somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মস্তিষ্ক সম্পর্কে কয়েকটি চমৎকার তথ্য

০২ রা আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১) আপনার মস্তিষ্ক রঙ পছন্দ করে। রঙিন কলম ব্যবহার করুন- ভালো মানের কলম, জেল পেন নয়। কিংবা ব্যবহার করুন রঙিন কাগজ। রঙ স্মরণ রাখতে সাহায্য করে।

২) আপনার মস্তিষ্ক কার্যকরভাবে মনোযোগী হতে পারে একটানা ২৫ মিনিট। এ সময় প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। অতএব প্রতি আধা ঘন্টা পড়াশোনার পর ১০ মিনিট করে মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দিন। এ সময় উঠানে যেতে পারেন, ঘরদোর পরিষ্কার করতে পারেন।

৩) দ্রুত শিখতে ও সর্বোত্তম উপায়ে স্মরণ রাখার জন্য মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দিতে হয়। পরিশ্রান্ত হলে ২০ মিনিট বিশ্রাম নিন। নইলে পড়াশোনার সময় নষ্ট করা হবে।

৪) আপনার মস্তিষ্ক একটি মোটরের মত। এর জন্য জ্বালানী প্রয়োজন। আপনি নিশ্চয়ই ময়লা জ্বালানী দেবেন না আপনার মোটর গাড়িতে। মস্তিষ্ক তো আরো মূল্যবান। অতএব মগজকে যথাযথ খাবার দিতে হবে। জাঙ্ক ফুড, কৃত্তিম খাবার, রাসায়নিক আপনার দেহ ও মনকে দূর্বল করে দেবে। সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, আপনার খাবার আপনার আইকিউ'র ওপর প্রভাব ফেলে।

৫) আপনার মস্তিষ্ক ইলেক্ট্রো কেমিক্যাল কর্মকান্ডের এক সাগরের মত। বিদ্যুৎ ও রাসায়নিক উভয়ই পানিতে ভালোভাবে প্রবাহিত হয়। অতএব আপনাকে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। পানি আর কৃত্তিম পানীয় কিন্তু এক নয়।

৬) আপনার মস্তিষ্ক প্রশ্ন পছন্দ করে। যখন ক্লাশে প্রশ্ন করেন কিংবা একটা বই পড়েন, মস্তিষ্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে জবাব খোঁজে। এতে শেখা হয় দ্রুত।

৭) মস্তিষ্ক ও দেহের মধ্যে আছে ছন্দচক্র। দিনের মধ্যে এমন সময় আছে যখন আপনি অধিকতর সচেতন থাকেন। আপনি শেখার সময় বাঁচাতে পারবেন যদি পড়াশোনা করেন আপনার পিক পিরিয়ডে।

৮) শরীর ও দেহ যোগাযোগ রক্ষা করে অব্যাহতভাবে। পড়ার সময় বসে সামনে ঝুঁকে থাকুন, এতে মন সচেতন থাকে। ভালো মানের মানানসই চেয়ার ব্যবহার করুন।

৯) গন্ধ মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে। মস্তিষ্ককে সচল রাখতে আ্যরোমা থেরাপি ব্যবহার করুন। পিপারমেন্ট, লেমন ও সিনেমন নিয়ে পরীক্ষা চালাতে পারেন।

১০) মস্তিষ্কের প্রয়োজন অক্সিজেন। বাইরে যান, ব্যয়াম করুন।

১১) মস্তিষ্ক সুপরিসর স্থান চায়। আঁটসাঁট জায়গায় পড়তে বসবেন না।

১২) মস্তিষ্ক চায় আপনার পড়ার জায়গাটা সাজানো-গোছানো হোক। সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, সুশৃঙ্খল সাজানো-গোছানো জায়গায় বেড়ে ওঠা শিশুরা লেখাপড়ায় ভালো করে। কারণ বাইরের শৃঙ্খলা থেকে মস্তিষ্ক অভ্যন্তরীণ জ্ঞানকেও সাজাতে শেখে।

১৩) মগজের গর্তের ভেতরের কোষগুলো স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি তথ্য জমা করে। কার্টিসল তা ধ্বংস করে দেয়। পাউনের সময় কার্টসল জন্ম নেয়। অতএব মানসিক পাউন স্মৃতিতে আঘাত হানে। ব্যয়াম করে তা থেকে মুক্ত হোন।

১৪) মস্তিষ্ককে আপনি না বললে মস্তিষ্ক কিছুই জানে না। আপনি তাকে কী বলছেন? নিজের কথা নিজে শুনুন। নেতিবাচকতা থামান। এর বদলে আনুন আরো ইতিবাচক ও উৎসাহব্যঞ্জক কথা।

১৫) মস্তিষ্ক মাংশপেশির মতো। এটি সঙ্কুচিত ও প্রসারিত হতে পারে। যেকোন বয়সী মানুষের বেলায়ই তা সত্য। পেশাজীবি খেলোয়াড়রা প্রতিদিন অনুশীলন করুন।

১৬) মস্তিষ্ক রিপিটেশন চায়। কতবার আপানার মস্তিষ্ক কী দেখল তার উপর স্মৃতির দৈর্ঘ্য নির্ভর করবে।

১৭) আপনার পড়ার গতির চেয়েও বেশি গতিতে মস্তিষ্ক বুঝতে পারে। একটি আঙুল চালিয়ে পড়ুন । এতে আপনার চোখ দ্রুত পড়তে শিখবে।

১৮) মস্তিষ্কের চলাচল দরকার হয়।

১৯) মস্তিষ্ক চায় প্যাটার্ন ও কানেকশন।

২০) মস্তিষ্ক কৌতুক পছন্দ করে।

সুত্রঃ আজকের নয়া দিগন্ত



সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ১২:৩১
১০টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×