somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সময় এসেছে এবার উল্টো করে ভাবার . . . .
ভারতীয় চ্যানেলে একটি এড দেখেছিলাম। স্কুলের স্টুডেন্টরা সবাইকে লিফলেট দিচ্ছে। কেউ পড়ছে না। তখন একজন বুদ্ধি দিল লিফলেটটি দুমড়িয়ে দিতে। দেখা গেল তখন কাজ হচ্ছে।

আমাদের বিল্ডিংয়ের ২য় তলার বাসিন্দা প্রতিদিন আমাদের বলতেন ড্রাইভওয়ের ছাদে যেন কিছু না ফেলি। আমরা কানেই নিতাম না। একদিন তিনি কিছু ফুলের টব এনে সেখানে বসিয়ে দিলেন। তখন আপনা আপনি আমরা ময়লা ফেলা বন্ধ করে দিলাম।

একসময় একটা অংক করতাম বাজারে কোন পন্যের মূল্য ২৫% বেড়ে যাওয়ায় আমাদের তার গ্রহন কতটুকু কমাতে হবে? একবার রোযায় মরিচ/বেগুনের দাম অনেক বেড়ে গেল। আমরা অফিসে এ নিয়ে বিস্তর আলাপ করছি। আমাদের এক কলিগ বলল মরিচ/বেগুনের দাম বাড়লে এগুলো খাওয়া বন্ধ করে দিন। এগুলো তো আর খেতেই হবে এমন না।

আমাদের সময় এসেছে উল্টো করে ভাবার। দেশ আমাদের, পথ আমাদের। নিরাপত্তা তাই আমাদের। আমরা আর সরকারের দিকে ফিরে থাকব না। যা কিছু করার আমাদেরই করতে হবে। তার মানে এই না যে আমরা সরকারী দায়িত্ব কাধে তুলে নিব বা আইন হাতে তুলে নিব। আমি শুধু নিজেদের জন্য কিছু ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলছি।

পথঘাটের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা এত কথা বলি। কখনও কি ভেবেছি আমি কিভাবে রাস্তা পার হই। অথবা আমার গাড়ী রাস্তায় কিভাবে চলে? বহুবছর ধরে ইলিয়াস কাঞ্চন বলে চলছেন নিরাপদ সড়কের কথা। কতজন তা কানে তুলেছেন? এই ঈদেও হয়ত দেখা যাবে বাস এক্সিডেন্ট, নৌকাডুবি . . .. . প্রানহানি। হাইওয়েতে যেসব এক্সিডেন্ট হয় তার বেশীরভাগ কারন অবশ্যই রাস্তা বা চালকের। জীবনটা যেহেতু আমার তাই আমিও একটু চিন্তা করি। আরেকটু সচেতন হই। জিরো রিস্কে থাকার চেষ্টা করি। একটা কবিতা আছে না -
কত হাজার মরলে পরে মানবে তুমি শেষে
বড্ড বেশী মানুষ গেছে বানের জলে ভেসে।

আমাদের অবস্থাও এখন এমন। আরও কত বড় আঘাত আসলে আমরা বুঝব সমাধানের পথে আমাদের হাটতে হবে। প্রতি পরিবারের একজন করে হারালে বুঝব? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29433614 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29433614 2011-08-17 12:18:40
ভাই আমার, তোমরা ভাল থেকো . . .
আরেকটু বড় হওয়ার পর ম্যাচ খেলতাম। মাঠে এমনি গিয়ে খেললে বাসায় কোন সমষ্যা ছিল না কিন্তু ম্যাচ খেলতে গেলেই দোষ। তাই খেলতে যেতে হত লুকিয়ে লুকিয়ে। তবুও খুব বেশী দূর যেতাম না। কাছেই কোথাও হয়ত যেতাম। একবার অনেক দূরে খেলতে গিয়েছিলাম। তারপর যতবার আমি ঐ রাস্তা দিয়ে যেতাম বিষ্ময়ে-আনন্দে তাকিয়ে থাকতাম ঐ মাঠের দিকে। কখনও কখনও খেলার জন্য বাসায় রাগ দেখাতাম। তারপর এই রাগের উছিলা দিয়ে খেলতে চলে যেতাম। স্কুল থাকলে স্কুলের নাম দিয়ে যেতাম। এক ইনিংস খেলার পর টিফিনে বাসায় এসে আবার স্কুলের নাম দিয়ে গিয়ে পরের ইনিংস খেলতাম। এভাবেই আমাদের সময় কেটেছে।

মিরশরাইয়ের ছোট ছোট বাচ্চারা না জানি কে কিভাবে খেলতে গিয়েছিল। খেলার আনন্দে তারা কতই না মজা হয়ত করছিল। না জানি কত কত প্ল্যান। বাসায় গিয়ে কিভাবে সবাইকে খেলার গল্প করবে তার প্ল্যান করছিল। মাকে কিভাবে গল্প করবে বা কিভাবে খেলতে গিয়েছিল তা না বলে থাকা যায় তার কথাই হয়ত অনেকে ভাবছিল। অনেকেই হয়ত ভাবছিল ক্লাসে তারা এখন হিরো! এই ভাবনাতেই যখন তারা আবিষ্ট তখনই তাদের প্রান কেড়ে নিল। এই দোষটা কার? অন্যের দোষে এই যে কচি প্রান ঝরে গেল কে এর দায়িত্ব নিবে?

ভাই আমার, তোমাদের নিরাপদে বাড়ি ফিরতে দেয়া গেল না। তোমাদের আনন্দময় দিনগুলি কেড়ে নিলাম। সরি ভাই। তোমরা ভাল থেকো। তোমাদের হারিয়ে আজ আমরা সত্যিই শোকাহত। ভাই হারানোর বেদনায় মর্মাহত। আমরা লজ্জিত আমরা আমাদের ছোট ভাইদের জন্য, সন্তানদের জন্য একটি নিরাপদ জীবন রেখে যেতে পারছি না বলে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29412124 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29412124 2011-07-13 11:34:17
বিদায় গুরু
তবে আযম খানকে নিয়ে তেমন কোন অনুভূতি ছিল না। তার গানের অঙ্গভঙ্গি কিছুটা হাস্যকরই লাগত। আজকে বলতে খারাপ লাগছে আমি ধরেই নিয়েছিলাম তিনি একজন এডিক্টেড ব্যক্তি। পরে জাহানারা ইমামের 'একাত্তরের দিনগুলি' বইয়ে আযম খানের কথা পড়ে আমি তাকে অন্যভাবে সম্মান করা শুরু করি। তাকে নিয়ে বাংলালিংক যে এড করেছিল সেখানে বাচ্চুর বলা 'যুদ্ধের সময় তার বন্দুক বেজেছে গিটারের মত . .. . . কথাগুলো ভাল লেগেছে।

বুড়াকালে আমার সাতার শেখার দরকার হল। গেলাম স্টেডিয়ামের কাছে 'মোশার্রফ সুইমিং সেন্টারে'। সাতার কাটতে কাটতে একদিন দেখি পাশে আযম খান দাড়িয়ে আছেন। তিনি সাতার কাটতেন আবার শেখাতেনও। আমি একবার সাতার কাটতে কাটতে পুলের একটু ডিপে চলে গিয়েছিলাম। প্রায় ডুবতে বসেছিলাম যদিও সবাই আমাকে সেফ করার জন্য তৈরী ছিল। একাই কোনরকমে আবার পুলের ধারে ফিরে এলাম। আযম খান বললেন, 'একা একা যাও কেন? একা আর গভীরে যাইও না'। আমি আর একা গভীরে যাই না। গুরুর কথাটা এখনও মেনে চলি। কক্সবাজার বা সেইন্টমার্টিনে যখন সমুদ্রে নামি একা একা গভীরে যাই না। সাথে চেনা-অচেনা কেউ না কেউ থাকে।

