শায়খের ডায়রি ঃ 01
০২ রা মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১:৩৯
প্রিয় ডায়রি,
কী আর বলিব। আঙুলে কলম সরে না। বিবিবাচ্চাদের কথা ভাবিয়া দিল বেচইন।
খাঙ্কির পুলারা বিদু্যৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করিয়াছে, আজ রাতে হিন্দি সিনামা দ্যাখা হইবে না। কিছু ভিসিডি অবশ্য আছে সাথে, কিন্তু এখন অত রস নাই। তাছাড়া সাথে দুই সাহাবা আছেন, ওনারা কী ভাববেন।
গতরাতে যখন উহারা আমার দরজায় ঘা মারিয়া চিঁচিঁ রবে ডাক পাড়িতেছিলো, মা কসম ঠাকুর, মস্তকে খুন চাপিয়া গিয়াছিলো। তরবারিখানা দস্তে লইয়া দরজা খুলিয়া হারেরেরে রবে নারা দিলাম, কহিলাম কোন কাফের আসিয়াছে মুনতাকাল হইবার জন্য, শুধু দেখিলাম কালা উর্দি পড়া কয়েকটি মূর্তি দুর্দাড় করিয়া পলায়ন করিলো। সশস্ত্র শায়খের সম্মুখীন হইতে ভয় পাই এই দুরাত্মারা। তাছাড়া ইহাদের প্রশিক্ষণও নিম্নমানের। আমার মতন কান্দাহারি কেরামতি তো ইহারা শিক্ষা করে নাই।
কিন্তু উপরমহল হইতে কোন ইশারা পাইয়া, অথবা না পাইয়া এই জাহেলদের বেআদবি সীমা ছাড়াইয়াছে। উহারা পর্যায়ক্রমে গরম পানি ও গ্যাস মারিয়াছে। উহারা বেশক ভুদাই। কারণ আমার এক সাহাবা বালতিতে ঐ গরম পানি জমা করিয়া দ্্বিপ্রহরে গোসল করিয়াছে। আরেক সাহাবা গ্যাসের কৌটাগুলিকে আরেকটি বালতিতে জমা গরম পানিতে চুবাইয়া রাখিয়াছে। এই পেটোয়া বাহিনীর আমলের প্রতি আমার করুণা হয়। ইহারা আবার হিম্মত করিয়া আমাদিগের বিরূদ্ধে লড়িতে আসিয়াছে! আনপঢ়!
আমার এক সাহাবা সন্ধ্যায় গুনুর গুনুর করিতেছিলো, পেটে বোমা বাঁধিয়া, মুখে ফেট্টি বাঁধিয়া সেই কাবুলি কৌশলে হারেরেরে নারা তুলিয়া র্যাববাহিনীকে আক্রমণ করিলে কেমন হয়? জিহাদ হইলো, শহীদও হইলাম, শত্রু মরিলো, বেহেস্তও বাগাইলাম। আমি উহাকে সপাটে এক চড় মারিয়াছে। কত্ত কাজকাম বাকি এখনো। তাছাড়া খুদখুশি করিবে এহসারগণ, জান কুরবান করিবে এহসারগণ, উহা কি আমাকে শোভা পায়? আমি বয়স্ক মানুষ, বিবিবাচ্চা রহিয়াছে আমার!
ভাবিতেছি সকালে উঠিয়া মিডিয়ার সাথে কিছু গুফতগু করিবো। এখন যাই, পাইখানা করিয়া একটু ঘুমাই। কিসমত দরাজ আমার, ভুদাইগণ গরম পানি পর্যাপ্ত পরিমাণে মারিয়াছে, বিপদে পড়িতে হয় নাই। টয়লেট পেপার বড় নাপাক জিনিস, পানি ছাড়া ঐ কাজে আনন্দ নাই।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অপ বাক বলেছেন:
গোধুলি ওয়াজের বাজার এখন ভালো, মুখফোড়ের লগে খতা খয়ি লাভ নাই হ্যাতেনে কিছু দিব ন ,এডা কি খইলেন ভাইছাফ, লাস্ট পাতাটা তুইল্যা দিলেন, র্যাবে পাইলে দিবো নে।
অতিথি বলেছেন:
রসের সৃষ্টি! অপূর্ব মিষ্টি!!
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ সবাইকে।
অতিথি বলেছেন:
ও নো ! মুখফোড়....ফুটিফাটা গদ্য ! আমি উত্তেজিত !
অতিথি বলেছেন:
অসাধারন
অতিথি বলেছেন:
নাহ সাদিক, আপনারাই আমার লক্ষী পাঠক, আপনাদেরকেই মনের কুলুঙ্গিতে তুলে রাখি, ধূপধূনা দিয়ে পূজা করি, ফলমূল নৈবেদ্য দেই। পত্রিকার পাঠককূল মুড়ি খাক, আর পড়ার ইচ্ছা থাকলে এসে পড়ে যাক।
অতিথি বলেছেন:
ভায়া একটা কবিতে লিখছিলাম আজকে একটু পইরে যান,
অতিথি বলেছেন:
খুবই ফাঁটাফাটি রকমের ভালো হয়েছে। দেশের কোথাও প্রকাশ করতে পারলে জোশ হতো। পাঠ।াবেন নাকি যায়যায়দিন বা সাপ্তাহিক 2000 এ? পাঠিয়ে দিন ইমেইল করে।এবার বাংলাভাইয়ের ডায়েরীটা লিখতে পারেন। আনন্দ পাবে পাবলিক।
নীরবতা বলেছেন:
ডায়েরীটা কুনখান থেকে আব্ধার হইলো? হ। ঠিক কইছেন সাদিক ভাই ।
বাংলা ভাইয়ের ডাইরীটা লিখে ফালান।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















ল, এইবার আমার পাওনা দে। দেশে রাজনৈতিক দলের এতো গুনগান করলে এতোক্ষনে ট্যাকার সাগরে ভাসতাম...