আমার প্রিয় পোস্ট
- অনলাইনে টাকা কামানো সর্ম্পকিত ব্লগ ০২ - হাসান
- দূর নির্বাসনে যাও : সাইফুল আলম মুকুল, ১৫.০৬.১৯৯৮ - ধ্রুব
- গুগলের নতুন উন্মুক্তসোর্স ব্রাউজার- ক্রোম - আশাবাদী!!
- বাংলা ব্লগ ও ব্লগ পলিটিক্স - রেজওয়ান
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ২৬ (উচ্চারণগুলি শোকের--আবুল হাসান) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- নেটে আয়ের নতুন রাস্তা: QYAO - মিতা রহমান
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- আপনার সাইটে কে এলো?কোথা থেকে এলো? - ব্রাইট
- সিনেমা বিষয়ক ওয়েবসাইট তালিকা - ইশতিয়াক জিকো
- ফিরি ফিরি গান ডাউনলোড - মইন
- মোবাইল ইন্টারনেট!!!!! - রসের হাঁড়ি
- Freeee download manager - অনিকেত প্রান্তর
- অনলাইন মার্কেটিং টিপস (১) - ইসতিয়াক
- ছোঁকরা চাঁদ - প্রতুল মুখোপাধ্যায় - আফ্রিকান লোকগীতি বাংলায় - রাতমজুর
- অনলাইন ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং৷ - মনির মুনতাহা
- ইন্টারনেটে প্রতারনা - ফেরদাউস আল আমিন
- help help ফর ফেসবুক নোট - আবদেল্লাহ ফাইসাল
- smile এর সার্ভিস - লাভলুদা
- বাংলার জুমলা! প্রেমিক.........এক হও। - েছাটন
- ছবি চাই, ছবি। দিন না একটি ছবি (রিপোস্ট) - রাগিব
- বেশ্যা - মাদারি
- ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম
- অনলাইনে টাকা রোজগার করেছেন কি কখনো? - এডোনিস
- আমার নতুন ব্লগ এবং ওয়ার্ডপ্রেসের ধাক্কা - কাপালিক
- অন্ধকারে ১৫ ঘন্টা - জাহাঙ্গীর আলম আকাশ
- জাতীয় পর্যায়ে ড. জিসি দেবের জন্মশতবার্ষিকী উৎসবে মনীষীদের মিলনমেলা - আজিজুল পারভেজ
- কিভাবে পাঠাবেন ফ্রি SMS...??(আপডেটেড) - অতিথি_পথিক_মানুষ
- আপনার পাইরেটেড Windows Xp জেনুইন করুন - নূহান
- একাধিক কম্পিউটারে ইন্টারনেট শেয়ার করা - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- ইয়াহুতে অদৃশ্য হবার ক্ষমতা কারো নাই!!! - প্যান্ট ঢিলা মাস্তান
- অনলাইনে সার্ভে করে পয়সা কামাই - কাপালিক
- অ্যাডব্রাইটঃ ওয়েব থেকে আয়ের নতুন সেবা - আমিনুল ইসলাম
- অনলাইনে আয় এবং পেমেন্ট ট্রান্সফার সমস্যা - কাপালিক
- Get Free ubuntu 8.04 LTS Desktop Edition. - তারকে
- পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার পথটাই বন্ধ করে দিন - মোঃ রফিকুল আলম (পাভেল)
- ওয়েব রিভিও পর্ব-১৯, আমাদের অহংকারের একটু পরশ বাংলাদেশী ওয়েব সাইট - রেডিও ৭১
- Scorpions এর ফ্যানদের জন্য......... - রানা
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- ভাইরাস ডিলিট করুন manually - অনিকেত প্রান্তর
- যেভাবে সার্চ করবেন সর্ববৃহৎ বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়ায় - আমিনুল ইসলাম
- ফটোশপের দারুন একটি বই - একদম ফ্রি। তাড়াতাড়ি করুন - মেহেদী হাসান আরিফ
- পেজফ্লেইকস সম্বন্ধে.... - রেজওয়ান
- বাংলায় অনুবাদের জন্য ভলেন্টিয়ার প্রয়োজন - সিক্স স্ট্রিং
- কে রোধে তাহার বজ্রকন্ঠ বাণী - প্রণব আচার্য
- ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ! - হমপগ্র
- মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নিবেদিত রাজাকার বিষয়ক ছড়াগুচ্ছ - মুনীর উদ্দীন শামীম
- অনলাইন এ সরাসরি কনভার্ট করে ইউটিউব ভিডিও ডাওনলোড করুন...... - গিফার
- মাতৃভাষার মাসে শিখুন বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী (প্রথম পাঠ) - কুঙ্গ থাঙ
- জামায়াত নিয়ে নতুন বছরের সেরা মুঠোবার্তা - শওকত হোসেন মাসুম
- ফটোগ্রাফি বিষয়ে কাজে লাগার মতো পাঁচটি সাইট - মিসকল মফিজ
- কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা বাড়ানোর কয়েকটি টিপস্!!! - মুকুট
- বাংলাদেশ জেনোসাইড,১৯৭১ - ঠাকুরদা
- নভেম্বর রেইন, আমার প্রিয় দুঃখ গান - লাল দরজা
- জেইম বা পিগিন (এক মেসেঞ্জারে একাধিক আইএম এর একাধিক একাউন্ট এক সাথে) - মানচুমাহারা
- "এক ক্লিকে দুই সার্চ ইঞ্জিন" Google and Yahoo! Search Result Side by Side - প্রচেত্য
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- বাধ ভাঙার এই আওয়াজ বোধহয় কারো কাম্য ছিল না (উৎসর্গ :বিদায়ী ধূসরছায়া বৃন্দ) - আরিফ জেবতিক
জারুল-কৃষ্ণচূড়ায় ঢাকা ক্যাম্পাস
০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ১:৪৫
বলা যায়, দুহাতের সবকয়টা আঙ্গুল গুনে বলা যায় পাক্কা দশ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কাটিয়েছি । একবারে ঘোর যৌবন পার করেছি এই চত্বরে । নাওয়া নেই খাওয়া নেই ....... সারাদিন থেকে একবারে মধ্য রাত অব্দি পার করেছি ক্যাম্পাসে, তারপর যখন ক্লান্তি চোখ জড়িয়ে আসতো , আস্তে আস্তে ফিরতে শুরু করতাম হলে ..... চানখারপুলে সোহাগে রাতের খাবার সেরে তারপর ধীরে ধীরে হলে ফেরা । ফিরতে ফিরতে অনেক সময় উষার আলোকে সাথে নিয়ে রুমে ফেরা ।
ফিরতাম বিজ্ঞানবিভাগের হলে আর সারাদিন আর অর্ধেক রাত কিন্তু কেটে যেত টিএসসি কলাভবন আর লাইব্রেরি সামনে কিংবা আইবিএ ক্যান্টিনে ঘুরে ফিরে । আর বিজ্ঞানের ছাত্র হওয়া থাকার জন্য তাই বিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ হলেই ফিরতে হতো । এদিকেও যে রাত পার করা যায়না তা নয়,,, কিন্তু এই ঘুমের বেলাতেই আমি কোন আপোষ এ রাজি ছিলাম না । যাই হোক নিজের ঘুমের জায়গায় যেয়ে আমি ঘুমাতে চাই ।
সেই ক্যাম্পাস এ এখন হুট করে নিজেকে অচেনা মনে হয় । বেশীদিন না মাত্র বছর দুই হলো , ক্যাম্পাস ছেড়ে এসেছি । ক্যাম্পাস ছেড়ে খুব বেশিদূরে যেতে পারিনি , ক্যাম্পাসের আশে পাশেই থাকি । ঘুম থেকে উঠে কিংবা ঘুমাতে যাবার আগে ক্যাম্পাস দেখি, আমার ব্যালকনি থেকে ।
সেই ক্যাম্পাস আজ অনেকদিন পর বউসহ গেলাম । উদ্দেশ্য ক্যাম্পাসের ফুলগুলো দেখতে যাওয়া । রাজু ভাস্কর্যের উপর থেকে একেবারে নীলক্ষেত পর্যন্ত, যতোদূর চোখ যায় দুপাশে একসময় ফুটে থাকত জারুল, রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া আর সোনালু ফুলে । আমরা সেই ফেব্রুয়ারি শেষ থেকে এই এপ্রিল পর্যন্ত প্রায়ই রাজুতে এস এই পথের দিকে চেয়ে থাকতাম পশ্চিম দিকে । আর চোখের সামণে গাছগুলো বেগুণি হলুদ আর লাল হয়ে থাকত । এই