আমার প্রিয় পোস্ট
- অভ্রর নতুন ভার্সনে ইউনি-বিজয় লে-আউট সংযুক্তকরণ - shapnobilash_cu
- মিউজিক্যাল সিনেমা, এবং মিউজিসিয়ানদের নিয়ে সিনেমা;কিছু প্রিয় নাম। - হাসান মাহবুব
- মুভি রিভিউ :: অশ্রুর বাঁধ ভেঙে দেয়া ১৩ টি সিনেমা - মেহরাব শাহরিয়ার
- ক্লাউড কম্পিউটিং, এখুনি পরখ করে দেখুন। - ক-খ-গ
- ফ্রীতে নিজের একটা সাইট করুন ডমেইন সহ সবেই ফ্রী... - নিঃসঙ্গ
- এক ঠিকানা থেকে অন্য ঠিকানাতে মেইল ইমপোর্ট করা - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- লিওনার্দো দা ভিঞ্চির উপর প্রামাণ্য চিত্র এবং অনলাইনে তার সমগ্র চিত্রকর্মের লিংক - তর্পন
- শান্তনু চৌধুরীর ৫টি কবিতা - সুতরাং
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- বাঁক - সফেদ ফরাজী......
- উইনএক্সপি তে করাপটেড ফাইল যেভাবে ঠিক করবেন। - আহমদ কায়েস
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কবিতা যেমন হতে পারে- ৩ - আজহার ফরহাদ
- সতত জনম; মূল: মৃণাল সেন - ফাহমিদুল হক
- সূর্যাস্ত মন্দির - তারিক টুকু
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী - ৩ - মিরাজ
- বাস্তবতা নয়, কল্পনা নয়, জাদুকল্পের ভুবন নয় বা নয় কাল্পনিক-বাস্তবতার-জাদু মোচড় - মৃদুল মাহবুব
- ডাকবাক্স - মজনু শাহ
- লবণখাদ ও বোবাঠাকুরের গান - তারিক টুকু
- এক্স পি সেটাপ ??? ৪/৫ মিনিটে কমপ্লিট !!! - মশিউর রহমান মেহেদী
- কুড়িগ্রাম - মাসুদ খান
- ফিরি ফিরি গান ডাউনলোড - মইন
- লিখে রাখি - মুয়ীয মাহফুজ
- ভাঙাশ্লেট - আপন মাহমুদ
- গহ্বরের দিনকাল অথবা প্রকৃতিক পরিত্রাণ - মুয়ীয মাহফুজ
- গণশৌচাগারের দেওয়ালে আমিই লিখতে চাই একা - মৃদুল মাহবুব
- প্রার্থণা, চিরবৈশ্বিক অন্ধকার - মৃদুল মাহবুব
- প্রিয় কবিতা - মাঠশালা
সমুদ্র ইতিহাস
৩১ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৭
পদ শব্দের অতলে লেখা আছে বুদ্ধের বিনয়ী নাম। এক ঝাঁক অন্ধকাররঙ রাজহাঁস বসে আছে অসীম জলের আলোকিত প্রান্তে; নৃত্য মানে মহাকাশ ঘুরে ঘুরে মুদ্রা শেখা, মহাসমুদ্রের নোনা বোধে নীলাভ শৈবাল এই রহস্যের কিছু না বুঝেই তলিয়ে যাচ্ছে জলের অতলান্তে -- মূলত আমার মাথার ভিতর ঘটে যায় এই সব।
বহু জাহাজের কুশল কম্পাস কাটা, মানচিত্র পাশ ফেলে চলে গেলো, নীলতিমি। প্রসূতির তলপেটে জল-সমাধির হাড় নুন মেখে উঠে এলো-- জন্মবৃত্ত, চক্রে চক্রে ফিরে আসে আত্মার গাঢ় নীল রাধিঁকা-কীর্তণ, এমন অনেক সমরুপী নাম। ঘটে য়ায় বিবর্তন, স্বপ্নসমীণ; হেঁটে যায় মাইল মাইল সময়ের আশঁকাটা। আমার মাথায় বসে আসে সমুদ্র ইতিহাসের জলদস্যু, ভাঙাছাচ। সামুদ্রিক জলের ওজন নিয়ে এসেছি ড্রয়িং রুমে, কথা বলছি, বলছি ঘুম না হওয়া রাতের হাওয়া বেশ সফলতা নিয়ে জোছনার শাড়িতে দাবড়ে লাগালো যৌনাচার, স্তনাগ্রের ঝরাপাতা মন্দির থেকে জখমের দাগ উড়ে যাচ্ছে বন-ময়ূরের বেশে, সামুদ্রিক জলের ওজন নিয়ে বসে আছি কনফারেন্সের শীতাতপ নিয়ন্ত্রনে, হেঁটে গেছি আর্ট গ্যালারির ঘসা মাজা ব্রিটিশ তাড়ানো এক প্রবীণ ল্যাম্পপোস্টের নির্জনতার ভারতবর্ষে, চকচকে মাতাল নারীর প্রস্রাবের উগ্র অ্যামোনিয়া ঘ্রান বেসুরে ধরলো জ্যাজ্-- বিদেশি সঙ্গীত। নিজের পাটাকে গিলতে গিলতে এই দেহ এক বৃত্ত হয়ে য়ায়, বিষাক্ত সাপের তেলতেলে লেজ কামড়ানো লোকটি দেখতে পায় পায়ুপথ দিয়ে বের হচ্ছে হাটুর কঙ্কাল, নৈব্যক্তিক মনোরোগ। প্রতিদিন চিড়নির দাঁতে উঠে আসে দু'একটি মগজের শিরা।
