somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... মনোসরনি-এর ৫ টি গান ডাউনলোড ১।মা-কে লেখা চিঠি-
ডাউনলোড করুন-click this link

২. তোমাকে ছাড়া কি বিপ্লব হয়-
ডাঊনলোড করুন এখানে ক্লিক করুন

৩।মানুষ না ক্রীতদাস
ডাঊনলোড করুন- এখানে ক্লিক করুন

এর আগে "অপরিচিত ও পালিয়ে বাচি গানদুটো দিয়েছিলাম-এ পোস্টে আবার দিলাম-

4.অপরিচিত
ডাঊনলোড করুন- এখানে ক্লিক করুন


আর "জলে আগুন " গানটি জি সিরিজ-এর একটি মিক্সড এলবাম বন্ধুতায় প্রকাশিত হয়েছিল-

5.জলে আগুন
ডাঊনলোড করুন-এখানে ক্লিক করুন


অফটপিক-
আমার করা একটা ইন্সট্রুমেন্টাল -সুখশিকারী
ডাউনলোড লিংক- এখানে ক্লিক করুন
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/29044987 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/29044987 2009-11-17 16:58:22
গণপ্রজাতন্ত্রী মনোসাম্রাজ্য নচেৎ পরস্পরবিরোধী এত চেতনাসমুহ বিবাদে লিপ্ত হতো বিবদমান রাজনীতির মতো-
লিপ্ত কি হয় না কখনই?
কখনও কান্না কি করে না ওয়াকআউট বিরোধীদলের মতন?
এমনও তো ঘটে
যাকে নিস্কাম ভাবি তাকেও স্বপ্নের শল্যচিকিৎসাখানায়
দেখছি সভ্যতার বস্ত্রবিহীন নিরস্ত্রতায়-
এতসব অনুভুতির বিবাদহীন সহাবস্থানে কি এটা প্রমাণ হয় যে
সকল অনুভুতি আসলে অকার্যকর?
কোন বিশেষ অনুভুতির উপর কি চলে কখনও রাস্ট্রীয় ক্রসফায়ার?
সে কি আমার নির্দেশেই?
মৌলবাদ কি অনুপস্থিত সেখানে?
নাকি বিশেষ কাব্যকলা, সবিশেষ সংগীত আর সাম্যের ইউটোপিয়ার ঘটছে গোপন আগ্রাসন?
এর বিরুদ্ধেও সম্ভবত সংগঠিত হচ্ছে নাগরিক গেস্টাপো বাহিনী।
যাদের কাছে স্বাধীনতার চেতনাই বড় ব্যাবসা-
এরা মুলত চেতনা ব্যাবসায়ী-
সম্ভবত এরাই ঠিক করে দেয় তোমার সঙ্গে আমার ব্যাবহার কেমন হওয়া উচিত-


সেখানে ব্যাক্তিবিচ্ছিন্নতার অজুহাতে কখনও
কোন নাগরিক বোধ কি করে না আত্নহত্যা?
কোন বেদনাটি সংখ্যালঘু?
হয়নি জানা-
কোন প্রেম আরামদায়ক তা
মস্তিস্কের সংসদে নির্ধারিত হোক-
নাকি এ বিষয় সম্পর্কিত সর্বোচ্চ সুখ উৎপাদনের নীতি নিয়ে
বিবদমান হবে সচেতন অচেতনের অনির্ধারিত পার্থক্যে?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/29040880 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/29040880 2009-11-10 03:21:04
আমার করা একটা ইন্সট্রুমেন্টাল
বেশ কিছুদিন আগে করেছিলাম এ ডেমোটি , অডাসিটিতে গিটার আর কি-বোর্ডে করা- (কি-বোর্ডে এখনও হাত পাকেনাই)। কমপ্লিট করেই দেব ভাবছিলাম, কিন্তু গিটারটার জ্যাক বা পিক আপ লাইনটা ডিস্টার্ব করাতে সেটা আর হলোনা। যাই হোক ট্রেকটার নাম সুখশিকারী-কারণ বাবার মৃত্যুর ঠিক ২দিন আগে গভীর রাতে ইন্সট্রুমেন্টালটি এ পর্যায়ে এনে রেখে দিয়েছিলাম- বাবা মারা গেলেন ১ আগস্ট,২০০৯, পরে বাবাকে কবর দিয়ে এসে যখন প্রথম এ ট্রেক-টা শুনলাম তখন মনে হল এর নাম সুখশিকারী ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না। কেননা মাটির গভীরের শয্যা যদি পরম সুখের না-ই হয় তবে মানুষের চুড়ান্ত গন্তব্য কবর কেন হবে?

যাই হোক- ডাউনলোড লিংক- সুখশিকারী

অনেক আনাড়িপনা আছে এটাতে- সেজন্য ক্ষমা করবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/29030840 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/29030840 2009-10-23 23:42:57
হীরার খনির মজুর হয়ে কানাকড়ি নাই!
কতই রংগ দেখি দুনিয়ায়!ও ভাই রে,ও ভাই!
কতই রংগ দেখি দুনিয়ায়,
আমি যেদিক ফিরে দেখে অবাক বনে যাই
আমি অর্থ কোন খুজে নাহি পাই ভাই রে,

দেখ ভাল জনে রইল ভাঙা ঘরে ,
মন্দ যে-সে সিংহাসনে চড়ে।
সোনার ফসল ফলায় যে তার দুই বেলার জোটে না আহার,
হীরার খনির মজুর হয়ে কানাকড়ি নাই!ওরে ভা...ই রে।
কত রংগ দেখি দুনিয়ায়

(সত্যজিতের হীরক রাজার দেশে হতে)

এ গানটা অনেকদিন পরে শুনলাম,গানটিতে অনেক রাজনৈতিক বাস্তবতা আছে,আছে নিপীড়িতের বলিস্ঠ উচ্চারণ।কিন্তু এ গানটা কি শুধুই রাজনৈতিক?শুধুই ফিল্মিক?শুধুই অপরের কন্ঠস্বর?
একজন কবি বুনে চলে হীরক কল্পনার দ্যুতি,সে অর্থে কবিও একজন হীরার খনির শ্রমিক।কবির কাছে কানাকড়ির মূল্য কেমন?কবি কানাকড়িকে কিভাবে দেখেন?

জীবনানন্দ তাঁর "ভিখিরী" কবিতায় লিখেছেন-

"একটি পয়সা আমি পেয়ে গেছি আহিরীটোলায়,
একটি পয়সা আমি পেয়ে গেছি বাদুড়বাগানে,
একটি পয়সা যদি পাওয়া যায় আরো–
তবে আমি হেঁটে চ’লে যাবো মানে মানে।
–ব’লে সে বাড়ায়ে দিলো অন্ধকারে হাত।
আগাগোড়া শরীরটা নিয়ে এক কানা যেন বুনে যেতে চেয়েছিলো তাঁত;
তবুও তা নুলো শাঁখারীর হাতে হয়েছে করাত।

একটি পয়সা আমি পেয়ে গেছি মাঠকোটা ঘুরে,
একটি পয়সা আমি পেয়ে গেছি পাথুরিয়াঘাটা,
একটি পয়সা যদি পাওয়া যায় আরো
তাহলে ঢেঁকির চাল হবে কলে ছাঁটা।
বলে সে বাড়ায়ে দিলো গ্যাসলাইটে মুখ।
ভিড়ের ভিতরে তবু — হ্যারিসন রোডে — আরো গভীর অসুখ,
এক পৃথিবীর ভুল; ভিখিরীর ভুলে : এক পৃথিবীর ভুলচুক।"

এই হীরার খনির মজুরেরা খনির বহুদুর গর্ত হতে দেখে মুক্তির আকাশ,আজ তাই সে কবির ব্যাক্তিস্বাতন্ত্রের গানকে বলা হয় বিচ্ছিন্নতা।কবির অবকাশের গলা চেপে ধরে রাস্ট্র,সমাজ,সমগ্র।

আরো ব্যাপক অর্থে ধরলে এই মজুর আসলে আমরা প্রত্যেকেই।এই কর্পোরেট পৃথিবীতে তাকাই একবার।পাশের লোকটিকে দেখি,দৌড়াচ্ছে অফিসে।দেখি দৌড়াচ্ছে গাড়ি,দেখি দৌড়াচ্ছি আমি।বুঝতে পারি এই ঝাকানাকা নগরের প্রতিটি মানুষের অন্বেষা হচ্ছে হীরকনির্মিত এক সুখের প্রাসাদ।আর তাই আমি তুমি সে সকলে আসলে পৃথিবীর গভীর থেকে তুলে আনছি এক এক করে ব্যাক্তিক কল্পনাসমুহ,সযত্নে তা তুলে দিচ্ছি যন্ত্রের হাতে।তাই বুঝি আজ আমাদের চোখে আজ কোন নতুন স্পপ্ন দেখিনা।

এই গানটা দেখে আজ এইসব বিকল অনুভূতি হল। অবিকল হাইপোথিসিসের মত মনে হলেও আসলে তা আমার ব্যাক্তিক ভাবনা ছাড়া আর কিচু নয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28997515 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28997515 2009-08-21 17:25:09
বের হয়েছে কালনেত্র ও শুন্যমাতাল
কালনেত্র পুনরুত্থান সংখ্যা,৭ম ইস্যু। আগস্ট ২০০৯

এ সংখ্যার গণতান্ত্রিক কালনেত্র সরকার দায়িত্বে প্রবর্তিত
নৃপ অনুপ
প্রবর রিপন
অভিজিৎ দাস
মুয়ীয মাহফুজ

প্রচ্ছদ: আমীরুল রাজীভ

প্রাপ্তিস্থান:
আজিস সুপার মার্কেট,শাহবাগ
বইপত্র(সদর রোড বরিশাল,বাতিঘর (চট্টগ্রাম),
ম্যাগাজিন কর্ণার(রাজশাহী) ও সম্পাদকসমুহের ব্যাগ

মূল্য-৫০ টাকা


মাতাল পুনরুত্থান অনুস্ঠান দ্বারা কালনেত্র ও শুন্যমাতালের প্রকাশ ঘটলো গত ৮ই আগস্ট।


শুন্যমাতাল এর তৃতীয় সংখ্যা
প্রচ্ছদ-সুমন প্রবাহনের স্কেচ অবলম্বনে।
গ্রাফিক্স:সিজু

সম্পাদনা পর্ষদ
নৃপ অনুপ
প্রবর রিপন
অভিজিৎ দাস
মুয়ীয মাহফুজ
তসলিম মুস্তাফিজ

প্রকাশক-সুমন প্রবাহন স্মরণ প্রয়াস

মুল্য:কুড়ি টাকা।

কালনেত্রের অন্যান্য সংখ্যাগুলো:
1st Issue of Kalnetrrow; 30 May, 2000


2nd Issue of Kalnetrrow; 6 October, 2000


3rd Issue of Kalnetrrow; 13 February, 2002


4th Issue of Kalnetrrow; March, 2003


5th Issue of Kalnetrrow; May, 2004


6th Issue of Kalnetrrow; February, 2005

এবং বুঝতেই পারছেন রীতিমত অনেক বছর পর আমরা বের করলাম আরেকটা ইস্যু- এটাই কি পুনরুত্থান?

