আমার প্রিয় পোস্ট
- অভ্রর নতুন ভার্সনে ইউনি-বিজয় লে-আউট সংযুক্তকরণ - shapnobilash_cu
- মিউজিক্যাল সিনেমা, এবং মিউজিসিয়ানদের নিয়ে সিনেমা;কিছু প্রিয় নাম। - হাসান মাহবুব
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- ক্লাউড কম্পিউটিং, এখুনি পরখ করে দেখুন। - ক-খ-গ
- ফ্রীতে নিজের একটা সাইট করুন ডমেইন সহ সবেই ফ্রী... - নিঃসঙ্গ
- এক ঠিকানা থেকে অন্য ঠিকানাতে মেইল ইমপোর্ট করা - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- লিওনার্দো দা ভিঞ্চির উপর প্রামাণ্য চিত্র এবং অনলাইনে তার সমগ্র চিত্রকর্মের লিংক - তর্পন
- শান্তনু চৌধুরীর ৫টি কবিতা - সুতরাং
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- বাঁক - সফেদ ফরাজী......
- উইনএক্সপি তে করাপটেড ফাইল যেভাবে ঠিক করবেন। - আহমদ কায়েস
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কবিতা যেমন হতে পারে- ৩ - আজহার ফরহাদ
- সতত জনম; মূল: মৃণাল সেন - ফাহমিদুল হক
- সূর্যাস্ত মন্দির - তারিক টুকু
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী - ৩ - মিরাজ
- বাস্তবতা নয়, কল্পনা নয়, জাদুকল্পের ভুবন নয় বা নয় কাল্পনিক-বাস্তবতার-জাদু মোচড় - মৃদুল মাহবুব
- ডাকবাক্স - মজনু শাহ
- লবণখাদ ও বোবাঠাকুরের গান - তারিক টুকু
- এক্স পি সেটাপ ??? ৪/৫ মিনিটে কমপ্লিট !!! - মশিউর রহমান মেহেদী
- কুড়িগ্রাম - মাসুদ খান
- ফিরি ফিরি গান ডাউনলোড - মইন
- লিখে রাখি - মুয়ীয মাহফুজ
- ভাঙাশ্লেট - আপন মাহমুদ
- গহ্বরের দিনকাল অথবা প্রকৃতিক পরিত্রাণ - মুয়ীয মাহফুজ
- গণশৌচাগারের দেওয়ালে আমিই লিখতে চাই একা - মৃদুল মাহবুব
- প্রার্থণা, চিরবৈশ্বিক অন্ধকার - মৃদুল মাহবুব
- প্রিয় কবিতা - মাঠশালা
গণশৌচাগারের দেওয়ালে আমিই লিখতে চাই একা
১১ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৩
নিজের হলুদ মূত্রে রং দিয়ে যদি গণশৌচাগারের দেওয়ালে লিখে দিয়ে আসতে পারতাম 'মুক্তি চাই' তবে হয়তো ঐ লেখাটিই হতো আমার প্রথম নিষিদ্ধ গোপন ইস্তেহার তথাকথিত বাংলা কবিতা-মন্দিরের বিরুদ্ধে। কাব্য দেবীর মন্দিরে অনর্থক লিরিক নৃত্য, লালচে মরা জোক আর কৃমির র্দুগন্ধ, উপমা উতপ্রেক্ষা, নিরর্থক ভাবুলতা, কাসার ঘন্টা , উলুধ্বনি, অন্তহীন বিশুদ্ধতা, পরিস্কার পরিচ্ছনতা -- এরই মাঝে বসে আছে পেট মোটা হাড় কঙ্কাল কবি। পুর্বজন্মের স্মৃতি সে কিছুতেই ভুলতে পারছে না , কারণ এই জগত জীবন থেকে সে আলোক বর্ষ পিছিয়ে। ইহাদের ভেতর ভাব-কল্পের যাতাযাত, এরা গমন করে ভাব সমাধির সিল্কি আঁচলে। এই সমস্ত তথাকথনের বিরুদ্ধে আমার কবিতাকে আমি দাঁড় করিয়ে রাখতে চাই একটা ভীরু সজারুর মতন এই বাংলা কবিতার জঙ্গলের ভীড়ে। তার না থাক মানবিক মিথ্যা সংবেদন বা বিদ্যা; যে কেবল অস্তিত্ত্বে জন্য সমস্ত জঙ্গল ঘুরে খায়; আর ছোট্ট ভীরু পায়ে পালিয়ে বাঁচুক, এই সজারু কাঁটায় গাঁথা থাক মিল্কি ওয়ের সর্পিল বিড়ালের লেজ। আমার কবিতা চুল বাঁধতে শিখে আর কী করবে, সে জুতোর ফিতে বাধতে পারলেই আমি যথেষ্ঠ জ্ঞান করি। শূন্য আর অসীমের