তো, আমিও যথারীতি 'এগারো নম্বর বাস'এ চেপেই বাসা-ক্যাম্পাস-গ্রোসারী করতে শুরু করলাম, অন্য অনেকের মতো (এখানে বলে রাখা ভালো, হেটে চলাকে এ দেশে অনেকে বাস নম্বর ইলেভেনে চড়া বলেন, কারন, ঠ্যাং দুখানা কে সমান্তরাল রাখলে ইংরেজী এগারো'র(।।) মতোই দ্যাখায় কিনা!)। যা হো'ক, এক স্হানীয় এক তরুন ডাক্তার দম্পতি বাস নং এগারোর এই নিরুপায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের সাহায্যে এগিয়ে এলেন। ছেলেটি সদ্য পাশ করা ডাক্তার, বউটি নার্স। স্বামী-স্ত্রী মিলে একটি ক্লিনিক চালান। একটি চার্চেরও ব্যবস্থাপনায় আছেন। তো, মার্ক এবং লরার গাড়ীতে করে আমরা সপ্তাহান্তে বাজার করতে যেতাম। প্রত্যেককে বিভিন্ন বাসা থেকে পিক্ করা, তাদেরকে পছন্দমতো গ্রোসারী এবং অন্যান্য কেনাকাটার জন্য বিভিন্ন দোকানে নিয়ে যাওয়া, তারপর সবাইকে যার যার বাসায় নামিয়ে দিয়ে যাওয়া-এসব করতে মার্ক এবং লরা ছিলো অক্লান্ত। একদিন আমি বাসা বদলাবো । ব্যাগ গোছানো চলছে, সারা হলে ক্যাব ডেকে চলে যাব। কোথা থেকে খবর পেয়ে মার্ক এসে হাজির। এসেই আমার সাথে মাল-পত্র গোছাতে লেগে গেলো। সে আমাকে অবাক করে দিয়ে আমার জুতা-মোজাগুলো বাক্সবন্দী করা শুরু করলো। তারপর আমাকে লিফট্ দিলো, আমার মালপত্র ধরাধরি করে নামিয়ে দিলো।
সবজান্তা ভাই হাসি দিয়ে বলবেন, আরে বুঝলেন না, সবঔদার্যের মূলেঔ রবিবাসরীয় ধান্দ্ধা ।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুন, ২০২১ রাত ৯:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