গুরু চলে গেলেন। কাল ইনশাল্লাহ তাকে দেখতে যাব। কানে বাজছে এখন তার সেই গান - 'হারিয়ে গেছে খুজে পাব না..................... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29391856 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29391856 2011-06-05 14:47:18
মুগ্ধতার প্রতি অবিরাম নাচে
অবিরাম নাচে
তার নাচ কেবল আমায় দেখেই থামে।

সে খিলখিলিয়ে হাসে
খিলখিলিয়ে হাসে
খিলখিলিয়ে হাসে
তার হাসি কেবল আমায় দেখেই থামে।

সে অনবরত ডাকে
অনবরত ডাকে
অনবরত ডাকে
আমি কাছে গেলেই সে ছুটে পালায়।

সে ডানা মেলে উড়ে বেড়ায়
ডানা মেলে উড়ে বেড়ায়
ডানা মেলে উড়ে বেড়ায়
আমি উড়লেই সে দূরে চলে যায়।

সে দূর্দান্ত ভালবাসে
দূর্দান্ত ভালবাসে
দূর্দান্ত ভালবাসে
আমি চাইলেই তার ভালবাসা ফুরিয়ে যায়।

আমি যেখানেই যাই শুধু দেরী হয়ে যায়
তাই শূন্য হাতে আমি ঘুরে বেড়াই।।

(ইহা কি একটি ডেইলি কবিতা সোপ?)


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29360328 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29360328 2011-04-10 16:26:06
যাত্রা . . . . . . অনন্ত অম্বরে অস্তাচলের ঐ ওপারে
যখন আমার মাঝে আমিই আমি
তখন হয়ত বুঝবে তুমি
কতটা আপন ছিলাম আমি।

তখন যেন কেদোনা তুমি
ভেবোনা আমি হারিয়ে গেছি
অস্তাচলের ঐ ওপারে
দেখছি বসে তোমায় আমি
ভাবছি বসে তোমার কথা
মনের ভিতর অনেক ব্যথা।

ভেবোনা তোমায় রেখে গেছি
একলা করে এই ভুবনে
অনন্ত অম্বরে চেয়ে দেখো
আছি আমি তোমার সাথে
আমার যত আপন আধার
সবই তখন তোমার আমার
সবই তখন রেখে যাব
তোমার জন্য.... তার জন্য


(সংবিধিবদ্ধ সতর্কিকরন : পথে হেটে হেটে কেউ মুঠোফোনের কাব্য লিখবেন না।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29353081 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29353081 2011-03-29 11:37:48
ব্লগের সাথে ব্লগের সাথে চিকনমিয়া।
ব্লগের সাথে আমাদের মন
ব্লগের সাথে মিলটন।
ব্লগের সাথে দিন কাটাই
ব্লগের সাথে রাজামশাই।
ব্লগের সাথে আমার হিয়া
ব্লগের সাথে গোপনীয়া।
ব্লগের সাথে বিড়াল নিয়া
ব্লগের সাথে শাহানা।
ব্লগের সাথে সবাই থাকি
ব্লগের সাথে জোনাকি।
ব্লগের সাথে স্বপ্নের ফানুস
ব্লগের সাথে ব্লগার মানুষ।
ব্লগের সাথে ব্লগ বহমান
ব্লগের সাথে সমকালের গান।
ব্লগের সাথে তথ্যমেলা
ব্লগের সাথে রাগিবরা ।
ব্লগের সাথে যুক্ত কর
ব্লগের সাথে ভাস্কর।
ব্লগের সাথে বৃষ্টিধারা
ব্লগের সাথে নিশীথ রাতের বাদল ধারা।
ব্লগের সাথে ভাবের আদান
ব্লগের সাথে ব্লগার নাদান।
ব্লগের সাথে কবির খাতা
ব্লগের সাথে প্রীটি সোনিয়া।
ব্লগের সাথে কুয়াশা
ব্লগের সাথে রোডয়া।
ব্লগের সাথে মেসবাহ য়াযাদ
ব্লগের সাথে সামী মিয়াদাদ।
ব্লগের সাথে মহাকবি
ব্লগের সাথে মাইকেল মেহেদী।
ব্লগের সাথে আমাদের হুশ
ব্লগের সাথে কালপুরুষ।
ব্লগের সাথে বাধা এই মন
ব্লগের সাথে শাওন।
ব্লগের সাথে নিত্য
ব্লগের সাথে প্রচেত্য।
ব্লগের সাথে মিছি মিছি
ব্লগের সাথে চিটি।
ব্লগের সাথে কত কথা
ব্লগের সাথে সাঁঝবাতি'র রুপকথা।
ব্লগের সাথে বিশ্ব চরাচর
ব্লগের সাথে নিশাচর।
ব্লগের সাথে আনন্দ পাই
ব্লগের সাথে টাকাআনাপাই।
ব্লগের সাথে পথচলা
ব্লগের সাথে প্রিয়তমা।
ব্লগের সাথে আমাদের মন
ব্লগের সাথে রাগ ইমন।
ব্লগের সাথে বিকেলবেলা
ব্লগের সাথে মুনিয়া
ব্লগের সাথে ঘুরে ঘুরে
ব্লগের সাথে ভবঘুরে
ব্লগের সাথে আমাদের মোটিভ
ব্লগের সাথে বি পজেটিভ!
ব্লগের সাথে অনেক ভাবুক
ব্লগের সাথে উধাও ভাবুক।
ব্লগের সাথে অনন্ত
ব্লগের সাথে দূরন্ত।
ব্লগের সাথে বাকা শিং
ব্লগের সাথে সিক্স স্ট্রিং।
ব্লগের সাথে কতদূর
ব্লগের সাথে দস্যু বনহুর।
ব্লগের সাথে ব্লগের আইন
ব্লগের সাথে নাইম।
ব্লগের সাথে আমরা এক
ব্লগের সাথে অদ্ভুত আঁধার এক।
ব্লগের সাথে অনেক ক্ষেদ
ব্লগের সাথে রাশেদ।
ব্লগের সাথে আমরা সকলে
ব্লগের সাথে সকলের তরে।

ব্লগের সাথে নোটিশবোর্ড
ব্লগের সাথে মডারেটর।

(হেথায় কবি নুরুল হুদার কবিতার ভাব চৌর্যবৃত্ত করা হয়েছ। শেষ ২ লাইনে কিছুটা তৈলর্মদন করা হইল।)