কালনেত্র পুনরুত্থান আগস্ট ২০০৯

এছাড়াও আমরা করেছিলাম আউর জিংগায়!!

২০০১ সাল

শুন্যমাতাল এর সংখ্যাগুলো-

১ম সংখ্যা নভেম্বর ২০০৮

২য় সংখ্যা,ফেব্রুয়ারী ২০০৯


শুন্যমাতাল ৩য় সংখ্যা।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28992781 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28992781 2009-08-12 17:32:00
ফরাসী কবি জাঁ আর্তুর র‌্যাঁবো-র কাব্যগ্রন্থ "নরকে এক ঋতু" হতে দুইটি কবিতা
কবি জাঁ আর্তুর র‌্যাঁবো-র কাব্যগ্রন্থ "নরকে এক ঋতু" (une saison enfer)মুল ফ্রেন্চ বুক কভার

প্রলাপ ২

শব্দের রসায়ন

আমার কথা এইবার।আমার পাগলামির কাহিনী।
ব হুদিনের গর্ব আমার,সম্ভব অসম্ভব সমস্ত নিসর্গশোভার ওপরই আছে আমার দখল-আধুনিক কাব্য ও চিত্রকলার গগনস্পর্শী খ্যাতির আড়ালে জেনেছি তার চূড়ান্ত অসাড়তা।
আমাকে টানে অর্থহীন ছবি,দরজার ওপর দিকটা,সাজসজ্জা,ক্রীড়কের পট,বিজ্ঞাপন ফলক,লোকশিল্পের রং চং,সেকেলে সাহিত্য,গির্জার ল্যাটিন,বানান ভুলে ভর্তি সস্তা যৌনতার চটিবই,প্রাগৈতিহাসিক কাহিনী,রুপকথা,শৈসবের ছোট বই, পুরণো গীতিনাট্য,সরল-অস্হায়ী,অমার্জিত ছন্দ।
স্বপ্নে দেখেছি ধর্মযুদ্ধ,নামহীন আবিষ্কারের আশায় দেশান্তর যাত্রা ,হুজুগশুন্য রাস্ট্র,ধর্মে ধর্মে গুমোট লড়াই,নীতি সংক্রান্ত বিপ্লব,জাতিতে জাতিতে ও মহাদেশে কত ওলটপালট, বিশ্বাস করেছি সমস্ত জাদুমন্ত্রে।
বার করেছি সমস্ত স্বরবর্ণের রং-আ কৃষ্ন,অ শ্বেত,ই রক্ত,ও নীল,উ-সবুজ-নিরুপন করেছি প্রতিটি ব্যান্জনবর্ণের গতি-প্রকৃতি।আর সহজাত প্রেরণার ছন্দেই আজ আবার লালায়িত হয়েছি কাব্যিক এমন একটি সুগম ক্রিয়াপদ আবিষ্কার করতে যা একদিন না একদিন প্রযোজ্য হতে পারবে সমস্ত অর্থে। এই অনুবাদের সমস্ত সর্বস্বর্ত সংরক্ষিত করে রাখলাম।

প্রথমে সে ছিল শুধু সমীক্ষণ। রুপ দিয়েছি মৌনকে,বাণী দিয়েছি রাত্রিকে লিখে গেছি অনির্বচনীয়কে-স্থৈর্যে বেঁধেছি চিরচন্চল ঘুর্ণিকে।

যেখানে অনেক দুর পাখিরা,ভেড়ার পাল,গাঁয়ের মেয়েরা
কী পান করছিলাম সেইখানে,নতজানু সেই উলুখড়ে,
ঘিরে ছিলো যখন বাদাম-বন নরম বাকলে ভেজা
ঝাপসা এক বিকেলের উষ্ন সবুজ কুয়াশায়?

কী পান করার ছিল তরুণী সে *ওয়াজের তীরে- (Oise-নদীর নাম)
বাণী নেই পাদপের পুষ্পরিক্ত তৃণদল, আকাশ ঢেকেছে:
আমার নিবিড় প্রিয় নীড় হ'তে দুরে
পান করা হলদে মাটির ভাড়ে?
সে কোন সোনালী সুরা,যাতে ঘাম ঝরে।

আমি যেন সস্তা বিজ্ঞাপন এক সরাইখানার
-এলো ঝড় আকাশ মথিত করে সহসা। সন্ধ্যায়
কুমারী বালুর পুন্জ শুষে নিল অরণ্যের রস,
দেবতার হাহাকার বাতাসে বাতাসে
ছুড়ে দিল সরোবরে তুষার-কণিকা।

-সেখানে,সজল চোখে,সোনা দেখে- পান করা হলো না আমার।

ভোর চারটেয় গ্রীষ্মবেলায়
প্রেমের নিদ্রা তখনো জোর-
কুন্জের পথে উড়ে উবে যায়
গত সন্ধ্যার গন্ধঘোর।

ঐখানে ঐ মস্ত তাদের চত্বরে
জ্বলে সূর্যের আলো যেন কোন রুপকথার-
আস্তিন তুলে এই সকালেই কাজ করে
শ্রমিক সূত্রধার।

শ্যাওলার মরু চেঁছে ওরা ধীর মনে
গ'ড়ে তোলে কতো দামী তক্তার আচ্ছাদন,
কবে একদিন মংগল লগনে
নগরী করবে মিথ্যা আকাশ রন্জন!

এই মনোহর মজুরগণের তরে,
ব্যাবিলনিয়ার অধীশ্বরের দাস হয়ে থাকে যারা।
ভেনাস, তোমার অনুরাগীদের ত্যাগ কর ক্ষণতরে।
যাদের হৃদয় চেনেনি কিছুই মুকুট ছাড়া।

এই শ্রমীদের জন্য রাখাল রাণী
আনো ভরে আনো জীবনরসের পাত্র কানায় কানায়-
ওদের শক্তি শান্তিতে পাক বাণী
দুপুর সূর্যে সাগর স্নানের স্নিগ্ধতায় ।।

আমার ক্রিয়াপদের এই রসায়নে কাব্যের যতো পুরোনো ভাঙাচোরা জিনিসের ভূমিকা।
নিজেকে সইয়ে নিয়েছি সরল মতিভ্রমে-সত্যি,দেখেছি আমি কারখানার জায়গায় মসজিদ,দেবদূতের পরিচালনায় যন্ত্রসংগীতের বিদ্যালয়,আকাশপথে শকটের মিছিল,হ্রদের গভীরে বৈঠকখানা: কতো যে দৈত্য,কতো রহস্য!কী এক প্রহসনের নাম চোখে আমার বিভীষিকা ঘনিয়ে তুলেছে।
এ ছাড়া শব্দের ছায়াবাজিতে বুঝিয়েছি কুহকের যত কূটতর্ক।
অবশেষে আমার চেতনায় এই বিশৃঙ্খলার মধ্যে খুঁজে পেলাম পবিত্রকে।তৃষ্নায় ছটফট করেছি,আক্রান্ত হয়েছি প্রবল জ্বরে-ঈর্ষা করেছি পশুর সুখ,শুঁয়োপোকার নিরপরাধ বিস্মৃতিলোক,গন্ধমুষিকের কৌমার্যময় তন্দ্রা।

তিক্ততায় ছেয়ে গেল আমার চরিত্র-কয়েকটা গাথার মত কবিতায় পৃথিবীকে বিদায় জানালাম।


উচ্চতম মিনারের গান

হোক সময়,সময় তার
হৃদয় প্রেমে পড়বে যার।

কতো যে আমি সয়েছিলাম
কিছুই নেই স্মরণে,
যা কিছু ভয়,যন্ত্রণা
মিলায় দূর গগনে।
ধমনী করে অন্ধকার
তৃষ্না জলে রুগ্নতার।

হোক সময়,সময় তার
হৃদয় প্রেমে পড়বে যার।

এমনিতর গুল্মখেত
বিস্মরণে মুক্তি পায়,
মন্জরিত, সে পুষ্পিত
গন্ধধূপে বনচারায়।
নিজ্বনিত নোংরামির
নেশায় বুঁদ মাছির ভীড়।

হোক সময়,সময় তার
হৃদয় প্রেমে পড়বে যার।

আমি ভালবাসি মরুভূমি,শুকিয়ে যাওয়া ফলের বাগিচা,বিবর্ণ ম্লান দোকান,ঠান্ডা হয়ে আসা পানীয়।নিজেকে টেনে নিয়ে যাব পচা দুর্গন্ধের অলিগলি দিয়ে বন্ধ আঁখির কাছে,উৎসর্গ করবো সূর্যের চরণে,আগুনের যিনি দেবতা।
'সেনাপতি, ধ্বংসস্তুপ পরিখার আড়ালে এখনো যদি ভাঙাচোরা কোন কামান তোমার অবশিষট থাকে ,আমাদের তুমি বোমা মেরে উড়িয়ে দাও এই শুকনো ভূমিখন্ডের ওপর।ফাটিয়ে দাও চমৎকার কাচের জানালায়,বৈঠকখানায়-শহরকে ভক্ষণ করাও তাদের ভষ্মশেষ।মানুষমুখো নালীতে ভরুক আদ্রতার সবুজ কলংক।জ্বলন্ত মণির গুড়োয় ভরে দাও নিভৃত বেশগৃহ।'
দংশ আসুক সরাই-এর পেছনে প্রশ্রাবখানার গন্ধে মাতাল হয়ে মূত্রবৃদ্ধিকারক গুল্ম-উদ্ভিদের প্রেমিক সে-একটু রশ্মি ছিটিয়ে দিয়ে যাক।


