somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... তাই, স্বপ্ন দেখবো বলে.. [সাহায্য পোস্ট]


-তোর বাড়ি কি রাঙ্গামাটি?
মাথায় কদম ফুলের মত চুল ওয়ালা রোগা মতন একটা হাস্যোজ্জল ছেলে আমার দিকে তাকিয়ে দাত বের করে হাসছে। এমনিতেই বর্ষাকাল, তার উপর কাকভেজা হয়ে ক্লাস এ আশায় আরো কাকের মতন দেখাচ্ছে। আমার মাথায় একটা দৃশ্যই দেখতে পাচ্ছিলাম। একটা কদম ছাটের কাক আমার দিকে তাকিয়ে আছে! আমিও প্রথম দেখায় না হেসে পারলাম না।
আমি জবাব দিলাম - 'না, তবে আমার রাঙ্গামাটির মানুষ খুব পছন্দ। তুমি কি রাঙ্গামাটি থেকে এসেছ?'
-কিভাবে বুঝলা? চাকমা চেহারা তাই?
যদিও একজন প্রশ্ন করলে ভদ্রতা করেই প্রশ্ন করতে হয়, শুধু সে কারণেই প্রশ্ন করেছিলাম। তারপর ও অনেক ভাব নিয়ে তাকিয়ে থাকলাম, যেন দেখেই বুঝে ফেলেছি!
কথায় কথায় অবাক হওয়া সভাবের একটা ভাল মানুষ টাইপ ছেলের সাথে বন্ধুত্ব হল। তুমি থেকে তুই, তুই থেকে 'কথায় কথায় গালাগালি' টাইপ বন্ধুত্ব। হোস্টেল এর ২ তালায় ছোট্ট রুমটায় যে কত গুলো ক্লাস মিস হয়ে গেছে মনে নেই সেই কদম ছাট কাকের সাথে আড্ডা দিয়ে। রাঙ্গামাটি তে তুরুইল্লা(একটি বিশেষ ধরণের পোকা) সাপ্লাই দিয়ে টাকা কামানোর ফন্দী, গুলজার সিনেমা হল ভেঙ্গে ফেলার পর ওইখানে কি ব্যবসা করা যায়, 'সি' সেকশান এর মেয়েরা বেশি সুন্দরি না 'এ' আর 'বি' সেকশান এর মেয়েরা, আমি ক্রীড়া সম্পাদক হয়ে কোন ক্রিকেট খেলার ব্যবস্থা করিনা কেন- এইসব আজাইরা পেচাল পারতে ভালই লাগত অলস দুপুর গুলোতে। আর তিন রুম মেট আর আমার(বহিরাগত) পালাক্রমে ক্লাস এ যাওয়ার পালা, সবার প্রক্সি দেয়ার জন্য। কলেজের প্রথম বর্ষের অনেক সময় এভাবেই কাটিয়ে দিলাম।
-ভাল লাগেনা কিছুই। শুধু রাঙ্গামাটি জেতে ইচ্ছা করে।- প্রতিদিন অন্তত একবার কথাটা শুন্তেই হত। দ্বিতীয় বর্ষের একটা সময় আমরা সবাই গেলাম ওর বাসায়।
অনেক দিন আগের কথা। প্রায় ৭/৮ বছর হতে চলেছে। রাঙ্গামাটির পাহাড়ি পথের একটা অন্ধকার রাস্তায় আমরা কয়েকজন বন্ধু হাটাহাটি করছি মাঝরাতে। ভয় ভয় লাগছে। কুকুরের ডাক শোনা যায় অনেক দূরে কোথাও। বেরশিক কুকুর গুলা ডেকেই চলেছে। এমন সময় পেছনে দেখি কেউ নেই। সাহস দেখানোর জন্যে পেছনে আর গেলাম না। বুঝিনি যে সবাই ভয়ে পালিয়ে গেছে। ভেবেছিলাম হয়তো আমাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা! কুকুরের ডাক যখন একদম কাছে তখন হঠাত একটা শব্দ শুনতে পেলাম। কেউ দৌড়ে এদিকেই আসছে। আমার কলিজা একদম মুখ দিয়ে বেরিয়ে জাওয়ার আগে দেখলাম আমার সেই কদম ছাট বন্ধু এসেছে। ভয় দেখাবার জন্যে নয়। কুকুরের কাছ থেকে বাচাবার জন্যে। ওইগুলা নাকি অনেক বিখ্যাত পাগলা কুকুর। একবার ধরলে রেহাই নেই। দৌড়ে এসে আমাকে জরিয়ে ধরল যেন আমি হারিয়ে গিয়েছিলাম। তারপর বলল, জলদি চল। - আমি কোন কথা বললাম না।
সেদিন কেন সে একা এসেছিল জানিনা। হয়তো অন্য কেউ বুঝতে পারেনি কতটুকু ভয় ছিল ওই অন্ধকার গলিতে। হয়তো আমি একটু বেশি ভয় পেয়েছিলাম, ঘটনা আসলে কিছুই না। কিন্তু আমি বুঝতে পেরেছিলাম, কদম ছাট কাকটা আমার অনেক ভাল বন্ধু!
প্রিটেস্ট পরীক্ষা শেষ। টেস্ট ও শুরু হয়ে গেছে। আমাদের কোন খবর নাই। এমনকি ক্লাস তো দূরে থাক পরীক্ষাও দেইনি কয়েকটা! গারজিয়ান ডেকে ঝারি দেয়া হল অনেক। কোন মতে এইছ এস সি পরীক্ষা দেয়ার অনুমতি পেয়েই খুশি। সিটি কলেজে সিট পরীক্ষার। পরীক্ষাগুলা ভালই হচ্ছিল। পদার্থ বিজ্ঞান ২য় অংশের পরীক্ষার দিন আমার পেছনে বসা কদমছাট বন্ধুটার কান্না শুনতে পেলাম
- 'দোস্ত কিছুই পারিনা। ফেইল করব!'
-এমন সময় আমাদের তখনকার এনালগ বাংলাদেশে অনেক ঝর শুরু হল। কারেন্ট চলে গেল। সবাই মোম্বাতির জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে শুরু করল।আমার লিখা প্রায় শেষ। লুজ শিট নিয়ে খাতাটা দিয়ে দিলাম মি. কদম কে। কি লিখেছে জানিনা। তবে পরিক্ষার পর মনটা দুইজনেরি অনেক ভাল হয়ে গেল!
তারপর অনেকদিন চলে গেল। মাঝে মাঝে ফোন ফেসবুক ছাড়া আর দেখা হয়নি সেই বন্ধুটার সাথে।
কিছুদিন আগে শুনলাম কদম ছাট কাকটা নাকি অনেক কঠীন কোন রোগ বাধিয়েছে। ওর নাকি বোন মারো ট্রান্সপ্লান্ট করা লাগবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ২৩ নাম্বার কেবিন এ মৃত্যুর সাথে আরেকবার কাকভেজা হয়ে কদমফুলটা ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাচ্ছে!
রাতে ঘুমানোর সময় একটা নির্জন গলিতে হাটার সময় পেছন থেকে এসে জড়িয়ে ধরে প্রায়ই কান্না করে নিয়াজ। (হ্যা, সেই কদমছাট কাকটার আসল নাম 'নিয়াজ মোরশেদ', 'সি' সেকশান, রোলঃ ২১৭) দোস্ত, আমি মনে হয় আর বাচবোনা! আমি আমার পদার্থ বিজ্ঞানের খাতাটা ওকে দিয়ে দেই। কিন্তু ওর কান্যা থামেনা। আমি বুঝতে পারিনা ওর কান্না কিভাবে থামানো যায়। কিন্তু বুকের ভেতর কেমন জানি রক্ত গুলো থেমে জেতে থাকে। ওরও কি রক্ত থেমে যাচ্ছে?- ঘুম ভেঙ্গে যায়। কিন্তু নিয়াজ এর কান্না থামেনা! কানে বেজে উঠে- "দোস্ত আর পারতেসিনা! আমাকে বাচা!!"

আমার এই বন্ধুটা আবার হাসবে কিনা জানিনা। তবুও একটা অদম্ম ইচ্ছা। ওর সেই রাঙ্গামাটির বাসায় আরেকবার বেড়াতে যাব।

I am forwarding the Account Details of Niaz's Father below....

Account name: MD. AKHTAR HOSSAIN

Account No.: 0129. 101 . 209 750

Dutch-Bangla Bank Limited, CDA Avenue Branch, Chittagong.

মূল পোস্ট: Click This Link
সাহায্য পাঠাতে যেকোন তথ্যের জন্যে ঐ পোস্টে যোগাযোগ করতে পারেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29590869 http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29590869 2012-05-06 16:21:20
যাও পাখি বল, হাওয়া ছল ছল, আবছায়া জানলার কাঁচ [গল্প]
সামছু মিঞার স্ত্রীর নাম মৃণাল। ভাল নাম রোখসানা আমিন। কিন্তু, কোন এক বিচিত্র কারণে সামছু কেন যেন তাকে মৃণালই ডাকে। যদিও মৃণাল তাকে মাঝে মাঝে সামছু মিঞাদের পৈত্রিক ভিটার অবস্থান হিন্দু পাড়ায় হওয়ায় কোন এক অচেনা নারীকে ইংগিত করে খোঁচা দিতে ভোলেন না!!

