জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, ঢাকার নাম দিয়ে 'বিক্রির জন্য' লেখা তৃতীয় শ্রেণীর পরিবেশ পরিচিতি সমাজ বই কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হচ্ছে।
গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার এক অভিভাবক বইটি এই প্রতিবেদকের কাছে নিয়ে আসেন। বইটি সম্পর্কে জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুমল কুমার বড়ুয়া জানান, 'এ বছর তো বিক্রির জন্য বই এখনো ছাপা হয়নি। কুমিল্লার লাইব্রেরিগুলোতে কিভাবে তা বিক্রি হচ্ছে, তা আমাদের জানা নেই।'কুমিল্লার জেলা প্রশাসক আবদুল মালেক জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
শহরের ঝাউতলার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বইটি কেনার পর তার মেয়েকে পড়তে দেওয়ার সময় জাতীয় পতাকা ব্যবহারের নিয়ম অধ্যায়ের ৩০ নম্বর পৃষ্ঠায় দেখেন, পাকিস্তানি পতাকার আদলে এক পতাকাকে জাতীয় পতাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ৩০ নম্বর পৃষ্ঠার ওপরে চিত্র-৩-এ 'বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা তোলা হচ্ছে' ক্যাপশন সংবলিত ছবিতে জাতীয় পতাকার মাঝখানে সাদা চাঁদ রয়েছে। একই পৃষ্ঠায় চিত্র-৪-এ অর্ধনমিত জাতীয় পতাকা হিসেবে রয়েছে পাকিস্তানি পতাকার আদলে চাঁদ। এর আগে আমাদের জাতীয় পতাকা অধ্যায়ে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ঠিকই দেওয়া আছে। বইটি রচনা/সম্পাদনায় নাম রয়েছে : প্রফেসর কাজী মদিনা, আবদুল মালেক, সেলিনা আক্তার, মেহের মরিয়ম, মুহাম্মদ আবদুল জব্বার।
তথ্যসূত্রঃ কালেরকণ্ঠের নিউজটা
পাঠ্যবইয়ে জাতীয় পতাকার বদলে পাকিস্তানি পতাকা!!! এর নেপথ্যের কাহিনী উদঘাটন জরুরী
কালের কণ্ঠের ২য় পাতায় ছাপা এ সংবাদটি আমাদের অনেকেরই হয়তো চোখ এড়িয়ে গেছে । বইটি বিক্রির জন্য নয় কিন্তু কুমিল্লায় যে বই টি বিক্রি হচ্ছে সেখানে লেখা আছে "বিক্রির জন্য" আর সেখানেই ছাপানো হয়েছে এমন বিকৃত পতাকা । কিন্তু এমন ঔদ্ধতপূর্ণ কর্মকাণ্ডের পিছনে নিশ্চয়ই কোন কুচক্রীরা রয়েছে । যারা কোমলমতী শিশুদেরকে বিভ্রান্ত করতে চায়, স্বাধীন দেশের পতাকা নিয়ে ব্যঙ্গ করে, মশকরা করে তারা নিশ্চয়ই এই বাংলাদেশে চায়নি কিংবা চায় না । তারা যারাই হোক না কেন , বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত হওয়া উচিত এবং জড়িতদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

