সেই চিরপরিচিত মেলা। রং-বেরংয়ের শাড়ি, জামা, পান্জাবীর সমারোহ। কেউ কেউ দেশজ ছাপমারা টিশার্ট পরেছে। একটা টি-শার্টে এক ঝাঁকড়া চুলের বাঁশীঅলার ছবি দেখে জানতে চাইলাম নজরুল? অবাক ক'রে দিয়ে নতুন প্রজন্ম জানালো 'সুলতান'। এমনভাবে বললো যেনো নজরুল সুলতানের পার্থক্য ধরতে না পারায় আমার সাজা হওয়া উচিত। একটা পিচ্চির সাথে পরিচয় হলো। সবার কোলেই যায়, খুব মিশুক। আমাদের সবার কোলেই কিছুক্ষন ক'রে থেকে মায়ের কোলে ফিরে গ্যালো।
বিহংগের সাথে কথা হলো লুইজিয়ানাতে কিভাবে কথা বলার -ঘোরার সংগী পেলো সেই নিয়ে। মেহরাব শাহরিয়ারকে সে অনেক ধন্যবাদ দিলো এই জন্যে যে মেহরাবের বন্ধু সেদিনের নীড়-ছাড়া বিহংগ কে অচেনা শহরে অনেক সংগ দিয়েছিলো। অন্তর্জালের এই এক সুবিধা-মুহুর্তে বন্ধু খোঁজা যায়, অচেনা শহরেও কথা বলার লোক পাওয়া যায় এভাবে।
জর্জিয়ার দেশী কমিউনিটি দেখলাম বেশ সহমর্মী। গল্পের মধ্যে একজনের একটা সমস্যার কথা এলো , অন্য কয়েকজন তক্ষুনি সেটার সমাধান করতে বেরিয়ে পড়লো।
মেলা চলবে প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত। আমার ব্লগার-মেলা দর্শন এবং অংশগ্রহন শেযে যখন ফিরছিলাম, তখনো দেখি মানুষজন আসছে। কারো কারো গাড়ীর অডিও প্লেয়ার থেকে উচ্চস্বরে ভেসে আসছে: মেলায় যাইরে...।
যে প্রজন্মের টি-শার্টের সামনের ছবিটা এস. এম. সুলতানের আর পেছনেরটা মাশরাফি মোর্তজার...তাদেরকে অভিবাদন জানানোর
এই সুযোগটা ছাড়লে করোতোয়া-চিত্রা সব নদীর অববাহিকার মানুষের কাছেই অপরাধী থাকতে হ'তো আমাকে।
ধন্যবাদ বিহংগ, আমাকে সেই অপরাধবোধ থেকে মুক্ত হবার সুযোগ দেবার অনুঘটকালী করার জন্য।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