তিন মেয়ে আর এক ছেলেকে নিয়ে সামছু মিঞার সংসার। পরপর তিন মেয়ের পর চতুর্থবারের বার সামছু মিঞার পুত্র সন্তান লাভ। একে তো সবার ছোট, তায় আবার ছেলে। সবার আদরের। যথারীতি যা হয়, রাজার সেই বিখ্যাত বাঁদরকে যেমন লাঠির বাড়ি না দেয়াতে তার মাথায় উঠে তবলা বাজিয়েছিল, তার মত না হলেও অনেকটা সেরকমই!! ইতিমধ্যেই ছেলের নামে প্রচুর অভিযোগ একে ঘুঁষি, তাকে গালে চড়, ওকে কনুইয়ের গুতো!! পাঠক যারা এবার নড়েচড়ে বসেছেন, হ্যাঁ, এইতো লাইনে এসে পরছে, পোলাপাইনকে নিয়াই কাহিনী আগাইবো। বিশেষত, ছেলেটাকে নিয়ে। তাদের জন্য সুসংবাদ এবং দু:সংবাদ। কাহিনী মোটামুটি তাদের নিয়েই, তবে কেবল ছেলেটিকে নিয়ে নিশ্চয়ই না।

ও, ইতোবৎসরে একটা কথা জানিয়ে রাখা ভাল, সামছু মিঞা আরেক দিকেও তার বাবাকে ছাড়িয়ে। তার বাবা যেখানে এখনো গ্রামেই পরে রইলেন, সামছু মিঞা ইদানীং রাজশাহী শহরের বাসিন্দা। শহরের নিমতলা চৌমাথা ছাড়িয়ে গজ পঞ্চাশেক এগুলেই হাতের বাঁ পাশে যে টিনের ঝুপড়িগুলো আছে, সেখানে তার বাস। বাসস্থান নিয়ে সামছু মিঞার বক্তব্য বেশ মজার। ”বাসার সামনে একটা নামফলক বসানো ’দরিদ্র পুর্নবাসন প্রকল্প’; যার ভিত্তিপ্রস্তরে প্রধান অতিথির নাম প্রতি পাঁচবছরে একবার করে বদলায়, সাথে করে বদলায় ভাড়া নেলেওয়াদের চেহারা আর নাম, শুধু বদলায় না এখানকার ভাড়াটেরা।” দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সময়ে ৭জনের সংসার সামলাতে তার স্ত্রীই যথার্থ। গুণে গুণে কাঁচামরিচ কেনা মহিলা!! তাও সবদিক সামলিয়ে চলা দায়। তাই পরিবারকে গ্রামে রেখে তিনি থাকেন শহরে একা। বিশেষ কোন পাড়ায় যান না, কোন কিছুর অভ্যাস নেই, কোন কিছুর চাহিদাও নেই তেমন।

কদিন আগে হঠাৎ বাড়ি থেকে স্ত্রীর ফোন। ”সবাই একবার শহরে আসতে চাই। সক্কলে মিল্লা একলগে বাজার করমু। ঈদের কেনাকাটা।” মাছি তাড়ানোর মতই হাত ঝাড়িয়ে স্ত্রীর কথা উড়িয়ে দেন তিনি। মৃণালও কম যাননা। আগে থেকেই তৈরি!! মোক্ষম অস্ত্রটা তূণ থেকে বের করেন; ছেলের হাতে মোবাইল ধরিয়ে দেন!! ফলাফল? সপ্তাহ না ঘুরতেই নিমতলার বাসার ঘরটির লোকসংখ্যা এক থেকে বেড়ে চারে উন্নীত!!

যাই হোক। আম্রা মূল গল্পে প্রবেশ করি। গল্পের প্রেক্ষাপট জানা গেল। গ্রাম থেকে আসা স্ত্রী, ২ ছেলে-মেয়েকে নিয়ে ঈদ কেনাকাটায় বেরুনো এক লোকের গল্প।
সপরিবারে বেড়িয়ে তিনি রিকশা নেন না মৃণালের বাধায়। হাঁটতে হাঁটতে পৌছে যান শহরের মধ্যবিত্তদের বাজার বলে পরিচিত নিউমার্কেটে। প্রথমবাবের মত শহরে এসে ছেলেমেয়ে দু'টোরই চোখ ছানাবড়া!! যা-ই দেখে তাতেই তারা অবাক! এটা কিনবে, ওটা কিনবে, সেটা কিনবে, বাইরের রং-চং দেখে তারা উতলা। মৃণালের চোখও জ্বলজ্বলে। আজীবন ফেরিওয়ালার ঐ কাঁচের বাক্সের ভেতরে থাকা তিব্বতের স্নো আর পাউডার ব্যবহার করে অভ্যস্ত যে নারী, তার চোখ একটু পরপরই আটকে যায় ল্যাভেন্ডার, জর্ডানা বা লিভনের লোভনীয় শারীরিক কাঠামোর বোতলগুলোর দিকে।
বায়না করে বাচ্চাগুলো। ঈদের বাজার। কাপড়-চোপড়ে সয়লাব। দোকানে, দোকানের বাইরে, যাদের দোকান নেই তারা একটা টুল-টেবিল নিয়ে পসরা সাজিয়ে বসে। হই-হুল্লোড়ের মাঝে দোকানে ঢুকে বাচ্চাদের জন্যে কাপড় পছন্দের পালা শুরু। মৃণাল আর বাচ্চাদের উপর যাচাই-বাছাইয়ের ভার দিয়ে একটু আড়ালে গিয়ে আনমনে পকেটে হাত দিয়ে কাগজের টুকরোগুলোর অস্তিত্ব অনুভব করেন। আর, অবচেতনভাবেই ভ্রু দু'জোড়া একটু কুঞ্চিত হয়। "বাবা, বাবা", বাচ্চাদের ডাকে বাস্তবে ফিরে আসেন। আবার হাসিহাসি মুখোশ লাগিয়ে তাদের দিকে ফেরা।

পাঠকরা যারা এখন একটা "হ্যাপি এন্ডিং" এর প্রাত্যাশায় আছেন, তাদের জন্যে দু:সংবাদ। এটা গল্প, গল্প হলেও "গল্পের গরু গাছে উঠে গিয়ে তা-ধিন-ধিন নাচবে" এমনটা না।

তাই, ছেলের জন্যে শার্ট, মেয়ের জন্যে কামিজ দেখা হয়, দাম জিজ্ঞেস করে আবার প্রথমে পছন্দ হওয়া শার্ট/ কামিজ ছেলে-মেয়েকে মানাবে না এই বলে দোকান থেকে খালি হাতে বেরিয়েও আসা হয়। এই প্রক্রিয়া চলতেই থাকে, চলতেই থাকে একবার, একাধিকবার, বার বার। ছেলে-মেয়ের উচ্ছলতা কমতে থাকে, মৃণালের চোখের রঙিন চমশা ধূলি-ধূসরিত হতে থাকে। আর, সামছু মিঞার মুখোশ আস্তে আস্তে ছিড়তে থাকে। তার, কষ্টক্লান্ত মুখ আর ঢাকা থাকে না কোন মুখোশে। কেমন যেন একটা অবসাদের ছায়া ফুটে ওঠতে শুরু করে। আর, একটা সময়ে সেটা পুরো মুখটাকেই গ্রাস করে নেয়।

পাঠক, আমরা এবার বরং তাদের ছুটি দেই। তারা তাদের নিজের ঈদের বাজার নিজেরাই করুক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29077704 http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29077704 2010-01-13 14:47:19
৬০ ঘন্টা ট্যুরের ২৩ ঘন্টা যাত্রাপথে!!-[পর্ব ১] গোত্তা খাওয়া ঘুড়ি সিরিজের লেখা।

অনেকদিন কোথাও যাওয়া হয় না। এবার ঈদের বন্ধে বাসার সবাই মিলে ঠিক করা হল কোলকাতা যাবে। সেখানে যাওয়া হল। সেখান থেকে গ্যাংটকও যাওয়া হল। সে গল্প আরেকদিন।
ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার কথা ছিল ৪ ডিসেম্বর। হঠাৎ করেই আরেক সপ্তাহ বন্ধ বাড়ানো হওয়ায় বন্ধুরা মিলে ঠিক করলাম এবার কুয়াকাটা ট্রিপ। বলতে দেরি, বেড়োতে দেরি নাই। সাথে সাথে ৬ তারিখ দুপুরে লঞ্চঘাটে গিয়ে ৬জনের জন্য ১টা ভি.আই.পি কেবিন বুকিং, আর রাত ৯.১০ এ লঞ্চে যাত্রা শুরু। গন্তব্য বরিশাল।
আমাদের লঞ্চ দীপরাজ।

লঞ্চে উঠেই আমরা ওখানের কর্মচারিদের আগে থেকেই জানিয়ে দেই আমাদের ৬টা লাইফ বয়া লাগবে!!! কয়দিন আগেই তো কোকো!!! /<img src=" style="border:0;" /> যদিও পরে আর নেয়া হয়নি। <img src=" style="border:0;" />
লঞ্চ বরিশাল পৌঁছায় ভোর সাড়ে ৪টার দিকে।

