somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ছবি ব্লগ :: সদ্য সমাপ্ত এসএ গেমসের সমাপনী অনুষ্ঠানের আতশবাজি






















]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/29094174 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/29094174 2010-02-09 20:08:38
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি :: আর্দ্রতা মাপার বিশেষ স্যাটেলাইট এসএমওএস এখন কক্ষপথে

ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার একটি বিশেষ স্যাটেলাইট প্রায় ৩ বছর ধরে ভূ-পৃষ্ঠে আর্দ্রতার সূক্ষ্ম পরিমাপের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করবে।

আগামী ডিসেম্বর মাসে কোপেনহেগেনে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। কিয়োটো প্রোটোকলের উত্তরসুরি চুক্তি সম্পর্কে ঐক্যমত সৃষ্টি করার লক্ষ্যে জোরালো প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু যে বিষয়টি নিয়ে বিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক মহলে প্রবল বিতর্ক দেখা যায়, তা হল জলবায়ু পরিবর্তনের কুপ্রভাব সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য-প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা।

প্রেক্ষাপট:
ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা ইএসএ গত ২রা নভেম্বর ২০০৯ তারিখে এসএমওএস নামের একটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে, যার মূল কাজ পৃথিবীর বুকে জলবায়ু পরিবর্তনের স্পষ্ট চিহ্ন খুঁজে বার করা। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭৬০ কিলোমিটার উপরে কক্ষপথ থেকে এসএমওএস এই কাজ করবে। এসএমওএস স্যাটেলাইটটি রাশিয়ার প্লেসটেস্ক কসমোড্রোম থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।


ইউরোপের একাধিক দেশের বিজ্ঞানীরা প্রায় ৩১ কোটি ৫০ লক্ষ ইউরো মূল্যের এই স্যাটেলাইট তৈরি করেছেন। তাঁরা এমন ধরনের পরিমাপের যন্ত্র গড়ে তুলেছেন, যা এর আগে কখনো ব্যবহার হয় নি। যেমন ‘মিরাস’ নামের এক যন্ত্রের সাহায্যে এক অভিনব পন্থায় মাটির আর্দ্রতা ও সমুদ্রের পানিতে লবণের পরিমাণ মাপা হবে। ভূ-পৃষ্ঠের উপর মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গের প্রতিফলনের ভিত্তিতে এই সূক্ষ্ম পরিমাপ করা হবে। শুকনো বা ভিজে মাটি এবং লবণাক্ত বা মিষ্টি পানির ইলেকট্রো-ম্যাগনেটিক চরিত্র আলাদা হওয়ার কারণে এটা সম্ভব হবে।


স্যাটেলাইটের বৈশিষ্ট্য:
এসএমওএস স্যাটেলাইটের মধ্যে অত্যন্ত উন্নত প্রযুক্তির বেশ কয়েকটি যন্ত্র রয়েছে। তার সাহায্যে সমুদ্রের পানির লবণের মাত্রা পরিমাপ করা হবে। সেইসঙ্গে মাটির আর্দ্রতাও মেপে দেখা হবে। মাটির মধ্যে যে পানি থাকে, তার পরিমাণ বেশী না হলেও পানির পরিবর্তন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে এই আর্দ্রতার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পৃথিবীর বুকে যে পরিমাপ চালানো হয়, তার সঙ্গে স্যাটেলাইট থেকে পাঠানো তথ্য তুলনা করে দেখা হবে। এই বিপুল তথ্যভান্ডারের মাধ্যমে গোটা বিশ্বে পানির পরিবর্তনের প্রক্রিয়ার উপর নজর রাখা সম্ভব হবে। আবহাওয়াবিদদের কাছে এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমুদ্র কোন স্থির জলাধার নয় – নানা ধরনের স্রোতের ফলে পানির ক্রমাগত প্রবাহ ঘটতে থাকে। যেসব বিষয় এই স্রোতের প্রবাহের গতি-প্রকৃতি স্থির করে, তার মধ্যে লবণ অন্যতম। বিশ্বের বিভিন্ন সাগর ও মহাসাগরের মধ্যে স্রোতের আদান-প্রদান ঘটে উষ্ণতার তারতম্যের কারণে, যার অন্যতম সূত্র হল লবণ। লবণের ঘনত্বের তারতম্য ঘটলে স্রোতের গতিও বদলে যায়। পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়ার উপর সার্বিক নজর রাখতে বিজ্ঞানীরা বহুকাল ধরে অপেক্ষা করে রয়েছেন। এই প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাঁরা দীর্ঘমেয়াদী প্রবণতা এবং সেইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা অর্জন করার আশা করছেন। এই জ্ঞানের ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পূর্বাভাষ দিতে পারবেন তাঁরা।


সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চললে এসএমওএস স্যাটেলাইট দিনে ১৪ বার পৃথিবী প্রদক্ষিণ করবে। এভাবে ধাপে ধাপে ভূ-পৃষ্ঠের সম্পূর্ণ এলাকাই মেপে দেখা হবে। আগামী বছরের শুরুতেই প্রাথমিক তথ্য প্রকাশ করা হবে। গত ২৩শে নভেম্বর ২০০৯ তারিখে এটি প্রথম ডাটা প্রেরণ করে, বিজ্ঞানীরা সেই ডাটা নিয়ে ইতিমধ্যে গবেষণা শুরু করেছেন। প্রায় ৩ বছর ধরে এই স্যাটেলাইট কাজ চালিয়ে যাবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত বিভিন্ন দেশের গবেষণা কেন্দ্রে স্যাটেলাইট থেকে পাঠানো তথ্য বিশ্লেষণ করা হবে।

তথ্যসুত্র ১
তথ্যসুত্র ২
তথ্যসূত্র ৩
তথ্যসুত্র ৪]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/29051889 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/29051889 2009-12-01 12:22:52
ঈদ মোবারক
আজকের ঈদের এই দিনটি সবার আনন্দে কাটুক এই কামনা পাশাপাশি সবাইকে এই পোস্টটির দিকে একটু নজর দেয়ার অনুরোধ করছি।

সবাই ভাল থাকুন। অনেক অনেক শুভকামনা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/29050776 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/29050776 2009-11-28 08:52:30
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি :: পানির আর্সেনিক দূর করবে ন্যানোরাস্ট

পানিতে আর্সেনিক বিশ্বব্যাপী এক মারাত্মক সমস্যা, বাংলাদেশে তো বটেই। প্রতিবছর সারাবিশ্বে বিপুলসংখ্যক মানুষ আর্সেনিক সমস্যায় ভোগে। জীবজগতের অন্য সদস্যরাও এ তালিকা থেকে বাদ নেই। সম্প্রতি আমেরিকার রাইস ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর বায়োলজিক্যাল অ্যান্ড ন্যানোটেকনোলজির (CBEN) গবেষক দল পানির আর্সেনিক দূর করার জন্য নতুন এক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন।

আগে পানি থেকে আর্সেনিক দূর করার জন্য প্রচুর ধাতব সামগ্রী, উচ্চচাপের পাম্প ও সেই সঙ্গে বিদ্যুতের দরকার হতো। কিন্তু সম্প্রতি উদ্ভাবিত পদ্ধতিটি কম খরচের। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এ উদ্ভাবনের ফলে বাংলাদেশ, ভারত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর কোটি কোটি মানুষ আর্সেনিক দূষণ থেকে রক্ষা পাবেন।

গবেষকদের মতে ন্যানোরাস্ট (আয়রনের অক্সাইড) পানিতে উপস্থিত আর্সেনিক কণার সাথে একত্রিত হয়ে আর্সেনিক কণাকে পানি থেকে আলাদা করতে সাহায্য করে। এ প্রক্রিয়ার জন্য চৌম্বকীয় আন্তঃক্রিয়ার সাহায্য নেয়া হয়।

গবেষকরা প্রথমে ১২ ন্যানোমিটার ক্ষুদ্র আয়রনের অক্সাইড বা ন্যানোরাস্ট তৈরি করেছেন, তারপর আর্সেনিক দূষিত পানিতে এ ক্ষুদ্র কণাগুলোকে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। এতে আর্সেনিক কণাগুলো ক্রিষ্টাল কণাগুলোকে ঘিরে একত্রিত হয়ে নতুন কনা তৈরি করেছিল। তারপর চুম্বকের সাহায্যে নতুন কনাগুলোকে আলাদা করা হয়েছিল, এতে দেখা যায় পানিতে আর আর্সেনিক নেই। এ পরীক্ষার জন্য সাধারন চুম্বক ব্যবহার করা হয়েছে। তবে ন্যানোরাস্ট তৈরি করতে আয়রন অক্সাইডকে নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলে ৩৫০ ডিগ্রী তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, শিগগিরই এ প্রযুক্তিটি বাস্তবে রূপ দেয়া যাবে। ফলে পানির আর্সেনিক দূষণ থেকে রক্ষা পাবে মানুষ।

তথ্যসূত্র এখানে - ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/29037453 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/29037453 2009-11-04 11:08:28
সবাইকে ঈদ মোবারক
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/29013902 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/29013902 2009-09-21 09:40:05
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি :: মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন মৌমাছিদের জন্য বিপদসংকেত

প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে মোবাইল ফোনের ব্যবহার অনেক বেড়ে গেছে। মোবাইল আজ আর নগরকেন্দ্রিক নয়। গ্রামে-গ্রামেও ছড়িয়ে পড়েছে এর ব্যবহার। আর তার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে গেছে মোবাইল ফোন টাওয়ারগুলির সংখ্যা। আর এই টাওয়ারগুলি থেকে বেরিয়ে আসা তড়িৎচুম্বকিয় তরঙ্গ বিপদ ডেকে আনছে মৌমাছিদের জীবনে।


সম্প্রতি ভারতের দক্ষিণে অবস্থিত কেরালা রাজ্যে ক্রমশ বিলীয়মান মৌমাছি পরিবারের ওপর একটি পরীক্ষা চালানো হয়। তাতে দেখা যায়, সে অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান মোবাইল ফোন টাওয়ারগুলিই নাকি তাদের বিলুপ্তির জন্য দায়ী। কারণ, হরেক রকম সেলফোন কোম্পানির লাগানো হাজারো মোবাইল টাওয়ার থেকে বেরুনো ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভস বা তড়িৎচুম্বকিয় তরঙ্গ-এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কিছুতেই উদ্ধার পাচ্ছে না নিরীহ মৌমাছিরা।


আসলে ঐ টাওয়ারগুলো থেকে নির্গত ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভস বা তড়িৎচুম্বকিয় তরঙ্গ খুব দ্রুত মৌমাছিদের দিক নির্ণয় ক্ষমতার ওপর প্রভাব বিস্তার করে থাকে। অর্থাৎ, মৌমাছি পরিবারে যাদের ওপর ফুলের মধু সংগ্রহের কাজ বর্তায়, তাদের অবস্থান নির্ণয়ের ক্ষমতা লোপ পায় তড়িৎচুম্বকিয় তরঙ্গের প্রভাবে। গবেষক ড. সাইনুদ্দীন পাট্টাত্থী জানান যে, এর ফলে কর্মী মৌমাছিরা পথ হারিয়ে ফেলে। আর বেচারা রাণী মৌমাছি ডিমগুলি নিয়ে একা হয়ে পড়েন। ফলত, মাত্র দশ দিনেই মুষড়ে পড়ে এক-একটা মৌ-উপনিবেশ। ড. পাট্টাত্থী মৌচাক-এর পাশে মোবাইল ফোন রেখে ঘটনাটি খুব সহজেই প্রমাণ করেন।

প্রসঙ্গত, কেরালার প্রায় এক লাখ মানুষের জীবন মধু চাষের সঙ্গে জড়িত। আর সে কারণে, অঞ্চলটির মৌ-কলোনিগুলি ধ্বংস হয়ে গেলে, সেটা যে সেখানকার জনসাধারণের জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটাবে - তা বলাই বাহুল্য। তারওপর, মৌমাছিদের ছাড়া ফুলে-ফুলে পরাগযোগ ও উদ্ভিদজগতের বংশবৃদ্ধিও যে সম্ভব নয়। তাই ড. পাট্টাত্থীর কথায়, মোবাইল ফোন টাওয়ার-এর সংখ্যা আরো বৃদ্ধ করা হলে, অচিরেই লুপ্ত হয়ে যাবে মৌমাছিরা এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে।

তথ্যসূত্র এখানে - ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/29004406 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/29004406 2009-09-04 03:17:35
মহাকাশ বিজ্ঞান :: তৈরি হচ্ছে নতুন সুপার টেলিস্কোপ

অস্ট্রেলিয়া ও প্রতিবেশী নিউজিল্যান্ড যৌথভাবে বিশালাকায় এক রেডিও টেলিস্কোপ স্থাপন প্রকল্পের কাজ শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। মহাজগতে বুদ্ধিসম্পন্ন প্রাণের অস্তিত্বের সন্ধানই হবে এ প্রকল্পের লক্ষ্য।


প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ দুটি জানায়, ২১০ কোটি মার্কিন ডলারের তাদের প্রস্তাবিত প্রকল্পটি আর্ন্তজাতিক স্কয়ার কিলোমিটার অ্যারেই (এসকেএ) এর তালিকাভুক্ত দুটির একটি। এসকেএ হচ্ছে চার হাজার টেলিস্কোপ একত্র করে একটি যন্ত্রে স্থাপন করে দূর মহাকাশে লক্ষ্য রাখার একটি প্রকল্প।

