আমার প্রিয় পোস্ট
- সামহোয়্যারের ব্লগার ও পোস্ট - কত প্রকার ও কি কি (সবিস্তারে বর্ননা - অবশ্যই দেখুন)
- নাফিস ইফতেখার
- Elmina Castle...Where thousands of African slaves died. - প্রীটি সোনিয়া
- মেয়ে তুমি কষ্ট বোঝ? - সাগর সরোয়ার
- জন্মদিনের আবোলতাবোল - রন্টি চৌধুরী
- দাঁড়িয়ে আছো তুমি আমার গানের ও পারে ----- (রবীন্দ্র সঙ্গীত) - বিষাক্ত মানুষ
- মনে রবে কি না রবে আমারে ----- (রবীন্দ্র সঙ্গীত) - বিষাক্ত মানুষ
- পাকমন পেয়ার - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- প্রথম লজ্জা - মানুষ
- আমার বামহাতটা কব্জির নীচ থেকে উড়ে গিয়েছিলো ............... - হনলুলু
- বাংলা ছাড়ো ----- (সিকান্দার আবু জাফর) - বিষাক্ত মানুষ
- কষ্টের চোরাকাদায় - আসিফ আহমেদ
- ব্যবহার করুন এনিমেটেড স্মাইলি (COOL) - ব্রাইট
- গল্পঃ ফুলার রোড - মোস্তাফিজ রিপন
- ইমরান ব্লগ স্রষ্ট া - দেবরা
- মাক্ষি গিড়া গড়ম ত্যাল মে - বিষাক্ত মানুষ
- আমি , যে কোনদিন মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি .......... - হনলুলু
- নবীনদের জন্য - নাদান
- মন শুধু মন ছুঁয়েছে ----- (সোলস্) - বিষাক্ত মানুষ
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৩ (কেউ কথা রাখেনি ---সুনীল) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- কে বা পিতা, কে বা মাতা কে বা আপনজন-উতসর্গ রাতমজুর - নীল-লোহিত
- গন্তব্য - মুকুল
- আকাশ লীনা-জীবনানন্দ দাশ - ২য় জীবনানন্দ
- চিঠি লিখছি আমার জিবনে পাওয়া শ্রেষ্ঠ নারীকে - আমার মা। - খোলাচিঠি
- বারবণিতার জবানবন্দী - মানব মানিক
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- শোক আসিলে দেশে দেশে - রাহাত আহমেদ
- লাল সবুজের পতাকা নিয়ে - মানব মানিক
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- এক নিঃসংগ সারথির জন্ম জন্মান্তরের ভালোবাসা/বিহংগ। - বিহংগ
আফ্রিকার চাঁদ
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮
গ্যাবোরোনে বেশ কিছু বাঙালি ভাই বোনদের সাথে পরিচয় হয়। বেশিরভাগই চাকরি করেন। দুয়েকজন ব্যবসায়িও আছেন। পুরো আফ্রিকাতে প্রচুর ভারতীয়(গুজরাতী) আছে, যারা ব্যবসা বাণিজ্য করে থাকে। অনেক ধনী। সাধারণ কালোরা আমাদেরকেও ভারতীয় মনে করে এবং ধনী ভাবে! যাক অন্তত কিছু লোকের কাছে না হয় আমরাও ধনী হলাম। আলাপ আলোচনার সময় ওদের ভুলটা ভেঙে দিতে হয়।আমার খুব খারাপ লাগে ওরা কত আমাদের সহজেই বিশ্বাস করে।আমরা বিদেশি হিসেবে ওদের দেশে কত আরামে আছি। পানি, বাতি গ্যাস কোনটারই কমতি নাই। অথচ ওদের ঘরে আলো নাই। কেরোসিনের কুপি জ্বালায়। আমাদের বাসা থেকে মাইল পাঁচেক দুরে কালোদের ঘর বাড়ি ছিল। আমরা ঘুরতে বেরুলে সন্ধ্যার আগেই চলে আসতাম। কারণ হোল রাস্তায় খুব বাতি থাকত না। আর কালোরা ভারতীয়দের ভাল চোখে দেখতনা। দোষটা ভারতীয়দের। ওরা কালোদের খাটিয়ে ঠিকমত টাকা পয়সা দেয় না। বাসা বাড়িতে যে সব মেয়েরা কাজ করত তাদের সাথে ভাল ব্যবহার করত না, ঠিকমত খেতে দেয়না, লম্বা কাজের সময় ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রায়ই ভারতীয়দের বাসায় চুরি হত।