আমার প্রিয় পোস্ট
- ছবি থেকে অপ্রয়োজনীয় অংশ নিখুতভাবে রিমুভ করুন ফটোশপ সিএস ৫ দিয়ে - তমাল০০০
- ░▒▓ ফেসবুকে দিন আজব টাইপের স্ট্যাটাস, চ্যাটিং ও ম্যাসেজ ✄ - দৈনিক কপি-পেষ্ট
- অসাধারণ সংখ্যাবিন্যাসের তারিখ : 11.11.11: শফিক রেহমান - পাকন
- নাস্তানাবুদ নাস্তিকতা : নাস্তিকতার অসারতা প্রমাণকারী ব্লগ পোষ্ট সঙ্কলন - স্বর্ণলতা
- ভিডিও কোয়ালিটি খারাপ তাই মন খারাপ? এখন খুব সহজেই দ্বিগুণ করে ফেলুন ভিডিও কোয়ালিটি!!

- হাসান জোবায়ের
- মৃত্যু : একটি দার্শনিক জিজ্ঞাসা - শফিকুল ইসলাম
- ৭৮৪ টা হাই ডেফিনেশন, হাই-কোয়ালিটি ওয়ালপেপার । গ্রাম বাংলার+ACTRESS - সৌরভ দত্ত
- ছবি থেকে লেখা উদ্ধার - অাবু জাফর
- নোটপ্যাড তুমি এত কামের জিনিস!!!-১(টেক্কি পুস্ট)
- প্রিন্স_হাইয়ান
- প্রতিমাসে আয় করুন ২৪,০০০ টাকা, সম্পূর্ণ প্রক্রয়া ছবি সহ দেওয়া আছে শুধু অনুসরণ করুন,সফটওয়্যার দেয়া আছে আর দেরি না করে আয় করুন ইন্টারনেট । - বাঁকা ঠোঁটের হাঁসি
- সংখ্যা রঙ্গ সমগ্র ২ - পগলা জগাই
- হুমায়ুন আহমেদের ১৪৮ টি বইয়ের বিশাল সমগ্র [রিপোস্ট] লিংকসহ ঠিক করে দিলাম - বখতিয়ার হোসেন
- ছন্দের যাদুকরদের ছন্দময় প্রিয় কবিতারা - শায়মা
- চেনা ছড়া'র হাফ সেন্চুরী - ১৫০টি চেনা ছড়া - মনিরুল হাসান
- এযাবৎ কালের সকল ব্লগারের লিষ্ট :: ১০০০% গ্যারান্টি , সবাই আছেন --নিয়মিত আপডেট করার খায়েস আছে - কুঁড়ের বাদশা
- যুক্তি-তক্কো-গল্প (পর্ব ১: সেসব আরবী হরফ সম্বন্ধে ... যাদের অর্থ আল্লাহই ভালো জানেন) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- পবিত্র কাবা শরীফ এর ভিতরের বিরল দৃশ্য। - নীলপদ্দ
তৈরী করুন আপনার পছন্দের এনিমেটেড বাংলা শব্দ
- নিরব হাসি
- আজ ফাঁসিতে ঝুললেন আমাদের M.P. সাহেব !!!!!

(আসুন মঙ্গল কামনা করি) - এস.কে.ফয়সাল আলম
- আজ ১১ নভেম্বর; একজন নির্দলীয় নিরপেক্ষ এমপি'র জন্মদিন - ইশতিয়াক অাহমেদ
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- বলধা গার্ডেনের ব্লগাড্ডা আনন্দে মূখরিত কিছু মুহূর্ত - সায়াদ
- মৌমাছি—বিস্ময়কর এক ভেক্টর গণিতবিদ ! - ম্যাভেরিক
- নিম্নাংশে চুমু খাওয়া বিষয়ক অতি প্রয়োজনীয় নসিয়ত - মোজাম্মেল প্রধান
- আঙ্গো মনি সাবের বাংলার তাজমহল @ গ্রাম: পেরাবো, থানা: সোনারগাঁও, জেলা: নারায়ণগঞ্জ


- বিবর্তনবাদী
জীবনানন্দ দাশ এর ৬ বনলতা সেন রিপোস্ট
২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৫
![]()
জীবনানন্দ দাশ। নামটি শুনলেই কবির চেহারার আগে প্রথম যে ছবিটি হৃদয়ে ভেসে ওঠে, সেটি বনলতা সেনের। অথচ কী অদ্ভুদ ! এটি একটি চরিত্র। জীবনানন্দের অসামান্য বর্ণনা, চুল তার কবেকার ... কিংবা পাখির নীড়ের মত...।
প্রেমিক হৃদয়ের স্বপ্নে বুদ হয়ে থাকা এক নায়িকার নাম বনলতা সেন।