অন্স আপন আ টাইম যখন কাজ কাম থাকত না তখন এমন চুরি করা কাব্য লিখেছিলাম। আজ হঠাৎ পুরান পোস্টে পড়লাম। এখানে আবার পোস্ট করলাম এককালে আরও কত কত জন ব্লগে ছিল তাদের কথা মনে করে। তথাপি অনেকের নাম সেই কালেই বাদ পড়েছিল।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29350242 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29350242 2011-03-24 11:39:33
তাহারে বলা হল না
কথা বলতে বলতে গলি ছেড়ে বড় রাস্তায় চলে এল যুবকটি। আর তখন কথা ফুরলো তাদের। মেয়েটি মিষ্টি করে বলে ফোন ছেড়ে দিল। আর তখনই একটা হালকা বাতাস যুবকটিকে ছুয়ে গেল। তার মন হঠাৎ করে ভরে উঠল আরও ভালবাসায়, আরও আনন্দে। এ কিসের আনন্দ তা পুরোপুরি জানা হয় না। কারন যুবকটি নিজেকে আজও চিনে না। এই মিষ্টি বাতাস কি যেন বলে গেল তাকে।

যুবকটি মোবাইল আবারও উঠাল। রিং করল সেই নাম্বারে কিন্তু নিজেই আবার কেটে দিল। আবার রিং করেই কেটে দিল। নাহ ফোন আর করবে না। এর চেয়ে এসএমএস করাই ভাল। যুবকটি তার মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করল, 'তুমি কি জান, আমি তোমাকে অনেক অনেক ভালবাসি?' এসএমএস টি আর তার পাঠান হয় না। তার আগেই এক চরম সত্য তার সামনে চলে আসে। এই সত্যটি তার মনে এতকাল আসে নি। আসার প্রয়োজন হয়ত ছিল না। কিন্তু এই ঝিরিঝিরি বাতামের ফুরফুরে মেজাজেই যেন তার মনে সত্যটি চলে আসে।

যুবকের হাটার গতি বেড়ে যায়। রিক্সা নিয়ে বাড়ি ফিরতে হবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29328473 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29328473 2011-02-17 13:57:51
ব্লগে ব্লগে ৫ বছর . . . . . . .
এমন করেই ৫ বছর চলে গিয়েছে। এখন এই ব্লগে সবচেয়ে পুরনো আমিই চলমান। আরও ২/১ জন আছে যারা প্রায় অণ্তর্ধানের কাছাকাছি। তারা কালে ভদ্রেও না যুগে একবার এখানে সাইন ইন করেন। নিজেকে মারাত্নক রকমের বয়োবৃদ্ধ মনে হয়। মনে হয় যেন আজীবন সম্মাননা পাওয়ার কাছাকাছি চলে গিয়েছি। তাই এই নতুন ব্লগারের মাঝে একটু কমই থাকতে চাই। আড়ালে আড়ালে থেকে তাদের দেখি।

ব্লগ ভাল লাগে। আমি খুব ভাল পাঠক/লেখক না। তাই শুধু সা. ইন ব্লগেই থাকি। ব্লগটাকে খুব সুন্দর একটা প্লাটফরম মনে হয়। একসাথে এতজন, তাদের সাথে যোগাযোগ আছে আরও কতজনের। যে কোন মেসেজ খুব অল্প সময়ে সবার কাছে পৌছে দেয়া যায়। আমি এলেবেলে লিখি। কিন্তু অনেকেই সিরিয়াস কিছু লিখেন যা কেবল উচ্চমানের পত্রিকায় দেখা যায়। আবার থিসিস টাইপ লেখাও অনেকেই লিখেন। ঐতিহাসিক লেখাও কম আসে না। আর ব্লগারদের ভ্রমন ব্লগ পড়লে মনে হয় যেন তার সাথেই ঘুরছি। কৌতুক পড়লে প্রচন্ড হাসি আসে আর তা সাথে সাথে কলিগদের বলতে হয়।

ব্লগ আমার কাছে খুব প্রিয় একটা মিডিয়া। আমি যে কোন আলোচনা সমালোচনা পছন্দ করি। আমার কমেন্টের নেগেটিভ বলা মানে এই নয় যে আমার নেগেটিভ বলা। একমত না হওয়া মানে বিরুদ্ধ হওয়া নয়। আমরা অনেক সময়ই 'একমত না' কথাটা লিখার সময় কিছুটা গালি মিশিয়ে দেই। একবার ভাবি না ব্লগ বলেই এভাবে গালি দেয়া সম্ভব হচ্ছে। কারন যিনি লিখেছেন তিনি হয়ত আমার চেয়ে বয়সে বড়।

এখন খুব মিস করি যাদের সাথে একসময় চুটিয়ে লিখতাম তাদের। মেসবাহ য়াযাদ নাই, মাসুম ভাই নাই, মিলটন তো মনে হয় টাইপ করাই ভুলে গেছে। জুলবার্ন তো মনে হয় গবেষনায় অনেক ব্যস্ত তাই কম লিখছে। ক্যামেরাম্যান আড্ডা হলে মিস করে না কিন্তু ব্লগে পাওয়া কঠিন। নীল ভোমড়া আবার কবে লিখবে? রাগিবের লেখা মানেই ছিল কিছু ইনফো। কালপুরুষ, আরিয়ানা, রাতমজুর আরও কত কত ব্লগার যারা না থাকলে হয়ত এত জমত না ব্লগটা। কাকভূষন্ডিকে আমি মিস করি তবে কেন করি তা বললাম না। নতুনদের মধ্যে জুন আর মেঘের ভ্রমন ব্লগ ভাল লাগে।

যে আমাকে ব্লগ ধরায় দিয়ে আর এখানে লিখে না সেই 'সমকালের গান' কে মনে পড়ছে। সে আমার বন্ধু বলে ধন্যবাদ দিয়ে ফরমালিটি করলাম না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29298645 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29298645 2010-12-30 10:24:21
কবিতারা হারিয়ে যায় সব রঙে রাঙান ছিল আমার সকাল
তখন জীবনে সে ছিল
মনেতে প্রেম ছিল
কলমে কবিতা ছিল।

দিনগুলো কাটছিল
রাতগুলো নির্ঘুম ছিল
ফিজিক্স বইয়ে কবিতা ছিল
রসায়নে রস ছিল।

তারপর কি যে হল
জীবনে ঝড় এল
মনের কথা মনে রয়ে গেল
কিছু না শুনেই সে চলে গেল
এই জীবন তারে হারাল
কবিতারাও পাখা মেলল।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29296286 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29296286 2010-12-26 10:13:16
একটি খোজ সংবাদ
এখানে কি কেউ আছেন যারা ঢাকার কাছাকাছি কোথাও থাকেন এবং নিজেদের এবং আমাকে জমি কেনার ব্যাপারে হেল্প করতে পারেন? মেইলে জানালে খুশি হতাম:
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29292412 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29292412 2010-12-19 16:11:59
আজ 'সমকালের গান' এর জন্মদিন http://www.somewhereinblog.net/blog/didar) একজন। অন্স আপন আ টাইম সে সা. ইনে কাজ করত। আমরা একজন আরেকজনকে চিনি তাও প্রায় ১৫/১৬ বছর হয়ে গেল। মাঝে কিছুদিন বিরতি ছিল। তখন তো আর মোবাইল/ফেসবুক ছিল না।

৯৬/৯৭ এর কোন এক বছর আমি তার জন্মদিনে উইশ করি নি। আমার মনে ছিল কিন্তু ভাবছিলাম একটু পরে করব। তার হঠাৎ কি রাগ। 'কেন আমি ভুলে গেলাম' জাতীয় কাইজা। আমি বহুত বলে কয়ে তাকে থামিয়েছিলাম। তাই এবার আর ভুল করলাম না।