গোলক ধাঁধাঁ উপেক্ষা করে এক সসীম রিবনে বাঁধা কবিতার খন্ডাংশ নিয়ে আমি কি সুখে থাকতে পারি না? আর আমার বিজ্ঞান-ভবনে এসে বাসা বেধেছে এন্টি-বিজ্ঞান নামক সুকুসংস্কার যাকে আমি বলি সময়হীন বস্তুজ্ঞান, পতনহীন শূন্যে ঝোল আপেল, ভূ-গোলক থেকে পা পিছলে পড়ে মহাকাশে মিশে যাওয়া, আদিগন্ত সাদা লবণের সমুদ্রে হেটে যাওয়া আলোর এলিয়েন। এই সমুদ্রতীর ঘেসে বেড়ে ওঠা আমার আনারস বাগানের আড়ালে প্রেত্নীদের বেশ্যা পল্লী বোবা উটপাখির নিস্তব্ধ গানে মুখর, আর এই সমস্ত বেশ্যা পেত্নীর পেটে জন্ম দিচ্ছি নীল গাই এর বাছুর, ময়ূর পালকের কাক, মানুষ মুখো বেড়াল, কান কাটা ইঁদুর আর রাজ- ঈগল। বাইনারী শূন্য আমার কাছে আর কিছু নয় -- এন্টি এক, যাকে আমি আমার বস্তু পৃথিবীর ঐ সমুদ্র তীরে ফেলে রেখেছি মাত্র একটা পাথর হিসাবে। এই পাথর একদিন জলজ লবণে মিশে যাবে। আর অসীম, সে আমার না পারা সীমানা; পেরে ওঠার সম্ভাব্যতা। আর আমি এও মানি অসীম সম্ভাবনা বলে কিছু নেই। কেনানা এই মনোদেহ সর্বদা রুপান্তরময়, মৃত্যহীন, সর্বেশ্বর। আমার বসবাস স্ব-অবিস্কৃত এককে। ঘাসের বনে সসীম এর বহুরৈখিক ছায়াই অসীম প্রজ্ঞা, সত্য-মিথ্যাহীন, হঠাত্ হেসে ফেলার মত অর্থহীন। নক্ষত্রের নিচে বহু পথ নয়, পথিকই অনেক; পথিক-শ্রেষ্ঠ যে পথে মরে পরে থাকে তাই হয়তো রাজপথ। বোবা ঠাকুরেরা এই পথেই চলে যায় অগস্থ্য যাত্রায়, অন্তহীন সৌর পথের মত উপবৃত্ত বন্ধি। আর জঙ্গলের হারিয়ে যাওয়া খরগোসের পদচিহ্ন ধরে যদি আমি আগাতে থাকি, তবে সেই গুপ্ত পথ সংকেতে কে আমি ডাকি 'নভোছক' নামে।
এই জঙ্গলের গভীরে ঐ খরগোসের পিছু ধাওয়া করতে করতে যদি একদল হিংস্র আবাবিল পাখিদলই হয় আমার মৃত্যুর কারণ তবে জেনো আমি ঠিক ফিরে আসবো লোকালয়ের গোরস্থানে, ভন্ড সাধুদের আখড়ায়; কারণ ওরাই আমার করোটিতে সোনালী মদ ঢেলে সুখী মাতালের মত ঘুমিয়ে থাকবে রাত্রির পথে পথে শিশির ঢাকা ভোর অব্দি। আর জেনো আমার লাশের দিকে হেঁটে আসা শেয়াল জানবে এটাই বেঁচে থাকার পথ। মরা মাংসের স্বাদ নিয়ে ওরা ফিরে যাবে নতুন পথে, যে পথে আমি যাইনি কোনদিন।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
একটা অবুঝ পাথরে বসে আমিও ভেবেছি মরুভূ কতোটা সঙ্গীন... (দারুন কবিতা ভাবনা ৫)
মাঠশালা বলেছেন:
৫
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
খুব নৈকট্য বোধ করলাম। হু
দ্বিধা বলেছেন:
সেরম হইছে
মৃদুল মাহবুব বলেছেন:
ডিয়ার অলি , মেহেদী ভাই, মুকুল ভাই, মাঠশাল ভাই, দ্বিধা ধন্যবাদ আপনাদেরকে।
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
ভালো লেগেছে।আপনিও নিশ্চয় ভালো।নতুন লেখা চাই,আমার লেখা আজই পাবেন।
মৃদুল মাহবুব বলেছেন:
ধন্যবাদ মাহফুজ। আপনার আরও লেখা পড়তে পারলে ভালো লাগবে।
লেখক বলেছেন: তেমন আগে না। ২০০৭ এর নভেম্বরের প্রথম দিকে লেখা।
লেখক বলেছেন: একটু আলাদা করে গদ্য লেখার ইচ্ছা ছিলো। চেষ্টা করেছিলাম একটু। ধন্যবাদ।
ফাহমিম বলেছেন:
অপূর্ব লিখেছেন ভাই।সিম্পলি মাইন্ডব্লোইং।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















