দেশে ফিরেই লোডশেডিং এর সাথে অভ্যস্ত হতে বেশি সময় লাগেনি, এমন নিয়মমাফিক বিদ্যুৎ বরাদ্দ সেই কম কি ?? জীবনে এমন বলে কয়ে ইলেকট্রিসিটির লুকোচুরি দেখছি বলে মনে হয় না । (চারদিকের এতো হতাশা এতো নিরাশা ইদানিং আশাবাদী হবার প্রেরণা দেয় তো!! যখন চারদিকে মানুষজন দিনে ১ ঘন্টা ইলেকট্রিসিটি পায়না, গরমে পানি নাই তখন ১ ঘন্টা অন্তর অন্তর এই আশা যাওয়ায় আমি তো আশাবাদী হতেই পারি, নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে হয় ) আমি ও তাই একদিনেই অভ্যস্ত হয়ে উঠলাম... ঠিক জোড় সংখ্যি গুলোতে বাসায় ইলেকট্রিসিটি থাকে না মানে ১০টা , ১২টা ২ টা এমন আর কি তবে তারচেয়ে আনন্দের বিষয় রাতে বেলায় একেবারে নিরবিচ্ছিন্ন ইলেকট্রিসিটি সরবরাহ, আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা হারিয়ে ফেলি সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের কাছে । যেন এমন হবার কথা ছিল না , বিদ্যুৎ থাকবে না, এইতো নিয়শ, সেটাই তো হবার কথা ।
বিদ্যুৎ সরবরাহের এমন ভঙ্গুর দশা নতুন নয়, গত কয়েকবছর ধরেই চলছে । আমরা জানি কেন এমন অবস্থা, কেননা চাহিদা মাফিক বিদ্যুতের উৎপাদন নাই । কেন নাই? আমরা সেও জানি কেননা বিগত সরকারের আমলে ১ মেগাওয়াট নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়েনাই । কেন বাড়ে নাই সেটা কি জানি ?? হ্যা নেটাও জানি কেননা নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যে বরাদ্দ ছিল তা ভাগ বাটোয়ারা হয়েছে গত সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-রাজপুতের মধ্যে । তাহলে আমরা তো সবই জানি !!! কিন্তু এটা কি মানার মতন বিষয় ??
জানি না, তবে এতোটুকু জানি সময়মত ইলেকট্রিসিটি না পাইলে সরকারকে দুটো গালি দিবো, ব্লগে সরকারের মণ্ডুপাত করব ।আমরা গরমের মৌসুম চলে গেলেই নরম হয়ে যাবো.. কেননা আমাদের স্মরণ শক্তি ক্ষণস্থায়ী আমরা অনাগত আগামী আর ফেলে অতীতকে নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নই । তিনবেলা দুমুঠো ভাত পেলেই আমরা বেজায় খুশি আগামীদিনের ভাবনা আগামীতেই করা যাবে ....
তাই আজ এই একঘন্টার ইলেকট্রিসিটির স্স্থায়িত্বকাল নিয়ে আমি বেজায় খুশি , খুশিতে বাগবাকুম হয়ে ব্লগ লিখি, ঘড়ির কাটা টিউন করে নিয়েছি যেমন পরীক্ষা হলে নিতাস কোন প্রশ্নের উত্তরের জন্য কত মিনিট বরাদ্দ । আমার বরাদ্দের আরো প্রায় ২১ মিনিট আছে, এই ২১-২০ মিনিট রাখলাম রিভাইশ দেয়ার জন্য, আপনাদের মন্তব্য দেখার জন্য, ভুলে যাবেন না আর মাত্র ২০ মিনিট
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



