somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বর্তমান মিউজিক,আমার ভাবনা

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সা রে গা মা পা ধা নি সা!
ডো রে মি ফা সো লা সি ডো।

এই তো আসলে মিউজিক,এ নিয়ে এত বাতচিত করার আদৌ কিছু আছে।আমি বলি আছে।আপনি একটা জ্যাজ গান শুনুন তো(লুইস আর্মস্ট্রং,মাইলস ডেভিস,ফ্রান্ক সিনাত্রা,বেনসন প্রভৃতি),তারপর আপনি ভারতীয়(যদিও ভারতীয় বেশিরভাগ রাগই পারস্য ও তুর্কী প্রভাবিত) রাগ শিবরন্জন ভালোভাবে শুনুন,এবার বলুন তো আপনার কি সংগীতের ধরন সম্পুর্ণ আলাদা মনে হচ্ছে কি না?মনে তো হবেই।

অথচ সবই কিন্তু সেই সরগমপধনস কেই ঘিরে।তাহলে কেন বিভিন্ন সংগীতে বিভিন্ন স্বাদ?

এর কারন আসলে যেখানে একটি নির্দিষ্ট সংগীতের উতপত্তি,সেখানকার মানুষের জীবনরীতি,জলবায়ু,পরিবেশের উপর নির্ভর করে থাকে।একারণেই আসলে বিভিন্ন মিউজিকের স্বর ব্যবহার,প্রয়োগ বিভিন্নরকম হয়ে থাকে।

যাহোক আজকের পর্বে আমি শুধু ইস্ট ও ওয়েস্টার্ণ মিউজিকের প্রবণতা নিয়ে সংক্ষেপে লিখবো।

ভারতীয় সংগীতও যথারীতি একটি মেলোডী বা সুরকে ঘিরে আবর্তিত হয়।অর্থাত সুরটি যে রাগেই বাজুক তাতে আসলে অনুভুতির ব্যপ্তি বেশী প্রকাশ পেয়েছে,ভারতীয় মিউজিকে অক্টেভ ও হারমনির সুনিপুন ব্যবহার উপেক্ষিত হয়েছে।এখানে সংগীতচর্চার মূলে ছিলো একটি ঠাটের আরোহন,অবরোহনে নিহিত।উত্তর ভারতীয় ও দক্ষিন ভারতীয় ভাগে এখানকার ধ্রুপদ সংগীত চর্চা অনেক ঘরানাভিত্তিক এবং সীমিত গুরু শিষ্যে সীমাবদ্ধ।

আবার আবার ক্লাসিক ওয়েস্টার্ণ(ইটালী,জার্মান,ভিয়েনা প্রভৃতি) মিউজিকে অন্য চিত্র দেখা যায়।সেখানে যন্ত্রসংগীত বা চার্চের প্রার্থণাসংগীতে একই মেলডীকে ঘিরে অনেক হারমনি,স্কেল বা স্বরসপ্তকের ব্যপক প্রয়োগ দেখা যায়।যা ভারতীয় মিউজিকে চিরকাল উপেক্ষিত ছিলো।

পাঠকের মনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন জেগেছে যে এই হারমনি বিষয়টা কি?

কোনো সুরকে যদি সা,গা এবং পা থেকে একই আরোহন ও অবরোহন ব্যবহার করে একই সময়ে গাওয়া বা বাজানো হয়,তবে এই তিনটি স্বর একে অপরকে হারমোনাইজ করবে।

(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩০
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×