কবি জাঁ আর্তুর র‌্যাঁবো-র কাব্যগ্রন্থ "নরকে এক ঋতু" English translated book cover

নরকে এক ঋতু(une saison enfer)
-জা আর্তুর র‌্যাঁবো

মূল ফরাসী হতে অনুবাদ
লোকনাথ ভট্টাচার্য
প্রকাশক সুবল সামন্ত ও এবং মুশায়েরা কলকাতা ।

র‌্যাঁবো ভালোলাগা কয়েকটা কবিতা শেয়ার করলাম-ফ্রেন্চ ভাষা জানলে নিজেই অনুবাদ করবার একটা চেস্টা চালাতাম-জানিনা যেহেতু অন্যের দ্বারস্থ হতে হলো।


কবি জাঁ আর্তুর র্যাঁবো

জাঁ আর্তুর র‌্যাঁবো নিয়ে কিছু কথা:

উনিশ বছর বয়সে বালক ফরাসী কবি র‌্যাঁবো তার বন্ধু ভেরলেনকে তার কিছু কবিতা দেখিয়ে বললেন যে এগুলোই তার শেষ কবিতা কেননা এরপর লিখলে তা কেবল পুনরাবৃত্তিই ঘটবে।এরপর সত্যই তিনি আর লিখেননাই।

র‌্যাঁবো-র হস্তলিপি
র‌্যাঁবো তার এক চিঠিতে বলেছিলেন- “The poet turns himself into visionary a long, drastic and deliberate disordering of all his senses”- সেচ্ছায় সকল ইন্দ্রিয়ের বিশৃঙ্খলা-ই কবির প্রকৃত কাজ হওয়ার দরকার। এ দর্শনই যেন দেখতে পাই তার কবিজীবনে মাতাল জীবনযাপনে।সুশীল ও গৎবাঁধা ও রাস্ট্রযন্ত্রের ভাড়াটে কবিদের তিনি দেখতে পারতেন না।এমনও মিথ আছে যে সুশীল কবিদের এক কবিতার আসরে এক কবির কবিতায় তিনি মূত্রবিয়োগ করেছিলেন প্রকাশ্যে-হাহাহাহাহ!!!

র‌্যাঁবো বলেছিলেন যে কবিকে দ্রস্টা হতে হবে।সেই সূত্রে তিনি শার্ল বোদলেয়রকে প্রথম দ্রস্টা বলে স্বীকৃতি দেন।
অথচ বোদলেয়রকে তৎকালীন ফরাসী দেশ স্বীকৃতি তো দেয়নাই বরং বোদলেয়রকে সে সমাজ একপ্রকার মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।


শিল্পীর চোখে পল ভেরলেনের বাগানে কবি জাঁ আর্তুর র‌্যাঁবো কবিখেয়ালে নগ্নদেহে সকালের রোদ পোহাচ্ছেন "Eternity" Drawing of Arthur Rimbaud by Ralph Haselmann Jr.1994

যাই হোক,ভেরলেনের সাথে র‌্যাঁবোর সেই কিংবদন্তী প্রেমের কথা স্মরণ হলো,কিন্তু একটা সময় লন্ডনে র্যাবো এক নারীর প্রেমে পড়লেন-ফলে ভেরলেন গেলেন খেপে,শেষে ঝগড়া এমন পর্যায়ে গেল যে ভেরলেন র‌্যাঁবোকে গুলি করলেন-তারপর আরো কত কাহিনী-
যাই হোক-র‌্যাঁবো ১৮৭৪ এর পরে আর লেখেননাই-
লেখালেখি ছেড়ে দিয়ে তিনি অনেক অনেক ভ্রমন অনেক পেশা-ই করেন,সেনাবাহিনী,ফোরম্যান,কফি কোম্পানীর সুপারভাইজর।১৮৮০ থেকে টানা দশবছর উত্তর ও পূর্ব আফ্রিকায় দাস ব্যাবসা,বন্দুকের চোরা ব্যাবসা,হাতীর দাঁতের ব্যাবসা করেছেন।কেমন যেন একটা বুনো ঘোড়ার ছুটে চলার আমেজ পাই তার জীবনে।
অবশেষে ৩৭ বছরে তিনি মারা যান।
জন্ম-১৮৫৪,মৃত্যু-১৮৯১

সূ্ত্রসমূহ-
১।র‌্যাঁবো:একটি জীবন-চন্ডী মুখোপাধ্যায়।
২।একটি ফিল্ম-টোটাল একলিপস(Total.Eclipse)1995-র‌্যাঁবোর ভুমিকায় অভিনয় করেন লিওনার্ডো ডি ক্যাপ্রিও।
টরেন্ট ডাউনলোডের জন্য-এখানে ক্লিক করুন
৩।উইকিপিডিয়া-http://en.wikipedia.org/wiki/Arthur_Rimbaud
৪।আমার ক্ষয়িষ্নু ও প্রায়শঃই বিশ্বাসঘাতকতাপ্রবণ স্মৃতি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28989778 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28989778 2009-08-06 16:00:15
কোথাও অথচ "গন্তব্য" বিষয়টি আমাকে বরাবরই স্থবির করে দেয়-
এইসব পরম্পরাময় অথচ সময়ের উপযোগবাদী আচরণ
আমাকে বাধ্য করে একক ঠিকানায়-
ঠিক যেমনটি দেখেছে ঋণভারে ঝরে যাওয়া পাতারা!
আমরা নিজেরাই প্রাপক ও প্রেরক হয়ে
অপেক্ষা করি প্রত্যুত্তরের-
এই স্থবিরতা মানসিক, জানি।
নিয়ম ভাঙার প্রকৌশলী জানে
ভাঙবার প্রাক্কালে ভেঙে পড়ে ধ্বংসের নির্মাতা নিজেই!
দৃশ্যের কাছে দেখতে পাই মুখোমুখি সংঘর্ষ
শব্দের কাছে শুনতে পাই "যে গন্তব্য ভাঙছো তুমি
তার উপর গড়ে উঠবে অত্যাশ্চর্য পিড়ামিড-
পুনরায় স্পন্দিত হবে পৌনঃপুনিকতা"
আমরা যা জানতে গিয়েও বরাবর জানতে ব্যার্থ হই
সেটি জানা-অজানালিপি,সুপ্রাচীন গন্তব্য সেই-
নচেৎ,ভবিষ্যতগামীতার মত করে আকাশে উদাসীন থাকা
মানায় ভালো-
ভবিষ্যৎ কি ঠিকানা হতে পারে?
আমাদের এসব কেন্দ্রমুখী আচরণ জমা থাকে
হবু ঐতিহাসিকের তথ্যানুসন্ধানের জন্য।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28985906 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28985906 2009-07-29 23:15:17
আমার দ্বারা কম্পোজ করা ও গিটারে বাজানো একটি জ্যাজ সলো
শুনে দেখুন আমার জ্যাজ অপচেস্টা কেমন হলো। <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28982608 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28982608 2009-07-23 17:38:19
মানুষের চোখে
নক্ষত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে কিছু দলছুট জোনাক
চলে আসে আমাদের জংলা ঘরের জানালায়-
নক্ষত্র পতনের শেষে মহাজাগতিক মুগ্ধতাই সার-
মানুষ ব্যাতীত অন্য কোন জীবদেহে তা ভীতি ও সংশয়
ছাড়া আর কিছু নয়-দুরে পাতকী রাত্রির ক্রোধ বাড়ে-
জোয়ারের জলে চূর্ণ-বিচূর্ণ চাঁদ দেখে ভাবি
যে আলো আমার ব্যাক্তিগত প্রকোস্ঠে বেড়ে ওঠে:
সে রশ্মি রং মহলের কাছে
ধ্বংসের প্রাকলীলা-

মানুষের প্রেমবোধ হলে আমি দেখেছি যে
তার উদ্দেশ্যের এক নক্ষত্র পথ ভুল করে
বিস্ফোরিত হয় মোহের মৃত্তিকায়-
আবার একাকীত্বের নদীতে খরস্রোত বেড়ে গেলে
পতনদৃশ্যে মেতে ওঠা স্বস্তিদায়ক বটে
আমাদের করতলে অকৃত্রিম ঠিকানা গেথে থাকে-
বিগত বন্যায় উজানের হাটুজল আমাকে
দিকভ্রান্ত চোখের ঠিকানাদারকে খুঁজে পেতে দেয়নি-
তবুও বৃক্ষের মতই পতন ঘটেছিল
সুনিশ্চিত আলোকরাজির-
এজন্য প্রয়োজন হয়নি কোনো প্রতিজ্ঞা অথবা স্বীকারোক্তি।

সেই নক্ষত্রের দোষে
আলোর পতন দেখতে পাই
অথচ আমার চোখে নয়,
নক্ষত্রের পতন দেখতে পাই মানুষের চোখে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28971991 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28971991 2009-07-01 05:35:33
কবি লুবনা চর্যা-এর কিছু কবিতা ও তার প্রকাশিত/পুনর্লিখিত বই "চর্যাচর্যবিনিশ্চয়" হতে ২টি পদ বাই প্রোডাক্ট-১৪৬

