somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... তারপরও......বুকে আশা নিয়ে বসে আছি .... জিতবে বাংলাদেশ
এতো কিছুর পর ... এতো হতাশার পরও আমরা আশায় বুক বাঁধি,,, ব্যাটসম্যানরা আচ খারাপ খেলছে কিন্তু বোলারা তো আছে। হ্যা এখন শেষ ভরসা তাদের উপরই । ৪.১২ রান চেজ করা মিরপুর স্টেডিয়াম এ যেকোন দলের জন্যই কোন ব্যাপার না । হয়তো !!! কিন্তু আজ হোক । ষোলকোটি প্রাণের দিকে তাকিয়ে হলোও হোক । বধ হোক আয়ারল্যাণ্ড । জিতুক বাংলাদেশ । প্রার্থনা-প্রত্যাশা ... বাংলাদেশ জিতবে।।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29333968 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29333968 2011-02-25 18:31:16
একনজরে ৫টি অপরবাস্তব ( অপরবাস্তবনামা ) অপরবাস্তব । মুলতঃ ব্লগারদের সারা বছরের লেখা থেকে নির্বাচিত কিছু লেখার এ সংকলন প্রতি বছরে একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়। যার প্রথম সংখ্যাটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০০৭ সালে। এ বছর এসে অপর বাস্তব ৫ পা দিলো।

ব্লগকে সাধারণ মানুষের পরিচয় করিয়ে দেয়া আর ব্লগের লেখার মান আর লেখকদের সাথে সাধারণ পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দেবার একটা উদ্যোগ । আর সেই উদ্যোগের ধারবাহিকতাতেই অপরবাস্তব প্রকাশিত হয়ে যাচ্ছে। আর অপরবাস্তব প্রথম চারটি এর প্রকাশনা করছে "ছাপাকল"। এবার বইটি প্রকাশিত হয়েছে "শুদ্ধস্বর" থেকে।


অপরবাস্তব-১
প্রথম প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৭, একুশে বইমেলা
বইয়ের ধরন : মিশ্র
সম্পাদকমণ্ডলী : বাকীবিল্লাহ, কৌশিক আহমেদ, অন্যমনস্ক শরৎ, রাসেল পারভেজ, আরিফ জেবতিক, অমি রহমান পিয়াল, সাদিক মোহাম্মদ আলম, সৈয়দ সাখাওয়াৎ।
প্রচ্ছদ : রাহা
প্রকাশনা : ছাপাকল

অপরবাস্তব-২
প্রথম প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০০৮, একুশে বইমেলা
বইয়ের ধরন : মিশ্র (গল্প ও কবিতা)
প্রধান সংকলক : অন্যমনস্ক শরৎ
সহযোগী সংকলক : অমি রহমান পিয়াল, অন্ধকার, আতিকুল ইসলাম আনন, উদাসী স্বপ্ন, কৌশিক আহমেদ, নওরীন সুলতানা, নাজিম উদদীন, মনের কথা, মুজিব মেহদী, যীশু, রাসেল পারভেজ, সাদিক মোহাম্মদ আলম, সৈয়দ এহসানুল হাবিব, শওকত হোসেন মাসুম, হোসেইন, বাকীবিল্লাহ।
প্রচ্ছদ : শাহরিয়ার হাসান সুলভ
প্রকাশনা : ছাপাকল

অপরবাস্তব-৩
প্রথম প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, একুশে বইমেলা
পৃষ্ঠাসংখ্যা : ৯৬, মূল্য : ১০০ টাকা
বইয়ের ধরন : গল্পগ্রন্থ
সম্পাদক : লোকালটক
প্রচ্ছদ : বিশ্বজিৎ
প্রকাশনা : ছাপাকল

অপরবাস্তব-৪
প্রথম প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১০, একুশে বইমেলা
পৃষ্ঠাসংখ্যা : ১২৮, মূল্য : ১৩০ টাকা
সম্পাদক : লোকালটক, আবদুর রাজ্জাক শিপন ও কৌশিক আহমেদ
সহযোগী সম্পাদক : একরামুল হক শামীম ও নীরা আহমেদ অপ্সরা
প্রচ্ছদ : মাহবুবুর রহমান
প্রকাশনা : ছাপাকল

অপরবাস্তব-৫
প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০১০, একুশে বইমেলা
পৃষ্ঠাসংখ্যা : ১৬০, মূল্য : ২৫০ টাকা
সম্পাদক : কৌশিক আহমেদ, বাকীবিল্লাহ, রাশেদুল হাফিজ, রাসেল পারভেজ, অন্যমনস্ক শরৎ, লোকালটক (ফিউশন ফাইভ), সাদিক মোহাম্মদ আলম
প্রচ্ছদ : মেহেদী বানু মিতা
প্রকাশনা : শুদ্ধস্বর

অপরবাস্তব ৫ পাওয়া যাচ্ছে একুশে বইমেলায় "শুদ্ধস্বর" -এর ২৫৩-২৫৪ নং স্টলে ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29332354 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29332354 2011-02-23 02:28:21
ছবিব্লগঃ অপর বাস্তব ৫-এর মোড়ক উন্মোচন








*ছবিগুলো মোবাইলে তোলা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29329654 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29329654 2011-02-19 03:15:39
মেহেরজানঃ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ঔদ্ধতপূর্ণ বেহেয়াপনার ফ্যান্টাসী মেহেরজান এসময়ের সমালোচিত চরিত্র। এই চরিত্রের মুল উপাদান আইন ও সালিস কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত "নারীর একাত্তর" বইয়ের পৃ. ১৪৫ এর কাহিনী যেখানে বলা হয়েছে ..."...পাকিস্তানি বাহিনীর মেজর আলতাফ করিম প্রিয়ভাষিণীর জীবন বাঁচান এবং সেনাশিবিরের ক্রমাগত নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করেন ... " ব্যস।। এতটুকু তথ্যের উপর নির্ভর করে পুরো সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে একটি কাল্পনিক কাহিনীর উপর । একটি চলচ্চিত্র এমন কাহিনীর উপর নির্মিত হতেই পারে কিন্তু প্রশ্ন উঠছে মুক্তিযুদ্ধের মতো এমন সংবেদনশীল বিষয়ের এমন কাল্পনিক বয়ান নিয়ে। যেখানে পরিচালক মুক্তিযুদ্ধকে হেয় করেছেন, বীরঙ্গনাদের নির্যাতন-নিপীড়ণকে গৌণ করে বরং নির্লজ্জ প্রেমের খেলায় মেতেছেন এবং পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর হায়েনাদেরকে মানবিক বোধের মানুষ বানানোর ঘৃণ্য প্রয়াস নিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল (!!) পরিচালকের মুক্তিযুদ্ধকে ভিন্ন আঙ্গিকে বিশ্লেষনের নামে এমন পাকিস্তানপ্রেম কে ধিক্কার জানাই ।

আজকের প্রথম আলোতে রুবাইয়াত নিজেকে ডিফেন্ড করছেন । ব্লগে কিংবা যেকোন আলোচনায় পাকিস্তানপ্রেমীরা যেভাবে ইতিহাস হাতড়ে খুঁজে মরেন মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তেমনিভাবে তিনি হাতড়ে খুঁজেছেন কতজন নারী ধর্ষিত হয়েছেন, আর তার তথ্য প্রমাণ। প্রশ্ন জাগে আর কতজন নারী ধর্ষিত হলে তিনি সঠিক ইতিহাস খুঁজে পেতেন ?? নিজেকে ডিফেন্ড করতে তিনি তথ্য প্রমাণ খুঁজেন অথচ তিনি তার সিনেমা নির্মান করেছেন ঐতিহাসিক পটভূমিতে কিন্তু কল্পনার ভিত্তিতে। নাকি তিনি খুঁজছিলেন পাকিস্তানীদের মহান বানানো দলিল-দস্তাবেজ ? না পেয়ে তিনি আশাহত হয়েই এমন কাল্পনিক আখ্যানের আশ্রয়ে মুক্তিযুদ্ধকে হেয় করে বীরঙ্গনাদের যাতনাকে নিয়ে এমন রঙ্গলীলায় মেতে উঠেছেন !?! আর পাকিস্থানী মেজরকে বানিয়েছেন তার হিরো । নৃশংস পাকিস্তানী হয়েছে মহান !! এমন পাকিস্তানপ্রেম এর জন্য তাকে বাহবা পেতেই পারেন !!!!!! তবে মজার বিষয় হচ্ছে তিনি নাকি স্নাতকোত্তর পর্যায়ে থিসিস করেছেন বীরঙ্গনাদের নিয়ে !! আর নির্মাণ করেছেন ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর একটি উক্তি থেকে অথচ উনি প্রিয়ভাষিণীর উপর যে অন্যায় অত্যাচার আর নির্যাতন করা হয়েছে তা গৌণ্য করে ফেললেন।

তিনি বলেছেন ইতিহাসকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে দেখার সুযোগ আছে । হুমম .. তা ঠিক । আমরা যখন দেখি একজন বীরঙ্গনার নিযার্তনের নির্মম চিত্র ঠিক সেই ছবিটি তিনি দেখেন বীরঙ্গনার নির্লজ্জ প্রেমলীলা। এই ভিন্ন দৃষ্টিভংগি অবশ্যই উদ্দেশ্য প্রণোদিত। যে দৃষ্টিভংগি রাজাকার আর দোসরদের। এই সময়ে এই ছবি প্রদর্শনের পিছনে অন্যকোন ইন্ধন আছে কিনা গূঢ় কোন রহস্য আছে কিনা, সেভাবনার অবকাশ থেকে যায়।

মেহেরজান নির্লজ্জ ইতিহাস বিকৃতির ছবি। শহীদ-বীরঙ্গনাদের আত্মত্যাগের সাথে প্রতারণার ছবি। মুক্তিযুদ্ধকে অপমান করা ঔদ্ধতপূর্ণ, বেহেয়াপনার ফ্যান্টাসী।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29314800 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29314800 2011-01-26 15:06:33
রেটিং পদ্ধতি বাতিল করে চিকন মিয়াকে মুছে ফেলা যাবে না<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /> চিকন মিয়া - আমাদের এই ব্লগের স্বনামধন্য, গুণীব্লগার। অত্যন্ত মহান এই ব্লগার আমাদের চিকন চিকন একটা টান দিয়ে কৃতার্থ করতেন । সেই মহানুভব ব্লগারের ব্লগিং টুলস ব্লগ থেকে নির্বাসিত হওয়ায় আমি অত্যন্ত ব্যথিত, ক্ষুব্ধ এবং শোকাভিভূত । আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই ।

ব্লগ কর্তৃপক্ষ চিকন মিয়ার প্রবাদসম জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত । চিকনমিয়ার জনপ্রিয়তা দেখে এই সরকারের থুড়ি কর্তৃপক্ষের পায়ের নিচের মাটি কেপে গেছে। তাই তার ব্লগার চিকনমিয়াকে রুখতে এই হীন প্রয়াস চালিয়েছে। এই প্রয়াস এর মধ্যদিয়ে কর্তৃপক্ষ একদলীয় ব্লগ কায়েম করতে চায়। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না আমরা ব্লগ ছাড়ি নাই । চিকনমিয়ার জনপ্রিয়তাকে ভয় পেয়ে কর্তৃপক্ষ চিকন মিয়া নিষিদ্ধ করতে ভয় পেয়েছে। ব্লগাররোষ থেকে বাচতে আর চিকনমিয়াকে অপদস্ত আর নাজেহাল করতে কর্তৃপক্ষ এই রেটিং পদ্ধতি বাতিল করেছে। কর্তৃপক্ষের এই মধ্যযুগীয় বর্বরতা রুখতে হবে । এই রেটিং পদ্ধতি বাতিলের মধ্যদিয়ে ব্লগারদের কণ্ঠস্বর রোধের যে নীল নকশা করা হয়েছে তা কোনদিন সফল হবে না ।

কোন রেটিং পদ্ধতি বাদ দিয়ে চিকনমিয়ার কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করা যাবে না । ব্লগারদের জনপ্রিয় চিকন মিয়া প্রয়োজনে মোটামিয়া হয়ে কর্তৃপক্ষের এই হীন ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করবে ।

সবাই বজ্রকণ্ঠে আওয়াজ তোলেনঃ
চিকনমিয়ার ভয় নাই । ব্লগাররা মরে নাই।

রেটিং পদ্ধতি বাতিল করে চিকন মিয়াকে মুছে ফেলা যাবে না<img src=" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29312783 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29312783 2011-01-23 14:09:44
হ্যালো ডিসেম্বর হ্যালো ডিসেম্বর ।

এই গুমোট আবহাওয়ায় ঠাণ্ডা হাওয়া আরো মনটাকে বিষন্ন করে দেয় । মন চায় লেপমুড়ি দিয়ে ঘুম আর পিঠে পায়েশ খেয়ে দিব্যি আয়েশ করতে ...

আহারে <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29284590 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29284590 2010-12-06 10:46:49
রাজনীতির নানান তালের একতাল হলো হরতাল রাস্তাঘাট ফাঁকা-ফাঁকা, অফিস-আদালতে ঢিলেঢালা ভাবে কাজকর্ম, ভিআইপি রাস্তায় অবাধে রিকশার আসা যাওয়া, সারা দেশ জুড়ে একটা ছুটির আমেজ- এই হলো হরতালের মাজেজা। আর সন্ধ্যার পরেই আমরা মহান বাণী পাবো, পাবো সরকার আর বিরোধী দলের অভিনন্দন। সরকার বলবে, জনগন হরতাল প্রত্যাখান করেছে আর বিরোধী দল বল বলবে জনগণ স্বতফুর্ত ভাবে হরতাল পালন করেছে । আর আমরা দু'জনের সাথেই মাথা ঝোকাবো , বলবো হুমমমম.......

সামনে শীতকাল, সামনে ভয়াবহ সময় । সামনে রাজনীতির নানা তালে আবারো বেতাল হবার সময় হলো... ঈশ্বর জানে আমজনতার কপালে কি আছে ?? ঈশ্বর আমজনতার সহায় হোন ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29280883 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29280883 2010-11-30 16:14:57
খালেদা জিয়াকে একটা বাড়ি কিনে দিতাম কিন্তু আমার মন খারাপ হয়ে গেল আমি হাউমাউ করে কাদঁতে শুরু করলাম, ভাইয়া আমার কান্নাকাটি দেখে মেলা থেকে টেনে হেঁচড়ে আমাকে বাড়ি নিয়ে এলো। মেলা থেকে বাড়ি ফিরেও আমার কান্না । ভাইয়ার ওপর আমার প্রচণ্ড রাগ হচ্ছিল। আমার মনেহয় ক্ষমতা থাকলে সেদিন আমিও সব পত্রিকা-চ্যানেল ডেকে একটা প্রেস ব্রিফিং করতাম ভাইয়ার বিরুদ্ধে। [তবে এটা ঠিক হরতাল দিতাম না <img src=" style="border:0;" /> ]
আজ এতোদিন পর মনে পড়ল সেই শৈশবের কান্নার কথা । আজ বুঝি ভাইয়ার তখন সামর্থ্য থাকলে মেলা থেকে আমার গাড়ি কিনে দিতো , ওমন কান্না দেখলে যে কারোই মন খারাপ হবার কথা । আজ আমার মনে হলো আমার সামর্থ্য থাকলে খালেদা জিয়াকে একটা বাড়ি কিনে দিতাম। খালেদা জিয়ার কান্না দেখে বুঝি কোন পাওয়ার বাসনা পুরণ না হলে কেমন লাগে!! এই মহিলাকে আরেকবার কাদঁতে দেখেছিলাম ওনার সন্তানদের জন্য। ব্যক্তিগত সন্তান-সম্পত্তির জন্য মহিলার ব্যাপক মায়া। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29271742 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29271742 2010-11-14 02:35:32
মোবাইল সেট নিয়ে অদ্ভুত প্রতারণা আপনি তার ফাদেঁ পা দিলেন, টাকা দিলেন সে খুশিতে গদগদ হয়ে পারলে আপনার পা ধরে সালাম করে আপনার হাতে সেটটা দিয়ে টাকা নিয়ে চলে গেল । আপনার হাতে যে সেটটা এলো সেটা আপনি হয়তো হাতে নিয়ে একটু আগেই দেখেছেন, এবার ভালো করে খেয়াল করে দেখলেন এটা আসলে সেট নয় স্রেফ সেটের একটা খাপ । খাপের ভিতরে মাটি অথবা এমন কিছু দিয়ে মোটামুটি সম ওজনের সেট বানানো হয়েছে । আসল সেটটা সে শুধু পরীক্ষা করার সময় আপনাকে দেখিয়েছিল আর দেবার সময় নকল সেট দিয়েই সে চম্পট ।
প্রতারণার কত সব অদ্ভুত পন্থা । তাই সাবধান, যারা সস্তায় এমন সেট চান।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29269514 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29269514 2010-11-10 00:07:48
হাতীরপুল-কাঁঠালবাগান সংলগ্ন আটতলা ভবন হেলে পড়েছে ভবনটির অবস্থান বাংলামটর সোনারগাঁও সড়কের লিংক রোড সংলগ্ন নির্মানাধীন নাসির টাওয়ারের পাশে ।
কেউ কি কোন আপডেট জানেন ??

বিডিনিউজ আপডেট:
রাজধানীতে ভবন হেলে পড়েছে
রাজধানীর কাঠালবাগান এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবন হেলে পড়েছে। রোববার রাত সোয়া ১১টার দিকে হায়দার টাওয়ার নামের ছয়তলা ভবনটির পিলার ভেঙ্গে নিচের তলাটি দেবে যায়। এরপর ভবনটি পূর্ব দিকের আরেকটি বহুতল ভবনের দিকে হেলে পড়ে।

ঘটনাস্থল থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদক জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভবনটির আশপাশে অবস্থান নিয়েছে। রাত সোয়া ১২টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও ঘটনাস্থলে আসে।

প্রতিবেশীরা জানান, ভবনটি নির্মাণাধীন বিধায় এতে তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া কারো থাকার কথা নয়। তারা হতাহতের কথা কিছু বলতে পারেননি।

তবে তারা জানিয়েছেন, ভবনটির তত্ত্বাবধায়ক আব্বাসকে পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে খোঁজা হচ্ছে।

পাশের আরেকটি নির্মাণাধীন ভবনের তত্ত্বাবধায়ক তোফাজ্জল হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সকাল বেলায় ভবনের নিচের দিকে ফাটল দেখা যায়। তখন হেলে পড়া ভবনটির মালিক আলমগীর হায়দার কিভাবে কী করা যায় সে ব্যাপারে নির্মাণ কাজের দায়িত্বে লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন।

তোফাজ্জল জানান, সন্ধ্যা থেকে ফাটল বেড়ে যায়। রাতে সোয়া ১১টার দিকে নিচ তলাটির পিলার ভেঙ্গে দেবে যায় এবং পূর্ব দিকে হেলে পড়ে।

গত ১ জুন রাজধানীর বেগুনবাড়ি এলাকায় একটি পাঁচতলা ভবন ধসে অন্তত ২৫ জন প্রাণ হারায়। এর তিনদিন পর একই এলাকায় সাততলা আরেকটি ভবন হেলে পড়ে। প্রায় একই সময় তেজগাঁওয়ের নাখালপাড়ায় আরেকটি পাঁচতলা ভবন হেলে পড়ার খবর পাওয়া যায়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29268468 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29268468 2010-11-08 00:36:48
রূপগঞ্জঃ পক্ষ-বিপক্ষ আর নিরপেক্ষ এই পক্ষ-বিপক্ষ আর নিরপেক্ষ অবস্থানে অংশ নেয়ার পিছনে আমাদের কোন বোধ না স্বার্থ কাজ করে ?