নিত্যতার বহু পাঠ বাকি। বাদুরের গুহা বিদ্যালয়ে পড়ে আছে উপস্থিতির উজ্জ্বল খাত। বাতাসের ব্ল্যাকবোর্ডে লেখা আছে জীবাণু-তালিকা। আলো রশ্মি তলে বিরল চাকার জুতো পায়ে এক দেব শিশুর রুমাল আকাশের ঘাম মুছে দিলো,
আজ বৃষ্টি না হওয়া দিন।
ফলে কৃষ্ণগহ্বরে অদৃশ্য দার্শনিক চকে লেখা যেতে পারে সহজ-অপাঠ। সূর্য থেকে লাফিয়ে নেমেছি মাটিবর্তী নিসর্গ ভূগোলে, অঙ্গার শরীর--আলোহীন, রক্তশূন্য। আর মেহেগনি ফল ফাটা বীজের ঘুড়ির পিছে শূন্যতার পরিমাপ নেমে এলো সুতো ছেড়া প্রযুক্তির যন্ত্রে-- সন্মুখে ঘটে চলে বিগব্যাং-- স্বপ্রজন্ম বিস্তারন।
তোমাদের বাড়ি আর কত দূরে বা! ঠিক পৌচ্ছে যাবো ডিনারের আগে। সূর্যাস্ত সন্ধ্যায়, মাথার ভিতর তোমাকেই পৌচ্ছে দেই অরগাজমের বিষ-মোহে; আমি বসে আছি ইনভার্স পৃথিবীর অনুকল্পে, বসে আছি মস্তিস্কের এক দীর্ঘ রাজপথে। পথ হেঁটে যাচ্ছে, পথ ক্লান্তির নিশ্বাস ফেলে কানের শরীরে, আরও আঁধার পথ হেঁটে আসছে আমার দিকে-- ধীরে ধীরে আমি হয়ে যাই সহস্র রাস্তার মোড়। এমনই এক মোড় তোমার ড্রয়িং রুম-- আমি বসে আছি।
ও ঘরের কোন এক দেওয়ালে সর্ম্পকের মাকড়সার জাল বড় জীবন্ত পোকার ভরে ছিড়ে পড়ে স্যাঁতস্যাঁতে মেঝের জঞ্জালে। আর আরও কোন অন্ধকার পোড়ায় রঙীন মোম-- রুপান্তরিত মৌচাক; বনভূমির নিজর্নতাই পুড়ে যায় বারবার।
প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
পড়লাম। ঘন লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ঘন জিনিসটা কি হে কবি?
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
আরও কোন অন্ধকার পোড়ায় রঙীন মোম-- রুপান্তরিত মৌচাক; বনভূমির নিজর্নতাই পুড়ে যায় বারবার।ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আজ না পারলেও কাল অবশ্যই দিবো।
লেখক বলেছেন: আপনার মেইল আডরেসটা দয়া করে আমার মেইল এ একটু দিয়েন। আমার ব্লগের মাথায় আমার মেইল আডরেস আছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। কেমন আছেন?
আজহার ফরহাদ বলেছেন:
একটি সম্মোহনী কবিতা লিখলেন আপনি।- মানচিত্র পাশ ফেলে চলে গেলো, নীলতিমি।
কোথায় যে যায়, কে জানে?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
কবিতা বোঝার ব্যাপার নয়, উপলদ্ধির ব্যাপার।
লেখক বলেছেন: মাঝে মাঝে মনে হয় কবিতা উপলব্ধিরও ব্যাপার নয়, মাত্র পড়ে ভুলে যাবার জিনিস। জাস্ট পড়লাম আর কি এমন।
ধন্যবাদ।
রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন:
ও ঘরের কোন এক দেওয়ালে সর্ম্পকের মাকড়সার জাল বড় জীবন্ত পোকার ভরে ছিড়ে পড়ে স্যাঁতস্যাঁতে মেঝের জঞ্জালে। আর আরও কোন অন্ধকার পোড়ায় রঙীন মোম-- রুপান্তরিত মৌচাক; বনভূমির নিজর্নতাই পুড়ে যায় বারবার।------ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
জুয়েল মোস্তাফি. বলেছেন:
আপনার লেখা মানেই একটা নতুন বিষ্ময়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: বেশি ভালো না।
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
কেন?