মানুষ নামক অতীন্দ্রীয় একপ্রকার জীবের
সাথে দ্যাখা হয় স্বপ্নদর্শনে। উঠে বসি
ওহী পাওয়া নবীর মতো। তার আকৃতি কী
বিরাট! ম্যামোথ তাড়া করেছিল বহুকাল
আগে। সেই অনুভূতি আবার শরীরে জাগে।
বিধাতার কাছে আকুতি করি এক্ষুনি যেন
আমাকে হরিনজন্ম দ্যায়, যাতে গেরুয়া
চামড়ায় বৃস্টিকণার কথা ভুলে গিয়ে একা
অন্ধকারে বাইশ হাত করে লাফাতে পারি।
বন্ধু বা স হচর কিন্তু দৃশ্যত যুদ্ধবাজ নয়।
তবু তার রয়েছে বুনো জংলী গাছের খাড়া
হওয়া কাটা বা নীল তিমির ফসলের মতো
রণসজ্জা। তবু এসব বায়বীয় বস্তুর প্রমাণ
দিতে পারি না বিজ্ঞান আলয়ে জনসমক্ষে।
ফলে একা একা ভাবি, এই মানুষ শেখা
সম্পূর্ণ নয়। তাহলে জীবন সংগ্রাম শব্দটা
কেন আসবে।

বাই প্রোডাক্ট- ১৪৭

মৃতদের সাথে আমরা থাকি। তাদেরও
ঈর্ষা ও শুচিবাই আছে। দূরত্বের অনু
ভুতিগুলো অনুভব করি মজা করে।যদি
ও হাত মেলালেই মিলন। কিন্তু বিদায়ের
আগে সব ঠিকঠাক করে করে দিয়ে যেতে হবে
তা বুঝি। আত্ননির্ভরতা আমাদের দাস
বলে অস্থিরতা প্রায় নেই।অনেকক্ষন
উদাস থাকার পর টের পাই দিন এবং
রাত চলছে।অতএব কিছু কাজ করতে
হয়।কিন্তু মৃতদের অভিমান বেশি এবং
তারা যৌক্তিক হলেও একরোখা। ফলে
শুন্য হয়েও আমাদেরকেই বাস্তববাদী
হতে হয়।

বাইপ্রোডাক্ট-১৫৬

হাতুড়ির ঘায়ে বেটে হতে হতে যে লৌহশলাকার
মাথা চ্যাপ্টা হয়ে যায়, তার কবরে অন্ধকারবিতাড়ক
একটা মোমবাতি জ্বেলে দাড়াতে ইচ্ছা করে।
মেঘের ট্রেনে চড়ে পতিত জমিতে লাগিয়ে আসি
অনেকগুলো গাছ,বর্ষা পেলে বেঁচে যাবে। তবু ব্যস্ততা
হীন উন্মাদনায় সারাক্ষণ ঘুরে ফিরে তারই শোকগীতিকা
আলোর সামনে উইপোকার মতো উড়ে। চিরদিনের ব্রাত্য
ঝিঝিরাও কোরাস ধরে এই হাহাকারে। কারো
কারো ক্ষেত্রে স্মৃতি কেচোর মতো নীরবে মাটিতে হাল
চষে চলে। ফলে ,ঠান্ডা ঢুকবে এই ভয়ে জানালা বন্ধ
করার মতো সে ভবিষ্যৎ এটে দ্যায়।

ইনস্টলমেন্ট-৯

প্রশাসন তো বহু পিছে থাকে। বহু দুরে দুরে থাকে। মনের মানস জলের মতো প্রতিবিম্বের মালা গেঁথে এগিয়ে যায় সামনে। সমান্তরালভাবে যায় না, ঢেউয়ে ঢেউয়ে যায়। ক্যাংগারুর লাফের মতোন যায়। বীর দ্রাবিড়ের নাচ বা স্পন্দনের মতো যায়। প্রশাসন তখন অর্ধঘুমে। অর্থাৎ এসব সূত্রের কাছা দড়ির টেলিফোন তার কানে আসে, কিন্তু সে অনুভব করে না। ঠ্যাকাতে যাওয়ার ঝামেলা করবে না বলে প্রায়শই হস্তক্ষেপ করে না। মাঝে মাঝে করে খুব ভয়ংকরভাবে। তখন যুদ্ধ বাধে, তখন অবরোধ হয়। তখন ছেলেমানুষ চাঁদকে গর্ভবতী করে মেরে ফেলা হয় । এবং H2S এর মতো দুর্গন্ধে ভরে যায় উপত্যকার অন্ধকারে মেশা নিস্প্রভ আকাশ। আমরা কিন্চিৎ বিরক্ত হয়ে উঠি।তারপর সচেতন হই সর্বইন্দ্রিয়ে। এটা আমাদের দিককার ভয়ংকর পর্যায়। উল্টোমুখী কাঠের গাধাকে দড়ি দিয়ে টানা প্রশাসন ব্যবস্থার সাথে পাগল সাথে পাগল ও পচাদের ভাবনা ও কাজের সংকর পদার্থের গোল বাধে। তাই অনেক রণ গেম খেলতে হয়, অনেক বাকশক্তি ব্যবহার বা বৃথা ব্যবহার করতে হয়। তাত, করতে তো হয়ই!

(লুবনা চযার উপরোক্ত কবিতাগুলো তারই সম্পাদিত ছোটকাগজ- "সহজ" এ প্রকাশিত)


(লুবনা চর্যা’র প্রকাশিত ২য় বই জিওগ্রাফি, ইন অ্যা জ্যু...এর প্রথম কবিতা)

ও লেজ কাটা ঘুড়ি,যতো খুশি উড়ি

কোথায় যে যাই! মাঠভরা লাটিম ঘোরে তোর চোখের জঙ্গলে, আমি চেনাজানা চাঁদ আর কুয়াশর ঘর এখন ইচ্ছে করে ভুলে যাই। যে ঘর অন্ধকার কিন্তু খুব ধোয়া ওঠে, নদী থেকে ফেরার পথে একটু থামি সন্ধ্যার ডানা ভাজ করে।

যে তুই নিষ্ঠুরতায় হার মানাস কোনো শিকারী পাখিকে, অকারণে আমি ফিরে যাই তারই নিষ্পৃহ অনমনীয়তার দিকে। চিরহরিৎ বনে কল্পনার পাতা কুড়াতেও হঠাৎ কান্ত লাগে। ইমেজের সরাসরি প্রাপ্তি ছাড়া সবকিছু স্তিমিত হয়ে যাচ্ছে।

কিংবা যখন মৃত ও জীবন্তের পরিবেশে সমন্বয় করে ফেলি আর নিজেকে নিমজ্জিত হতে দেখি নাবিকের ছুড়ে দেওয়া ভোতা অ্যান্টিকাটারের মতো নীল অতলে, তখনই জিজ্ঞাসার প্রাণবন্ততা হারাই। বহু বহু দূর ছুটে মেঘের দলটা বুঝতে পারে, বাতাসের তারনা ধারণাটাই আদতে উড়–ক্কু....

তাই রৌদ্রচিলের সাথে বেদনাকথা উজাড় করতে যাই না আর গহীন আকাশে। ধীরে ধীরে বিদেহী জীবানুরা আমাকে গ্রাস করছে। তাদের প্রিয়পাত্র হই বৈপরীত্যে, উদ্ভট প্রেম-প্রকরনে।
আভপীড়নের কারণেই বেশিদিন যুদ্ধপ্রবন মৎস গোত্রে অবস্থান করা হলো না। যদিও গীতা এ সম্পর্কে ভার লাঘব করতে পারে অনেকখানি, তবু ওসব ধুনফুন চাতুর্যে আমার পোষায় না।

সমুদ্র আর আকাশের রং যেখানে একই ব্রাশ দিয়ে ঘষা হয়, আমার ইচ্ছামৃত্যু সে দেয়ালের অভ্যন্তরেই নিরাপত্তা পায়। আমি পারফর্ম করি পারলৌকিক আবেগগুচ্ছের।

শুরু ছাড়া শেষ করা যায় না বলে মানুষেরা প্রত্যেকেই ুদে ঐতিহাসিক। তারা সৌন্দর্যসচেতন করার জন্য আমার হাতে একটা আয়না এনে দিয়েছে, বিনিময়ে প্রত্যাশা করেছে কিছু মানবিক পারিশ্রমিক। হয়তো এবার জন্মদিনেও আত্নহত্যা করা হবে না !

চূড়ায় চূড়ায় ফুটে থাকা কদম, কৃষ্ণচূড়া, জারুল বা রাধাচড়া আমাকে যে উচ্চতর অনিবার্যতার প্রজ্ঞা দিয়েছে- তা পরাজিত হউক আমি চাই। চলমানতা নৈরাশ্যের ঢেউ দ্যায় বলে আমি নেতিবাচক ভাবনা ভাবি। আমি নেতিবাচক ভাবনা ভাবি বলেই বিয়োগান্তক বৃষ্টির ছড়াছড়ি!

অগ্নিকান্ডে জাহাজ ডুবে গেলে বরপের স্তুপে কালো ছাতার মতো অসংখ্য গম্ভীর ভ্যাম্পায়ার চলে আসে। তারা প্রার্থনা করে তোর আত্না এবং দেহ। অথচ গভীর অস্বীকৃতি জানালে তুই হতে পারবি তো বিপন্নতামুক্ত।

সূর্যঘড়িতে অ্যালার্ম দিয়ে রেখেছিলাম, রাত ১২ টায় সে আমাকে জন্মদিনের মিউজিক শোনায়। মৃত্যু-তন্ময়তা ভেঙে গেলে শরবনে ছুটি কিছু বাশি তৈরির জন্য। বন্ধুরা এলে সবাইকে একটা করে দেবো। একা থাকার পরিবর্তে সম্মিলিতে মিলে থাকার প্রতীক হচ্ছে বাশি। একাকী নিরবতায় কার সাথে বলো আমি ফাইট করি ? সংস্কার করার আগে বিতর্কের হাওয়াই সেতু পর্যবেণ করা চাই। তাই সেতুতে ওঠার জন্যে স্পোর্টিং কারের ভঙ্গিতে হালকা ও শলাকার আট পা বাড়াই।


লুবনা চর্যার প্রথম বই চর্যাচর্যবিনিশ্চয় -এর বুক কভার
চর্যাচর্যবিনিশ্চয় লুবনা চর্যার প্রথম বই
পুনর্লিখন : লুবনা চর্যা
প্রকাশ : জানুয়ারী ২০০৭

