somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কবি চতুষ্টয়ের প্রচেষ্টা : রুবাঈয়াৎ ই বাংলা (সাথে একটা ফ্রি)

১৪ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১২:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বন্ধুরা আজকে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ধর্মী পরিবেশনা । আমরা ব্লগে যারা অনেক দিন ধরে লেখালিখি করে আসছি তারা ব্লগে এসে নিজের অজান্তেই খুঁজে নেই বন্ধুজন । সেই বন্ধুজনেরা যা করছেন, যা ভাবছেন সেই ভাবনা আপনার উপরে প্রভাব ফেলতে বাধ্য । আমার বেলাতে তাই হয়েছে । ব্লগে এখন চোখ কান খোলা রাখলেই দেখা যায় অনেকেই রুবাঈ লিখছে । এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন আজকের পোস্ট কি নিয়ে ? হা বন্ধুরা আজকের পোস্ট রুবাঈ নিয়ে ।

চমক হচ্ছে এই আমরা এই প্রথম ব্লগে চার কবির রুবাঈ একসাথে দেখতে পাব । আজকের এই পোস্টে থাকছে প্রিয় ব্লগার শাহেদ খান, সুপান্থ সুরাহী, ছাইরাছ হেলাল এবং সবশেষে অধম আমি । ব্লগার গনের রুবাঈগুলো দেবার আগে রুবাঈ এর পরিচয় দিয়ে নেয়া দরকার । না হলে অনেক পাঠকের মনেই প্রশ্ন থেকে যাবে রুবাঈ আবার কি ?

রুবাঈ :

রুবাঈ আরবী শব্দ যার অর্থ-চতুষ্পদী অর্থাৎ চার পঙক্তি বিশিষ্ট কবিতা। চার পঙক্তি বিশিষ্ট বিশেষ চরণাত্বিক মিল এবং ছন্দ বজায় রেখে যে কবিতা রচিত হয় তাকেই রুবাঈ বলে । রুবাঈ এর চার পঙক্তি বিশিষ্ট হওয়া এবং অন্ত্যমিলের উপর বিশেষ জোর দেয়া হলেও এগুলো কোন ছড়া বা শিশুতোষ লেখা নয় । এ গুলোতে কবির গভীর অনুভূতি কিংবা দর্শন ফুটে উঠে ।

ছন্দ :

মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, ফারসি ভাষার সম্ভবত সর্বশ্রেষ্ঠ কবি এবং দার্শনিক ওমর খৈয়াম এর হাতের স্পর্শে রুবাঈ জনপ্রিয় হয়ে উঠে । তিনি প্রধানত সুফিবাদের উপরে বেশি গুরুত্ব দিতেন তার রুবাঈগুলোতে । রুবাঈ এ সাধারণত ককখক চরণাত্বিক মিল বা অন্ত্যমিল বজায় রাখা হয় । রুবাঈ এ সাধারণত ১ম, ২য় এবং চতুর্থ লাইনে অন্ত্যমিল থাকে কিন্তু তৃতীয় লাইনটি থাকে মুক্ত ।

রুবাঈ তে সূরা আর সাকীর ব্যবহার খুব বেশি পরিমাণে হয় । এই শূরা বলতে প্রধানত সুফিবাদে ঈশ্বরের সাধনা কিংবা আরাধনাকে বুঝায় । আর সাকি বলতে সাধারণত শূরাপাত্র / পরিবেশন কারী বোঝালেও এখানে খোদ ঈশ্বরের দর্শন বা পথের কথাই বোঝান হয় ।

বাংলা ভাষায় বিভিন্ন কবি সাহিত্যিকগন রুবাঈ লিখেছেন এবং অনুবাদ করেছেন । এ সব লেখকের লেখায় আধ্যাত্মবাদের সাথে সাথে প্রেম বা রোমান্স এর চেতনা রুবাঈতে এসেছে । আর এখন অন্য অনেক বিষয় রুবাঈতে চলে আসছে যা এই ধারাকে উত্তরোত্তর সমৃদ্ধ করবে বলেই মনে হয় ।

এবারে আসি রুবাঈ এর আজকের লেখকদের প্রসঙ্গে । প্রথমে লেখক আলোচনা এবং তার পরে তার রুবাঈ ।