আম্রা সবাই তখন ঘুম। ৪জন একবিছানায়, আর ২জন ২ সোফায়!!! অবশ্য আমাদের ঘুম শুরুই হইছিল রাত আড়াইটার দিকে। এ জন্য বিশিষ্ট নায়ক শাকিব আর তার জন্ম(Born to Fight)ই দায়ি!! /<img src=" style="border:0;" /> যদিও জন্মের সাবটাইটেল ক্যামনে Born to Fight হয়, বা ছোটবেলায় ২য় নায়িকার সাথে শাকিব সাহেব ক্যামনে খোলামেলা সমুদ্র সৈকতে লুকোচুরি খেলতো এইটা বুঝতারি নাই!!! <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
যাই হোক, ৬.৩০এ আম্রা "সরকারি সেবা, না নিয়া যাবা কোথা!!" এই নীতি'তে বিশ্বাসী হয়ে বিআরটিসি'র লক্কড় মার্কা বাসে চড়ে রওয়ানা দিলাম। এবার গন্তব্য আমতলী। যাইতে লাগার কথা সর্বোচ্চ দেড় ঘন্টা। মাগার ঐ যে কইলাম লক্কড় বাস!! সকলের সেবা দিতে দিতে আমতলী পৌঁছলাম আড়াই ঘন্টায়। এইখানে নাস্তা কইরা আবার খোঁজ-খবর। ক্যামনে যাওয়া যায়?? দুইটা রাস্তা। হয় মোটরসাইকেল, নাইলে বাস। মোটরসাইকেলে চইড়া এদ্দূর যাব!! এরমধ্যেই একজনের সাথে পরিচয় হল। ইসলামিক ইউনিভার্সিটির এক ছেলে। লোকাল। তার পরামর্শ খেপুপাড়া পর্যন্ত বাসে চলে যান, এরপর মোটরসাইকেল। তথাস্তু!!
আল্লাহ!! রহম কইরো!! যাওয়ার আগে শুনছিলাম রাস্তা খারাপ। এতক্ষণ আরামেই আইছি, খালি বরিশাল থেইকা আমতলী আসার সময় ১০ মিনিটের ফেরি পার হওয়ার জন্য ৪০ জন্য লাইনে খাড়ানি ছাড়া!! এইবার থেইকা শুরু হইল ম্যাজিক!! সিরাম রাস্তা!! একবার ডাইনে- একবার বামে। একদম ফ্যান্টাসি কিংডমের ম্যাজিক কার্পেট!! যাউক্গা। বাসের পাশের সহযাত্রী কয়, এ আর এমন কি?? এখনো তো আসল রোলার কোস্টারে চড়েনই নাই!! আম্রা কই "কস্কি মমিন!!"
খেপুপাড়া বাস স্ট্যান্ডে নাইমা হাঁইটা পার হইলাম আরেকটা ফেরি। ঐপাড়ে নাইমা দেখি আর কিছু নাই!! খালি মোটরসাইকেল আর মোটরসাইকেল!! আর রাস্তা.. আহা মরি মরি.. "লাল মাটি সবুজ টিলা/ সোহাগি ছে রঙিলা"!!
দু'জন দু'জন করে ৩টা মোটরসাইকেল নিয়া আম্রা রওয়ানা দিলাম আমাদের গন্তব্য কুয়াকাটা। ৫ মিনিট পরেই আম্রা বুঝে গেলাম কি একটা সাংঘাতিক ভালো সিদ্ধান্ত নিছিলাম মোটরসাইকেলে আসার ব্যাপারে। রাস্তা বলে কিছু একটা আছে। গর্ত, ভাঙ্গা, মাটির রাস্তা, ইটের রাস্তা!! আর, ১০-১৫ মিনিট পর পর ফেরি। মোট ৩টা ফেরি পারি দিলাম এবার। প্রথমটা ৩০ মিনিট পর, এরপর ৪০ মিনিট আর পরেরটা ৩৫ মিনিট পর। রাস্তা ক্রমশ: খারাপ থেকে খারাপতর!! আর, একেকজনের চেহারার রঙ তো লালে লাল!! নাহ, বেশি ফরসা হওয়ায় রোদে লাল না, লাল ধূলা লাইগা গায়ের রং লাল হইয়া গেছে!!! /<img src=" style="border:0;" />
কুয়াকাটা পৌঁছলাম পৌনে ৩টা নাগাদ। আমাদের এক বন্ধুর ওখানে একটা হোটেল বুকিং করে রাখার কথা। সেখানে পৌঁছে শুনি, ঐ রেস্টহাউসে আর জায়গা নেই। আমাদের ওখানে রাখা সম্ভব না!! শুনে তো আমাদের মাথায় বজ্রপাত। কি আর করা, হাঁটতে হাঁটতে সামনে একটা রিসোর্ট দেখে আমাদের পছন্দ হল, আম্রা ওটায় একটু খোঁজ নিতে গেলাম। তবে, আগে এরকম একটা অভিজ্ঞতা থাকায়, ৩জন গেলাম, বাকিদের বাইরে রেখে গেলাম। পছন্দ হল, কিন্তু, ভাড়া বেশী হলে ওদের মিস কল দিলে, ওরা ফোন করবে, আম্রা তখন বের হয়ে যাব ওরা আরেকটা হোটেল ঠিক করে ফেলেছে, এরকম একটা কিছু বলে, এই ছিল প্ল্যান। কিন্তু, হোটেলে ঢুকেই রুম পছন্দ হল। ভাড়া কম-বেশি একটা কিছু, তবে, সবচেয়ে সুবিধা যেটা হল, যখন খুশি রুম ছাড়া যাবে, এই কথা শুনে রুম নিয়ে নিলাম।
এরপর খাওয়া-দাওয়া করতে বের হয়ে গেলাম।

এত কথা হল। কিন্তু, যে জন্যে কুয়াকাটা যাওয়া, সেই সমুদ্র সৈকতের কথা কই? আসল কথা হইল.. একটা বেড়িবাঁধ মত জায়গা আছে। তার একপাশেই সৈকত, আর অন্যপাশেই হোটেলগুলা!! কাজেই আমাদের হোটেল থেকেই সমুদ্র দেখা যায়। <img src=" style="border:0;" />
খাওয়ার পরই সমুদ্রদর্শন।

সেখানেও দেখি মোটরসাইকেলের জয়জয়কার!




বি.দ্র: ছবিগুলো আমাদের বন্ধু সাকিবের তোলা।

(ক্রমশ<img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29066977 http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29066977 2009-12-28 10:13:40
সেপ হইলাম!!!
পরম করুণাময়ের দয়ার শোকর করমু নাকি ব্লগাধিপতিদের করুণার লিগ্গা ধইন্যাপাতা দিমু, এইটা ঠিক বুঝতাছিনা!! /<img src=" style="border:0;" />
যাউক্গা। আম্রারে ব্লগাইতে দিতাছে, এইজন্যে উহাদের নিকট হাজার শোকর। আপনাদের কাছে একটা অনুরোধ, আমারে সেপ কইরা লাভ নাই। আমি লিখি-টিখি না। আমরা হইলাম হাফপ‌্যান্ট হইতে সদ্য থ্রি-কোয়ার্টার প‌্যান্টে উন্নীত পাব্লিক। আম্রা আড্ডাবাজিতে ব্যাস্ত। আমাদের চাইতে ভাল লেখার অনেক ব্লগার আছেন। তাদের আনব্যান, জেনারেলশিপ বাদ দেন। অনুরোধ, দোহাই লাগে।

ব্লগে লেখালেখি, আড্ডাবাজিই ব্লগের প্রাণ। যারা রাতের পর রাত জেগে ব্লগিং করে ব্লগটারে জমিয়ে রাখে, তাদের পোস্ট/ কমেন্ট ব্যান করে লাভ কি?? কিছু ফাউল পোস্ট আসবে, এর আনব্যান/ ওর আনব্যান, এইসব ফাউল পোস্টের কোন মানে নাই। আম্রাও জানি, আপনারাও জানেন। আম্রাও এইসব পোস্ট দিতে চাইনা। কিন্তু, প্রিয় কারো কষ্টে নিজেদেরও কষ্ট লাগে। এখনো এই বোধটুকু যায়নি বলেই এখনো হয়তো মানুষ বলে দাবি করি নিজেকে। নচে= কবেই দু'পেয়ে জন্তু হয়ে যেতাম। ব্যান করুন, পোস্ট ডিলিট করুন, সবতেই রাজি, খালি একটা অনুরোধ, যাদের পোস্টে ঝামেলা, তাদের ব্লগে একটা মেইল করুন। তাতেই হবে। আপনাদের ডেভেলপারদের একটু কষ্ট করে কয়েকটা ডিফল্ট মেইল করে রাখতে বলুন। অটোমডারেশন নামে যে "বলির পাঁঠা" আছে, সেটার ব্যবহার করুন আপত্তি নেই, কিন্তু, তার সাথে ঐ ডিফল্ট মেইলটাও পাঠিয়ে দিয়েন। তাহলেই আর ঝামেলাগুলো হয় না।

ভাল থাকুন।
সুস্থ থাকুন।
হ্যাপি ব্লগিং!!
নিরাপদ থাকুন।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29049669 http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29049669 2009-11-25 21:41:52
সাধারণ ব্লগার হইলাম!!
এখন আমি সাধারণ!!! <img src=" style="border:0;" />
সকালে একটা পোস্ট দিছিলাম। সারাদিন আছিলাম না। তাই কইতারি না কখন কি হইল, এখন আইসা দেখি কয়, নতুন নুটিশ আছে। দেখলাম, পোস্ট ডিলিট। আর, আমি.. আগেই তো কইয়া দিছি কি অবস্থা!!