পদ - ২

কাছিমের দুধে, কী ভয়ঙ্কর, উপচে
পড়ে ভাঁড়! শোন, তোমার দেহবৃক্ষের
তেতুঁলই যোগ্য খাবার কুমীরটার।
ঘরের মধ্যে চাইলেই আঙ্গিনা আছে,
অবধূতি রে! তথা গভীর মৌন রাতে
কানের ঝুমকো নিয়ে গেলো এক চোরে।
বুড়ো শ্বশুর ঘুমায়, কিন্তু বউয়ের
যে ঘুম নেই। সহজে চোরটা পেয়েছে
যা, চোরেই নিক তা, তাতে বউয়ের কী!
দিনের আলোতে যে কূলবধূ সামান্য
কাকের ভয়ে কাঁপে, রাতে সে ই একাকী
অভয়চিত্তে হাঁটে কামরূপের জন্য!
এমন কাব্য কুক্কুরী পা গাইলো-দেখি,
কোটিতে একজন বুঝলো এই শূন্য।

(কুক্কুরী পা)


পদ-৩

একই শুঁড়িনি জোছনা আর রোদ্দুরের ঘরেতে
প্রবেশ করে প্রজাপতির দুই ডানার মতোন।
প্রজাপতির সরু দেহের মতোই অতি চিকণ
ছালে সে মদটা ধরে রাখে। সহজে স্থির হতে
আগে চেস্টা করো, পরে মদ চোলাই কইরো। তাতে
অমর-অজর হবে,হবে দৃঢ়স্কন্ধ। আকর্ষণ
কিন্তু দশমী দুয়ারে- সবার চোখ খোঁজে গোপন
চিন্হ আঁকা যেখানে। খদ্দেররা সেখানে স্ব-ইচ্ছাতে
ই ঢোকে। কিন্তু একবার ঢুকলে কারো বেরোবার
আর থাকেনা খবর। নীলপদ্মের চৌষট্টি ছোট
ছোট পাঁপড়ির মতো চৌষট্টিটা পানপাত্র। আর
প্রত্যেকটাতে টলমল করছে অনিন্দ্য অমৃত।
সেই যে একটা পানপাত্র, ভীষণ সুক্ষ্ম হে তার
নলটা! পা বিরু বলে , সাবধানে ঢেলে ঢেলে জোটো।

(বিরুবা পা)


কবি লুবনা চর্যা

(লুবনা চর্যার নিবাস খুলনায়, প্রকাশিত গ্রন্থ দুটি, প্রথমটি চর্যাপদের পুনর্লিখন আর দ্বিতীয়টি তার নিজস্ব কাব্যগ্রন্থ "জিওগ্রাফী ইন আ জ্যু"। তার লেখা কিছু কাব্যনাটক আছে অপ্রকাশিত।তিনি একজন কবি ও চিত্রশিল্পী।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28970182 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28970182 2009-06-27 08:41:55
প্রতিবিপ্লবীর অট্টহাসি দে তোর দীর্ঘশ্বাসগুলো আমায় দে-
আমার ঘরবাড়ী উড়িয়ে নিয়ে যেতে যেতে
রণাঙ্গনে সে মুখোমুখি হয় রাস্ট্রীয় বনান্চলের
আমি শুধু দুর থেকে শুনতে পাই
প্রেত নয় স্পস্টতই প্রতিবিপ্লবীর অট্টহাসি-

সংবাদ পাই
বানভাসীর মতো করে আমিও নাকি
গৃহ বয়ে চলেছি অবিকল শামুকের মত!
ওহে অনুকরণীয় প্রতিমা সকল
স্থৈর্যের প্রতিমা হয়ে বসে থাকা সহজ,
ব্যাক্তির কাছে অব্যাক্ত থাকে
তোমাদের বিদ্রোহের নীতিমালা।

সভ্যতার বনান্চলে পলায়নই একমাত্র বিশুদ্ধ ইশতেহার!
বেড়ে চলা ঠান্ডা যুদ্ধে তারা যতবার দেখে শান্তি
ঠিক ততবার তাদের
রক্তে শ্বেতকণিকা বেড়ে ওঠে,
রক্তে লোহিতরংয়ের ভাটা পড়ে
বীর্যে বেড়ে ওঠে লৌহ-যান্ত্রিকতা-
প্লাস্টিক,ইলাস্টিক বাহাস-
শরীরকে অতিশুভ্র করে
গলায় পরে নিতে হয় শান্তির ফাস
অথচ সন্তানকে উদরস্ত করেই
উদয়াস্ত এই মেটাফিজিক্যাল অরণ্যে বেঁচে থাকার নিয়ম।

আমাদের বিগত কয়েকদশকের রোমান্চ শুধু এই যে
একদিন এক বিদ্রোহী
ঝড় এসে সকলের গলা চেপে ধরে বলেছিলো
দে তোর দীর্ঘশ্বাসগুলো আমায় দে-


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28960982 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28960982 2009-06-06 15:37:30
জড়ের মতই আজীবন অনশন এসে গেছে সেই সভ্যতার কোচোয়ান
মুখে বারুদ ফাটিয়ে-আড়চোখে দেখে
দুর উপবনে মুক্ত ঘোটক পালায়
মুক্ত কি বলাযায় রাইফেলের ডগায়?
অথবা অন্ধপাখীর ডানা চিনচিন
করে উড্ডয়নের বাসনা ধরে রেখে-
জড়ের মতই আজীবন অনশন
নিয়ে আসো রাইফেল,আরো ছিটাও রক্ত
তবু কেন তুমি চলে যাও মৃত্যুদূত?
আমার নৈশপ্রেম, বিডিএসএম
শাদা পৃষ্ঠা ভরে ফেলা অনৈতিক হেম!
পলায়নপর ঘোড়া ও পাখিটির খুঁত
রুপান্তরে হয় ব্যার্থ তবু সুধাসক্ত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28959698 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28959698 2009-06-03 19:43:13
ডাউনলোড করুন আমাদের ব্যান্ড মনোসরনির একটি আনরিলিজড গান

গান-অপরিচিত


ডাউনলোড করতে
এখানে ক্লিক করুন

কেমন লাগলো জানাবেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28956196 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28956196 2009-05-26 21:42:42
ইউসুফ বান্নার একটি কবিতা উত্তরের জন্য প্রশ্নগাঁথা

তর্জনী উচিয়ে বলি, কতদিন তুমি?
আর কতবার এ নদীর নিঃশ্বাস চুরি করে স্বগত অস্বীকার?

ভেসে যায় দ্রোহের নৃপতি-
তার রোমহর্ষের সতীর্থ প্রজারা
তাকে তুলে এনে ফেলে যায় একা
নিরুদ্দিস্ট বন- কবরের সংশয়ে
সে বেঁচে ওঠে প্রেত-
হাতের পাঁচে উন্মেষ থেকে আকাশে
উড়িয়ে দেয় চাঁদ- মান্জাসূতায়
তার হাত কাটা গেলে গোত্তা খেয়ে
ঘোর লাগা সে রাতে আকাশ ডোবায় পঞ্চমী।
মৃতের কোন অন্ধতা নেই-জীবন দেখবে বলে রোজ
জিকিরের প্রতিটি দানায় নতুন শব্দ জপে
তাল তুলে নিরুপায় ফিরে আসে-
হোক কাটা হাত, তাকে কংকাল ভালোবাসে।

তর্জনী উচিয়ে বলি, এইবার !
আঙুলের ভাজে ট্রিগারের উল্লাস
কত মৃত্যু হলে বল তুমি হবে পরম স্থপতি?
শেষতক সংগতি বিকিয়ে পূর্ণতা তবে এই-
সহস্র প্রাপ্তির স্পৃহা
পাইনি কি আর হিসেবের কতশত ভুল?
একক শুন্যতা কতটা সংগীত? একা হলে
কে কাকে ডাকে ? কার ডাকে সাড়া!
এযাবৎ অর্ঘ্যের সঞ্চয় কতটুকু বিষ?
আর কতটা তৃষ্না বাকি?
প্রশ্ন কাকে বলে? প্রেম কি তার বিশ্বস্ত সংগিনী?
তর্জনী উচিয়ে বলি, বল তবে আমি কার খুনী?

ভেসে যায় মোহের নৃপতি আমিও জানিনি

.....................................................................................................
ইউসুফ বান্না, কবিবন্ধু। খুব বেশী কবিতা ছাপা হয়নি তার। সম্প্রতি তার কোন লেখা ছেপেছে এমনটাও চোখে পড়ে না। খুব বেশী দেখাও হয়না। তার কিছু কবিতা পড়ে বেশ লাগলো। তার ভেতর থেকে একটি কবিতা শেয়ার করলাম।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28952628 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28952628 2009-05-19 04:47:53
ভালোলাগার অপর পৃস্ঠায় আমি দেখেছি যে,
আমার বেশিরভাগ ভালো লাগাগুলোই অন্যের কাছে অপছন্দনীয়।
সুন্দরের সামস্টিক একটি সরলীকৃত সংজ্ঞা আছে,
আমি কি তা মানতে প্রস্তুত নই?
আমার কাছে যা সুন্দর, তা কোন ঈশ্বরের অবৈধ বসবাস নয়।
অতএব আমাকে ছিটকে পড়তে হয়
অপর অথবা অপরাপরের তালিকায়।