শুক্রবার সিডনিতে এ সংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী নিউ জিল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী গেরি ব্রাউনলি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, এসকেএ প্রকল্পের একুশ শতকের সেরা বৈজ্ঞানিক প্রকল্প হওয়ার সব সম্ভাবনাই আছে। এই প্রকল্পে সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পিউটার ব্যবহার করা হবে। বিজ্ঞানের মৌলিক প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজারই চেষ্টা করা হবে প্রকল্পে। এই টেলিস্কোপ অতীতের অনেক তারা কে দেখতে পাবে জানিয়ে ব্রাউনলি আশা প্রকাশ করেন, এটি হয়ে উঠতে পারে মহা-বৈজ্ঞানিক প্রকল্প। অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞান মন্ত্রী কিম ক্যার জানান, যৌথ উদ্যোগে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিম উপকূল ধরে নিউ জিল্যান্ড পর্যন্ত পাঁচ হাজার কিলোমিটার এলাকা জুড়ে চার হাজার অ্যান্টেনা লাগানো হবে। তবে মূল প্রকল্পটি এই দুদেশের হাতে যাবে কি না তা এখনও ঠিক হয়নি। দক্ষিণ আফ্রিকা হচ্ছে মূল প্রকল্পের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। প্রকল্প কারা বাস্তবায়ন করবে তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে ২০১২ তে। সে থেকে নির্মাণ কাজ শেষ হতে সময় লাগবে ছয় থেকে আট বছর।


এ প্রকল্প পেতে অস্ট্রেলিয়া ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনা, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে সেরা দুইয়ে পৌঁছেছে। ১৯টি দেশের ৫০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যাগে এসকেএ প্রকল্প হচ্ছে। অর্থের যোগানদাতা হবে অংশীদার দেশের সরকারগুলো।

পৃথিবীর বাইরে বুদ্ধিসম্পন্ন প্রাণ আছে কিনা; বিগ ব্যাং বা মহা বিস্ফোরণের পর কী কী ঘটেছিল-বিজ্ঞানের একেবারে মৌলিক এসব প্রশ্নের আরো খোলাসা জবাব পাওয়া যেতে পারে এ প্রকল্প থেকে।

তথ্যসূত্র এখানে -
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28999189 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28999189 2009-08-24 22:07:35
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি :: ১৮৫ মিলিয়ন ডলারে নির্মিত পৃথিবীর সর্ববৃহৎ টেলিস্কোপের যাত্রা শুরু

বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে, যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্রমোন্নতিতে ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে পৃথিবী। অনেক দূরের দেশ, মানুষ চলে আসছে কাছে। তারপরও অজানাকে জানার, অদেখাকে দেখার আগ্রহ কিন্তু দিন দিন বেড়েই চলছে। আবিষ্কৃত হচ্ছে নিত্যনতুন প্রযুক্তি।

সম্প্রতি স্পেনে বিজ্ঞানীরা হাতে পেয়েছেন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় টেলিস্কোপ, আশা করা হচ্ছে এর ফলে মহাকাশ, গ্রহ-নক্ষত্র-- এসব সম্পর্কে গবেষণা আরো গতিময় হবে।

একটা টেলিস্কোপ তৈরির খরচ ১৩০ মিলিয়ন ইউরো বা ১৮৫ মিলিয়ন ডলার। এলাহি কান্ডই বলতে হবে। তা হবে না কেন? স্পেনের গ্রেট ক্যানারি টেলিস্কোপ, জিটিসি যে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় টেলিস্কোপ বানিয়ে বসে আছে! ক'দিন আগে টেলিস্কোপটি কাজও শুরু করেছে, উদ্বোধন করেছেন স্বয়ং স্পেনের রাজা হুয়ান কার্লোস।



খরচ অনুযায়ী টেলিস্কোপ তৈরিতে ঝামেলাও হয়েছে অনেক। জিটিসির বিজ্ঞানীরা এটা তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন আজ থেকে ঠিক ২২ বছর আগে, ১৯৮৭ সালে। অবশেষে আকৃতি যা দাঁড়িয়েছে তাকে বিশাল বললে কমই বলা হয়। টেলিস্কোপে যে আয়নাটি ব্যবহার করা হয়েছে সেটাই ৮২ বর্গ মিটার। পুরো কাঠামোর বাকি ৩৫টি অংশ যোগ করলে টেলিস্কোপটির আকার কী দাঁড়াতে পারে সেটা না হয় একটু কল্পনাই করে নিন।



বিজ্ঞানীদের দাবি, আকারে এটি যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকান কেক বা ইউরোপের চারটি ভিএলটি টেলিস্কোপের চেয়ে অনেক বড়, সুতরাং একে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় টেলিস্কোপের স্বীকৃতি দেয়া যেতেই পারে। তা মস্ত আকারের এই টেলিস্কোপ কাজে কেমন? বিজ্ঞানীরা যা আশা করছেন তা সত্যি সত্যিই হলে জিটিসি যে এখানেও আর সব্বাইকে ছাড়িয়ে যাবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।


তাঁদের দৃঢ় বিশ্বাস, এই টেলিস্কোপ গবেষকদের জন্য মহাকাশের সবচেয়ে দূরবর্তী এবং অন্ধকারাচ্ছন্ন কোণকেও নিয়ে আসবে আলোয়। মহাকাশযাত্রীদের সামনেও এই টেলিস্কোপ খুলে দেবে নতুন দরজা। নতুন কোনো নক্ষত্র আবিস্কার, ব্ল্যাক হোল বা অন্ধকার বিবরের অণুপুঙ্খ বিশ্লেষণ এখন আর আগের মতো কষ্টসাধ্য মনে হবেনা। তা জিটিসির এই করিৎকর্মা টেলিস্কোপটি এখন স্পেনের কোন শহরে? শহরে খুঁজলে পাবেন না, লা পালমা দ্বীপের এক মানমন্দিরে বসে চুপচাপ কাজ করে যাচ্ছে টেলিস্কোপটি।

তথ্যসূত্র এখানে - ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28992340 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28992340 2009-08-11 21:39:51
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি :: বিশ্বে প্রথমবারের মতো মুদ্রণযোগ্য ব্যাটারি উদ্ভাবন

একদল জার্মান বিজ্ঞানী বিশ্বে প্রথমবারের মতো মুদ্রণযোগ্য ব্যাটারি উদ্ভাবন করেছেন বলে জানিয়েছেন। অত্যন্ত পাতলা ও পরিবেশ বান্ধব ব্যাটারিটি প্রচলিত ব্যাটারিগুলোর চেয়ে দ্রুত ও বেশি পরিমাণে উৎপাদন করা সম্ভব বলে দাবি তাদের।

নতুন উদ্ভাবিত ব্যাটারি প্রচলিত ব্যাটারির চেয়ে নানা দিক থেকেই ব্যতিক্রম। মুদ্রণের মাধ্যমে উৎপাদিত ব্যাটারিগুলো ওজনে এক গ্রামেরও কম। এক মিলিমিটারের চেয়েও পাতলা। এতই কম পুরু যে ব্যাংক কার্ডের সঙ্গে এটি সমন্বিত করা সম্ভব।

কোনা পারদ না থাকার কারণে এটি পরিবেশ অনুকূল। ভোল্টেজ এক দশমিক পাঁচ। এক সারিতে কয়েকটি দিয়ে ছয় পর্যন্ত ভোল্টেজ অর্জন করা সম্ভব। জার্মানির খেমনিৎসের ফ্রাউনহোফার রিসার্চ ইন্সটিটিউশন ফর ইলেক্ট্রনিক ন্যানো সিসটেমস এনাস-এর ড. রাইনহার্ড বাউমানের নেতৃত্বে এক দল বিজ্ঞানী নতুন ধরণের ব্যাটারিটি উদ্ভাবন করেন। এনাস এর কর্মকর্তা ড. আন্দ্রেয়াস ভিলার্ট জানান, তাদের লক্ষ্য অত্যন্ত কম দামের মধ্যে রেখে প্রচুর উৎপাদন।

সিল্ক স্ক্রিন ব্যবহার পদ্ধতির মাধ্যমে ব্যাটারিটি মুদ্রণ করা যাবে। যে পদ্ধতিতে টি শার্ট মুদ্রণ করা হয় সেরকম পদ্ধতিতে এই ব্যাটারিও মুদ্রণ করা যাবে। কম বিদ্যুৎ দরকার - এরকম জিনিসপত্রে এই ব্যাটারি ব্যবহার করা যাবে। যেমন হতে পারে-গ্রিটিং কার্ড। গবেষকরা ইতিমধ্যেই পরীক্ষাগারে এটি তৈরি করেছেন। এবছরের শেষ দিকে এটি বাজারে ছাড়ার মতো প্রস্তুত হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র এখানে -


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28989782 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28989782 2009-08-06 16:12:44
ছবিব্লগ :: মজার কিছু ছবি দেখুন <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />





















ডিসক্লেইমার: ১) ছবিগুলো দেখে কারো হাসি পেলে লেখক কোন ভাবেই দায়ী থাকবেন না। <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />
২) ছবিগুলো পূর্বে ব্লগে প্রকাশিত হয়ে থাকলে লেখককে মাইনাস প্রদান করে মনের ক্ষোভ প্রশমনের অনুরোধ জানাচ্ছি।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28988867 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28988867 2009-08-04 23:56:07
বন্ধুদিবসে খুব মনে পড়ে এক ভিনদেশী বন্ধুকে

ছেলেটির নাম জিয়াং মাও, বয়স ২৪ কি ২৫ হবে। চায়নার শেনজেন শহরে বাস করে। ছোটখাট একটা ট্রেডিং কোম্পানী খুলেছে। স্ত্রী চাকুরী করে একটা লজিস্টিক কোম্পানীতে। স্ত্রী আর এক বাচ্চা নিয়ে খুব সুখের সংসার।

জিয়াং মাওয়ের সাথে আমার পরিচয় ২০০৫ সালে। ব্যবসার খাতিরে আমি বিভিন্ন বিজনেস ওয়েবসাইটে আমার অফিসের বিজনেস প্রোফাইল এবং এমএসএন মেসেঞ্জার এড্রেস দিয়ে রেখেছিলাম। হঠাৎ একদিন আমার এমএসএন মেসেঞ্জারে একটা এ্যাড রিকোয়েস্ট মেসেজ, জিয়াং মাও নামের একজন পাঠিয়েছে। আমি তাকে এ্যাড করলাম এবং চ্যাটও করলাম। জানতে পারলাম সে চায়নার শেনজেন শহরে থাকে এবং ছোটখাট একটা ট্রেডিং কোম্পানী আছে।

আমি তখন চায়না থেকে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, নেটওয়ার্কিং প্রডাক্ট, কিছু গার্মেন্টস একসেসরিজ ইমপোর্ট করতাম থার্ড পার্টি ভায়া মিডিয়া ধরে। কখনো ডাইরেক্ট ইমপোর্ট করতে সাহস করিনি কারণ কখনও চায়না যাইনি। তাছাড়া শুনেছি ওরা ভাল ইংলিশ বুঝে না খাবার দাবার সমস্যা, ওরা খুবই ঠগ টাকা মেরে দিবে ইত্যাদি ইত্যাদি। যাহোক আস্তে আস্তে জিয়াং মাওয়ের সাথে আমার ঘনিষ্ঠতা বাড়তে লাগল। একদিন আমি তাকে কিছু প্রডাক্টের প্রাইস লিস্ট পাঠাতে বলি, উদ্দেশ্য আমার আমদানীকৃত পণ্যের দাম যাচাই করা। সে যা করল তা অবাক করার মত, সে আমাকে ঐ প্রোডাক্টগুলোর ফ্যাক্টরী প্রাইস দিল যা কিনা শিপিং কস্ট, ট্যাক্স, ভ্যাট, সিএন্ডএফ চার্জ, এলসি খরচ সব বাদ দিয়ে আমার মিনিমাম ৪০% বেশী লাভ হবে। আমি ঐ প্রাইসে মালামাল কিনতে আগ্রহী হলাম, সে আমাকে চায়না ভ্রমনের অফার করল কিন্তু আমি তাকে ভাষা সমস্যা, খাদ্য সমস্যা ইত্যাদির কথা বললাম। সে বলল যে সে এসব দেখবে ভয়ের কোন কারণ নেই। যাহোক এর কিছুদিন পর আমি চায়না গেলাম। যাবার সময় মানি এক্সচেন্জ থেকে ডলার নেয়ার পাশাপাশি কিছু চাইনিজ ইউয়ান (চায়নিজ মুদ্রা যার আরেক নাম আরএমবি) নিলাম।

শেনজেন শহরে যেতে হলে ঢাকা থেকে প্রথমে কুনমিং যেতে হয়, সেখানে একদিন থাকতে হয় তারপরদিন সকালে কুনমিং টু শেনজেন ফ্লাইট। চায়না যাত্রার পূর্বে সে আমাকে চাইনিজ কিছু টুকটাক শব্দ চ্যাটের সময় শিখিয়ে দিয়েছিল, চাইনিজ ভাষার কিছু লেখা আমাকে জেপিইজি ফরম্যাটে ই-মেইল করেছিল প্রিন্ট করে সাথে নিয়ে যাবার জন্য। এগুলোর একটি ছিল কুনমিং এয়ারপোর্ট থেকে নেমে ট্যাক্সি ড্রাইভারকে দেখানোর জন্য আর আরেকটি ছিল কুনমিং হোটেল লিভ করার সময় ট্যাক্সি ড্রাইভারকে দেখানোর জন্য। সে ওভার ফোনে আগে থেকেই কুনমিংয়ে হোটেল বুকিং দিয়ে রেখেছিল। আমি কুনমিং এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে ট্যাক্সি ড্রাইভারকে প্রিন্টআউট করা চাইনিজ লেখাটা দেখালাম, ড্রাইভার সোজা আমাকে হোটেলে নিয়ে গেল। হোটেলে গিয়ে দেখি হুলস্থুল কান্ড, আমার জন্য জিয়াং মাওয়ের কুনমিং বাসিন্দা দুই বন্ধু সু ওয়েন এবং লিউ চেন ঘন্টা দুই যাবত অপেক্ষা করছিল। আমাকে পেয়ে যেন তারা আকাশের চাঁদ হাতে পেল। সৌভাগ্যক্রমে তারা ভাঙাভাঙা ইংলিশ বলতে পারত। তারা আমাকে হোটেলের রুমে ইন করিয়ে দিল। আমি ফ্রেশ হয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিলাম। তারপর তারা আমাকে সাপার করানোর জন্য এক মুসলিম রেস্টুরেন্টে নিয়ে গেল। চায়নাতে মুসলিম রেস্টুরেন্ট পেয়ে আমি অবাক হয়ে গেলাম। খাওয়া শেষে বিল দিতে গিয়ে দেখি বিল দেয়া হয়ে গেছে। ওরা কিছুতেই আমার কাছ থেকে টাকা নিল না, এমনকি আমাকে ট্যাক্সি ভাড়াও দিতে দিল না। <img src=" style="border:0;" />

