আমার প্রিয় পোস্ট

ইউথানাশিয়া

০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৫

শেয়ারঃ
0 0 0

আশ্চর্য!
একটি সরব আড্ডাখানার খুব কাছাকাছি এসেও নীরবে চলে গেলে!
তোমার পোকায় ধরা দাঁত দিয়ে সাবঅলটার্ণ আঙুল-হতে শুষে নিলে লাল বিপ্লব!
তোমার নাম আমি কনিস্ঠ প্রতিভা রাখতে চেয়েছি।
যে তুমি দেয়াল থেকে আনমনে খুঁটে ছিড়ে ফেলো সবুজ শ্যাওলা
যার কাছে গুন্জন মানে দাবীর প্রকাশ!

এখনও সেইসব আধুনিক চিন্তাকাঠামোতে আশ্রয় খুঁজে পাও চড়ুই পাখীর মতোন!
যা কিনা প্রকৃতির কল্পিত সাম্যাবস্থা নির্ভর,
সেইসব ধূসর মানচিত্র
কিভাবে যেন চলে এলো মানবজীবনে...

অথচ সকল সাম্যের খুব কাছাকাছি এসেও,আপাত জৈবিকতায়
অথবা প্রগাঢ় ঘনিস্ঠতায়...একজনই কেবল প্রত্যক্ষ ভূমিকায়!
তুমিও মেনে নিয়েছিলে তা!এমত সীমাবদ্ধতার পরও আমি আমার
ভূমিকায় নিস্ক্রিয় আছি দেখে দেখে তুমি কেন পাপবোধ কর?

ইদানীং আমি আর কোনো মেনিফেস্টো পড়ে দেখি না,
অজস্র মেনিফেস্টোর ঘুড়িরা ধারালো মান্জায়
সুসজ্জিত হয়ে
করছে কাটাকাটি...অজস্র চীৎকার...ভোকাট্টা...ভোকাট্টা..
শোনা যায় অবিকল দাবীর মতো করে।
প্রগতির অতি বিচ্ছিন্ন সুরে গভীরভাবে কান পাতলে শুনতে পাবে ইউথানাশিয়া ডাকছে।
ডাকছে তোমাকে...
না,তুমি শুনতে পাবে না,
কারণ ইদানীং আমি আর কান পেতে পেতে দাবীর শব্দ শুনি না।

তবুও তোমাকে আমার দরকার,
আমার কৃপাহত্যার সহযোগী হিসেবে

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৬
নৃপ অনুপ বলেছেন: মহাত্মন,

কাব্যের শক্তি প্রকাশ পায় তার শক্তিশালী আর্ত চিৎকারের মাধ্যমে। তারপর কবিতাটি পূর্ণাঙ্গতা পায় হয়তো তার কন্ঠস্বরের মাধ্যমে। দেন যে বিষয়টি তা যেন কবির খুশি...

কবি, দরকার ছিল কবিতাটির...
সাবাস!!!

মঙ্গলার্থে...
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনুপ।

২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৭
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার কবিতা পড়লাম।

ভিন্ন স্বাদ পেলাম।
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আশরাফ।

ভালো থাকুন।

৩. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২০
অভিজিৎ বলেছেন: প্রগতির অতি বিচ্ছিন্ন সুরে গভীরভাবে কান পাতলে শুনতে পাবে ইউথানাশিয়া ডাকছে

হ্যা মুয়ীয,সেই ইউথানাশিয়ার ডাকে প্রগতির ধারক বাহক বা কৃপাহত্যার নামে গণহত্যাকারী হন্তারকদের প্রতি কৃপা-ই হয়।আর কিছু নয়। :(

ভালো লাগলো।
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: হ্যা,অভিজিৎ এই বোধোত্তীর্ণ অবস্থায় চলে গেলে সমাজ তাকে আর গ্রহন করে না,সে মুহুর্তে আমাদের কৃপাহত্যার অপেক্ষা ছাড়া আর কিছুই থাকে না করার।যেখানে সমাজ নিজেই হন্তারক এবং কৃপাকারীনি।

৪. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২২
মনির হাসান বলেছেন: দারুন ভালো ...

তবে ইউতানাসিয়া স্বেচ্ছামৃত্যু না কৃপাহত্যা .. যদি মৃত্যু কাম্য'ই হবে তবে সহযোগী ক্যানো হত্যাকারী হবে ...

