somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বিজ্ঞাপনে ঢেকে যায় মুখ, বিজ্ঞাপনে ঢেকে যায় প্রাণ স্পন্দন আর আমাদের সেই কর্পোরেট রঙ্গ দেখেই সুখ

১.
আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টা একসময় সবুজে সবুজ ছিল । ফাগুনে আগুন হয়ে যেত পুরো ক্যাম্পাস, আর এখন এই ফাগুনের শেষে এই প্রখর চৈত্রে মরা গাছ গুলোতে ধীরে ধীরে শুরু হয়ে যেত সবুজের, নবীনের প্রাণের উৎসব । আমরা সবাই মিলে, আমরা সবাই খুঁজতাম-গুনতাম কত রকম সবুজ রঙ । এই এক সবুজের কত প্রকার ?? কোথাও কালচে সবুজ, কলা পাতা সবুজ, প্যারোট সবুজ, আফলাতুন সবুজ... একসময় আমাদের শব্দের ভান্ডার ফুরিয়ে যেত কিন্তু সবুজের বাহার ফুরাতো না ....
খুব বেশীদিন সময় পেরুয়নি হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩য় বর্ষ হবে তার আগেই দেখি আর সবুজ, আর ফাগুনের রং আর জারুলের বেগুনি চোখে পড়ে না, চোখ ঢেকে গেছে বিজ্ঞাপনে, মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে....আমাদের ক্যাম্পাসের মালিক তখন বিলবোর্ডের কল্যাণে সকল কর্পোরেট ওয়ালারা । আর প্রতিবাদ জানাই, কর্পোরেট আগ্রাসনের প্রতিবাদ, তাদের সেই বিলবোর্ড গুলোতে কালো রঙ ঢালি কিন্তু তাদের অতো বড় বিজ্ঞাপনে রঙ ঢালার পয়সা যে আমাদের নেই !!! আমাদের সেই প্রতিবাদে আচড় পড়ে সেই জড় বিলবোর্ড গুলোর গায়ে কিন্তু তার বিন্দুমাত্র আচড় লাগে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কিংবা কর্পোরেট ওয়ালাদের গায়ে , দুদিন চুপচাপ থাকার পর আবার সেই বিলবোর্ডে চড়ে নতুন রঙ্গীন বিজ্ঞাপনে । সেই বিজ্ঞাপনের রঙচঙ যেন আমাদের ব্যঙ্গ করে । সেই পর্বত সমান বিজ্ঞাপনের নীচে দাড়িয়ে নিজেকে বড্ড ছোট মনে হয়, তুচ্ছ মনে হয়, আমরা অসহায়বোধ করি...
২.
আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টা একসময় আমাদের ছিল । আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টা একসময় সবুজে সবুজ ছিল ।আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টা এখন আর আমাদের নেই, সেই সবুজ নেই । বিজ্ঞাপনে ঢেকে গেছে মুখ, বিজ্ঞাপনে ঢেকে গেছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ স্পন্দন ... শুধু কি তাই এখন সেই পর্বত সমান কর্পোরেটদের পর্বত সমান বিজ্ঞাপনের নিচে চাপা পড়ে জীবন, থেমে যায় প্রাণ স্পন্দন । আর আমরা সেই কর্পোরেট রঙ্গ দেখেই সুখের আবেশ নিয়ে সবুজ হই, দেশপ্রেমিক হই , খুঁজে পাই বিজ্ঞাপনে ঢাকা স্বদেশের মুখ !!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29121389 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29121389 2010-03-22 15:21:13
নিজামীর নব্যুয়ত প্রাপ্তি আর আমাদের ধর্মপ্রাণ(!!!) মোল্লাদের ধর্মানুভূতি বাংলাদেশের পত্রিকা প্রথম আলোতে একটি প্রচলিত কৌতুক ছাপা হয়েছিল , সেখানে শুধু মহম্মদ নাম নিয়ে কৌতুক ছিল । সেই কৌতুক নিয়ে দেশে রীতিমতন বিশাল কৌতুক , আবার সেই ধর্মপ্রাণ (!!) দের উন্মাদনা যদিও সেই একই কৌতুক শিবিরের পত্রিকায় ছাপা হলেও কো্থাও কোন টু শব্দটি হয়নি ।

ধর্মকে নিয়ে ব্যঙ্গ করা, ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা করা কোন স্বাভাবিক মানুষ মেনে নিতে পারে না । বিকৃতমনা মানুষই কেবল তা করে , করতে পারে । সেটা যে ধর্মই হোক, যার ধর্মই হোক । কেননা ধর্ম যেকোন মানুষের বহুযুগের লালিত বিশ্বাস । সেই বিশ্বাস শ্রদ্ধাবোধকে অসম্মান করার অধিকার কারো নেই ।

কিন্তু এদেশে একদল ধর্মব্যবসায়ী পবিত্র ধর্ম ইসলামকে( যে ধর্ম এদেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষের) নিয়ে রীতিমতন ভোগ্যপণ্য বানিয়ে ফেলেছে । সেই থর্মকে তারা ব্যবহার করে তাদের প্রয়োজন মাফিক, তাদের মর্জিমতন । সুইডেনের এর কার্টুন নিয়ে তারা যতোথানি সোচ্চার তার থেকে অধিক নিরব তাদের নিজেদের দেশে যখন মহানবীর সঙ্গে একজন কুলঙ্গার রাজাকারের তুলনা হয় !!! সেই কার্টুন একেঁ না যতোখানি ইসলামকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে তার থেকে অনেক ন্যক্কারজনক, দুর্ভাগ্যজনক এবং অবশ্যই মহনবীকে হেয় করা এই তুলানা । কুকুরের থেকেও অধম প্রাণী এই নিজামী , তার সাথে..............
কিন্তু হায় খোদা... আজ সেই ধর্মপ্রাণ (!!)রা কোথায় ?? কোথায় কাদের প্রখর ধর্মানুভূতি ???
আজ তারা নিরব, তবে কি ধর্মকে তারা স্রেফ তাদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে ?? কোন ধর্মবোধ কিংবা অনুভূতি বা ভালোবাসা থেকে ধর্ম নয় কাদের কাছে । সুইডেনের ঘটনায় আমরা যেমন নাখোশ হই, প্রতিবাদ করি, বিচার চাই তেমনি দেশের ঘটনাতেও আমরা স্তম্বিত, নাখোশ, প্রতিবাদ করছি এই দুঃসাহসের, এই ধৃষ্টাতা প্রকাশের । আর অবশ্যই এই জানোয়ারদের বিচার চাই ।

এমন তুলনার উচ্চারণ করে যে জিহ্বা তা চিড়ে ফেলা হোক , এমর ভন্ড বক ধার্মিকদের অবিলম্বে প্রকাশ্যে ঝোলানো হোক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29120236 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29120236 2010-03-20 15:14:04
গড ফাদারঃ থিম সং শুনুন গড ফাদারের থিম সং শুনুন

সাথে গড ফাদারের কয়েকটা উক্তিঃ
1.”Keep your friends close, and your enemies closer”
2.”I’ll make him an offer he can’t refuse.”
3.”My father is no different than any powerful man, any man with power, like a President or a senator”
-Michael Corleone (Al Pacino): My father is no different than any powerful man, any man with power, like a President or senator. Kay Adams (Diane Keaton): Do you know how naive you sound, Michael? Presidents and senators don’t have men killed.Michael Corleone: Oh. Who’s being naive, Kay?

4.”In Sicily, women are more dangerous than shotguns.-Fabrizio (Angelo Infanti) in ‘The Godfather’
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29119907 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29119907 2010-03-20 01:34:21
মার্চে আসুন দেশের গান শুনি, স্বাধীনতার গান শুনি
মোরা একটি ফুলকে বাচাঁবো বলে যুদ্ধ করি

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা..

পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল

...সালাম সালাম হাজার সালম...

জয়বাংলা বাংলার জয়....

শোনে একটি মুজিবরের কণ্ঠধ্বনি...

এক নদী রক্ত পেরিয়ে...

বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা আজ জেগেছে সেই জনতা...

তীরহারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেবরে

কারার ওই লৌহ কপাট ভেঙ্গে ফেল কররে লোপাট...

নোঙ্গর তোল তোল সময় যে হলো হলো...

রাহা"র ব্লগ... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29110611 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29110611 2010-03-05 17:27:29
মার্চে আসুন দেশের গান শুনি, স্বাধীনতার গান শুনি
মোরা একটি ফুলকে বাচাঁবো বলে যুদ্ধ করি

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা..

পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল

...সালাম সালাম হাজার সালম...

জয়বাংলা বাংলার জয়....

শোনে একটি মুজিবরের কণ্ঠধ্বনি...

এক নদী রক্ত পেরিয়ে...

বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা আজ জেগেছে সেই জনতা...

তীরহারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেবরে

কারার ওই লৌহ কপাট ভেঙ্গে ফেল কররে লোপাট...

নোঙ্গর তোল তোল সময় যে হলো হলো...