দোয়া রাইখেন গো ভাই-বোইনেরা। সাধারণ থাক্তে চাই!!! অসাধারণ হইলে আবার প্রব্লেম হইতারে!!! /<img src=" style="border:0;" />

মডারেশন জিন্দাবাদ!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29046476 http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29046476 2009-11-19 23:50:56
স্পর্শ পেতে চাওয়া একজনের জন্মদিনে আরেকজন হার না মানা মানুষের বিন্দুকথন সেই ছেলেটির সবগুলো গান হলো নাকো মোর শোনা

আমারও শোনা হয়না সেই ছেলেটির গল্প। যে ছেলেটির খুব ছোটবেলায় দারিদ্র্যের কারণে কিংবা বাবা-মা'র অজ্ঞতার কারণে পোলিও'র টীকা দেয়া হয়নি। যার ফলশ্রুতিতে ছেলেটি এখন সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, হাতের মুঠি করতে পারে না, পাশাপাশি দু'টি পা এনে হাঁটতে পারে না। তবু, ছেলেটি হারে না। তবু, সে আর দশজনের মত সাহায্যের হাত পেতে মানুষের করুণার পাত্র চায় না। কিছু করে নিজের কষ্টে নিজের যাপিত জীবন এগুতে চায়। তাই, বাস থেকে বাসে প্রতি মুহূর্তে পর পর অবস্থার মুখোমুখি হয়েও কোমড়ে বাঁধা ব্যাগ নিয়ে হাতে কয়েকটি কলম নিয়ে কিছুটা জড়তামাখা কন্ঠে কেমন করে যেন বলে ওঠে, "পেন্সিল নেবেন, পেন্সিল। বাচ্চাদের জন্য।" সাথে "বাঁশিও আছে", বলে ফুঁ দিয়ে ওঠে পেন্সিলের ঢাকনির সাথে লাগানো বাঁশিটা। এফ.এম যুগের ছেলেমেয়েরা কেউ তখন ফোনে কথা বলছে, কেউ বা হেডফোন লাগিয়ে রেডিও শুনছে। তাদের কানে ছেলেটার অনুনয় কিংবা বাঁশির সুরে দৃষ্টি আকর্ষণের যে চেষ্টা সেটা পৌঁছে না। হঠাৎ এক তরুণী ডেকে ওঠে হাত তুলে। কিছুক্ষণ যাচাই-বাছাইয়ের পর একটি দশটাকার নোট যখন ছেলেটির হাত স্পর্শ করে তখন হয়ত ঐ কাগজের টুকরোর প্রয়োজন কিংবা নিজের কিছু একটা করার চেষ্টার সার্থক পরিণতি অথবা নিতান্তই কোন কারণ ছাড়া ছেলেটির মুখে যে হাসিটা ফোঁটে, সেটার মূল্য হয়ত ঐ কাগজটির আর্থিক মূল্যমানের চেয়ে শতগুণে বেশি। তবু ছোটবেলার ভুলটা যেন চাঁদের গায়ে কলঙ্কের মত তখনও দাগ রেখে যায়, ঠোঁটের অসামঞ্জস্যতার প্রকাশে।

এত কথা কেন লিখলাম? মাঝে মাঝে কিছু মানুষের স্পর্শ পেতে খুব করে ইচ্ছে করে। যারা হেরে যাওয়া মানুষ হতে পারতেন খুব সহজেই। বা, হাল ছেড়ে সময়ের কাছে আত্মসমর্পণ করে অসহায় হয়ে যেতেও পারতেন। কিন্তু, যা হয়ে গেছে, সেটা মেনে নিয়েই সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখতে পারেন। কারো প্রতি অনুযোগ নয়, কারো প্রতি বিদ্বেশ নয়, শুধু অসম্ভব রকমের বেশি ভালোবাসা বুকে নিয়ে কিছু মানুষ আছেন, যাদের সংখ্যা খুব কম। এমনই একজনের জন্মদিন আজ। শাওন ভাইয়া। যাকে আমি কখনো সামনাসামনি দেখিনি। ভবিষ্যতে হবে কিনা, তারও কোন নিশ্চয়তা নেই। তিনি মানুষটা আগে কেমন ছিলেন, তাও জানি না। কিন্তু, কেন যেন মনে হয়, ভাইয়া আমার সেই স্পর্শ পেতে চাওয়া মানুষদের মাঝে একজন।
শুভ জন্মদিন শাওন৩৫০৪ ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29038192 http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29038192 2009-11-05 17:04:53
একটা আগুন গান শুনেন: দুর্গম গিরি কান্তার-মরু [আর্টসেল] নজরুলের গান আর্টসেলের লিংকনের কন্ঠে। গলায় প্রচন্ড জোর, কাজেই শক্তিশালী একটা গান। রক্তগরম করা গান। এমন গান এমন গলায়ই মানায়। যারা রক গান শোনেন না, বা পছন্দ করেন না, তাদের কাছে অনুরোধ এই গানটা শুনে দেখেন। শুধু শুধু আগে পরে অনর্থক সংগীতায়োজ করে, রিমিক্সের নামে গানকে ধর্ষণ করার কোন মানে নাই। তারচেয়ে এই বরং ভালো।


দুর্গম গিরি কান্তার-মরু দুস্তর পারাবার হে
লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে যাত্রীরা হুঁশিয়ার।।

দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ
ছিঁড়িয়াছে পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মত।

কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান, হাঁকিছে ভবিষ্যত্
এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার।

অসহায় জাতি মরিছে ডুবিয়া জানে না সন্তরন
কান্ডারি আজি দেখিব তোমার মাতৃমুক্তিপণ।

হিন্দু নয়, ওরা মুসলিম ঐ জিজ্ঞাসে কোনজন
কান্ডারি বল, ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মা’র।

ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান
আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দেবে কোন বলিদান।

আজি পরীক্ষা জাতির অথবা জাতের করিবে ত্রাণ
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, কান্ডারি হুঁশিয়ার।

দুর্গমগিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাবার হে
লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে যাত্রীরা হুঁশিয়ার।।


ডাউনলোড লিংকু

আর, কেউ মূল কবিতা শুনতে চাইলে নজরুলের ছেলের কন্ঠে পুরো কবিতা আবৃত্তি ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29029053 http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29029053 2009-10-20 16:48:02
পুনরাবৃত্তির গল্প [গল্প] ভাইটার মনে হয় ক্ষিদা লাগে। ট্যাঁ করে কেঁদে ওঠে। নীরবতা বোঝে না, পরিবেশ বোঝে না, শুধু বোঝে তার নিজেরটা। বাবা একটু আড়চোখে ওর দিকে তাকিয়ে আবার চোখ ঘুরিয়ে শূণ্য চোখে উঠানের দিকে তাকান। নিজেকে একটা গাধা মনে হয় আমার। ইস, যদি ভাইটার মত স্বার্থপর হতে পারতাম। ক্ষিধা তো আমারও লেগেছে। গত রাত থেকে কিছু খাওয়া হয়নি। ঘরে রান্না চড়ে নি। অন্যান্য দিন অন্তত মুড়ি-চিড়া থাকে, আজ কপাল এতই খারাপ, কিছুই নেই। শুধু পানি খেয়ে ঘুম। চিন্তায় বাধা পরে, স্বার্থপরটা তারস্বরে আবার চেঁচিয়ে ওঠে। ওফ্, বড্ড জ্বালাতন করছে।
চেঁচাতে চেঁচাতে একটা সময়ে এসে সব শান্ত হয়ে যায়। হয়ত, বাবুটা ক্লান্ত হয়ে বুঝে যায়, আজ তার কান্না শুনতে কেউ বসে নেই, তাই চুপটি মেরে যায়। কিংবা, আমাদের কানেই সব সয়ে যায়। যেমন, সয়ে যায় আর দশজনের কাছে বাবাকে নিয়ে শোনা কানাঘুষাগুলো। নিজের বাবা তো, তাই হয়ত কানাঘুষা। নাহলে কথাগুলো যে মিথ্যেও না, সেটা নিজেই ভালো করে জানি। কি এমন কাজ করে দিনের বেলা ঘুমায়, আর সন্ধ্যা হলে তার কাজের যাবার প্রস্তুতি। আমি তো খুকি নই, বুঝ আমারো হয়েছে। তাই, পাশের বাড়ির ছোটন চাচা'র অনাবশ্যক আদরও আমি বুঝি। আদরের ছলে গায়ে হাত দেবার প্রবণতাও আমার দৃষ্টি এড়ায় না। কিছুই বলি না। কি হবে বলে? সব সয়ে যায়।
হুট করে ঘরের দরজার পাশে রাখা খাঁচা খুলে একমাত্র রাতা'টা উড়ে বেরিয়ে আসে। অনেকক্ষণ ধরেই চেষ্টা করছিল, এইমাত্র সফল হল। খাঁচার মুখে রাখা পিড়ি'টা পরে ধুপ করে শব্দ হয়। রাতা'টা তার সাফল্যে গর্বিত। মাথার ঝুঁটিটা তাই আজ মনে হয় আরেকটু উঁচু করে এগিয়ে যায় মুরগিগুলোর দলের দিকে। সেখানে সে'ই রাজা। বাকি সব মুরগিরা তার দাসানুদাস। ঠিক আমার বাবা'র উল্টা। ঘরের বাইরে গেলে চুপ। সাত চড়েও রা নেই। কিন্তু, ঘরে এলেই আমাদের উপর চোটপাট। মা'র গায়ে হাত তোলা তো নৈমিত্তিক, তার কয়েকটা আবার মাঝে মাঝে উপরি হিসেবে আমার পাওনা।

