ভাত খেয়ে উঠতে না উঠতেই রানা এসে হাজির। দুটো মিষ্টির প্যাকেটও মনে করে নিয়ে এসেছে।ইদানিং শুচি মিষ্টি্ বানানো ছেড়ে দিয়েছে।রানা চাপা দীঘ্র্শ্বাষ ছাড়ে।শুচির কোন কিছুই ভাল লাগেনা।কোন রকমে মনে হয় জীবন পার করছে।রাতে মেহমানের জন্য রান্না কিছু বাকি আছে।কত কাজ পরে আছে।
টিলি বার বার মায়ের মুখের দিকে তাকায়।কিছু বুঝে উঠে না।এখনই কথা কাটাকাটি শুরু হয়ে যাবে নাকি? সে ভালয় ভালয় নিজের ঘরে চলে যায়।মাম্মি ইদানিং ওর সামনে ঝগড়া করেনা।যাক টিন এজ হওয়ার সুবাদে তাকে একটু সমিহ করে বোধহয়।ঘরে ঢুকে দরজা টেনে দেয়। ল্যাপটপ অন করে সাবুর কাছে ইমেল লেখা শুরু করে।কিন্ত কান পরে থাকে বাবা মায়ের উচু গলা শোনার অপেক্ষায়। হতাশ হয়।আর পারে না।উঠে যায় বিছানা থেকে,সটান বাবার কাছে।
রানা হটাৎ টিলিকে দেখে অবাক হয়।
কিছু বলবে মা মনি?
না তুমি কি কর আব্বু?
বসে আছি।
রাতে কয়জন আসবে?
বেশি না অল্প কয়েকজন।তিন ফ্যামিলি।আমরা সহ ১৪ জন।
আব্বু বাহানা কি?
কেন তুমি জানোনা?
না!তুমি বল
এই ধর অজুহাত আরকি
মানে, কিছু বুঝলাম না
রানা সঠিক প্রতিশব্দ খুজে পায় না।এ সময় শুচির দরকার।রানা বাংলায় বরাবরি কাঁচা।কি যে বলবে। হঠাৎ মনে হয় তাই তো মনে হয়েছে।সে বলে
excuse, মানে হল excuse
ও তা তুমি কি বাহানা কর আব্বু
মানে কি বল টিলি আমি কেন বাহানা করব?
বা তাই না কাল রাত থেকে মাম্মি রাগ করে আছে, তুমি না কি বাহানা
করছ গোল্ডেন স্পুন নিয়ে
টিলির কথা শুনে রানা হতবাক।তোমাকে মাম্মি বলেছে ?
না আমি শুনেছি তোমাদের কথা
রানা চুপ করে যায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