আমার জানা মতে, জীবনানন্দ দাশ তাঁর বনলতাকে নিয়ে ৬টি লেখা লিখেছেন। তার একটি গল্পে এবং পাঁচটি কবিতার মধ্যে বনলতা সেনকে পাওয়া গ্যাছে। বন্ধু ! এই পোস্ট থেকে খুঁজে নিতে পারেন আপনার কাঙ্ক্ষিত বনলতাকে।
বনলতা-১
(কারুবাসনা, রচনাকাল-১৯৩৩)
দক্ষিণ আকাশের সে-ই যেন দিগবালিকা, পশ্চিম আকাশেও সে-ই বিগত জীবনের কৃষ্ণমণি, পুব আকাশে আকাশ ঘিরে আছে তারই নিটল কাল মুখ। নক্ষত্রমাখা রাত্রির কাল দিঘির জলে চিতল হরিণীর প্রতিবিম্বের মতো রূপ তার-প্রিয় পরিত্যক্ত মৌনমুখী চমরীর মতো অপরূপ রূপ। মিষ্টি ক্লান্ত অশ্র'মাখা চোখ, নগ্ন শীতল নিবারণ দু'খানা হাত, ম্লান ঠোঁট, পৃথিবীর নবীন জীবন ও নবলোকের হাতে প্রেম বিচ্ছেদ ও বেদনার সেই পুরনো পল্লীর দিনগুলো সমর্পণ করে কোনো দূর নিঃস্বাদ নিঃসূর্য অভিমানহীন মৃত্যুর উদ্দেশ্যে তার যাত্রা।
সেই বনলতা-আমাদের পাশের বাড়িতে থাকত। কুড়ি-বাইশ বছর আগের সে এক পৃথিবীতে...আচঁলে ঠোঁট ঢেকে আমার ঘরের দিকেই আসছিল। কিন্তু কি যেন অন্যমনস্ক নত মুখে মাঝপথে গেল থেমে, তারপর খিরকির পুকুরের কিনারা দিয়ে, শামুক-গুগলি পায়ে মাড়িয়ে, বাঁশের জঙ্গলের ছায়ায় ভিতর দিয়ে চলেগেল সুনিবিড় জামরুল গাছটার নিচে একবার দাঁড়াল, তারপর পৌষের অন্ধকারের ভিতর অদৃশ্য হয়ে গেল।
অনেকদিন পরে সে আবার এল; মনপবনের নৌকায় চড়ে, নীলাম্বরী শাড়ি পরে, চিকন চুল ঝাড়তে ঝাড়তে আবার সে এসে দাঁড়িয়েছে; মিষ্টি ঠাণ্ডানির্জন দুখানা হাত, ম্লান ঠোঁট, শাড়ির ম্লানিমা। সময় থেকে সময়ান্তর, নিরবিছিন্ন, হায় প্রকৃতি, অন্ধকারে তার যাত্রা।
বনলতা-২
(একটি পুরনো কবিতা)
আমরা মৃত্যু থেকে জেগে উঠে দেখি
চারদিকে ছায়া ভরা ভিড়
কুলোর বাতাসে উড়ে ক্ষুদের মতন
পেয়ে যায়-পেয়ে যায়-অণুপরমাণু শরীর।
একটি কি দুটো মুখ-তাদের ভিতরে
যদিও দেখিনি আমি কোনো দিন-তবুও বাতাসে
প্রথম গার্গীর মতো-জানকীর মতো হয়ে ক্রমে
অবশেষে বনলতা সেন হয়ে আসে।
বনলতা-৩
(বাঙালি পাঞ্জাবি মারাঠি গুজরাটি)
বনলতা সেন
তুমি যখন নদীর ঘাটে স্নান করে ফিরে এলে
মাথার উপর জলন্ত সূর্য তোমার,
অসংখ্য চিল, বেগুনের ফুরের মতো রঙিন আকাশের পর আকাশ
তখন থেকেই বুঝেছি আমরা মরি না কোনো দিন
কোনো প্রেম কোনো স্বপ্ন কোনো দিন মৃত হয় না
আমরা পথ থেকে পথ চলি শুধু-ধূসর বছর থেকে ধূসর বছরে-
আমরা পাশাপাশি হাঁটতে থাকি শুধু, মুখোমুখি দাঁড়াই;
তুমি আর আমি।
কখনো বা বেবিলনের সিংহের মূর্তির কাছে
কখনো বা পিড়ামিডের নিস্তব্ধতায়
কাঁখে তোমার মাদকতাময় মিশরীয় কলসি
নীল জলের গহন রহস্যে ভয়াবহ
মাথার উপর সকালের জ্বলন্ত সূর্য তোমার, অসংখ্য চিল,
বেগুনফুলের মতো রঙিন আকাশের পর আকাশ।
বনলতা সেন-৪
(শেষ হল জীবনের সব লেনদেন)
শেষ হল জীবনের সব লেনদেন
বনলতা সেন।
কোথায় গিয়েছ তুমি আজ এই বেলা
মাছরাঙা ভোলেনি তো দুপুরের খেলা
শালিখ করে না তার নীড় অবহেলা
উচ্ছ্বাসে নদীর ঢেউ হয়েছে সফেন,
তুমি নাই বনলতা সেন।
তোমার মতন কেউ ছিল না কোথাও?