পরদিন সকালে আমার কুনমিং টু শেনজেন ফ্লাইট ছিল লোকাল টাইম সকাল ৯টায় কিন্তু আমাকে এয়ারপোর্টে চেকইন করতে হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। যথা সময়ে হোটেল ম্যানেজার আমাকে ওয়েক আপ কল দিল। আমি ঘুম থেকে উঠে দেখি সেই দুজন হাজির। <img src=" style="border:0;" /> এত সকালে মুসলিম রেস্টুরেন্ট খুলবেনা, তাই ওরা আমার জন্য আপেল, কমলা, স্ট্রবেরী, আম নিয়ে এল। আমিও মনে মনে খুশী হলাম। ওরা আমাকে কুনমিং এয়ারপোর্ট পর্যন্ত পৌছে দিল। এবারও ট্যাক্সি ভাড়া দিতে পারলাম না। যাহোক ঘন্টা দুই পরে আমি শেনজেন এয়ারপোর্ট পৌছে গেলাম। জিয়াং মাও আমাকে এয়ারপোর্টে রিসিভ করল। রিসিভ করার পর সে আমাকে চায়না মোবাইল (জিএসএম অপারেটর) কোম্পানীর একটা সিম হাতে দিয়ে বলল দেশে ফোন কর, তোমার স্ত্রী আর পরিজনেরা হয়তো তোমার জন্য খুবই উদ্বিগ্ন হয়ে আছে। তাইতো! গত ১৫ ঘন্টা সবার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। সাথে সাথে আমার মোবাইল সেটে সিমটি ভরে আমার স্ত্রী ও পরিজনদের ফোন করলাম, আমার ফোন পেয়ে সবাই চিন্তামুক্ত হল। প্রথম দর্শনেই ছেলেটা আমার মনে স্থান করে নিল।

আমরা এয়ারপোর্ট বাসে করে শহরের লৌ হু ডিস্ট্রিক্টে রওনা হলাম। লৌ হু বাস টার্মিনালের কাছেই জিয়াং মাওয়ের ভাড়া বাসা। সে আমাকে নিয়ে তার বাসায় উঠল। বাসাটা ছিল এক রুমের। সে আমাকে তার বাসায় থাকতে বলল, তারা ফ্লোরিং করবে আর আমি ফুলবাবু হয়ে তাদের বিছানায় ঘুমাব। ব্যাপারটা আমার কাছে অমানবিক মনে হল। আমি তাকে অনুরোধ করলাম একটা হোটেল ঠিক করে দেয়ার জন্য। সে আমাকে একটা ভাল অথচ কম খরচের একটা হোটেল ঠিক করে দিল পাশেই ছিল একটা শিনজিয়াং মুসলিমদের খাবার দোকান। যাক মনে মনে খুশী হলাম, থাকা খাওয়ার চিন্তা এখন আর নেই।

ঐ দিন ছিল পহেলা আগস্ট সারাদিন আমি আর জিয়াং শপিং মলে ঘুরাঘুরি করলাম। বিকেলে হোটেলে ফিরে এসে ঘুম দিলাম। জিয়াং বাসায় চলে গেল। ঘুম থেকে উঠে দেখি রাত ১১টা বাজে। বাইরে বেরিয়ে দেখি খাবার দোকানটা বন্ধ। খুব ক্ষিদে পেয়েছিল বলে খাবার দোকান খুজে বের করতে বেরিয়ে পড়লাম। কিছুদুর গিয়ে টুপি মাথায় দেয়া এক ভ্রাম্যমান শিক কাবাব বিক্রেতার সন্ধান পেলাম। সে ছিল উইঘুর মুসলিম। তার আইটেমের মধ্যে ছিল বিভিন্ন ধরনের কাবাব। ক্ষুধার চোটে অনেকগুলো খেয়ে ফেললাম। রাত সাড়ে ১২টায় হোটেলে ফিরে টিভি দেখছি হঠাৎ তলপেটে তীব্র ব্যাথা অনুভব করলাম, তার কিছুক্ষণ পড়ে বমি করলাম, বমির পর পরই ডায়রিয়া শুরু হয়ে গেল বুঝলাম ফুড পয়জনিং হয়েছে। অবস্থা ক্রমেই খারাপ হতে লাগল, কাপড় নষ্ট করে ফেললাম সাথে সাথে হোটেল রুমও নোংরা করে ফেলেছি। সারা ঘরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরল। উপায় না দেখে জিয়াংকে ফোন করলাম। ১০ মিনিটের মধ্যে জিয়াং আর ওর বউ এসে হাজির। আমাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেল। সারারাত তারা হাসপাতালে ছিল। পরের দিন সকালে ওর বউ অফিসে চলে গেল আমি জোর করে জিয়াংকে তার বাসায় পাঠালাম রেস্ট নেয়ার জন্য আর আসার সময় হোটেল রুম থেকে আমার কিছু কাপড় নিয়ে আসতে বললাম। দোসরা আগস্ট সন্ধ্যায় আমি অনেকটা সুস্থ হয়ে হোটেলে ফিরে গেলাম।

হোটেলে ফিরেতো আমি অবাক, জিয়াং যখন আমার জন্য কাপড় নিতে হোটেলে এসেছিল তখন সে আমার নষ্ট হয়ে যাওয়া সবগুলো কাপড় নিজের হাতে ধুয়ে দিয়েছে। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম কেন সে এইকাজ করতে গেল। সে জবাব দিল যে সে আমাকে তার বন্ধু মনে করে। জিয়াংয়ের জায়গায় আমার কোন বাংলাদেশী বন্ধু হলে সেও নিশ্চয়ই আমার নোংরা কাপড় গুলো ধুয়ে দিত। সাথে সাথে আমার চোখদিয়ে পানি চলে আসল। আমি তাকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলাম "ফ্রম টুডে ইউ আর মাই বেস্ট ফ্রেন্ড"।

সেই ঘটনার পর থেকে আগস্টের দুই তারিখ আমার জন্য এক স্মরনীয় দিন। প্রতিবছর আগস্টের দুই তারিখ আমার ভিনদেশী বন্ধু জিয়াং মাওকে খুব খুব মনে পড়ে। জিয়াংয়ের সাথে আজো আমার বন্ধুত্ব টিকে আছে। আমাদের বন্ধুত্ব সারাজীবন টিকে থাকবে বলে আমার বিশ্বাস, কারণ আমাদের এই বন্ধুত্বে নেই কোন স্বার্থের দন্দ্ব আছে শুধু এক নিখাদ ভালবাসা। কাকতালীয়ভাবে এ বছরের আগস্টের দুই তারিখ ফ্রেন্ডশীপ ডে ও বটে। তাই এই বন্ধু দিবসে তাকে আমি বলেছি -

"As precious as you are to me,
As precious no one can ever be,
I know friends are hard to choose,
But you are a friend I never want to lose"

সবাইকে বন্ধুদিবসের শুভেচ্ছা। সবাই ভাল থাকুন, দীর্ঘজিবী হোন। সবাইকে শুভকামনা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28987988 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28987988 2009-08-03 02:48:56
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি :: বিদ্যুৎ উৎপাদনে মরুর বুকে আয়না

মরুর বুকে শুরু হতে চলেছে বিশাল কর্মযজ্ঞ। ৪০০ বিলিয়ন ইউরো খরচ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে সেখান থেকে। মরুভূমি আর আয়না -- এর সঙ্গে কি বিদ্যুতের কোনো যোগসূত্র খুঁজে পান? এতদিন কেউ হয়তো খোঁজেননি, তাই পানওনি।

তবে বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি মরুভূমিতেই খুঁজে পেয়েছেন বিদ্যুতের সবচেয়ে বড় আধার। আর সেখান থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে খুব কাজে আসবে আয়না। গবেষণা করে দেখা গেছে, মানবজাতি প্রতি বছরে যে পরিমাণ শক্তিক্ষয় করে, পৃথিবীর মরু অঞ্চল মাত্র ৬ ঘন্টায় আহরণ করে তার চেয়েও বেশি শক্তি। এমন তথ্য জানার পরও ওই শক্তিকে কাজে লাগানোর কথা না ভেবে পৃথিবী বসে থাকবে, তা কি হয়? ডেজারটেক ইন্ডাস্ট্রিয়েল ইনিশিয়েটিভ, ডিআইআই নামের একটি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে নেমে পড়েছে কাজে। তাদের লক্ষ্য, মরু অঞ্চলের প্রখর সূর্য্যতাপকে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা। কী পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে, সেই বিদ্যুৎ কোন দেশ কতটুকু ব্যবহার করতে পারবে -- এসবের মোটামুটি একটা হিসেব দাঁড় করানো হয়েছে। দেখা গেছে, এই প্রকল্প চালু হলে ইউরোপের মোট চাহিদার শতকরা ১৫ ভাগ বিদ্যুৎ সেখান থেকেই পাওয়া সম্ভব৷ সিমেন্স, ডয়েচ ব্যাঙ্কসহ মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান, যার অধিকাংশই জার্মান, তাদের নিয়ে গড়া ডেজারটেক হিসেব কষে দেখেছে, এই প্রকল্প শুরু করতেই খরচ হয়ে যাবে কমপক্ষে ১০ বিলিয়ন ইউরো। পুরো প্রকল্পের অনুমিত খরচের তুলনায় ১০ বিলিয়ন ইউরো অবশ্য খুবই কম। ধারণা করা হচ্ছে, প্রকল্পটি শেষ করতে ৪০০ বিলিয়ন ইউরোর মতো খরচ হয়ে যাবে। মরুভূমিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে সোলার থারমাল ইলেকট্রিক্যাল জেনারেশন, সংক্ষেপে এসটিইজি পদ্ধতিতে৷ বড় বড় আয়নায় সূর্যালোক ঠিকরে পড়বে, সেই আলো এবং তাপকে কাজে লাগিয়ে তরল-ভর্তি কিছু টিউব উত্তপ্ত করা হবে, এভাবে তৈরি হবে বাষ্প আর সেই বাষ্প থেকেই বিদ্যুৎ।

ডেজারটেক কাজ শুরু করবে সাহারা মরুভূমিতে। ৯১ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এই মরুভূমির আশপাশের দেশগুলো প্রাথমিকভাবে প্রকল্পটিকে স্বাগত জানিয়েছে। স্বাগত না জানানোর তো তেমন কোনো কারণও নেই, ৪০০ বিলিয়ন ইউরোর কাজ হলে কত লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে তা একবার ভেবে দেখেছেন? শুধু জার্মানি থেকেই কাজ পাবেন ২ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষ। সঙ্গে সাহারার আশপাশের দেশগুলোর অনেকেই যে এই কর্মযজ্ঞে শরিক হবেন তাতে আর সন্দেহ কি! ডেজারটেকের কাজ শুরু হতে বেশি বাকি নেই, তবে শেষ হতে অনেক বাকি। ৪০০ বিলিয়ন ইউরোর এই প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা ২০৫০ সালে।

বাংলাদেশও উত্তরাঞ্চলে খরা প্রবন এলাকায় এ ধরনের প্রকল্পের পরীক্ষামুলক পাইলট প্রকল্প চালু করতে পারে। দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবেলার জন্য সরকারকে বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে এখনি।

তথ্যসূত্র এখানে - ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28986796 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28986796 2009-07-31 18:29:20
কি চমৎকার দেখা গেল <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />











কে এই লুলী? লেখাজোকা শামীম ভাইয়ের এই গোপন রহস্য ঝাতি ঝানতে চায় <img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28986120 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28986120 2009-07-30 12:26:55
বাংলাদেশে দুর্লভ প্রজাতির চিতা বাঘের সন্ধান লাভ

বাংলাদেশে বিলুপ্ত দুর্লভ প্রজাতির চিতা বাঘের সন্ধান পাওয়া গেছে। পরিবেশবীদরা বলছেন, বাংলাদেশের বনে এই ধরণের দুর্লভ প্রাণীর সন্ধান পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য ইতিবাচক লক্ষণ।

বাংলাদেশের পাহাড়ি বিভাগ চট্টগ্রামের একটি জেলা রাঙ্গামাটি। এই জেলার মিয়ানমার এবং মিজোরাম সীমান্তের একটি গ্রামে এই চিতা বাঘের শাবকের সন্ধান পায় পরিবেশবাদীরা। তিন সপ্তাহ আগে মায়ের সঙ্গে দুইটি চিতা বাঘের শাবক লোকালয়ের কাছে চলে আসে। এলাকবাসী জানায়, ঐসময় চিতা বাঘিনি একটি বানর খাচ্ছিল। গ্রামবাসী একটি শাবককে ধরতে সক্ষম হয়।

শাবকটির বয়স তিন মাস। বাংলাদেশ বন্য প্রাণী সংরক্ষণ সংস্থার নির্বাহী প্রধান প্রফেসর আনোয়ারুল ইসলাম সংবাদ সংস্থাকে জানান, শাবকটিকে তারা যখন গ্রামবাসীর কাছ থেকে উদ্ধার করে তখন সে সুস্থ অবস্থায় ছিল। গ্রামবাসী শাবকটিকে একটি খাঁচায় আটকে রেখেছিল।

প্রফেসর আনোয়ারুল বলছেন, কোন বন্য প্রাণী ধরতে পারলে সাধারণত গ্রামবাসী তা বিক্রি করে দেয়। কিন্তু গ্রামবাসীকে বোঝানোর পর তারা চিতা শাবকটিকে ছেড়ে দিতে রাজি হয়।