আমার নিজের খুব সাদামাটা নিত্য সাধারণ উদাহরণ দেই ।
আমি যখন রাস্তায় গাড়িতে থাকি তখন রিক্সাচালকদের বিশৃংখল আর বেপোরয়া গতিতে খুব বিরক্ত হই । আর কোনভাবে যদি গাড়ির সাথে রিক্সা লেগে যায় তাহলে আমার ভদ্রতার বালাই ফেলে মুখ দিয়ে গালিও বের হয়ে যায় । ধরে নেই এইসব ক্ষেত্রে দুই পক্ষেরই দোষ আছে।

আবার এই আমিই যখন রিক্সায় থাকি তখন সেই গাড়ি চালকদের বিশৃংখল আর বেপোরয়া গতিতে আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। যদি কোনভাবে রিকশায় লাগে আমি গাড়ির চালকের কলার ধরতে উদ্যত হই। ধরে নেই এইসব ক্ষেত্রে দুই পক্ষেরই দোষ আছে।

আবার আমি যখন দর্শক, ধরুন আমার সামনে এমন ঘটনা ঘটলে আমি উভয় পক্ষের দোষ নিরুপনে ব্যস্ত হই।

পক্ষ-বিপক্ষ আর নিরপেক্ষতা অবলম্বনে ফ্যাক্টরগুলো কি এমনই নয়??
নির্ভীক চিত্তে আলোচনায় অংশ নিন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29262330 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29262330 2010-10-27 14:18:04
প্রসংগঃ ১৮+ ট্যাগিং " style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> সুযোগ দিয়ে গেলেন । বলাবাহুল্য জীবনের সব পরীক্ষায় সবাই উর্ত্তীন হন না , তার প্রয়োজনও হয় না ।

কিন্তু ইদানিং ব্লগের ১৮+ ট্যাগিং বেশ রহস্যপূর্ণ (!!)। বাস্তবজীবন অভিজ্ঞতা, গল্প-কবিতা-ছড়া এমন কি সচিত্র আদিরসের এমন পোস্ট , পোস্টদাতার রসবোধকে প্রশ্নবিধ করে । তিনি কি ভুল করে এ ব্লগে নাকি আমি ?? তবে এমন পোস্ট করার জায়গা কিংবা রসাস্বাদনের জায়গা কি ওয়েবে কমে যাচ্ছে ?? যার জন্য একটি কমিউনিটি ব্লগে এসে এমন পোস্ট করে ১৮+ ট্যাগিং এর এমন দায়সারা ব্যবহার অনার্থক ।

