রাত্রির শিশিরটুকু ধানপত্র থেকে শুকিয়ে গেলে,রোদের অভিপ্রায়ে,
আমার ঘুমটুকু তেমনি শুকিয়ে গেলে রোদের বিছানায়।
কে যেন আমাকে তীর ভেবে ছুড়ে দিলো দৃশ্যের লক্ষ্যবিন্দুতে
রোদে কালো হয়ে যাওয়া আংশিক পাপ হবে ভেবে
গাছের শেকড়ে তাই জেগে থাকি, রাত্রিতে ভীষণভাবে জেগে থাকি,
গভীর রাত্রিতে সকালকে জাগাই
সকাল-
দূরের গাছগুলোর সবুজ খামে কোন চিঠি, কোন গ্রাম আঁকা আছে কে জানে?
আমার ছায়ায় শিশির, ছায়া ভেসে আছে জলে
জলছায়া,তুমি কোথাকার শরীর ছিড়ে নাও?
তোমাতে প্রজাপতিরা ডানা নামিয়ে অদ্ভুত দূরত্ব সৃষ্টি করেছে?
আমি আমার কাছ থেকে দূরে বসে থাকি,ছায়ার মতো দুরত্বে...
ফুলের কিরণ আমি চোখে ঘষি তবু বুঝতে পারি
আমার প্রিয় গানগুলো অন্যসুরে, অন্যভাবে গাইছে কেউ,
এই পোড়ো জমিতে সেই মৃত বাতাস এখনও আসছে ভেসে...
ফসলের ক্ষেতের উর্দ্ধে, নভোমুখে, সাতফুট দূরত্বে বিদ্যুতের তারে বসে ছিলো
নির্বোধ শালিক পক্ষিরা,বেজোড় সংখ্যক ফিরে যাচ্ছো তুমি!
আজই এইসব দৃশ্য ছেড়ে, নগর বন্দনায়
পরিবারের সকাশে মুহুর্মুহু গাইছো সামাজিক গান
অসামাজিক আমি মুখে বিদঘুটে গন্ধ, বিষের গন্ধে ঘিরে থাকে।
সাতপাক ঘিরে থাকে আমাকে,সাত সমুদ্র পার হতে পারিনা।
(অনেক আগের কালনেত্রের কোনো এক সংখ্যায় প্রকাশিত)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