যাই হোক "মিলিয়ন ডলার ব্যেবী" দেখেছেন ... ?
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: ইউথানাশিয়া একটি বিতর্কিত বিষয়।ণৈটিকভাবে এটা গ্রহনযোগ্য কিনা তা আজও সুরাহা হয় নি বলে কৃপাহত্যা এখনও সব জায়গায় বৈধ হয় নি।

কৃপাহত্যা বা ইউতানাশিয়া কিন্তু সুইসাইড বা সেচ্ছামৃত্যুর সমান নয়।

অস্ট্রেলিয়ান নীতিবিদ্যা বিশারদ বা দার্শনিক পিটার সিংগার যিনি কৃপাহত্যার বৈধতার জন্য আজীবন লড়াই করে গেছেন তিনি মনে করেন:-<br />
“'Euthanasia' means, according to the dictionary, 'a gentle and easy death', but it is now used to refer to the killing of those who are incurably ill and in great pain or distress, for the sake of those killed, and in order to spare them further suffering or distress.”(Practical Ethics, 2nd edition, Cambridge, 1993, page no-175)

অর্থাৎ
"কৃপাহত্যার আভিধানিক অর্থ হচ্ছে 'একটি শান্ত ও সহজ উপায়ে মৃত্যু'।কিন্তু বর্তমানে শব্দটিকে অনিরাময়যোগ্য রোগ এবং নিদারুণ বেদনা বা যন্ত্রণায় আক্রান্ত ব্যাক্তিদের আরো কস্টভোগ থেকে নিস্কৃতি দেওয়ার উদ্দেশ্যে হত্যা করা অর্থে ব্যাবহার করা হয়।"

অর্থাৎ কৃপাহত্যা এক প্রকার হত্যা যা মৃত্যুপথযাত্রীর সম্মতিতে একপ্রকার যন্ত্রণাবিহীন মৃত্যুর নৈতিক সিদ্ধান্ত।এ ক্ষেত্রে এমন একজন থাকতে হবে যে হত্যা করার অনুমতি পেয়ে থাকে।আই মীন হত্যাকারী।

অবশ্য এ কবিতাতে আমি আমার কৃপাহত্যাকারী হিসেবে সমাজকে অনুমতি দিয়েছি।কারণ যখন সে,সমাধানও সে-ই হওয়া বান্চনীয়।

০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৯

লেখক বলেছেন: মিলিয়ন ডলার ব্যেবী" দেখি নাই।

৫. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫১
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: +++++

নামটা অনেক প্রিয় ... প্রিয় ব্যান্ড মেগাডেথের সবচেয়ে প্রিয় এ্যলবাম
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: ঠিক আমারও অনেক প্রিয় এলবাম, :)
মেগাডেথের ট্রেইন অফ কো-ইনসিডেন্স ট্রেকটা খুবই প্রিয়।
আর মার্টি ফিডম্যানের কথা কিছু বললাম না,ছাইড়া দিলাম।

কেমন আছেন?

থ্যাংকস,

ভালো থাকেন।

৬. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৫
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: ইউথানাশিয়া
বিয়টা বোঝাবেন কি..
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৬

লেখক বলেছেন: মনির হাসান কে দেয়া মন্তব্যটা দেখুন প্লীজ।

ধন্যবাদ।

৭. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৬
নাজিম উদদীন বলেছেন: কাব্যের বাইরে 'ইউথানাশিয়া' সমর্থন করেন?
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: আমি সমর্থন করি ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষন এটি পজিটিভ কাজে ব্যাবহৃত হয়।

পিটার সিংগারের বই থেকেই কয়েকটা উদাহরণ থেকে বলি ক্ষেত্রবিশেষে কেন সমর্থন করি...
"।ডেরেক হামফ্রে (Derek Humphry) Jean's way গ্রন্থে বলেন,ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুকালে তার স্ত্রী তাঁকে দ্রুত ও যন্ত্রণাবিহীনভাবে নিজ জীবন নিঃশেষিত করার ব্যাবস্থা নেয়া অনুরোধ করেছিলেন।ডেরেক কিছু ট্যাবলেট সংগ্রহ করে জ্যাঁ-কে দিয়েছিলেন এবং জ্যাঁ সেগুলো খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই মৃত্যুবরণ করেন।

ঐচ্ছিক কৃপাহত্যার উৎকৃস্ট উদাহরণ হল জর্জ জিগমানিয়াক (George Zygmaniak)|।তিনি মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন।বেঁচে থাকার সম্ভাবনা না দেখে,তার অনুরোধে তার ভাই লেস্টার তার কপালের মাঝখানে গুলি চালনা করে মৃত্যুর সহায়তা করেন।"