এই ব্লগের নাম উচ্চারণের ক্ষেত্রে আমরা হরদম বলে থাকি এটি একটি কমিউনিটি ব্লগ কিংবা সামহোয়্যার ইন ব্লগ পরিবার । নিজের পরিবারে যে দায়িত্ব পালনে আপনি সচেস্ট তার খানিকটা দায়িত্ব (খুব কঠিন কোন দায়িত্ব নয়, কুরুচীপূর্ণ কাজগুলো না হয় এখানে নাই করলেন) না হয় এই ব্লগ পরিবারের জন্য করলেন । সব বয়সী ব্লগারদের কথা মাথায় রেখে পোস্ট করুন, সকল ব্লগের কাছে মিনতি।
আপনার ব্লগিং অভিজ্ঞতা আনন্দময় হোক, সৃজনশীল হোক । হ্যাপী ব্লগিং ।।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29259921 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29259921 2010-10-23 13:44:53
সামহোয়্যার ইন ব্লগারগণঃ কে কোথা থেকে ব্লগিং করছেন ..... কেউ বাসায়, কেউ অফিসের বসের চোখ ফাকি দিয়ে, কেউ সাইবার ক্যাফে বসে । কেউ দিনে, কেউ রাতে বউকে ঘুম পারিয়ে রেখে কেউ দেশে , কেউ প্রবাসে । নানাভাবে , নানা জায়গায় থেকে ব্লগিং করছেন ... সেইসব নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ব্লগাররা এমনকি দেশের আনাচে কানাচে কে কোথা থেকে ব্লগিং করেন তা কিন্তু সবার জানা হয়ে ওঠে না । সেই বাসনা থেকেই এমন একটি পোস্ট করেছিলাম ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ "সামহোয়্যার ব্লগারগণঃ কে কোথা থেকে কিভাবে ব্লগিং করছেন" তখন অনেকেই শেয়ার করেছিলেন কে কোথা থেকে কিভাবে ব্লগিং করেন (তাদেরটা জানতে পোস্টের লিংক ক্লিক করুন) । এরপর অনেকদিন পেরিয়ে গেছে; এর মাঝে এই ব্লগে যুক্ত হয়েছেন, হচ্ছেন অনেক ব্লগার । তাদের ব্লগ গুলো কোত্থেকে লেখা হয় ??
আপনাদের সকলকেই আমন্ত্রণ, আপনাদের মন্তব্যের জন্য ....
আগের পোস্টের মন্তব্যগুলো, কে কোথা থেকে ব্লগিং করেন
১.এরশাদ বাদশা : সুন্দর পোস্ট। আমাকে দিয়েই শুরু হোক অভিজ্ঞতার গল্প। আমি আবুধাবীতে থাকি। কবিদা মোস্তাকিম রাহী নেট ঘাটতে ঘাটতেই একদিন সা,ইন এর সন্ধান পেলেন। দেখতাম, দিন নেই রাত নেই বসে আছেন ব্লগ নিয়ে। প্রথম প্রথম খুব অনীহা দেখাতাম, আপনার কলিগদের মতো। তারপর একদিন ভাইয়ার পীড়াপীড়িতেই বসলাম। ভাইয়া বলো, তোর সাহিত্য কর্ম গুলোর কোন গতি করতে চাইলে এটাই সুযোগ। ছেড়ে দে ব্লগে। কেউ পড়লে ভালো , না পড়লেও ক্ষতি নেই। অনলাইনে লেখাগুলো থাকলো। তার কথা মতো শুরু হলো ব্লগিং। প্রথম পোস্ট করলাম আমার সবচাইতে প্রিয় গল্প সহযাত্রী। প্রথম দিকে তেমন রেসপন্স পাইনি। তবে যারা পড়েছেন, তারা উচ্চকিত কন্ঠে প্রশংসা করেছেন। এভাবে সা,ইনের সাথে যুক্ত হলাম। এখন লেখা পোস্ট করলে সাহিত্য মনা ব্লগারগন এসে ভীড় করেন। খুব ভালো লাগে যখন তারা প্রেরণা দেন।
২.সাদিক তাল : জ্বি স্যার... আপনার পাল্লায় পড়ে আজকে আমার এহাল....যাকে বলে গুরু মেরে জুতা দান । আমার মাঝে বেশ মজা হয়, শেয়ার বাজার ফেলে যখন ব্লগিং করি... হিহি... মানে বাজারে যেদিন বেচাকেনা কম, কাম শেয়ারের হাউজে... হে হে
৩.বিবর্তনবাদী: এইবার আমার পালা। আমি ব্লগিং করি পুরান ঢাকার বাসা থেকে। ব্লগিং বয়স মাত্র ৩ মাস ১ সপ্তাহ। আপনে যদি দেড় বছরের ব্লগিং এ বসতে শিখেন, তো আমি এখনও মায়ের কোলেই আছি। মূলত, সারা রাত ব্লগে থাকি। তো ব্লগ পড়ি-লিখি বইলা ঘুম আসে না, নাকি ঘুম আসে ন বইলা ব্লগ-পড়ি লিখি ঠিক বুঝি না।
ইউজ করি ডায়াল আপ। আগে মাসে ৩০০ টাকার কার্ড কিনতাম ১০০ ঘন্টা (ও-নেট)। এখন মাসে আর ৩০০ টাকায় কুলায় না। ছাত্র এসএসসি দিবে এইবার, তারপর কামাই বন্ধ। তারপর ব্লগিং কেমনে করব জানি না। তা ব্লগিং কইরা যদি কামাই করা যায় খারাপ হয় না। এখন যে হারে ব্লগিং করতেছি, পাবলিকে পয়সা দিলে বর্তমান বাজারে না খাইয়া থাকতে হইব না।
৪. লাভলুদা: আপনার পোস্টটি এতই ভাল লেগেছে যে, লগইন করে কমেন্ট করার লোভ সামলাতে পারলাম না। <img src=" style="border:0;" />
আমি ব্যক্তিগত ভাবে ব্লগ লিখি সেই ২০০৫ সাল থেকে (ইংরেজীতে)। সা.ই এ রেজিস্ট্রেশন করি সেই ২০০৬ এর প্রথম দিকে। কিন্তু ব্যবহার না করার ফলে আমার ব্লগটিতে কিছু সমস্যা হয়। ২০০৭ এ আবারো রেজিস্ট্রেশন করি। আর অফিস বলেন আর বাসায় বলেন , সব সময় সা.ই. একটা ব্রাউজারে খোলা থাকে।
ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
৫. জমির মাতব্বর : ২০০৬ সালে ঢোকা হতো বেশ। রেজিস্ট্রি করিনি তখন। দেশে ফেরার পর আবার আগ্রহী হলাম। আমি যে কোচিং সেন্টারে (প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়) পড়াই সেখানে আমার রুমে ফ্রি থাকলে পড়া হয়। লেখা হয় কম। বাসায় আমার পিসির সঙ্গে টিভি কার্ড, বউ ব্যস্ত রাখে। তারপরও একাডেমিক পারপাস যখন কাজ করি, তখন দেখা হয়। আশা আছে নিয়মিত হওয়া
৬.মুকুল : মহান মুকুল নোয়াখালী থেকে তাঁর নিজ বাড়ীতে বইসা ব্লগান।<img src=" style="border:0;" />
৭. মৈথুনানন্দ : আমি রেভল্ভিং চেয়ার থেকে শাল মুড়ি দিয়ে ব্লগিং করছি।
৮. মিয়াবেপারী: সহজে যে সহজ কথাটা যায় না বলা........
নিজের বয়স তো কেউ আর ঘটা করে বলতে চায় না...
ব্লগ এ লিখা বা ব্লগের আধীকারি হয়ে ব্লগবাসী হওয়া একটা বিষয় বটে.....
আগে ঠিক বুঝে উঠতে পাড়ি নাই ব্লগ কি ?
আমার ব্লগ দেখেন মোট পোস্ট এর সংখ্যা ৭৭টি,
মন্তব্য করেছি ৮৭টি, মন্তব্য পেয়েছি ১৯৯টি,
ব্লগ এর বয়স হয়েছে ১ বছর ৮ মাস .....
লিখি কেমন তা জানি না তবে পড়ি যখন সময় পাই তখনই পড়ি...আমি একজন প্রবাসী ব্লগার সুদুর লিবিয়া থেকে.....
নোট : এমনই এক লেখার ভাবনা আমার মাথায় ঘুরতে ছিল.....
ধন্যবাদ আপনাকে
৯. শামীম রিয়াজ: আমি ব্লগ পড়ছি ২০০৭ এর গোড়া থেকে, মাঝে মাঝে ব্লগ খুলে পড়তাম। রেজিস্ট্রেশন করেছি মাস চারেক হল। তেমন লিখিনা, পড়তেই বেশি ভাল লাগে!
তাই বলা যায় ব্লগ পড়ি লন্ডন থেকে, ধন্যবাদ।
১০.শামীম রিয়াজ : ও আচ্ছা, এই ব্লগের সন্ধান কি করে পেলাম সেটা বলা হয়নি...ব্লগস্পটে সামীহা এষা নাম্নী এক ব্লগার এর লেখা থেকে এই ব্লগের বিষয়ে প্রথম জানতে পারি।
১১.!গন্ডার :মহান গন্ডু ইউনির ডর্ম থাইকা ব্লগান,ব্লগ বয়স ১ দিন কারন তিনি খুব ঘনঘন পুনরজন্ম গ্রহন করতে হয় মহান মডুরামদের কৃপায়।
* পোস্ট করেছেন: ৩টি
* মন্তব্য করেছেন: ৭৯টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ৭৬টি
* ব্লগ লিখছেন: ১ দিন ১৩ ঘন্টা
* ব্লগটি মোট ৫১৮ বার দেখা হয়েছে
১২. নরাধম: নরাধম ব্লগিং করেন বাসায় লেপটপ অথবা ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরী থিকা।
ব্লগার পরিসংখ্যান
পোস্ট করেছেন: ২৬টি
মন্তব্য করেছেন: ২৭০০টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ১০৯৯টি
ব্লগ লিখছেন: ৩ মাস ৪ দিন
ব্লগটি মোট ১২৮৭২ বার দেখা হয়েছে
১৩. রাশেদ : আমি হল থাইকা আর ডিপার্টমেন্টের পিসি থাইকা বল্গাই।
* পোস্ট করেছেন: ২২টি
এভাবেই বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ অবসরের সঙ্গী হয়ে গেলো।
১৪.হট্টগোল :
ব্লগ লিখছেন: ৮ মাস ১ সপ্তাহ
কিন্তু মাল আমি বহুত পুরান। পাশ্চাত্য থেকে ব্লগাই। অফিসে ধুন্ধুমার ঝাড়ি খাইছি ব্লগিংয়ের লাইগা। তারপরও অফিসে ব্লগিং করি। বাসা থেকে তো বটেই।
বন্ধুর মারফত সামহোয়ারের খোঁজ পাই। রাজাকারি অত্যাচারে ব্লগিং ছাড়ছি/ আবার ফেরত আইছি।
১৫.েজবীন : মেসেন্জারের এক ফ্রেন্ড দিলো সা.ইন এর খোজঁ,বাসার থেকে ব্লগাই, ভাইটা অফিস থেকে ফিরলে উৎখাতিত হই বড়ই স্বৈরাচারী কায়দায়<img src=" style="border:0;" /> লেখতে পারিনা , পড়তে আর বন্ধুদের খুচাতেই ব্লগে আসা হয় বেশি<img src=" style="border:0;" />
১৬. ব্লাডি ডে : From my keyboard, any where i seat or my heart wants! though it ain't my passion yet because of language!
but i think i'll gonna like it!
১৭.রাগিব : ভুট্টা ক্ষেত থেকে লিখি। ১০ এমবিপিএসের ব্রডব্যান্ড লাইন, কখনোবা ল্যাবের গিগাবিট স্পিডের লিংক থেকেও <img src=" style="border:0;" />
অনেক আগেই এই ব্লগ দেখি, তবে ইউনিকোড হওয়ার আগে রাগ করে লিখিনি।
১৮. বাবুই : আমি বলগাই আপিস তেকে।
শুককুর বার বলগাই না। কারণ ওই দিন আমার ডে অপ।
পড়ি বেশি, লিখি কম।
বুঝি বেশি, বোঝাই কম।
ও হ্যা, +
১৯.সামী মিয়াদাদ : অফিস, ইউনির কম্পু ল্যাব, সাইবার ক্যাফে, আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধবের বাসা কোনটাই বাদ নাই...শুধু এখনও পর্যন্ত নিজের বাসা থেকেই করা হলোনা...তবে বেশী করা হয় অফিস থেকে.....আগের রাতে লিখে পরেরদিন ব্লগে এসে প্রকাশ...সেই কারনে রাতে অনুপস্হিত থাকতে হয়....শুক্রবার ইউনি থেকে ব্লগানো হয়....
২০. প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব: আমি বলগাই আপিস তেকে।
শুককুর বার বলগাই না। কারণ ওই দিন আমার ডে অপ।
পড়ি বেশি, লিখি কম। ইদানিং ব্লগ এ কম ঢুকি
বুঝি বেশি, বোঝাই কম।
ও হ্যা, +
২১. আহমাদ মুজতবা : ami age basai pc theika bloggai tam...rat jaiga jaiga kintuk ekhon cafe theika bloggaitasi..hai re seidin ki r ase?? din bodlaise na..no prob abar ashbe hoitoba kokhono . lol.
পোস্ট করেছেন: ২৮৭টি
মন্তব্য করেছেন: ২৫৮৩টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ৩৬৯৫টি
ব্লগ লিখছেন: ১১ মাস ৩ সপ্তাহ
ব্লগটি মোট ৪১৮৯২ বার দেখা হয়েছে
২২. নেহার পুরকায়স্থ : কবি নই, লেখকও নই। তবুও ব্লগাই। অফিসে কাজের ফাঁকে ব্লগ লিখি এবং পড়ি। আমার শহর সিলেট।
২৩.নাজিরুল হক : ব্লগের আমার ব্লগীং বয়স সো করছে ১ বছর ৬ মাস। কিন্তু আমি দুই বছরেরও বেশী সময় ধরে ব্লগাইতেছি। <img src=" style="border:0;" />
গুগলে মাই বাংলা লিখে সার্চ দিয়া এই সামহোয়ার পাইছি। সেই সার্চে যে লিংকটি ছিল সেটা সম্ভবত এস এম মাহমুব মুর্শেদের ক্রন পোষ্ট ছিল। সেদিনই রেজি করলাম।
পরদিন কোন মেয়ে ব্লগার যেন তাজমহল ভিজিট করে সেই ছবি দিয়ে পোষ্ট দিয়ে ছিল। সেই ব।লগারের নামটা মনে নেই। কারণ পরে মাঝে কয়েকদিন ব্লগে আসতে পারিনি। আমি সেটাতে কমেন্টও করেছিলাম।
বর্তমানে বাসা থেকে বলগাই। অফিসে নেট ব্যাবহার কইরা একবার সে মাসের রিপোর্ট দিয়েছিলাম পরের মাসের ৬ তারিখ। এর পর থেইকা বসের পেদানী খাইয়া আর অফিসে বইসা বল্গাই না। <img src=" style="border:0;" />
২৪. জেনারেল :আমি ব্লগিং করি নাজিরুল ভাইয়ের পাশের দেশ কাতারের দোহা থেকে।
হোটেলে (দোহার সিটি সেন্টারের পাশে) পিয়াজ কাটি, চোখে পিয়াজের ঝাজ লাগলে ব্লগিং করি।
২৫. তারার হাসি: আমি এই মাত্র সেদিন এর সন্ধান পেলাম আনন্দ আলোতে...কমপিউটার বিভাগে। এখানে যখন দেখলাম সবার ব্লগ, আমার খুব কস্ট হচ্ছিল, আমি এত পরে জেনেছি কেন? তোমরা কেঊ আমাকে ডাকনি , আমি খুব রাগ করেছি ।
:-(
২৬. সাইফুর :
ব্লগার পরিসংখ্যান
* পোস্ট করেছেন: ৩৩টি
* মন্তব্য করেছেন: ৫৫৫৫টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ১১৬৮টি
* ব্লগ লিখছেন: ৬ মাস ১ সপ্তাহ
* ব্লগটি মোট ১২০৫৮ বার দেখা হয়েছে
দিনে অফিস থেকে করি..তাই ব্লগে কমেন্টস বা পড়াটা কম হয়
রাতে বাসা থেকে করি..
২৭. পিক্সেল:
পোস্ট করেছেন: ১০টি
মন্তব্য করেছেন: ২১১টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ১৫৫টি
ব্লগ লিখছেন: ৩ সপ্তাহ ২ ঘন্টা
ব্লগটি মোট ২৬৬৩ বার দেখা হয়েছে
দিনে রাতে যখন অবসর পাই সবসময় বাসা থেকে করি।
গুগলে এটার খোজ পেয়েছি। এসেই তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলাম। আমার ব্লগে গেলে বুঝতে পারবেন।
যাক ধীরে ধীরে সবার আপন হবো।
২৮. সাঈফ শেরিফ: "আমার বয়স ১ বছর ৬ মাস".............আমারও বয়স ১ বছর ৬ মাস <img src=" style="border:0;" />.......... +
২৯. শান্তির দেবদূত: পোস্ট করেছেন: ৭টি
মন্তব্য করেছেন: ৯৪টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ৬০টি
ব্লগ লিখছেন: ২ সপ্তাহ ৪ দিন
ব্লগটি মোট ১১২২ বার দেখা হয়েছে
আমি নতুন , পাছার ফুল এখনো পরে নাই <img src=" style="border:0;" />।
বলগাই ল্যাব অথবা হোস্টেল থেকে। মালয়েশিয়াই আছি। কেন যে এত দেরিতে সাইটার খবর পাইলাম !!!
৩০. বকলম:
* পোস্ট করেছেন: ৬৭টি
* মন্তব্য করেছেন: ১৯১৩টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ৮১৯টি
* ব্লগ লিখছেন: ১ বছর ৫ মাস
* ব্লগটি মোট ১০৩৫৬ বার দেখা হয়েছে
ব্লগিং করি সৌদি আরব থেকে।(অনেকের আবার এই নামটির প্রতি এ্যলার্জি আছে, তাদের বিশ্বাস এখানে খুবই নিম্ন বুদ্ধি সম্পন্ন এবং নিম্ন পেশার বাঙালিরা থাকে)
ব্লগের ঠিকানা পাই ব্লগার সারিয়া থেকে।
পোষ্টের সংখ্যা অতি নগন্য। ব্লগ পড়ি তবে কমেন্ট করি কম পোষ্ট তারও কম।
ব্লগাই অফিস থেকে, বিড়ি ফুকি আর ব্লগাই, ব্লগাই আর বিড়ি ফুকি। অফিসের কোন কাজ আসলে কই বিজি আছি ।
৩১. অচেনা বাঙালি: এক বন্ধু ইত্তেফাকের একটা লিংক পাঠায় যেইখানে ওমর আল জাবির মিশোদের তৈরি পেজ ফ্ল্যাক্সের সেরা সাইট হওয়ার খবর ছিল। সেইখান থেকে মিশোর ব্যক্তিগত সাইটের লিংক পাই। আমার দেখা সর্বশ্রেষ্ঠ হোম পেইজ। তারপর মিশোর ইংরেজি ব্লগ সেখান থেকে সামিহা এষার ইংরেজি ব্লগে যাই। সামিহা এষার ব্লগে এই সামহয়ারইনের খোঁজ পাই। যদিও দুঃখের বিষয় পরবর্তীতে সামিহা এষাকে বাংলা ব্লগে ইংরেজি পোস্ট করার জন্য কয়েকবার জ্বালিয়েছি।
রেজিঃ করার(ডিসেঃ ০৬) পর টুকটাক লিখতাম । তখন ছাগুদের অত্যাচার ছিল প্রবল। ছাগু ঠাপাইতে ঠাপাইতে এ-টিমে ঢুকে যাই। এর মধ্যে কর্তৃপক্ষ ঘাড় ধইরা বের করে দেয়। তারপরও এই ব্লগের মায়া কাটাইতে না পাইরা আবারো আসি।
ব্লগিং করি অফিস থেকে। অফিসে যতক্ষণ থাকি ব্লগ খুলে হা করে তাকায় থাকি। ব্লগ দেখার ফাঁকে অফিসের কাজ করি।
৩২. তারার হাসি:
আমি সবার ছোট, আমার বয়স মাত্র ২ সপ্তাহ ৪ দিন।
কি মজা !
৩৩. সু-শান্ত: ভালো পোস্ট। আমি ব্লগাই অফিস থেকে। অফিস টা লন্ডনের সেন্ট্রাল জোনে।
প্রথম নাম শুনি নাসিম নামে এক বন্ধুর কাছ থেকে। প্রথম সামওয়ার দেখে ভেবেছিলাম এটা জামাত ইসলামির অফিসিয়াল ব্লগ। তাই অনেক দিন ভুলে ও এদিকে আসিনি। পরে রেজওয়ান বলল যে যেহেতু অনেক প্রো-৭১ ব্লগার এখান থেকে চলে গেছে কাজেই এটা জামাতি মনে হতেই পারে তাই বলে জামাতিদের খালি মাঠে গোল দেওয়া উচিত হবে না।
একথা শুনার পর রেজি করেছি , এখনো আছি। কয়দিন থাকা যাবে কে জানে!
৩৪. মুকুট: ধন্যবাদ,এই পোষ্টের জন্য!
আমি আমার পার্সোনাল চেম্বার (ইউনিভার্সিটির ) থেকে আপনাদের সাথে আড্ডা দেই! ঢাকা থেকে
৩৫. অমি রহমান পিয়াল: অফিস থেকে লগিন, বাসা থেকে ব্লগিং
৩৬. মিরাজ : ইউনিভার্সিটি এবং বাসা দু জায়গা থেকেই লগ ইন এবং দুই জায়গা থেকেই ব্লগিং ।
ইউনিভার্সিটি সেন্ট্রাল লন্ডনে এবং বাসা পূর্ব লন্ডনে ।
৩৭.ফারজানা মাহবুবা:
বাপরে! ধন্যবাদ প্রাপ্য করে নিতে হলে তো বলতেই হয়-
ব্লগে স্ব-ইচ্ছায় আসিনি, সন্ধ্যাবাতি টেনে টেনে আনছে। বলতে গেলে ধরিয়া বাঁধিয়া টানিয়া আনিয়া ছাড়িয়া দিয়াছে!
ব্লগ করি নিজের রুম থেকে <img src=" style="border:0;" />
৩৮. আবাবিল: মফস্বলের এক বড় ভাইয়ের ফোন পাই সা. ইন বিষয়ে। কয়েকবার তাড়া দেয়ার পর খুজে বের করি। লিখতে শুরু করি। ঢুকেই গালিবাজদের কবলে পড়ে কয়দিন চোখে কানে শর্ষে ফুল দেখি। পরে পাল্টা ব্যাবস্থা নেই।
ডিসেম্বরের প্রথম থেকে আছি। ঢাকায় নিজ বাসভবনের কম্পিউটার রুম থেকে লিখি।
ছোট বোনটা পাশে বসে পড়ে কিন্তু রেজিস্ট্রেশন করার সাহস পায়না। কারণটা বুঝতেই পারছেন। কদিন ধরে শুনি প্লান করছে এমনভাবে ঢুকবে যেন কেউ বুঝতে না পারে ছেলে না মেয়ে। কোন নিক নেবে সে বিষয়ে পরামর্শ করে কয়েকবারই।
ক্লাস পুরোদমে শুরু হলে অনিয়মিত হতে হবে।
৩৯. মেহরাব শাহরিয়ার: ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে ভার্সিটির ক্যাফেতে যাওয়ার পথে দু'বন্ধুকে হিমু ভাইয়ের লেখা নিয়ে আলাপ করতে শুনলাম । নটরডেম কলেজে পড়ার সময় থেকেই হিমু ভাইকে চিনতাম , কিন্তু কোথাকার কোন লেখা নিয়ে আলাপ হচ্ছে ধরতে পারিনি ।
এর পরপরই যে শব্দটা শুনলাম সেটা "সামহো্য়্যার ইন" । আমার এক বন্ধু তাঁর কিছুদিন আগেই তার "সামহোয়্যার ইন" নামক এক নরওয়েজিয়ান মালিকানাধীন আইটি ফার্মে ইন্টারভ্যু দিতে এসে ঘটে যাওয়া মজার অভিজ্ঞতার কথা বলেছিল । আইটি ফার্ম , সেটার মাঝে আবার লেখালেখি কি জিনিস , মেলাতে পারলাম না । জিজ্ঞেস করেই ফেললাম , জানলাম "সামহো্য়্যার ইন" এর একটি বাংলা ব্লগ থাকার কথা ।অনেক আগেই ব্লগ কথাটার সাথে পরিচয় ছিল অনেক আগে , কিন্তু কেন যেন কখনো ব্লগ কি জিনিস , খুলে দেখার উৎসাহ পাইনি ।
২০০৭ এর জানুয়ারীর প্রথম দিন হিমু ভাইয়ের ব্লগ খুঁজে বের করলাম , যতই পড়লাম মুগ্ধ হলাম । এর পর আর পেছনে ফিরে তাকাইনি । ৪ঠা জানুয়ারী , ২০০৭ ব্লগে রেজিস্ট্রেশন করলাম,রেজিস্ট্রেশনের পর প্রথম পড়েছিলাম "মিথিলা তালুকদার" এর একটি পোস্ট । ভালো করে বুঝতে পারলাম না , তাই শুরু থেকে মিথিলার সবগুলো পোস্ট পড়ে আসতে হল । সবগুলো পোস্ট পড়ার পর ভীষণ আবেগমথিত হয়েছিলাম , ব্লগ জয়েন করার প্রথম প্রহরেই প্রতারণার খপ্পরে পড়ে গেলাম ।মিথিলা নাটকের তখন শেষ অঙ্ক চলছে।মাত্র দশদিন পর মিথিলার ভার্চুয়াল মৃত্যু সবার মত আমাকেও ভীষণ নাড়া দিয়েছিল ।
মাঝে আড়াই মাস ছাড়া বাকিটা সময় নিয়মিতভাবেই ব্লগ পড়েছি ।
পোস্ট করেছেন: ৩৭টি
মন্তব্য করেছেন: ১৮৯৩টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ৮৮৯টি
ব্লগ লিখছেন: ১ বছর ১ মাস
ব্লগটি মোট ১৬৬৪৩ বার দেখা হয়েছে
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
৪০. মেহরাব শাহরিয়ার: ব্লগিং করেছি বাসায় বসে , বা বুয়েটের হলে বসে ।
তবে আরও বিস্তারিত বলতে গেলে , ব্লগ থেকে কখনো দূরে যেতে পারিনি । সুন্দরবন , যমুনা বা পদ্মার বুকে , গ্রামের বাড়িতে বসেও ব্লগিং চালিয়ে গেছি
৪১. মাহবুব সুমন: গুগলে সার্চ করে সামহো্য়্যারইন ব্লগের সন্ধান পাই।
মুলত বাসা থেকেই ব্লগ লিখি ও কমেন্ট করি।
অফিস থেকে ব্লগাই না (কারন কাজের সময় অন্য কিছু করতে চাই না)।
বাংলা টাইপ করা শেখা ব্লগের মাধ্যমেই।
ব্লগ পড়তেই বেশী ভালো লাগে, কমেন্ট করতেও।
ব্লগ লিখতে ভালো লাগে না এখন আর তেমন একটা।
৪২. বুমবুম: নেট ঘাটতে যাইয়া খোজ পাই ২০০৬ এ।রেগুলার পড়তেছি ২০০৭'র মিডল থেকে।পড়তে পড়তে ২০০৭'র শেষের দিকে রেজি করলাম।<img src=" style="border:0;" />
বলগাই ল্যাপটপ থেইকা বাসায় অফিস সবখানে।সকালে অফিসে আইসা মেইল চেক না কইরা আগে চেক করি সা.ইন।বুঝেন ঠ্যালা!!!<img src=" style="border:0;" />
পরিসংখ্যান খুবই খারাপ
পোস্ট করেছেন: ১৭টি
মন্তব্য করেছেন: ৩৬২টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ১০৫টি
ব্লগ লিখছেন: ১ মাস ২ সপ্তাহ
ব্লগটি মোট ১৩০৭ বার দেখা হয়েছে
৪৩. কানার বাজার: আমাদের ভার্সিটি'র ক্লাসমেট দের ইয়াহু গ্রুপ এ রাগিব ভাই এর কোনো একটা লেখার লিঙ্ক দেয়া ছিলো। বহুদিন খোলা হয়নি। একদিন আড্ডায় কোনো ভাবে ঐটার কথা আসলো আর আমি গাধা বনে গেলাম।
পরদিন অফিসে গিয়ে প্রথম কাজটা করলাম এখানে রেজিস্ট্রেশন। সেটা ২০০৭ এর প্রথম দিকে। (এখন অবশ্য বাসা থেকে ব্লগ পড়ি --- লিখি বলাটা ঠিক হবে না মনে হয়।)
এরপর কিছুদিন অনেকগুলো কারনে অনিয়মিত ছিলাম। এরই মাঝে হ্যাকিং এর পাল্লায় পড়ে মেইল ঠিকানা বদলাতে হলো। ফলে নতুন নিকে ঢুকলাম। আগের হিস্ট্রি সব ক্লিয়ার (যদিও আহামরি কিছুই লিখিনি)।
ব্লগে মূলত পাঠক। বাকি যারা পরিসংখ্যান দিয়েছেন তাদের তুলনায় আমারটা এত ফকিরা যে দিতে পারলাম না।
ধন্যবাদ। ভাল উদ্যোগ।
৪৪. আবদুর রাজ্জাক শিপন: নিজের ঘরে তক্তপোষে বইসা ব্লগাই !
স্থান-রিয়াদ,সৌদী আরব ।
যেইখান থেইকা সব বাঙ্গালীগোরে খেদাইবে শুনা যায়তেছে,
কতক নরাধম বাঙ্গালীর (অবশ্যই ব্লগার নরাধম না!) কুকর্মের ফল হিসাবে !
আউল-ফাউল কবিতা লেখি,গল্পও সেইরম ! ভাবছিলাম শান্তিতে ওইগুলান পোষ্টামু এই ব্লগে । কিন্তু ছাগুদের উৎপাতে শান্তি বিনষ্ট হইছে । রাখাল না হইলেও,ছাগু তাড়ানীতে মনোযোগ দিতে হইলো !
জানেনতো,পাকী ছাগল(পাছা) আর ভারতীয় ছাগল (ভাছা)রা চান্স পাইলেই লাইদা জায়গাটারে দুর্গন্ধ করে !
আমার আউল-ফাউল সাহিত্য চর্চা মাঠে মাইর খাইছে !
৪৫.আহমেদ সালাহউদ্দিন সুপ্রিয় : আহমেদ সালাহউদ্দিন সুপ্রিয় ভাইজান ব্লগিং করতেছেন লাপটপ কোলে নিয়া। টেমস নদীর উত্তর পার থাইকা।
৪৬. আরিফুর রহমান : আরিফুর রহমানের গত চাইর মাস যাবৎ এডিক্টেড। রিহ্যাবিলিটেশন খুজতেছে।
বিলাতের হার্টফোর্ডশায়ারে চাকরির লাঙ্গল টানার ফাঁকে ফাঁকে সে এইখানে ঢু মাইরা যায়। বাসায় পৌছায়া কি করে সেইটা আকলমন্দরা বুইঝা নেন।
পোস্ট করেছেন: ২২টি
মন্তব্য করেছেন: ৮৬৩টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ১৭৬টি
ব্লগ লিখছেন: ৪ মাস ১ সপ্তাহ
ব্লগটি মোট ৫৩০৯ বার দেখা হয়েছে
৪৭.রাতমজুর : অফিস এবং বাসা থেকে। অফিস এ ডেডিকেটেড ৫১২ আর বাসায় জিপি এজ ঘাপাই মোবাইল থেইকা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29258559 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29258559 2010-10-21 00:10:26
জাতিকে হানাহানির দিকে ঠেলে দেয়া ঠিক হবে না, তবে... গুটিকতক ব্যক্তিস্বার্থকে রক্ষার জন্য এমন বক্তব্য বড়ই বেমাননা । তবে কি খালেদা জিয়া আর কোন ইঙ্গিত করলেন ?? এইসব স্বাধীনতা বিরোধীদের রক্ষা করতে প্রয়োজনে তারা দেশকে হানাহানির দিকে নিয়ে যাবেন ??

