জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার জেষ্ঠ্য সন্তান তারেক রহমানের জন্ম ১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর তারিখে। তিনি ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ হতে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হন। দুর্নিতীর ইতিহাসে বাংলাদেশের কিংবদন্তি এই তারেক থানার দালালী থেকে শুরু করে এমন কোন ট্রাক নেই যেখানে রাজার হালে বিচরন করেন নি। এর কর্মের কিছুটা চিত্র পাওয়া যার মামুনের দুর্নিতীর কাহিনীতে, তারেক রহমান তার হাওয়া ভবনে পাশে "খোয়াব" নামক বাড়িটিতে, বাংলাদেশের কত অভিনেত্রী মডেল কন্যাকে ধর্ষন করেছে তার ইয়ত্তা নেই। এই সব ঘটনা শুনে সেখানে কয়েকবার তার স্ত্রীও গিয়ে হাজির হওয়ার ঘটনা আছে। বগুড়াতে গিয়ে মুনিরা ইউসুফ মেমীকে নিয়ে রাত্রিযাপন তো সে অঞ্চলের সবাই-ই জানে। এই মেয়ে সাপ্লাইয়ের কাজে তারেককে সাহায্য করত আনিসুর রহমান ঠাকুর আর অপু। যারা ছিলো হাওয়া ভবনের ত্রাস।আনিসুর রহমান ঠাকুর একজন আইনজীবি হয়েও তারেকের পা চাটতে কোনো দ্বিধা করেননি।বি এন পি’র ৫ বছরের সময়কালীন এই নোয়াখালীর আনিস ফুলে ফেঁপে একাকার হয়েছেন । তারেকের মেরুদন্ডের ৬ ও ৯ নাম্বার হাড় সম্পূর্ণ ভেঙ্গে গেছে যা ডাক্তারদের ভাষ্যমতে রিকভারী করা অত্যন্ত দূরহ।রিমান্ডে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকার কারনে তারেকের কোমরের একটি হাঁড় সরে গেছে।যেই খবরটি সবাচাইতে জরুরী তা হলো তারেক আর কোন ধরনের যৌন মিলন করতে পারবেন না তার কোমরের কারনে। বাংলাদেশের গরীব জনগনের টাকা মেরে খাওয়া তারেক,লক্ষ মানুষের হক নষ্ট করা তারেক রহমান এত কিছুর পরেও আজ লন্ডনে তার মিলিয়ন পাউন্ডের বাসায় বহাল তবিয়তেই বসে বসে পেপার পড়েন ও মুভি দেখেন।
নাম সজিব ওয়াজেদ জয়। জন্ম ১৯৭১ সালে জুলাই মাসে। যে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করেছে ভারতে এর পর চলে গেছে আমেরিকায় সেখানেই থেকেছে বড় হয়েছে এবং পড়াশুনা শেষ করে সেখানেই বিয়ে করেছে। এর আগে আর একটি বিয়ে করেছিলেন ভারতীয় এক মেয়েকে। মদ তার প্রচন্ড আসক্তি। ভিওআইপি ও বিদ্যুৎ তার দুর্নিতীর অন্যতম খাত। পিলখানা হত্যাকান্ডের সাথে তার সম্পৃক্ত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। বিজেপি (মঞ্জুর) বর্তমান চেয়ারম্যান ও এমপি। চারদলীয় জোটের অন্যতম শরীক। ভোলা থেকে নির্বাচিত। ইংল্যান্ডের উল্ভার হ্যাম্পটন ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছিলো পার্থ। বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুরের শত শত কোটি দূর্নীতির টাকায় লন্ডনে শুধু মদ আর নারী নিয়ে কাটিয়েছিলো এই পার্থ। ইউনিভার্সিটির পুরোটাই এসাইন্মেন্ট বেস থাকাতে হাজার হাজার পাউন্ড দিয়ে অন্য ছাত্রকে