একটা সময় বাইরের খাবারের প্রতি খুব লোভ ছিল। আমার রুচিটা একটু অন্যরকম। টানা কিছুদিন একটা খাবার খুব করে খাই, কয়েকদিন পরে দেখা যায় সেটার উপর থেকে রুচি উঠে যায়।
ইগলু স্যান্ডউইচ নামক একটা আইসক্রীম ছিল(এখন পাওয়া যায় না) দুটো বিস্কুট দিয়ে চাপা দেয়া ছিল আইসক্রীমটা। নাইন/টেনে থাকতে বেশ খেয়ে ছিলাম।
কোন আইসক্রীমটাও বেশ খেয়েছি এক সময়। এখনও আইসক্রীম খেলে কোন-ই বেশী খাই। আইসক্রীম আমার তেমন পছন্দনা তবে কোনটার উপরের কুড়মুড়ে অংশটার জন্যে খাই।
ফ্রেন্চ ফ্রাইয়ের মতন দেখতে স্লান্টি চিপস্(নামটাও ভুলে গিয়েছিলাম, খুব কষ্টে সকালে মনে করেছি) একটা সময় অনেক খেয়েছি। তার পরে রুচির বদল হয়ে গেলে খেতাম পানি কালারের প্যাকেটে সাদা পাপড়ের মতন চিপস(এখনও মাঝে মাঝে খাই)। কিছুদিন আগেও খেয়েছি রিং চিপস(এখনও আব্বা আনেন)। এটা এখন আর ভাল লাগেনা।
বিকেলে পুরী,-মোগলাই ছিল একটা সময় বাধ্যতা মূলক। একদিন না খেলে মনে হত বিরাট লস হয়ে গেল! আর সেই পুরী এখন মাসে একদিন খাওয়া হয় কিনা সন্দেহ আছে। নানাভাই বাসায় আসলে সন্ধ্যায় নিয়ে আসেন। বলতেও পারিনা এখন আর পুরি খাইনা।
সকালে(১১-১২টার মধ্যে) সিংগারা খাওয়াটাও অনেকটা বাধ্যতামূলক ছিল। এখন কলেজের ক্যান্টিনে খাওয়া হলেও বাসায় খুব একটা খাওয়া হয়না।
ফুচকা টা খুব একটা পছন্দ না হলেও মার্কেটে গেলে এটা খাওয়া হত, এখনও মোটামুটি খাওয়া হয়। বান্ধবীদের পাল্লায় পড়ে খেতে হয়। তবে ফুচকার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এটা খেতে নেকাব খোলার প্রয়োজন পড়ে না খুব একটা, না খুলেও খাওয়া যায়।
এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশী পছন্দ লাচ্ছি। গরমের সময় মার্কেটে গেলে এটা খাওয়া হয়।
চিন্তা করছিলাম বুড়োদের দেখি এটা ভাল লাগেনা-ওটা ভাল লাগেনা। আমারও দেখি সেরকম হচ্ছে!
আম্মা-বান্ধবী সবাই বলে আমি নাকি বুড়োদের মতন করি। চলাফেরা-রুচি র মাঝে নাকি আমার বয়সী কোন ছাপ নেই।
আমার তো কোন খারাপ লাগেনা। বরং সবার মনে এত্ত রং দেখে আজিব লাগে। কত ফূর্তি, কত রং যে সবার মনে।
বয়সের দোষ দিতে পারছিনা এটাকে কারন আমার বয়সীরা আমার মতন না। নিজের ই দোষ এটা....তার পরেও যেভাবে দিন যাচ্ছে যাক না...খারাপ কি....বেশ তো আছি!
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০১১ সকাল ১০:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