আর তার বক্তব্য রীতিমত পরস্পর বিরোধী ...তিনি বলেছেন: ‘স্বাধীনতার পরপরই প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দেওয়া হয়। স্বাধীনতাবিরোধীদেরও তখনকার সরকার ক্ষমা করে দিয়েছিল। এটা আমাদের ব্যর্থতা, আমরা তাঁদের বিচার করতে পারিনি। আজ প্রায় চার দশক পর স্বাধীনতাবিরোধীদের সহযোগীদের বিচারের কথা বলে সাধারণ ক্ষমার কথা ভুলে গিয়ে বর্তমান সরকার আবার জাতিকে হানাহানির দিকে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’ ধরে নিলাম তার বক্তব্যর প্রথম অংশ ঠিক, তবে আজ সেইদিনের বর্থ্যতা সফল হলে দোষ কোথায় ?? আর যদি প্রকৃতদের ছেড়ে দেয়া হয় তবে তাদের এখন বিচার করলে দোষ কি ?? আর সেই সরকার তো যদি ব্যর্থ সরকারই হয় তবে তাদের সেই বর্থতা কি আমরা চিরদিন বয়ে চলব ?? ব্যর্থ সরকারের সাধারণ ক্ষমা তবে কেন গ্রহণযোগ্য থাকবে ?? (যদি সাধারণ ক্ষমার বিষয়টি আমরা জানি কাদেরকে করা হয়েছিল, হয়তো খালেদা জিয়া ভালো করে জানেন না <img src=" style="border:0;" />)

আমাদের সাধারণ জনগনের প্রত্যাশা তিনি যে কাজ করতে পারেননি কিংবা করেননি (হয়তো তার পক্ষে সম্ভব নয়) সেটা অন্য করলে সমস্যা কোথায় ?? দেশে স্বাধীনতা বিরোধী-যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে । খামাখা দেশকে হানাহানির দিকে ঠেলবেন না।।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29250637 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29250637 2010-10-07 00:26:56
BOOKS, you can read একটি অন্যরকম শিল্প প্রদর্শনী

নানা আকারের, নানা রকমের বই ঘরময়। কোনো বইয়ের অক্ষরগুলো কাটা, পুরো বই জুড়ে কাটাছেড়া হয়েছে পাতাগুলো, কোনোটিতে মুছে দিয়েছেন সাদা রং দিয়ে। কিছু বইয়ে দেখা গেল কোনো রকমের অক্ষর কিংবা রেখার অস্তিত্ব নেই। গ্যালারির এক কক্ষে দেয়ালজুড়ে আলাদাভাবে শুধু বই। আর বইগুলো রাখা হয়েছে আলকোরন রাখার কাঠের ফ্রেমের উপর ।
আধপোড়া বইও তাঁর শিল্পকর্মের অনুষঙ্গ হয়েছে। মাঝখানে রয়েছে কাচঘেরা বই, যে বইগুলো দেখলে মনে হবে বহুকাল আগের, যার ভেতরের পাতাগুলো উইপোকা খেয়েছে, জমেছে তাতে ছত্রাক। অথচ কাচের বাক্সঘেরা সেই বইকে কত যত্ন করে রাখার চেষ্টা। ওয়াকিল ভাইয়ের এ প্রদর্শনীতে বইয়ের ব্যবহার অদ্ভুত । এ প্রদর্শনী চলবে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত, ধানমন্ডি ৭/এ তে ঢাকা আর্ট সেন্টারে।
সূত্র: ছবিগুলো ওয়েব থেকে নেয়া ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29250167 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29250167 2010-10-06 01:09:55
সেপ্টেম্বর এর পোস্ট














আগস্ট মাসটা পুরো ফাকা গেল, সেপ্টেম্বরটাও ফাকা চলে যাচ্ছিল তাই এ ব্লগ লেখা । মাঝে মাঝে জানান দেয়া এই তরঙ্গহীন বেঁচে থাকার । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29247633 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29247633 2010-09-30 17:31:58
পুলিশ এর ফিটনেস সার্টিফিকেট প্রয়োজন











ছবি: ফেসবুক সূত্রে ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29203747 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29203747 2010-07-20 04:15:15
ব্লগ পরিসংখ্যানঃ কোন সমস্যা ?? " style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
আর প্রায় ২-৩ মাস ধরে ঝুলে ছিলাম ব্লগ লিখছেন : ৩ বছর ১০ মাস ।
<img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

ব্লগ পরিসংখ্যানঃ কোন সমস্যা ??
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29199858 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29199858 2010-07-15 00:11:41
প্রথম আলো'র এভারেস্ট জয় এভারেস্ট এ উঠলে নাকি সবার প্রথমে একটা ছবি উঠাতে হয় । চূড়ার উপরে একটা বৌদ্ধমুর্তি আছে, সেটা পিছনে নিয়ে ছবি উঠাতে হয় । সেটা প্রথম আলোর এভারেস্ট জয়ী প্রতিনিধি ও বলেছেন চ্যানেল আইয়ের সাক্ষাতকারে । তিনি চূড়ায় উঠে কি করেছেন সে প্রসংগে বলতে গিয়ে । সেই প্রসংগে তো রীতিমত সাহিত্যও রচিত করেছেন বিখ্যাত এভারেস্ট জয়ী নর্থ আলপাইন মাউন্টেইনং ক্লাবের সভাপতি ....
......শুধু এভারেস্ট চূড়ায় উঠলেই হবে না, মুসাকে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি উঠেছেন। কাজেই ছবি তুলতে হবে। ২০০৯ সালে এভারেস্টের চূড়ায় চার ফুট উঁচু এক বুদ্ধমূর্তি স্থাপিত হয়েছে। ওই মূর্তিকে পেছনে রেখে দূরে অন্য সব শৃঙ্গ-পাহাড়কে সাক্ষী রেখে ছবি তো তুলতেই হবে। তা না হলে বাঙালি বলবে, আরে সব ভুয়া, ও ওঠেইনি। এর মধ্যে ঘটল একটা বিশাল ভজঘট। মুসার ক্যামেরাটা ছিল তাঁর জ্যাকেটের ভেতরে। কিন্তু জ্যাকেটের জিপার কিছুতেই খুলছে না। মুসা তাঁর মিনিবাসে ওঠার অভিজ্ঞতা কাজ লাগিয়ে মূর্তির সামনে অবস্থান নিতে পেরেছেন। কিন্তু কিছুতেই ক্যামেরা বের করতে পারছেন না। মিনিট পাঁচেক লেগে গেল তাঁর ক্যামেরাটাই বের করতে! যাক, তবু বেরোল। ভাগ্যিস, বেরিয়েছিল। তা না হলে কী হতো ভাবুন! এবার মুসা ছবি তোলা শুরু করলেন। প্রথমে বাংলাদেশের পতাকা ধরে ছবি তুললেন। তারপর প্রথম আলোর প্রতীক... এরপর একে একে স্পন্সরদের... ততক্ষণে অন্য পর্বতারোহীরা মহাবিরক্ত। ...........
কিন্তু সে ছবি জাতি দেখে নাই । ১৬ কোটি মানুষের স্বপ্নছিল এভারেস্ট জয় আর তাদের আরো স্বপ্ন ছিল এভারেস্ট এর মাথাটা কেমন তা দেখার... এখনও সেই সৌভাগ্য হলো না জাতির। হয়তো তিনি অন্য পর্বতারোহীদের মহাবিরক্ত না করতে ছবি তুলেন নাই । আমরা অপেক্ষায় আছিলাম । কেননা তিনি বলেছেন যে তিনি ছবি উঠাইছেন কিন্তু এটিএন এ আবার কইলো তার ক্যামেরায় নাকি চার্জ আছিল ও না । এরপর বিশিষ্ট চাপাসাহিত্যিকরা লিখবে কি নিদারুন কষ্টে ব্যাটারীর চার্জ ও নি:শেষ হয়ে যায়.... কিন্তু মনে মনে কই প্রথম আলোতে এতো ফটোএডিটর থাকতে একটা ফটো....<img src=" style="border:0;" />

সেই রম্যলেখা থুক্কু অন্যের গীবত গাওয়া লেখার একটা লাইন...‘সত্য। বাঙালি যদি একা একা চেষ্টা করে তাহা হইলে সে চাঁদেও যাইতে পারিবে।’............
আমিও বলি পারিবে । তবে সেজন্য যাহা প্রয়োজনঃ
১. একখানা নামে কাটে এমন জাতীয় পত্রিকা ।
২. ২-১ জন সাহিত্যিক(তাহাদের ক্লাবের সভাপতি বানাতে হবে)
৩. সম্পাদক
৪.ক্যামেরা (ব্যাটারীতে চার্য নাই এমন)
৫.আর কিছু বন্ধুবান্ধব যারা ফেইসবুক-টুইটার-ব্লগে মাতামাতি করবে ।
৬. আর সাথে কারো থাকা যাবে না , যারা গুমুর ফাস করতে পারে । <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29173391 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29173391 2010-06-09 10:16:32
দুই দিনের কান্নাকাট্টি, পত্রিকায় লেখালেখি, ব্যাস!!! তারপর আমরা ভুলে যাই সব!!!!! সকাল হবার পর সেটা ১০০ ছাড়িয়ে গেল ।

আর ওদিকে বেগুনবাড়ীতে ৩০ এ এসে থেমে গেল.....

আজ নিহতদের জন্য দোয়া হবে কাল নিহতদের জন্য রাষ্ট্রীয় শোক !!

পরশু পর্যন্ত হয়তো পত্রিকা গুলোতে সম্পাদকীয়; উপসম্পাদকীয় লেখা হবে । আহতদের নিয়ে কয়েকদিন টানাটানি..... তারপরও ????
আমাদের ব্যস্ততা, খবরের নিচে খবর চাপা..... আমরা ভুলে যাবো । শরীরের ক্ষত নিয়ে বাচবে কিছু মানুষ; মনের ক্ষত নিয়ে থাকে স্বজনেরা ।

আর আমরা ভুলে যাবো সব।

তোমাদের মৃত্যুর জন্য কেহ দায়ী নহে; দায় নিয়তি । কেননা তোমাদের নিয়তি তোমাদের এদেশে নিয়ে এসেছিল । এদেশে জন্মেছিলে । সকল আত্মা শান্তি পাক ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29169962 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29169962 2010-06-04 14:02:32
মৃত্যু দিনক্ষণ বলে দিচ্ছে একটা ওয়েবসাইট ???!!!!????

জন্মিলে মরিতে হবে.. জানে তো সবাই .... কিন্তু সেই মৃত্যু তো আর বলে কয়ে আসে না । তবে সেই মৃত্যু দিনক্ষণ বলে দিচ্ছে একটা ওয়েবসাইট । আপনার কয়েকটি তথ্য নিয়েই । আপনার জন্ম তারিখ, মাস, বছর ইত্যাদি ।

..বিশ্বাস হলো না ? হবার কথা নয় ।
কিন্তু তারপরও দেখতে পারেন ।
তবে আর হ্যা অবশ্যই যাদের মৃত্যুভয় বেশী <img src=" style="border:0;" /> কিংবা হার্টের সমস্যা আছে কিংবা ভয় পান তাদের না ভিজিট করাই ভালো ।

এই সাইট দ্য ডেড ক্লক ভিজিট করুন ।


লিংকে ঢুকে কয়েকটি তথ্য দিয়ে ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন আপনার মৃত্য পরোয়ানা <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />। সেটা জানার আগপর্যন্ত ভালো থাকুন । আর আনন্দে ব্লগিং করুন । <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
আর হ্যা ফান হিসেবে বোধহয় করা হয়েছে এই সাইটটি ।



(বি: দ্র: মন খারাপ হলে কেহ দায়ী নয়; আর মজা পাইলে ধন্যবাদ দিয়েন)

আমার একটি পুরোনো ব্লগ থেকে রিপোস্ট করলাম : বেচেঁ আছি আর মাত্র ৩ বছরেরও কম!!! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29169059 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29169059 2010-06-03 09:37:21
রাষ্ট্রের এই খোলা-বন্ধের খেলা বন্ধ হোক । রাষ্ট্রের এই খোলা-বন্ধের খেলা বন্ধ হোক । ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29168008 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29168008 2010-06-02 01:48:35 অন্ধ হলে কি প্রলয় বন্ধ থাকে ??
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত জনিত রক্তক্ষরণে প্রায় দশদিন পর ফেইসবুক বাংলাদেশে মরিয়া গেল । এই দশদিন কিন্তু সেই রক্তক্ষরণের কোন প্রকাশ আমরা দেথি নাই । অখচ এই সরকার নাকি দেশ থেকে মৌলবাদীদের উচ্ছেদ করবে । ফেইসবুক বন্ধ করিয়া কি ধর্মীয় অনুভূতি পোক্ত হইবে ??

ফেইসবুকের অপব্যবহার এর কারণে ফেইসবুক বন্ধ করা হইয়াছে । তবে কি যেকোন কিছুর অপব্যবহার হইলেই তাহা বন্ধ হইবে?? যেমন পিএসটিএন ওয়ালাদের লাইসেন্স বাতিল হলো । অথচ তাহার পিছনে কি রহস্য তাহা কি জনগন জানে না ?? পিএসটিএন ওয়ালাদের বন্ধ করা হয়েছে তো তাদের দায়মুক্তি দেবার জন্যই । সেটা কতো টাকার খেলা , বিটিআরসি-র চেয়ারম্যানের কতখানি স্বার্থসংশ্লিষ্ট তাহা আমরা জানি না । তবে এতোটুকু জানি প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভালো সাজিবার জেষ্টায় তিনি মত্ত । তাই তিনি আবার ফেইসবুক বন্ধ করেছেন কেননা প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যঙ্গ করা হয়েছে । সেই দুঃখে তিনি কাঁদো কাঁদো!!!!

ছোটবেলা থেকে শুনেছি বান্দরের হাতে লোহা দিতে হয় না । আর বড়বেলায় মনে হচ্ছে হাটু শ্রেণীর কাকের ন্যায় মেধাবীদের হাতে কোন সুইস দিতে হয় না । কেননা সেই সুইস সে শুধু অন অফ ই করবে । সেতো আর জানে না অন্ধ হলে কি প্রলয় বন্ধ থাকে ?? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29165737 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29165737 2010-05-30 10:07:40
এভারেস্ট জয় নিয়ে বিভ্রান্তিঃ আজ না হোক আগামীকাল এভারেস্ট জয় করবেই বাংলাদেশ হিসাবে মাউন্ট এভারেস্ট সামিট করেছেন। এরপর শুনি রেডিও, টেলিভিশন, অন্তর্জাল...সবখানেই এই খবর। আমি তো খুশিতে পুলকিত । মুসা আমার পরিচিত-বন্ধু, আর তাছাড়া কোন বাংলাদেশীর মাউন্ট এভারেস্ট জয় আমাদের খুশীর তুফানে ভাসিয়ে নেবে সেটাই স্বাভাবিক। তখনি সজলের কথা মনে হলো । সজল বাংলাদেশে মাউন্টেনিয়ারিং নিয়ে খুব সিরিয়াসলি কাজ করছে ।সজলের সাথে আমার অন্য কোন বন্ধুর পরিচয় করিয়ে দিতে হলে আমি বলি "ও হলো প্রথম বাংলাদেশী যে এভারেস্ট জয় করবে ।" কিছুদিন আগেও ওর সাথে কথা হচ্ছিল; এভারেস্ট মিশনের জন্য বড় স্পন্সর দরকার ।আমাকে চেষ্টা করতে বলছিল । তবে এভারেস্ট নিয়ে ওর দীর্ঘদিনের প্ল্যান । আর এখন সে সিনেমা বানানো নিয়ে ব্যস্ত । খুব ইচেছ থাকা সত্ত্বে ক'দিন আগে সজলের অনুদানের ছবির শুভ মহরতে যেতে পারিনি । তাই সজলকে ফোন দিলাম, না যা্ওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে আসল কাহিনী জানতে চাইলাম । ওর জানার কথা কেননা মুসা একসময় সজলের সহযোদ্ধা ছিল । সজল বলল সে জানে না ।বলল; দাড়া্ও খোজঁ নিয়ে জানাচ্ছি ।

খোজ খবর নিতে গিয়ে আমি নিজেও কিছুটা বিব্রত হলাম । ব্লগে ও কয়েকজনকে দেখলাম শংকা প্রকাশ করতে ।ব্লগার চন্দনের পোস্ট মুসা কি সত্যিই এভারেস্ট জয় করেছেন ? দেখে আমিও ঢু দিলাম এভারেস্ট নিউজ ডট কম কিন্তু কোন নিউজ পেলাম না ।এরপর কেঁচো খুড়তে গিয়ে...... সজল এবং অন্যান্যদের সাথে কথা বলে যে তথ্যগুলো পেলামঃ

• বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং এন্ড ট্রেকিং ক্লাবের (বিএমটিসি) এম এ মুহিত এভারেস্ট জয়ের চেষ্টা করছিলে, যে আজ বেস ক্যাম্প থেকে এভারেস্ট জয়ে ব্যর্থ হয়ে নেমে আসছে, যাবার আগের সে নিউজ্ও ছাপা হয়েছে দেখুন, মুসা ইব্রাহিম তিব্বত দিয়ে এভারেস্ট সামিট দাবী করেছেন। তিব্বত দিয়ে আমাদের আরেক বাংলাদেশী পর্বোতারোহী এম এ মুহিত ব্যর্থ হয়ে নেমে আসছে ,অথচ এবছর এপ্রিল থেকে প্রায় দেড় মাস তিনি এভারেস্ট বেস ক্যাম্প এবং এক নম্বর ক্যাম্পে ছিলেন, মুহিত আজও ফোনে জানিয়েছেন মুসা ইব্রাহীমের সাথে তার সাক্ষাত হয়নি এবং সবাইকে জিজ্ঞেস করেও তিনি জানতে পারেন নি যে আর কোন বাংলাদেশী তিব্বত দিয়ে এভারেস্ট জয়ের চেষ্টা করছেন।

• মুসা ইব্রাহীম প্রতিবার অভিযানের আগে সংবাদ সম্মেলন করলেও এভারেস্টে যাবার আগে সংবাদ সম্মেলন করেন নি এমন কি যাবার পর কোন সংবাদ মাধ্যম’কে কোন খবর’ও জানান নি। অথচ এম এ মুহিত বার বার তিব্বত থেকে বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং এন্ড ট্রেকিং ক্লাবের (বিএমটিসি) সাথে স্যাটেলাইট ফোনে যোগাযোগ করেছেন। যেকোন বড় পর্বত সামিট করলেই সবাই পরিবারে/দেশের সংবাদ মাধ্যমে স্যাটেলাইট ফোনে এই সংবাদ জানান। মুসা ইব্রাহীম এখন পর্যন্ত কাউকে ফোন করেছেন বলে জানা যায়নি।

• গত বছর জুন মাসে মুসা ইব্রাহীম ও তার ক্লাব, নর্থ আলপাইন ক্লাবের তৌহিদ হোসেন অন্নপুর্ণা ৪ জয় করেন বলে বিশাল খবর বের হয়। মুনির হাসান প্রথম আলোর শেষ পাতায় ছবিসহ বড় খবর করেন। মুসা ইব্রাহীম প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারের লোগো ছাপা বড় ব্যানারে পেছন দেখা যায়না এমন ছবি তুলে তা চূড়ার ছবি বলে দাবী করেন। পত্রিকাগুলো হুমড়ি খেয়ে তা দফায় দফায় ছাপায়। সেদিন’ই আরেক পর্বতারোহী মুনতাসির মামুন ইমরান অন্নপুর্ণা ৪ জয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে একটি লেখা পাঠান যা শুধুমাত্র ডেইলি স্টারের অন্তর্জালে ছাপা হয়। এই লেখায় তথ্য সহ ইমরান জানান যে মুসার দাবী সত্যি হলে তা বিশ্ব রেকর্ড হয়ে যাবে। মুসার লেখাতেও দিনক্ষনের হিসাবে গড়মিল নজরে পড়ে যা সাধারন মানুষ না
বুঝলেও যেকোন পর্বতারোহী এই অসংগতি মুহুর্তে বুঝতে পারবেন। মুসা ইব্রাহীম ও মুনতাসির মামুন ইমরানের লেখা পরতে পারেন এইখানে