রাহা"র ব্লগ... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29110602 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29110602 2010-03-05 17:17:21
সেই ফুলচোরেরা কি আজও আছে ??
সেই প্রভাতফেরীর জন্য কতোই না প্রস্তুতি, কতো আয়োজন । আমার জন্ম বেড়ে ওঠা ছোট্ট একটি শহরে, মফস্বলে । সেই ছোট্ট মফস্বলে কিংবা বোধহয় সেই সময়ের একুশে ফেব্রুয়ারীর আমেজটা ছিল এখনকার থেকে একবারেই আলাদা । আমার শৈশবকালটা আশির দশকের মাঝামাঝি । সেই সময় মফস্বলে কমবেশি প্রতিটি বাড়ির আঙ্গিনায় ফুলের বাগান করার চল ছিল । সেই বাগানে নানা রঙের গোলাপ, ডালিয়া, পপি, চন্দ্রমল্লিকা, সূর্যমুখী, জিনিয়া, রজনীগন্ধাসহ নানা মৌসুমী ফুল । আর একুশের রাতে দল বেধেঁ ভাইয়ারা, পাড়ার ছেলেরা বেরিয়ে পড়ত ফুলচুরির অভিযানে , পরদিন সকালে যে ফুল নিয়ে সবাই শহীদ মিনারে যাবে । আর সেজন্য সবাই নিজের বাড়ির ফুল রেখে যেতো অন্যের বাগানে ফুল চুরি করতে । আবার নিজেদের বাগানের ফুল বাচাতে থাকতো রাত জেগে পাহাড়া । রাতে বাগানে লাইট জ্বালিয়ে একুশের রাতের জন্য থাকতো আলাদা ব্যবস্থা । আমি তখন ছোট ছিলাম বলে ফুলচোরদের সংগী হতে পারিনি । কিন্তু ছোট ছিলাম বলে আমার জুটতো ভাইয়াদের চুরি ফুলের সবচেয়ে সুন্দর ফুলটা । সেই চুরি করা নানা বাহারি ফুল আর পাতাবাহারের পাতা দিয়ে নিজেরাই বানাতাম ফুলের তোড়া । সেই তোড়া সুতো দিয়ে বেধে নানা রঙের গোলাপ, ডালিয়া, পপি কিংবা চন্দ্র মল্লিকা দিয়ে সাজানো হতো । আর সন্তানের মতোন যত্নে লালন করা ফুলগুলো থেকে সুন্দর আরো বড় ফুল ছিড়ে নিয়ে যাওয়া হতো শহীদ মিনারে । ভোর হবার আগেই মাইকের শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যেতো । দলে দলে প্রভাতফেরী দল মাইকে একুশের গান গাইতে গাইতে শহীদ মিনারে যেতো । সেই দল গুলোর কোন একটি দলে ভাইয়াদের সাথে ভিড়ে যেতাম । যদিও মা বলতেন তোমার যাবার দরকার নেই, ঠান্ডা লাগবে । স্কুলের গানের ক্লাসে কিংবা দলীয় সংগীতেও যেই আমি হেড়ে গলায় গান গাইবার সাহস করতাম না সেই আমি একুশের ভোরের প্রভাতফেরীতে পরম মমতায় গাই অমর একুশের গান । আমার হেড়ে গলাতেও কেন এই গানটি খারাপ শোনায় না । আর একটু বড় হয়ে যখন স্কুলে ভর্তি হলাম তখন তো স্কুলের ইউনিফর্ম পড়ে স্কুল থেকেই যাওয়া হতো আর সেই সময় আমাদের মাঝে চলত তুমুল প্রতিযোগিতা, কার ফুলের তোড়া, ফুল সবথেকে সুন্দর । আহা কি চমৎকার সেই সবদিন গুলি । আচ্ছা সেই ফুলচোরেরা কি আজও আসে ?? এভাবেই শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় শহীদ মিনারে ?? মনে হয় না । কেননা মফস্বলেও এখন আর প্রতিটি বাড়িতেই ফুলের বাগানের চলটি চোখে পড়ে না । তাই বোধহয় কালের বিবর্তনে সেই ফুলচোরেরা হারিয়ে গেছে, তাই বোধহয় আজ আর সেই ফুলচোরেরা আসে না । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29102187 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29102187 2010-02-21 04:04:22
সচিত্র অপর বাস্তব ৪ এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের কয়েকটি মুহুর্ত (নতুন ছবিসহ)
অপরবাস্তব ৪ এর মোড়ক উন্মোচনের অনুষ্ঠান, ছবিঃ মুহম্মদ জায়েদুল আলম

অপরবাস্তব ৪ এর মোড়ক উন্মোচন করছনে মাহবুব মাতিনের সহধর্মিনী শাহিন শবনম , ছবিঃ মুহম্মদ জায়েদুল আলম
অপরবাস্তব ৪ এর মোড়ক উন্মোচনের অনুষ্ঠানে ব্লগারদের কয়েকজন
অপরবাস্তব ৪ এর মোড়ক উন্মোচনের অনুষ্ঠানের সঞ্চালক মাহবুব লীলেন, অনুষ্ঠানের অতিথি মাহবুব মাতিনের সহধর্মিনী শাহিন শবনম আর ব্লগারদের কয়েকজন

মাহবুব লীলেন ও একরামুল হক শামীম

ব্লগার জানা, অনুষ্ঠানের সঞ্চালক মাহবুব লীলেন আর অনুষ্ঠানের অতিথি মাহবুব মাতিনের সহধর্মিনী শাহিন শবনম
অনুষ্ঠানের অতিথি মাহবুব মাতিনের সহধর্মিনী শাহিন শবনম
ও ব্লগার আইরিন সুলতানা
ব্লগার আরিফ জেবতিক
সকল ছবি©ব্লগার অন্যমনস্ক শরৎ
রাহা ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29098315 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29098315 2010-02-15 15:47:13
অপরবাস্তব ৪ এর মোড়ক উন্মোচিত
আজ সন্ধ্যা ৭ টায় উন্মোচিত হলো অপরবাস্তব ৪ এর মোড়ক । অনাড়ম্বর এই অনুষ্ঠানে মোড়ক উন্মোচন করেন অকাল প্রয়াত ব্লগার মাহবুব মাতিন (এটা সম্ভবতঃ ব্লগের নাম, তিনি মাহবুব মতিন নামেই এমনিতে পরিচিত) -এর সহধর্মিনী শাহিন শবনম ।
মোড়ক উন্মোচনের আগে বিকেল ৩টায় ব্লগার অন্যমনস্ক শরৎ আর আমার কাধেঁ চেপে শতাধিক অপরবাস্তব ৪ বইমেলায় প্রবশে করে ।

এই মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অনেক ব্লগার উপস্থিত ছিলেন এবং তাদের অনেকই ক্যামেরা সমেত ছিলেন (আমার সাথে কোন ক্যামেরা ছিল না <img src=" style="border:0;" /> )বইমেলা থেকে ফিরে তাই অনেকক্ষণ ধরে ছবির অপেক্ষায় থেকে শেষ পর্যন্ত ছবি না দেখে বই মোড়ক স্ক্যান করে দিলাম । জানি অনেকেই অপেক্ষা করছেন .. তাই দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো আর কী /<img src=" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" />
অপরবাস্তব পাওয়া যাচ্ছে বইমেলায় ২৪১ নং স্টলে সংহতি প্রকাশন এ । এছাড়া সারাবছর পাওয়া যাবে শাহবাগ ঢাকায় আজিজ সুপার মার্কেটের ২য় তলায় (লিফটের পাশে) কিংবদন্তী-এর শোরুমে ।
আর গায়ের মূল্য ১৩০ টাকা তবে কিনতে পারবেন ১০০ টাকায় (সেটিও ভিতরে ছাপানো আছে <img src=" style="border:0;" />)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29097221 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29097221 2010-02-14 01:24:14
আসুন শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী মানুষদের জন্য "রাষ্ট্রীয়ভাবে ১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ইশারা ভাষা দিবস" পালনের দাবীকে সমর্থন করি
মানব সভ্যতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ভাষা। সমাজ ও সংস্কৃতির বিকাশ লাভ করে ভাষাকে কেন্দ্র করে। জন্মের পর শিশুর বিকাশে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ভাষা। শিশুর যথাযথ বিকাশে মাতৃভাষা চর্চার কোন বিকল্প নেই। মানুষের জীবনযাপনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে ভাষা। আমরা বাঙালিরা ভাষার এই গুরুত্ব বুঝতে পেরেই ভাষার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছি। সরকারের স্বীকৃতির বাইরে ১৯৫৩ সাল থেকে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ ২১ ফেব্রুয়ারিকে বাংলা ভাষা দিবস পালন করে আসছে। এর স্বীকৃতি স্বরূপ একুশে ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে পালিত হচ্ছে। পৃথিবীর সকল ক্ষুদ্র ভাষাগোষ্ঠীর মানুষের ভাষার প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং তাদের ভাষাকে প্রাঞ্জল রাখার মহান উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ ঘোষিত এই দিবস এখন সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে। অথচ এই দেশের সংখ্যালঘু ভাষাগোষ্ঠীর ভাষার বিকাশে বৈষম্যপূর্ণ ব্যবস্থা বিরাজমান।

আমাদের দেশে প্রতিবন্ধী নাগরিকদের মধ্যে শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী মানুষেরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। বাংলাদেশে প্রায় ২৬ লাখ শ্রবণ প্রতিবন্ধী মানুষের বসবাস রয়েছে। শ্রবণ প্রতিবন্ধিতার কারণে এই মানুষেরা কথ্য ভাষার মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেনা। বাংলা ইশারা ভাষা এই মানুষদের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। এছাড়াও অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী (নিউরোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার) নাগরিকদের মধ্যে ইশারা ব্যবহারের মাধ্যমে যোগাযোগে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।

দেশে বাংলা ভাষা ছাড়া অন্য কোন ভাষার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি না থাকলেও ভাষাগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মধ্যে আদিবাসী ভাষাগুলোর ব্যাপারে রাষ্ট্রীয় বৈষম্যের কথা স্বীকৃতি পেয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকার এই আদিবাসী ভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। চলতি বছরে কমপক্ষে ৫ টি আদিবাসী ভাষায় পাঠ্য বই প্রকাশ করা হয়েছে। অথচ ভাষাগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মধ্যে ইশারাভাষী জনগোষ্ঠী সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও তাদের ভাষার স্বীকৃতি বা প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের কোন প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়নি। অন্যান্য ক্ষুদ্র ভাষাগোষ্ঠী জীবনযাপনের তাগিদে নিজস্ব ভাষা পরিহার করে অন্য ভাষা শিক্ষা প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছেন। অথচ বাঙালি ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী নাগরিকদের সামর্থ্যের প্রতিবন্ধকতার কারণে নিজস্ব ভাষা পরিহার করার কোন সুযোগ নেই। ইশারা ভাষার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে এর চেয়েও বড় কোন যৌক্তিকতা নেই।

আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি বিকাশে সরকার ছয় জেলায় ৬ টি ইনস্টিটিউট স্থাপিত করেছে। গত দুই দশক ধরে এই প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ১৯৯৪ সালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ জাতীয় বধির ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে বাংলা ইশারা ভাষার অভিধান প্রকাশ করা হয়। গত দেড়যুগে এই জনগোষ্ঠীর জন্য বাংলা ইশারা ভাষা প্রসার ও বিকাশে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এখন পর্যন্ত আর কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

বাংলাদেশে প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারী ভাবে বিভিন্ন দিবস পালিত হয়ে আসছে। যেমন, ১৫ অক্টোবর বিশ্ব সাদা ছড়ি নিরাপত্তা দিবস ও ২ এপ্রিল বিশ্ব অটিজম দিবস। এই দিবসগুলো সার্বিকভাবে বিশেষ ধরণের প্রতিবন্ধী নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করে উদযাপিত হয়ে থাকে। কিন্তু এদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সবচেয়ে বড় অংশ শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী মানুষদের অধিকার ও মর্যাদার বিষয়টি সব সময়ই অবহেলিত থেকেছে। এ প্রেক্ষিতে এসডিএসএলসহ শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী মনে করে এ দেশের শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী মানুষদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিতকরণের আন্দোলন জোরদার করতে রাষ্ট্রীয়ভাবে ১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ইশারা ভাষা দিবস উদযাপন বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নাগরিকের জন্য বিশ্ব সাদা ছড়ি দিবস যেমন স্বাতন্ত্র্যতাকে উপস্থাপন করে, তেমনি শ্রবণ প্রতিবন্ধী নাগরিকের উন্নয়নের জন্য স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে এমন বিষয়কে এগিয়ে আনা প্রয়োজন। শ্রবণ প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীসহ এসডিএসএল মনে করে, শ্রবণ প্রতিবন্ধী নাগরিকের জন্য ইশারা ভাষা একটি মূখ্য বৈশিষ্ট্য।

বাংলা ইশারা ভাষার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী মানুষদের দীর্ঘদিনের দাবী। ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর এসডিএসএল ইশারা ভাষার স্বীকৃতির জন্য একটি অনুষ্ঠানে কার্যকর সহযোগিতা করে। এসডিএসএল ধারাবাহিকভাবে বাংলা ইশারা ভাষার স্বীকৃতির জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শ্রবণ প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে স্মারকলিপি প্রদানসহ শ্রবণ প্রতিবন্ধী নেতাদের নিয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার গত ২৭ জানুয়ারি ২০০৯, তার অনুমোদনক্রমে বাংলা ইশারা ভাষার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদানে পরিপত্র জারি করা হয়। ১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী 'একুশে বইমেলা'র উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে তার বক্তব্যে বলেন 'বাংলা ইশারা ভাষা এ দেশের অন্যতম ভাষা'। তিনি শ্রবণ প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর তথ্য অধিকার নিশ্চিত করতে বিটিভিসহ সকল টেলিভিশন চ্যানেলের প্রধান সংবাদে ইশারা ভাষা উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান করেন। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে তার নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য তথ্যমন্ত্রীকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণায় শ্রবণ প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী আন্তরিক অভিনন্দন জানায়।

এই প্রেক্ষাপেট ২০০৯ সালে ২৬ মার্চ দেশ টিভি সম্প্রচারের প্রথম দিন থেকেই সন্ধ্যা ৭ টার সংবাদ বাংলা ইশারা ভাষায় উপস্থাপন করে আসছে। ১২ জুলাই ২০০৯ থেকে বিটিভি বিকাল ৫ টার সংবাদ নিয়মিতভাবে বাংলা ইশারা ভাষায় উপস্থাপন করছে। এসডিএসএল বাংলা ইশারা ভাষায় টেলিভিশনে সংবাদ উপস্থাপনের জন্য দেশ টিভি এবং বিটিভিকে সংবাদ উপস্থাপক এবং ইশারা ভাষা সংক্রান্ত অন্যান্য কারিগরী সহায়তা প্রদান করছে। বিটিভিতে রাত ৮টার সংবাদে এবং অন্যান্য টিভি চ্যানেলসমূহের মূল সংবাদ বাংলা ইশারা ভাষায় উপস্থাপনের জন্য বিভিন্ন ধরনের যোগাযোগ ও কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

২০০৯ সালে একুশে বই মেলার উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাংলা ইশারা ভাষাকে বাংলাদেশের একটি অন্যতম ভাষা হিসাবে ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাংলা ইশারা ভাষার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির আন্দোলন একটি মাইলফলক অতিক্রম করেছে। বাংলাদশের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে ভাষা এবং ফেব্রুয়ারি মাসের সম্পর্ক একান্ত অবিচ্ছেদ্য। ২১ ফেব্রুয়ারি বর্তমানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে সারা বিশ্বে উদযাপিত হচ্ছে। গত ৩০ অক্টোবর ২০০৯ এসডিএসএল আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় ২৫ টি জেলা পর্যায়ের শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী নাগিরকেদর গণসংগঠনসমূহ বাংলা ইশারা ভাষার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের আন্দোলন জোরদার করতে রাষ্টীয় ভাবে প্রতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি - বাংলা ইশারা ভাষা দিবস হিসাবে উদযাপনের বিশেষ দাবী জানায়। এ ব্যাপারে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীসহ রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে দেখা করে দাবী উপস্থাপন করা হয়েছে।

৮ জানুয়ারি ২০১০ ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে এসডিএসএল এর আয়োজনে বাংলা ইশারাভাষা দিবস উদযাপনের দাবীতে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসডিএসএল চেয়ারম্যান এম. ওসমান খালেদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি শামসুজ্জামান খান, মহাপরিচালক, বাংলা একাডেমী, বিশেষ অতিথি কাজী আবু জাফর মো. হাসান সিদ্দিকী, মহাপরিচালক বাংলাদেশ টেলিভিশন, রাবেয়া সুলতানা, সেক্টর হেড, একশন এইড বাংলাদেশ এবং শিরিন বেগম, সভাপতি বাংলাদেশ বধির মহিলা কল্যাণ সংস্থা, ঢাকা বধির সংঘের সভাপতি মিজানুর রহমান, যশোর জেলা বধির সংঘ সাধারণ সম্পাদক আজাদসহ বিভিন্ন জেলা থেকে শ্রবণ প্রতিবন্ধী নাগিরক সংগঠনের প্রতিনিধিরা সভায় দাবীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন।

গত ১ জানুয়ারি থেকে এসডিএসএল এর উদ্যোগে সকল জনগোষ্ঠীর সমর্থন আদায়ে ইন্টারনেটে একটি পিটিশনের (আপনি স্বাক্ষরের জন্য ক্লিক করুন) মাধ্যমে সমথর্ন স্বাক্ষর সংগ্রহ চলছে। শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধীদের এই দাবীর প্রতি আপনাদের সমর্থন প্রত্যাশা করছি ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29079272 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29079272 2010-01-16 00:17:48
পাঠ্যবইয়ে জাতীয় পতাকার বদলে পাকিস্তানি পতাকা!!! এর নেপথ্যের কাহিনী উদঘাটন জরুরী তৃতীয় শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বদলে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকার আদলে চাঁদখচিত পতাকার ছবি ছাপা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নতুন বছরের তৃতীয় শ্রেণীর পরিবেশ পরিচিতি সমাজ বইয়ে এই বিকৃত জাতীয় পতাকা ছাপা হয়েছে। বইটি কুমিল্লার বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করা হচ্ছে। এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন সচেতন অভিভাবকরা।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, ঢাকার নাম দিয়ে 'বিক্রির জন্য' লেখা তৃতীয় শ্রেণীর পরিবেশ পরিচিতি সমাজ বই কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হচ্ছে।
গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার এক অভিভাবক বইটি এই প্রতিবেদকের কাছে নিয়ে আসেন। বইটি সম্পর্কে জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সুমল কুমার বড়ুয়া জানান, 'এ বছর তো বিক্রির জন্য বই এখনো ছাপা হয়নি। কুমিল্লার লাইব্রেরিগুলোতে কিভাবে তা বিক্রি হচ্ছে, তা আমাদের জানা নেই।'কুমিল্লার জেলা প্রশাসক আবদুল মালেক জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
শহরের ঝাউতলার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বইটি কেনার পর তার মেয়েকে পড়তে দেওয়ার সময় জাতীয় পতাকা ব্যবহারের নিয়ম অধ্যায়ের ৩০ নম্বর পৃষ্ঠায় দেখেন, পাকিস্তানি পতাকার আদলে এক পতাকাকে জাতীয় পতাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ৩০ নম্বর পৃষ্ঠার ওপরে চিত্র-৩-এ 'বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা তোলা হচ্ছে' ক্যাপশন সংবলিত ছবিতে জাতীয় পতাকার মাঝখানে সাদা চাঁদ রয়েছে। একই পৃষ্ঠায় চিত্র-৪-এ অর্ধনমিত জাতীয় পতাকা হিসেবে রয়েছে পাকিস্তানি পতাকার আদলে চাঁদ। এর আগে আমাদের জাতীয় পতাকা অধ্যায়ে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ঠিকই দেওয়া আছে। বইটি রচনা/সম্পাদনায় নাম রয়েছে : প্রফেসর কাজী মদিনা, আবদুল মালেক, সেলিনা আক্তার, মেহের মরিয়ম, মুহাম্মদ আবদুল জব্বার।