কি সব ভাবছি? একটু আগে বাবাও আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। কি পরিবর্তন হল সেদিনের সাথে আজকের? আমি বড় হয়েছি, সংসার হয়েছে। আমার বাচ্চার একটা বাবা হয়েছে। আর বাবু? সে আমাদের সাথে থাকে না। শহরে গিয়েছে। আর সবার মত বড়লোক হবে, এই আশা। কিন্তু, খোঁজ নেই বছর খানেক। কোথায় আছে কে জানে?
একটা ব্যাপারের ব্যতিক্রম নেই। সেদিনও সে বুঝতে পারে নি মা'র চলে যাওয়া, আজ তো সেই হয়ত জানতেই পারবে না।

হাতে একটুকরো বনরুটি আর একটা সাগরকলা কিনে খেতে খেতে একটা ছেলে শহরের রাস্তায় হেঁটে যায়। কোত্থেকে একটা কাক এসে রুটিটায় ঠোকর মেরে ভাগ বসাতে চায়। হাতের আঙুল ক'টা রক্তাক্ত। উফ্। য্ন্ত্রণায় চিৎকার করে উঠতে গিয়েও থেমে যায়। হয়ত, ক্লান্ত ছেলেটা বুঝে যায়, আজ তার কান্না শুনতে কেউ বসে নেই, তাই চুপটি মেরে যায়। কিংবা, আমাদের কানেই সব সয়ে যায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29026611 http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29026611 2009-10-16 03:31:08
কলেজিয়েট স্কুল[একখানা ফটুকময় স্মৃতি তুমি বেদানা পোস্ট] " style="border:0;" /> তার ছুডু ভাই হিসাবে এক্টা কর্তব্য আছেনা!! তাই, এই যাত্রায় বাসায় যখন আসলামই.. তখন স্কুল থেইকা ঘুইরা আসলাম বেশ কয়দিন আগে। আহারে, আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম!! জানলা দিয়া ব্যাগ ফালাইয়া, বারান্দা দিয়া দৌড় দিয়া কতদিন স্কুল পালাইছি!! আহারে.. আমাদের সময় থেকে যে পোলাপাইনের পায়ে বেড়ি পরানির সূচনা বারান্দার গ্রিল দিয়া.. সেইটা একেবারে ষোলআনার উপ্রে আরো চাইর আনা পূরণ হইছে চারদিকে গেইট, রেলিং দিয়া পুরাই গার্লস স্কুল বানানির মাধ্যমে!! /<img src=" style="border:0;" /> তবে, যত যাই হোক, আমরা যেই স্কুলের পূর্বসূরি.. সেইখানকার উত্তরসূরিরা তো আরো ঝাক্কাস হবেই.. তার উপ্রে আবার ডিজিটাল বাংলাদেশ!! কাজেই স্কুল পালানির তড়িকার কোন অভাব নাই.. এখনো সেই ধারা পোলাপাইন বজায় রাখছে.. ভাবতে ভালোই লাগে.. <img src=" style="border:0;" />
যাউক্গা.. বহুত প‌্যাঁচাল কর্ছি.. এখন ফটুক..




হেডস্যারের রুমের দিকে যাওয়ার পথ.. আগে টাইলস ছিল না.. ইদানীং করা হইছে..


আমাদের স্কুল..

টিফিন পিরিয়ডে বোতল পুরানির জন্য কত কাড়াকাড়ি..

এইবার চলেন একটু দোতলায় উঠি..

এইটা একটা বিশেষ জায়গা। এইখানে যারা ফুটবল খেলে নাই, তারা কখনোই বড় খেলোয়াড় হইতে পারে নাই..

আমার ক্লাস শুরু এইখানেই.. "বি ফর বেস্ট"

স্যারের ডায়াস। এইটা নিয়া একদিন আরেক সেকশানের পোলাপাইনদের সাথে মারামারি পর্যন্ত করছি!!

জানলা খুইলা আমাদের ক্লাসরুমের একটা ফটুক নিলাম..

পরীক্ষার সময় এইরকম বেঞ্চের প্রতি আমাদের বিশেষ আগ্রহ ছিল!! সময়ে সময়ে এইখানে কাগজ, প্রশ্নপত্র, পেন্সিল বক্স রাখা হইত!! <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

একই জায়গা থেকে দুইটা মাঠের ভিউ..
ভিতরের মাঠ..

বাইরের মাঠ..

চলেন বাইরে যাই..

উপরে এতবড় এক্টা গেইট দেখলেন.. কিন্তু, তারপরেও এই জায়গা আমাদের বিশেষ প্রিয় আছিল.. বিশেষ করে ৬ষ্ঠ, ৭ম পিরিয়ডের দিকে.. <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

নুটিশবুড..<img src=" style="border:0;" /> জীবনেও এইখানে কোনদিন তাকাইছি বইলা মনে পড়ে না!! <img src=" style="border:0;" />

আমাদের সুইমিংপুল!!!



চিপা দিয়া কলেজ দেখা যায়..




এইটা হল আমাদের শর্টপিচ ক্রিকেট খেলার জায়গা..


[এই পোস্টটা দেবার কথা ছিল কাল রাতেই। কিন্তু, একাধিকবার কারেন্টের ভানুমতির খেলের কারণে আজ পোস্টানো। প্রচুর ছবি, লোড হইতে সময় লাগবে। দু:খিত।]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29021284 http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29021284 2009-10-06 10:26:39
বলো কেন এমন হয়?
আমাদের ইন্টারের ব্যাচ ২০০৫. স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে প্রায় হাজারখানেক ছেলে-মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব। তাদের সবার সাথে হয়ত তেমন পরিচয়ও নেই। কিন্তু তাও হঠাৎ করে কোথাও রাস্তায়, বাসে, ট্রেনে, শপিং কোর্টে দেখা হলে যখন বলে ওঠে, "তুই 'এ না??" মনের মাঝে কোথাও যেন একটা টান লাগে। আরে, এ তো আমারই বন্ধু। আয় দোস্ত, বুকে আয়।
ইদানীং, কি যেন একটা হয়েছে। কোন কিছুই আর ভালো লাগে না। কারো সাথেই আর বন্ধুত্ব করতে ভালো লাগে না। সবকিছুতেই কেমন যেন একটা গা-ছাড়া ভাব। যাহ্ বেটা ভাগ, তোমার সাথে কথা বলব না, ভাল্লাগে না।

হুট করে গত মার্চ-এপ্রিল'র দিকে একটা নিউজ পত্রিকায় দেখলাম, "খাগড়াছড়িতে গাড়ি দুঘর্টনায় ১১ জন নিহত।" গা কর্লাম না। রোজই তো কত দুঘর্টনার খবর আসে। বিকেলের দিকে ফেইসবুকে ছেলেদের স্ট্যাটাস, "কপিল আর নাই।" সাথে সাথে ফোন, কি ব্যাপার ঘটনা কি? "কলেজিয়েটের কপিল"। গ্রেট!!
মে মাসেই খুব সম্ভবত: আবারও ফেইসবুক স্ট্যাটাস, "এইটা কি করলি দোস্ত?" ঘটনা কি? "আই.ইউ.টি.র ছেলে জাফলংয়ে.."
গত মাসে আবারো স্ট্যাটাস, "আর.এফ.এস.টি একটা ফাউল জিনিস।" ঘটনা কি? "এস.এস.এম.সি'র দুইটা ছেলে.. "
প্রথম ঘটনায় সহমর্মিতা, পরেরগুলা তেমন একটা গায়ে লাগে নাই। ব্যক্তিগত পরিচয় নাই। শুধু ব্যাচমেট। হয়ত, পাথর হওয়ার সূচনা।