অথচ অকারণ মুদ্রাদোষের মতো
ভালোলাগেনা এই কথাটা বলতে এত ভালোলাগে কেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28942163 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28942163 2009-04-24 22:04:52
আসুন একজন মুক্তিযোদ্ধাকে বাঁচাই
ইঞ্জিনিয়ার এ জ়ে এস এম খালেদ একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শিক্ষক। ১৯৭১ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। তিনি বর্তমানে শিক্ষকতা করছেন। পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রেও গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত ছিলেন বেশ কিছুদিন।
বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের 'শান্ত-মরিয়ম ইউনিভার্সিটি অফ ক্রিয়েটিভ টেকনোলোজি'তে একজন টেকনিক্যাল অ্যডভাইসার ও ফ্যাকাল্টি হিশেবে আছেন। এছাড়াও তিনি একজন প্রকাশিত লেখক। তার লিখিত দু'টি বই পোশাক শিল্পখাতে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করে এবং কারিগরিভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী। গত তিন দশক ধরে তিনি আমাদের গার্মেন্টস শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন।
ইঞ্জিনিয়ার খালেদ দুরারোগ্য রোগে অসুস্থ। থার্ড আইয়ের একটি লেখা হতে আমি অসুস্থতার কিছু বিবরণ দিলাম-
"স্কিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়া এই রোগটিকে ডাক্তারী ভাষায় 'কিউটেনাস টি সেল লাইফোমিয়া'বলা হয়ে থাকে । রক্তের শ্বেত কনিকায় এই ক্যান্সার আক্রমন করে রক্তের গতিকে শ্লথ করে দেয়। এই ধরণের রোগের চিকিৎসা যেমন দীর্ঘ সময় সাপেক্ষ, তেমনি ব্যয় বহুল। ১৯৯০ সনে জিফরানের বাবার এই রোগ ধরা পড়ে। দীর্ঘ ১৭ বছরের যুদ্ধের পর নিজের কষ্ট সহ্য করে যাচ্ছিলেন অনেকটা নিরবেই। দূরারোগ্য এই ব্যাধিটির চিকিৎসা জন্য ডাক্তাররা মেডিকেশনের কথা বলছেন। সেই সাথে ডাক্তাররা ৯০ হাজার ইউ এস ডলারের একটি আনুমানিক চিকিৎসা ব্যায়ের কথাও স্বরণ করিয়ে দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যার্নফোর্ড মেডিক্যাল ও পেনিসেলভিনিয়া মেডিকেশন সেন্টার এই চিকিৎসার জন্য উৎকৃষ্ট স্থান। চিকিৎসা ব্যায়ের এক বিশাল পাহাড় আর ভিসা জটিলতার দুষ্ট চক্রে পড়ে , বেঁচে থাকার যুদ্ধটা থেমে আছে ভারতের চেন্নাই আর ভেলোরে চিকিৎসা নেওয়ার মধ্য দিয়ে। তবুও খরচ হয়ে গেছে প্রায় ১২ লাখ টাকা !"
এই মহান মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষকের চিকিৎসার জন্যে অর্থ-সংস্থান প্রয়োজন। আমরা বিশ্বাস করি যে স্বাধীন জাতি হিসেবে আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে চিরদিনের জন্যে ঋণী। এবং সেই ঋণ অপরিশোধনীয়। তাদের প্রয়োজনের সময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নতুন প্রজন্মেরই কর্তব্য।

ইঞ্জিনিয়ার খালেদ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের জন্যে নীচে দেখুন
http://www.saveafreedomfighter.org/ (এখানে অনলাইনে ডোনেশন করতে পারবেন)

আর্থিক সাহায্যের জন্য সরাসরি ব্যাংকে টাকা দেবার জন্য:
বাংলাদেশে ব্যাঙ্ক একাউন্ট -

A. J. S. M. Khaled
Account no: 1510 2004 7077 5001
Swift Code: BRAKBDDH
Bank: BRAC Bank, Uttara Branch, Dhaka

অথবা সাহায্যে করতে যোগাযোগ করুন
Nazrul Islam 01713041767
Tareq Rahim 01715638962
Rokonuzzaman Ruzel 01670231887]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28940611 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28940611 2009-04-20 23:28:14
রঙ দু’টি ধ্রুব হোক অথচ কোথায় বসব আমি? কোন সাধনার শবাসনে নয়
আসলে বসে আছি ঘাসে─তৃণভোজী শুধু নিরীহ পশুরাই হয়
তবু হরিৎসেবীরা স্পর্শ নেয় হাতে; কোমল হলেও আজও
তাদেরকে মনে মনে আমরা অসুস্থ বলি─তাই উঠে যাচ্ছি...

কেন যে জানালা বন্ধ রাখো? তার পাশেই কতগুলো জলচিত্র
দেয়ালে ঝুলিয়ে ভাবছ তুলনামূলক ভাল লাগছে সেই খণ্ডদৃশ্য!
তোমার ভাবনায় ক্ষুদ্র বনসাই আজ তার নিজস্ব অহমিকায়,
তোমার কোমরে প্যান্টটি লাগাতে একটা বেল্টের প্রয়োজন হয়,
তোমার কুটির, প্রাসাদ আজ─কেননা একটা চড়াই বেঁধেছে তার নীড়।

আমি তো হাতে নির্দোষ ইক্ষু নিয়েও পরিজনের কাছে শুনেছি
মানুষের বাহুর চাইতে দীর্ঘ সকল বস্তুই নাকি মারণাস্ত্র!
এমন কী সামাজিক গান কণ্ঠস্থ হলেও আমার মনে থাকে না সুর!
নতুন করে কি আমি এ-ই বিশ্বাস করব? শেখা বাকি সেই মন্ত্র:
শেষ রাতে কুকুরের স্বাগত ধ্বনিতে যারা ঘরে ফেরে তারাই মহান লোক!

বর্ণান্ধ বোনটিকে রঙের বাক্স দিয়ে দেখি শুধু সাদা ও কালো
চোখে তার বসে আছে বর্ণচোরা ব্ল্যাকহোল; সব গভীরতা ছুঁয়ে যাচ্ছে দ্রুত...
পৃথিবীর সব রঙ উঠে গেলে পিঠে রোদ, সামনে ছায়া─রঙ দু’টি ধ্র“ব হোক।
(রচনাকাল-২০০১ সাল)
আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ "হুইসেল বাজছে পালাচ্ছে" তে প্রকাশিত)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28934161 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28934161 2009-04-06 00:35:58
কবি অনন্ত জাহিদ, নিজের মৃত্যুই যার শেষ ব্যাবহারিক কবিতা ১।
"হেলায় হেলায় দিন বয়ে যায়, ঘিরে নিল কালে।। আর কি এমন জনম, বসবো রে সাধুর মেলে। মানব জনমের আশায় দেব-দেবতাগণ বাঞ্ছিত হয়;"(ফকির লালন সাঁই)
আহা! মানব জীবন কতই না আকাংখাময় যে একজন দেহাত্নবাদীর কাছেও পুনর্জীবনের আফশোষ সৃস্টি করে, যে কিনা সাধনায় খোঁজে আলেক সাঁই, জ্যান্তে মরা পর্যায়, নির্জ্ঞান সুশাসন।তার কাছেও মনে হয়
একটা মানব জীবন বুঝি দেবতাদেরও আরাধ্য বিষয়। আর সেই মানব জীবন কিনা কবি ত্যাগ করেন নিদারুণ অবহেলায়! কবি অনন্ত জাহিদ আত্মহত্যা করেছেন। আর আমরাও বেঁচে আছি। আমরাও লিখছি কবিতা, সময়ের অন্তর্লীন স্বাক্ষরে।
২।এই তো অল্প-কিছুদিন আগেই আমাদের এক কবিবন্ধু সুমন প্রবাহন প্রবাহিত হলো জীবনের বহির্মূখী স্রোতে। কবি সুমন প্রবাহন গতবছর ১৯শে এপ্রিল আত্নহত্যা করেছিলো। আমরা, তার অর্বাচীন বন্ধুরা গিয়েছিলাম তার মৃত্যুর পরে তার নিস্পন্দ হৃদয়ে আরো রক্তক্ষরণ বাড়াতে।
একটা আশ্চর্য মজার বিষয় কি জানেন, এ অনন্ত জাহিদই সুমন প্রবাহনের বই নিয়ে একটি ২০-২৫ পৃঃ দীর্ঘ আলোচনা পাঠিয়েছিলেন অভিজিৎ দাসের কাছে মাস কয়েক আগে।
-শুধু বুঝতে পারি কোথাও একটি নির্মম রসিকতা করেছে যেন কেউ।আমার একটি অক্ষম আক্রোস হয়। কার প্রতি জানিনা।
৩। কবির বৈরাগ্য তবে কোথায়?
-অন্ধকার শেষে আলোর রৌদ্রে দাড়িয়ে আছে যে নির্ভুল রংজ্বলা জাহাজ। তা-যে কখন এসে আমাদের জীবিতদের নগরে এসে পুনরায় ডেকে নিয়ে যাবে কোন কবিকে তা-কি আমরা জানি?
-তবে হে মিথ্যুক জীবন-তুই তো মূলত প্রহেলিকা,
কোথায় তোর সমগ্রের অমোঘ টান,
তুই তো জীবনের সারথি রুপে থাকিস নি কবির নিকটে,
তুই সাগ্রহে এগিয়ে আসিস বিচ্ছিন্নের কৃপাহত্যা সম্পন্ন করতে!
এমত প্রতারক রুপ কেন তবে কবির সাথেই!

৪।আত্নহন্তারক কবিদের সাথে যদি আমার কোন বৈঠক হতো তবে জানতে চাইতাম কোন কবিতাটি সবচেয়ে মৃত্যুময়।
-আমিও সেইসব চাতকের কাছে বলেছিলাম
জীবন মূলত স্থুল আত্নসুখবাদী অধ্যায়ের
একটি মৃত্যুমুখী অবয়বমাত্র-

মৃত্যু নিয়ে জীবিতদের কোন নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নেই।
অথচ জীবন নিয়ে মৃতরা কত সহজেই দেখিয়ে দেয় তার অবিচল সিদ্ধান্ত!