শাহেদ খান

ব্লগে খুব কম পরিচিত কারণ উনি খুব লাজুক আর চুপচাপ । মাঝে দীর্ঘদিন ব্লগ থেকে বিরতি নিয়েছিলেন । পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ততায় বোধহয় লেখালেখিতে সময় দিতে পারছেন না । অবশ্য রুবাঈ তাকে ফিরিয়ে এনেছে ব্লগে ভালভাবেই । মাঝে মাঝেই ছাইরাস হেলালের ব্লগে রুবাঈ পোস্ট দিতে দেখা যায় তাকে ।

শাহেদ খানের রুবাঈ

***** ১)

বলরে সাকী, তুলে আঁখি, অনুক্ষণে,
আর কতকাল, করবি এ হাল, পোড়ামনে !
লু হাওয়া ফের, শাহেদের শের, হারিয়ে হারায় -
আর কী সাকী, আছে বাকি, তোর যতনে?


(একটু টেনে পড়তে হয় বোধহয়, বলরে সা...কী, তুলে আঁ...খি ইত্যাদি)


*****২)

ঝমঝমাঝম, ছন্দ মাতম, বৃষ্টি নামে ;
ছন্দেতে সেই, খুঁজি নিজেকেই, হৃদয়ধামে ।
শাহেদের শের, বৃষ্টিতে ঢের - ভিজে এক শা,
সেই পুরাতন, আত্মকথন, বৃষ্টিদামে...

*****৩)

কোন এক পাখি উঠল ডেকে, কেউ সেদিকে তাকায় ।
কাজ-কাম ফেলে ব্যস্ত কবি'রা বটতলাতে চা খায়...
ধম্মো বলো, কম্মো বলো, আড্ডাবাজিই সার !
তবু যদি কেউ 'অলস' বলে - অগ্নিদৃষ্টি পাকায় !!

নিশ্চয়ই ভাল লাগল । উনি এখন যতদূর জানি রুবাঈ এই মগ্ন ।

সুপান্থ সুরাহী

কবিতার ছন্দ এবং ব্যকরণ বিষয়ে বিপুল জ্ঞাণের অধিকারী এই ব্লগারকে আপনাদের সামনে পরিচয় করানোর আমার কিছু্ই নেই, কেননা তার লেখনী এবং প্রকাশভঙ্গিতে ইতিমধ্যেই তিনি সবার দৃষ্টি কেড়েছেন ।

সুপান্থ সুরাহীর রুবাঈ :

*****১)

তোমার ভেতর অনেক তুমি, তোমায় খোঁজে ফিরে
তখনো তুমি তোমায় নিয়ে লুকাও নিজের ভীড়ে !
নিজের মাঝে আলোর খনি, ভুল মালিকের হাতে
উদাস পথের পথিক তুমি হারাও তোমার নীড়ে ।

*****২)

ছুটছে সময় প্রহর শেষে, ক্লান্ত আমায় ছেড়ে ।
কমছে জীবন অনায়াসে, যাচ্ছে বয়স বেড়ে!
অমৃত দাও, সব নিয়ে যাও-প্রস্থানে মোর ভয়
আমার ফসল দেখব আমি, নিচ্ছে কারা কেড়ে।

*****৩)

মেঘ জমেছে! কী হয়েছে? নীল আছে তার পিছে-
আসুক ছায়া! জমুক মায়া ভয় কেন তোর মিছে!
মেঘের কায়া টানবে ছায়া সরোদ রবির চোখে-
জোয়ান-বুড়োর জমাট দুপুর কদম তরুর নীচে।

নিশ্চয়ই ভাল লাগল আপনাদের এই কবির তিনটি রুবাঈ পরিবেশনা ।


রেজওয়ান তানিম

নিজেকে আর কি পরিচিত করাবো ? তবে পাঠকদের জানিয়ে রাখি, রুবাঈ লেখায় আমি মোটেই সচ্ছন্দ নই । আসলে কোন ধরণের সংক্ষিপ্ত ফরমেটের কবিতাতেই আমি সচ্ছন্দ নই । আর রুবাঈ লিখছিই মাসখানেক হল । এর আগে আমি জানতামই না রুবাই কি ? কিভাবে লেখে ? তাই পাঠক কিভাবে নেবে জানি না ।

