আশ্চর্য!
একটি সরব আড্ডাখানার খুব কাছাকাছি এসেও নীরবে চলে গেলে!
তোমার পোকায় ধরা দাঁত দিয়ে সাবঅলটার্ণ আঙুল-হতে শুষে নিলে লাল বিপ্লব!
তোমার নাম আমি কনিস্ঠ প্রতিভা রাখতে চেয়েছি।
যে তুমি দেয়াল থেকে আনমনে খুঁটে ছিড়ে ফেলো সবুজ শ্যাওলা
যার কাছে গুন্জন মানে দাবীর প্রকাশ!
এখনও সেইসব আধুনিক চিন্তাকাঠামোতে আশ্রয় খুঁজে পাও চড়ুই পাখীর মতোন!
যা কিনা প্রকৃতির কল্পিত সাম্যাবস্থা নির্ভর,
সেইসব ধূসর মানচিত্র
কিভাবে যেন চলে এলো মানবজীবনে...
অথচ সকল সাম্যের খুব কাছাকাছি এসেও,আপাত জৈবিকতায়
অথবা প্রগাঢ় ঘনিস্ঠতায়...একজনই কেবল প্রত্যক্ষ ভূমিকায়!
তুমিও মেনে নিয়েছিলে তা!এমত সীমাবদ্ধতার পরও আমি আমার
ভূমিকায় নিস্ক্রিয় আছি দেখে দেখে তুমি কেন পাপবোধ কর?
ইদানীং আমি আর কোনো মেনিফেস্টো পড়ে দেখি না,
অজস্র মেনিফেস্টোর ঘুড়িরা ধারালো মান্জায়
সুসজ্জিত হয়ে
করছে কাটাকাটি...অজস্র চীৎকার...ভোকাট্টা...ভোকাট্টা..
শোনা যায় অবিকল দাবীর মতো করে।
প্রগতির অতি বিচ্ছিন্ন সুরে গভীরভাবে কান পাতলে শুনতে পাবে ইউথানাশিয়া ডাকছে।
ডাকছে তোমাকে...
না,তুমি শুনতে পাবে না,
কারণ ইদানীং আমি আর কান পেতে পেতে দাবীর শব্দ শুনি না।
তবুও তোমাকে আমার দরকার,
আমার কৃপাহত্যার সহযোগী হিসেবে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