৫।শামীম কবির,সন্চয় প্রথম,সুমন প্রবাহন,অনন্ত জাহিদ...........(সময়ের হাতে যখন শুন্যস্থান পুরণের লোভী দায়িত্ব)(যুক্ত হয়ে চলার ইনফিনিটিভ ওয়ে অফ ডেথ)
৬। অনন্ত জাহিদের সাথে দেখ পরিচয় সেভাবে হয়নি,কথা হয়েছেও দু'একবার মাত্র।আজ সন্ধ্যায় তার মৃত্যুসংবাদ শুনে মনটা ভারী হয়ে গেল, তার মৃত্যু নিয়ে আমি সবিস্তারেও কিছু জানিনা।
কবি ও তার নীরব প্রস্থান শুন্যস্থান সৃস্টি করে মগজে,আর বেদনা হয় না কবি-কেননা নাগরিকরা মৃত্যুসংবাদ শুনে অভ্যস্ত হয়ে গেছে, তারা আর গন্ডির ভেতরের মৃত্যু ছাড়া আর কিছু ভাবে না। কিন্তু কবির বেদনা ,কবির নিঃসংগতা একজন কবি খুব ভালোই বোঝে।
কবি, তোমার নীরব প্রস্থান শুন্যস্থান সৃস্টি করে মগজে,আর বেদনাও আর হয় না!কবি,কেবলই দুশ্চিন্তা বাড়ে প্রতিভাবানের সেচ্ছামৃত্যুতে।

ভালো থেকো কবি।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28931535 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28931535 2009-03-31 01:57:46
ভালোলাগা ইনসট্রুমেন্টাল, Michael McGoldrick band এর - Watermans
আহা! Michael McGoldrick band এর পার্ফরমেন্স অসম্ভব ভালো লেগেছিলো,এখনো কানে লেগে আছে! এরপর থেকেই স্কটিশ ও আইরিশ ফোক মিউজিকের প্রতি আমার আগ্রহ বেড়ে যায়। চান্স পেলেই তাদের মিউজিক শুনি
Michael McGoldrick band এর মিউজিক প্যাটার্ণ সেল্টিক (Celtic)।সেল্টিক কি তা সংক্ষেপে বলতে গেলে মোটাদাগে বলা যায় স্কটল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের ট্রাডিশনাল ফোক মিউজিককে বলা হয় সেল্টিক মিউজিক।
গত কয়েকদিন ধরে এই ট্রেকটি বারবার শুনছি।অনেক ভালোলাগছে <img src=" style="border:0;" />। আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
বি:দ্র এই মিউজিকটা ভায়োলিনে তুলবো ভাবতেছি। শুইনা শুইনা তোলা অনেক সময়ের ব্যাপার। স্টাফ নোটেশন লাগবে। স্টাফ নোটেশন অনেক খুজেও পেলাম না নেটে <img src=" style="border:0;" />। যদি কেউ একটু কালেক্ট করে দিতেন বড়ই উপকার পেতাম।
পুন:বি:দ্র গিটার প্রো বা পাওয়ার ট্যাব দিলেও হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28928413 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28928413 2009-03-23 18:00:50
সদ্য বের হওয়া আমার বই থেকে একটা টাটকা কবিতা
পৈতৃক যাযাবর

পিতামহ তুমি লুকিয়েছ কোথায়? উত্তরাধিকারী আমি
তোমার সমাধি খুঁড়ে হাড়গোড় নয়, মুকুট পেতে চাই!
উত্তাপে শুধু দুধ নয়,বিষ নিজেও ঘন হয়
তাই বুঝি মেঘের এমন মাত্রাবিহীন বজ্রপাত? নিখুঁত মাতৃছায়ায়
বিদ্যুৎ ছাড়েনা তোমাকেও! প্রতিটি সমাধি খুঁড়ে তাই
মেঘদূত পোড়াবেই মুকুট─গলিত সমাধি ফলক তাই বলে।
ছাড়ে না মৃত্যু, ছাড়ে না জীবন, কেউ কাউকে ছাড়ে না।
স্বেচ্ছায় চাইছি অভিশাপ, কারাগার, গুপ্ত দরজার চাবি
যে দরজায় প্রহরী নেই, মুণ্ডুতে ঝুলে থাকে ফাঁসি...

উল্লাস ভালবাসি তাই পিতার মৃত্যুতে কি আসে যায়?
যে মৃত্যু আমাকে করেছে প্রাপক─বিষয়ে করেছে বিষয়ী!
তর্জনীতে বল চাইছি, অনুতাপ নয় তাপ চাইছি।
উত্তাপে শুধু দুধ নয়, বিষ নিজেও ঘন হয়...

সমাধি খুঁড়ে দেখি শুধু হাড়গোড়! হায় আমার নিঃস্ব পূর্বসূরি!

চুলের মুকুট লাগিয়ে মাথায়, করোটির হঠাৎ ভয় হয়।

(গত দশ তারিখে আমার একটা কবিতার বই বের হয়েছে <img src=" style="border:0;" /> নাম-হুইসেল বাজছে চোর পালাচ্ছে
প্রচ্ছদ করেছেন:শিল্পী শাওন আকন্দ

প্রকাশ করেছে:সুমন প্রবাহন স্মরণ প্রয়াস
পাওয়া যাবে:বইমেলার লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে, "কালনেত্র" স্টলে।
মূল্য:৭৫ টাকা)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28912256 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28912256 2009-02-17 01:28:32
বইমেলায় প্রকাশ হচ্ছে সাহিত্য পত্রিকা শুন্যমাতাল শুন্যমাতালের কভার।

সুমন প্রবাহন-এর স্কেচ অবলম্বনে

সম্পাদনা পর্ষদ:
তসলিম মুস্তাফিজ
মুয়ীয মাহফুজ
নৃপ অনুপ
সাইদ র'মান
তুহিস দাস
অভিজিৎ দাস

দাম:১৫

পত্রিকাটি একটি সুমন প্রবাহন স্মরণ প্রয়াস প্রকাশনা

পাওয়া যাবে:
বইমেলার লিটল ম্যাগ চত্বরের "কালনেত্র" স্টলে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28909883 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28909883 2009-02-11 23:14:59
ইউথানাশিয়া একটি সরব আড্ডাখানার খুব কাছাকাছি এসেও নীরবে চলে গেলে!
তোমার পোকায় ধরা দাঁত দিয়ে সাবঅলটার্ণ আঙুল-হতে শুষে নিলে লাল বিপ্লব!
তোমার নাম আমি কনিস্ঠ প্রতিভা রাখতে চেয়েছি।
যে তুমি দেয়াল থেকে আনমনে খুঁটে ছিড়ে ফেলো সবুজ শ্যাওলা
যার কাছে গুন্জন মানে দাবীর প্রকাশ!

এখনও সেইসব আধুনিক চিন্তাকাঠামোতে আশ্রয় খুঁজে পাও চড়ুই পাখীর মতোন!
যা কিনা প্রকৃতির কল্পিত সাম্যাবস্থা নির্ভর,
সেইসব ধূসর মানচিত্র
কিভাবে যেন চলে এলো মানবজীবনে...

অথচ সকল সাম্যের খুব কাছাকাছি এসেও,আপাত জৈবিকতায়
অথবা প্রগাঢ় ঘনিস্ঠতায়...একজনই কেবল প্রত্যক্ষ ভূমিকায়!
তুমিও মেনে নিয়েছিলে তা!এমত সীমাবদ্ধতার পরও আমি আমার
ভূমিকায় নিস্ক্রিয় আছি দেখে দেখে তুমি কেন পাপবোধ কর?

ইদানীং আমি আর কোনো মেনিফেস্টো পড়ে দেখি না,
অজস্র মেনিফেস্টোর ঘুড়িরা ধারালো মান্জায়
সুসজ্জিত হয়ে
করছে কাটাকাটি...অজস্র চীৎকার...ভোকাট্টা...ভোকাট্টা..
শোনা যায় অবিকল দাবীর মতো করে।
প্রগতির অতি বিচ্ছিন্ন সুরে গভীরভাবে কান পাতলে শুনতে পাবে ইউথানাশিয়া ডাকছে।
ডাকছে তোমাকে...
না,তুমি শুনতে পাবে না,
কারণ ইদানীং আমি আর কান পেতে পেতে দাবীর শব্দ শুনি না।

তবুও তোমাকে আমার দরকার,
আমার কৃপাহত্যার সহযোগী হিসেবে
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28894442 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28894442 2009-01-08 00:05:07
নির্ভাবনা অনেকটা যেন হাড় আর মাংসের সম্পর্কগাঁথা।
তবুও নীরব থেকে যখনই উচ্চারণ করি চিন্তার ভাষায়,
উচ্চারণ গুলো কেন যেন চীৎকার হয়ে যায়।নৈশব্দের আবছায়ায়।
নকশীকাথার মত উর্ণজাল বুনে চলি,
উচ্চারণমাত্র যা অর্থহীন হয়ে যায়!

মুক্তির চাইতে আপাত বক্তব্য নেই কোনো,
অথচ,কোনো দায়িত্বযুক্ত তত্বের মাঝে,কবিতায়-বাড়ে দায়।
অতি প্রাচীন যেন-পুরাতন।

প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীদেরদের ঘুমের মতো করে,
পৃথিবীর রোদে জল বয়ে গেলে,
পাঁচিলের শ্যাওলায় কাব্য ঘোরাফেরা করে...
এমন সময়ে একটি অকেজো মিসাইলে বসে বলে শিশু আফগান:
পৃথিবীর চোখে হিংস্র আমি-তুমি তো হে এমন নও!
তবে তুমি ভাবনার তীরন্দাজ হও।

আমি ভাবি নির্ভাবনায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28891082 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28891082 2008-12-31 18:19:50
স্পীড মেশিন, গিটারিস্ট মাইকেল এ্যান্জেলো..Speed Lives - No Boundaries " style="border:0;" />

ইন্সট্রুমেন্টালটার নাম হলো Speed Lives - No Boundaries by Michael Angelo Batio..
সব ফাস্ট ইন্সট্রু আবার আমার ভালো লাগেনা।নিউ ক্লাসিক্যাল প্যাটার্ণের গুলো আসলেই অসাধারণ <img src=" style="border:0;" /> ।
এই ট্রেকটাতে এ্যান্জেলো যে মোৎসার্ট,পেগানিনি ও জোহান সেবাস্টিয়ান বাখ দ্বারা ব্যাপক প্রভাবিত সেইটা ভালোমতোই বোঝা গেছে..পেগানিনির "ফিফথ ক্যাপ্রিসের" চুম্বক অংশটিতো হুবুহু ও দারুণভাবে তার এই নিজস্ব কম্পোজিশনে জুড়ে দিয়েছেন।আর সুপার গিটারিং ও ফ্রেটবোর্ড জিমন্যাস্টি তো আছেই!
দেখে ফেলুন...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28889750 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28889750 2008-12-29 15:06:21
সাহায্য চাই।<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_16.gif" width="23" height="22" alt=":((" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_16.gif" width="23" height="22" alt=":((" style="border:0;" /> " style="border:0;" /> এখন আপনারাই আমাকে সাহায্য করতে পারেন।এ.ভি.আই মুভি আর এস.আর.টি ফাইল একসাথে কিভাবে প্লে করে?]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28880858 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28880858 2008-12-10 22:54:45 ফাল্গুনী রায়ের কয়েকটি কবিতা