আমার এই বন্ধু এখন ব্যবসা করে। আমাকে প্রায়ই ক্ষেপায় আমি অন্যের গোলামী করি বলে। তারে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29290752 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29290752 2010-12-16 13:58:10
তাহাকে পাইলাম খুজে ইহাদের ভীড়ে অফিস শেষে ঘরে ফিরছি আমি একা একা
মনটা ভাল না কিছুতে
সারাদিন কথা হয় নি তাহার সাথে, তার সাথে।

ভাবতে ভাবতে গেলাম পৌছে
নিকেতনের ১নং গেইটে
সামনে কেবল শুটিং ক্লাব, পিছে নিকেতন
পায়ের নিচে আমার তখন ইটের পাটাতন।

লেকের উপরে সবুজ বন
সেখানেই হারাল আমার এই মন
দেখিলাম: ধবল বক উড়িতেছে সন্ধ্যার আকাশে
জীবনানন্দরে পাইলাম খুজে ইহাদের ভীড়ে।

সেদিন নিকেতন দিয়ে যাচ্ছিলাম। লেক থেকে হঠাৎ এক ঝাক বক বা এ জাতীয় সাদা কোন পাখি উড়ে গেল। কিছুক্ষনের জন্য আকাশটাই যেন ঢেকে গেল। হুমায়ূন আহমেদের এক বইয়ে এমন এক দৃশ্যের খুব সুন্দর একটি বর্ননা ছিল। আমি তো আর কবি/লেখক না যে সুন্দর করে তা লিখব। কিন্তু তখন থেকেই শেষ ২ লাইন মনে মনে আউড়াচ্ছিলাম। আজ তাই বমন করলাম। মাঝে মাঝেই অন্য কবিতা থেকে চৌর্যবৃত্তি করা হয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29285367 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29285367 2010-12-07 18:27:29
প্রিয় ড. ইউনূস
ড. ইউনূস কত বড় একজন ব্যক্তিত্ব তা তো নতুন করে বলার কিছু না। তিনি আমাদের দেশের জন্য কত বড় এক গর্ব তাও তো বলার কিছু না। নোবেল প্রাইজ বাংলাদেশে শুধু না, অনেক দেশের জন্যই চরম আরাধ্য। ভারতের মত বড় দেশে গত ১০০ বছরে কতজন পেয়েছে? আমরা এই প্রাপ্তিতেও নিজেদের ছোট করে ড. ইউনূসকে অপমান করি। বলি যে তিনি গ্রামীন ফোনের শেয়ারের বিনিময়ে এই প্রাইজ পেয়েছেন। গ্রামীন ফোনের ব্যবসার সাথে নোবেল কমিটির সম্পর্ক কোথায়? আর একটি টেলিফোন কোম্পানীর মূল্য কি এত বেশী? তাহলে তো এয়ারটেল/টাটার মালিকরাও নোবেল পেয়ে যেত। আর তা যদি হয়েও থাকে তা তো অন্য দেশের লোক বলবে। যেখানে সারা বিশ্বের মানুষ তাকে নিয়ে গর্ব করছে, ডেকে নিয়ে কথা শুনছে সেখানে আমরাই, এই আমাদের প্রধানমন্ত্রীই তাকে সুদখোর বলে গালি দিচ্ছি।

গ্রামীন ব্যাংকের সুদের হার খুব বেশী। এই নিয়ে ড. ইউনূসের কথা খুব স্পষ্ট। তিনি বলছেন কেউ যদি সুদ কম নিতে পারে তবে করে দেখাক। কমপিটিশন মার্কেটে অন্যরাও সুদের হার কমাতে বাধ্য হবে। ঋনের টাকা উদ্ধারে গ্রামীন ব্যাংকের কড়াকড়ি নিয়ে কথা হয়। কোন ব্যাংক ঋন ফেরত না পেলে গ্রাহককে ছেড়ে দেয়? আর গ্রামীনের ঋনের পরিমান এত অল্প হয় যে মামলা করার কথা নয়। ঋন আদায়ে কড়াকড়ি না থাকলে তা ফেরত পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। আর গ্রামীন ব্যাংক নিশ্চয়ই কারুকে জোড় করে ঋন দেয় না। (এই প‌্যারাটুকু সম্পূর্নই আমার নিজস্ব মত। গ্রামীন ব্যাংকের কার্যক্রম আমার দেখা হয় নাই।)

হানসি ক্রনিয়েকে নিয়ে যখন ভারতীয় পুলিশ বলল সে বাজীকরের সাথে কাজ করে তখন আমরা দেখেছি সে দেশের মানুষ এবং ক্রিকেট বোর্ড তাকে কতটা সাপোর্ট দিয়েছে। আমাদের গ্রামে এক মানুষ ছিলেন। তিনি একজন বড় ব্যবসায়ী হলেন কিন্তু গ্রামের মানুষ তাকে এই সম্মানটা দিলেন না। তিনি চলে গেলেন সিলেটে। দেশের তাত সেক্টরে তার অবস্থা আজ এমন যে তিনি না গেলে অনেক বাজারই জমে না। তাতীরা ভাল দাম পায় না। আজ যদি তিনি আমাদের গ্রামে থাকতেন তার কারনে আরও ১০ জন মানুষের উপকার হত। গ্রামের মানুষজন নিজেদের ভাগ্য নষ্ট করল।

আমাদের দেশের সম্মান নিয়ে অন্য একটি দেশের একটি সংস্থা রিপোর্ট করল আর আমরা তাই বিশ্বাস করে যা তা বললাম তা অবশ্যই নিজেদের জন্য দু:খজনক। ড. ইউনূস এখন দেশের সম্মান। তিনি যদি কিছু ভুলও করে থাকেন তা শুধরে নিয়ে তাকে নিষকল্ক রাখতে হবে। কারন ড. ইউনূসের সম্মান মানেই দেশের সম্মান।

এই লেখায় আমি ড. ইউনূস এর সাফাই গাইতে চাই নি। তার সে প্রয়োজনও নেই আর আমার সে যোগ্যতাও নেই। আমি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে বলতে চেয়েছি। তার জন্য আমার শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছি। আমাদের প্রিয় ড. ইউনূসের পাশে নিশ্চয়ই দেশের মানুষেরা আছেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29283359 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29283359 2010-12-04 11:22:56
থাইল্যান্ড যদি যেতে চান Click This Link) অনেক ইনফো আছে।

থাইল্যান্ডের ভিসা দেয়া হয় গুলশান স্টার সেন্টারে ভিএফএসের মাধ্যমে। প্রথমে পাসপোর্ট ছাড়া শুধুমাত্র যে কাগজপত্র জমা দিতে হয় তা হচ্ছে -
১. ভিসা অফিসারকে এড্রেস করে একটি ফরওয়ার্ডিং।
২. পাসপোর্টের ফটোকপি (৫ পাতা)
৩. ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট
৪. অফিস/ন্যাশনাল আইডি
৫. অফিস থেকে নেয়া NOC
৬. টিকেটের কপি
এই কাগজ জমা দেয়ার ৩/৪ দিন পর আবার খবর নিতে হবে এগুলো ভেরিফিকেশন হয়ে এসেছে কিনা। তারপর মূল পাসপোর্ট ফিসহ জমা দিতে হবে। আপাতত ভিসা ফি নিচ্ছে না (এম্বাসী ভাল)। এখন বিমান, জিএমজি ও থাই এয়ার শুধুমাত্র ব্যাংকক যাচ্ছে। বিমানের ভাড়া কমবেশী ২৬০০০/- এবং থাইয়ের ভাড়া ৩২০০০/-। জিএমজির ভাড়া আরও কম তবে ফ্লাইট সিডিউল নিয়ে কিছু কমপ্লেইন আছে।