দিয়ে এসাইনমেন্ট করিয়ে নিতো আজকের এই কেতা দূরস্ত এম্পি। কথিত আছে তার বাবা নাজিউর, এরশাদের প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা মেরে দিয়েছিলো। এরশাদ জেলে যাবার সময় বিশ্বাস করে এই অর্থ নাজিউরকে দিয়ে গিয়েছিলো। পার্থ বিয়ে করেছে শেখ হেলালের মেয়ে আনমনা কে। উল্লেখ্য যে শেখ হাসিনার ফুফাতো বোন মানে শেখ সেলিমের বোনের সাথে বিয়ে হয়েছিলো নাজিউর রহমান মঞ্জুরের। এর মানে হচ্ছে, পার্থর খালা শেখ হাসিনা। ছোট বেলা থেকেই মারামারিতে ওস্তাদ ছিলো এই পার্থ । পিস্তল নিয়ে একে তাকে বুকে ঠেকিয়ে রাখা তার কাছে ডাল ভাতের মত ছিলো। তার গাজীপুরের বাগানবাড়ীতে প্রায় সপ্তাহেই রাজনীতি বিদদের জলযাত্রার আসর হয়ে থাকে।
নাজিউর রহমান মঞ্জুরের ছোট ছেলে । অঞ্জন ২০০৯ সালে ব্যারিস্টার হন কলেজ অফ ল থেকে। লন্ডনে এক রাতে (২০০৯ এর সেপ্টম্বর) কোরাল বেটিং সেন্টারে ৩ হাজার পাউন্ড উড়িয়ে দেয়ার মত রেকর্ড আছে এই ধনীর দুলালের। কোনো চাকরী করার তো প্রশ্নই আসেনা। বাবার রেখে যাওয়া দূর্নীতির টাকায় মৌজ আর মাস্তি করেই সময় কেটেছে এই অঞ্জন সাহেবের। অত্যন্ত ধূর্ত এই লোকের ক্যাসিনো আর নারী ছিলো নিত্যসঙ্গী। অঞ্জন ২০১৩ সালে ভোলা ১ অথবা দুই থেকে নির্বাচন করবে।
নাম সুদীপ্ত। আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী এম্পি ও অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূরের একমাত্র ছেলে। লন্ডনে এসেছিলো ২০০৭ সালে। বিবিএ পড়তে। বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলো মেট্রোপলিটান ইউনিতে পড়বে বলে। কিন্তু ভর্তি হয়েছিলো লন্ডনের একটি ভিসা কলেজে। প্রায় তিন মাসে ১৬০০০ পাউন্ড উড়িয়ে দেয়া এই ছেলে সারাটাদিন বিভোর হয়ে থাকত গাঁজায় আর ড্রাগসে। ৩ বছর এই দেশে থেকে , কোনো পড়ালেখা শেষ না করে এই মূহূর্তে ঢাকায় আছে। রাজনীতি করবার তার খুব ইচ্ছা বলেই বন্ধু মহলে বলে থাকে।
ভদ্রলোকের নাম নাজমুল চৌধুরী শারুন। লন্ডনে থাকেন। চট্রগ্রাম ১১ মানে পটিয়ার এম পি শামসুল চৌধুরীর পূত্র এই শারুন। বর্তমানে টু-পাইস কামানোর জন্য ঢাকায় অবস্থান করছেন। শারুন সাহেব আইন বিষয়ে স্নাতক করেছেন মেট্রোপলিটন ইউনি থেকে। ব্লু বেরী ফোন, গুচির চশমা, আরমানির জিন্স,লেকোস্টির স্নিকার, পরিহিত এই যুবিকের সবচাইতে বড় গুণ হচ্ছে তিনি কোনো রকমের আটকানো ছাড়া ও সংকোচ ছাড়া মিথ্যা বলে যেতে পারেন।চাপার জোর মাশাল্লাহ সাংঘাতিক। তার বাবা চট্রগ্রাম আবাহনীর মালিক ও একাধিক গার্মেন্টসের মালিক। আশা করা যাচ্ছে যে এই শারুন সাহেব তার ধূর্ত বুদ্ধি দিয়ে বাবার এসব সম্পদ রক্ষা করতে পারবেন। ভয়ংকর ব্যাপারটি হলো, তার রাজনীতিতে ব্যাপক আগ্রহ।
