ডুব যাত্রা
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১১
আমাদের গাঁয়ের পাশের ছোট্ট যে খালটা তাকে আমরা ছোট গাঙ বলেই জানতাম শৈশবে। যৌবনে এসে তা হয়ে গেছে শুধুই খাল; কলকারখানার আবর্জনাবাহী নালাও বলা যেতে পারে। অথচ এই আমাদের এই ছোট্ট খালেই আমরা আর অসংখ্য বালিহাঁসেরা পালা করে পানিতে লুকোতাম। লুকোনোর পর চোখ খুলে তাকাতাম পানির তলদেশে। কেমন যেন ফ্যাঁকাশে একটা হলুদাভ আভা-মরা মানুষের হাতপায়ের তালু যেমনটা দেখায়। মাঝে মাঝে ভয়ও পেতাম। এই বুঝি পানির নীচ থেকে শেকল ওঠে আসবে। যে শেকলটা মানুষের পায়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে নিয়ে যাবে পানির অনেক তলদেশে। যেখান থেকে আমি বা আমরা কেউই ফিরতে পারব না। পানির উপরে বুগবুগ করে রক্ত ওঠা দেখেই মানুষজনের সান্তনা খুঁজে নিতে হবে লাশ পাওয়ার আশা বাদ দিয়ে। না, শৈশবে-কৈশোরে পানির শেকল আমাদের পছন্দ করেনি। কিন্তু যৌবনে সেই অদৃশ্য শেকল যে আস্তে আস্তে আমাদের কতজনকে টেনে নিল! একে...একে...একে।... তারপর?... তারপর?... তারপর? হায়! তবে কী শেকলটা আমাদের পিছু ছাড়েনি এতোটা কালও?
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: তারপরও আপনার সুন্দর অনুভূতি প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















আমার ও একটা খাল ছিল শৌশবে, বাসার পাশ দিয়ে বয়ে যেত । আঁকাবাঁকা খালটি দিগন্তে ছোট্ট চেতনায় অসীমের অনুভূতি দিত ! সেই খালটি এখন অনেক জীর্ণ শীর্ণ মনে হয় ।
যখন সমস্ত পার্থিবতাকেই জীর্ণ শীর্ণ ক্ষয়িষ্ণু মনে হয়, তখন মাঝে মাঝে চোখ বুজে কাটিয়ে আসি শৌশবের মায়া মায়া রোদ্দুর বিকেল,খালটির পাশে । স্বর্গকে অপ্রয়োজনীয় মনে হয় তখন ।
আপনার পোষ্টের মূলসুর থেকে দূরে চলে যাওয়ায় দুঃখিত ।
+ ।