রঙ এর রকছড়িয়ে থাকার রকমটা ছিল বেশ মজার । জারুল গাছগুরো বেশী বড় হয়না, মানে কৃষ্ণচূড়ার মতন । তাই এদের স্তর বিন্যাস হতো এইভাবে যে নিচে পুরো গাছগুরো জারুলের বেগুণি রং এ ছেয়ে থাকত আর তার উপরে থেকে কৃষ্ণচূড়ার লাল । এই লালা বেগুণির মাঝে থেকে থেকে হলুদ পাওয়া যেত । হয় রাধাচূড়া কিংবা সোনালু গাছ হলুদ হয়ে থাকত । ক্যাম্পাসে জারুল আর কৃষ্ণচূড়া অগণিত কিন্তু সেই তুলনায় রাধাচূড়া আর সোনালু কম ।
আরেকটা মজার ব্যাপার ছিল, বৃষ্টি হলেই জারুলের রঙ ফ্যামাসে হয়ে যেত । অনেকটা কাপড়ের রঙ জ্বলে গেলে যেমন হয় । বৃষ্টিতে জারুলের রং ধুয়ে যায় । খেয়াল করলে দেখা যায় বৃষ্টির পানির সাথে রং ধুয়ে যাচ্ছে । মাঝে মাঝে মনে হতো কেউ রং ছিটিয়ে দিয়ে গাছ গুরো বেগুণি করেছে আর বৃষ্টিতে সে রং মুছে যাচ্ছে ।
এখন দেখলাম বেশ কিছু জারুল, সোনালু আর কৃষ্ণচূড়া ফুটে আছে । তবে বোধহয় মৌসুম শেষ তাই একেবারে রঙ্গীন ক্যাম্পাস পেলাম না । আগামী মৌসুমে নিশ্চয়ই দেখতে পাবো জারুল কৃষ্ণচূড়ায় ঢাকা ক্যাম্পাস ।
শিমুল বলেছেন:
আপনি আর একটুও দেরি করবেন না, দ্রুত আমার বাসায় ঘুরে যান। ভালো লাগবে। জারুল নিয়ে আমার একটা ছোট্ট লেখা আছে আপনাকে উৎসর্গ করা হোল।
রাহা বলেছেন:
ধন্যবাদ ... ভাই এটা কেমন কথা হলো , দাওয়াত দিলেন মাগার বাসার ঠিকানা দিলেন না ?? আমার মেইল এড্রেস মেইল কইর্যা দিয়েন.... হাহাহা
শিমুল বলেছেন:
আমি লাইনেই আছি আমার ব্লগে যান। লেখাটা সেখানেই আছে
তারার হাসি বলেছেন:
আজ আমি চট্টগ্রাম শহর থেকে দূরে যাচ্ছিলাম। পথের ধারে দেখছিলাম মুগ্ধ হয়ে এই গাছ গুলির সৌন্দর্য।এত বেশী ভাল লাগছিল ! এখন সেই ভাললাগাটা আরো পূর্ণ হল।
অনেক ধন্যবাদ।
ঢাবি'তে আমার ফজলুল হক হলে এট্যাচ ছিল, বাসা ক্যাম্পাসের আশে-পাশেই
লেখক বলেছেন: আমিও ওই হলেই আছিলাম, প্রায় দশ বছরই বলা যায় এবং মেইন বিল্ডিং য়েই.....
লেখক বলেছেন: ছবির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ, এমন যুতসই ছবিই খুজছিলাম পোস্টের জন্য ।
লেখক বলেছেন: হুম.....
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
আপনাকে হাজারটা সালাম। দিনে যখনই ক্যাম্পাসের এই অংশটা দিয়ে নীলক্ষেত যাই মনটা নেচে ওঠে। অনেক দিন ধরেই এ নিয়ে লিখব লিখব ভাবছি, কিন্তু লেখা হয়ে উঠছে না। অনেক ধন্যবাদ। বাই দ্যা বাই, ভাবিও কি ঢাবির??
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
নষ্টালজিয়া..........ভালো লাগলো।কৈলাশ ......আপনার দেয়া ছবিগুলো সুন্দর।
শুভেচ্ছা থাকলো আপনাদের জন্য।
পুষ্প বলেছেন:
সবার কাছেই ক্যান্পাসের অনেক মজার স্মৃতি শুনেছিলাম ,আমার চোখে সবকিছু এত বিবর্ণ কেন লাগছে বুঝতে পারছি না।মাত্র কয়দিন হল ভার্সিটিতে ঢুকলাম ,সবকিছু ভয়ন্কর অসহ্য লাগছে।
লেখক বলেছেন: হুমম... কয়েকদিন লাগবে ধাতস্ত হতে.. তারপর আমাদের মতোই মনে হবে....
আলী বলেছেন:
আগামী মৌসুমে নিশ্চয়ই দেখতে পাবো জারুল কৃষ্ণচূড়ায় ঢাকা ক্যাম্পাস ।
লেখক বলেছেন: সে আশাতেই তো মানুষ বাচেঁ.....
বাকী বিল্লাহ বলেছেন:
ভাল লিখছ।


