দুটো উদাহরণই পিটার সিংগারের প্রাকটিকাল এথিকস থেকে দিলাম।

আরেকটা মজার ঘটনা দেই "Dr Jack Kevorkian, a Michigan pathologist, went one step further when he built a 'suicide machine' to help terminally ill people commit suicide. His machine consisted of a metal pole with three different bottles attached to a tube of the kind used to provide an intravenous drip. The doctor inserts the tube in the patient's vein, but at this stage only a harmless saline solution can pass through it. The patient may then flip a switch, which will allow a coma-inducing drug to come through the tube; this is automatically followed by a lethal drug contained in the third bottle. Dr Kevorkian announced that he was pre- pared to make the machine available to any terminally ill patient who wished to use it. (Assisting suicide is not against the law in Michigan.) In June 1990, Janet Adkins, who was suffering from Alzheimer's disease, but still competent to make the decision to end her life, contacted Dr Kevorkian and told him of her wish to die, rather than go through the slow and progressive deterioration that the disease involves. Dr Kevorkian was in attendance while she made use of his machine, and then re- ported Janet Adkins's death to the police. He was subsequently charged with murder, but the judge refused to allow the charge to proceed to trial, on the grounds that Janet Adkins had caused her own death. The following year Dr Kevorkian made his device available to two other people, who used it in order to end their lives. পেজ-১৭৭-৭৮

কিন্তু দেখার বিষয় যে প্রক্রিয়া টি কতক্ষণ পর্যন্ত স্বচ্ছ থাকে।এ প্রক্রিয়া বৈধ হলে ম্যাসিভ আকারে অত্যাচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যাভার হতে পারে,হতে পারে গণহত্যা বা অনেক কিছুই।কারণ অর্থর অভাবে অভাবীরাই সাঢারণত ব্যায় বহনে অক্ষম হয়,তাই দেখা যাবে যে কৃপাহত্যা কেবল একটি বিশেষ শ্রেণীর উপর হচ্ছে।
তাই আরেক দিকে এটি সমর্থন যোগ্য নয় কারণ এতে ঝুকি অনেক।


৮. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৬
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: অজস্র মেনিফেস্টোর ঘুড়িরা ধারালো মান্জায়
সুসজ্জিত হয়ে
করছে কাটাকাটি...অজস্র চীৎকার...ভোকাট্টা...ভোকাট্টা...

এই লাইনগুলো খুব ভালো লাগলো, মুয়ীয।
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ছন্নছাড়া।

ভাল থাকেন।

৯. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৫
মাঠশালা বলেছেন:
আজো ইচ্ছামৃত্যু বা আত্মহত্যা করলে রাষ্ট্র অপমৃত্যু মামলা করে যেহেতু,

প্রগতির অতি বিচ্ছিন্ন সুরে গভীরভাবে কান পাতলে শুনতে পাবে ইউথানাশিয়া ডাকছে।

অসাধারণ একটা কবিতা।
স্যালুট।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: কি রে কি অবস্থা?

বইয়ের কাজ কদ্দুর?

ধন্যবাদ।

১০. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮
একরামুল হক শামীম বলেছেন: কবিতা ভালো লেগেছে।

কিন্তু একটা বিষয়ে আমি কনফিউজড। শব্দটা কি ইউথানাশিয়া? নাকি ইউথেনেশিয়া?
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

ভোকাবুলারি-টা আসলেই ঝামেলার= এখানে ক্লিক করুন

১১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:২৪
বিষাক্ত আলো বলেছেন: দারুণ কবিতা তো, আরেকবার পড়ছি...
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: আবারও ধন্যবাদ :)

কবিতার বই বের করছি। :)
নাম:হুইসেল বাজছে চোর পালাচ্ছে।
আগামী দশ এগারো তারিখে চলে আসবে,
লিটল ম্যাগ চত্বরে কালনেত্র স্টলে পাওয়া যাবে।

কেমন আছেন ?

 

মোট সময় লেগেছে ২.৭৮৫১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মুয়ীয মাহফুজ নামক একজন মানুষের ক্রমবিবর্তন লিখে যাই।কবিতা আমার খাদ্য।কবিতা আমাকে খায়,আমাকে দেখে পালায়।মিউজিক করি,একটা ব্যান্ড আছে।নাম মনোসরণি।গিটার বাজাই♪ ♫...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