যার জন্য আমরা একটু সাবধাণে থাকার চেষ্টা করতাম। তাছাড়া আমরা যাওয়ার মাসদুয়েক আগে ভারতীয় এক মহিলা খুন হন। ধারণা করা হয় কাজের লোকই খুনটা করে। কিন্তু পরে জানা যায় উনার স্বামীই এই কান্ডটা ঘটায়।ওদেশের মিলিটারিতে ভারতীয় রয়েছে। ভারতীয় আর্মি বোতসোয়ানার আর্মি চালায়!। আমাদের ফ্ল্যাট বাড়িতে এক বোতসোয়ানার এক কর্নেল থাকত। কি যে রোগা পটকা চোয়ারে চেহারা বেচারার! স্বাস্হের কি দূরবস্হা।কাজের জন্য প্রচুর লোক জিম্বাবুই থেকে আসত, সাধারণত এরা স্কুল ফাইনাল শেষ করা ।বেশির ভাগ আইনের চোখ এড়িয়ে। আহারে এদের যে কি কষ্ট। বেশির ভাগ সময় মেয়েরা বাসায় , ছেলেরা বাগানে মালির কাজ করত। মাঝে মাঝে পুলিশ ওদের আস্তানা রেড করত। যেটুকু মাথা গোঁজার ঠাই ছিল ভেঙে দিত, জেলে নিয়ে যেত, মেয়েদেরকে রেপ করত। কি যে অরাজকতা। বেচারিরা যে টাকা পয়সা আয় করত এভাবেই সব শেষ হয়ে যেত।তারপরেও ওদের মুখের হাসি মলিন হয় না। আমরা একদিন বেড়ানো শেষ করে ফিরছি। যে ভদ্রলোকের গাড়ি উনারা বছর দুই আগে এখানে এসেছেন। সব কিছু চেনেন জানেন। আমাদেরকে নিয়ে প্রায়ই ঘুরতেন। যাইহোক হঠাৎ করে ভাবি বলেন গাড়ি থামাও! ভদ্রলোক ব্রেক কষে গাড়ি থামালেন। আমরা বুঝে উঠতে পারছিনা ঘটনা কি! ভাবি আমাকে বললেন ভাবি একটু বাইরে তাকান। জানালা দিয়ে বাইরে তাকাতেই কি যে ভাল লাগল। পূর্ণিমার রাত। কি যে সুন্দর চাঁদ আর কি বড়!! মনে হয় আকাশ থেকে এখনই পরে যাবে! ভাবি বললেন দেখেছেন কি বড় চাঁদ এখানে! আপনি আর কোথাও এত বড় চাঁদ দেখবেন না। হতেও পারে। উনি দিন দুনিয়া অনেক ঘুরেছেন। আমি তো দুনিয়ার কিছুই দেখি নাই। তারপরও মনে হলো হালকা হলুদ চাঁদটা বড়ই লাগছে। কিছুদিন পরে ঢাকায় ফোন করে আম্মা আব্বার সাথে কথা বলে পূর্ণিমা চাঁদ দেখার কথা বলি। তাদেরকে বোঝাতে পারিনা বড় চাঁদের কথা। আমার প্রায় নেশার মত হয়ে গেছিল পূর্ণিমার রাতে জেগে থেকে চাঁদ দেখা! বাবু মাঝে ঠাট্টা করত আমি নাকি কবি হয়ে যাচ্ছি। আমাদের বাসায় ছোট্ট একটা বারান্দা মত ছিল। এক ফালির মত চিকন একটা বারান্দা। আমার খুব প্রিয় জায়গা।ওখানে চেয়ারে বসে থাকতাম যতক্ষণ ঘুমে ঢলে পরে না যেতাম বসেই থাকতাম। বেশ কয়েক মাস পরে আমার চাঁদ দেখার ইতি ঘটল।হঠাৎ করে একরাতে খেয়াল করলাম সামনের বিল্ডিং থেকে কেউ একজন আমাকে দেখছেন। আমার এত বিরক্ত লাগলো। বাবুর সাবধান বাণী মনে পরল। তাড়াতাড়ি ঘরে ঢুকে গেলাম।বাবুর পোস্টিং ওকাভাংগো ডেল্টায়,বোতসোয়ানার উত্তরে। বাসায় আমি আর কাজের মেয়েটা। একটু ভয় ভয় লাগা শুরু করল। বাবুর চাকরির ধরনটাই এমন যে বিশ দিন সাইটে আর দশদিন গ্যাবোরোনে।কেবল মাসের শুরু ওর আসতে এখনও দিন পনের বাকি! ভাল করে বাসার দরজা জানালা বন্ধ করা আছে কিনা বার বার দেখলাম। বিছানায় গিয়েও ঘুমাতে পারিনা।