তথ্যসূত্রঃ কালেরকণ্ঠের নিউজটা
পাঠ্যবইয়ে জাতীয় পতাকার বদলে পাকিস্তানি পতাকা!!! এর নেপথ্যের কাহিনী উদঘাটন জরুরী
কালের কণ্ঠের ২য় পাতায় ছাপা এ সংবাদটি আমাদের অনেকেরই হয়তো চোখ এড়িয়ে গেছে । বইটি বিক্রির জন্য নয় কিন্তু কুমিল্লায় যে বই টি বিক্রি হচ্ছে সেখানে লেখা আছে "বিক্রির জন্য" আর সেখানেই ছাপানো হয়েছে এমন বিকৃত পতাকা । কিন্তু এমন ঔদ্ধতপূর্ণ কর্মকাণ্ডের পিছনে নিশ্চয়ই কোন কুচক্রীরা রয়েছে । যারা কোমলমতী শিশুদেরকে বিভ্রান্ত করতে চায়, স্বাধীন দেশের পতাকা নিয়ে ব্যঙ্গ করে, মশকরা করে তারা নিশ্চয়ই এই বাংলাদেশে চায়নি কিংবা চায় না । তারা যারাই হোক না কেন , বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত হওয়া উচিত এবং জড়িতদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29076753 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29076753 2010-01-12 01:13:34
ফিরিয়ে দাও আমার শৈশব....Give me another chance ... Give me some sun shine
Give some red
Give me another chance
Wanna grow up once again
.............................................................]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29075659 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29075659 2010-01-10 13:43:47
বাংলাদেশ ২৪৯/৯ আর শ্রীলংকা ২১৩ অলআঊট !!!! <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_24.gif" width="23" height="22" alt=":-/" style="border:0;" /><img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /><img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_26.gif" width="23" height="22" alt=":-*" style="border:0;" /><img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /><img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /><img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /><img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />!!!! কালইকা আশ্রা-ফুলকে ভুদাই কইয়া ব্যাপক ঝাড়ি খাইছি ব্লগে .... ভুদাইটা নামল... কিন্তু বলেন দেখি আজকে কি হইবো ??
তামিমও নাই, ভুদাই ফুল ও গেছেগা...
আজকে কত করবো ??
বলেন তো টার্গেট কত ??
বাংলাদেশ এই মহুর্তেঃ ৮৫-২ ওভার ১৭


বাংলাদেশ এই মহুর্তেঃ ২১০-৫ ওভার ৪৩

বাংলাদেশ ২৪৯/৯ ওভার ৫০
আর শ্রীলংকা ২১৩ অলআঊট !!!! পারুম নাহ ??
কি কন??]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29074431 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29074431 2010-01-08 15:21:25
ভুদাইটা নামল... পিটাইয়্যা গেছ ...
কিন্তু এহন তো নামল... ভুদাইটা..
আল্লাহ জানে !!!
দেখা যাব কি হয়??]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29073730 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29073730 2010-01-07 15:24:28
রাহা'র বেহিসেবী (!!)২০০৯ কত খুন, কত ছিনতাই, কত দুর্নীতি কত কঠিন কঠিন হিসাব মিলায় কিন্তু আমি দেখি নিজের হিসাব মিলাতে হিয়াব টাস্কি ... হিসাব মেলে না । শ্যাষে ভাবলাম এতো কিছু বাদ দিয়ে ব্লগার রাহার একটা হিসাব করি, মেলে কি না । সেখানেও গরবর... হিসাব মেলে নাহ : (
২০০৯ এঃ
এবছর জুড়ে ব্লগ লিখছি : ৬৯ টি (এইটা সহ)
ব্লগে হিট : হিসাব জানি না (বোধহয় ৫-৭ হাজার হইব<img src=" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />)
কমেন্ট: সেই হিসাব তো জানি না
কমেন্ট করছি : তাও কইতে পারি না
তুলনামুলক আলোচনাঃ
গত বছরের তুলনায় এবছর ব্লগে উপস্থিতি ছিল অনেক কম । ব্লগও লিখছি কম...সবই কম..... এই জন্য বোধহয় বলে যায়দিন ভালো....
এ বছরের উল্লেখযোগ্য দুর্ঘটনাঃ
গত বছররে শেষ দিক থেকে এবং এবছরের শুরুর দিকে ব্যাপক চেষ্টা করে গুগুল এ্যাডসেন্স এ ১৮৮ ডলার আয় সেই আয়কে রাউন্ড ফিগার (মাত্র ২০০ ডলার) বানাতে গিয়ে একাউন্ট বাতিল হয়ে যায় !!! <img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />
উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তিঃ
ফেসবুকে রাহা একাউন্টে প্রায় পচিশোর বেশি চেনা-অচেনা বন্ধু যোগ । আর সকাল বিকেল তাদের আমার ব্লগের লিংক দিয়ে উৎপাত ।
আপাতত এই মনে পড়তাছে, মনে আসলে আবার লিখব নে । তাইলে আরেকটা পোস্ট বাড়বে <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29069003 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29069003 2009-12-31 15:04:17
ওয়েবে ছড়িয়ে থাকা সকল বাংলা ব্লগের লিস্ট এর সংকলন(আপডেটেড ৩০/১২) বাংলা ব্লগ ৫ম বর্ষে পর্দাপন করল । সামহোয়্যার দিয়ে শুরু হয়ে সেই পরিধি এখন বাড়ছে আর সেটা ক্রমাগত বেড়েই চলবে । বাংলাভাষাভাষীদের পদচারণায় ওয়েব জগৎ আরো বর্ণিল হোক । মুখরিত হোক। সামহোয়্যারের মত প্লাটফর্মের ব্লগও যেমন হচ্ছে ঠিক তেমনি কিন্তু নানা ফ্রি ব্লগ পোর্টল গুলোতে এখন অনেক বাংলা অক্ষরে ক্ষচিত বাংলা ব্লগ নিজস্ব দূত্যি ছড়াচ্ছে । আবার অনেকে নিজস্ব ডোমেইন এও ব্লগিং করছেন । এই হাজারো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ব্লগ গুলোকে একত্রে লিস্ট করেছেন অনেকেই । আমরা হঠাৎ ইচ্ছে হলো এই মুহুর্তে আসলে ওয়েব কতগুলো মোটামুটি সক্রিয় বাংলায় লেখা বাংলা ব্লগ আছে ?? সেই সব নিজস্ব ডোমেইন কিংবা যে কোন সাব ডোমেইন ছড়িয়ে থাকা বাংলা ব্লগগুলোর একটি লিস্ট করতে চাই । (যে লিস্ট গুলো আসে সে লিস্ট গুলোকে আপডেট করা যাবে)

আপনাদের বাংলা ব্লগের লিংক গুলো এবং বন্ধু বা অন্যদের জানা ব্লগের লিংক গুলো শেয়ার করুন । (তবে সামহোয়্যার কিংবা এমন ব্লগের ব্লগারদের ব্লগ লিংক নয় কিন্তু )
আপনাদের সহযোগিতা এবং মতামত প্রত্যাশা করছি । কেবল মাত্র তবেই ওয়েবে ছড়িয়ে থাকা সকল বাংলা ব্লগের লিস্ট এর সংকলন করা সম্ভব হবে ।

আপনাদের সহযোগিতায় এ পর্যন্ত সংকলিত ব্লগ লিস্টঃ

লোকযাত্রা
খসড়া কবির খসড়া কবিতা
ফারুক হাসানের ব্লগ
রনি পারভেজ
হাঁসাড়া.কম
আমার স্বপ্নময় জগত
h-o-r-o-p-p-a-হ-র-প্পা
আমি বাংলাদেশী
Microqatar's Weblog
জিয়নকাঠি ব্লগ
রিজভী
রাহা'র ব্লগ
Journalist Rizvi
পল্লীতথ্য
বৃত্তে বন্দী
বখতিয়ার
বিবর্তনবাদী
ভনে
সরসিজ আলীম
সরসিজ
প্রজেক্ট বর্ণমালা
সোনার তরী
হলুদ পাখি আর হাসনুহানার গল্প
ধুসর পৃথিবী
ছেঁড়া পাতায় কথামালা
বাংলায় তথ্যপ্রযুক্তি
..অন্দরমহলের রূপকথা..
দুস্হঃ শিশু ক্লাব
সুমনের খেরোখাতা
সার্জা'র ব্লগ
সন্ধ্যাবাতি
নির্জন হীরে
আকাশপ্রদীপ
mybtrick
জিন্নাত উল হাসান
রনি পারভেজের আর.এস.এস.
রনি পারভেজ ব্লগস্পট
বাংলা হ্যাকস
ফ্লোরেন্স রিয়া
অমিত
I love you Bangladesh
বাংলাদেশের পাখি
কৌশিক
কনফুসিয়াস
রয়েসয়ে
উদ্ভ্রান্ত
আমি বাংলাদেশী
প্রজন্ম ওয়েব ডাইরেক্টরি
Robin 's
রিয়াদ-এর ব্লগ
আকাশলীনা
মমি উপত্যকা
ময়দানের হাওয়া
মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা
Horoppa-ex 'উত্তর-হরপ্পা'
Horoppa-yoga 'হরপ্পা-ইয়োগা'
লিখতে বসে...
ইচ্ছামতী
বা ঙা ল না মা
নীল নক্ষত্র
আমার কথা
লঘুকন্ঠ
বিপ্রতীপ
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29067689 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29067689 2009-12-29 14:32:17
ওয়েবে ছড়িয়ে থাকা সকল বাংলা ব্লগের লিস্ট এর সংকলন
আপনাদের বাংলা ব্লগের লিংক গুলো এবং বন্ধু বা অন্যদের জানা ব্লগের লিংক গুলো শেয়ার করুন । (তবে সামহোয়্যার কিংবা এমন ব্লগের ব্লগারদের ব্লগ লিংক নয় কিন্তু )