তিনি বলছেন, বাংলাদেশে যেভাবে বন উজাড় করা হচ্ছে, তাতে নষ্ট হয়ে গেছে অনেক প্রাণীর বাসস্থানই। তবে এই চিতা শাবকের উদ্ধার এটি নিশ্চিত করে যে, বাংলাদেশে এখনো চিতা বাঘ বিলুপ্ত হয়ে যায়নি।

আন্তর্জাতিক পরিবেশ সংরক্ষণ সংঘ এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পুরো বিশ্বে বর্তমানে একলাখের মতো চিতা বাঘ রয়েছে। যার বেশিরভাগই আছে, উত্তর এবং উত্তর পূর্ব এশিয়াতে। বাংলাদেশের বনে, সর্বশেষ চিতা বাঘ দেখা গেছে ২০০৫ সালে।


তথ্যসূত্র এখানে - ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28985760 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28985760 2009-07-29 18:02:27
বিশ্বরাজনীতি :: ইসরায়েলের পারমাণবিক স্থাপনায় পাল্টা হামলার হুমকি দিল ইরান।
ছবি: ডিমোনায় ইসরায়েলের অন্যতম পারমাণবিক স্থাপনা।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বলেছে, ইহুদি রাষ্ট্র থেকে ইরানের উপর কোন হামলা হলে ইরানও পাল্টা ইসরায়েলের পারমাণবিক স্থাপনার উপর হামলা চালাবে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে গার্ড বাহিনীর এই হুঁশিয়ারি বার্তা সম্প্রচার করা হয়েছে।

ইরানের নিয়মিত প্রতিরক্ষা কাঠামোর বাইরে বিশেষ বাহিনী হচ্ছে এই রেভলুশনারি গার্ড। তারা মূলত সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ শাখা যারা আদর্শগত মূল্যবোধে পরিচালিত। এই বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ আলি জাফরি শনিবার বলেন, ইসরায়েলের জায়নিস্ট প্রশাসন যদি ইরানের উপর কোন ধরণের হামলা চালায়, তবে আমরা অবশ্যই তাদের পারমাণবিক স্থাপনার উপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাব। ইরানের আরবি ভাষার টেলিভিশন চ্যানেল আল-আলমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জাফরি এই হুমকি দেন। বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী দিবসের ঠিক এক দিন আগে জাফরি এই হুমকি উচ্চারণ করলেন। এর আগে গত মার্চেও তিনি প্রায় একই ধরণের বিবৃতি দিয়েছিলেন।

জাফরি বলেন, ইসরায়েলের ইহুদিবাদী প্রশাসন এবং আমাদের অন্যান্য শত্রুদের বোকামির জন্য আমরা কোনভাবেই দায়ী নই। তারা যদি ইরানে আক্রমণ চালায়, আমাদের জবাব হবে অত্যন্ত সূক্ষ ও দৃঢ়। তিনি বলেন, ইসরায়েল পুরোপুরি ইরানের আওতার মধ্যে রয়েছে। ইসরায়েলের যে কোন হামলার সমুচিত জবাব দেয়ার ক্ষমতা ইরান গত দু'বছরে যথেষ্ট মাত্রায় অর্জন করেছে বলে উল্লেখ করেন জাফরি। উল্লেখ্য, ইরানের নেতারা ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলা নিয়ে প্রায়ই মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তারা বলেন, ইরানের প্রতি হুমকি হওয়ার অবস্থানে নেই ইসরায়েল। তাঁদের ভাষ্য, ইরানের ওপর কোনো ধরণের হামলা হলেই মার্কিন স্বার্থ ও ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে তার জবাব দেওয়া হবে।


ছবি: দক্ষিণ ইরানে বুশেহর পারমাণবিক প্রকল্প।

প্রসঙ্গতঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের পশ্চিমা মিত্রদের আশংকা, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির লক্ষ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে। কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে ইরানকে ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হলে সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের সম্ভানাও উড়িয়ে দেয়নি পশ্চিমা শক্তি। তবে ইরানের জবাব হচ্ছে, পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যেই তাদের এই কর্মসূচি। এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র ইসরায়েলের কাছেই পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়। ইসরায়েলের আশংকা, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এই ইহুদি রাষ্ট্রের অস্তিত্বের জন্য একটি বড় হুমকি। কেননা, ইরান কখনই ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয় না এবং প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ একাধিকবার ইসরায়েলকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র এখানে -

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28983739 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28983739 2009-07-26 00:37:20
ডেটিং করতে গিয়ে এক প্রেমিক পুরুষের নাজেহাল দশা, ব্যাপক বিনোদন। <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> " style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" /><img src=" style="border:0;" />



ইউটিউব লিংক এখানে -






সাবধান বাণী: ভুলেও গার্লফ্রেন্ডকে ডেটিং করতে বাসায় নিয়ে আসবেন না। <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28982660 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28982660 2009-07-23 20:07:45
গ্রিনল্যান্ড হাঙ্গর :: বায়ো জ্বালানির নতুন উৎস।

জেলেদের কাছে এটি ফেলে দেওয়ার জিনিস। বিরক্তিরও বটে। মানুষের কাছে এর মাংস বিষাক্ত। কিন্তু গবেষকরা এখন বলছেন, এদের মাংস বায়ো জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

কথা হচ্ছিল গ্রিনল্যান্ড হাঙ্গর নিয়ে। হাঙ্গরের মধ্যে এই প্রজাতিটি বেশ বড়। গ্রিনল্যান্ডের জেলেরা প্রতিবছর হাজার হাজার এ জাতের হাঙ্গর ধরে৷ তাদের হাতেই মারা পড়ে হাঙ্গরগুলো। আকারের দিক থেকে এদের গ্রেট হোয়াইট শার্কের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। এগুলো প্রায় সাত মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। গ্রিনল্যান্ডের পশ্চিমাঞ্চলের সিসিমিউটে অবস্থিত আর্কটিক টেকনোলজি সেন্টার (আরটেক) এর গবেষকরা প্রাণীটির তৈলাক্ত মাংস থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদনের উপায় খুঁজছেন। টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি অফ ডেনমার্ক-এ আরটেক এর শাখার ম্যারিয়েন উইলিমোয়েস জোয়েরগেনসেন একটি বিকল্প উপায়ের কথা তুলে ধরে বলেন, অসংখ্য হাঙ্গরসহ সমুদ্রে পাওয়া হাজার হাজার টন বর্জ্য বায়োগ্যাস উৎপাদনে ব্যবহার করা যেতে পারে। উত্তর পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের উমানাক গ্রামে এ রকম একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালু করেছেন তিনি। তিনি জানান, হাঙ্গরের মাংসের সঙ্গে যখন ক্ষুদ্র শ্যাওলা ও ঘরবাড়ির বর্জ্য পানীয়ের সংমিশ্রণ ঘটে তখন সেটি বায়ো জ্বালানি উৎপাদনের উপযোগী হয়ে ওঠে।

তিনি বলছেন, এ ধরণের জৈব বর্জ্য সংস্থানের সবচেয়ে ভালো উপায় বায়ো জ্বালানি উৎপাদন। বিদ্যুৎ উৎপাদনে এ জ্বালানি ব্যবহার করা যেতে পারে। গ্রামটির প্রায় আড়াই হাজার অধিবাসীর প্রায় ১৩ শতাংশের মতো জ্বালানির যোগান বায়োগ্যাস থেকেই দেওয়া সম্ভব। দ্বীপটিতে বসবাসকারী বিচ্ছিন্ন লোকালয় এধরণের বায়ো জ্বালানি দিয়ে জ্বালানিতে স্বয়ংসম্পূর্ণও হতে পারে।

তথ্যসূত্র এখানে - ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28982603 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28982603 2009-07-23 17:28:22
ছবিব্লগ :: আজকের সুর্যগ্রহণের ছবি।














]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28981872 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28981872 2009-07-22 08:32:14
পদত্যাগ করেছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ।

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ। নিউইয়র্ক ভিত্তিক সংবাদ সংস্থা ‘নিউজ ওয়ার্ল্ড’ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে এ খবর ছেপেছে।

বর্তমানে সোহেল তাজ ওয়াশিংটনের উপকন্ঠে ম্যারিল্যান্ডে অবস্থান করছেন। বেশ কিছুদিন থেকেই বিভিন্ন সংবাপত্রে তার পদত্যাগ নিয়ে অনুমান নির্ভর বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে তিনি এই প্রথম মুখ খুলেছেন বলে দাবি করেছে ‘নিউজ ওয়াল্ড’।

নিউজ ওয়ার্ল্ড-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, সোহেল তাজ তাদেরকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সংবিধানের ৫৮-১ এর 'ক' ধারায় তিনি পদত্যাগ করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার আগে সেটা প্রধামন্ত্রীর কাছে নিজ হাতে পৌঁছে দিয়েছেন।

এখন তাকে মন্ত্রী হিসেবে অভিহিত সংবিধান লংঘনের শামিল করা হবে উল্লেখ করে সোহেল তাজ বলেছেন, নিয়ম অনুযায়ী একজন মন্ত্রী পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দিলে তা কার্যকর হয়ে যায়। তারপর রাষ্ট্রপতিকে সেটা অবহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। এই হিসেবে ৩১ মে থেকে তিনি আর মন্ত্রী নেই বলে দাবি করেন সোহেল তাজ। পদত্যাগপত্র গ্রহণের স্মারক নাম্বারও তার কাছে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, দেশে ফিরবেন কখন—এই প্রশ্নের জবাবে সোহেল তাজ বলেছেন, যেহেতু মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিয়েছেন সেজন্য দেশে ফেরার তাড়া নেই। আর মন্ত্রীত্বে ফিরতে হলে আবারও শপথ নিতে হবে উল্লেখ করে সোহেল তাজ বলেন, সেই সুযোগও নেই। সুতরাং তাকে মন্ত্রী হিসেবে অভিহিত করার কোন সুযোগ এখন নেই।

তিনি আর বলেন, ১ জুন থেকে কোন বেতন ভাতা বা সরকারি সুযোগ সুবিধা নিচ্ছেন না তিনি। তারপরও তাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর খবর ছাপা হচ্ছে।

পদত্যাগের সিদ্ধান্ত কেন নিলেন— নিউজ ওয়ার্ল্ডের এমন প্রশ্নের জবাবে সোহেল তাজ বলেন, এসব বিষয় নিয়ে এখন মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

মন্ত্রী হিসেবে দেশ, জাতি ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে ওয়াদাবদ্ধ ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন মানুষের বড় সম্বল হচ্ছে তার নীতি, আদর্শ ও আত্মসম্মানবোধ। এসবকে বিসর্জন দিয়ে মন্ত্রীত্ব করার লোক নন তিনি। পারিবারিক ঐতিহ্য ও জনপ্রতিনিধিত্বের সম্মানকে অটুট রাখা মন্ত্রীত্বের চাইতে তার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান তিনি।

তথ্যসূত্র এখানে- ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28980518 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28980518 2009-07-19 17:41:20
মহাকাশ গবেষণা :: SETI@home কিভাবে কাজ করে।

আমরা কি এই মহাকাশে একলা? মানুষ ছাড়া এই মহাজগতে আর কি কোন গ্রহে কেউ নেই? এই প্রশ্ন এর মুখোমুখি আমরা সেই প্রাচীনকাল থেকে। এই যে এত বিশাল মহাকাশ, কোটি কোটি গ্রহ নক্ষত্র এর মধ্যে একটিতেও কি মানুষের মত কোন বুদ্ধিমান প্রাণী এর আবির্ভাব হয়নি? একলা মানুষ সুদূর আকাশের দিকে তাকিয়ে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছে তার নিজের কাছে। মানুষের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যত এগিয়েছে মানুষ ততই এই প্রশ্নগুলি উত্তর খুঁজে পাবার চেষ্টা করেছে।

আমাদের বর্তমান টেকনোলজি দিয়ে মানুষ এর পক্ষে একটা দূরত্বের পরে আর অতিক্রম করা সম্ভব নয়। এর মধ্যে সব থেকে আলোচিত মাধ্যম হল রেডিও তরঙ্গ। যদি অন্য কোন গ্রহ থেকে কেউ মানুষ এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তবে রেডিও তরঙ্গ এর মাধ্যমেই সম্ভব। আর যদি তা হয়ে থাকেই, তবে মহাকাশ থেকে যে রেডিও তরঙ্গ আসছে তা পর্যবেক্ষণ করে দেখা উচিত। এই উদ্দেশ্য কে সামনে রেখে Search for Extraterrestrial Intelligence সংক্ষেপে SETI শুরু হয়। প্রথম SETI নিয়ে আলোচনা শুরু হয় ১৯৫৯ সনে। Drs. Philip Morrison এবং Guiseppe Coconni সেই সময় Nature পত্রিকাতে প্রথম Searching for Interstellar Communication নামে একটি প্রবন্ধ লিখেন। সেটিই এই SETI এর সূত্রপাত ঘটায়।

Contact সিনেমাতে এইরকমই Ellie Arroway ও তার সঙ্গী গবেষকরা আকাশের রেডিও তরঙ্গ বড় বড় টেলিস্কোপ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করে ও পরিশেষে তারা একটি গ্রহ থেকে তরঙ্গ পায় এবং তা দিয়ে তারা মহাকাশযান তৈরী করে। কিন্তু কল্পনার সেই জগত নয় বাস্তবেও ঠিক একই রকম কাজ হচ্ছে।