যারা পাতায়া যেতে চান তারা যদি দুপুরের মধ্যে ব্যাংকক পৌছান তবে সরাসরি চলে যেতে পারেন। সুবর্নভূমি এয়ারপোর্টের বেজমেন্ট থেকে পাতায়াগামী বাস ছাড়ে যার ভাড়া ১১৩ বাথ। পাতায়া বাস থেকে নেমে পিকআপ টেম্পুতে করে বীচরোডে গেলে প্রচুর হোটেল পাওয়া যাবে। সবগুলোর মান প্রায় একই। এসটিনি গ্রুপেরই বেশকটি হোটেল আছে। আমি ছিলাম সুই (রোড) ৭ এর এসটিনি ৭ (৬৬৩৮৪১৬২৭২-৯)। ভাড়া প্রায় ১০০০-১২০০ বাথ।

ব্যাংককে এসে সুকুমভিট এলাকায় থাকা যেতে পারে। এই এলাকাতেই প্রায় সবকিছু আছে। বামরুনগ্রাদ হসপিটালও এই এলাকায়। এম্বাসেডর, গ্রেস, প্লাজা নানা আরও অনেক রকম হোটেল আছে। যাতায়াতের জন্য ট্যাক্সির উপরই নির্ভর করতে হয়। এক্ষেত্রে হাইওয়ে রুট ব্যবহার করলে কিছু খরচ বেশী হলেও ভাল। এখান থেকে এয়ারপোর্ট যেতে মাত্র ৩০ মিনিট লাগে। ভাড়া লাগে ৩০০ বাথ (টোল সহ)। ট্যাক্সি ড্রাইভারদের নিয়ে আমার কোন কমপ্লেইন নেই।

রিটার্ন কনফার্ম করার জন্য একবার বিমানের থাইল্যান্ড অফিসে ফোন করতে পারেন যদি বিমানে ভ্রমন করেন। অফিসের নম্বর ০২-২৩৫-৭৬৪৩/৪ এবং ০২-২৩৩-৩৮৯৬/৭/৮।

আমি একলা একটা বোরিং ছুটি কাটিয়েছি বলে এর বেশী আর কোন ইনফো দিতে পারছি না। আপনাদেরও বলছি একলা থাইল্যান্ড না যেতে। আর থাইল্যান্ড কামাক্ষ্যা নয় - এই কথাটা মনে রাখতে হবে।

পরে কখনও কিছু জানতে চাইলে নক করবেন। আপনার যাত্রা আনন্দময় হোক। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29280117 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29280117 2010-11-29 15:34:52
মুহিব একদা থাইল্যান্ড গিয়েছিল - ৩
সারা রাত বিরক্তির সাথে পার হয়ে পরদিন আবার চলে গেলাম ব্যাংকক। বামরুনগ্রাদ হসপিটালের কাছে এক হোটেলে উঠলাম। তখন মনটা কিছুটা হালকা হল। সন্ধ্যায় এয়ারপোর্ট গেলাম যদি রিটার্ন টিকেট কোনভাবে ম্যানেজ করা যায়। সন্ধ্যার একটু আগে গিয়ে হাজির হলাম। বিমানের সাঈদ ভাই বললেন অপেক্ষা করতে। আমি সুবর্নভূমি এয়ারপোর্টের নামাযের ঘরে গিয়ে আসর নামায পড়লাম। নামাযে দাড়ালাম তখন এক থাই বলল জামাত করতে। জামাত শেষে তার সাথে অনেক কথা হল মসজিদে বসেই। তারপর মাগরিবের নামায পড়ে আবারও চেক করতে গেলাম। কিন্তু ফল কিছুই পেলাম না। পুরো ব্যর্থ হয়ে গেলাম ঈশার নামায পড়তে। তখন বাহরাইনের এক ভদ্রলোক আবারও জামাত করতে বললেন। আমি একটা ব্যাপার খেয়াল করলাম। এয়ারপোর্টের কত কত দেশের মুসলিমরা নামায পড়ল। ২জন হলেই তারা জামাতে দাড়িয়ে যায়। এমনকি ইমামতি নিয়েও কোন কথা বলে না। জাস্ট আমার পিছনে দাড়িয়ে আকামত দেয়া শুরু করে। আমি যে ইমামতি করার অনুপযুক্ত এক বান্দা তা বলার সুযোগই পেলাম না। ফেরার পথে এয়ারপোর্ট থেকে আমার মত টিকেট না পাওয়া একজন বাংলাদেশীকে নিয়ে ফিরলাম। সে ছেলে না মেয়ে তা আর বললাম না। তাকে নিয়ে রাত কাটিয়ে পরদিন দুপুরের ফ্লাইটে দেশে ফিরলাম।

৩দিন পর ফিরেই মনে হল কতদিন পর দ্যাশে ফিরলাম!!!

(পরের পর্বে ব্যাংকক নিয়ে কিছু টিপস দেয়ার চেষ্টা করব।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29277747 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29277747 2010-11-25 16:54:30
মুহিব একদা থাইল্যান্ড গিয়েছিল - ২
২ ঘন্টা ১৫ মিনিটে পৌছে গেলাম ব্যাংককের সুবর্নভূমি এয়ারপোর্ট। পথে পার হলাম সবুজ সুন্দর পাহাড়ী মিয়ানমার। আকাশে মেঘের খেলা যা আমি কারুকে বলে বুঝাতে পারব না। কি সুন্দর আহা কি সুন্দর। এই দৃশ্য আমি একা দেখলাম! ২ ঘন্টায় ব্যাংকক চলে গেলেও ব্যাংককের ইমিগ্রেষন পার হতে আরও ১.৫ ঘন্টা লেগে গেল। একসাথে মনে হয় সারাদিনের সব ফ্লাইট চলে এসেছে। সাদা চামড়া আর লাল পাসপোর্ট দেখে ভাবলাম সবাই ব্রিটিশ। পরে আমার ভূল ভাঙল। ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, জার্মানী, চীন সব দেশ থেকেই ট্যুরিষ্ট এসেছে ব্যাংককে। আর এয়ার এশিয়ার তো মনে হয় দিনে ১০টা ফ্লাইট শুধু ব্যাংকক ছেড়েই যায়।