কেন যে সবের আগে তুমি চলে যাও।
কেন যে সবের আগে তুমি
পৃথিবীকে করে গেলে শূন্য মরুভূমি
(কেন যে সবের আগে তুমি)
ছিঁড়ে গেলে কুহকের ঝিলমিল টানা ও পোড়েন,
কবেকার বনলতা সেন।
কত যে আসবে সন্ধ্যা প্রান্তরে আকাশ,
কত যে ঘুমিয়ে রবো বস্তির পাশে,
কত যে চমকে জেগে উঠব বাতাসে,
হিজল জামের বনে থেমেছে স্টেশনে বুঝি রাত্রির ট্রেন,
নিশুথির (নিশুতির) বনলতা সেন।
বনলতা সেন-৫
(মূল এবং শ্রেষ্ঠ বনলতা সেন)
হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে,
সিংহল-সমুদ্র থেকে নিশিথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
অনেক ঘুরেছি আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে;
আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমারে দু'দণ্ড শান্তি দিয়েছিল নাটরের বনলতা সেন।
চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য; অতিদূর সমুদ্রের 'পর
হাল ভেঙে যে নাবিক হারায়েছে দিশা
সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি-দ্বীপের ভিতর,
তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে 'এতদিন কোথায় ছিলেন?'
পাখির নীড়ের মতো চোখ তুলে নাটরের বনলতা সেন।
সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন
সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;
পৃথিবীর সব রঙ নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন
তখন গল্পের তরে জোনাকির রঙে ঝিলমিল;
সব পাখি ঘরে আসে-সব নদী ফুরায় এ জীবনের সব লেনদেন;
থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন।
![]()
( বনলতা সেনের চোখ নিশ্চয়ই এর চেয়েও বেশি দৃষ্টিনন্দন ছিল !)
বনলতা সেন-৬
(হাজার বছর শুধু খেলা করে)
হাজার বছর শুধু খেলা করে অন্ধকারে জোনাকির মতো:
চারিদিকে চিরদিন রাত্রির নিধান (/পিরামিড-কাফনের ঘ্রাণ);
বালির উপরে জ্যোৎস্না-দেবদারু ছায়া ইতস্তত
বিচূর্ণ থামের মতো: দ্বারকার (/এশিরিয়);-দাঁড়ায়ে রয়েছে মৃত, ম্লান।
শরীরে ঘুমে ঘ্রাণ আমাদের- ঘুচে গেছে জীবনের সব লেনদেন;
মনে আছে? শুধাল সে-শুধালাম আমি শুধু 'বনলতা সেন?'
এই বনলতা সমগ্রটি বন্ধু হাসান রাউফুন এর সহযোগিতায় তৈরি। তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস !
ওয়ার হিরো বলেছেন:
ভাইরে খুব উপকার করলেন। খুব..
লেখক বলেছেন: খুব ?
প্রাকৃত বলেছেন:
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে!!!!!
লেখক বলেছেন: স্বাগতম।
লেখক বলেছেন: অই মিয়া, দেশটা কি তোমার একার ? ভাইটাও কি তোমার একার নাকি ?
ধন্যবাদ তোমাকেও
লেখক বলেছেন: এই দু:সময়ের মাঝে একটু প্রস্বস্তি দেয়ার প্রচেষ্টা।
আব্দুল্লাহ অপু িসকদার বলেছেন:
ভাই এই সংকলন আন্নে কেন্নে কইল্লেন!বালা অইছে, খুব বালা অইছে!
এরুম্মা লেখা আরো বেশি বেশি লেইক্কেন কিন্তু
মোজাম্মেল প্রধান বলেছেন:
এরিও নোয়াখাইল্ল্যা বাই, হইড়তে হইড়তে শিখি গ্যাছি।
শত রুপা বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ সুন্দর পোষ্টের জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
বছরের ষেড়া লেকা।
সেলাম সেলাম।
মারহাবা মাড়হাবা
প্রিয়স্রোতের প্রিয়তে+
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
হুমায়রা হারুন বলেছেন:
খুব সুন্দর পোস্ট।+
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
কৃষ্ণ তরুণ বলেছেন:
+++++
লেখক বলেছেন:
থ্যাঙ্কস।
শাহেদ খান বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে....
লেখক বলেছেন:
আপনাকেও বস।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















আমার প্রিয় কবি।