লেখক বলেছেন: কারণটা বুঝতে পারছি না। অকারণ ভালো না-লাগা।
মাঠশালা বলেছেন:
"নিজের পাটাকে গিলতে গিলতে এই দেহ এক বৃত্ত হয়ে য়ায়, বিষাক্ত সাপের তেলতেলে লেজ কামড়ানো লোকটি দেখতে পায় পায়ুপথ দিয়ে বের হচ্ছে হাটুর কঙ্কাল, নৈব্যক্তিক মনোরোগ।"দেরিতে পড়ার জন্য আফসোস হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: দেরিতে হলেও পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
আবার নতুন লেখা কবে আসবে?
লেখক বলেছেন: আজইতো দিবো ভেবেছিলাম। কিন্তু দেওয়া হলো না। কেমন আছেন?
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
``প্রতিদিন চিড়নির দাঁতে উঠে আসে দু'একটি মগজের শিরা '' কবিতাটায় ভয়ংকর ও রক্তাক্ত একটা ব্যাপার আছে, কিছুটা কষ্টকর ভ্রমণ যেন...
লেখক বলেছেন: হুম। ধন্যবাদ।
মুজিব মেহদী বলেছেন:
স্কিজোভাষার এ এক দুর্দান্ত খেলা, ঝাঁক ঝাঁক হাতি উড়ছে ধরনের।
লেখক বলেছেন: ''ঝাঁক ঝাঁক হাতি উড়ছে ধরনের। '' ???
ধন্যবাদ, আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য।
মুজিব মেহদী বলেছেন:
তিনটি প্রশ্নবোধক চিহ্নের ব্যবহার এবং জবাবির ধরন দেখে মনে হচ্ছে আমার মন্তব্যে আপনি আহত হয়েছেন। কিন্তু আপনি যে ধরনের কবিতা লেখেন, তাতে আপনার তো এই বাক্যে আহত হওয়ার কথা নয়। 'নিজের পাটাকে গিলতে গিলতে এই দেহ এক বৃত্ত হয়ে য়ায়, বিষাক্ত সাপের তেলতেলে লেজ কামড়ানো লোকটি দেখতে পায় পায়ুপথ দিয়ে বের হচ্ছে হাটুর কঙ্কাল, নৈব্যক্তিক মনোরোগ।'
বিষাক্ত সাপের তেলতেলে লেজ কামড়ানো লোকটি যদি তার পায়ুপথ দিয়ে হাঁটুর কঙ্কাল বের হওয়া দেখতে পায়, তো ঝাঁক ঝাঁক হাতিকে আকাশে উড়তে দেখায় সমস্যা কী! একজন মনোরোগী হাতিকে কেন শুধু, সংসদ ভবনকেও উড়তে দেখতে পারে। স্কিজোভাষার শক্তি এখানেই। আর এ ভাষায় নির্মিত ইমেজারিগুলোর দুর্বলতা হলো মানুষের বোধের ক্ষমতার সীমাকে ছাড়িয়ে যাওয়া। এটাকে এর দুর্বলতাও ঠাওরাতে পারেন, আবার নাও পারেন।
লেখক বলেছেন: কারও মন্তব্যে আহত বা হতাহত হবার কিছু নেই। এটুকু সহনশীলতা আমার আছে মনে হয় মুজিব ভাই। আর কবিতা নিয়ে আমার কোন উচ্চ ধারণা নেই যে তাকে হয়ে উঠতেই হবে।
আপনার মন্তব্য আমার কাছে তখন পরিস্কার ছিলো না, তাই প্রশ্নবোধক চিহ্ন হেকেছিলাম। তবে এখন পরিস্কার, কি বলতে চেয়েছেন আপনি। আপনি যা বললেন তা এক অর্থে ঠিক। ভিন্ন অর্থে যে ঠিক নয় তা বলা কঠিন আমার কাছে।
হ্যাঁ, কবিতার হাতি বা গল্পের গরু গাছে উঠলে দোষ নেই। বরং ভালো।
''আজি জ্যোস্না রাতি,
উড়ে চলে একপাল হাতি।''
মন্দ হয় না। এবং এমনও হয় এবং হচ্ছে।
''ইমেজারিগুলোর দুর্বলতা'' যে কারণ দাগলেন তার সাথে আমি এখন পর্যন্ত একমত না। মাত্র এটুকুই। এবং আপনার উল্লেখিত কারণ আমি অবশ্যয়ই ভেবে দেখবো।
ধন্যবাদ।
কোনটা ধরা যায়, কোনটা যায়না....
কবি শুভেচ্ছা নিন।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সময়টা ভালো যাচ্ছে না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অ রণ্য বলেছেন:
অসাধারণ সব কবিতা লিখেন আপনি। আমি ধীরে ধীরে সব পড়ছি, শুধু যে পড়ছি তাও নয়, বরং কপি করে রাখছি। আপনার কবিতা পড়লে কলম যেন আপনা আপনিই লিখতে চায়।অনেক অনেক শুভ কামনা রইল।
সালাউদ্দীন খালেদ বলেছেন:
পড়িলাম, ভাল লাগলো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















1.jpg)