মহাকাশ থেকে যে রেডিও তরঙ্গ আসছে তার প্রায় সবই Noise এ ভরা থাকে। উপরের চিত্রে এমনি একটি Arecibo রেডিও টেলিস্কোপ এর ছবি। মহাকাশের অন্য কোন গ্রহ থেকে বুদ্ধিমান কেউ যদি রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে কোন তথ্য পাঠায় তবে তা এই তরঙ্গগুলির মধ্যে কোথাও না কোথাও খুঁজলে পাওয়া যাবে। এছাড়া যদি কোন সিগন্যাল কোন গ্রহ থেকে পাঠানও হয় তবে কত চ্যানেলে পাঠাচ্ছে তা জানাও একটি বড় সমস্যা। কেননা অসংখ্য চ্যানেল দিয়ে তা পাঠান সম্ভব। ব্যাপারটা অনেকটা আমাদের সাধারণ রেডিও এর চ্যানেল এর সাথে মিল আছে। কোন রেডিও স্টেশন ধরবার জন্য রেডিওর নব ঘুরিয়ে আমরা চ্যানেল পরিবর্তন করতে থাকি। কিন্তু মহাকাশের রেডিও তরঙ্গকে পর্যবেক্ষণ করবার জন্য অনেক বড় রেডিও টেলিস্কোপ দরকার এবং সেগুলি পর্যবেক্ষণ করবার জন্য অনেক সুপার কম্পিউটার দিয়ে যাচাই করা দরকার। কিন্তু একক কোন প্রতিষ্ঠান বা গবেষণা কেন্দ্রের পক্ষে এই বিশাল ক্যালকুলেশন করা কঠিন।

১৯৯৯ সনে বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ে Dan werthimer ও David P. Anderson দুজন বিজ্ঞানী SERENDIP প্রজেক্ট এ কাজ করছিলেন। তারা দেখেন যে Arecibo এন্টিনা থেকে যে তথ্য প্রজেক্ট এ ব্যাবহৃত হয় তার একটা বৃহৎ অংশই পর্যবেক্ষণ করে দেখা হয়না। তা দেখবার জন্য বিশাল বিশাল সুপার কম্পিউটারের প্রয়োজন। কিন্ত যদি সেই তথ্যগুলিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করে নেয়া হয় তবে সাধারণ কম্পিউটার এর মাধ্যমে ক্যালকুলেশন করে পর্যবেক্ষণ করে দেখা সম্ভব। সাধারণ কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা যখন তাদের কম্পিউটার ব্যাবহার করে না তখন এই ক্যালকুলেশনের জন্য কম্পিউটারটি ব্যবহার করা যায়। তারা SETI@home নামের একটি স্ক্রিণসেভার (Screensaver) তৈরী করেন। স্ক্রিণসেভার হল একটি সাধারণ প্রোগ্রাম যখন কম্পিউটার দীর্ঘণ ব্যবহার করেন না তখন তা চালু হয় ও স্ক্রীনে বিভিন্ন ছবি দেখা যায়। এই স্ক্রিণসেভারটি বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের SETI হোমপেজ থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

স্ক্রিনসেভারটির লিংক



SETI@home কিভাবে কাজ করে:

SETI এর ক্ষেত্রে বড় বড় রেডিও টেলিস্কোপ দিয়ে মহাকাশের রেডিও তরঙ্গগুলিকে SETI এর কম্পিউটারে রেকর্ড করে রাখা হয়। সেই তথ্যগুলিকে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইউনিটে ভাগ করে রাখ হয়। যখন কেউ এই SETI প্রোগ্রাম তার কম্পিউটারে ইন্সটল করে, তখন তার কম্পিউটার না ব্যবহার করবার সময় স্ক্রিণসেভারটি অটোমেটিক চালু হয় এবং তা SETI এর কম্পিউটার থেকে একটি করে কাজের ইউনিট ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডাউনলোড করে নিয়ে আসে। SETI এর কম্পিউটার প্রোগ্রামটি সেই তরঙ্গের ভিতর কোন গুরুত্বপূর্ণ ডাটা আছে কিনা তা যাচাই করে। একটি ইউনিট এর কাজ শেষ করতে প্রায় ১২ ঘন্টা লাগে। অবশ্য তা কম্পিউটারের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে৷ একটি ইউনিট এর কাজ যাচাই করে শেষ করার পর, সেই ফলাফল SETI এর মূল কেন্দ্রে আবার ইন্টারনেটের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেয়। এইভাবে সারা পৃথিবীতে অসংখ্য প্রোগ্রাম সব সময তথ্য বিশ্লেষন করে দেখছে। যদিও এইসব বড় বড় ক্যালকুলেশন এর কাজ করবার জন্য সাধারণ কম্পিউটারের পরিবর্তে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় কিন্তু কাজগুলিকে ছোট ছোট ইউনিটে ভাগ করে নেবার কারণে সাধারন কম্পিউটার দিয়েও মহাকাশ থেকে আসা তথ্য বিশ্লেষন করা সম্ভব। যেখানে সুপার কম্পিউটার দিয়ে করার ফলে অনেক খরচ হয় সেখানে এই পদ্ধতিতে প্রায় বিনা মূল্যে করা সম্ভব। SETI@home এর বর্তমান ব্যাবহারকারীর সংখ্যা এর ৪৫,৭৬,১১৫ (এই প্রবন্ধটি লিখবার সময়)। ৪৫ কোটি লোকজন তাদের কম্পিউটার যখন ব্যবহার করে না তখন এইভাবে বিজ্ঞানের জন্য তারা তাদের কম্পিউটারটি ব্যবহার করে। আর এখন পর্যন্ত সবাই মিলে যে ১৫৩১০৯৫.৭৮৬ বছরের সমান কম্পিউটার ব্যবহার করেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের মোট ৩১৯ জন এই SETI@home প্রজেক্টে অংশ নিয়েছে। তবে SETI@home এর কাজ সফল করবার জন্য আরো সচেতনতার প্রয়োজন। আপনি খুব সহজে প্রোগ্রামটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিয়ে অন্যান্য বিজ্ঞানীদের সাথে এই প্রজেক্টে অংশ নিতে পারেন।

SETI@home এর ১০০,০০০; ৭৫,০০০; ৫০,০০০; ২৫,০০০; ১০,০০০; ৭,৫০০; ৫,০০০; ২,৫০০; ১,০০০; ৭৫০; ৫০০; ২৫০ ও ১০০ টি ইউনিট কাজ শেষ করলে SETI@home থেকে একটি সার্টিফিকেট দেয়। যেটি আপনার একটি ব্যক্তিগত ক্রেডিট হিসাবে বিবেচিত হবে।

বর্তমানে প্রতিবছরই কম্পিউটারের দাম কমছে। আমরা খুব অল্প সময়ের জন্য আমাদের কম্পিউটার ব্যবহার করি, কিন্তু যখন কম্পিউটারটি ব্যবহার করিনা, তখন এই প্রজেক্ট এ অংশ নিয়ে আমাদের কম্পিউটারের একটি সুন্দর ব্যবহার করতে পারি। ফলে যখন কম্পিউটারের দাম কমে যাবে তখন অন্তত এই বলে সান্তনা পেতে পারি যে আমাদের কম্পিউটারটি বিজ্ঞান এর জন্য কিছু কাজ করছে।

অবশ্য এর বিপরীতে অনেকই এই SETI@home কে অর্থ ও সময়ের অপচয় বলে মনে করেন। কেননা আজ পর্যন্ত এই প্রজেক্টের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কোন আশার আলো দেখা যায়নি। আজ পর্যন্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে তাতে শুধু মাত্র কিছু Noise পাওয়া গেছে। অন্য কোন গ্রহের কোন পাঠান তথ্য পাওয়া যায়নি। কিন্তু আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি যে, যদিও তাতে কারো পাঠান কোন তথ্য নাও পাই তবুও এটা তো অন্তত আমরা সুষ্পষ্ট ভাবে বলতে পারবো যে সেখানে কারো পাঠান কোন তথ্য নেই। যদি তা না দেখতাম তবে তা অজানাই থেকে যেত। ব্যাপারটা অনেক অন্ধকার ঘরের মত। যদি আপনার পাশে কোন অন্ধকার ঘর থাকে আর যদি তা আলো জ্বেলে দেখেন যে, সেই ঘরে কিছুই নেই। তবে সেই আলো জ্বেলে দেখার হয়তো কোন মূল্য নেই। কিন্তু যদি সেই অন্ধকার ঘরটি না দেখতেন, তবে জানতে পারতেননা যে তাতে কি আছে। আলো জ্বেলে পরখ করে দেখলে, এইটুকু অন্তত সন্দেহাতিত ভাবে বলতে পারেন যে, ওই ঘরে কিছু নেই। SETI@home এর ব্যাপারটাও সেইরকম।

লেখক: ড: মশিউর রহমান। আমেরিকার মার্শাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈজ্ঞানিক হিসাবে কর্মরত।
স্পেশালিস্ট: ন্যানোপ্রযুক্তি, বায়োসেন্সর, সিলিকন ডিভাইস, LSI, STM, AFM, SEM, Fabrication
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28980493 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28980493 2009-07-19 16:21:34
কৃত্রিম পতঙ্গ তৈরির চেষ্টায় জাপানি বিজ্ঞানীরা।

দূরে কোথাও মাদক আছে কিনা তা বলে দিচ্ছে রোবট, ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপে জীবিত প্রাণের খোঁজও দিচ্ছে ছোট্ট রোবট। কল্প বিজ্ঞান দৃশ্যের মতো মনে হলেও একদল জাপানি বিজ্ঞানী সেরকম স্বপ্নের পথেই ছুটছে।

তারা চেষ্টা করছে কীট-পতঙ্গের মস্তিষ্ক বুঝবার এবং সে অনুযায়ী বিশেষ কাজের জন্য কৃত্রিম পতঙ্গ নির্মাণের।

টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রিওহেই কানজাকি তিন দশক ধরে পতঙ্গের মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণা করছেন৷ তবে তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য মানব মস্তিষ্ক আয়ত্ত করা৷ অসুখ ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানব মস্তিষ্ক সারানোর বড় উদ্দেশ্য সামনে রেখেই তাঁর গবেষণা৷ মূলত একাজ করতে গিয়েই পতঙ্গের ক্ষুদ্র মস্তিষ্কের দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দেন তিনি।

মানব মস্তিষ্কে প্রায় ১০ হাজার কোটির মতো নিউরন বা স্নায়ুকোষ রয়েছে। সংকেত আদান প্রদান এবং উদ্দীপকের প্রতি দেহকে সাড়া দিতে নির্দেশনা দেয় কোষগুলো। সে তুলনায় পতঙ্গের মস্তিষ্ক আকারের দিক থেকে মানুষের চেয়ে অনেক ছোট। মাত্র দুই মিলিমিটার প্রশস্ত পতঙ্গ মস্তিষ্কে নিউরন রয়েছে এক লাখের মতো।

তবে কানজাকি বলছেন, আকারই সবকিছু নয়। পতঙ্গের ছোট্ট মাথাও অনেক জটিল কাজ করে। উড়ন্ত অন্য কোনো পতঙ্গকে ছোঁ মেরে ধরতে পারাটা সেই জটিল ক্রিয়ারই প্রকাশ৷ কানজাকির ভাষায়, পতঙ্গ মস্তিষ্ক কোটি বছরের বিবর্তনে সৃষ্ট অনেক সফটওয়্যারের অসাধারণ সমন্বয়।

এর আরেকটি উদাহরণ হচ্ছে, এক ধরণের পুরুষ পতঙ্গ প্রায় এক কিলোমিটার দূর থেকে নারী পতঙ্গের ঘ্রাণ টের পায়। কানজাকি আশা করছেন কৃত্রিমভাবে পতঙ্গের মস্তিষ্ক সৃষ্টি করা যাবে।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি বলেন, মস্তিষ্ককে একটি জটিল ধাঁধাঁ চিত্র হিসেবে মনে রেখে কাজটা করা যেতে পারে। প্রত্যকটি অংশ ঠিক কীরকম এবং তা থেকে এটি কতদূর যেতে পারে সেটি বুঝতে পারলে আবারো একই রকমের চিত্র তৈরি করা সম্ভব। এভাবে ভবিষ্যতে ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে পতঙ্গ মস্তিষ্ক তৈরি করা যেতে পারে। আর এই সার্কিট পরিমার্জনের মাধ্যমে সত্যিকারের মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণের কাজে হাত দেয়া যাবে।

কানজাকির দল পতঙ্গ মস্তিষ্ক নির্মাণে বেশ অনেকদূর এগিয়ে গেছে৷ জেনেটিক্যালি মডিফাই করে তারা এমন একটি পতঙ্গ সৃষ্টি করেছে যেটি ঘ্রাণের পরিবর্তে আলোর উদ্দীপনার প্রতি সাড়া দিতে সক্ষম। এর পরিমার্জনের মাধ্যমে অদূর ভবিষ্যতে বহু দূরের অবৈধ মাদক, স্থল মাইন, ধ্বংস স্তূপে চাপা পড়া মানুষ, বিষাক্ত গ্যাসের মতো জিনিস সনাক্ত করা যাবে বলে মনে করেন অধ্যাপক কানজাকি।

তথ্যসূত্র এখানে-
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28979495 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28979495 2009-07-17 10:21:57
ছিনতাইকারী আমার হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিল <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_16.gif" width="23" height="22" alt=":((" style="border:0;" /> " style="border:0;" />

যাহোক এটা আমাদের বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশের অবস্থা। যারা রাতে সিএনজিতে চলাফেরা করেন তাদেরকে সাবধানতা অবলম্বনের অনুরোধ করছি। বর্তমানে রাতের ঢাকার কোন স্থানই নিরাপদ নয়। সবাই ভাল থাকুন, নিরাপদে থাকুন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28979478 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28979478 2009-07-17 09:04:37
বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব: বাংলাদেশে ফিরেছে প্রায় ২৩ হাজার প্রবাসী শ্রমিক।

অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে বিভিন্ন দেশে কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ২০০৯ এর প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশে ফিরেছে প্রায় ২৩ হাজার প্রবাসী শ্রমিক।

এমন কোন দিন নেই যে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের বারান্দা ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠেনা বিদেশ ফেরত কর্মীদের হতাশা আর দুঃস্বপ্নে। শ্রমবাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে অনেক ছোট বড় কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এমন কি, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি নির্মাণ শ্রমিক যে দেশে যায়, সেই সৌদি আরবে এখন বন্ধ আছে অনেক নির্মাণ কাজ। তারই প্রভাবে প্রতিদিনই চাকরি হারাচ্ছে বাংলাদেশী শ্রমিক।


রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ি থানার চর এলাকার গ্রাম হড়মা ৷ তারই অধিবাসী মোহাম্মদ ইসমাইল৷ কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে চাকরি হারিয়ে এখন নি:স্ব। তার মতো আরো অনেকেই আছেন এখন গ্রামে। এই গ্রামে প্রতিদিনই খালি হাতে অসহায় শ্রমিকরা গ্রামে ফিরছেন। চাষের জমি, ভিটে মাটি সবই গেছে তাদের বিদেশ যাওয়ার টাকা জোগাড় করতে। এমন কি চড়া সুদে টাকা ধার নিয়ে এখন পাওনাদারের ভয়ে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে সব সময়।

এই রকম চিত্র পুরো গোদাগাড়ি থানার জয়নাবাদ, আচারিপাড়া সহ অনেক গ্রামেই। বিশ্ব ব্যাংকের এক হিসাব মতে, ২০০৯ সালে এক লাখ বাংলাদেশী শ্রমিক বিদেশ থেকে ফেরত আসবে। যার বেশিরভাগই আসবে দুবাই থেকে। গেল ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে দেশে ফিরেছে ১৫ হাজার বাংলাদেশী। বিমান বন্দরের তথ্যের বরাত দিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এর কাছ থেকে এই তথ্য জানা গেছে। অর্থনৈতিক মন্দার কারণে চাকরি হারিয়ে দেশে ফেরা শ্রমিকদের এই হার আরো কয়েক মাস অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। শ্রমিকদের এই দেশে ফেরা যেমন কমাচ্ছে রেমিটেন্সের পরিমাণ, অন্যদিকে তেমন বাড়াচ্ছে বেকারত্ব।


বিশ্বের প্রায় ৬৯টি দেশে বাংলাদেশের শ্রমিকরা কাজ করলেও মধ্যপ্র্যাচ্যের দেশগুলোতে বাংলাদেশের শ্রমিক যাতায়তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।২০০৭-০৮ অর্থবছরের প্রান্তিক সময়, নভেম্বর থেকে জনুয়ারি পর্যন্ত দেশ থেকে জনশক্তি রফতানির পরিমান ছিল ২লাখ ৫৩ হাজার ৷ ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে একই সময়ে, দেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার। গেল জানুয়ারি মাসে ৫০ হাজার ৬৩২ জন , ডিসেম্বরে ৪৪ হাজার ৩৭৮ জন এবং নভেম্বরে ৬৮ হাজার ৭৪ জন বিদেশ গেছেন। অপর দিকে ২০০৭-৮ অর্থবছরে নভেম্বরে ৮৩ হাজার ৩৩৫ জন, ডিসেম্বরে ৭৭ হাজার ৯৭৭জন এবং জানুয়ারিতে ৯১ হাজার ৯৯৯জন শ্রমিক বিদেশ যান। দুই সময়ের জনশক্তি রফতানির হিসাব পর্যালোচনা করলে বিষয়টি স্পষ্ট হয় যে, জনশক্তি রফতানির পরিমাণ কি হারে কমেছে। একদিকে জনশক্তি রফতানির পরিমাণ যেমন কমেছে তেমনি কমছে দেশে আসা রেমিটেন্সের পরিমাণ। বাংলাদেশে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে মোট রেমিটেন্সের ৬৫ ভাগ আসে ৷ যুক্তরাষ্ট্র আর ইউরোপ থেকে আসে ২৭ ভাগ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের তথ্যমতে, এবছর বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ উল্ল্যেখযোগ্য হারে কমবে। ২০০৮ সালে বাংলাদেশে রেমিটেন্সের পরিমাণ ছিল, সাত বিলিয়ন। আর ২০০৯ এর প্রথম মাসে রেমিটেন্স এসেছে ৮৫৯ মিলিয়ন ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ৭৮৪ মিলিয়ন ডলার।

দেশের অর্থনীতিবীদ এবং শ্রম বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশ ফেরত অধিকাংশ কর্মীরাই যে ধরণের কাজ করতে অভ্যস্ত সে ধরণের কাজের পরিবেশ বাংলাদেশে নেই। তাদের মতে, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে কেটে যেতে পারে ৷ সেসময় প্রচেলিত শ্রমবাজারের পাশাপাশি নতুন শ্রমবাজার খোঁজার প্রতিও সরকারকে মনোযোগ দিতে হবে।

তথ্যসূত্র এখানে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28978734 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28978734 2009-07-15 18:48:01
জাতিসংঘ কনভেনশন অনুযায়ী ভারত টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ করতে পারে না।

টিপাইমুখ বাঁধ বিষয়ে বাংলাদেশের বিরোধিতা করার মতো কোনো আন্তর্জাতিক আইন নেই—ভারতীয় হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তীর এ মন্তব্য সঠিক নয় বলে মনে করেন নদী আইন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, জাতিসংঘ কনভেনশন অনুযায়ী এ বাঁধ নির্মাণ করতে পারে না ভারত। সোমবার পানি নিরাপত্তা বিষয়ে এক সেমিনারে নদী ও পানি বিশেষজ্ঞরা বলেন, দু’দেশের ক্ষতি হয় এমন একটি বাঁধ নির্মাণে মুষ্টিমেয় উচ্চবিত্তরা লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ মানুষ।

সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ আয়োজিত এ সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা বলেন, টিপাইমুখ ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশকে আইন ও যুক্তি মেনেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

খাদ্য নিরাপত্তা আর জীবন জীবিকার ঝুঁকি হ্রাসে পানি সম্পদের সঠিক সংরক্ষণ, বন্টন আর ব্যবহারের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় সেমিনারে।

পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যের প্রতিবাদ করে বলেন, “ভারতীয় রাষ্ট্রদূত যে বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কোন চুক্তির অস্তিত্ব উনি মনে করতে পারেননি—এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। এবং উনি এটা কেন বলেছেন আমি বুঝতে অক্ষম। কারণ, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে যে Ganges Water Treaty 1996 রয়েছে তার ৯ নং অনুচ্ছেদে বলা আছে, অন্যান্য যৌথ নদীর পানি ভাগাভাগির ক্ষেত্রে দুটি দেশ ন্যায়পরায়নতা, সমবন্টন এবং কারো ক্ষতি নয়—এই নীতিমালার ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদন করবে। এখন ভারত যদি একা একাই একটা প্রজেক্ট করে ফেলে এবং নিজেই যদি ভাগাভাগি করে ফেলে তাহলে তো এই চুক্তির লঙ্ঘন হয়।”

টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ হলে এ অঞ্চল যে ভয়াবহতার মুখোমুখি হবে তার চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে আর এক পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. আতিক রহমান বলেন, “পানি কমে গেলে আমাদের খাদ্য নিরাপত্তায় দুই ধরনের প্রভাব পড়বে। প্রথমত পানির অভাবে ধান চাষে ভয়াবহ সমস্যা হবে, অন্যদিকে এ অঞ্চলের মাছ আরও বিলুপ্ত হয়ে যাবে।”

সেমিনারে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ হলে বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষ ও পরিবেশের ওপর কি ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে তা যাচাই করতে দুই দেশের বিশেষজ্ঞদের গবেষণার সুযোগ দেয়ার দাবি জানান বক্তারা।

এ বাঁধ নির্মাণ হলে ভারতের মনিপুর ও বাংলাদেশ কি পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে ও সামগ্রিকভাবে দুই দেশের লাভই বা কি হবে তা যাচাইযের জন্য যথেষ্ট তথ্য প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।

এ প্রসঙ্গে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “এ বাঁধের ফলে উভয় দেশের জন্য কি বেনেফিট বয়ে আনবে এটা আমাদের জানতে হবে। পাশাপাশি এটাও জানতে হবে এর ফলে যদি বাংলাদেশের কোন ক্ষতি হয় তার জন্য ভারত কি ক্ষতিপূরণ দেবে।”

তথ্যসূত্র এখানে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28977745 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28977745 2009-07-13 17:48:56
তথাকথিত সভ্য সমাজে মুসলিম বিদ্বেষের নির্মম বলি মারওয়া আল-শেরবিনি।

সম্প্রতি জার্মানির ড্রেসডেন শহরের একটি আদালতে সাক্ষ্য দিতে এসে, এক বিদেশি-বিদ্বেষীর হাতে নিহত হন ৩২ বছর বয়স্ক এক মিশরীয় যুবতী শেরবিনি। মৃত্যুর সময় তিনি ৩ মাসের অন্ত:সত্বা ছিলেন এবং রেখে গেলেন ৩ বছরের ছেলে মুস্তাফাকে।

১৮ বার ছুরিকাঘাতে শেরবিনিকে নৃশংসভাবে যে হত্যা করে, সে আর কেউ নয় - মামলার আসামী স্বয়ং। নাম - অ্যাক্সেল। রাশিয়ান বংশোদ্ভূত এক জার্মান নাগরিক। ছয় বছর ধরে সে জার্মানিতে আছে। আদালত কক্ষে বিচারকদের সামনেই হত্যা করে শেরবিনিকে। তবে এখানেই শেষ নয়। শেরবিনির স্বামী আলবি আলি ওকাজ স্ত্রীকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাঁকেও ৩ বার ছুরিকাঘাত করে অ্যাক্সেল। তদুপরি ঘাতক মনে করে আলবির পায়েই ভুল করে গুলিবর্ষণ করে পুলিশ।


উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের আগস্ট মাসে একটি পার্কে শেরবিনিকে হিজাব পরার কারণে ইসলামপন্থী, সন্ত্রাসী এবং বেশ্যা বলে গালি দেয় অ্যাক্সেল। শুধু তাই নয়, শেরবিনির মাথার ওড়নাও টান দিয়ে খুলে ফেলে মুসলিম বিদ্বেষী এই যুবক। এরপর, অ্যাক্সেল-এর বিরুদ্ধে উৎপীড়ন ও হয়রানির মামলা করে শিরবিনি। অপরাধ প্রমাণিত হলে, অ্যাক্সেলকে ৭৫০ ইউরো জরিমানা করে আদালত।

কিন্তু, হাল ছাড়ার পাত্র ছিলেন না অ্যাক্সেল। ড্রেসডেন শহরের একটি আদালতে আবারো আপিল করে সে৷ আর সে সূত্রেই গত বুধবার, অর্থাৎ ১লা জুলাই, আদালতে সাক্ষ্য দিতে আসেন শেরবিনি। শিকার হন এহেন অনাকাঙ্খিত হামলার। শেষ পাওযা খবর অনুযায়ী, শেরবিনির স্বামী ওকাজ গুরুতর আহত অবস্থায় এখনও হাসপাতালের ইন্টেন্সিভ কেয়ারে রয়েছেন। তাঁর ফুসফুস এবং যকৃৎ ঠিক মতো কাজ করছে না বলে জানান চিকিৎসকরা। ওকাজ ড্রেসডেনের মাক্স প্লাঙ্ক ইস্টিটিউটে গবেষণার কাজ করছিলেন।



রবিবার শিরবিনির মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয় মিশরে। তখন কায়রো বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন তাঁর পরিবারবর্গ ছাড়াও মিশরের জার্মান রাষ্ট্রদূত ব্যার্ণড এরবেল এবং অন্যান্য কূটনীতিকরা। এদিকে, শেরবিনির এই নৃশংস হত্যাকান্ডের পর ক্ষোভ এবং নিন্দার ঝড় ওঠে মিশরে এবং জার্মানি সহ বহু দেশে। মঙ্গলবার শেরবিনির দাফন অনুষ্ঠানে, হাজার হাজার মানুষের সমাবেশ প্রতিবাদ বিক্ষোভের রূপ নেয়। আলেকজান্দ্রিয়ার আল-কায়িদ ইব্রাহিম মসজিদে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় তিল ধারনের জায়গা ছিল না এদিন। সেখানে ৩ মাসের অন্ত:সত্বা শেরবিনিকে 'হিজাবের শহীদ' নামে আখ্যায়িত করা হয়। এছাড়া, মিশরের গ্রান্ড ইমাম শেইখ মোহাম্মদ সৈয়দ তানতাভী শেরবিনির হত্যাকারীর কঠোর শাস্তির দাবি জানান। একই দাবি জানিয়েছে জার্মানির মুসলিম সম্প্রদায়। জার্মান সরকার এই হামলাকে ঘৃণ্য এক কাজ বলে অভিহিত করেছে। জার্মানির মাক্স প্লাঙ্ক সংস্থাও কটোর নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এ হল বিদেশি-বিদ্বেষ প্রসূত এক ঘৃণ্য কাজ। আরব লীগের মহাসচিব আমর মুসা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, এমন একটা ঘটনা মুসলিম ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যেকার সংলাপের ব্যর্থতাকেই স্পষ্ট করে তুলে ধরেছে।

তথ্যসূত্র: ডয়চে ভেলে বাংলা সংবাদ।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28975902 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28975902 2009-07-09 21:40:47
বিশ্বের প্রথম ফুয়েল সেল ইঞ্জিন চালিত বিমান।

বিশ্বের প্রথম ফুয়েল সেল ইঞ্জিন চালিত বিমান চালু হয়েছে জার্মানিতে। মঙ্গলবার জার্মানির হামবুর্গে প্রথমবারের মত এই বিমান যাত্রী আনা নেওয়া করে। মাত্র একজন পাইলট এই বিমানটি চালাতে সক্ষম।

জার্মান এয়ারোস্পেস সেন্টার - ডিএলআর, লাংগে এ্যাভিয়েশন, বিএএসএফ ফুয়েল সেলস এবং ডেনমার্কের সেরএনার্জির যৌথ প্রচেষ্টায় সম্ভব হয়েছে এই নতুন প্রযুক্তির সমন্বয়। প্রথমবারের উড্ডয়নে বিমানটি মাত্র ১০ মিনিট আকাশে ছিল। এসময় বৈমানিক হিসেবে ছিলেন লাংগে এ্যাভিয়েশনের প্রধান ৪৬ বছর বয়সী আক্সেল লাংগে।

