে নাকি যার কাছে উঠলে থাকা-খাওয়ার খরচ বাঁচবে, আর দেশে যাওয়ার আগে কার কাছ থেকে স্যুটকেস ধার করা যায়, ভেবে বার করি, তাদের পক্ষ থেকে আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা।
লিখতে থাকুন।
লেখক বলেছেন: সুন্দরতো আপনার কথাগুলো! বেশ সুন্দর! শুভাশিষ রইল।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
তড়িঘড়ি করে লিখেছেন? কোথাও তার ছাপ পড়েনি। বৃষ্টি দেখিনা, এক চিলতে সবুজ কোথাও চোখে পড়লে বসে পড়ি তার উপর। ঘ্রান নিয়ে মিলিয়ে দেখি, আমার দেশের সবুজ আর আর্টিফিশিয়াল সবুজে কতো তফাৎ....
খুব পানসে এখানকার জীবন, প্রকৃতি এবং মানুষ।
আপনার লেখায় দেশপ্রেমে ভিজলাম আর একবার।
লেখক বলেছেন: এরশাদ ভাই, (এরশাদ নামের পরে কেন যেন ভাই শব্দটা বেমানান লাগে। মনে হয়, ভাই বলে ডাকলেই গলা টিপে দিবেন।
আবার বাদশা ভাই কথাটাও ধৃষ্টতাপূর্ণ মনে হয়।
) বৃথাই ভিজলেন, বৃথাই ভেজালাম।
লেখক বলেছেন: আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের নাম বাদ গেছে। ![]()
'রিয়াজের প্রশ্নের উত্তর' প্রসঙ্গে আপনার পর্যবেক্ষণ জানাবেন?
লেখক বলেছেন: কথা সত্য, ইচ্ছে হলেই লেখার ফর্ম বদলে ফেলা যায়না। কিন্তু, যেখানে সরাসরি পাঠক প্রতিক্রিয়া জানার সুযোগ আছে, সেখানে আমি এটির সদ্ব্যবহার করতে চাই; শিখতে চাই। ব্লগে লিখি বলেই নিজেকে অন্যের আয়নায় দেখার সুযোগ আছে।
নাইট নাইট...স্লিপ টাইট।
লেখক বলেছেন: দাওয়াত কবুল করলাম। ![]()
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
আপনার গল্পের যে জিনিসটি সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করে,তা এর কাব্যিকতা।প্রতিটি গল্প পড়েই মনে হয়,যেন একটা কবিতা পড়লাম।ক্ষুদ্র অতি ক্ষুদ্র জিনিস এতো ডেটেইলস্ -এ লিখতে পারেন,দেখে খুব হিংসা হয়।আপনার গল্পের বিষয়বস্তু অনেকটা একমুখি,এইটা মনে হয় কিন্তু আপনার অসাধারণ বর্ণনাগুনে বক্তব্যটা অনেকসময় গৌণ হয়ে ওঠে।
ফারহান বলেছে জেমস জয়েসের কথা; অলিখিত উপন্যাসের প্রারম্ভিকা।আর আমার মনে হচ্ছে মার্কেজের "শতবর্ষের নি:সংগতা"-র শুরুর বর্ণনা যেন এইরকমই,কাব্যময়।
যা বলেছি কিছুই বাড়িয়ে বলিনি;যা বিশ্বাস করি তাই বলেছি।
লেখক বলেছেন: শিমুল, মার্কেজের এ বইটি আমার প্রিয় গ্রন্থের তালিকায় আছে। আপনার প্রশংসা পেয়ে মাথায় উঠলাম বলে! আপনার ব্লগে হানা দেব আজকালই। ![]()
নুশেরা বলেছেন:
লেখক বলেছেন: নুশেরা.. কেমন লাগছে ব্লগে?-এই কথাটার পর ভাল লাগাটা বহুগুণিত হয়েছে; নির্দ্বিধায় বলতে পারি।
অনেক ধন্যবাদ, রিপন।
লেখক বলেছেন: শুভাশিষ রইল।
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
কোলাজ গল্পের ব্যাপারটি আগে শুনিনি কোথাও; এক্সপেরিমেন্ট চালিয়ে যান রিপন ভাই।তবে এক্সপেরিমেন্ট সফল না হওয়া পর্যন্ত আমার মতো অপরিপক্ক পাঠকের কাছে এটি প্রবন্ধ হিসেবে পাঠ করতেই স্বাচ্ছন্দ্য লাগবে বোধহয়!
লেখক বলেছেন: প্র-ব-ন্ধ! সিরাজুল হক চৌধুরী আমারে পিটাইবো।
চাকুরী কেমন চলছে?
বেড়াতে গেছিলাম। বোনের বাড়ী। তাই উত্তর দিতে দেরী হল।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
ঠিক আছে, ডালপালা ছেঁটে দেন, শুধু বৃক্ষ থাকুক। যে নামেই ডাকেন ভাই যোগ করা ছেড়ে দেন। দেখেন আরাম বোধ হয় কিনা। এমনিতেই আপনি আমার বড়ো, সবদিক থেকেই। সুতরাং আমি আপনাকে ভাই বলে ডাকি, আপনি আমাকে নাম ধরে। ও.কে.?
