যেই কয়টা সিডি ছিলো শুনতে শুনতে ভাজা ভাজা হ'য়ে গেছে, সাউণ্ড ট্র্যাকের স-শুনলেই বুঝতে পারি কোন গানটা বাজবে। চেষ্টা করলে বলে দিতে পারি তার শানে নযুলও। শুনেছি তাঁর গানের সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার। অনেক দিনের ইচ্ছা একটা আই-পডে সবগুলো গান ভ'রে ধুমছে শুনবো এক সপ্তাহ ধ'রে। অংকের হিসাবে সপ্তাহের একটু বেশি লাগবে। একটা শুনতে যদি গড়-পড়তা পাঁচ মিনিট লাগে, আড়াই হাজারে লাগবে ৮.৬৫ দিন (অ-গাণিতিক, তুমি কোথায় ভাইয়া?)। যা হো'ক, কিছুদিন আগে ইন্টারনেটের একটা সাইট থেকে জোড়াসাঁকো নামের একটা এ্যালবামের গানগুলো শুনছিলাম। পাঁচ নম্বর গানটা যেনো "কানের ভেতর দিয়া মরমে পশিলো.."। পরিচিতদেরকে জিগ্যেস করলাম, গাতকের নাম, সুরকারের নাম। কারন সুরটা তো একটু অন্যরকম। কেউ বলে শ্রীকান্ত, কেউ বলে সুমন (আমগো জামাই)। যে-ই হো'ক, গানটা গেয়েছে খুব ভালো। জোড়াসাঁকো অডিও এ্যালবামটির ওয়েবলিংক এখানে:
Click This Link
শুনে কেমন মিস্টি মিস্টি কষ্ট জাগে। দু:খ দু:খ সুখের মতো ভালো লাগে।
যাই হো'ক। জোড়াসাঁকোর পাঁচ নম্বর গানটি শোনার সম্প্রতি সুযোগ এসেছিলো সামনা সামনি। কাদেরী কিবরিয়ার কন্ঠে।
তো, সেই অনুষ্ঠাণে কিবরিয়া গাইছেন তাঁর প্রি-প্রোগ্রাম্ ড কি-বোর্ড বাজিয়ে। চারিদিকে বাহারি শাড়ি-পান্জাবী'র তুমুল জলসায় আমি ছাগলের তিন নম্বর ছানার মতো বসে আছি জোড়াসাঁকো 'র পাঁচ নম্বর গানের আশায়। বেশীক্ষন দেরী করতে হলো না, এর মধ্যেই কে যেন চিরকুটে লিখে অনুরোধ পাঠালেন এই গানটা শুনতে চেয়ে (ভালো ভালো, আমি একাই শুধু এই গানটায় ধরা খাইনাই যেনে ভালো লাগলো)। গানটির ক্লিপ এখানে:
তারপর একদিন কি ভুতে পাইলো। আমিও একটা টেরাই মারলাম (সুমইন্যার গান)! পোস্টাইতে সাহস পাইলাম এই আশায় যে এই অগ্নিমূল্যের বাজারে পঁচা ডিম , টমেটো কোনটাই সহজলভ্য হইবেক না। সুতরাং ভয় কি?!
উৎসর্গ: কাদেরী কিবরিয়া ভাইকে। সে রাতে সেই পাঁচ নম্বর গান গাওয়ার জন্যএবং 'মা-কে মনে পড়ে' শিরোনামের তাঁর সদ্য প্রকাশিত সিডির একটা কপি এই অধমকে উপহার দেবার জন্য।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মে, ২০০৮ রাত ১২:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