*****১)


পেয়ার দিওয়ানা মেরে দিল, তুমি তার সওদাগর ;
সওদা তোমার কালো যমুনার, প্রেম শরাবি নহর !
জাফরানি সুবাস আতর মেখে, আছি অধীর হয়ে -
আসবে সাকি, শূরা পিয়ে, হব যে আমি বিভোর ।

*****২)

রক্তে রাঙা হাতখানি মোর, কেটেছে গুলাব কাটায়
ভাবিনি গরল পূর্ণ ছিল, পেয়ালা ভরা এ শূরায় !
যা ভেবেছি আপন, তাই আমায় করে গেল অঙ্গার-
তৃষিত হৃদয়ে ছিল যত আশা, সব নি:শেষ হল হায় ।

*****৩)

দেখেছি স্বপন, বুনেছি বুনন, ছোট ছোট কত আশা
তুমি যে আমার, শুধু কল্পনার, এতটুকু ভালবাসা !
মনে ঝড় তোল, আনমনা করো, তুমি যদি গাও গান
যেন লাল শূরা, আমি বাকহারা, যত শুনি বাড়ে তৃষা !

*****৪)

আজকে আহা মাতুক না মন, ভোলা দিনের আগুন গানে !
শুকিয়ে মরা গাঙের জলে, আসুক জোয়ার ঘোর তুফানে ।
দম দেড়ে সব জীবন নায়ে, ছোটরে সবাই ব্যাকুল ধেয়ে ;
পূর্ণ যে প্রাণ যৌবণেতে, তাই খুঁজে যাই, জীবন মানে ।

*****৫)

ভেবোনা এসেছি, তোমার এ রঙ্গশালায়-
আবার দেখাতে কোন নতুন অভিনয় ।
আমি ক্লান্ত, প্রশ্ন আমার, তোমার পানে-
কবে দেবে ক্ষ্যান্ত, হবে তব বোধদয় ?

*****৬)

তোমার রূপ দেখে অবাক স্বর্গপরীরা,
ভুলেছিল তাদের স্বর্গত কাম ক্রীড়া ।
ভেবেছিল, এ নশ্বর জগতের নয়-
জান্নাতী হুর, কিংবা বেহেশতি সূরা !

*****৭)

হায় বরষা, তুমি ঝরোনা এমন করুন হয়ে !
কাজল ধুয়ে যায় প্রিয়ার আমার দেখো না চেয়ে
আকাশের বুকে মেঘ হয়ে তুমি কতই সুন্দর ছিলে;
প্রিয়ার অবাক চাউনিতে ছিলে, কী যে দৃষ্টিসুখ নিয়ে !

*****৮)

তোমার হাসির মাঝে আজ বিষাদ খুজে পাই
তোমার চোখের ভাষায় যে আভা দেখতে চাই,
হারিয়ে গেছে সে, হয়তবা বিষাদ নীলিমার প্রান্তে !
নির্মল হাসি আনব ফিরায়ে, ডিঙাব চড়াই-উৎরাই ।

ছাইরাছ হেলাল

উনাকে আর কি পরিচয় করাবো । উনি আমাকে করালেই ভাল হত । তবু পাঠকদের জন্য বলি । ব্লগে খুব কম বিদগ্ধ পাঠক আছেন । উনি তাদের মধ্যে একজন । এত বিপুল পড়াশোনার অর্ধেকের অর্ধেক আমার থাকলে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করতাম । তো উনি রুবাঈ আগে থেকেই পড়েছেন । ইদানিং লিখতেও শুরু করেছেন ।

ছাইরাছ হেলালের রুবাঈ :

*****১ )

আমিও আধুনিক হব যুগ থেকে যুগান্তরে ।
রাখলিয়ার বাশীও শুনব মাঠের তেপান্তরে,
উত্তরাধুনিকতাকে ছুড়ে ফেলে আমি বিদ্রোহী হব...
প্রানের জ্যোৎস্নায় ছুটে যাব সবুজের গ্রামান্তরে।