লেখক বলেছেন: জুলেখা বাদশার মেয়ে। তার ভারী অহংকার।... কিন্তু এরশাদ হয়েও বাদশার কোন অহংকার নাই। ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কোলাহল। প্রীত হলাম আপনার মন্তব্যে।
লেখক বলেছেন: ডাবল হুমম।
![]()
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
জীবন গল্পটা পড়লাম............।মনে হলো আমারি কথাগুলো।
আমাদের কথাগুলো...........।
আগেও বলেছি ..।রিপনের লেখায় যাদু আছে.............।
অসাধারণ..........।অফলাইন এ বসে পড়লাম........।কিন্তু আসতেই হলো ।
এত সুন্দর লেখা পড়ে কিছু না বলে চলে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না.....।
অনেক অনেক শুভকামনা।
লেখা আসুক রিপনের ভাবনাতে অনেক থেকে অনেক......অজস্র।
শুভকামনা।
শুভেচ্ছা.......।
লেখক বলেছেন: খুব ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য পেয়ে। গতকাল বাটারফ্লাই কনজারভেটরির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আপনার লেখাটির কথা মনে হলো। আমার বোন ওদিকেই থাকে।
যীশূ বলেছেন:
ওখানের গীস্ম পড়তে পড়তে আমাদের গীস্মটাও চিনলাম অনেকটা বেশি আপন করে। অসাধারণ লেখেন আপনি!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ যীশূ। আচ্ছা, যীশূ, 'মানুষ ঈশ্বর হবে' কবিতাটি আপনি পড়েছেন?
যীশূ বলেছেন:
না, পড়িনি মনেহয়।
লেখক বলেছেন: যীশুকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যার সময়কার ঘটনা নিয়ে লেখা কবিতা। অসাধারন কবিতা। কবির নাম ভুলে গেছি। কখনো সুযোগ হলে কবিতাটি পড়ে নেবেন; ভালো লাগবে।
লেখক বলেছেন: সুমন ভাই, আপনি সব সময়ই চমৎকার লিখেন। আপনার 'ক্যানবেরার খেরোখাতা' পড়লে আমার ঈর্ষা হয়।
...............
জানিনা , কেন যেন আমি ভালো লেখাগুলো সবার শেষে এসে পড়ি । আগে ইচ্ছা করতো , এমন কোন লেখা আমি সবার আগে পড়ে কমেন্ট করবো , কিন্তু কিছুতেই হয়ে উঠে না । দেরীতে লেখা পড়া নিয়ে এখন আর খেদ নেই ।
দুপুরের ট্রাফিক জ্যামে দরদর করে ঘামতে ঘামতে সেলফোনে আপনার লেখাটা পড়তে শুরু করি , সম্ভবত শিরোনামে গ্রীষ্ম শব্দটির উপস্থিতি অবচেতনভাবে আমাকে আকর্ষণ করছিল । পরের সময়গুলো কি করে পার হয়ে যাই ধরতে পারি , কি অসাধারণ একটি সৃষ্টি ।
লেখালেখি করার সময় একটা জায়গায় অনেকেই অনেক বিপত্তির সম্মুখীন হন , সেটা উপমার প্রয়োগে । বড় একটি লেখা অনেক সময় উপমার ঘূর্ণিপাকে সামনে এগুতে পারে না , সাবলীলতা হারিয়ে ফেলে । আপনার বেলায় মনে হল তার উল্টো , বিষয় বস্তুর পরিধিকে সীমিত রেখে , উপমা দিয়েই তার মাঝে গতিশীলতার সঞ্চার করেছেন । এমন বৈশিষ্ট্য খুব বেশি দেখা যায় না ।
এমন লেখাগুলোর স্রষ্টা আমরা হতে পারি না , নিখাদ গদ্য শিল্পীর হাতেই এমন সৃষ্টি মানায় ।
লেখক বলেছেন: মেহরাব ভাই, আপনার আগোছালো মন্তব্যই যদি এত সুন্দর হয়, তবে গোছালোটা না-জানি কেমন চমৎকার হবে।
আসলে উপমা, কবিতা কবিতা ভাবের আড়ালে কতটা গল্প লিখিছি- আল্লাহ মালুম! যদিও মজা পাচ্ছি লিখে।
উপমার ব্যবহার আকাশচুরীর ব্লগে পাবেন। লোকটা কেন যে এত কম লিখেন! ব্লগার ছন্নছাড়ার পেন্সিলের নতুন গল্পটাও উদাহরণ হতে পারে।
আপনার, ফারহানের, নুশেরার...(আরো বেশ কয়েকজনের) গদ্যও সুপাঠ্য; আমি উপভোগ করি।
মাজহারুলইসলাম বলেছেন:
মাহে রমজানুল মোবারক।খোশ আমদেদ ।
লেখক বলেছেন: খোশ আমদেদ।
টিএসসি-তে খুব ইফতার পার্টি দিয়ে বেড়াচ্ছো?
সারওয়ার জামান চন্দন বলেছেন:
ভাল লাগলো.... নিপুন হাতের বুনোট লেখা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চন্দন।
রাশেদ বলেছেন:
ভাল্লাগে নাই। মনটা বিক্ষিপ্ত হয়ে আছে দেখে কিনা কে জানে! পড়ে আবার পড়বো।
লেখক বলেছেন: ওহে যুবক, মনের বিক্ষিপ্ততা প্রশমন করুন। ![]()
লেখক বলেছেন: ভাবি লিখব। কী লিখব! মাথা খালি। 'দৌড়ের উপ্রে আছি' বলে ফাঁকি দিচ্ছিনা কিন্তু! ![]()
লেখক বলেছেন: আপনার কি হইছে? ব্লগে আসেন না ক্যান?



















আপনার গল্পে সবার আগে কমেন্টকারী হিসাবে নিজেকে দেখার লোভ সামলাতে পরিনি