লাগেজ তুলে নিয়ে চলে গেলাম বেসমেন্টে যেখান থেকে বিভিন্ন দিকের বাস/ট্রেন যায়। পাতায়াগামী একটা বাসের টিকেট কেটে অপেক্ষা করলাম। এই সময়েই পরিচয় হল কোন সুন্দরী মেয়ে না, পাতায়া গামী এক কেনিয় ভদ্রলোকের সাথে। বেলা ৩টায় রওয়ানা হলাম পাতায়ার দিকে। আমার মনে হল ভলভো এই এসি বাসের ড্রাইভার স্টিয়ারিং সোজা করে বাসে স্টার্ট দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। কারন পাতায়াগামী পথে কোন ব্রেক, হর্ন, ডান-বাম কিছুই করতে হল না শুধু একবার টোল দেয়া ছাড়া। রাস্তাঘাট যে কি বানিয়ে রেখেছে রয়েল থাইল্যান্ড তা না দেখলে বিশ্বাসই হত না। আরও ২ ঘন্টায় চলে গেলাম পাতায়া। বাসস্ট্যান্ডে নেমে এক পিকআপ টেম্পুতে করে বীচ রোড চলে গেলাম। কেনীয় ভদ্রলোক যে হোটেলে উঠল আমিও আর না খুজে সেই হোটেলেই উঠে গেলাম। সুই (রোড) ৭ এর এসটিনি হোটেল। তখন সন্ধ্যা হয়ে এসেছে। একটু ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে পড়লাম। দুটি বড় রোডের সাথে কানেকটিং রোড এইটা। ১২ ফুট প্রশস্ত রাস্তার দুই দিকে দোকান/হোটেল। বেশীরভাগ দোকান বার নয়ত হোটেল। বারে স্বল্প বসনা মেয়েরা ডাকাডাকি করছে। অন্যকিছু না তার সাথে বসে ড্রিংক করার জন্য। সাথে পুলও খেলতে পারে। এই ডাক অগ্রাহ্য করা প্রায় অসম্ভবের কাছাকাছি। এছাড়া গো গো পার্টি, ডি-জে তো চলছেই। সারারাত ধরে হই হুল্লোড় চলছে। বীচেও অনেক মানুষ। পুরোটাই শুধুমাত্র যেন ট্যুরিষ্টদের জন্য। এমনকি ট্যুরিষ্ট রাস্তা পার হতে চাইলে পুলিশ এগিয়ে আসে, গাড়ী থেমে যায়। সবখানেই নারীদের হাতছানি। বিশ্বের সব বড় বড় রেষ্টুরেন্ট আর ব্যান্ডের ব্রাঞ্চ এখানে। আর সবচেয়ে ভাল যা দেখলাম তা হল প্রতিটা মোড়ে ফিক্সড রেটে ব্যাংকের মানি এক্সচেজ্ঞ বুথ। অনেক রাত পর্যন্ত রাস্তায় হাটাহাটি করলাম। এতই করলাম যে বারের লোকজন পর্যন্ত চিনে ফেলল, তারা আর ডাকল না আমাকে।

সকালে উঠে আবার সেই হাটাহাটি। এবার ক্যামেরা নিলাম। তবে ছবি তোলার কোন আগ্রহই পেলাম না। পাতায়া সিটি লেখা এক জায়গায় সব লোকজন ছুটছে। আমি বুঝলাম একটা কোন রহস্য আছে সেখানে। কিন্তু আমার আর যেতে ইচ্ছা করল না। লোকজন বীচে হাটছে, বসে রোদ পোহাচ্ছে, সাইক্লিং করছে, বোটে ঘুরছে, প‌্যারাসুট রাইডে উড়ছে। কত আনন্দর না ব্যবস্থা আছে এখানে। যে যা করতে চায়। দৃশ্য আর মজা দুটোই উপভোগ করার ব্যবস্থা থাকছে। কিন্তু আমি ১০ টায় চেক আউট করে চলে গেলাম পাতায়া বাসস্ট্যান্ডে। ব্যাংকক চলে আসব।

এই বাসস্ট্যান্ডেই পেলাম চরম এক শিক্ষা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29276326 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29276326 2010-11-23 11:36:48
মুহিব একদা থাইল্যান্ড গিয়াছিল
এই ট্যুরের বর্ননা আগামীকাল হইতে চলিত ভাষায় দেয়ার ইচ্ছা পোষন করিলাম। তবে চিত্র হয়ত থাকবে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29275793 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29275793 2010-11-22 11:32:07
অভিনন্দন বাংলাদেশ
এই যেমন বাংলাদেশ ক্রিকেট টীমকে আমার কিছু গিফট (ফুল বা এজাতীয়) পাঠাতে ইচ্ছা করছে। কিন্তু আমার এমন কোন উপায় জানা নেই যার মাধ্যমে আমি তা করতে পারি।

অভিনন্দন বাংলাদেশ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29254990 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29254990 2010-10-14 17:21:55
৪০০ তম পোস্ট উপলক্ষে কুইজ
প্রশ্ন - বাংলাদেশের সবচেয়ে উচু ভবনের নাম কি?
পুরষ্কার - ৫০ টাকা ফ্লেক্সিলোড/ব্যালেন্স ট্রান্সফার।
উত্তর - আগামীকাল ১০.১৫ টায় (যদি বেচে থাকি)।

যাদের উত্তর সঠিক হবে তাদের মধ্যে লটারী করে ১জনকে ফ্লেক্সি/ব্যালেন্স ট্রান্সফার করা হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29253688 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29253688 2010-10-12 17:46:26
জনৈক প্রফেশনাল নারীর সাথে কিছুক্ষন - ২
এক ছেলে আমাকে রুমে ঢুকিয়ে দিল। সেখানে সাদা ড্রেস পড়া সুন্দর এক মেয়ে। রুমে ঢুকেই দরজা লাগিয়ে দিল মেয়েটা। রুমের পর্দা নীল হওয়ায় পুরো ঘরে একটা নীলাভ পরিবেশ। এই মেয়েদের দেখলে শ্রদ্ধাই জাগে। মেয়েটা প্রথমেই আমাকে বলল শার্ট খুলে ফেলতে। কি কথা! আচ্ছা বলবেই তো। এরপর বলল আমাকে বেডে শুয়ে পড়তে। তারপর সে তার নরম হাত আমার পায়ে বুলালো, হাতে বুলালো। সবশেষে বুকে এসে তার হাত থামল। আমি তার পরবর্তী ধাপের জন্য অপেক্ষা করছি। এই প্রথম বলে কিছুটা টেনশন কাজ করছে। তবুও আমি মনে সাহস নিয়ে অপেক্ষা করছি। তারপর সে তার আসল কাজ শুরু করল।

সে তার কম্পিউটার ডেস্কে বসল এবং আমার ইসিজি করল।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29248909 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29248909 2010-10-03 12:42:03
জনৈক প্রফেশনাল নারীর সাথে কিছুক্ষন
এক ছেলে আমাকে রুমে ঢুকিয়ে দিল। সেখানে সাদা ড্রেস পড়া সুন্দর এক মেয়ে। রুমে ঢুকেই দরজা লাগিয়ে দিল মেয়েটা। রুমের পর্দা নীল হওয়ায় পুরো ঘরে একটা নীলাভ পরিবেশ। এই মেয়েদের দেখলে শ্রদ্ধাই জাগে। মেয়েটা প্রথমেই আমাকে বলল শার্ট খুলে ফেলতে। কি কথা! আচ্ছা বলবেই তো। এরপর বলল আমাকে বেডে শুয়ে পড়তে। তারপর সে তার নরম হাত আমার পায়ে বুলালো, হাতে বুলালো। সবশেষে বুকে এসে তার হাত থামল। আমি তার পরবর্তী ধাপের জন্য অপেক্ষা করছি। এই প্রথম বলে কিছুটা টেনশন কাজ করছে। তবুও আমি মনে সাহস নিয়ে অপেক্ষা করছি। তারপর সে তার আসল কাজ শুরু করল।