আন্টারেস ডিএলআর-এইচটু নামের এই বিমানটি ৭৫০ কিলোমিটার অর্থাৎ ৪৬৫ মাইল উড়তে সক্ষম। এছাড়া প্রায় পাঁচ ঘন্টা একটানা আকাশের বুকে বিচরণ করতে পারবে এই বিমান। ফুয়েল সেল চালিত ইঞ্জিন হওয়ায় কোন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত হয় না। এছাড়া অন্যান্য বিমানের ইঞ্জিন থেকে এই বিমানের ইঞ্জিন কম শব্দ করে থাকে।

জার্মান এয়ারোস্পেস সেন্টার - ডিএলআর এর ইয়োহান-ডিটরিশ ভোয়েরনার বলেন, ফুয়েল সেলের কার্যক্ষমতা আমরা এতটাই বাড়াতে সক্ষম হয়েছি যে, একজন বৈমানিক এখন এটা ব্যবহার করে একটি বিমান উড়াতে পারছেন। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে আমরা এখন এই প্রযুক্তির প্রকৃত সম্ভাবনা দেখাতে পেরেছি এবং বিশেষ করে এটাকে আকাশ পথে যোগাযোগ খাতেও কাজে লাগানো সম্ভব হয়েছে।

নতুন এই প্রযুক্তিতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে হাইড্রোজেন। এই হাইড্রোজেন বাইরের বাতাসের অক্সিজেনের সাথে তড়িৎ-রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। যার ফলে এই প্রক্রিয়াটিতে তেমন কোন দহন ঘটছেনা। এখানে উপজাত হচ্ছে শুধুমাত্র পানি। এই প্রযুক্তির অন্যতম আবিষ্কারক ডিএলআর বলছে, এই হাইড্রোজেন যদি নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদন সম্ভব হয়, তবে এই প্রক্রিয়াটিতে আদৌ কোন কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হবে না। যা হবে পুরোপুরি পরিবেশ বান্ধব।

তথ্যসূত্র: ডয়চে ভেলে বাংলা সংবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28975253 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28975253 2009-07-08 14:41:44
আজকেই শেষ দিন প্লিজ প্লিজ ভোট করুন। (রি-পোস্ট)

আজকেই শেষ দিন। আজ ০৭-জুলাই-২০০৯ রাত ১২:০০ GMT সময়ে শেষ হয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চার্য নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ভোটগ্রহণ।


বিশ্বের প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চার্য নির্বাচনের সর্বশেষ আপডেট তালিকায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত দ্বিতীয় এবং সুন্দরবন চতুর্থ স্থান থেকে আবার তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে। লেটেস্ট আপডেট: ০৫-জুলাই-২০০৯ ১২:০০ GMT অনুযায়ী বাংলাদেশর একক নমিনী কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত জি গ্রুপে দ্বিতীয় এবং বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নমিনী সুন্দরবন ই গ্রুপে চতুর্থ স্থান থেকে আবার তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে।


২০০০ সালে একটি গ্যারেজে- মাত্র ৭০০ কানাডীয় ডলার বাজেট নিয়ে এর প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছিল। এই প্রজেক্টের প্রথম কাজ ছিল নতুন সপ্তাশ্চর্য নির্বাচন, যা সফলভাবে সম্পন্ন হয়। এতে মোট ভোট পড়েছিল ১০ কোটিরও অধিক। চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হ্য় ৭ জুলাই ২০০৭ তারিখে। ঐ দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য নির্বাচন প্রক্রিয়া ঘোষণা করা হয় এবং আনুষ্ঠানিক প্রচারাভিযান শুরু হয়। এবার লক্ষ্য ঠিক করা হয় ১০০ কোটি ভোট। সারা বিশ্বের মানুষের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেই লক্ষ্যও প্রায় পূরন হয়ে গেছে। এবার ভোট দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে ইন্টারনেট, মোবাইল এস,এম,এস এবং সরাসরি ফোনকলের মাধ্যমে।

সমতল ও বরফ অঞ্চল নিয়ে গঠিত এ গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে বতসোয়ানা, নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার যৌথ নমিনী কালাহারি মরুভূমি; দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পোল্যান্ডের মাসুরিয়ান লেক ডিস্ট্রিক্ট এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে সৌদী আরবের আল-হাসা মরূদ্যান।

দ্বীপ নিয়ে গঠিত বি গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে ইকুয়েডরের গ্যালাপাগোস, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কোস্টারিকার কোকোস দ্বীপ এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিলের ফার্নান্দো ডি নোরোনহা।

পর্বত ও আগ্নেয়গিরি নিয়ে গঠিত সি গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে চীনা তাইপের উ শান, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গ্রিসের মাউন্ট অলিম্পাস এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইতালীর ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরি।

গুহা, পাথুরে এলাকা ও উপত্যকা নিয়ে গঠিত ডি গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে সার্বিয়ার দাভোজা ভ্যারোস, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকা গিরিখাত এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে মেক্সিকোর সুমিদারো ক্যনিয়ন। বুলগেরিয়ার বেলগ্র্যাদচিক রকস চতুর্থ স্থানে নেমে গিয়েছে।

বন, জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্য নিয়ে গঠিত ই গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে বলিভিয়া, ব্রাজিল, কলাম্বিয়া, ইকুয়েডর, ফ্রেন্স গায়না, গায়না, পেরু, সুরিনাম ও ভেনেজুয়েলার যৌথ নমিনী আমাজন, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফিলিপাইনের পুত্রেও প্রিন্সেসা নদী এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নমিনী সুন্দরবন। পুয়েরতো রিকোর এল ইয়ন্কি জাতীয় উদ্যান চতুর্থ স্থানে নেমে গিয়েছে।


হ্রদ, নদী ও ঝরনা নিয়ে গঠিত এফ গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে বলিভিয়া ও পেরুর যৌথ নমিনী লেক টিটিকাকা, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ নমিনী নায়াগ্রা ফলস এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের যৌথ নমিনী ইগুয়াজু ফলস।


সমুদ্র নিয়ে গঠিত জি গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে ভিয়েতনামের হা লং বে, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও পাপুয়া নিউ গিনির গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নমিনী পদ্মা (গঙ্গা) সংশ্লিষ্ট এফ গ্রুপে ১৬তম স্থানে অবস্থান করছে।

বর্তমানে ইন্টারনেট ভোটিং প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় পর্ব চলছে। এই পর্বে ২৬১টি কোয়ালিফাইড জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নমিনির মধ্য থেকে ৭৭টি নমিনী নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে। আয়োজকদের নিয়ম অনুযায়ি, প্রথম পর্বে যারা ভোট দিয়েছেন তারা দ্বিতীয় পর্বেও ভোট দিতে পারবেন। আগে যারা ভোট দেননি তারাও ভোট দিতে পারবেন। একটি ই-মেইল ঠিকানা ব্যাবহার করে একটি মাত্র ভোট দেয়া যায়। এক জনের যতটি ই-মেইল ঠিকানা রয়েছে তিনি ততবার ভোট দিতে পারবেন। নতুন করে ই-মেইল ঠিকানা খুলে বা চালু করেও ভোট দেয়া যাবে। দ্বিতীয় পর্বের ভোটিং শেষ হচ্ছে আজ ৭ই জুলাই ২০০৯ ইং।

আশাজাগানিয়া কথা এই যে, নতুন সপ্তাশ্চর্য ঘোষণা করার পর বিশ্বের ঐ স্থানগুলোতে পর্যটনশিল্পের প্রসার ঘটেছে কোন কোন ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত। তাই জাতীয় স্বার্থে আপনি দ্রুত ভোট দিন এবং অন্যদের ভোট দিতে উৎসাহিত করুন। সম্ভব হলে এখনই আপনার বন্ধু, স্বজনদের ই-মেইল করুন ভোট করার জন্য।

নিচের লিংকে ক্লিক করে ভোট করুন-

new7wonders ভোটিং লিংক

আপনি নিচের নমিনী সিলেক্টেড লিংকে (কৃতজ্ঞতা ব্লগার ইনজাম ভাই) ক্লিক করেও ভোট দিতে পারেন-

নমিনী সিলেক্টেড লিংক

নতুন ই-মেইল এড্রেস ওপেন করতে হলে এই লিংকে (কৃতজ্ঞতা ব্লগার আজম ভাই) ক্লিক করুন। প্রতি ১০ মিনিটে একটি করে ই-মেইল এড্রেস ওপেন করুন আর নমিনী সিলেক্টেড লিংকে গিয়ে ডাইরেক্ট ভোট করুন প্লিজ।

আপনি চাইলে ফোনকল করেও ভোট করতে পারেন। ফোনে ভোট করতে +৪১৭৭৩১২৪০৪১ নম্বরে ডায়াল করুন এবং সুন্দরবন ও কক্সবাজারের কোড বলুন। সুন্দরবনের কোড ৫৫১ এবং কক্সবাজারের ৭০৮।

আপনাদের ভোটের কারণে সুন্দরবন তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে। বেশি বেশি ভোট করলে কক্সবাজার প্রথম স্থানে চলে আসতে পারে।

পরিশেষে সবাইকে আবারো বলছি প্লিজ প্লিজ ভোট করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28974748 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28974748 2009-07-07 13:24:19
সুন্দরবন চতুর্থ স্থান থেকে আবার তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে।
আর মাত্র ১ দিন বাকি। আগামি ৭ জুলাই ২০০৯ তারিখে শেষ হয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চার্য নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ভোটগ্রহণ।


বিশ্বের প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চার্য নির্বাচনের সর্বশেষ আপডেট তালিকায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত দ্বিতীয় এবং সুন্দরবন চতুর্থ স্থান থেকে আবার তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে। লেটেস্ট আপডেট: ০৫-জুলাই-২০০৯ ১২:০০ GMT অনুযায়ী বাংলাদেশর একক নমিনী কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত জি গ্রুপে দ্বিতীয় এবং বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নমিনী সুন্দরবন ই গ্রুপে চতুর্থ স্থান থেকে আবার তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে।


২০০০ সালে একটি গ্যারেজে- মাত্র ৭০০ কানাডীয় ডলার বাজেট নিয়ে এর প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছিল। এই প্রজেক্টের প্রথম কাজ ছিল নতুন সপ্তাশ্চর্য নির্বাচন, যা সফলভাবে সম্পন্ন হয়। এতে মোট ভোট পড়েছিল ১০ কোটিরও অধিক। চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হ্য় ৭ জুলাই ২০০৭ তারিখে। ঐ দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য নির্বাচন প্রক্রিয়া ঘোষণা করা হয় এবং আনুষ্ঠানিক প্রচারাভিযান শুরু হয়। এবার লক্ষ্য ঠিক করা হয় ১০০ কোটি ভোট। সারা বিশ্বের মানুষের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেই লক্ষ্যও প্রায় পূরন হয়ে গেছে। এবার ভোট দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে ইন্টারনেট, মোবাইল এস,এম,এস এবং সরাসরি ফোনকলের মাধ্যমে।

সমতল ও বরফ অঞ্চল নিয়ে গঠিত এ গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে বতসোয়ানা, নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার যৌথ নমিনী কালাহারি মরুভূমি; দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পোল্যান্ডের মাসুরিয়ান লেক ডিস্ট্রিক্ট এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে সৌদী আরবের আল-হাসা মরূদ্যান।

দ্বীপ নিয়ে গঠিত বি গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে ইকুয়েডরের গ্যালাপাগোস, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কোস্টারিকার কোকোস দ্বীপ এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিলের ফার্নান্দো ডি নোরোনহা।

পর্বত ও আগ্নেয়গিরি নিয়ে গঠিত সি গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে চীনা তাইপের উ শান, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গ্রিসের মাউন্ট অলিম্পাস এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইতালীর ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরি।

গুহা, পাথুরে এলাকা ও উপত্যকা নিয়ে গঠিত ডি গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে সার্বিয়ার দাভোজা ভ্যারোস, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকা গিরিখাত এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে মেক্সিকোর সুমিদারো ক্যনিয়ন। বুলগেরিয়ার বেলগ্র্যাদচিক রকস চতুর্থ স্থানে নেমে গিয়েছে।

বন, জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্য নিয়ে গঠিত ই গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে বলিভিয়া, ব্রাজিল, কলাম্বিয়া, ইকুয়েডর, ফ্রেন্স গায়না, গায়না, পেরু, সুরিনাম ও ভেনেজুয়েলার যৌথ নমিনী আমাজন, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফিলিপাইনের পুত্রেও প্রিন্সেসা নদী এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নমিনী সুন্দরবন। পুয়েরতো রিকোর এল ইয়ন্কি জাতীয় উদ্যান চতুর্থ স্থানে নেমে গিয়েছে।


হ্রদ, নদী ও ঝরনা নিয়ে গঠিত এফ গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে বলিভিয়া ও পেরুর যৌথ নমিনী লেক টিটিকাকা, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ নমিনী নায়াগ্রা ফলস এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের যৌথ নমিনী ইগুয়াজু ফলস।


সমুদ্র নিয়ে গঠিত জি গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে ভিয়েতনামের হা লং বে, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও পাপুয়া নিউ গিনির গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নমিনী পদ্মা (গঙ্গা) সংশ্লিষ্ট এফ গ্রুপে ১৬তম স্থানে অবস্থান করছে।

