আমাকে একজন আর্মি অফিসার বলেছিল বছরখানেক আগে গার্মেন্টস শ্রমিকদের যে আন্দোলন হয়েছিল তা ছিল ভারতীয় ইন্ধন। ২৫ ফেব্রুয়ারী যে বিডিআর বিদ্রোহ দেখলাম অনেকেই বলে তা ছিল ভারতের ইন্ধন। সীমান্ত এলাকায় বিডিআর যে সাহসিকতার পরিচয় দেয় তা ধূলিস্বাত করার জন্য এবং বিডিআরকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য ভারতীয় গুপ্তচরেরা এ কাজ করেছে। আর দু:খের কথা এই যে বিডিআর ধ্বংসের বাকি কাজটা আমরাই করে দিলাম। কেউ বুঝল না বা বুঝেই করল কাজটা। এক সাহসী বীর সশস্র বাহিনীকে আমরা গার্ড বানিয়ে সীমান্তে পাঠিয়ে দিলাম। তার মনোবল আর একজন বিডিআর জওয়ানের মনোবল কি এক হবে? আবার শুনছি বর্তমান বিডিআরের কোন লোককেই আর এই বাহিনীতে রাখা হবে না। বিদ্রোহের অজুহাতে এই বাহিনীকে ধ্বংস করে দেওঢা হচ্ছে। ধরেই নিলাম কথাটার মধ্যে কিছুটা সত্যতা আছে। সম্প্রতি মে. জে. এহতেশাম নিয়ে খবরের ছড়াছড়ি। তিনি নির্দোষ এমনটি বলছি না। তবে শুনেছি তিনি রৌমারী সীমান্তে বিডিআর-বিএসএফ যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় ভারতের অধিক আগ্রহ থাকাটা স্বাভাবিক। বাংলাদেশে তো ভারতের বাজার আগেই হয়ে গেছে। সম্প্রতিই আমরা হয়ত ভারতীয় ট্রানজিট দেখতে পাব। টিপাইমুখ বাধ দেয়া নিয়ে ভারত বাংলাদেশকে সমীহ করবে বলে তো আশাই করা যায় না। ভারতের হাই কমিশনারকে অত্যন্ত চড়া গলায় কথা বলতে দেখি আবার আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে তার পক্ষে সাফাই গাইতেও দেখি। ভারতের মন্ত্রী মহোদয় নিজের দেশ মনে করে আমাদের সীমানায় এসে সাংবাদিক সম্মেলন করেন আর সরকারকে এজন্য ধন্যবাদ দেন। আর সীমান্তে তো সবসময়ই কিছু না কিছু চলছেই।
এসব কিছু দেখে ভয় লাগে। ভাবি এ কিসের আলামত। নাকি এ কেবলই আমার কল্পনাপ্রসূত। আমি রাজনীতি বা কূটনীতি কিছুই তেমন বুঝি না। এ কি স্বাভাবিক নাকি এমনি এমনি হচ্ছে নাকি ভারতের ধীরে ধীরে বাংলাদেশ গ্রাস করে নেয়ার একটি অপচেষ্টা?
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