খালি মনে হয় কেউ উঁকি দিয়ে আমাকে দেখছে।বেডরুমে গিয়ে জানালার পর্দা সরিয়ে দেখার চেষ্টা করি কোন বাসা থেকে এই কান্ডটা হচ্ছে! দোতলার ডানদিকের বাসা। ওমা ওটাতে কলকাতার দাদা বৌদি থাকেন। ভদ্রলোক গ্যাবোরোন ভার্সিটিতে পড়ান। বৌদি স্কুলে চাকরি করেন। ছোট দুই ছেলে। আমাদের সাথে ভালই পরিচয় হয়েছে। দাদা খুব কম কথা বলেন। যতটুকু বলেন মজা করেই বলেন! সে ভদ্রলোক রাত জেগে বসে আছেন কেন। বৌদির কাছে পরদিন জানতে চাইলাম। আর বলোনা। তোমার দাদার তো ঘুমের সমস্যা আছে। রাতে প্রায়ই ঘুম হয়না। তখন জেগে এটা সেটা করে, মাঝে বই টই পড়ে।আমি বাবা ঘুমাই। মনে মনে বলি আপনি তো ঘুমান এদিকে আমার চাঁদ দেখার বারটা বেজে গেল! বাবু আসলে সেও খেয়াল করে আমার চাঁদ দেখার মাতলামি আর নাই।ঘটনা খুলে বলি। ও খুশী। দাদাকে গিয়ে একটা ধন্যবাদ দিয়ে আসতে হয়! তুমিতো চিন্তায় ফেলে দিচ্ছিলে, নিশিডাকা লোকের মত হয়ে যাচ্ছিলে!
দুঃখিত,ছবি কিছুতেই আপলোড করতে পারছিনা।![]()
নীল েঢউ বলেছেন:
ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।ভাল থাকুন
আউলা বলেছেন:
ভাল লেগেছে
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।ভাল থাকুন। আপনার সিরিয়ালের কি খবর!
সততার আলো বলেছেন:
সুন্দর পোষ্ট। ছবিটা আপলোড করার চেষ্টা করুন। ছবিটা দেখতে ইচ্ছা করছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল থাকুন। আর ধৈর্য নাই
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
আপনার মতো করে চাঁদ দেখার শখ আমারও। কিন্তু এই নগরে চাঁদ পাব কোথায় ?
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। চাঁদ দেখার জন্য বাসার ছাদে চলে যান। ভাল থাকুন
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। খুব ভাল লাগছে আপনাদের সবার কমেন্টস পড়ে। আমিতো আরো ভাবলাম কেউ বুঝি পড়বেই না! কি সব হাবি জাবি নিজের পাগলামির কথা!
আপনার সাজেশন মনে রাখতে চেষ্টা করব।
আবারো অজস্র ধন্যবাদ। ভাল থাকুন
রাশেদ বলেছেন:
ভাল্লাগছে।
দোলাহাসান বলেছেন:
ধন্যবাদ। ভাল থাকুন
লেখক বলেছেন: ছবি আপলোড করতে পারছিনা! অনেকক্ষন চেষ্টা করছি হয় নাই। আপনি কমেন্টে ইমো কেমনে দেন বলবেন?
চিকনমিয়া বলেছেন:
নয়া একডা পেইজ খুলেনতার পরে
"# নতুন ব্লগ লিখুন "এ যান
ইমোটিকন যোগ করুন
এ গিয়া ইমুটিকম ডি কিলিক করেন
তারপরে ইমোডি কপি কইরা কমেন্টসে পেষ্ট করেন, এইডা হইলো সহজ পদ্ধতি,
লেখক বলেছেন:
থেংকু চিকন মিয়া আপনারে +
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন:
আমিও আফ্রিকা তে থাকি......এখানকার চাঁদটা আসলেও অনেক বড় দেখায়.......কেন এত বড় দেখায় বুঝিনা....তবে মনে হয় অনেক ফাঁকা খোলামেলা জায়গা,ঢাকার মত ঘিন্জি না তাই বড় লাগে......ভাল থেকেন।
লেখক বলেছেন: আমাকে একজন বলেছিলেন দক্ষিণ গোলার্ধে(বোতসোয়ানা) চাঁদ নাকি বড় দেখায় হয়ত বা সেই জন্য! কেমন আছেন, অনেক দিন মনে হয় ব্লগে আসেন নি। ভাল থাকুন


















