আমার দিনলিপি

আমার প্রিয় পোস্ট

profile image
 

মৃত্যুর দেয়াল কিংবা প্রাচীর পেরোবার কৌশল-কলা

২২ শে মে, ২০০৮ রাত ১:৪২

নতুন প্রার্থনার মতো করে পাথুরিয়া ঘাটা হতে প্রাচীরের ওপারে যতসব দৃশ্য আছে,
সেগুলার সাথে আঁতাত ঘটাবার বাসনা জাগে,
সৌরভ আসে দেয়ালের ওপাশ হতে,
একটা চিল এসে দেয়ালের ওপাশের অরণ্য হতে শিকার করা এক আধখাওয়া তিতিরের দেহ ছুড়ে মারে।
দেয়ালে বিভিন্ন লেখার মধ্যে আচানক বিদ্রোহ আর রক্তের পাঁচ আঙুল সম্বলিত ছাপ
পড়েনা চোখে,এইসব দেয়ালে চড়বার...

পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

কবি এবং তার গিটার

০৭ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:০০

(এনড্রিস সেগোভিয়া-কে,সেবাস্টিয়ান বাখ-তোমাকে,কিন্তু আমাকে নয়,রবিন ভাইকে,যে করেই হোক-ভুলবো তোমার শোক;নিলয় দাস)

প্রত্যখ্যাত হতে হতে যে পথ সৃস্টি হয় তা রহস্যময়তা নিয়ে আসে,
নিগূঢ় হারমোনির মতো করে সংগীত নয়,যন্ত্রানূসঙ্গ বাজে মাথায়।
রমণীর সরু কোমর জড়িয়ে ধরবার মতো বেদনায় ফিরে আসি,'গিটার'
তোমার কাছে সকল প্রতারণা শেষ করেই ফেরত আসি যান্ত্রিক গোলোযোগে,
কয়েকটা কর্ড আমাকে শেখায় নির্ভরতা,সমালোচনাবিহীন কিছু...

পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

জোনাক ধরার কাচের বয়াম(সমাপ্তি)

০২ রা এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:১৫

৯।
ফেরবার পথে পরিচিত সেইসব ঝোপে আর কোনো জোনাক পড়েনি চোখে,
অন্ধকারে জ্বলজ্বল করে শ্বাপদের উজ্বল চোখ,

যেইসব দেশের দুর্ভিক্ষের হাওয়া ভরে ফুলিয়েছি আমার বুক,
সেই হাওয়া ছেড়ে দেই পথিমধ্যে মৃত্যুপথযাত্রী শ্বাসকস্টে ভোগা এক বৃদ্ধের ফুসফুসে,
নিজের দেশ নিজের কাছে বিদেশ হলে এইসব চোখে পড়ে;
একটি দলছুট জোনাক অথবা একটি বালক কনডমে ফু দিয়ে আটকে......

পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি

জোনাক ধরার কাচের বয়াম

২৫ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭

৬.
A rolling stone gather's no moss

অতি পরিচিতরা অতিদুর চলে গ্যালে বুঝি জোনাক হয়ে যায়,

নিভুনিভু ফ্ল্যাশব্যাক-আমাদের স্মৃতিচারনকে
যদি কোনো শল্য চিকিৎসক ব্যবচ্ছেদ করতো
তবে সেখানে সে নিশ্চিতভাবেই প্রয়োজনবোধের সাথে সুসম্পর্কিত...

পোস্টটি ৯ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

জোনাক ধরার কাচের বয়াম

১৪ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১:০৩

সমুদ্রের কাছ থেকে তথাগত অসীম জলজ আগ্রাসন তেড়ে আসে,
লোলুপ জীভের ডগায় থুথুর মতো জ্বলজ্বল করে ফসফরাস,
কানের কাছে বাতাসের ফিসফাস বলে ওঠে,
কানের কাছে শৈশবের কৌতুহলী প্রেমিকা বলে ওঠে
জোনাক ধরো!জোনাক ধরো!
রাত্রের সাগরের জোয়ারের জলে আমি হুটোপুটি খেতে খেতে
কুয়াশার ভাঙন শেষ হলে দেখি-
ঢেউয়ের ১৩৫ ডিগ্রী কোনে লেগে আছে ভংগুর চাঁদ,যা কিনা অবিকল জোনাকস্বরুপ!...

পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

গোলক

০৬ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২৬

একটা অগ্নিকুন্ডের চারপাশে ফিসফাস হচ্ছে ক্ষুধার্তদের,
সভাপতি ঝলসে যাচ্ছেন তার পালকবিহীন দেহ নিয়ে,
সকলেই কি তার নিজস্ব অভাববোধের চুরান্ত পর্যায়ে
স্বার্থপর হয়ে যায়?হঠাৎ স্ফুলিংগের মতো ষড়যন্তর
ধরা পড়ে-দিগন্তের কাছে সীমানা ধার করে তারা,
পাথর বা জড় পদার্থের যৌনতার ধর্ম বুঝতে পেরে
তারা উৎপাদন করেছিলো পত্রঝরা আগুন,
অশালীন ছায়াগুলো যে গুহার দেয়ালে প্রেতরুপ ধারণ করেছে...

পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি


হাতের আড়ালে

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৪

সুর্যের দিকে হাতের আড়াল নিয়ে তাকিয়ে প্রবালদ্বীপ চোখে পড়ে,
আরো যা আছে তা উড়ুক্কু দৃশ্যমান কিছু পাখি আর
স্যাটেলাইটের কিছু শব্দতরংগ এসে আমার কান ভারী করে তোলে।
পা-য়ের কাছে বিষাক্ত প্রাণী সাপের প্রণামের মত ঢেউশীর্ষ অবনত হয়।
মাস্তুল কিছু দেখতে পাই অতি পুরাতন কালের ডুবে যাওয়া জাহাজের,
জলের অশান্ত উপরিতল থেকে নিজের উর্বর মস্তিস্ক...

পোস্টটি ৭ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

অবদমন

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৫৪

মুলত বদরাগী পালোয়ান কুকুরটি আমাকে ধাওয়া করেছিলো
তার প্রভুভক্তির কারণেই,তার প্রভুকে সে সৎ বলে অন্ধবিশ্বাস রাখে,
বাগানের একটা বিরাট অংশ হলো তার প্রবেশদ্বার,
কিন্তু লালিম ডালিম,অথবা রঙীন পেপে আমার দৃস্টি উর্দ্ধমুখী করে রাখে,
আমি কোনো প্রবেশপথ খুঁজে পাইনা,
ফলত: ধাওয়া করে তেড়ে আসা সারমেয় আমার পশ্চাদ্দেশে সভ্যতার আচড় রেখে যায়।

ফুটপাথ ধরে হাটলে একথা লক্ষ্যণীয় যে......

পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

নির্ঘুমপুরের পাহাড়চূড়োয়

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৬

এই যে এইসব প্রাচীন দেয়াল অথবা শ্যাওলাধ্ররা আগ্রাসন,
আমি কাকে দেখবো তুমিই বলো হে পাতক;

যতশত মৃত্যু দেখি আর জন্ম দেখতে পাই কাছে;
ছিরে ফেলি পুরোণো লেখা,দান করে দেই যেমন পুরানো কাথা-বালিশ
তেমন করে কাউকে নয়;
সেবক যখন লিখছে নিজের কথার ব্যতিক্রম
তখন যা আসে তা ঘুম নয়,তন্দ্রাতমসার মাঝে হঠাৎ মুদ্রাপতন
...

পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

স্রোত

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:০৭

কখনো হইনি অচেতন,জেগে আছি বহুবছরের ঘুম বিসর্জন দিয়ে
সমস্ত ঘুম উড়ে গ্যাছে বিভিন্ন রোদের উত্তাপে-
আমার শয়নভংগির অনাচারে সবুজ ঘাস হয়েছে হলুদ-
তবুও জানি আত্নমেহন নয় এ-কারো রুপে গুণমুগ্ধতা নয়।
স্রেফ সদর্থক জীবনের স্রোত।
স্রোত হল চলমান জলে থমকে থাকা পৃথিবীর রোদ।
এইসব ক্লান্তিতে নিরাময় নিয়ে এসো উত্তরের ঝড়,প্লিজ।
নিরাসক্ত ফুল কিংবা আসক্ত কীটের জীবন...

পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি



   পরের পাতা >>


 


মুয়ীয মাহফুজ নামক একজন মানুষের ক্রমবিবর্তন লিখে যাই।কবিতা আমার খাদ্য।কবিতা আমাকে খায়,আমাকে দেখে পালায়।মিউজিক করি,একটা ব্যান্ড আছে।নাম মনোসরণি।গিটার বাজাই।গেয়ে উঠি...

ব্লগার পরিসংখ্যান

  • পোস্ট করেছেন: ১০৪টি
  • মন্তব্য করেছেন: ১২৩৪টি
  • মন্তব্য পেয়েছেন: ১৩৩০টি
  • ব্লগ লিখেছেন:  ১ বছর ৩ দিন
  • ব্লগটি মোট  ৩৬২৩১ বার দেখা হয়েছে

আমার গ্রুপ সমুহ

সাম্প্রতিক মন্তব্য

সাম্প্রতিক মন্তব্য করেছি

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

মোট সময় লেগেছে ০.১৯৪০ সেকেন্ড