আপনাদের সহযোগিতা এবং মতামত প্রত্যাশা করছি । কেবল মাত্র তবেই ওয়েবে ছড়িয়ে থাকা সকল বাংলা ব্লগের লিস্ট এর সংকলন করা সম্ভব হবে ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29065345 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29065345 2009-12-25 16:45:46
টক শো নয় হোক টক-ঝাল-মিষ্টি শো সম্প্রতি সরকার টক শো সংক্রান্ত একটি নীতিমালা তৈরি করে নির্দেশনা দিয়েছে, ‘টকশোগুলো অপরিকল্পিত ও নিয়ন্ত্রণহীনভাবে প্রচারিত হওয়ায় দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার ওপর বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করেছে। এজন্য চ্যানেলগুলোকে নির্দেশনাদানকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে এবং টেলিভিশন কর্তৃপক্ষকে গাইড লাইন মেনেই টকশো চালানোর অঙ্গীকার করতে হবে।’

আমার ব্যক্তিগত মতামত টিভি চ্যানেল গুলো থেকে এই সব সস্তা বস্তার টক শো বন্ধ করা হোক । আমাদের জাতি জ্ঞান দানে বড্ড উদার, ফাও ফাও এই সব জ্ঞান দাতারা বাস্তব কি ঘটাতে জানেন তা আমরা ভালোই জানি কিন্তু টক শো তে এলেই তারা হাতি ঘোড়া মারতে শুরু করেন , তা তিনি বর্তমান কিংবা অবসর প্রাপ্ত মন্ত্রী আমলা যেই হোননা কেন ।
আর টেলিভিশন চ্যানেল ওলারাও এমন সস্তায় চ্যাঙ্ক পূরণ করতে ব্যাপক ব্যস্ত !!

টক জাতীয় সংকট কিংবা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আসতে পারে দিনে তিনবার নয় । তাই টকশো নয় । এই সব প্যাচাল দেখতে চাই না । টক শো নয় হোক টক-ঝাল-মিষ্টি শো ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29064879 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29064879 2009-12-24 18:11:56
ভূতেঁর মুখে রামের নাম!!!! আমি অধম বলিয়া তুমিও অধম হও - তারেক জয় সমাচার বিগত সরকারের আমলে যারা দুর্নীতি করেছেন তাদের দুর্নীতিকে জায়েজ করার এই অপপ্রয়াস হাস্যকর । বরং যদি জয় কেন শেখ হাসিনা ও দুর্নীতি করেন সময় হলে তার্ও বিচার হবে । সেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতেই বর্তমান সরকারের উচিত বিগত সরকারের দুর্নীতি মামলাগুলো সঠিক ভাবে পরিচালনা করা ।

দেশের সংবাদপত্র গুলোর ভূমিকা হওয়ার কথা যেখানে জাতির বিবেক ঠিক সেই খানে তারা হয়ে যায় পার্টির বিবেক । একথা বলা বাহুল্য যে এই আমারদেশ পত্রিকাটি কিভাবে বিগত প্রধানমন্ত্রী পুত্রের সততা আর মহানুভবতা পরিচয় প্রকাশে ব্যস্ত থাকে । যখন দেশের সকল পত্রিকায় বিগত প্রধানমন্ত্রী পুত্রের দুর্নীতির নানা ফিরিস্তি প্রকাশ করতে থাকে । যে পত্রিকা দুর্নীতিকেই সততা আর মহানুভবতা বলে জানে তাদের পত্রিকার এমন খবর সত্যি হলে বিশ্বাসযোগত্যর প্রশ্ন রাখে । ভূতেঁর মুখে রামের নাম!!!!

মনেরাখা উচিত- জয় দুর্নীতি করেছেন সেটা নিয়ে লাফালাফি করেলেই তারেক এর চারিত্রিক স্খলন দূর হয় না । দুর্নীতিবাজ যেই হোক তার বিচার হবে , আমাদের বিবেচ্য হওয়া উচিত সেটাই । স্রেফ সংবাদপত্রে খবর প্রকাশ করে কিংবা গুজব রটিয়ে রাজনীতিতে সমতা আনার দিন শেষ । এদেশের মানুষ আগের থেকে খানিকটা হলে ও সচেতন । আমরা ভালমন্দ বিচার করার সামর্থ্য রাখি ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29063730 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29063730 2009-12-22 17:22:06
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবস ২০০৯ ১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নিহত শিক্ষক হত্যার
বিচার সহ সকল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ।

২. টিএসসিতে ১৯৭১ সালের জাতীয় পতাকা তৈরী


৩. বিজয় দিবসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

৪. আতশবাজীর মধ্য দিয়ে বিজয় দিবস উদযাপন



<img src=" style="border:0;" />
৫. ৩৯ তম বিজয়ে ৩৯ টি ফানুস উড্ডয়ন


৬. রাজাকারদের প্রতিকৃতিতে ডার্ট নিক্ষেপ

৭. বিজয় মুহুর্তের স্মরণে বাংলাদেশের ম্যাপ নিমার্ণ

৮. চলচ্চিত্র প্রর্দশনী


পরিকল্পনায়: স্লোগান ‘৭১
আয়োজনেঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহ।
( ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ, স্লোগান ‘৭১, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি, সাংস্কৃতিক ইউনিয়ন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, স্পন্দন ‘৭১, প্রভাতফেরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ট্যুরিস্ট সোসাইটি, বাধঁন, জয়ধ্বনি, সনদান, ব্যাকবেঞ্চার)

ছবি: সংগৃহীত]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29062434 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29062434 2009-12-20 17:08:11
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ও সমাবেশ

১৩ ডিসেম্বর ২০০৯
মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষক হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে,
মানব বন্ধন ও সমাবেশ
সময়ঃ সকাল-১১.০০, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০০৯।
স্থানঃ শহীদ স্মৃতি চত্ত্বর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।



১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী এবং তাদের দোসর রাজাকাররা দেশের চেতনা বিচ্ছুরণের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্মমূলে আঘাত করে এবং হত্যা করে দেশের ইতিহাসের ধারক এবং জাতির বিবেক শিক্ষকদের। জাতির বিবেকের মর্মমূলে এই আঘাত বাঙালী জাতির অগ্রযাত্রাকে করেছে স্তব্ধ। ইতিহাসের দায় শোধ না করে কোন জাতি অগ্রসর হতে পারে না। ইতিহাসের এ দায় শোধ করার জন্য আমাদের আর কত প্রহর অপেক্ষা করতে হবে? নাকি আমাদের পূর্বসূরীদের মতো এর দায় চাপিয়ে দেব পরবর্তী প্রজন্মের কাছে? কোন জাতিই নিজেদের কলঙ্ক দূর না করে সামনের দিকে অগ্রসর হতে পারে নি, পারেনি একটি আত্মমর্যাদাসম্পন্ন স্বনির্ভর জাতি হিসেবে বিশ্বের বুকে নিজেদের তুলে ধরতে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার ৬২ বছর পরেও নাৎসিদের নৃশংসতার বিচার হয়েছে, কাঠগড়ার মুখোমুখি করা হয়েছে সকল বর্বর, তস্কর ও নিষ্ঠুর খুনেদের। হাজার বছরের গৌরবগাঁথায় সমৃদ্ধ বাঙালী জাতি আজও পারেনি নিজেদের এই কলঙ্কের দায় মোচন করতে। ৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে যে কলঙ্কিত অধ্যায় রচিত হয়েছে শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা চাই জাতির বিবেকদের হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত করা। সেই হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অংশগ্রহন করুন ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সামাজিত ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গুলোর যৌথ উদ্যোগে আগামী ১৩ ডিসেম্বর ২০০৯ , রবিবার, সকাল-১১.০০ মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষক হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে মানব বন্ধন ও সমাবেশ এ অংশ নিন ।
স্থানঃ শহীদ স্মৃতি চত্ত্বর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ভিসির বাসভবন এর সামনের চত্বর)

আয়োজনেঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহ।
( ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ,স্লোগান ‘৭১, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি, সাংস্কৃতিক ইউনিয়ন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি, স্পন্দন ‘৭১, প্রভাতফেরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ট্যুরিস্ট সোসাইটি, বাংলার মুখ, জয়ধ্বনি, সনদান, ব্যাকবেঞ্চার)
ফেইসবুক লিংক ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29057543 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29057543 2009-12-12 14:06:24
নতুন শিক্ষানীতি, ৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে ইসলাম বিরোধী: এই ইসলাম কোন ইসলাম ? খবর: নতুন শিক্ষানীতি, ৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে ইসলামবিরোধী মন্তব্য করে সরকারকে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মতিউর রহমান নিজামী।

সোমবার রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, "প্রস্তাবিত শিক্ষানীতির লক্ষ্য ইসলামী শিক্ষা-সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ মুছে ফেলা। সরকার সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী বাতিল করে ১৯৭২ সালের সংবিধানে ফেরার যে উদ্যোগের কথা বলছে সেটিও দেশকে ধর্মহীন রাষ্ট্রে পরিণত করার পাঁয়তারা।

"যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে একটি মীমাংসিত বিষয়কে ইস্যু করে সরকার দেশের ইসলামী শক্তিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে। আমরা আশা করি, সরকার নন ইস্যুকে ইস্যু করে দেশকে সংঘাত-সংঘর্ষের পথে না নিয়ে দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চালাবে।"

