আঃলীগ লিখিত ভাবে নির্বাচনেরকমিশনের কাছে জানিয়েছে ছাত্রলীগ স্বাধীন। এর আগে প্রধান মন্ত্রী ছাত্রলীগ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে ছিলেন। ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কালের বিভিন্ন অনৈতিক ও বেআইনী কর্মকান্ডে আঃলীগ নেতৃবৃন্দ ও সরকারের মন্ত্রীবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এসবের মধ্যে দিয়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি ছাত্রলীগের রাজনীতি ধীরে ধীরে আঃলীগের মুল রাজনীতি থেকে আলাদা হয়ে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে আরও কিছুটা এগোলে প্রতিষ্ঠান দুটির নিজ নিজ কর্মকান্ডের দায় দায়িত্ব নিজেকেই বহন করতে হবে -- দোষ করে অন্যের ঘাড়ে চাপানোর সুযোগ থাকবে না। যদিও ঘটনা ঘটছে এখন পর্যন্ত শুধু আঃলীগ ও ছাত্রলীগের মধ্যে। এই সব ঘটনার সূদুরপ্রসারী ফলাফল অন্যান্য দলের উপরেও রয়েছে। আঃলীগের মত দেশের সার্বিক রাজনীতির গতি নিয়ন্ত্রক দলকে পরিবর্তনের মাধ্যমে আমরা অন্যান্য অনুসরনকারী ও প্রতিরোধ ক্ষমতাহীন দলসমুহকে সহজেই পরিবর্তনের চাপ দিতে পারব। যাহোক উপরের ঘটনা বলী বিশ্লেষন করলে আমরা দেখতে পাব এখানে নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট আইন যা বিগত নির্বাচনের আগে তৈরী করা হয়েছে তার একটা বিশাল প্রভাব রয়েছে। আমরা এই আইনের সুফল পেতে শুরু করেছি। নির্বাচন কমিশন শক্ত হাতে এই আইনটির প্রয়োগ চালিয়ে গেলে আমি আশাবাদী আমাদের ছাত্ররাজনীতি মুল রাজনীতি থেকে মোটামুটি আলাদা হয়ে যাবে।
এবার চলুন কিছুটা হাল্কা মেজাজে নিম্নের বিষয়গুলি কামনা করতে থাকিঃ
১। ছাত্রলীগ আরো কিছু সময় তাদের বিতর্কিত কর্মকান্ড চালিয়ে যাক। আর মুল দল আওয়ামী লীগ এদের উপরে ত্যক্তবিরক্ত হয়ে উঠুক।
২। নির্বাচন কমিশন আইনটির প্রয়োগ নিষ্ঠার সাথে করতে থাকুক। কাগজে কলমের বিচ্ছেদটা (বা তালাকনামা) আরো স্পষ্ট হয়ে উঠুক।
তথ্যসুত্র
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


