মানবকে আটক করা এবং তারপরের ঘটনা গুলো আমাদের জানা । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠিত আন্দোলনে মানব ছাত্র শিক্ষকদের সাথেই ছিল , প্রথম থেকেই ছিল । প্রথম দিনেই তার ভূমিকা ছিল সর্বাগ্রাহে , সবার প্রথমে । দায়িত্ব সচেতন শিক্ষার্থী , ছাত্র সংগঠেনের সভাপতি এবং সর্বোপরি ক্যাম্পাসের সবচেয়ে উচ্চু শ্রেনীর শিক্ষার্থী হিসেবে সবার কাতারে দাড়াতে সে দ্বিধা বোধ করেনি । আর তার ফলাফল প্রথমদিনে , প্রথম সন্ধ্যায় আহত । আহত অবস্থায় তো আর যাই হোক চিকিৎসা নিতে হয় , অন্তত গাড়ি ভাংচুর করা যায়না !!!
যেভাবে যে কোন মুহুর্তে যে কোন মানুষের জরুরী রক্ত যোগাতে লাফিয়ে পড়েছে মানব ঠিক সেই ভাবে ।এক মানব যতো মানুষের জন্য জরুরী রক্ত সংস্থান করে দিয়েছে ততো গুলো মানুষ এর দুহাত ঢেকে দিতে পারে এইসব সাজানো নাটকের মহড়া মুহুর্তে । তাদের জমায়েত যেকোন রাজপথ এ লম্বা হতে পারে তিন কিলো ।
মানবন্দ্রে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেবে না । আজ আদলতের সামনে দাড়িয়ে মানব একাগ্রভাবে ভয়শূন্য চিত্তে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি জানায় । সাতদিন দিনের রিমান্ডও মানবের মানসিক শক্তিকে পর্যাদুস্ত করতে পারেনাই । ভয়ভীতি শাররিক আর মানসিক যন্ত্রণা মানবকে টলাতে করতে পারেনি ।
মানব এই দৃঢ়তা যন্ত্রণা আর ভয়ভীতি মানবকে মিথ্যে অভিযোগ জোড় করে স্বিকার করানো যায়নি । মানবের দৃঢ়তার জয় হোক ।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