সে কাজের বর্ননা ১ ঘন্টা পরে করছি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29248853 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29248853 2010-10-03 10:15:58
তিনি আসবেন তাই হেলিকপ্টার উড়ছে ঢাকার আকাশে
তিনি আসবেন তাই
দামামা বাজছে বাতাসে
তিনি আসবেন তাই
শ্লোগানে মুখর রাজপথ
তিনি আসবেন তাই
পতাকাশোভিত রাজধানী।

তিনি আসবেন তাই
রাজপথে মানুষের সারি
তিনি আসবেন তাই
পদভারে সিক্ত পথ
তিনি আসবেন তাই
ছাত্র-জনতা-মজুর আজ রাজপথে
তিনি আসবেন তাই
গৃহিনী আজ সেজেছে নবসাজে
তিনি আসবেন তাই
ছিন্নমূল শিশুর মুখে হাসি
তিনি আসবেন তাই
বাদাম আর পানি বিক্রেতার মুখে হাসি।

তিনি আসবেন তাই
সারিবদ্ধ দাড়িয়ে ঢাকার গাড়ি
তিনি আসবেন তাই
ক্লান্ত এম্বুলেন্সের গাড়ি
তিনি আসবেন তাই
ক্লান্ত পথিক পথেই পড়ে রয়
তিনি আসবেন তাই
কত সময় আজ অসময় হয়
তিনি আসবেন তাই
কিছু জঙ্গল ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্ব লয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29247488 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29247488 2010-09-30 11:58:06
তাহাকে .....হয়ত শেষ অভিবাদন হঠাৎ করেই ভাল লাগা
হঠাৎ করেই ভালবাসা
হঠাৎ করেই কাছে যাওয়া।

হঠাৎ করেই হারিয়ে ফেলা
হঠাৎ করেই খুজে পাওয়া
হঠাৎ করেই বলে ফেলা
হঠাৎ করেই জানিয়ে দেয়া।

হঠাৎ করেই বললে সেদিন
হঠাৎ করেই ভুল
হঠাৎ করেই ছাড়াছাড়ি
হঠাৎ করেই সুদূর।

অনেক দূরে অনেক ভুলে
বসে থাক একান্তই তোমাতে
যেদিন বুঝবে আমায় এসো ফিরে
থাকব আমি তোমারও পথ চেয়ে।

(জনৈক অভিমানীকে লেখা আমার শেষ অভিবাদন। এতে যদি তার মান ভাঙে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29247091 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29247091 2010-09-29 16:49:09
প্রিয় ঢাকা
পরের কয়েকটা বছর আমার মামা ছিলেন গুলশান থানায়। সময়টা ছিল ১৯৮৬/৮৭। তখন আমরা থাকতাম সিলেটে। মামার বাসা ছিল গুলশান ১ আর গুলশানের থানার উপর বাসায়। মামার বাসায় এসে যখন বারান্দায় দাড়াতাম মনে হত টিভিতে দেখা বিদেশের কোন জায়গা। তখনও ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্ক হয়নি। তবে ওপেন একটা পার্ক ছিল। সেখানে রমনা পার্কের মতই খোলামেলা পরিবেশ আর গাছ ছিল। আমরা রিকশা নিয়ে যেকোন জায়গাতেই যেতে পারতাম। জ্যাম কিছু দেখেছি বলে মনে পড়ে না। দামী দামী গাড়ী, বিদেশী মানুষজন, ২তলা বাড়ি, লন, কুকুর হাতে বিদেশী মহিলা, চায়নীজ রেষ্টুরেন্ট সবকিছু মিলিয়েই ছিল এক আধুনিক পরিবেশ যার কিছুটা এখনও গুলশান ২ এর পিছনে ইউনাইটেড হসপিটালের এদিকে আছে। আমার তো মনে হয় গুলশানে বিশেষ করে কাচাবাজার আর শপিং সেন্টারে তখন দেশীর চেয়ে বিদেশী লোক বেশী দেখা যেত।

আরও বড় হতে হতে এই ঢাকাকে কত কতভাবে দেখলাম। আমার প্রায় শেষ প্রেম এই ঢাকাতে। মনে আছে তার জন্য ঢাকার অদেখা অনেক রাস্তা, পার্ক, ফুটপাথ, ওভার ব্রীজ, মন্যুমেন্ট, আর্মি স্কুল আমার চেনা হয়েছে। যদিও আজ তার সবকিছুই ইতিহাস।

আমার এখন একটু সুযোগ হয় ঢাকা সবচেয়ে উচু ভবন সিটি সেন্টারের উপরে উঠার। সেখান থেকে এই আধুনিক বস্তিটা দেখতে বড়ই কষ্ট লাগে। দেখেই বুঝতে পারি আমাদের সামান্য চেষ্টায় এখনও এর উন্নতি সম্ভব। উপর থেকে যখন সবুজ কিছু দেখি বুঝতে পারি ঐদিকটা হচ্ছে সরকারী স্থাপনা। কখনও কখনও মনে হত একটা চাকরী নিয়ে ঢাকার বাইরে চলে যাই। আবার ভাবি ঢাকাকে ছেড়ে যাব!

আজও আমার শৈশবে দেখা স্বপ্নময় ঢাকা স্বপ্ন দেখি।

(ব্লগার অর্ফিয়াস এর একটি পোস্ট পড়ে আমারও লেখার ইচ্ছে হল প্রিয় ঢাকাকে নিয়ে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29247018 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29247018 2010-09-29 13:57:18
তাহাদের আলাপন হালকা হালকা মিষ্টি কথা
একটু একটু ধাক্কা দিয়ে
ছোট্ট করে চাপ দিয়ে
কথা হয় শুধু দুজনে
তারা দুজনে দুই সখা।

কথা হয় না ঠোট দিয়ে
কথা হয় ধমনীতে
কথা হয় শিরায় শিরায়
কথা হয় মনে মনে।

কি কথা তাহাদের মাঝে
হয় না জানা আর কারুরই
হয় না বুঝা কান পাতলে
বুঝতে হয় হৃদয় দিয়ে।

চুপটি করে বলে কথা
ঐ দুজনে দুই সখা
তারা দুজনে এক সত্তায়
কথা চলে আপন হিয়ায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29244010 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29244010 2010-09-23 16:49:23
স্বপ্ন যাচ্ছে বাড়ী সবার
গ্রামে যাওয়া নিয়ে আমার তেমন কোন আগ্রহও ছিল না। অন্যরা যাচ্ছে বলে খুশি হতাম এই ভেবে যে কিছুদিন ঢাকায় নিরিবিলি থাকা যাবে। ট্রাফিক জ্যাম কম হবে। হালকা মেজাজে কিছুদিন থাকা যাবে।