সতর্কতা: তবে মুমিন গণ বিভ্রান্ত হবেন না । এই ইসলাম, ধর্ম ইসলাম নয় । এই ইসলাম হলো জামাতী ইসলাম । আসলে রাজাকার নিজামী কইছে নতুন শিক্ষানীতি, ৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে জামাতী ইসলাম বিরোধী

তথ্য: বিডিনিউজ
"রাহা "
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29055404 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29055404 2009-12-08 13:02:54
টেলিভীষণ দেখা এখন নিজের উপর ভী-ষ-ণ অত্যাচার টেলিভীশন..... দূরদর্শণ । ছোটকাল কি মাঝারিকাল প্রায় অনেক কালই একটা অদম্য আকর্ষণীয় বস্তু ছিল । এই বস্তু নিয়ে রচনা লিখছি , বক্তৃতা করেছি । এই যাদুরবাক্সটা এক সময় ভীষণ টানত । কিন্তু ইদানিং সেই আকর্ষনীয় বস্তুটা কেমন জানি পর পর হয়ে গেছে । শব্দ শোনা হয়, বাসায় সবসময় সেটা চলে বলে কিন্তু দেখা হয়ে উঠে না । আসলে এই যন্ত্রটা বলা যায় একরকম বাসার বুয়ার দখলেই চলে । আমার কি আমাদের সে সময় কিংবা সেই সাধ জাগে তবে হুটহাট সাধ করে সেই যাদুরবাক্সরে সামনে বসে পড়া রীতিমতন নিজের উপর অত্যাচারই বলে মনে হয় ।

কাজকর্ম সেরে ঘরে ফিরে একটু আরাম আয়েস করে বসলাম সেই টিভি দেখতে । দেখি সবাই জ্ঞান দিচ্ছেন, সকল চ্যানেলে একযোগে চলছে জাতীয় জ্ঞানদান কর্মসূচি; সরকারী- বেসরকারী, দরকারী-অদরকারী সব চ্যানেল জাতিকে একসাথে জ্ঞান দিচ্ছেন। আবার সেই জ্ঞান দান যে সে ভাবে নয় ... পুরাই লাইভ!!
দেশের সকল গণ্যমান্যরা এককালে পত্রপত্রিকায় কলাম লিখতেন, সেই কলম ভাংগতে ভাংগতে তার এখন কলামিস্ট হয়ে গেছেন । সেইদিন কী বেশীদূরে যখন বিশিষ্ঠ আলোচকদের পরিচয় হিসেবে লেখা থাকবে, বিশিষ্ঠ সাবেক কলামিস্ট; বর্তমানে জাতীয় প্যাচালিস্ঠ !!
আলোচনার বিষয় বস্তু শুনে যতদূর বোঝা যায় , বিষয়বস্ত্ত এরম যে, আগামীকাল যখন গতকাল হবে তখন গতকালকে কেন আগামীকাল ভাববেন নাহ!! সেখানেই শেষ নয়, এর সাথে আ-কার, এ-কার, ই-কার সহ নানা অব্যয় প্রত্যয় ব্যবহার করে সেই চুইঙগাম নিয়ে চুইং করা । মাশাল্লাহ... বলি এসব বলে আর শুনে কার কি টা ...ড়া যাচ্ছে !!

তার থেকে সুইচ অফ। টিভি বন্ধ - টেলিভীষণ দেখা এখন নিজের উপর ভী-ষ-ণ অত্যাচার.. তার থেকে ব্লগে বসে আমিও দু-চারটে বয়াণ দেই ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29031386 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29031386 2009-10-25 01:12:26
সুপ্রভাত ব্লগ সুপ্রভাত ব্লগ
সেই সকাল সোয়া আটটা থাইক্যা ব্লগে বসিয়া ব্যাফক পর্যাবেক্ষণ এবং অনেক কাতুকুতি দিয়া অবশেষে এই পোস্টের প্রসব....
কিন্তু কুনভাবেই পোস্ট লম্বা হয় না <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29029419 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29029419 2009-10-21 09:46:52
চেনা সুমনের অচেনা গান (বুড়ো গাইলেন বুড়োর গান!!)
সেই ১৯৯৬!!
ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, সুমন গাইলেন ১৩ বছর পর, জীবন থেকে ১৩ বছর হারিয়ে যাবার গভীর বেদনা অনুভব করি । ঠিক ১৩ বছর আগে ১৯৯৬ সালে কলেজ জীবনের সেই উদ্দাম দিনগুলোতে প্রথম সুমন এলেন আর সেই প্রথম কনসার্ট!! অসাধারণ একটা স্মৃতি । সেবারের কনসার্টের আয়োজক ছিল "মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর" । তাদের ফান্ড রাইজ এর জন্য সুমনের গানের আয়োজন । সেবার টিকেট ছিল ৪০০ টাকা । আর শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্রের বিনিময়ে মূল্য আরো একটু কম (কত?? ভুলে গেছি) ।তখন নটরডেম এ পড়ি । কলেজ থেকে আমরা বিশাল বাহিনী (কলেজের আরো অন্য কলেজের বন্ধুরা মিলে) টিকিট কিনতে বের হলাম । বেইলি রোড থেকে মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর কোথাও টিকিট পেলাম না । আজিজ এ । সব শেষ!! এখনও ?? আমাদের সবার মাথায় হাত । কিন্তু গান তো শুনতে হবে .... যদি কোন সুযোগ হয় সেই ভরসায় আমরা হাজির হলাম ভেন্যুতে ... আমাদের মতোন হাজার শ্রোতার ভিড়, যারা টিকিট পাননি । আমাদের মতো সবারই হয়তো প্রত্যাশা... যদিও!!! শুরু হয়ে অনুষ্ঠান, গান.. শুরু হলো হতাশ শ্রোতাদের হাঙ্গামা... পুলিশের মৃদু লাঠিচার্য, সেই ভয়ে সবার ইতিউতি দৌড়, আমরা পিছনের দিকটা নিরাপদ ভেবে চেপে আছি হঠাৎ সেখানে ভয়ংকর কোহিনুরের আগমন (পুলিশ!!) আমরা কোনিদক যাবো ভাবছি , দেখি পাশের কলাপশিপল গেট (বাথরুমের পাশে) ভাঙ্গা আমরা গলা ঢুকিয়ে দিলাম, দেখি পৌছেঁ গেলাম অডিটোরিয়ামের বাথরুমে , আমাদের আর পায় কে!! আস্তে আস্তে অডিটোরিয়ামে ঢুকে গেলাম, যেন বাথরুমে সেরে আসলাম আর কী!! কিন্তু ভিতরে তো বসার জায়গা নেই , আমরা ৬ বন্ধু শেষে বসে পড়লাম দরজার পাশে যে কাঠের দেয়াল সেই স্লপে... ততোক্ষনে মাত্র শুরু হলো...সব আমাদের জন্য!!! মাত্র ৩য় গান । আহা কী সুখ!! কী আনন্দ !!!
এই ২০০৯!!
ধানমন্ডি ২৭ এর দেয়াল এ চোখ এ পড়ল সুমনের গান পোস্টার, আকার নক্সা কোনটাই আকর্ষনীয় নয় স্রেফ নামটা ছাড়া , সুমন !!। দেখতে যাবো কিনা বুঝতে পারছি না ! বৌয়ের ইচ্ছা যাবে । শেষ পর্যন্ত বন্ধুদের কল্যাণে যাওয়া, টিকিট করে বলল সময় মতো চলে আসতে । ভেন্যুতে পৌঁছে দেখি সব আমরা আমরা !! নতুন কোন দর্শক (আমাদের মতন একটু বয়স্ক সবাই) দেখলাম নাহ, আরো বেশি দামের টিকিট এর সব এলিট দর্শক ছাড়া । আমরা যারা দর্শক সবাই সম্ভবত সুমনের একনিষ্ঠ ভক্ত, যারা প্রথম এ্যালবাম থেকেই সুমনের ভক্ত । অনুষ্ঠান শুরু হলো, ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিউট এর খুব করুণ দশা, সিট থেকে শুরু করে সব কিছু, আমরা ২য় তলায় , সুমনের চিকচিক মাথাটা ছাড়া আর কিছূ ভালোভাবে দৃষ্টিগোচর হয়না । তারপরো হতাশ না হয়ে অপেক্ষা, আয়োজক ছোকড়ার সেই নাট্যব্যক্তিত্বদের সমকক্ষ হবার অহমিকা, সংহিত দেখিয়ে বিশ্ব শান্তিতে আগামীতে নোবেল পাবার বাসনা প্রকাশ বিরক্ত করল (একবারো ভেন্যু বদল করে শ্রোতাদের এমন বিপদে ফেলার জন্য দুঃখ প্রকাশ কিংবা ক্ষমা চাওয়ার বিনয়টুকুও প্রকাশের সৌজন্যতা শেখেনি )। গান শুরু হলো, এতো নির্লিপ্ত সুমন (মনে হলো মন ভালো নেই) সব নতুন গান, নিজেদের খুব বুড়ো মনে হলো, ব্যাকেডেটড মনে হলো (আসলেই সুমনের ইদানিংকার গান গুলো তো শোনা নয় কারো) , নাহ পড়ে দেখি আমরা যারা তার ভক্ত তারা সবাই সেই পুরোন গানের ভক্ত । আর বারে বারে বুড়ো(সুমন) ঢুকে পড়ছিল বুড়োর গানে ... মানে রবীন্দ্র সংগীতে.. সেই গান গুলো পরিচত বলে মন্দ লাগেনি । দু-চারটা পুরোনো গান আর অনেকগুলো পুরোনো মুখের সাথে কিছুক্ষনের মিলন-আড্ডা এবং সেই ১৩ বছর আগের সুমনের গানের স্মৃতি নিয়েই ঘরে ফেরা । আয়োজক চিরকুটকে বলবো আরো একটু পরিনত হতে, মনে আর মননে । (চোখে লাগে এমন নির্লজ্জ ব্যবসা!! সুমনের গান ৩০০০ টাকা তাও ই.ই-এ ?? উইন্টার গার্ডেন হলে ও কথা ছিল)
"রাহা " ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29028435 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29028435 2009-10-19 13:55:59
রাজনীতিতে খালেদা জিয়া আরো একধাপ পিছিয়ে গেলেন!!
দারিদ্র্য নিরসনেও খালেদা জিয়া একসাথে কাজ করতে রাজী নন। আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য নিরসন দিবসে আয়োজিত সম্মেলনে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া। আজ শনিবার বিকেল তিনটায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠেয় দারিদ্র্য নিরসনের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়ার একমঞ্চে উপস্থিত হয়ে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দেওয়ার কথা ছিলো। দলীয় সংকীর্ণতা ভুলে তারা দুজন একমঞ্চে উপস্থিত হয়ে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মতো একটি ভালো কাজে অংশ নেবেন বলে সবাই আশা করেছিল ।