নর্থ আলপাইন ক্লাবের সভাপতি আনিসুল হক, ইনাম আল হক’কে অনুরোধ করেছিলেন মুসা ইব্রাহীমকে বিএমটিসি’র এভারেস্ট অভিযানে যুক্ত করতে। আনিসুল হকের উপস্থিতিতে প্রথম আলো কার্যালয়ে ইনাম আল হক মুসা ইব্রাহীমকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন তিনি এখন পর্যন্ত কতো উপরে উঠেছেন। জবাবে মুসা জানান ছয় হাজার মিটার (প্রায় ২০ হাজার ফুট) অথচ কয়েক মাস আগেই প্রথম আলো গলা ফাটিয়ে ফেলেছিল মুসা ইব্রাহীমের ২৪ হাজার ফুট উচু অন্নপুর্ণা ৪ জয়ের কথা বলে।

• এর আগে মুসা ইব্রাহীম, মীর শামসুল আলম বাবু ও তৌহিদ হোসেন, এই তিনজনের দল লাং শীসা রী জয় করেন বলে প্রথম আলোতে ছবিসহ বড় খবর বের হয়।কয়েকদিন পর দলের সদস্য মীর শামসুল আলম বাবু লেখালেখি করে জানান যে তারা আসলে লাং শীসা রী জয় করেননি, অনেক নীচে থেকেই তারা নেমে আসেন।

• এভারেস্টে মুসা ইব্রাহীমের গাইড ছিলেন সোম বাহাদুর তামাং এবং গনেশ
মাগার। এই দুজনের সাথেই বিএমটিসি’র একাধিক ছোট অভিযান করেছে , এখন বড় অভিযান আর করেনা। দুজনের একজনও আগে এভারেস্ট চড়েন নি। একবার এদের একজন বিএমটিসি’র পুরো সামিটে না নিয়েই বলেছিলেন সামিটে পৌছে গেছি আর আরেকজন আরেক অভিযানে ভয় পেয়ে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিলে বিএমটিসি’র তাকে পেছনে রেখে সামিট করে। এই দুজন গাইডের নেতৃত্বে এভারেস্ট জয়ের খবর মনে সংশয় জাগায়।

• মুসা ইব্রাহীম তার নেপালী ব্যাবসায়িক অংশীদার বন্ধুর এজেন্সী মুক্তিনাথ
ট্রাভেল থেকে সব বার অভিযান আয়োজন করেন, যারা পেশাদার অভিযান আয়োজক নয়। আগের দুইবার তাদের সহায়তায়ই মিথ্যা পর্বত জয়ের খবর এসেছে এবং তারা সনপত্র’ও যোগার করে নিয়েছে। আয়োজক প্রতিষ্ঠান ও গাইড মিথ্যাচার করলে দুতাবাস তা জানবে, এই আশা করা সুদূর পরাহত।

শুধু মুসা ইব্রাহীম নয়, যেকোন বাংলাদেশী এভারেস্টে গেলেই আমরা খুশি, অভিনন্দন জানাবো । কিন্ত এভারেস্ট এবং অন্যসব পর্বত না উঠেই এভাবে মিথ্যা দাবী আমাদের হেয় করে । সারা পৃথিবীর কাছে এমনিতেই আমাদের নানান বদনাম, এভারেস্ট নিয়েও মিথ্যা সংবাদের বদনাম হলে আমাদের মুখ দেখাবার উপায় থাকবে না।

আজ না হোক আগামীকাল এভারেস্ট জয় করবেই বাংলাদেশ । সত্যি সত্যিই । সেটা মুসা হোক কিংবা অন্য যে কেউ হোক । তার জন্য আগাম অভিনন্দন । জয় হোক পবর্তারোহীদের ।

পুনশ্চঃ
.......................................................................................................মুসার এভারেস্ট জয়ের প্রাথমিক খবর পাবার পর এ লেখা। আর সুনিশ্চিত খবরের পর দেশের সকল মানুষ সহ মুসার একসময়ের সহযোদ্ধারা শামসুল আলম বাবু, সজল, সবাই অভিনন্দন জানিয়েছে । আমি সজলের ফেইসবুকের অভিনন্দন বার্তাটা আমার ব্লগে জোড়া দিলাম । তবে এখনও মুসা কোন ছবি দেখাতে পারে নাই
.....................................................................................................অভিনন্দন মুসা ইব্রাহীম, পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় প্রথম বাংলাদেশী হিসাবে পা রাখার জন্য। এই অর্জন আমাদের বাংলাদেশী হিসাবে গর্বিত করেছে।

২৩ মে দুপুরে যখন ঢাকায় খবর এলো মুসা ইব্রাহীম মাউন্ট এভারেস্ট সামিট করেছেন তখন সম্পুর্ণ ব্যাপারটাই আমাদের সবার কাছে ধোঁয়াটে ছিল। সংশয়ও ছিল, প্রধানত এ কারণে যে, মুসার সাথে বাংলাদেশী আরেক পর্বতারোহী এম এ মুহিতের এই দীর্ঘ অভিযানের প্রায় পুরোটা সময় কাকতালীয়ভাবে দেখা হয়নি, মুসা’র ব্যাপারে তার স্ত্রী, মুখপাত্র মুক্তিনাথ ট্রাভেলস এবং বাংলাদেশের প্রায় সব পর্বতারোহী যোগাযোগের অভাবে অন্ধকারে ছিলেন, আর সাফল্য নথিকরনের প্রায় সবকটি ওয়েবসাইট এই তথ্য অনেক দেরিতে প্রকাশ করেছে। প্রথম দিন’ই সংবাদ মাধ্যম থেকে যারা খোজখবর করছিলেন তাদের সবাইকেই আমরা বলেছিলাম মুসা সফল হলে আমরা সবাই আনন্দিত ও গর্বিত হবো, কিন্তু খবরটার ব্যাপারে আগে নিশ্চিত হতে হবে। গত কয়েকদিনের মধ্যে সাফল্যের ব্যাপারে এই সংশয় প্রায় সবটাই কেটে গেছে সবার। সবার পক্ষ থেকে মুসা ইব্রাহীমকে অভিনন্দন এভারেস্ট জয়ের জন্য আর এম এ মুহিতকে এভারেস্ট জয়ের চেষ্টা করার জন্য।

পর্বতারোহণে শিখরজয়ের সম্ভাবনা সামর্থ ও যোগ্যতার পাশাপাশি সবসময়ই অনেকাংশে আবহাওয়া, শারিরীক ও মানসিক সুস্থ্যতাসহ বেশ কয়েকটি ব্যাপারের উপর প্রবলভাবে নির্ভরশীল। মুসা যখন সবার যোগাযোগের বাইরে ছিলেন তখন তার স্ত্রী খবর জানার জন্য যোগাযোগ করেছিলেন। যদিও আমরা সবাই তাঁর মতই অন্ধকারে ছিলাম কিন্তু দুশ্চিন্তার কিছু নেই বলে তাঁকে অভয় দিয়েছিলাম এবং বলেছিলাম কোন খবর পাওয়া মাত্র আমরা তাঁকে জানাবো এবং যেকোন সহযোগীতায় সাধ্যমত সাহায্য করব। হাজারো প্রতিকুলতার মধ্যেও সবকিছু ঠিকভাবে শেষ হয়ে মুসা সুস্থ্যদেহে ফিরে আসছেন এটা আমাদের সব দুশ্চিন্তা দূর করেছে।

এভারেস্ট বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে পর্বতারোহন চর্চ্চা এখন এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করলো। প্রায় সাত বছর আগে আমরা সবাই মিলে একসাথে পর্বতারোহন চর্চ্চা প্রসারের প্রতিকুল চেষ্টা শুরু করছিলাম, পরে বিচ্ছিন্নভাবে হলেও আন্তরিকতার কোন অভাব আমাদের কারোই ছিলনা এবং এখনো নেই। মুসা ইব্রাহিমের এভারেস্ট জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে পর্বতারোহন চর্চ্চা প্রসারে এবার দারুণ গতি সঞ্চার হবে এবং এই ক্ষেত্রটি খুব দ্রুত সবার সহযোগীতায় বিকাশ লাভ করবে এই প্রত্যাশা আমাদের সবার। এবার খুব দ্রুত আমরা এভারেস্টে প্রথম বাংলাদেশী মেয়েকেও দেখতে চাই।

সজল খালেদ
অভিযান পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ সচিব
বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং এন্ড ট্রেকিং ক্লাব (বিএমটিসি)
.......................................................................................................
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29161562 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29161562 2010-05-24 02:18:30
১ সিনেমায় ১২ জন ডিরেক্টর!!!!
ইদানিং তরুণদের মাঝে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বানানোর বেশ ঝোকঁ দেখি । আর এই ডিজিটাল যুগে এতো এতো চ্যানেলের ভিড়ে সিনেমা বানানো , নাটক বানানো সুযোগ বাড়ছে । তাই এখন সবার মাঝেই চলচ্চিত্রকার হবার এটা প্রবণতা এসেছে । দেশে এখন অনেক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে চলচ্চিত্রের উপর গ্রাজুয়েশন করারও সুযোগ এসেছে , সব মিলে একটা বলা যায় চলচ্চিত্রের জয় জয়াকার ।
এই জয় জয়াকারের আগে আমি কয়েকটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচচ্চিত্র বানাইছিলাম । আজ হঠাৎ সেই গল্প মনে এলো । ২০০২ সালের শেষের দিকে , খুব ব্যস্ত চলচ্চিত্র সংসদ কর্মী তখন । চলচ্চিত্র নিয়ে অনেক কাজ করলাম কিন্তু কোন সিনেমা বানানো তো হলো না , ইচ্ছে হলো একটা কিছু করি ।যেভাবে সেই কাজ । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের আমরা ১২ জনের একটা দল হলাম । আর আমি হলাম বুড়ো ধাড়ি । আর সাথে আছে ১ জন বন্ধু বাকি ১০জনই জুনিয়র ।
১২ জন মিলে একটা ৫ মিনিটের ছবি বানানো হলো । সেই ছবির ফানডিং থেকে শুরু করে স্ক্রিপ্ট পরিচালনা পুরোটাই ছিল একটা অদ্ভুত টিম ওয়ার্ক ।এই মাত্র ৫ মিনিটের ছবি আমাদের সাথে কাজ করেছিল ১২ জনের বাইরে সিনেমাটোগ্রাফেতে টুকু ভাই (টুকু থন্দকার) , এ্যাডিটিং এ রিপন খান আর মিউজিক করেছিল রাহুল দা (রাহুল আনন্দ), শিল্প নির্দেশনায় সব্যসাচী হাজরা ।ছবিটি এসেছিল "ছবি বানাই" এর ব্যানারে । আর এটি প্রদর্শতি হয়েছে তিনটি আর্ন্তজাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে । দুটি ঢাকার চলচ্চিত্র উৎসব আরেকটি বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবের ট্যালেন্ট ক্যাম্পাস সেকশনে ।

ছবির নামটা দিয়েছিলাম circle.(আবর্ত) , মানুষের জন্ম মৃত্যু ভালোবাসা এমনভাবেই জীবনকে দশটিভাগে ভাগ করে স্টিল প্রপ্স দিয়ে তৈরী । পুরো ছবিতে কোন লাইভ চরিত্র ছিল না । সেফ্র এ জার্নি অফ লাইফ । কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো এই ছবিটির কোন কপি এই মুহুর্তে আমার কাছে নেই । পরিচালকরা হলেনঃ Askiq ,Arif,Masum, Mishu,Jhony,Bitu, Tito ,Lisa,Sujon,Zahir,Rodela & Rashedul Hafiz ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29160946 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29160946 2010-05-23 10:43:58
জীবনরঙ্গঃ আমি একটা ভুদাই আ্মার চাই এক হাজার কোটি টাকা আর আমি নেই ৫ টাকা আমি একটা ভুদাই আ্মার চাই এক হাজার কোটি টাকা আর আমি নেই ৫ টাকা । এক পাগল টাইপের ভিক্ষুককে হাত পাততে দেখে ৫ টাকা দেবার পর এমন কথা শুনে কিছুটা হতভম্ব হলাম । ৫ টাকা সাধারণত দেই না, ২ টাকা দিতাম । কিন্তু কিছুদিন আগে ২ টাকা দেয়াতে এক বৃদ্ধ ভিক্ষুক মুখ ঝেটকিয়ে বলে ২ টাকায় কি হয়?? এরপর যেন সে আমারে টাকাটা ফেরত দেবে এমন একটা ভাব । তারপর থেকে যদি কখনও কাউরে ভিক্ষা দেই ৫ টাকা দেবার চেষ্টা করি । অবশ্য আমি ভিক্ষা দিতে কোনভাবেই রাজি নই । খুব কম ক্ষেত্রেই দেই । সেদিন ৫ টাকা দেবার পর বুঝতে পারলাম পাগল এই টাকা দিয়ে নেশা করবে । তার দরকার হাজার কোটি টাকা আর আমি তারে দেই মাত্র ৫ টাকা !!!
২.
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে চাঁনখারপুলে রাতের খাবার খাওয়া হতো প্রতিরাতে । সেই সূত্রে চানখাঁনরপুলে আড্ডাও দেয়া হতো টুকটাক । একেবারে হোসনী দালান সংলগ্ন এলাকায় তাই পরিচিত মানুষজন কম নেই । দীর্ঘদিন সেদিকে যাওয়া হয় নাই । এবার কোরবানী ঈদের পর হঠাৎ সেদিকে ঘুরতে গেছিলাম । অনেকদিন পর অনেকের সাথে দেখা , আড্ডা । বেশির ভাগ গল্পই সদ্য শেষ হওয়া কোরবানী ঈদের । তো এর মাঝে একজন শুরু করল তার হাট থেকে গরু কিনে বাড়ি আসার গল্প... আইতে আইতে গরু গিয়ে পড়ল ড্রেনে । আমরা সামন থন দুইজন আর পিছন থন দুই জন মিল্যা টানবার লাগছি মাগার উঠে না, গরু খানকির পোলায় দেহি নড়েই না..]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29157142 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29157142 2010-05-18 00:40:50
একটি কপিপেস্ট বিষয়ক কপি কিংবা ফটোকপি ব্লগ!!! সকালের সব ঝঞ্জাট সেরে এরপর হয়তো সময় সুযোগ বুঝে ব্লগে ঢু দেয়া হয় । ব্লগে ঢুকেই দু-চার পাতা উল্টে-পাল্টে দেখি শেষবার ব্লগ ভিজিটের সময়ের প্রথম পোস্ট সাধারণত পেজ মার্কারের কাজ করে । তবে শেষবার ব্লগ ভিজিটের পর যদি বেশি সময় পেরিয়ে যায় তাহলে সাধারণত৫-৬ পাতা পর্যন্ত পিছে যা্ওয়া হয় ।ইদানিং সকালে ব্লগে ঢোকার পর একটা নতুন অভিজ্ঞতা হলো । ব্লগে এলেই দেখি পত্রিকার হেড গুলো পোস্ট হয়ে ব্লগে ঝুলছে ।এই পোস্ট গুলো আবার বিশেষ পোস্ট হিসেবে ব্লগে পরিচিত , "কপি পেস্ট" , সেই কপিপেস্ট পোস্ট গুলো ব্লগে আসে সাধারণত রাজনৈতিক কারণে । যে সংবাদ যে ব্লগারের রাজনৈতিক মতের প্রতিফলন থাকে সেই সংবাদটি তিনি কপিপেস্ট করেন ।আর যদি তার রাজনৈতিক বিশ্বাসের বিরোধি হয় তবে আরেকটা পোস্ট আসবে " ওমুক পত্রিকার ভন্ডামী দেখুন" টাইপের । সকাল সকাল ব্লগে ঢুকে একটা বিষয় উপলব্ধি করলাম । এই ধরণের পোস্টের বিশেষ প্রয়োজনীয়তা আছে ।
কেননা ধরুন সকালে তাড়াহুড়ো করে বেরিয়েছেন । পত্রিকার পড়ার সুযোগ হয়নি, সেফ্র হেডগুলোতে চোখ বুলিয়েছেন । সমস্যা নেই ব্লগে আসুন, চোথ রাখুন দেখবেন পেয়ে গেছেন পত্রিকার সেসব সংবাদ । তাই কষ্ট করে আর আপনাকে পত্রিকা ঘাটতেও হচ্ছে না কিংবা ওয়েবেও পত্রিকা দেখতে হচ্ছে না । শুধু কি তাই, আপনি হয়তো বাসায় একটি পত্রিকাই রাখেন , কিন্তু ব্লগে আপনি সকল পত্রিকার সংবাদই কপি পেস্ট হিসেবে পেয়ে যাবেন ।তাহলে আর সকালে কষ্ট করে, সময় নষ্ট করে পত্রিকার পড়ার কি দরকার ??