কবিতাগুলো http://www.boipara.com এর এই লিংক থেকে পাওয়া।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28866590 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28866590 2008-11-09 04:26:29
যৌথপ্রয়াস(অভিজিৎ দাস ও মুয়ীয মাহফুজ বিরচিত)
যে পাখি অচিন হয়ে থেকে গেল দেহের খাঁচায় অন্তরীন
শুভ্রতর ডানা নিয়ে উড়ে যেতে বলো তাকে শান্তির স্ব-পথে
গতকাল যার চোখে সুপেয় অমৃত দেখে ঠোঁট নেড়েছিলে
আজ রাতে তার মুখ বিষাদে আবৃত হয়ে কাঁপায় তোমাকে

তুমি মানে আমাদের সে,তিনি বা তাহারা ক‌‌'জন
নিজ আয়ুরেখা নিয়ে বক্রতর বৃত্তের গোলক
জ্যামিতি না জেনে শুধু কেন্দ্রভূক বিন্দু গেঁথে রাখে
হৃদয়ে অমেয় ব্যাধি প্লাবনে যাপিত এই শোক!
যে পাতক অতি পরিচিত রুপ দেখিয়ে হয়ে গ্যালো বিমুর্তাক্ষর ছন্দে শুভ্রভাব তার তবে তাপিত রুপ দেখে অন্ধের রঙে,বিজন! অবিকল যন্ত্রের রুপে তবে তার দৈহিক রুপে কিংবা চোখে নির্ভরতা অনুভব হয় কিন্তু অবশেষে রয়ে গ্যাছে পলায়ন! "তথৈবচ" বলে বলে আরো কিছু দিন কাল কেটে যাক, ওপারের সবুজ বলান্চলে বৃক্ষপতনের ডাক শোনা যাক। মৃগনাভি তার ব্যাক্তিগত গন্ধে যে দিন কাটাচ্ছে তা ভালো কি মন্দে, এইকথা কোনো এক উন্মাদ তার নিজ মনে কিন্তু জোর উচ্চারণে তোমার কানে কানে এসে বলে যাক, রক্তঋণ কিছুটা পূরণ হবে,কেউ জানবে বা কে খুণী এমন ভীষণ রণে।

তোমার অন্ধত্ব নিয়ে অরণ্য ঝড়ের খুব প্রিয় হলে বুঝি
দিব্যদৃস্টিরেখা ধরে খুঁজেছ সরল কোনো পথ!
এই বেলা আমি হতে আমার দূরত্বে তাই খুঁজি
মূর্তমান বাস্তবের অলীক বিমূর্ত অবয়ব

সেই ঘোর কেটে যাবে নাকি কাটবে নিজেই ঘোর
অপরের মলিনতা স্বরুপে ধারণ করে সুঘণ নিভৃতে
যেই ঘরে বসতি গড়েছ,নিজেই সেজেছ চোর!
যতটা আসক্তি নিয়ে ফিরে গেছো কামার্ত আবেশে।

তরিতাবেশ ঘিরে ধরে আততায়ীর আশীর্বাদ বা নির্দেশে আততায়ীরা অতি পরিচিতই হয়,প্রাক্তন শুভাকাংখীর বেশে তবুও আমাদের এই সুপরিচিতির অন্তরালের যে ঘোর তা যেন আমারই দর্পনের প্রতিরুপ যা দেখে চলছি প্রতি প্রভাতে। না চাইলেও হরিদ্রার হলুদে রুপায়িত হবার ঘটনাও ঘটে আমাদের ঘোর যায় কেটে,গিলোটিনে কাটা পড়ে বোধ শোক হয় না কোনো তবুও নির্বোধ কিছু অনূভূতিও চলে বটে, মংগলের ক্যামোফ্লেজে সৈনিকের হয়ে জীবন কিছুটা করে শোধ।
ইটালিক করা পংক্তিগুলো মুয়ীয মাহফুজ এবং সাধারণ ফন্টে লেখা অংশগুলো অভিজিৎ দাস কতৃক বিরচিত <img src=" style="border:0;" />
একরকম অঘোষিতভাবেই আমি আর অভিজিৎ হঠাৎ কাব্যবাণে বিদ্ধ হতে হতে অনুভব করলাম যে আমাদের দুজনারই কবিতা লিখা উচিত।তো আমরা দুজন মিলেই একটা কবিতা লিখলাম।যৌথকবিতার বিষয়টা একেবারে অপ্রচলিত এবং সংশয়েরও বটে,তাই তা চোখেও পড়েনা তেমন।

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ
ইহা একটি প্রয়াসমাত্র।অধিক যৌথকবিতা রচনা করিতে থাকিলে ব্যাক্তিক কবিসত্তার তরে ক্ষতিকর হইলেও হইতে পারে।এ বিষয়ে কোনোই গবেষণা হয়নাই বলিয়া নিশ্চিত করিয়া কিছু বলিতে পারিলাম না। : <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28862943 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28862943 2008-11-01 12:29:52
শৈত্যপ্রদাহ ও একজন ঝড়প্রিয় প্রান্তিক মাঝি বজ্রপাতের প্রতিচ্ছবি ভেসে বেড়ায়
পৃথিবীর শেষ পদ্মায়-
জলাসক্ত হয়ে উঠছে আমার নৌকা,
পেট ভরে আছে তার মিথিক্যাল রুপালী ইলিশে,
নৌকার পাটাতনের নীচে বিভিন্ন মাছের বৈঠকে
উপস্থিত থেকে যায় জেলের অনুপস্থিতি।
দূর থেকে একটি লাইটহাউজ চোখ মেরে যায়
অবিকল তারার মতো করে...
অসুস্থ জলে ঝড়ের মাঝে ভেসে রয়েছি
ভাঙা হাল ধরে...
এমন ঝড়ে আরেকবার ডুবে যাক পরিচিত নৌকা আমার।
কেননা যা কিছু হারিয়েছি আমি
তার সব হিসাব রয়ে গেছে লোকালয়ে,আড়তঘরে...
নির্জনতায় তা-ই খুঁজে পাই।
তারার গননার মতো হিসেবে ব্যার্থ হলেও
অশেষ চালিত হবার নির্বিশেষ আনন্দে টিকে থাকি।

আকাশ ভাঙণের শব্দ শেষ হলে,শৈত্যপ্রদাহ
কোমর পানিতে দেখি দাড়িয়ে আছি,আর কিছুই নেই মনে।
চিরকাল ভুলে থাকি হেরে যাবার স্মৃতি,প্রয়োজনে মূর্ছা যাই
নৌকাডুবির সময়ে..

কি করে কি হয়?
ভাবি,
আমরা এমনই জাতি।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28861061 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28861061 2008-10-28 15:08:28
ডেইলী স্টারেপ্রকাশিত এক রাজাকারের আইডি কার্ড দেখে আমার কিছু অনুভূতি
সত্যিকার অর্থে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে কোনো প্রত্যক্ষ্য অভিজ্ঞতা নাই।যা আছে তা সম্পূর্ণ কিছু ফিল্ম,বই,ডকুমেন্টারী,ইতিহাসে সীমাবদ্ধ।আমি জানি আমি আসলে সঠিক পরিমানে দেশপ্রেমিকও হইতে পারি নাই,আমার স্বীকার করতে দোষ নাই যে আমাদের রাজনীতির লোকজন এই সমাজের প্রতি আমাকে বিষিয়ে তুলেছে।আমি ব্যাক্তি বিচ্ছিন্নতার ফাঁদে পড়ে অস্তিত্বের স্বাধীনতার মধুরতম কথা ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হয়ে পড়ি।
মুক্তিযুদ্ধ মানেই আমার কাছে আমার অনাগত অস্তিত্বের পূর্বের কিছু বিস্ফোরণ,ধোঁয়াওঠা ছাপড়া ঘর,গুলিতে ছিদ্র হয়ে যাওয়া ভাতের ডেকচি,স্বাধীনতা পরবর্তী নৈরাজ্য এসে আমাকে আরো অস্থির করে তোলে।ভেংগে পড়া সমাজের জন্য আমার দায়বোধ হয়,আমি কিছু করতে গিয়ে ব্যার্থ হই,আমাকে একঘরে করে রাখা হয়।আমি আবার হাল ছেড়ে দেই।শুধু ভেতরে ভেতরে একটা শৈত্যপ্রদাহ ঘটে যেতে থাকে।আমি আর কিছুতেই নড়ে উঠতে পারি না।
কিছুদিন আগে ব্লগার নাজিমউদ্দীনের পুরণো লেখা পড়তে পড়তে হঠাৎ এ ছবিটি চোখে পড়ে।একটা নির্লিপ্ত প্রাতিস্ঠানিক ছবি,অথচ কতটা ঋণাত্নক ইতিহাস তা বহন করে!আমার কারো কাছে কোনো বিষাদ,কিংবা রাগত বাসনাও এখন আর হয়না,কোনো অনুভূতিহীন তবে কন্টকময় প্রাচীরে ঘিরে আমি আমার পোষা কুকুরটিকে নিয়ে বসে থাকি তারকোভস্কির "নস্টালজিয়া"র শেষ দৃশ্যটির মতো করে...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28860349 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28860349 2008-10-27 03:21:08
জার্নালের একটা মোবাইল ফোনে করা শর্টফিল্ম "স্টে ইন টাচ" " style="border:0;" />আসুন কথা না বাড়িয়ে ফিল্মটা দেখে ফেলি...
ইউটিউবে গিয়ে দেখতে চাইলে বা পুরা লিংক দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28858451 http://www.somewhereinblog.net/blog/muizblog/28858451 2008-10-23 02:50:15