কিন্তু গতকাল শুক্রবার বিকালে গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ এনে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন "গত কয়েকদিনের ঘটনাবলী বিশ্লেষণ করে আমরা দুঃখের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে আগামীকালের (শনিবার) সমাবেশে যোগদান করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।''

উল্লেখ্য যে আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য নিরসন দিবস উপলক্ষে দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত শনিবারের সম্মেলনে একমঞ্চে দাঁড়িয়ে দেশের শীর্ষ দুই নেত্রীর দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আহ্বানের ক্ষণটি এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন স্পিকার। বৃহস্পতিবার সরকারি ও বিরোধী দলের প্রধান হুইপকে নিয়ে সংসদ ভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, "দেশের প্রধান দুই দলের দুই নেতা একমঞ্চে বসে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য একযোগে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাবেন। এটি শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের ইতিহাসেও অনন্য নজির হয়ে থাকবে। এটি হবে এক অবিস্মরণীয় মুহূর্র্ত।"

আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য নিরসন দিবসের সম্মেলনে খালেদা জিয়ার না যাওয়ার ঘোষণায় আশাহত হয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে খালেদা জিয়া রাজণীতিতে আরো একধাপ পিছিয়ে পড়লেন বলে মন্তব্য করেছেন । যদি জাতীয়তাবাদী বুদ্ধিজীবিরা তাদের নেত্রীর সাথে সূর মিলিয়ে বলেছেন যে একসাথে এমন অনুষ্ঠানে যোগদানে কোন ইতিবাচক পরিবর্তন হয়না । কিন্তু তারপর খালেদা জিয়া ইতিহাসে কিন্তু এমন নীতিবাচক রাজনীতির জন্য সমালোচিত হবেন । অথচ সেনাকুণ্জ্ঞের অনুষ্ঠানে যোগদিতে দুইনেত্রীর কারো কোন উজর আপত্তি ছিল না । শুধু জনগনের জন্য একসাথে কাজ করতেই তাদের সমস্যা ।
রাহা

সূত্র: বিডি নিউজ
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29027285 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29027285 2009-10-17 14:05:14
সরকারী অফিসে ওয়ান স্টপ সার্ভিস: একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ এক অভিজ্ঞ বন্ধুর শরণাপন্ন হলাম, সে বললো দোস্ত এখন এগুলা কোন ব্যাপার না- ওয়ান স্টপ সার্ভিস !! সরকারী অফিসে ওয়ান স্টপ আর নাইন স্পট এইকী !! যেখানে সব কাজই তো স্টপ হইয়া থাকে । আজ সকালে সারাদিন কাটানোর প্রস্তুতি নিয়া পাসপোর্ট অফিসে রওনা হলাম । অফিসের সামনে পৌছাঁ মাত্রই আমি কয়েকজন দালালের খপ্পরে .... ভাই নতুন-পুরান- নবায়ন-প্রনয়ন কি চাই, আমি নিরুপায় হয়ে বল্লাম.... মামা...মামার সাথে দেখা করব !! ... ভাই মামা লাগবে কেন.. আমরা আছি না.. শুরু হল আরেক দফা টানাটানি.. এবার কইলাম ট্যাকা নিতে আসছি... লোকজন এবার বিরক্ত হয়ে আমারে ছাড়ল... এবার ধাতস্থ হয়ে ওয়ান স্টপ খুজঁলাম.. ভিতরে ঢুকে এক কর্ণারে ফর্ম দেয়া হচ্ছে তার পাশে আরেক মুরুব্বী জ্ঞান বিতরণ করছেন... ভাবলাম ইনি নিশ্চয়ই বড় দালাল!! পড়ে বুঝলাম ওটা ইন্ফো সেন্টার... বিনামূল্যে তথ্য দেয়া হচ্ছে.. তিনি খুব হেল্পফুল!! সেখান থেকে তথ্য নিয়ে ফর্ম পূরণ করে টাকা জমা দিয়ে অপেক্ষা করছি, ইমার্জেন্সী!! নিয়ম মাফিক ১ ঘন্টা লাগার কথা আমাকে বললো ১/২ ঘন্টা!! আমি এবার সংশয় এর মধ্যে পড়লাম, ভাবছি এখানে কোথাও লাঞ্চ করতে হবে, তাই ভাবলাম আরেকবার জিজ্ঞেস করে লাঞ্চ সেরে আসি, জিজ্ঞেস করতে গিয়ে দেখি আমার পাসপোর্ট নাকি রেডি!! পাসপোর্ট হাতে নিয়ে ভালো করে দেখলাম আসলেই এরা নবায়ণ করছে কিনা!! দেখি হ্যাঁ নবায়ণও হয়ে গেছে!! আসলেই তো এটা ১০ মিনিটের কাজ, সিল দিয়ে স্বাক্ষর দিয়ে নবায়ণ ডেট দিবে কাজ তো এই ।
এতো দিন এই কাজ ছিল ... সে কথা নাই বল্লাম ।
সর্বোসাকুল্যে ২০ মিনিট-- আমি তাজ্জব হয়ে গেলাম ।
সব সরকারী অফিসেই কি এমন তাজ্জব হবার ব্যবস্থা করা যায় নাহ‍!!

"রাহা " ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29025656 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29025656 2009-10-14 15:00:45
ডুবে আছি সোলসের পুরোনো গানের মাঝে
গান গুলো শুনতে গিয়ে যে মজা পাচ্ছি সেটি হলো এই গানগুলো যে সময় গুলোতে বেশি শোনা হতো সেই সময় গুলোর স্বাদ... খানিকটা নস্টালজিক করে তোলে গান গুলো ... আরো মজার বিষয়টি হচ্ছে সবগুলো গানের সাথেই কোন না কোন স্মৃতির সম্পর্ক...

১. মন শুধু মন ছুয়েছে- শৈশবে দেখা কোন একটি ধারাবাহিক নাটক(নাম মনে করতে পারছিনা, মানস চৌধুরী, লুৎফর নাহার লতা, মেঘনা অভিণীত কোন একটি ধারবাহিক নাটক )এর লোম খাড়া কারা শৈশবের স্মৃতির আনাগোনা শুরু হয়, খুবই সতেজ যেন সেই স্মৃতি গুলো ।

২.ভুলে গেছো তুমি- প্রেম এর প কিংবা বিরহের ব বোঝার আগেই খুব পচ্ছন্দের গান । খুব মন খারাপ করা গানটা শুনলে আমার্ও খুব মন খারাপ হতো !!<img src=(" style="border:0;" /><img src=(" style="border:0;" />

৩. এই মুখরিত জীবনের... সেই শৈশব

৪.সাগরেরও ঐ প্রান্তরে... ও সাধারণ একটা গান

৫. এই নীল মনিহার..

৬.ভালোবাসি ওই সবুজ মেলা..

৭. সারারাত জেগে...

৮. সুখ পাখি..

৯.দরগায় মোম গিলে কি হবে..

১০. আমার যে ভালোবাসি সোনার বাংলাকে..

১১. ভুলে গেছো তুমি-

১২. দুঃখ আমার চির সাথী-প্রেম এর প কিংবা বিরহের ব বোঝার আগেই এটা ও খুব পচ্ছন্দের গান .........

১৩. তো পুতুলের মতো করে...

১৪. কেনো এমন হলো...

১৫. এই যেন সেই চোখ

১৬.কেনো এমন হয়...

১৭. অচেনা আধাঁরে কোন গান...

১৮. এমন পরিচয় ...এটা নাটকের কল্যাণে... তে এটা একেবারে কৈশোরে ... এটার টাইমিং বোধহয় ঠিক ছিল!! <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />

১৯.চায়ের কাপেঁ হলো পরিচয়...