তবে এবার ভেবে দেখের সময় এলো বাসায় আর অযথা পত্রিকা রাথার প্রয়োজন আছে কিনা !! তবে যদি আপনি খুব নিরপেক্ষ (তথা সকল পক্ষ, সহজ ভাষায় সুবিধাবাদী ) ব্লগার হন তবে আপনাকে বুকমার্ক করে রাখতে হবে কয়েকটি বিষয় । কোন ব্লগার কোন জাতীয় পোস্ট দেন । কে দেয় জামাতী কপিপেস্ট, কে দেয় জাতীয়তাবাদী কপিপেস্ট আর কে দেয় আওয়ামী কপিপেস্ট । ব্যাস হয়ে গেল সর্বদলীয় মতামত জানার সুযোগ, সংবাদ পাঠের সুযোগ । আর প্রয়োজন হবে না আলাদা করে পত্রিকার রাখার এমন কি অনলাইনে পত্রিকা পাঠের । আর পত্রিকার ও দাম বাচলো । শুধু সামহোয়্যার ইন ব্লগে আসুন, তবেই চলবে। এখানে প্রথম আলো থেকে শুরু করে সকল কণ্ঠের স্বর এমন কি সংগ্রাম নয়া দিগন্ত দেশের সকল দৈনিক এর খবর পাবেন । শুধু তাই নয় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রকাশিত পত্রিকার ও "কপিপেস্ট" পাবেন । সেটা নোয়াখালী থেকে প্রকাশিত হোক কিংবা পটুয়াখালী থেকেই প্রকাশিত হোক । তাই নো চিন্তা ।

আর আশা করছি সামহোয়্যার যদি আবার বিজ্ঞাপন শুরু করে (যেমন ফেসবুকে করেছিল ) তবে বিজ্ঞাপনের কপি হবে এরকম " দেশের সকল পত্রিকার সংবাদ একসাথে চান?? চলে আসুন সামহোয়ারের কপিপেস্ট ব্লগে ।" কিংবা "সবার আগে সকল পত্রিকার তাজা তাজা কপিপেস্ট । " কিংবা "আংশিক নয় পুরাই সকল পত্রিকার কপি পেস্ট " কিংবা "আপনি কি সঠিক সংবাদ জানতে......" কিংবা "নানা মুনির নানা মতের নানা....." আসুন সামহোয়্যারের বিজ্ঞাপনের কপি রচনায় দলে দলে শামিল হই আর এই বিষয়ক আইডিয়া শেয়ার করি ।
জয়তু কপিপেস্ট । আপনার ব্লগিং আনন্দময় হোক ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29152836 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29152836 2010-05-11 04:38:56
কাল ডিপজলের সিনেমা দেখতে যাচ্ছেন তো ??(ফেসবুকের আলোচনাসহ) উপমহাদেশের চলচ্চিত্র আমদানির অনুমতি আবার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, "চলচ্চিত্র শিল্পের ক্ষতি হয় এমন কোন কাজ সরকার করবে না। বাংলাদেশে যাতে উপমহাদেশের অন্যান্য দেশের চলচ্চিত্র না আসতে পারে সে ব্যবস্থা নেবো আমরা।"

উপমহাদেশের চলচ্চিত্র আমদানির সিদ্ধান্তে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট এমনকি চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট নন শুধু দর্শক তবে সে কোনদিন হলে বসে বাংলা সিনেমা দেখেননি এমন দর্শকরাই ভীষণ প্রতিবাদে ফেটে পড়লেন । ভারতীয় চলচ্চিত্র এলে এদেশের চলচ্চিত্রশিল্পের বারোটা বাজবে । এই প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে সরকার সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলেন ।

এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদকারীরা সুকৌশলে উপমহাদেশের স্থলে শুধু ভারতীয় শব্দটি ব্যবহার করে একটি রাজনৈতিক চাতুরতার আশ্রয় নিয়েছিল । বলা বাহুল্য সেই চাতুর্যে তারা শতভাগ সফল । কেননা এদেশে ভারত এলার্জি রয়েছে । সেটাই তারা কাজে লাগিয়েছে ।

প্রসংগে আসি । অনেকেই সরকারকে সাধুবাদ দিচ্ছেন । সরকার চলচ্চিত্রের মতন এতো বড় শিল্পকে নিজ হাতে গলা টিপে হত্যা করছিল সেটা এখন না করার জন্য তারা খুব খুশি । কিন্তু সেই চলচ্চিত্রপ্রেমী দেশপ্রেমীরা কি কখনও চলচ্চিত্র শিল্পকে চাঙ্গা করতে কখনও সিনেমা হলে গিয়েছিলেন ?? না গেলে আসুন আগামী কালই যাই । দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে আরো সমৃদ্ধ করি । যাবেন তো ডিপজলের ছবি দেখতে ??

উত্তরটা আমি দিচ্ছি । উত্তরটা হবে না । কেন ?? সে বিষয়ে হাজারো যুক্তি আছে আর সবগুলোই হয়তো গ্রহনযোগ্য । তবে উপায় ?? আপনি আমি সিনেমা হলে না গেলে কি সিনেমা চলবে না ?? চলবে । তবে চলচ্চিত্রের মতো এতো বিশাল শিল্প আগের মতোই খুড়ে খুড়েই চলবে । এতো সম্ভাবনাময় বিশাল শিল্পটিও রুগ্ন শিল্পের মতোই চলবে ।

এই শিল্পে কালোটাকার মালিকরা কালো টাকা সাদা করার জন্যে লগ্নি করবেন, ফুর্তির জন্য নায়িকা বানাবেন, চলচ্চিত্র সম্পর্কে আ ও ক খ না জানারাই সিনেমা বানাবেন, পরিবেশকরা সব ছবির সাথে এক্সাটা কাটপিস দিয়ে দেবেন, হল মালিকরা সেই সিনেমার সাথে পর্ণো কাটপিস লাগিয়ে সেটা হলে দেখাবেন আর দেশের হতদরিদ্র বিনোদনহীন মানুষ সেই স্হুল নায়িকার স্থুল বুকপেট দেখে খুশিতে শীষ দিয়ে উঠবেন । আর আমাদের চলচ্চিত্র শিল্প আরো স্থুলদের দখলে চলে যাবে । দীর্ঘ ৪০ বছর ভারতীয় তথা বিদেশী সিনেমা না দেখিয়ে আমাদের অর্জন হলো এই । এই চক্রে যে মাফিয়া ডনরা নিয়ন্ত্রন করছেন তারা এই চক্র কোনভাবেই ভাংগতে দেবেন না । তাই তাদের প্রতিবাদ কি অযৌক্তিক ??

আরো আছেন হাল আমলের ছোটপর্দার মালিকদের চলচ্চিত্র প্রযোজক হয়ে ওঠা । মাত্র ৩০ লক্ষ টাকা লগ্নি করে এফিডিসির সিনেমার চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করে তারা নির্মান করছেন তথাকথিত ভালো চলচ্চিত্র যার ৯০ শতাংশই অন্যসময় হলে স্রেফ টেলিভিশনের নাটক হিসেবেই প্রচারিত হতো । সেই ৩০ টাকার লগ্নিসহ লাভ উঠে আসে এক তথাকথিত প্রিমিয়ার শোতেই আর সেই চলচ্চিত্র দেখার মানে হলো বিজ্ঞাপন বিরতির মাঝে সিনেমা দেখা । আর এরপরের ২-৪ টা সিনেমা হলে চললে তো বোনাস । এফডিসিকে গালি দিয়ে সেই টেলিভিশনের নাটককে যারা সিনেমা বলে হালাল করছেন তারা সেই এফডিসির অশিক্ষিত কিংবা স্বল্পশিক্ষিতদের সিনেমার কলাকৌশলের কাছে নিতান্তই না বালক । এই চক্রটি ও চায় না তাদের সেই জমজমাট রমরমা সিনেমা সিনেমা খেলার ব্যবসাটা বন্ধ হয়ে যাক ।

অথচ চলচ্চিত্রের মতোন এই বিশাল শক্তিশালী গণমাধ্যমটিকে যেমন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সক্ষম আবার ঠিক তেমনি দেশের ভাবমুর্তিকে শক্তিশালী করতেও সক্ষম । স্রেফ ভারত-ইরান কিংবা চায়নার চলচ্চিত্র শিল্পের ক্ষমতা তো কারো অজানা নয় ।

আর এদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের এই করুণ দায়সারা গোছের কাজের জন্য দায়ী তাদের নিজেদের নিয়ন্ত্রিত চক্র ।যে চক্রটি তাদের নিজেদের স্বার্থে এই শিল্পের বিকাশকে রুদ্ধ করে রেখেছে । তারা চায়না তাদের এককছত্র আধিপত্যে কোন প্রতিদ্বন্দী আসুক । আর যদি বিদেশেী সিনেমা এদেশে অবাধ প্রদর্শন করা যেত তবে অবশ্যই তা এদেশের চলচ্চিত্র কলাকুশলী দর্শককে সমৃদ্ধ করতো । চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা তাদের মোনটনাস রীতিকে নিয়ে নতুন করে ভাবতে শিখত । আর অস্তিত্বের স্বার্থেই ভালো সিনেমা নির্মানে আগ্রহী হতো । কেননা মানুষের মেধা বিকাশে চাই উন্মুক্ত পরিবেশ, চাই উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা ।মনেরাখা দরকার ফাঁকা মাঠে গোল দিতে স্ট্রাইকারের দরকার নেই, বলে লাথি দিতে জানলেই চলে । আর নইলে সবকিছু নষ্টদের অধিকারেই চলে যাবে ।

আর আমরা যারা মধ্যবিত্ত যাদের বিনোদনের বড় অভাব তারা সেই ১৫ ইঞ্চি বাক্সের মাঝেই জীবনের সব বিনোদন খুজি । আর নইলে এদেশের সকল বিবাহিত মানুষের স্রেফ সংগম ছাড়া আর কোন তো বিনোদন নাই ।

ফেসবুক নোটসের মন্তব্য গুলো আলোচনার সুবির্ধাতে শেয়ার করলাম।

Kazi Mamun ওহ আপনিও লিখছেন, অপেক্ষা করছিলাম, পড়ে নেই আগে মন্তব্য করছি। Yesterday at 9:54am •

Rubina Khanam জটিল! যদি উন্মুক্ত করা হয় তাহলে সবারটাই করা উচিত।Yesterday at 10:00am •

Kazi Mamun প্রথমতঃ নোটটা পাবলিক করেন সবাই যেন পড়তে পারে, আমি শেয়ার করছি।
একটা কথাই আমি বারবার বলছি- প্রতিযোগীতা ছাড়া শিল্পের বিকাশ অসম্ভব। কুয়োবন্দি করে আর যাই হোক সিনেমা ইন্ডাস্ট্রী কে ডিপজল দের দখল মুক্ত করা যাবে না।
আমি আপনি বলে যে খুব একটা লাভ হবে তাও না, তারচে আমি অপেক্ষা করছি একটা এম সিক্সটিন এর। Yesterday at 10:02am •

Vashkar Abedin রাসেল আমার মনে হয় তোমার নিজের আসলে এই দেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি বিষয়ে কোন ধারণা নাই। এই দেশের সিনেমায় কবে রমরমা ব্যবসা হইছিলো সেইটা মনে হয় রমা'রাও ভুইলা গেছে। এখন সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি কেবলি কিছু মানুষের মনোরঞ্জনের ক্ষেত্র, কিছু লোকের রাষ্ট্রীয় কর ফাঁকি দেওনের বৈতরনি। এর বাইরে যেইটা ঘটে সেইটা মূখ্য হইলেও আমাগো মধ্যবিত্ত প্রাণ যুক্তিতে তারা কেবলি অদৃশ্য মানব। সেইসব খাইটা খাওয়া মানুষেরা, যারা দিন আনে দিন খায় এই ইন্ডাস্ট্রির বরাতে, তাগো নিয়া আমরা ক্যানো ভাবুম! আমরা দেশের সংস্কৃতি একজন ডিপজল কতোটা খাইলো, একজন যশপাল কতোটা খাইবো সেইসব নিয়া আলোচনা করুম...

আমাগো আলোচনায় ভারতীয় চলচ্চিত্র এই দেশে প্রদর্শনের অনুমতি পাইলে দেশের ডিপজলীয় সংস্কৃতি কতোটা প্রান্তিক সংস্কৃতি হইবো সেই বিষয়ক আনন্দ উল্লাস থাকবো। ভারতীয় চলচ্চিত্র বেশি দামে টিকেট কিনা দেখুম আমরা, গরীবের জন্য ডিপজলরেই না হয় ত্রাতা বানাইলাম...এই আলোচনায় আমরা তুমুল তর্ক করতে রাজী আছি। শহরে যা ঘটে সেইটাই তো একটা জাতি রাষ্ট্রের মূল এক্সপ্রেশন! তাই শহরকেন্দ্রীক নতুন প্রজন্মের বাংলারে আমরা দিবো আল ইয অয়েল...আর গ্রামের কৃষকের দরকার রাইত বারটার পরে নায়িকার ঘরে যাওনের আহ্বান।
পরিমাপটা এমন ডিসক্রিমিনেটিভ হওয়াটাই প্রয়োজন...Yesterday at 10:10am •

Kazi Mamun @Vashkar Abedin- বুঝতে পারিনি আপনার ভাষ্য!Yesterday at 10:15am •

Arif Jebtik প্রথম কথা হচ্ছে আমি ডিপজলের সিনেমা দেখতে যাব না, কারন ওটার টার্গেট ক্লাসে আমি পড়ি না। কিন্তু তাই বলে বিদেশী চলচিত্র আনার ফতোয়া কিভাবে জায়েজ হয়ে যায় তাও বুঝলাম না।

সরকারের যদি সিনেমা শিল্পের উন্নতির জন্য প্রাণ কাঁদে তাহলে তারা এফডিসিতে প্রচুর টেকনলজির উন্নতি করতে পারে, সিনেমা এবং হলের কর কমানোর চিন্তা করতে পারে। কিন্তু অসম প্রতিযোগিতায় দেশি সিনেমার বিকাশ হবে না।

আপনি কি মনে করেন, হিন্দী সিনেমা কি ইংরেজী সিনেমা চললেই আমাদের ঝন্টু-মন্টু-নান্টু পরিচালকরা তারপর থেকে ভালো সিনেমা বানাতে লেগে যাবেন নাকি ৩০ লক্ষ টাকার বড় নাটক বানানো বন্ধ হয়ে যাবে ? Yesterday at 11:30am •

Kazi Mamun@Arif Jebtik- Its about art, no history ensures that privilege can save any art development. Thats why we do not have any 'satyajit ray' or 'Jahir Rayhan' now.
A coward director means he will feel identity crisis in open market, A coward director means he will not allow open competition. Yeah we are proud, we are getting thousands of coward ... See Moredirector every year, we are giving privilege last 40 years and the result is- still wiki says: " Viewership of Bangladeshi films has dropped, and the industry has been criticized for producing low-quality films whose only appeal is that of sex, violence, or melodrama."Yesterday at 11:35am •

Arif Jebtik একজন কাওয়ার্ড ডিরেক্টরকে শায়েস্তা করার জন্য আপনি একটি অসম প্রতিযোগিতা তৈরী করতে পারেন না।
বিষয়টা মার্কেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এখানে আপনি একটা বাংলা সিনেমার পেছনে যখনই দেড় কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করবেন, আপনার বাসা বাড়ি বন্ধক রাখতে হবে। কারন মার্কেট খুব ছোটো। মেগা হিট না হলে আপনার ছবির পক্ষে গড়ে ১ কোটি টাকার উপর ব্যবসা আসবে না।

হিন্দী সিনেমা তৈরী করা হয় অনেক বড় মার্কেটের জন্য। সেই বিগ বাজেটের ছবির ক্যামেরা দামী, আর্টিস্ট দামী, ডিরেক্টর দামী, লোকেশনের জন্য তারা সপ্ত সিন্ধু পাড়ি দিতে পারে।
এখন বাজার অর্থনীতিতে আপনি সেই চকচকে মাল আমার সিনেমা হলে ঢালবেন, তো দর্শক ঐদিকেই ছুটবে। তখন দেশি চলচিত্রের কী হবে ?

আমি রাশেদ হাফিজের কথা মেনে নিচ্ছি, এই প্রোটেকশন থেকে আমাদের দেশে গত ৪০ বছরের অর্জন উল্লেখযোগ্য কিছু নয়। আমাকে বুঝান, টালিগঞ্জে তো উন্মুক্ত হিন্দীর বাজার, সেখানে টালিগঞ্জের সিনেমা কী বিকাশ লাভ করেছে। ওদের অবস্থা তো নান্টু-ঝন্টুর চাইতেও খারাপ।
Yesterday at 11:43am •

Kazi Mamun @Arif Jebtik- শিল্পে সম-অসম প্রতিযোগীতা বলে কিছু নেই। পশ্চিম বাংলায় অসম প্রতিযোগীতার মুখেই গড়ে ওঠছে অপর্না সেন, বুদ্ধদেব দাশগুপ্তা 'Hrituporno Ghosh', ইরানের দিকে তাকান অল্প বাজেট এ মুক্ত বাজারে হলিউডি-বলিউডি সিনেমার সাথে প্রতিযোগীতা করেই ওরা মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছে, যেখানে খোদ ইরানেই ভারতীয় ছবির রমরমা ব্যবসা। Yesterday at 11:53am •

Imran Firdaus
Kazi maun er shathe shohomot .Yesterday at 12:03pm •

Rashed Hafiz ভাস্করদা@ তবে শুরু থেকেই বলি । এদেশে যখন সিনেমা ইন্ডাষ্ট্রি ছিল না তার প্রথম অজুহাত ছিল যে এই দেশের আবহাওয়া চলচ্চিত্ররে জন্য উপযোগি নয় । কথাটা বুইঝেন, একটু খেয়াল কইরা । আর এদেশের সংস্কৃতি মানে যাত্রা টাইপ যে নাটক তা সিনেমায় লগ্নি করে ভদ্র সমাজে দেখারযোগ্য হবে কিনা অর্থাৎ এতো টাকা লগ্নি করে সেই টাকাই উঠবে না এমন ভুতুরে কথাবার্তাও নাকি প্রচলিত ছিল এক সময় । সেসময় এদেশের বাজারে চলত হলিউড বলিউড আর উর্দু ছবি । শেখ মুজিব তখন জোর কইরা এফডিসি বানাইছিলেন । কিন্তু সেই এফডিসিতেও কিন্তু বানানো হতো উর্দু সিনেমা । আপনি তো বোধহয় জানেন পদ্মা নদীর মাঝি সা বানাইয়া ওই একই কাহিনী হয়ে গেল জাগো হুয়া সাবেরা । কারণ একটা কিন্তু ব্যবসা । কিন্তু তার ব্যতিক্রমটাও দেখেন । সালাউদ্দিন বানালেন রূপবান । আপনার সেই প্রান্তিক মানুষের মুখে মুখে ফেরা লোকগাথা । সেই রূপবান বক্স অফিসই শুধু হিট করে নাই ৯০ দশক পর্যন্ত এই সিনেমা থেকে টাকা গুনতেন সালাউদ্দিন । তিনি এই সিনেমা নিয়ে বলিছিলেন রূপবান হলো তার সোনার ডিম পারা হাঁস। আপনি কি রূপবান দেখছিলেন । এমন মিউজিক্যাল সিনেমা কি পুরো বাংলায় আর কেউ করতে পারছে ??
৬৫ সালের আগ পর্যন্ত তো এদেশে হলিউড বলিউড আর উর্দু সিনেমা চলত । আর চলত বলেই জহির রায়হানরা এসেছেন । আর তাদের হাত ধরেই এসেছে কাঁচের দেয়াল । কই সেই অসম বাণিজ্য তো বাংলা সিনেমা টিকে ছিল । তখন তো সরকারও চাইত না বাংলা সিনেমা বানানো হোক । এতা প্রতিবন্ধকতার মাঝে তো বন্ধ হয়নাই । কথা সেইটা না । কথা হচ্ছে হ্যাডাম নিয়ে । যে পারে সে সবখানেই পারে । যদি সিনেমা নিয়ে বাণিজ্যই করতে চান তবে হ্যাডামওয়ালা মানুষ দরকার। সাহসী মানুষ দরকার । এইসব কাপুরুষ দিয়ে পর্দা সুপুরুষ একজন ডিপজলই হবে । আর কিছু না । নো বাণিজ্য নো সুস্থ বিনোদন ।Yesterday at 12:18pm •

Vashkar Abedin তথ্য উপস্থাপন রীতি আসলে পাল্টানো দরকার।
ইরানে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতাতেই সেই অঞ্চলের প্রথা নির্মাণের মতোন ছবি গুলি তৈরী হইছে। আর আমাগো দেশের সরকার বিনিয়োগ করে ৩০ লাখ টাকা, যা আবার প্রযোজক বা নির্মাতা ৩০ লাখ খরচ করনের পর। যেই দেশে চলচ্চিত্রের উন্নয়ণে সরকারের কোন ভূমিকা নাই। যেই দেশের সরকারী মন্ত্রীরা পর্যন্ত ঘুষ খাইয়া ছবিরে সেন্সর সার্টিফিকেট দেয়, ধানের... See More শীষ বা নৌকার ইমেজ থাকলে সেন্সরশীপ আরোপ করে, সেই দেশে চলচ্চিত্র শিল্পরে মানে আর্টরে নিয়া ভাবলে চলে না।

ভারতীয় ছবি উন্মুক্ত করলে কাগো ছবি ডিস্ট্রিবিউট করন শুরু হইবো সেই বিষয় কি ঠিক হইছিলো? চোলি কা পিছে কা হ্যায় টাইপ গানওয়ালা ছবি আমদানী করাতে বেশি আগ্রহ হইবো মানুষের নাকি যেই ছবি ভারতেও মানুষ দেখতে চায় না সেই ছবি আমদানী হইবো?