মনের পরিবর্তন আসলো গত ঈদে যখন টিভিতে গ্রামীন ফোন আর রুপচাদা সয়াবিন তেলের এড দেয়া শুরু হল। লোকজনের বাড়ি ফেরার আনন্দ দেখে মনটা একটু ভার হল। চোখের কোনাও একটু ভিজল। মনে হল তাদের জন্য আগ্রহ করে বসে আছে কতজন। আমাদের জন্য তো আর কেউ বসে থাকে না। আমার পরিচিত অনেকেই এরই মধ্যে বাড়ি যেতে শুরু করেছে। অফিসের প্রিয় কলিগরা আজ অফিস করে রওয়ানা হচ্ছে। বন্ধুরা অনেকেই চলে গিয়েছে যার যার বাড়ী। এক বন্ধু ঈদের ছুটিতে ঢাকায় আসবে আর আরেকজন সিঙ্গাপুর ভাইয়ের বাসায় চলে গেছে ঈদ করতে। আরেকজন শ্বশুরবাড়ি ঈদ করতে গিয়েছে বলে কত হাসাহাসি। তাদের এই আনন্দে আমিও হই অংশীদার। কারন নাড়ীর টানে ঘরে ফেরার এই আনন্দ থেকে আমরা বঞ্চিত।

যারা বাড়ি যাচ্ছেন তাদের জন্য শুভকামনা থাকল। তাদের যাত্রা নিরাপদ হোক। প্রতিদিন এত এক্সিডেন্টের কথা পড়ি যে ভয়ই লাগে। সকলের যাত্রা মঙ্গল হোক। সবার ঈদ আনন্দময় হোক। সবাই যে হাসি নিয়ে বাড়ী যাচ্ছে সেই হাসি নিয়েই ফিরে আসুক। আজকের পর অফিস বন্ধ থাকায় মনে হয় না কিছুদিন আর ব্লগে আসা হবে। সবাই ভাল থাকুন।

ঈদ মোবারক। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29236927 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29236927 2010-09-08 10:21:05
ইউকে তে স্টুডেন্ট ভিসা
ব্লগের কেউ যদি মনে করেন ইউকে তে স্টুডেন্ট হিসেবে যাবেন বা আপনার পরিচিত কেউ যাবে আমাকে নক করতে পারেন বা ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29233485 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29233485 2010-09-01 13:04:32
শবে বরাত ২০১০
তবে এক কালে কিছু ভাল বন্ধু পেলাম। তাদের সাথে সারারাত পথে পথে হাটতাম আর সামনে যে মসজিদ পেতাম সেখানেই যে যেমন পারে নামায পড়তাম। আমার টার্গেট ছিল ১০ রাকাত নামায আর ৫টাকা করে দান করা। এভাবে দেখা যেত রাত শেষ হতে হতে ১০০ রাকাত নামায পড়া হয়ে যেত।

গত ৫ বছরে আর তেমন করে শবে বরাতে নামায পড়া হয় না। সেই সঙ্গটা আর পাই না। এখন শবে বরাত মানেই হল ১ দিনের ছুটি। অথচ আগে ছিল সারা রাত জেগে থাকার আনন্দ।

অল্প ২/১টা শবে বরাতের কথা মনে পড়ে। একবার ফযরের নামায পড়ে আমরা বন্ধুরা অনেক দূরের একটা সিমেন্ট ফ্যাক্টরীতে বেড়াতে গিয়েছিলাম। আমাদের গাইড বন্ধু শুধু বলে আর ১০ মিনিট। এই করে করে প্রায় ২ ঘন্টা পথ হেটেছিলাম।

আর আরেকটা শবে বরাতের কথা বলছি না। কখনই বলতে পারব না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29208560 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29208560 2010-07-27 11:31:22
প্রিয় ব্লগারকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা
এই ভদ্যলোক এক কালে সবারই জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাত। এখন আর জানানোর মত সময় হয়ত তিনি পান না। তার প্রত্যহ দেয়া ৩টা পোস্টের মধ্যে ১টা থাকত কারও জন্মদিন বিষয়ক। ভেবে দেখুন আমরা কত অভাজন জন্মদিনে এমন একটি দামী শুভেচ্ছা পেয়ে যেতাম।

আজ মিলটনের জন্মদিন। ইতিমধ্যে নিশ্চয়ই এই বন্ধুপ্রিয় মানুষটি হাজারখানেক শুভেচ্ছা পেয়ে গেছেন। গিফট প‌্যাকও হয়ত পেয়ে গেছেন। আমার এই পোস্ট পড়ারও হয়ত সময় পাবেন না এই দিনে তবুও আমার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

প্রিয় মিলটন ভাই, আপনি ভাল থাকুন। আমাদের প্রিয় হয়েই থাকুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29196876 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29196876 2010-07-11 10:45:35
চন্দ্রঘোনা - জীবন যেখানে সরল ও আনন্দময়
আমার আব্বা চাকরী করত কর্নফুলী রেয়ন মিলে। বাসা ছিল রেয়ন মিলের কাছেই কর্নফুলী নদীর পাশে। ইজ্ঞিনিয়ারস কলোনী নামেই লোকে ডাকত। নদীর পাশে টিলার উপর আমাদের বাসা, আবার বাসার পাশে আরেকটি টিলা উঠে গেছে। এই টিলার ঢাল ছিল বেশ মসৃন আর ঘাসে ঢাকা। বেশ মনে আছে এই ঢালে পাটি বিছিয়ে পিছলা খেতাম। বাসার চারদিকে গাছ পালা ভরা। এই টিলার বাসায় আমাদেরই ছিল কচুক্ষেত, আম, কলা, খেজুর, জামগাছ। আর বাসার সাথে বাগান করে ফুলগাছ লাগানো তো ছিল সবারই অভ্যাস।

কারখানার কাজ জাপানের লোকজনরা করেছিল। তাই তাদের জন্য বিশেষভাবে তৈরী বাড়িঘর, গাড়ী সব ছিল। তারা কাজ শেষে চলে যাওয়ার পর তা দেশী কর্মীরাই ব্যবহার করত। আমাদের জন্য অফিসের গাড়ী সবসময় ছিল যদিও আমার আব্বা খুব সিনিয়র কোন অফিসার ছিল না। এমনকি সিনেমা দেখতে যাওয়ার জন্যও গাড়ী পাওয়া যেত।

আমার স্কুলিং শুরু হল এই টিলার উপর বাসা থেকেই। ভর্তি হলাম কর্নফুলী শিশু বিদ্যালয়ে। দল বেধে হেটে হেটেই সবাই স্কুলে যেতাম। খুব সুন্দর ছোট্ট স্কুল ছিল। স্কুলের সাথেই বড় মাঠ। ক্লাসের শুরুতে পিটি। টিফিন পিরিয়ডে 'রেস গো' খেলা।স্কুল শেষে আবার দল বেধে বাসায় ফেরা। তখন বুঝি নাই, এখন বুঝি আফসোস করার মত এক শৈশব ছিল আমাদের। আমাদের বাসা ছিল নদীর পারে, পাহাড়ের পাশে। নিরিবিলি শান্ত পরিবেশ, পথঘাট ছিল পুরোপুরি নিরাপদ। দূর্ঘটনা বা দুষ্টলোক কিছু নিয়েই চিন্তার কিছু নেই। এলাকার সব লোকজন ছিল পরিচিত।

চন্দ্রঘোনায় ছিলাম জীবনের প্রথম ৭ বছর। এলাকা পরিচিতি আজে দেয়ার চেষ্টা করলাম। বাকি ইতিহাস কালকে বলার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ। ব্লগার জুন এর উৎসাহে লেখা শুরু করলাম। তাই ভাল লাগলে পুরো ক্রেডিট তারই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29191025 http://www.somewhereinblog.net/blog/muhibb/29191025 2010-07-03 11:47:02