সেই সোলসের সেই পুরোন দিনের গানে ডুবে আছি...
"রাহা "
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29024056 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29024056 2009-10-11 17:11:58
মাইকেল জ্যাকসনের নতুন গান "This Is It." সংগীতের কিংবদন্তী সদ্য প্রয়াত পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের নতুন গান - ""This Is It." " শুনুন । মাইকেল জ্যাকসনের উপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র " This Is It" থেকে নেয়া এই গানটি আগামী সোমবার মধ্যরাতে মাইকেলজ্যাকসন ডট কম এ অবমুক্ত করা হবে । মাইকেল ভক্তরা এই ওয়েব লিংক এ মাইকেল এই আনকোড়া নতুন গানটি শুনার এবং ডাউনলোড করার সুযোগ পাবে ।

এই গানে মাইকেল-এর ভাইদের ব্যাক ভোকাল থাকবে আর দুই ডিস্ক সহ মাইকেল গানের এই এ্যালবাম আসছে আগামী ২৭ অক্টোবর ২০০৯ এ, যেখানে মাইকেলের অন্যতম জনপ্রিয় গানগুলো থাকবে ।
উল্লেখ্য যে এই গানটি জ্যাকসনের ১৯৯১ সালের Dangerous এ্যালবামের জন্য রেকর্ড করা হয়েছিল । কিন্তু এই গানটি কখনই রিলিজ হয়নি । এই এ্যালবাম "Planet Earth" নামে এইকটি কবিতাও থাকবে ।

মাইকেল জ্যাকসনের উপর নির্মিত প্রামণ্যচিত্র "This is it" এর ট্রেইলার দেখুন । এবং এই মুভির আগাম টিকেট পাওয়া যাচ্ছে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯ থেকে আর এর প্রিমিয়ার শো ২৮ অক্টোবর ২০০৯ ।

"রাহা "
তথ্যসূত্র:
mtv
nowpublic ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29023805 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29023805 2009-10-11 04:42:04
চে এর মৃত্যুদিনে ওবামার নোবেল জয়
আজ থেকে ঠিক ৪২ বছর আগে আজকের দিনটিতে ১৯৬৭ সালে, নিরস্ত্র অবস্থায় নয়টি গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল বন্দী চে গুয়েভারাকে। বলিভীয় সেনাবাহিনী দম্ভভরে ঘোষণা করল, হাত বাঁধা অবস্থায় একে একে নয়টি গুলি চালিয়ে আর্জেন্টাইন সেই ‘সন্ত্রাসী’ চে গুয়েভারাকে মেরে ফেলতে পেরেছে !! বলিভীয় সেনাবাহিনীর এমন ‘মহা সাহসী’কর্মে উল্লসিত নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকা সে সময় লিখেছিল, ‘একজন মানুষের সঙ্গে সঙ্গে একটি মিথও চিরতরে বিশ্রামে চলে গেল।’ তবে বহুল প্রচারিত যে আমেরিকার সিআইএ এই কিংবদন্তীর হত্যাকান্ডে মদদ যুগিয়েছে ।

আজ ৯ অক্টোবর ২০০৯ "আন্তর্জাতিক অংগনে কূটনীতি আর জনগনের মাঝে পারস্পারিক সহযোগিতায় অসামান্য অবদানের জন্য" নরওয়ে নোবেল কমিটি যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ওবামাকে শান্তিতে নোবেল দিয়েছে । অভিনন্দন ওবামা ।
কিন্তু কী আশ্চর্য!! কী আশ্চর্য কাকতাল । হতেপারে কাকতালীয় এবং ধরে নিচ্ছি আসলেই কাকতালীয় । ৪২ বছর আগে পুজিঁবাদীদের জন্য আতংককে যারা হত্যা করেছিল, সেই রক্তের দাগ এখনও যাদের হাতে, তাদেরই রাষ্ট্রপতি শান্তির জন্য নোবেল !! কাকতালই বটে । মার্কিন রাষ্ট্রপতি, তাও আবার চে'র হত্যা দিনে ।

তবে প্রসংগ সেটা নয় । ওবামা শান্তিতে নোবেল জয় হয় কতখানি যৌত্তিক সে বিষয়ে হয়তো তর্ক-বিতর্ক আছে, থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। তবে ওবামা বিশ্ববাসীকে দিন বদলের যে স্বপ্ন দেখিয়েছে তা নিঃসন্দেহে প্রংশসার দাবীদার । আর দিন বদলের লক্ষ্যে অনেক কমর্সূচির মধ্য দিয়ে আমেরিকা তথা বিশ্ববাসীকে তিনি যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তাতে আরো একটি পালক যুক্ত হলো মাত্র । যদি ওবামা তার উত্তসূরীদের অমানবিক এবং জঘন্য কর্মকাণ্ড গুলোর জন্য প্রকৃতি পক্ষেই লজ্জিত হন আর তার উত্তসূরীদের সেই কর্মসূচী গুলোকে বন্ধ করেন কিংবা ক্ষমা প্রার্থণা করেন তবেই তার দিনবদলের স্বপ্ন বাস্তবতা পাবে ।

আর চে সহ এমন অনেক রাজনৈতিক হ্ত্যাকাণ্ডের জন্য যদি তিনি অনুতপ্ত হতেন কেবল তবেই তার এই শান্তিতে নোবেল জয় প্রকৃত শান্তির বার্তা বহন করবে । আমাদের প্রত্যাশা বারেক ওবামা শান্তিতে নোবেল জয় ভবিষ্যতের পৃথিবীকে শান্তিময় করে তুলবে ।

চে এর মৃত্যুদিনে ওবামার নোবেল জয় ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29023107 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29023107 2009-10-09 20:42:53
মজহারের লুংগি কিংবা জ্যাকসনের অর্ন্তবাস
ফরহাদ মজহার স্টার মানুষ । তিনি দেশের বিশিষ্ট জন। তিনি বহুগুণে গুণান্বিত । তার সেই গুণের ভেলা ভাসিয়ে অকুল পাথারে যাবার দরকার নেই । তিনি দেশের একজন বিখ্যাত মানুষ। তিনি আমাদের মতন সাধারণ মানুষ নন । তিনি যে বিশিষ্ট এবং সাধারণ মানুষের থেকে আলাদা সেটা প্রকাশ তিনি সর্বদাই সচেষ্ট । ধরুন তার নামের বানান খানাই । আমাদের দেশের বহু মানুষের নামের একটি অংশ তার নামের সাথে জোড়া থাকলেও যে তিনি তাদের মাঝে আলাদা তা তার নামের বানানের শ্রী দেখলেই বোঝা যায় । দেশের হাজার হাজার মাজহারের মাঝে তিনি হয়ে গেলান "মজহার"!! সেই আলাদা হবার শখ কিংবা নেশা, আলোচনার কেন্দ্রে থাকবার প্রচেষ্টা তার নতুন কোন ঘটনা নয় । আর ঢাকা ক্লাবের যে ঘটনা তাতে আহলাদিত অনেকেই দেখছি "ঢাকা ক্লাব"-এর এলিটদের চেদ্দৌগুষ্টি উদ্ধারে ব্যস্ত । কিন্তু এই ফরহাদ মজহার কি সেই এলিটদের থেকে আলাদা ?? তিনিও কি সেই এলিটদেরই প্রতিনিধি নন??

ঢাকাক্লাবের যে অনুষ্ঠানে তিনি আমন্ত্রিত ছিলেন সেটা তো নেহাত একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান । অর্থাৱ তিনি তার পরিবারের কোন একটি এলিটের একটি পার্টিতে যোগদানের জন্য গিয়েছিলেন ।সেই অনুষ্ঠানের আয়োজক কিংবা আমন্ত্রিত কারোরই অজানা থাকবার কথা নয় ঢাকাক্লাবের ড্রেসকোড-এর বিধানটি । তবে কি তিনি জেনেশুনে এবং বুঝেই এমন ঘটনার জন্ম দিতে আগ্রহী ছিলেন (এবং সাথে ছিল মিডিয়া, কেননা তার এই পারিবারিক অনুষ্ঠানতো আর যাই হোক মিডিয়া কভারের মতো ছিল না !!) নাকি তিনি ভেবেছিলন তিনি ফরহাদ মজহার, তার ক্ষেত্রে ড্রেসকোড পরিহার্য নয় ।

আর ঢাকা ক্লাবে লুংগি পরে প্রবেশ করতে পারলেই আপনি এলিটের দুর্গে আঘাত হানতে পারবেন ?? কিন্তু তার আগে একটি কথা , সেখানে প্রবেশের আগে তো আপনাকেও মজহারদের মতোন এলিট হতে হবে কিংবা সেই এলিট ক্লাবের সদস্য পদ কিনতে হবে!! তাই সেই এলিটদের লুংগি-গুঞ্জি নিয়ে আমাদের হাহাকার আর সেই লুংগি পরে সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন তবে কতখানি অবান্তর, একবার সেটাই ভাবুন না!!

সমাজ সভ্যতার ক্রম বিকাশেই একদিনের নগ্ন মানুষ আজ পোষাক পরিচ্ছদে আবৃত । আর সেই পোষাক পরিচ্ছদের ব্যবহারবিধিও মানুষ সময়ের আবর্তে নিজেদের মতন করে সাজিয়ে নিয়েছে । তাই সেই নিয়মের আওতাতেই আমরা ঘরের আর বাহিরের পোষক, ঘুমানোর পোষাক এমনতর নানা রকম পোষাকের ব্যবহার করি । (অবশ্য এই পোষাক আলোচনা যার লজ্জা নিবারণের জন্য এক প্রস্হই পোষাক কিংবা তাও নেই তাদের জন্য প্রযোজ্য নহে) কিন্তু তারপরও আমি ঘরের হাফপ্যান্ট বাইরে পরি যদি তা ফ্যাশনের আওতায় আসে কিংবা সদ্য প্রয়াতও জ্যাকসনের মতন আপনি আপনার অর্ন্তবাস প্যান্টের উপরই পরতে পারেন । তবে সেটা পরিধানে আগেই ভেবে রাখা ভালো যে আপনি জ্যাকসন নন। আর সেটা পরিধানের পর যদি কোন সহৃদয়বান আপনাকে মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করতে উদ্যত হয় তবে তাকে দোষ দেয়া যায় না ।
মজাহারের লুংগি ফ্যাশন কিংবা প্যান্টের উপর জ্যাকসনের অর্ন্তবাস , এর কোনটাই আমাদের মতন জনসাধারণের জন্য প্রযোজ্য নয় ।


মজহারের লুংগি কিংবা জ্যাকসনের অর্ন্তবাস-রাহা
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29021683 http://www.somewhereinblog.net/blog/mrhrussellblog/29021683 2009-10-07 01:54:46