আর্ট শিল্প আর ব্যবসা শিল্প যে এক না সেই কনসেপ্টের জায়গা আগে পরিষ্কার হওনটা জরুরী। আলোচ্য নোটের লেখক রাসেল এবং বিশিষ্ট চলচ্চিত্র, সংস্কৃতি আর ভাষা আন্দোলক কাজী মামুন কি মনে করেন যে ভারত থেইকা সব সুস্থ্য ধারার চলচ্চিত্র আসবো এই দেশে? বা কোন পর্যন্ত দেখাইলে সুস্থ্য ধারা হয় সেইটার মাপকাঠি বিষয়েও জাননটা জরুরী...
Yesterday at 12:19pm •

Arif Jebtik @ কাজী মামুন, ইরানের চলচিত্র বিকাশে নিশ্চয়ই ভারতীয় সিনেমার রমরমা বাজারের অবদান বেশি; এটা কি বলা হচ্ছে ? আমি বুঝতে পারি নি ব্যাপারটা।
এবার আসেন পাকিস্তানের দিকে তাকাই। সেখানে হিন্দী সিনেমার দাপটে পাকিস্তানি সিনেমা শিল্পের ত্রাহি দশা চলছে। এখন চিন্তা হচ্ছে ভারতীয় সিনেমা আমদানি বন্ধ করে দেওয়ার।

আপনি আর্টকে ব্যবসার জায়গা থেকে আলাদা করে রাখতে পারবেন না। আর্থিক প্রনোদনা না থাকলে আর্টের বিকাশ দুঃসাধ্য।

বিদেশী চলচিত্র তো এই দেশে আসে, ডিভিডি ফর্মেটে আসে।
তো, আমাদের কী উন্নতিটা হচ্ছে সেই সিনেমা দেখে সেটা কিন্তু এখনও দৃশ্যমান নয়।

রাশেদ হাফিজের কথা মতোই বলতে হয়, আসলে হ্যাডমঅলা মানুষ দরকার। কিন্তু সেই হ্যাডম আলা মানুষ যদি বিদেশী সিনেমা না আসার কারনে এখনও ঘরে বসে থাকেন, তাহলে তাদের হ্যাডম নিয়া সন্দেহ জাগে। তারা অদূর ভবিষ্যতে বিদেশী সিনেমার বাজারকে চ্যালেঞ্জ করার আশা নিয়ে বসে না থেকে এখনই যদি নান্টু মন্টু ঝন্টুকে প্রতিহত করতে এগিয়ে আসেন তাহলেই তো সহজ হতো ব্যাপারটা।Yesterday at 12:38pm •

Rashed Hafiz জেবতিক@ আপনাকে বলতে বাধ্য হচ্ছি শোনা কথায় কান দিবেন না । এফডিসি সম্পর্কে আপনার ধারণা নাই । আমাদের এফডিসিতে যে প্রফেশনাল ক্যামেরা (খুব সম্ভবতঃ Olympus Wide DLX... See More ৯৮ মডেল) ছিল তা ব্যবহার না করার জন্য নষ্ট হয়ে গেছে । এমন আরো এমন টেকনোলজি ব্যবহারের অভাবে তথা ব্যবহারকারী অভাবে নষ্ট হয় । সেক্ষেত্রে তাদের কথা আমাদের টেকনিক্যাল লোক নেই, এজন্যই ব্যবহার হয় না । কথা কি সেটা ?? যদি আপনি ব্যবহারের প্রয়োজন নাই হয় তবে টেকনিক্যাল লোক তৈরী হবে কিভাবে ?? ল্যাব আধুনিক নয় । আমাদের যে সুযোগ সুবিধা আছে সেটা ব্যবহার করার লোক কি আছে ?? তারপর তো উন্নতি সাধনের প্রয়োজনিয়তা আসে । আর এই সুযোগের মধ্যেও আমাদের পরিচালক আর প্রযোজকদের ধান্দা এফডিসি থেকে কতো রিল ফিল্ম মেরে দিবে । আপনার ঝন্টুদের তো দরকার নাই । তাদের ক্যামেরা একশ্যান তো ত্রিভুজ খাজের মাঝেই সীমাবদ্দ আর চিন্তা শক্তি ও ওতোটুকুই ।
আর আমাদের মহান ত্রাতা বড় নাটক ওয়ালার প্রযোজক হয়েছেন আর তাদের বাণিজ্যে কিন্তু ৩০ লক্ষ বেশি লগ্নি করার ইচ্ছা নাই কেননা প্রয়োজন তো হচ্ছে না । বাঘহীণ বনে তো মিয়ালই রাজা। আপনাকে এতাটুকু বলতে পারি ঝন্টু মন্টুরা হয়তো জহির রায়হান হবে না কিন্তু সালাউদ্দিন তো হতে পারেনই । শুধু তাই হলে চলবে । আমাদের মার্কেটটা কিন্তু খুব ছোট নয় । মার্কেট নিয়ে আপনাকে একটা উদাহরণ দেই । আমার বন্ধু আছে এক লাটভিয়ার চলচ্চিত্র পরিচালক । তাদের মার্কেট হলো মাত্র ১০ লক্ষ মানুষের । তবে সে কিন্তু তার সিনেমা শুধু ১০ লক্ষ মানুষের বাজারের কথা চিন্তা করে তৈরী করে না । তৈরী করে কোটি মানুষের জন্যই ।Yesterday at 12:39pm •

Arif Jebtik চলচিত্রের বিকাশের জন্য বিদেশী সিনেমা আনা দরকার; এরকম কথা না বলে সরকার যদি একটা দুইটা ভালো ফিল্ম ইন্সটিটিউটের জন্য বিনিয়োগ করেন, তাহলে ভবিষ্যতে কিছু ভালো মানের লোকজন পাওয়া যাবে এই শিল্পে।Yesterday at 12:41pm •

Vashkar Abedin রাসেল তুমিও শোনা কথায় কান দিতেছো মনে হয়। এফডিসিতে Arri 435... See More বইলা দুইটা ক্যামেরার একটা নষ্ট হইছে। ব্যবহার না করনের লেইগা নষ্ট হয় নাই, সঠিক ট্রেনিঙের অভাবে তার অপব্যবহার হইছে বইলা নষ্ট হইছে। পরিচালক প্রযোজকগো ধান্দা থাকে ফিল্ম মাইরা দেওনের কিন্তু এইটা আসে বিনিয়োগ আর প্রাপ্তির ফারাকটা খুব বেশি বা অনেক সময় ভালো না হওনের লেইগা। কিন্তু আমলাতান্ত্রিকতা যেইটা সরকার খুব সহজেই প্রভাবিত করতে পারে সেই জায়গায় দূর্নীতি হয় বেশি। আমার পেশার কারনেই এফডিসিতে যাইতে হয় বইলা জানি এফডিসিতেই এখনো চলচ্চিত্র নির্মাণের বেসিক এখনো অনুসৃত হয়।

আমাদের দেশে কোন ইন্সটিটিউট নাই চলচ্চিত্র শিক্ষার লেইগা যেইটা লাটভিয়াতেও আছে। একটা দেশের পরিস্থিতির সাথে আরেকটা দেশের তুলনা করতে হইলে তার অবকাঠামোগত বিষয়টা মাথায় রাখা দরকার।
Yesterday at 12:54pm •

Arif Jebtik রাশেদ হাফিজ, আমার প্রশ্নটা হচ্ছে সালাউদ্দিন হতে তাদেরকে আটকাচ্ছে কে ? " যা দিচ্ছি তাই খাচ্ছে" এই মনোভাব ?
এই মনোভাব তো একদিনে আসেনি। মধ্যবিত্তরা আগে সিনেমা হল ছেড়েছে তারপর ডিপজল এসেছে। ডিপজলের ধাক্কায় মধ্যবিত্তরা সিনেমা হল ছেড়ে আসে নি।

এখানে পুরো বিষয়টাকে অনেক বড় আকারে বোধহয় দেখতে হবে। এই সময়ে টিভির-ডিভিডির সহজলভ্যতা, মধ্যবিত্তের অন্যান্য নতুন জটিলতা এসব কারনেই মধ্যবিত্ত হল বিমুখী। এখন ভ্যাকুয়ামে ঝন্টু মন্টুরা করে খাচ্ছে। নিম্নবিত্তরা সিনেমা হলের বিনোদন পাচ্ছে।
এর জন্য বিদেশী সিনেমা আনার শর্তটা বোধহয় জরুরী নয়। ৩০ লক্ষ টাকার বড় নাটক তো সিনেমাই নয়, এটা ব্যবসার নতুন একটা ফর্ম, সেটাকে এখানে উদাহরন হিসেবে টানছি না।Yesterday at 12:57pm •

Kazi Mamun @Vashkar Abedin-তথ্য উপস্থাপন রীতি আসলে পাল্টানো দরকার। "ইরানে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতাতেই সেই অঞ্চলের প্রথা নির্মাণের মতোন ছবি গুলি তৈরী হইছে। " আবার সেই সরকারই ছবি ব্যানড করছে- Dariush Mehrjui's seminal film Gaav (The Cow, 1969) is now considered a pioneering work of the Iranian New Wave. The film was sponsored by the state, but they promptly banned ... See Moreit upon completion because its vision of rural life clashed with the progressive image of Iran that the Shah wished to project, while its prominence at international film festivals annoyed the regime. [53]
After the Iranian revolution, filmmakers experienced even more restrictions. Several films now regarded as the seeds of a renaissance in Iranian art films, such as Bahram Beizai's Cherikeh-ye Tara (Ballad of Tara, 1980) and Marg-e Yazd-e Gerd (Death of Yazd-e Gerd, 1982), and Amir Naderi's Jostoju (Search, 1982), were banned in Iran.
Since the mid 1980s, Iran's policy on film censorship has been changed in order to promote domestic film production: the strict censorship eased a little after December 1987. Old directors resurfaced and new ones emerged. [53] However, the application of the rules is often inconsistent. Several films have been refused release inside Iran, but have been given export permits to enter international film festivals. Even here, the censorship is inconsistent: May Lady by Rakhshan Bani-Etemad (1998) got through but her contribution to Stories of Kish (1999) did not. [54]
All of Jafar Panahi's films, including his recent film about female football fans[55], Offside (2006), have been banned from public theaters in Iran. [56] Offside was relegated to "a guest slot" at the International Fajr Film Festival. "It was not shown as an important film," says Panahi. "They didn't give any value to it."[56]
Several of Mohsen Makhmalbaf's films are also banned in Iran. For example, Time of Love and The night of Zaiandeh-rood were banned for dealing with physical love and for raising doubts about the revolution.[57]
In 2001, feminist filmmaker Tahmineh Milani made The Hidden Half, which was accused of presenting the anti-revolutionary forces in a positive light. Milani was jailed and her belongings stolen. Many Iranian and international artists and filmmakers protested and demanded her release. Eventually President Khatami and the Minister of Culture were able to secure her release. Of a subsequent film, Two Women, Milani has said "[it] was banned for seven months and before I could even start on it my script was banned for seven years. It was eventually released and was a box office hit in Iran.[58]
Among Iran's censorship rules is a ban on the depiction of women without headscarves. Joy of Madness, a documentary about the process of casting At Five in the Afternoon, was banned when Samira Makhmalbaf's own headscarf was deemed "insufficiently modest".[59] Tahmineh Milani's Kakadu, which was about the environment, was banned and still cannot be seen in Iran because it depicts a beautiful eight-year old girl who is not wearing a headscarf.
In Nargess, Rakhshan Bani-Etemad who is a pioneer of Iranian cinema, pushes censorship codes to the limits, questioning the mores of society, showing desperate people overwhelmed by social conditions and a couple living together without being married.[60]Yesterday at 1:08pm •

Rashed Hafiz সরি, Arri 435 । ভুলে গেছিলাম । ধন্যবাদ । আমাকে বলেন দেখি এই ক্যামেরা চালানো সঠিক লোক নাই ক্যান , ব্যবহারের লোক না্ই এইজন্যই তো । আর টেকনিক্যালে এফডিসি হয়তো বলিউড নয় কিন্তু টালিগঞ্জের থাইকা কি কম । তাইলে আমাগো গৌতম, ঋতুপর্ণ কিংবা বুদ্ধদেব এর মতন পরিচালক হইলো না ক্যান । হেগো তো হিন্দি ছবির দৌরত্মের কাছে আগেই দুই হাত তুলো স্যারেন্ডরি করণের কথা ।
Yesterday at 1:10pm •

Rashed Hafiz জেবতিক@ আমাদেরকে কারো আইসা আটকাতে হয় না । জানেন তো আমাগো দোজগে নাকি কোন পাহারাদারও লাগে না । আর ভাস্করদা@ এফডিসিতে চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিচালক-পরিবেশকদের যে চক্র আছে সেটা তো জানেন । তাদের কথা নু শুনলে কি হয় সেটা তো সূর্য দীঘল বাড়ির সময়ই দেখা গেছে । Yesterday at 1:11pm •

Kazi Mamun @Arif Jebtik-"চলচিত্রের বিকাশের জন্য বিদেশী সিনেমা আনা দরকার" আমাদের বলার কথা তা নয়, আমাদের বয়াল্র কথা হলো- শিল্পের বিকাশের জন্য উন্মুক্ত প্রতিযোগীতা দরকার, একে গার্মেন্টস সেক্টর এর সাথে গুলিয়ে ফেললে হবে না যে আহারে বাইরে থেকে কাপড় আসলো আর আমার কাপড় ধংশ হয়ে গেল। আরে ভাই ধংশ হওয়ার আর কি বাকি আছে? আপনি কি নিয়ে ভয় পাচ্ছেন? পাকিস্থানের কথা আপনি বলছেন? পাকিস্থানে আগেও কোনো জহির রায়হান ঋত্বিক ঘটক ছিল বলে আমার জানা নেই। 'হেডম থাকলে সমুদ্রেই সাঁতার দিতে পারবে, না থাকলে কুয়োতেই ডুইবা যাইবো'Yesterday at 1:16pm •

Rashed Hafiz আসলে চলচ্চিত্রের বিশাল শিল্প (দুই অর্থেই) নিয়ে আলোচনা করতে গেলে কুল কিনারা থাকব না । আসলে জায়গাটা স্পেসিফিক হওয়া দরকার । আমার আলোচনার বিষয়বস্তু কিন্তু একটাই ছিল বিদেশী সিনেমা আসলে কেন বাংলা সিনেমা শিল্প ধ্বংস হবে ??
Yesterday at 1:19pm •

Kazi Mamun রাসেল ভাই তার আগে আমাকে বলেন বাংলা সিনেমা ধংশের কি বাকি আছে যে নতুন করে ধংশ হবে?Yesterday at 1:20pm •

Vashkar Abedin ইরানের যেইসব ব্যান খাইছে তার বড় একটা অংশ সরকারী পৃষ্ঠপোষকতাতেই বানানো হইছে। Yesterday at 1:26pm •

Rashed Hafiz মামুন@ বিদেশী সিনেমা আনলে দেশে দেথালে বাংলা চলিচ্চত্র শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে । বাংলা চলচ্চিত্রের ভবিষ্যত নিয়া যারা উদ্বিগ্ন তারাই বলতে পারবেন এখনও এই শিল্পে ধ্বংসে আর কি বাকি আছে ।আর কতখানি তা দিয়ে ব্যবসা হচ্ছে ।Yesterday at 1:27pm •

Rashed Hafiz দেখুন আমরা নিয়ম করে বিদেশী সিনেমার প্রদর্শন বন্ধ রাখতে পারি । কিন্তু চোখ বন্ধ করে রেখে লাভ কি ?? প্রতিযোগিতায় নামার আগেই যদি দুই তুলে আত্মসর্ম্পন করি তবে সেই তেলপোকা হয়ে বেচে থাকার কি দরকার ?? আপনার দেশের মধ্যবিত্তের সবচেয়ে বিনোদনের বিষয় এখন হিন্দি সিরিয়াল , কই সেজন্য তো আমাদের টিভি চ্যানেল গুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে না । মোদ্দা কথা হলো বিদেশী সিনেমা আনা... See More যাবেনা বিষয়টা সেটা হওয়া উচিত ছিল না । বরং একটা সুষ্ঠু নীতিমালা প্রনয়নের প্রয়োজন ছিল কি কি সিনেমা কি নিয়মের ভিত্তিতে এদেশের প্রেক্ষাগৃহে চলতে পারত । তাতে আর কিছু না হোক মধ্যবিত্তের বিনোদনের একটা জায়গা তৈরী হতো । তাতে বোধকরি দেশের অর্থনীতিতে কিছুটা হলেও সামান্য কিছু রাজস্ব যোগ হতো ।
Yesterday at 1:43pm •

Kazi Mamun @Vashkar Abedin- কথা উল্টান কেন বস? আগে ছবি বানানো হয় নাকি আগে ব্যান খায়? বরং বলেন যে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বানানো ছবিও ওরা ব্যান করেছে কিন্তু তাও ইরানী চলচ্চিত্রের অগ্রযাত্রা রুদ্ধ করতে পারেনি।Yesterday at 1:44pm •

Kazi Mamun "হেডম থাকলে সমুদ্রেও সাঁতার কাটতে পারে (মুক্ত বাজার এবং সরকারী একের পর এক ব্যান ও ইরানী চলচ্চিত্র'র অগ্রযাত্রা রুধতে পারেনি) আর হেডম না থাকলে কুয়োতেই ডুইবা মরে(যেমন করে গত ৪০ বছর ধরে কুয়োতে আটকে ডুবিয়ে মারা হচ্ছে বাংলা চলচ্চিত্রকে)"
Yesterday at 1:49pm •