*****২)

আমায় আমি অনেক খুঁজি আমার ই মাঝে ।
হঠাৎ আমি পেয়েও যাই খুঁজছি এত যাকে,
পাওয়া না পাওয়ার, এই পাওয়ায় নাচতে ইচ্ছে করে...
এমন করেই পৌছে যাব সেই আমারই মাঝে।

*****৩)


বৃষ্টি এসে হাতছানিতে ডেকে নিয়ে যায় ঐ দূরে
কানে কানে গান শুনিয়ে প্রান ভরিয়ে দেয় সুরে।
বৃষ্টি আসে বজ্র নিয়ে তাও তো জানি
প্রানের ডাকে হারাতে যে চাই ওই সুদূরে।

*****৪)

তা বাড়ুক না আরো বেশি ব্যাথা
নীল হয়ে শুনব সে অরূপ গাথা।
গোধূলির বিষণ্ন মূর্ছনায় বিষাদিত হব
সুধার পেয়ালায় কেটে যাবে সব ব্যাথা।

*****৫)

ঝমঝমাঝম, ছন্দ মাতম, বৃষ্টি আসে ।
ছন্দেতে সেই, খুঁজি নিজেকেই, হৃদয়াবেশে !
শাহেদের শের, বৃষ্টিতে ঢের - ভিজে এক শা ;
সেই পুরাতন, আত্মকথন, বৃষ্টিমাসে...

*****৬)

বলরে সাকী,তুলে আঁখি,শাহেদের পানে,
আর কতকাল,করবি এ হাল,শাহেদের মনে,
লূ হাওয়া ফের,শাহেদের শের, উচিয়েই রয়-
আর কী সাকী,আছে বাকি,তোর এ ছলনে?

*****৭)

ছুটছে সময় - নিয়ম মেনে - সময়েরই পানে
ছুটছি আমি - আপন মনে - নিজেরই টানে,
পিছু ফেলে - সময়ের যাতি - এগিয়ে আমি যাবই-
নিজেকে আমি - পাব খুঁজে - এই মহেন্দ্রক্ষণে।


*****৮)

খুনে রাঙা এ হাত কেটেছে গুলাব কাটায়
ভাবিনি গরল ছিল তোমারই শূরার ছায়ায়,
ভালবাসার অগ্নিমশাল দিয়েছি হৃদয়ে ঠাই-
দগ্ধ দহনে পূর্ণ এ প্রান তোমারই মায়ায়।

বি.দ্র : ছাইরাস হেলালের প্রথম চারটি রুবাঈ ছিল উনার নিজের মৌলিক । এর পরের দুটো শাহেদ এর গুলোকে ঘুরিয়ে, ৭ নাম্বার টা সুপান্থর টা ঘুড়িয়ে এবং সর্বশেষের টা আমার একটা লেখাকে ঘুড়িয়ে লেখা ।

আমারতো মনে হয়, আমাদের যে লেখা গুলো উনি বদলেছেন সেগুলো ভিন্নমাত্রা লাভ করেছে । আপনারা কি বলেন ??

পোস্ট শেষ । আশা করি ভাল লাগল । এবারে উৎসর্গ ।

উৎসর্গ : বাংলা ব্লগিঙ এ রুবাঈ কে জনপ্রিয় করার একক কৃতিত্ব এ টি এম মোস্তফা কামাল এর। তাই উনাকে এই চার কবির যৌথ পোস্ট রুবাঈয়াৎ উৎসর্গ করা হল । আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ উনার কাছে উনি আমাকে একটা অপ্রকাশিত রুবাঈ দিয়ে ধন্য করেছেন ।

উনার রুবাঈটি আপনাদের জন্য বোনাস -

নীলের ছোঁয়ায় চোখ ভেসে যায় মন পড়ে রয় লালে !
জামের লালে ঠোঁট ডুবে যায় চোখটা সাকীর গালে !
রঙের নানা রঙিন খেলায় দিন কেটে যায় আমার-
তুমুল খুশীর বাতাস খেলে মন পবনের পালে !


সবাইকে আবারো ধন্যবাদ রুবাঈগুলো পড়বার জন্য ।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুলাই, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৫৫
৯৬টি মন্তব্য ৯৬টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×