অনেকদিন পর, কাল নেটে এক্সেস পেলাম। ব্লগারদের পোস্ট পড়ছি, মন্তব্য করছি, সাথে ফেইসবুকও খোলা। দেখছি, ছেলেরা আবারো স্ট্যাটাস দিচ্ছে, "R.I.P. miss u AVI" মনে করলাম আরেকটা ব্যাচমেট। আহা। তখনো ভালো করে বুঝি নি। রাত প্রায় দেড়টার দিকে এক বন্ধুর ফোন, "অভিষেকের ঘটনা শুনছিস??" সাথে সাথে মাথায় আসল একটা গাট্টা-গোট্টা, চুপচাপ, হাসিখুশি, হাতে লাল রঙের সুতো বাঁধা একটা ছেলের মুখ। তাও জিজ্ঞেস করি, "কোন অভিষেক?" "চিটাং কলেজের। এখন সি.এম.সি.। পুকুরের পানিতে.. " আমি আর কথা বাড়াই না। ফোনটা রেখে দেই।
একে একে সবার স্ট্যাটাস, ফোনের পর ফোন, এস.এম.এস। তখনো শিওর করে কেউ বলতে পারে না, ঠিক কি হয়েছে, কি করে এক্সিডেন্ট?
সারারাত ঠিকমত ঘুম হয়না। গত পূজায়ও যার সাথে মন্ডপে মন্ডপে লাফালাফি, নাচানাচি.. আর দেখা হবে না তার সাথে?
সকালে উঠেই মেডিকেল। প্রথমবারের মত মর্গ দেখা। যে অটোপসি রুমে গত পরশুও ক্লাশ করে গেল, আজ সেখানে, সেই বিছানায় সে নিজে শুয়ে। কি সুন্দর, গাট্টাগোট্টা শরীর। তখনো তার মুখের কোণে সেই চিরচেনা হাসি। একে একে বন্ধুরা আসতে থাকে। একেকজনের মুখ পাথরের মত। হুট করে একজন কেঁদে দেয়। আমার কান্না আসে না। হয়ত ছোটবেলার সেই চাচার মত অবস্থা।
সেখান থেকে বাসায় নেয়া হয়। বন্ধুরা, তার আত্মীয়রা সবাই ভীড় করি বাসায়। মা'র সে কি অবস্থা। থাক, সেটা না হয় আড়ালই থাক। আর বাবা? নিজে হার্টের রোগী, বাইপাস করা। তিনি তো বাইরে চুপচাপ, শান্ত। ভেতরে কি অবস্থা, সে তো অনুমেয়। সেটাও থাক। বাচ্চা একটা মেয়ে, কে তা জানি না। দাদা, দাদা করে চিৎকার। হয়ত, কাজিন। খুব করে হয়ত ভালোবাসত ছোট্ট বোনটাকে। কে জানে? আর, তার খুব কাছের বন্ধু যারা? যে ছেলেটার পাশে বসে গত চারটি বছর ক্লাস করেছে? অথবা, সেই ছেলেটি, যার সাথে রোজ সকালে ক্যাম্পাসে যেত রিকশা করে? সবই থাক।

সেখানে থেকে শ্মশানঘাট। আমি আর যাই না। ভাল্লাগে না। দায়িত্ব এড়াই। হয়ত, নিজের কাছ থেকেই নিজেকে পালিয়ে নিতে চাই। শুধু ফেরার সময়, একটা বন্ধুর একটা কথাই কানে বাজে, "ওর বিয়েতেও হয়ত আমরা এতজন আসতাম না। একটা মৃত্যু অনেক কিছু বদলে দেয়।"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29019265 http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29019265 2009-10-02 16:36:03
অকথনকথনপটিয়শস- ঈদ ও পূজা সংখ্যা-১ ৪ শাবান, ১৪৩০ হিজরি
সেপ্টেম্বর ২৪, ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ
০৯ আশ্বিন, ১৪১৬ বাংলা
সম্পাদক হিমালয়৭৭৭
সহসম্পাদক মুক্তবয়ান কর্তৃক প্রকাশিত

সম্পাদকীয়:
ঈদ চলে যাওয়ার ৩দিন পর আমাদের ঈদসংখ্যা যদি কাউকে অবাক কিংবা হতাশ করে থাকে, তার কৈফিয়ত দেয়াটাও আমাদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। সুতরাং সে বিষয়েই কথা হোক। ঈদের আগে বা ঈদের দিন ঈদ বিষয়ক লেখা পড়ার সময়-ধৈর্য্য কোনটাই থাকেনা; অবশ্য এখনও আছে কিনা সেটা নিয়ে সংশয় থাকলেও বিভিন্ন চ্যানেলে পাল্লা দিয়ে প্রচারিত বস্তাপচা নিম্নমানের অনুষ্ঠান দেখে অনেকেরই আগ্রহ জাগতে পারে ভিন্ন কিছুর। সেই ভিন্নকিছুর তাগিদ থেকেই আমরা কয়েকদিন পরে ঈদসংখ্যা প্রকাশ করলাম। এই সংখ্যায় যারা লেখা দিয়েছেন তাদের জন্য একটি ধন্যবাদ বরাদ্দ থাকল; একটি ধন্যবাদই সবাই ভাগ করে নিন আপাতত। সবশেষে, পত্রিকার তরফ থেকে সবাইকে জানাই অফিসিয়াল ঈদের শুভেচ্ছা।

সহ-সম্পাদকীয়:
অনেকের কাছেই প্রশ্ন জাগতে পারে, এতদিন পরে ঈদ সংখ্যা কেন? আমরা একটু পরিষ্কার করি, আমরা জাতি হিসেবে ফাঁকিবাজ কি না এটা স্বীকার্য না হলেও অকথনকথনপটিয়শস পত্রিকা হিসেবে স্ব-ঘোষিত ফাঁকিবাজ! কাজেই পরপর দু'টি আয়োজন করা সম্ভব না ঈদ ও পূজা উপলক্ষ্যে। তাই ঈদের রেশ কাটার আগেই ৪র্থ দিনে এসে পূজার সূচনা ষষ্ঠীতে আমাদের বিশেষ সংখ্যা। আমাদের অনুরোধে পত্রিকার পাঠকদের জন্য ব্লগের বিভিন্ন লেখকগণ তাদের পাঠকদের জন্য বিশেষ লেখা দিয়েছেন। তাদের ধন্যবাদ। বেশি সংখ্যক লেখা এসে পরায় আমরা সবলেখা একসঙ্গে প্রকাশ করছি না। লেখা প্রকাশের ক্ষেত্রে আমরা বর্ণক্রম অনুসরণ করেছি। যেহেতু, এটা এমন একটা পত্রিকা, যার পুরোটাই ফাঁকিবাজি, কাজেই ব্লগারগণের জন্য লেখা জমা দেবার সময়সীমা আজীবন! তবে, লেখা প্রকাশের অধিকার অকথনকথনপটিয়শস সংরক্ষণ করে না! সবাইকে ঈদ মোবারক ও পূজার শারদ শুভেচ্ছা।


ঈদ স্পেশাল- অপ্সরীয়া ফেভারেট রেসিপি
-অপ্‌সরা
ঈদে সবাই চায় স্পেশাল আনকমন কিছু। সে জামা কাপড়েই হোক , সাজ সজ্জায় আর পোষাকে-আশাকে বা খাদ্যসম্ভারেই হোকনা কেনো। আমার এবারের ঈদ স্পেশাল খাবারের তালিকায় থাকছে চিকেন কেশুনাট সালাদ।
এই ডিশটা আমি নিজেই বানাবো। এবারের রমজানের ইফতারের মেন্যুতে আইটেমটা আগেই প্রাকটিস করে নিয়েছি ও বাসার সবার প্রশংসাভাজন হয়ে এবারে ঈদে বেড়াতে আসা সব আত্নীয় স্বজন বন্ধুবান্ধবদের জন্যও এই আইটেমটিই বিশেষ ডিশ তালিকায় রাখবো বলে মনস্থ করেছি।

কেশুনাট সালাদ বানানোটা একেবারেই সোজা। এটা বানাতে লাগবে,
শশা- ২টি
টম্যাটো-২টি
ক্যাপসিক্যাম-২টি
পেয়াজ- ২টি গোল চাকা করে কাঁটা
কাঁচা মরিচ ধনেপাতা কুঁচি করে কাঁটা- আন্দাজমত
চিকেন কিউব-২ কাপ
রসুন কুচি -২ কাপ
টম্যাটো সস-২ কাপ
সয়াসস- আধা কাপ
চিনি-আধা কাপ
কেশুনাট-৫০০ গ্রাম

চিকেন কিউবগুলো টেম্পুরা ফ্লাওয়ারে মাখিয়ে মুচমুচে করে ভেজে উঠিয়ে রাখতে হবে।
ফ্রাইপ্যানে রসুন কুচি লালচে করে ভেজে তাতে টম্যাটো সস, সয়াসস আর চিনি দিয়ে জাল দিয়ে ঘন করে নিতে হবে। ।সসটা হয়ে গেলে তাতে কেশুনাট, চিকেন কিউব আর শশা টম্যাটো পেয়াজ মরিচ ধনেপাতা সব একসাথে মাখিয়ে নিতে হবে।

ব্যাস হয়ে গেলো মজাদার মুচমুচে চিকেন কেশুনাট সালাদ।


তুমি শুধু তুমি
-অনন্ত দিগন্ত
তোমাকে দেখলেই হৃদয়ে বেজে ওঠে আনন্দ বীনার অবিনাসী সুর... মনে ছড়িয়ে যায় ভালোবাসায় ফুলঝুরি... অস্তিত্বের পরতে পরতে ছুয়ে যায় তোমার উষ্মতা, সুর্যালোকের ন্যায় উদ্ভাসীত তোমার রুপে ঝলসে যায় তোমার আশেপাশের প্রতিটি অনু পরমানু, চাঁদের আলোর স্নিগ্ধতায় নিজেকে সাজিয়ে আলোকিত করেছ বহু মানুষের লুকিয়ে রাখা সুপ্ত বাসনা...