Rashed Hafiz
Oniket Alam April 27 at 12:43pm
bhalo ekta post lekhar jonne dhonnobad. protection dia film industry ke rokha kora jabe na. theatre gulo bondho hoye gele amra kothay cinema dekhbo?

ar middle class er to kono matha betha nai. karon amra already hindi film dekchi dvd ar cable e. so ekhon amra riksha owla der jonne kumirer kanna kadchi.
Yesterday at 1:51pm •

Rashed Hafiz Arif Jebtik @ মানুষ বিশেষ করে আমাদের দেশের মানুষ দেয়াল পিঠ না ঠেকা পর্যন্ত ভালো করে রিএক্ট করতেও জানে না । একবার দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে দেন দেখবেন তখন তার কি রিএ্যাকশন...প্রতিযোগিতা ছাড়া কি প্রতিভার বিকাশ হয় সহজে ??
Yesterday at 2:23pm •

Arif Jebtik "ধ্বংস" বিষয়টা আপেক্ষিক, ঐ আলোচনায় এখন যাচ্ছি না। আমি বরং একে বলব বিবর্তন। মার্কেটের চাহিদার সঙ্গে মিলে বিবর্তিত হয়েছে। কথা হচ্ছে আরো অনেক ভালো মানের সিনেমা এখানে তৈরী হওয়ার কথা ছিল যা হচ্ছে না।
কিন্তু আমার কথা তা নয়, আমার কথা হচ্ছে এই "ধ্বংস থেকে উত্তরনে" বিদেশী সিনেমা কিভাবে বড় সহায়ক হতে পারে, অন্তত বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটা বুঝতে চেষ্টা করা। উত্তরনে যে উৎসাহ দরকার সেটা কিভাবে আমাদের হলগুলোতে হিন্দি সিনেমা না দেখানো পর্যন্ত শুরু হবে না, সেটা আমার এখনও বোধগম্য হয়নি।

আমার তো মনে হয় আমাদের সিনেমাকে সত্যিকার অর্থেই সিনেমা হিসেবে একটা বড় ইন্ড্রাস্টি করার ক্ষেত্রে বিদেশী সিনেমা আমদানিটা বড় কোনো শর্ত নয়।

আমি জোর দিচ্ছি সরকারের চলচিত্র প্রেম ( যদি সত্যি থেকে থাকে ) সেটাকে সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে।আমার কিছু প্রস্তাব হচ্ছে ,

১. আমাদের দেশে জাতীয় চলচিত্র পুরস্কারটাকে যে স্তরে নেয়া হয়েছে, সরকার সেটাকে অনেক শক্তিশালী করতে পারে। ভালো গল্প, ভালো মেকিং এর জন্য শুধু ক্রেস্ট আর সামান্য কয়টি টাকা সহ একটি সনদ নয়, বরং বড় আকারে পুরস্কার দিতে হবে। পুরস্কারের গ্ল্যামার আসলে মেকারদের মাঝে প্রতিযোগিতা আসবে।
২. সেন্সর বোর্ড এবং ইত্যকার সরকারি কাজকর্মকে ঠিকঠাক করতে হবে।
৩. ব্যক্তি মালিকানাধীণ স্টুডিও এবং অন্যান্য অবকাঠামোকে প্রনোদনা দিতে হবে।
৪. কঠোর ভাবে পাইরেসি বন্ধ করতে হবে। বিনিয়োগ ফেরত আসার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় ঝুকি।
৫. ফিল্ম ইন্সটিটিউটের বিষয়টা আগেই উল্লেখ করেছি।
৬. তরুণ ভালো মেকারদের জন্য কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা দেয়ার কথা ভাবা যেতে পারে। আমাদের শর্ট ফিল্মগুলোতে অনেকগুলো ভালো কাজ হয়। এদেরকে মেইনস্ট্রিমে আনার জন্য কী করা যায় সেটা ভেবে দেখা যেতে পারে।

এই কাজগুলো করলে একটা পরিবেশ তৈরী হবে। এরকম আরো অনেক কাজ বাকি রয়ে গেছে, যেগুলো হয়তো বোদ্ধারা ভালো বলতে পারবেন।

এসব করে আমাদের চলচিত্রকে শক্তিশালী করার ভিত আমাদের আগে তৈরী করতে হবে, এবং সেই ভিত তৈরী না করলে শুধু বিদেশী সিনেমা আমদানি করে দেশি সিনেমার উত্তরন কতোটুকু সম্ভব, সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ এখনও রয়ে গেছে।Yesterday at 2:34pm •

Kazi Mamun @Arif Jebtik- আপনার প্রস্তাবনা গুলো ভালো কিন্তু বাংলাদেশের জন্য বা বাঙালীর জন্য দেয়ালে পিঠ ঠেকার বিকল্প নেই, প্রতিযোগীতা ছাড়া শিল্প বিকশিত হয় না, privilege দিয়ে দুনিয়ার কোথাও শিল্পের উন্নয়ন করা যায় নি, বাংলাদেশেতো এটা ধ্বংশই টেনে এনেছে। Yesterday at 2:39pm •

Rashed Hafiz স্যরি...এখন উঠেত হচ্ছে...পরে এস মন্তব্য করব..
Yesterday at 2:40pm •

Kajal Abdullah বাহ! ভালোই তো এই লেখাটি একযোগে তিনটি পেক্ষাগ্রহে মুক্তি পেয়েছে!ভালো লেগেছে।Yesterday at 6:41pm •

Fahmidul Haq এখানে ভালো আলোচনা হচ্ছে।
একটা তথ্য শোধরানো দরকার, আরিফ জেবতিক, পাকিস্তানে ভারতীয় সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে চলছে বেশি দিন নয়। পাকিস্তানের চলচ্চিত্রশিল্প ধ্বংসের কিনারায় এসে দঁাড়িয়েছিল অনেক আগেই, ভি্সিআর আসার আগে, ১৯৭৯ সালে জিয়াউল হক সরকার ক্ষমতায় আসার পর। ঐ সরকারের ইষলামাইজেশনের জোশের প্রথম কোপটা পড়ে চলচ্চিত্রের ওপর। ১৯৭৯ সালে নির্মিত ছবির সংখ্যা ছিল ৯৮,... See More পরের বছর ৫২ বা ৫৩।

ভারতীয় বা বিদেশী ছবি আমদানিতে আমাদের চলচ্চিত্র-শিল্পের উন্নয়নের নিশ্চয়তা যেমন দেয়না, তেমনি ধ্বংষও নিশ্চিত করেনা। এই মুহূর্তে যারা করে-কেটে খাচ্ছে, তারা মূল প্রতিবাদকারী। সঙ্গে আছেন ভারত ও ভারতীয় পণ্য নিয়ে আতঙ্কে থাকা সিভিল সোসাইটির এক অংশ (আতঙ্কের কারণও আছে, অবশ্য)। আমরা ভারতীয় বা ইংরেজি বই পড়ি। আমাদের প্রকাশনা-শিল্প যা ছিল বা যেমন থাকার কথা তেমনই আছে। ভারতীয় বইকে তো হুমকি হিসেবে দেখি না, কারণ পাঠক হিসেবে ভারতীয় বই পড়ার একটা ধারাবাহিকতা আছে।
ভারতীয় ছবি বন্ধ করেছিলেন আইয়ুব খান, ১৯৬৫ সালে যুদ্ধ শুরু হবার পরপরই। আঞ্চলিক রাজনীতির কারণে এটা হয়েছে। আবার বঙ্গবন্ধু সরকার উর্দু ছবি বন্ধ করেন ১৯৭২ সালে। কারণ জাতীয়তাবাদী রাজনীতি, আঞ্চলিক রাজনীতি। কিন্তু আমি ভারতীয় হিন্দি-বাঙলা কেন, যদি সাবিহা সুমারের উর্দু ছবি 'খামোশি পানি' দেখতে চাই বড় পর্দায়। 'মাটির ময়না' দেখলে পাকিস্তানিদেরও ১৯৭১ বা তার পূর্বের ঘটনা সম্পর্কে ভুল ভাংবে। সব ধরনের বিদেশী ছবি আমি সিনেমা হলে দেখতে চাই। 'অবতার' আমি ডিভিডিতে দেখেছি, কিন্তু বড় পর্দায় দেখতে চাই। থ্রি ইডিয়টস তিনবার দেখেছি ডিভিডিতে, প্রেক্ষাগৃহে আবার দেখতে চাই। এটা অধিকার। আইয়ুব খানের দেশ ব্যান উঠিয়ে নিয়েছে, আর আমরা আইয়ুববিদ্বেষী হবার পরেও আইয়ুব খানের জারিকৃত আদেশ সংরক্ষণ করছি।

এখন কোনো ভারত-বান্ধব সরকার যদি সেই সুযোগ করে দেয়, আমি স্বাগত জানাবো।
রাহা, শিরোনাম পছন্দ হয়েছে। Yesterday at 9:00pm •

Arif Jebtik @ফাহমিদুল হক, আমরা ভারতীয় বই পড়ি ঠিকই, কিন্তু যখনই আনন্দবাজার গোষ্ঠি এখানে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান খুলতে চায়, তখন শাহবাগের প্রকাশক পাড়া কিন্তু তার বিরোধিতা করে। বিষয়টা রুটি রুজির জন্যই। Yesterday at 9:56pm •

Arif Jebtik আচ্ছা, প্রাসঙ্গিক একটা ব্যাপার মনে পড়ল। স্টার সিনেপ্লেক্সে কিংবা মধুমিতায় যে ইংরেজী ছবিগুলো দেখায় তার ব্যাপারে নিয়ম কী ? মানে এই নিষেধাজ্ঞা কি ভাষা ভিত্তিক নাকি দেশ ভিত্তিক ? সব আমদানি নিষিদ্ধ হলে স্টার সিনেপ্লেক্স কিংবা মধুমিতা কিভাবে আনছে ? কেউ জানলে একটু আলোকপাত করেন।Yesterday at 9:58pm •
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29143002 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29143002 2010-04-27 03:09:04
দৃষ্টি আকর্ষণঃ আওয়ামী এমপির ড্রাইভারও কোটিপতি... এই পোস্ট এ নিয়ে ২৪ ঘন্টায় ৬ বার এসেছে আওয়ামী এমপির ড্রাইভারও কোটিপতি ... আর ভাবলাম হায়রে দেশ । সব চোর বাটপার । পোস্টটা করেছিলেন রেডিও নেট নামের কেউ বোধহয় । আজ পোস্টটি দেখলাম কিছুক্ষণ আগেই সরানো হয়েছে ।

আবার কিছুক্ষণ আগে (৪-৫ ) ঘন্টা আগে একই পোস্ট দেখলাম তখন আর ঢুকিনি ভাবলাম রিপোস্ট । কিন্তু কয়েক মিনিট আগে একই পোস্ট দেখে গুগলে সার্চ দিলাম দেখি গতকাল থেকে এ পর্যন্ত এই একই পোস্ট করা হয়েছে ৬-৭ বার । তবে একই পোস্ট, পোস্টদাতা ভিন্ন ভিন্ন ।

১.আওয়ামী এমপির ড্রাইভারও কোটিপতি. লিখেছেন আকাশ চৌ, ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৪১.
২. আওয়ামী এমপির ড্রাইভারও কোটিপতি. লিখেছেন গল্পসল্প, ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২৬.
৩. ২ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৪১ লিখেছেন মোহামম্‌দ শওকত মনজু
৪. লিখেছেন জুেয়ল মৃর্ধা
৫. Click This Link
৬. লিখেছেন রবিউল হোসেন

তবে একই ব্যক্তি বারে বারে নানা নিকে পোস্ট দিচ্ছে নাকি সবগুলো নিকই আলাদা কিন্তু তাদের পরিচয় একটাই তারা পেইড ব্লগার । এরপর বলুন সেই সংবাদ এর গুরুত্ব আর ভিত্তি?? ইহার দেখার পর ব্যাপক মজা পাইলাম <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29140278 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29140278 2010-04-23 02:42:08
মোস্তফা জব্বারের এই ঔদ্ধত্বের জবাব একটাইঃ অভ্র ব্যবহারকারী বাড়াই ব্লগে ঢুকে যে কেউই মনে করতে পারেন বাংলাদেশের জাতীয় সমস্যা এখন বিজয় না অভ্র?? এখনই সিদ্ধান্ত নেবার সময় হয়ে গেছে..... সারাদেশের টক অফ দ্য টাউন এখন এটা... কিন্তু আসল চিত্র কি??
যেখান থেকে এই বিবাদের শুরু সেটা হলো বিজয়ের মালিক মোস্তফা জব্বার এর লেখা দেশের জাতীয় একটি দৈনিক জনকণ্ঠে প্রকাশিত হয়েছে । সেখানে তিনি দাবী করেছেন অভ্র পাইরেটেড । বিজয়ের লে আউট ব্যবহার করা হয়েছে । স্বভাবতই তিনি যেহেতু বিজয় দিয়েই পেট চালান , শুধু পেট নয় তার ব্যবসা যশ খ্যাতি এমনকি দেশের প্রধানমন্ত্রীর আইটি বিশেষজ্ঞ বনে যাওয়া, সবকিছুর পিছনেই একটি মাত্র কারণ তা হলো তিনি বিজয়ের মালিক ।
আর মোস্তফা জব্বার শুধু এবারই নয় এর আগেও নানাভাবে ইনিয়েবিনিয়ে অভ্র নিয়ে তার আপত্তি জানিয়েছেন । আমার আলোচনা বিষয়বস্তু সেটা নয় । মোস্তফা জব্বার কি বলেছেন আর তাই নিয়ে ব্লগে আগুন জ্বালিয়ে সেই উষ্ণতায় আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তোলার জন্য নয় । মোস্তফা জব্বারের লেখা এসেছে দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে । সেই দৈনিকের যারা পাঠক বোধকরি লক্ষাধিক হবে যার ৩ শতাংশ বিজয় অভ্র নিয়ে মাথা ব্যথা নেই । কিন্তু সেই লেখা এই বিশাল মানুষকে বিভ্রান্ত করবে । শুধু কি তাই দেশের হর্তাকর্তারা সবাই এ বিষয়ে অন্ধ। আর সেই অন্ধদের হাতী চেনানোই মোস্তফা জব্বারের কাজ । নইলে স্রেফ প্রতিটি বিজয় কিবোর্ড বাবদ ৫ টাকার ভিক্ষা তিনি নিয়ম জারী করে গ্রহন করতেন না । আর তিনি কিন্তু তার জায়গায় খুব সার্থক । যাদের হাতী চেনানো দরকার আর যাদের দ্বারা টিপসহি নেয়া দরকার তিনি খুব চুপিসারেই তা সময়মতন করে ফেলেন ।

এবার আসি দ্বিতীয় প্রসংগে । দেশের যদি কম্পিউটার ব্যবহারকারী যদি ১০০ শতাংশ ধরি তবে সেই কম্পিউটারে বাংলা ব্যবহার করেন ৫০-৬০ শতাংশ । যারা প্রায় সবাই ব্যবহার করেন বিজয় । আর এই ১০০ জন ব্যবহারকারীর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট নামক দুষ্প্রাপ্য জিনিষ ব্যবহার করেন আবার সেই ১৫ শতাংশের মাত্র ২০ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেটে বাংলা ব্যবহার করুন । তবে চিন্তা করুন আমাদের অভ্রব্যবহারকারীদের সংখ্যা । তারপরও নেহাত সেটা কম নয় । আমার আপত্তিটা সেখানে নয় । এই অভ্রব্যবহারকারী প্রায় প্রতিটি মানুষই এই অভ্রকে সমর্থন করবে সেটা জানা কথা । সেই অভ্রব্যবহারকারী আমরাই ব্লগ কিংবা ফেসবুকে একটিভ । সেই তাদের মাঝেই এই উত্তাপ্ত ছড়িয়ে কি লাভ?? আমার জানামতে দেশের সিদ্ধান্তদাতা কোন আমলামন্ত্রী অভ্র ব্যবহার করেন না । আর তাদের এই বিষয়ে জ্ঞান; তা বলাই বাহুল্য । আর ব্লগে কিংবা ফেসবুকে এই কার্যকলাপ স্রেফ অভ্রব্যবহারকারীদের সচেতন করবে । তার থেকে বেশীকিছু আশা করা অরণ্যেরোদন ছাড়া আর কিছু নয় । আর আপনার আমার এই কার্যকলাপ অভ্রব্যবহারকারী ছাড়া খুব সামান্য মানুষই বুঝতে বা পড়তে পারবে । কেননা কাদের কম্পিউটারের আপনার আমার লেখা হিব্রুর থেকেও দুর্বোধ্য স্রেফ বাক্স বাক্স !!! যদি সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে জানাতে হয় তবে দরকার দেশের মেইনস্ট্রিম মিডিয়াতে এ বিষয়ে মতামত প্রকাশ করা । সেটা যদি সম্ভব হয় আর অভ্র সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হয় (আর সাথে অভ্র ডাউনলোডের লিংক )তবে দেখবেন মাত্র ১ সপ্তাহে অভ্র ব্যবহারকারীর সংখ্যা হবে কয়েকগুন বেশী । আর পারলে আমাদের সিদ্ধান্তদাতা মশাইদের অভ্র মালটা কি সেটা মাথায় দেয় না কি করে সেটা বুঝান ।

আসি মূল প্রসংগে: যে বিষয়ে আমি নিজেও পরিষ্কার নই । অভ্রে ইউনিজয় কিংবা বিজয় এ লিখতে বিজয়ের যে লেআউট ব্যবহার করা হয়েছে তা (....existing law 9in relation to IPR........ Copyright Act 2005 and Patent Act 1911.) কি কপিরাইট ভংগ করে ?? যদি করে তা উতরানোর উপায় কি ? আর না করে তবে তো আর কোন ব্যাপার না ।

মোস্তফা জব্বারের জন্ম নাকি আমাদের কম্পিউটারে বাংলা লেখার অনুমতি দিয়েছে । তার এই ঔদ্ধত্বের জবাব হতে পারে দেশের সব মানুষকে বিজয় না ব্যবহার করতে হতো । যদি সবাই অভ্র কিংবা এমন কোন মুক্ত সফট্ওয়্যারে বাংলা লিখতে পারে । আর প্রফেশনাল কাজে অভ্র এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় । সেই প্রতিবন্ধকতা কেটে গেলে আর প্রয়োজনে আমরা বিজয় লেআউটের বিকল্প পেলেই তা সম্ভব । আবারও বলি আমার মনেহয় তার এই ঔদ্ধত্বের জবাব একটাই দেশে আরো অভ্র ব্যবহারকারী বাড়ান । ভাষা হোক উন্মুক্ত । সেজন্য মেহেদী হাসানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29139177 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29139177 2010-04-21 14:44:00