বর্তমানে ইন্টারনেট ভোটিং প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় পর্ব চলছে। এই পর্বে ২৬১টি কোয়ালিফাইড জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নমিনির মধ্য থেকে ৭৭টি নমিনী নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে। আয়োজকদের নিয়ম অনুযায়ি, প্রথম পর্বে যারা ভোট দিয়েছেন তারা দ্বিতীয় পর্বেও ভোট দিতে পারবেন। আগে যারা ভোট দেননি তারাও ভোট দিতে পারবেন। একটি ই-মেইল ঠিকানা ব্যাবহার করে একটি মাত্র ভোট দেয়া যায়। এক জনের যতটি ই-মেইল ঠিকানা রয়েছে তিনি ততবার ভোট দিতে পারবেন। নতুন করে ই-মেইল ঠিকানা খুলে বা চালু করেও ভোট দেয়া যাবে। দ্বিতীয় পর্বের ভোটিং শেষ হবে আসছে ৭ জুলাই।

আশাজাগানিয়া কথা এই যে, নতুন সপ্তাশ্চর্য ঘোষণা করার পর বিশ্বের ঐ স্থানগুলোতে পর্যটনশিল্পের প্রসার ঘটেছে কোন কোন ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত। তাই জাতীয় স্বার্থে আপনি দ্রুত ভোট দিন এবং অন্যদের ভোট দিতে উৎসাহিত করুন। সম্ভব হলে এখনই আপনার বন্ধু, স্বজনদের ই-মেইল করুন ভোট করার জন্য।

নিচের লিংকে ক্লিক করে ভোট করুন-

new7wonders ভোটিং লিংক

আপনি নিচের নমিনী সিলেক্টেড লিংকে (কৃতজ্ঞতা ব্লগার ইনজাম ভাই) ক্লিক করেও ভোট দিতে পারেন-

নমিনী সিলেক্টেড লিংক

নতুন ই-মেইল এড্রেস ওপেন করতে হলে এই লিংকে (কৃতজ্ঞতা ব্লগার আজম ভাই) ক্লিক করুন। প্রতি ১০ মিনিটে একটি করে ই-মেইল এড্রেস ওপেন করুন আর নমিনী সিলেক্টেড লিংকে গিয়ে ডাইরেক্ট ভোট করুন প্লিজ।

আপনি চাইলে ফোনকল করেও ভোট করতে পারেন। ফোনে ভোট করতে +৪১৭৭৩১২৪০৪১ নম্বরে ডায়াল করুন এবং সুন্দরবন ও কক্সবাজারের কোড বলুন। সুন্দরবনের কোড ৫৫১ এবং কক্সবাজারের ৭০৮।

আপনাদের ভোটের কারণে সুন্দরবন তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে। বেশি বেশি ভোট করলে কক্সবাজার প্রথম স্থানে চলে আসতে পারে।

পরিশেষে সবাইকে আবারো বলছি প্লিজ প্লিজ ভোট করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28974208 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28974208 2009-07-06 11:35:09
মহাকাশযানে চড়েই চলে যেতে পারবেন দূরের কোনো দেশে

দূরে, অনেক দূরে কোথাও যেতে চান? কিভাবে যাবেন? অবশ্যই উড়োজাহাজে, তাই তো? কিছুদিন পর আর দূরের যাত্রায় এই উড়োজাহাজ-নির্ভরতা হয়তো থাকবে না। চাইলে তখন মহাকাশযানে চড়েই আপনি চলে যেতে পারবেন দূরের কোনো দেশে।


পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংস অপেক্ষায় আছেন। সাবেক ফর্মুলা ওয়ান ড্রাইভার নিকি লডাও দিন গুণছেন৷ দু'জনেরই স্বপ্ন মহাকাশযাত্রা। এ স্বপ্ন সত্যি হবে, কারণ, তাদের মতো আরো কিছু আগ্রহী মানুষের কাছ থেকে ৪০ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে ভার্জিন গ্যালাকটিক৷ যারা টাকা দিয়েছেন তাঁদের নিয়ে আগামী দু'বছরের মধ্যেই মহাকাশযাত্রার পরিকল্পনা করছে রিচার্ড ব্র্যানসনের ভার্জিন গ্রুপের এই অঙ্গ সংগঠন৷ ভার্জিন গ্যালাকটিকের পরিচালক উইল হোয়াইটহর্ন জানিয়েছেন, এর বাইরে ৩০০ লোক জনপ্রতি ২ লাখ ডলার করে দিয়ে মহাকাশযানে চড়ে ভ্রমণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাদের বেশির ভাগই মনে করেন, এমন ভ্রমণের আয়োজন বাণিজ্যিকভাবেও সফল হবে।

ইতিমধ্যে পরীক্ষামূলক কিছু ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে ভার্জিন গ্যালাকটিক। তারা আশা করছে, শিগগিরই বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ তাদের লাইসেন্স দিয়ে দেবে এবং তা পেয়ে গেলে সাধারণ যাত্রীদের নিয়ে দূরপথে যাত্রা শুরু করায় আর কোনো বাধা থাকবে না৷ তার মানে, তখন উড়োজাহাজের পরিবর্তে মহাকাশযানে চড়েই বেরিয়ে পড়া যাবে বিদেশ ভ্রমণে৷ যাদের আর্থিক সঙ্গতি আছে, তাদের জন্য এ এক লোভনীয় সুযোগ। উইল হোয়াইটহর্ন এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, মহাকাশযানের যাত্রীরা একরকম চোখের পলকেই পৌঁছে যাবেন গন্তব্যে৷ ব্রিটেন থেকে অস্ট্রেলিয়া যেতে লাগবে মাত্র ৩০ মিনিট, ভাবা যায়!

ভার্জিন গ্যালাকটিক মনে করছে, আগামী কুড়ি বছরের মধ্যেই অভাবনীয় এ ঘটনাটি ঘটবে৷ সে আশা নিয়ে কাজেও নেমে পড়েছে তারা৷ স্টিফেন হকিংসদের নিয়ে মহাকাশযাত্রার ভাবনাটি সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নেরই প্রথম ধাপ।

মহাকাশযানকে বেসরকারি পর্যায়ে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালনার পরিকল্পনা আরো কোনো সংস্থাও হয়তো করছে, তবে ভার্জিন গ্যালাকটিক মনে করে, আসল কাজটি তারাই আগে করে দেখাবে৷ এমন মনে করার যথেষ্ট কারণও আছে। এরই মধ্যে বড় বড় কিছু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ভার্জিন গ্যালাকটিকের অংশীদার হতে চেয়েছে৷ তা দেখে উইল হোয়াইটহর্নও আশাবাদী, বলছেন, এখন যারা মহাকাশযানে চড়াকে প্রথম বিবেচনায় রাখতে পারছেন না, মহাকাশ থেকে পৃথিবীটা দেখা যাবে তা ভাবলে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যেতে পারে৷ তাছাড়া এ পর্যন্ত মহাকাশে গিয়েছেন মাত্র ৫০০ মানুষ৷ তাঁদের প্রত্যেকের পেছনে গড়ে ৫০ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে৷ আপাতত যে মহাকাশযাত্রার কথা ভাবা হচ্ছে তাতে জনপ্রতি খরচটা তো অনেক কম হবে।

তথ্যসূত্র: ডয়চে ভেলে বাংলা সংবাদ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28974189 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28974189 2009-07-06 10:31:02
বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প বাঁচাতে প্লিজ প্লিজ ভোট করুন। (রি-পোস্ট)
আর মাত্র ২ দিন বাকি। আগামি ৭ জুলাই ২০০৯ তারিখে শেষ হয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চার্য নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ভোটগ্রহণ।


বিশ্বের প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চার্য নির্বাচনের সর্বশেষ আপডেট তালিকায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত দ্বিতীয় এবং সুন্দরবন চতুর্থ স্থানে নেমে গিয়েছে। লেটেস্ট আপডেট: ০৪-জুলাই-২০০৯ ১২:০০ GMT অনুযায়ী বাংলাদেশর একক নমিনী কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত জি গ্রুপে দ্বিতীয় এবং বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নমিনী সুন্দরবন ই গ্রুপে চতুর্থ স্থানে নেমে গিয়েছে।


২০০০ সালে একটি গ্যারেজে- মাত্র ৭০০ কানাডীয় ডলার বাজেট নিয়ে এর প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছিল। এই প্রজেক্টের প্রথম কাজ ছিল নতুন সপ্তাশ্চর্য নির্বাচন, যা সফলভাবে সম্পন্ন হয়। এতে মোট ভোট পড়েছিল ১০ কোটিরও অধিক। চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হ্য় ৭ জুলাই ২০০৭ তারিখে। ঐ দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য নির্বাচন প্রক্রিয়া ঘোষণা করা হয় এবং আনুষ্ঠানিক প্রচারাভিযান শুরু হয়। এবার লক্ষ্য ঠিক করা হয় ১০০ কোটি ভোট। সারা বিশ্বের মানুষের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণে সেই লক্ষ্যও প্রায় পূরন হয়ে গেছে। এবার ভোট দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে ইন্টারনেট, মোবাইল এস,এম,এস এবং সরাসরি ফোনকলের মাধ্যমে।

সমতল ও বরফ অঞ্চল নিয়ে গঠিত এ গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে বতসোয়ানা, নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার যৌথ নমিনী কালাহারি মরুভূমি; দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পোল্যান্ডের মাসুরিয়ান লেক ডিস্ট্রিক্ট এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে সৌদী আরবের আল-হাসা মরূদ্যান।

দ্বীপ নিয়ে গঠিত বি গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে ইকুয়েডরের গ্যালাপাগোস, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কোস্টারিকার কোকোস দ্বীপ এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিলের ফার্নান্দো ডি নোরোনহা।

পর্বত ও আগ্নেয়গিরি নিয়ে গঠিত সি গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে চীনা তাইপের উ শান, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে গ্রিসের মাউন্ট অলিম্পাস এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইতালীর ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরি।

গুহা, পাথুরে এলাকা ও উপত্যকা নিয়ে গঠিত ডি গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে সার্বিয়ার দাভোজা ভ্যারোস, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকা গিরিখাত এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে মেক্সিকোর সুমিদারো ক্যনিয়ন। বুলগেরিয়ার বেলগ্র্যাদচিক রকস চতুর্থ স্থানে নেমে গিয়েছে।

বন, জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্য নিয়ে গঠিত ই গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে বলিভিয়া, ব্রাজিল, কলাম্বিয়া, ইকুয়েডর, ফ্রেন্স গায়না, গায়না, পেরু, সুরিনাম ও ভেনেজুয়েলার যৌথ নমিনী আমাজন, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফিলিপাইনের পুত্রেও প্রিন্সেসা নদী এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে পুয়েরতো রিকোর এল ইয়ন্কি জাতীয় উদ্যান। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নমিনী সুন্দরবন চতুর্থ স্থানে নেমে গিয়েছে।


হ্রদ, নদী ও ঝরনা নিয়ে গঠিত এফ গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে বলিভিয়া ও পেরুর যৌথ নমিনী লেক টিটিকাকা, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ নমিনী নায়াগ্রা ফলস এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের যৌথ নমিনী ইগুয়াজু ফলস।


সমুদ্র নিয়ে গঠিত জি গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে ভিয়েতনামের হা লং বে, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও পাপুয়া নিউ গিনির গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নমিনী পদ্মা (গঙ্গা) সংশ্লিষ্ট এফ গ্রুপে ১৬তম স্থানে অবস্থান করছে।

বর্তমানে ইন্টারনেট ভোটিং প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় পর্ব চলছে। এই পর্বে ২৬১টি কোয়ালিফাইড জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নমিনির মধ্য থেকে ৭৭টি নমিনী নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে। আয়োজকদের নিয়ম অনুযায়ি, প্রথম পর্বে যারা ভোট দিয়েছেন তারা দ্বিতীয় পর্বেও ভোট দিতে পারবেন। আগে যারা ভোট দেননি তারাও ভোট দিতে পারবেন। একটি ই-মেইল ঠিকানা ব্যাবহার করে একটি মাত্র ভোট দেয়া যায়। এক জনের যতটি ই-মেইল ঠিকানা রয়েছে তিনি ততবার ভোট দিতে পারবেন। নতুন করে ই-মেইল ঠিকানা খুলে বা চালু করেও ভোট দেয়া যাবে। দ্বিতীয় পর্বের ভোটিং শেষ হবে আসছে ৭ জুলাই।

আশাজাগানিয়া কথা এই যে, নতুন সপ্তাশ্চর্য ঘোষণা করার পর বিশ্বের ঐ স্থানগুলোতে পর্যটনশিল্পের প্রসার ঘটেছে কোন কোন ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত। তাই জাতীয় স্বার্থে আপনি দ্রুত ভোট দিন এবং অন্যদের ভোট দিতে উৎসাহিত করুন। সম্ভব হলে এখনই আপনার বন্ধু, স্বজনদের ই-মেইল করুন ভোট করার জন্য।

নিচের লিংকে ক্লিক করে ভোট করুন-

new7wonders ভোটিং লিংক

আপনি নিচের নমিনী সিলেক্টেড লিংকে (কৃতজ্ঞতা ব্লগার ইনজাম ভাই) ক্লিক করেও ভোট দিতে পারেন-

নমিনী সিলেক্টেড লিংক

নতুন ই-মেইল এড্রেস ওপেন করতে হলে এই লিংকে (কৃতজ্ঞতা ব্লগার আজম ভাই) ক্লিক করুন। প্রতি ১০ মিনিটে একটি করে ই-মেইল এড্রেস ওপেন করুন আর নমিনী সিলেক্টেড লিংকে গিয়ে ডাইরেক্ট ভোট করুন প্লিজ।

আপনি চাইলে ফোনকল করেও ভোট করতে পারেন। ফোনে ভোট করতে +৪১৭৭৩১২৪০৪১ নম্বরে ডায়াল করুন এবং সুন্দরবন ও কক্সবাজারের কোড বলুন। সুন্দরবনের কোড ৫৫১ এবং কক্সবাজারের ৭০৮।

পরিশেষে সবাইকে আবারো বলছি প্লিজ প্লিজ ভোট করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28973781 http://www.somewhereinblog.net/blog/msayeed/28973781 2009-07-05 11:09:25