তোমার তুলনা শুধু তুমি ... আমার অহংকার শুধু তুমি ... আমার ভালবাসা আজ শুধুই তুমি, তোমার স্পর্শে যেন জেগে ওঠে হাজার বছরের মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ ... বিষ্ফোরিত হয় জাহার রং এর আতশবাজি ... শুষ্ক মৃতপ্রায় নদীতে জেগে ওঠে ভরা যৌবনের পুলকিত চিহ্ন ... তাইতো তোমাকে পাওয়ার তীব্র আকাংখায় আজ যুদ্ধে অবতীর্ন হাজারো সুন্দরের পূজারী ... সেই তুমি যে আর কেউ নও, আজকে আমাদের সবার নয়নের মনি- মাসাক্কালি <img src=" style="border:0;" />


জোকস
-হাল্ক
এক ছেলে অঙ্কে খুব দুর্বল। অঙ্কে দুর্বল হলে কি হবে- বদমায়েশীতে সে খুব সবল। বাসার সবাইকে জ্বালিয়ে মারে। বাপ মা প্রায়ই তাকে হুমকি দেয়- এইরকম করতে থাকলে তোমাকে খ্রীস্টান মিশনারীদের স্কুলে ভর্তি করে দেয়া হবে। তাদের হাতে পড়লে তুমি সোজা হয়ে যাবে।
ছেলে বাপ মায়ের কথায় কান দেয় না। ফলাফল বার্ষিক পরীক্ষায় সসম্মানে অঙ্কে ফেল। বাপ- মা তাকে নিয়ে পরের বছর খুব কড়া মিশনারী স্কুলে ভর্তি করে দেয়ে আসল।
পরের বছর ছেলে অঙ্কে হাইয়েস্ট মার্ক পেলো।
বাবা জিজ্ঞেস করল, এক বছরে এত উন্নতি হলো কিভাবে?
ছেলে- আমি মিশনারী স্কুলে গিয়েই দেখি বিশাল একটা যোগ চিহ্নের উপর এক সুন্দর মানুষকে ধরে বেধে রাখছে। তখনি বুঝছি, অঙ্ক নিয়া এদের সাথে হাঙ্কি-পাঙ্কি করা যাবে না।

যেরম রোজা সেরম ঈদ
-বাঙাল
এইবারের ঈদটা ভালাই কাটছে।কুলা লাম্পুরে ৩য় ঈদ। দ্যাশ থিকা সমমনা ৫টা পোষ্ট গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট ইম্পোর্ট করছি গত ২/৩ মাসে। এগ নিয়া স্যারদের বাসায় জোটবদ্ধ আক্রমন চালাইয়া খানাপিনা লুটপাট করছি। ঝাল মিষ্টি সবি পাইছি। আর কিছু লোকবল বাড়লে এদের ছাত্র সংসদ ভবনটা দখল নিমু বখতিয়ার খিলজী স্টাইলে। বিল্ডিংটা পছন হইছে আমার। এসি আছে

ঈদ এইবার আমারে সারপ্রাইজ এটাক দিছে। ঈদের আগের দিন বিকালে ডিপার্টমেন্ট থিকা বাইরে আইসা দেখি ঝুপ বৃষ্টি...কোন বাস নাই। রাস্তার গাড়ি নাই বল্লেই চলে। বাসায় ভিজা ভিজা গিয়া দেখি ফ্লাটে কারেন্ট নাই। মসজিদে ইফতার নাই। "অভাগা যেদিকে চায় সাগর শুকায়া যায়, আর আমি যে মসজিদে যাই ইফতারী শুষ হইয়া যায়"। বাল মার্কা ইফতার করলাম। তেলাপুকা খাইলাম না খেজুর খাইলাম, কইতারি না। এক সিনিয়র ভাইরে ফোন দিয়া কইলাম কবে ঈদ? তেনার আবার মালায়শিয়ান কানেকশন। জানাইল কালকে। বাসায় ২টা ডিমও ছিল না, একটা আন্ডিও পরিস্কার নাই, শেভ করা নাই। পুরা ফাঊল অবস্থা।

তবে এইবারের ঈদে দেশের চেয়ে বেশি আরাম পাইতেছি। সেই রিক্সা খুজার ঝামেলা নাই। রিমোট নিয়ে কাড়াকাড়ি নাই। জিনিসপত্রের দামেও কোন বাড়াবাড়ি নাই। পাড়া ঘুরে ঘুরে খাওয়া হচ্ছে। ঝাল , মিষ্টি। সো পেটে ও শরীরে শান্তি। তবে সকাল থেকে "ফাকা রাস্তায় হুট তোলা রিক্সায় মানব-মানবীর ছোয়াছুয়ি প্রেম" দেখতে না পাইইয়া...দিল্টা বেচইন হইছে।<img src=" style="border:0;" />
তবে সর্বাধিক রগড় দিছে ম্যানইউ।ঈদের রাইতে খেলাটা "ইত্যাদি" সম আনন্দ দিছে। পুরা খেলায় কুন বাশি হুনলাম না।বাশি মনে হয় রেফারী আংকেলের পকেট থিকা পইড়া হারায়া গেছিল। কিন্তু এক্সট্রা টাইমের বেলায় উনি উদার হইয়া মুটামুটি সারারাত খেলার ইজাজত দিলেন। মাইকেল ওয়েন ভাতিজা বাচাইছে গোল কইরা। নাইলে চেলসির খেলাডা দেখতেই পারতাম না।<img src=" style="border:0;" />

ভাবতেছি আজকে রেডাং আইল্যান্ডে জামু। দ্যাশবাসির দুয়া চাই। যেন ফিরা আইতে পারি।



অকথনকথনপটিয়শস- ৫ম সংখ্যা
অকথনকথনপটিয়শস- ৪র্থ সংখ্যা
অকথনকথনপটিয়শস- ৩য় সংখ্যা
অকথনকথনপটিয়শস- ২য় সংখ্যা
অকথনকথনপটিয়শস- ১ম সংখ্যা ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29015309 http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29015309 2009-09-24 23:19:35
জংধরা বনমালি [কবিতা] হাতের মুঠোয় উল্টো আয়না।
আয়নাজুড়ে বৃষ্টির ছাঁট
বৃষ্টির ফোঁটায় মাছের আঁশ।

নদীতে আজ সবুজ পাখি
পাখির ঠোঁটে কালচে পাতা
পাতায় বসা পিপড়ে
পিপড়ে কাঁধে মস্ত বোঝা।

মাঠের মাঝে লাল ব্যাঙ
ব্যাঙের সাথে মৌমাছি
মৌমাছির মুখে গোলাপের মধু
গোলাপ বাগানে গাছ কাটে বনমালি।

বনমালি আর গাছ কাটে না, কাজ খোঁজে।

সামনে একটুকরো বাগান নেই
লাগোয়া বাড়ি, সারি সারি
হাত বাড়ালে ছোঁয়া যায় অন্যের জানলার কার্নিশ;
সূর্য দেখে না বনমালি বহুদিন,
ঘুম থেকে উঠেই লাইট জ্বালে, টিউবলাইট কিংবা
এনার্জি সেভিং লাইট।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29013461 http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29013461 2009-09-20 12:51:13
সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা একটি বর্ষপূর্তি পোস্ট!!
আমার নাকি বর্ষপূর্তি হইয়াছে!! সবাই বছর ঘুরলে কত সুন্দর সুন্দর পোস্ট করে, আর আমার পোস্ট করার উপায় নাই। বাসায় আছি, মোবাইল দিয়া ব্লগে ঢুকা যায় না!! কয়দিন ট্রাই কইরা টায়ার্ড হইয়া গেছি!! এখন আপাতত সাইবার ক্যাফেতে। আসছি কাজে, এইফাঁকে ব্লগে ঢুইকা দেখি দেখায় "১ বছর ৩ দিন"!!

সক্কলে ভালা থাইকেন। আর, যারা যারা আমার ব্লগে আসেন/ আসেন না, যারা আমার লেখা(এইগুলা লেখা কিনা যথেষ্ট সন্দেহ আছে!!) পছন্দ করেন/ করেন না সবাইকে ধইন্যা।

ভালা থাইকেন। নেট পাইলে সবাইরে ধইন্যা দিব, যারা যারা এইখানে আমারে অভিনন্দন জানাইবেন!!! <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

তয়, একটা স্পেশাল ধইন্যা পাবে অকথনকথনপটিয়সশ -এর সম্পাদক হিমালয়৭৭৭ । আমার লেখায় প্রথম মন্তব্যের জন্য। <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />যদিও আমার প্রথম পোস্টটায় এখনো কোন মন্তব্য নাই!! <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> এই শোক আমি কখনো ভুলতে পারি না। আফসুস। <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

যাদের নাম না নিলে অন্যায় হবে.. আমার কবিতা শিক্ষিকা তনুজা দি, আমার ব্লগ পিতা শূণ্য ভাইয়া, গণ আপা নুশেরা পু, আমার মিতা সব্যসাচী দা, একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি সিজার ভাই, ২ সদস্যের লঞ্জাই প্লাসাই কমিটির ২য় সদস্য হামা ভাই, বিলাই শাওন ভাই, ফাঁকিবাজ চাঙ্কু, নব্য আঁতেল এপু দি, সম্পাদক হিমেল, চাচাজি পাক্না জয়, স্কাউট প্রতিনিধি কাউয়া ভাই, রান্নাবান্না কাঁকন দি, ভার্সিটি দোস্ত সুজি, শুভ, পিচ্চি নীল, মাঐ বরুণা দি, মাস্টার মশাই.. প্রথম থেকেই তাদের সাথে সম্পর্ক হয়েছিল বলেই হয়ত আমার এতদিন ব্লগিং। তাদের ধইন্যা দিমু না!! শর্ট পরব!!

এনারা ছাড়াও সাজি আপু, ছন্ন ভাইয়া, মেহরাব ভাইয়া, ম্যাভেরিক ভাইয়া, ভাঙা পেন্সিল, আমড়া, নাহিন আপু, সাদাত ভাইয়া, অনন্ত ভাইয়া, মেহবুবা আপু, বড় বিলাই আপু, শুভ্র ভাইয়া.. সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

চিটি আপুকে অনেক আগে বলেছিলাম একটা রেসিপির কথা, উনি মনে করে সময় নিয়ে দিয়েছেন একটা রেসিপিমূলক পোস্ট। কথা রেখেছেন। তার জন্যে বিশেষ একটা ধইন্যা আপুকে।

আর, সবশেষে মনে হয় মডুদের একটা ধইন্যা দেওয়া উচিত। <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

আপডেট:
১. সকল কাজের কাজি অপ্সরা আপু'র নাম না নেয়ায় উনি চেইতা আমারে কয়, উনার বর্ষপূর্তির পুস্টু থেইকা বাদ দিব!! তাড়াতাড়ি এডিট!!! <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
২. আর, রোবট আংকেল আবার থ্রেট দেয়.. উনার নাম না থাকায় উনি লগাউট কর্বেন!! ভালাহৈছে.. লগাউট কর্লে আম্রা এক্টু শান্তিতে "লুলক" হইতাম পার্মু.. <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29011672 http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29011672 2009-09-16 20:53:16
সোয়াইন ফ্লু: আশীর্বাদসমূহ!! কিন্তু, ঘটনা হইল সোয়াইন ফ্লুয়ের যে কিছু সুবিধাও আছে, এইটা এই বাঙালীরা বেমালুম ভুইলা বইসা আছে!! অকৃতজ্ঞ পুলাপাইন!!! <img src=" style="border:0;" /> তাই ঠিক কর্ছি সোয়াইন ফ্লুয়ের সুবিধা নিয়া লেইখা সকলের তরফ থেইকা হের কাছে ক্ষমা চাইয়া লই!!!

#১. পুলাপাইন প্রেম করে, কত কষ্ট কইরা লুকাইয়া-চুরাইয়া প্রেমিকারে নিয়া ঘুরতে বাইরায়। :`> কেউ দেইখা ফেললে শ্যাষ!! প্রেম লাটে!! এই অবস্থায় এগিয়ে আসে সোয়াইন ফ্লু!! ফ্লুয়ের প্রতিরোধ হিসেবে মাস্ক!! দুইজনে মাস্ক পইরা আরামে প্রেম কইরা বেড়াইতাছে। পুলা-মাইয়ার আত্মীয়রা দেখলেও কেউ চিন্তার্তাছে না!! আহা আহা আহা.. "প্রেমিকপুরুষ আরে রহিম মিঞা/ রূপবানে নাচে কোমড় দুলাইয়া!!" <img src=" style="border:0;" />

#২. আম্রা নাকি বড়ই অসচেতন, নাকি নজরুলের ভাষায় "নিজেতে নিচেতন"?? তাই ছুডুবেলার বাল্যশিক্ষা ভুইলা যাইতাছি "পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি.."। <img src=" style="border:0;" /> এমতাবস্থায়, অপরকে সাহায্য করতে সোয়াইন ফ্লু উৎসাহিত কর্তাছে!! ক্যামনে?? দেখেন্না, আম্রা এখন কতই পরের জন্য চিন্তিত!! তাইতো হাটে, মাঠে, বাজারে, রাস্তায় অপরের সুস্থ্যতার জন্য আম্রা মাস্ক ফেরি কইরা বেচি!! <img src=" style="border:0;" />

#৩. বাঙালীর আরেকখান সমস্যা আছে। "কইঞ্চান দেহি" কি?? B:-) বহুত বেকার পুলাপাইন। এক "উনুশ" সাহেব আর কত দারিদ্র্য দূর কর্বেন?? <img src=" style="border:0;" /> কত ব্যস্ততা!! এই পুরস্কার, ঐ পুরস্কার!!! আর পুরস্কারের ভাগিদার আর কেউ হইলে মুখ বেজার!!! /<img src=" style="border:0;" /> যাই হোক, মাইনসের তো কিছু কইরা বাঁচা লাগব!! তাদের লিগ্গা আর্শীবাদ হইল সোয়াইন ফ্লু। ঘরের ক্যাঁথা, বালুশ যা আছে, সব ছিড়া দলে দলে সক্কলে মিল্লা শুরু কর্ল মাস্ক বানানি। আহারে কি রমরমা ব্যবসা!!! <img src=" style="border:0;" />

#৪. আরেকখান সুবিধা হইছে ম্যাঙ্গো পাব্লিকগো লিগ্গা। কইতার্বেন্নি কেউ?? <img src=" style="border:0;" /> পত্রিকায় আইছে এইটা ছোঁয়াছে রোগ। ভীড়-ভাট্টায় বেশি ছড়ায়, কাজেই "সাধু সাবধান"!! সবাই ভীড় এড়ায়া চলার ট্রাই নিতাছে!! কাজেই ৭নং বাসে ভীড় এক্টু হইলেও কমছে!!!<img src=" style="border:0;" />
আছেন্নি কোন ভাই, ৭নং-এর যাত্রী?? কন, "ছুম্মা আমীন!!!" <img src=" style="border:0;" />

#৫. পত্রিকাওয়ালারা আছে মহা আনন্দে!!<img src=" style="border:0;" /> কোনদিন যদি কেউ আক্রান্ত হয়, তাইলেই হইল.. লগে লগে ছবি সহ পয়লা পাতায় নিউজ!! মুহূর্তেই পত্রিকার কাটতি হাজার বিশেক বেশি। কাজেই সত্য-মিথ্যা মিশায়া একটা জগাখিচুরি নিউজ পাব্লিকেরে খাওয়াও!!<img src=" style="border:0;" />

#৬. আমগো নিভৃতচারি, ঘর-গেরস্থালি সামলানি এম.বি.বি.এস ডাক্তারগোও এখন রমরমা অবস্থা!! <img src=" style="border:0;" /> জ্বর-সর্দি হইলেই লগে লগে পাব্লিকের টেনশন.. ডাক্তারের কাছে ছুট!! কোন কথা নাই, আগে ”টিনের বাক্সে বার টাকা”!!<img src=" style="border:0;" /> আর, বড় ডাক্তার, ল্যাবগুলানের তো দম ফেলনেরই সময় নাই!! সোয়াইন ফ্লু না হইলে কি এইসব হইত?? আফনেরাই কন্তো দেখি??<img src=" style="border:0;" />

কাজেই, সোয়াইন ফ্লু আমগো লিগ্গা অভিশাপ না, আশীর্বাদ!! <img src=" style="border:0;" /> আসেন আম্রা দলে দলে সোয়াইন ফ্লু’র সুস্থ্যতা কামনা করি, আর এর দীর্ঘায়ু কামনা করি!!!<img src=" style="border:0;" />



এইটা পুরাই ফাইজলামি পুস্টু!! সবাই সচেতন হোন। সচেতনতাই সোয়াইন ফ্লু'র সবচেয়ে বড় প্রতিষেধক। ইদানীং লোকদেখানো কিছু ব্যাপারে বিরক্ত হইয়া এই পোস্ট।
সোয়াইন ফ্লু নিয়ে আরো বিস্তারিত জান্তে
বিবর্তনবাদী ভাই'র পোস্টটা পর্তে পারেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29004752 http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29004752 2009-09-04 22:21:01
ঞতয়ান্ত পুরনো ক্ষয়ে যাওয়া ইটের দালানের
চুন-সুড়কীর ভীড়ে জন্মানো লতা-গুল্মের মত
সবুজ তুমি
তোমায় পড়ছে মনে।

বহুদিন পর
হঠাৎ করে ঘরের কোণে খুঁজে পাওয়া
ফেলে দেওয়া সেই ভাঙ্গা চশমার মত
নিত্যবৃত্ত অতীত থেকে উঠে আসো
তুমি।

ভুলতে চাওয়া স্মৃতিরা সব
ছবি আঁকে
তোমার দেওয়া ডায়েরীর পাতায় পাতায়
লাল-নীল-কালো-সবুজ গোটা গোটা অক্ষরে
আর নিছক কাটাকুটিতে।

দরজায় বেল বাজে
"দাদু, চলো, গাড়ি তৈরি।"

আজ আমাদের নতুন ফ্ল্যাটে ওঠার দিন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29001974 http://www.somewhereinblog.net/blog/muktoBoyan/29001974 2009-08-30 15:22:06