নাম গালিবুর রহমান শরীফ। তার বাবা আওয়ামীলীগের একজন এম পি ও তিনবার নির্বাচিত প্রিতিনিধি। কিছুদিন আগে এই এম পি সাহেব ট্রেনে টিকেট না পেয়ে এক স্টেশন মাস্টারকে শারিরীক নির্যাতন করেছেন। তার দলবল দিয়ে পিটিয়েছেন। আর ছেলে ২০০১ সালে ধানমন্ডি ৩২ নাম্বারে দলবল সহ পিটিয়ে আসেন তারই আরেক বন্ধু নিজামুদ্দিন আল খশরুকে একটি মেয়ে ঘটিত বিষয় নিয়ে। এর পর ২০০২-২০০৩ সালের ধান্মন্ডি ৩/এ সড়কের সন্ত্রাসী সম্রাট,আমিন ও জুনু গংদের হাতে বেদম মার খান এই গালিব।পরে এর প্রতিশোধ হিসেবে সম্রাটের কাজিন সোহাসকে এম্পি হোস্টেলে উঠিয়ে নিয়ে এই এম্পি পূত্র বেদম মার-ধোর করেন। পরে সোহাসের মাথায় ১৪ টি সেলাই দিতে হয়। এইসব ঝামেলার বশবর্তী হয়ে গালিব সাহেবকে তার বাবা লন্ডনে পাঠিয়ে দেন। পড়ালেখা করতে এসে গালিব সাহেব তা এখন পর্যন্ত শুরু করেন নি। সবচাইতে ভয়ের ব্যাপার হচ্ছে এই গালিব সাহেব রাজনীতিতে আসতে চান। তার জীবনের একমাত্র ধ্যান জ্ঞানই হচ্ছে বাবার ইশ্বরদী-৪ এর আসনটি বগ্ল দাবা করার।
চট্রগ্রামের মেয়র এবি এম মহিউদ্দীনের দ্বিতীয় স্ত্রীর বড় সন্তান চৌধুরী মহিবুল হাসান নওফেলের। লন্ডন স্কুল অফ ইকোনোমিক্সের ল এন্ড এনথ্রোপলজীর ছাত্র ছিলেন এই নওফেল সাহেব। তিনি জন্সমক্ষে উক্তি করেছিলেন যে, আমার বাবা চট্রগ্রামের দূর্নীতিবাজ ব্যাবসায়ী এস আলম কে ৭০০ কোটি টাকার লোন পাইয়ে দিয়েছিলেন। অতি সম্প্রতি খবরের কাগজ গুলোতে এসেছে তিনি তার বাবার আসন থেকে রাজনীতি করবেন। তিনি নাকি আবার মার্ক্সবাদে বিশ্বাসী। লন্ডনের আলো বাতাসে বাবার দূর্নীতির অর্থে যিনি লেখা পড়া করেছেন। দেশের গরীব মানূষের হক মেরেছেন, তিনি বাংলাদেশে মার্ক্সবাদ প্রতিষ্ঠা করবেন।
নাম মিস রাখি। তিনি আমাদের আওয়ামী নেতা জাহাঙীর কবির নানকের কন্যা। এই শ্রমিক লীগ নেতা বি এন পি'র গত টার্মের শেষ দিকে গুলিস্তানে গান পাউডার দিয়ে বাসে আগুন ধরিয়ে, ১২ জন লোককে হত্যা করেছেন।
তত্বাবাধায়ক সরকারের আমলে লন্ডনে তাকে বিশেষ ভাবে আশ্রয় দিয়েছিলো লন্ডন যুবলীগ সভাপতি আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও ইস্ট ব্যাঙ্ক কলেজের প্রশান্ত ভূষন বড়ুয়া। আইন বিভাগে পড়তে এসে টানা চার বছর পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন এই মিস রাখি।পরে প্রেম করে লন্ডনে আসিফ নামে এক ভদ্রলোকের সাথে বিয়ে হয় রাখির। ২০০৮ সালে তার বাবা মন্ত্রী হবার পর পর বাক্স প্যাটরা গুছিয়ে বাংলাদেশ চলে যায়। যাবার আগে বন্ধুদের বলে যায়, এই পাঁচ বছরই হলো যা করবার সময়।এই রাখি তার বাবার আসন থেকে ২০১৩ সালে নির্বাচনে আগ্রহী বলে কয়েকটি সূত্র থেকে জানা গেছে।
চরিত্রের নাম আব্দুল্লাহ আল হাসান তূর্য। ইনি বিএনপির নেতা ও সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল নোমানের বড় পূত্র । থাকেন ইংল্যান্ডে। পড়ালেখা করছেন অক্সফোর্ডে। একজন ফুলটাইম রাজনীতিবিদ এই নোমান। কি তাদের অর্থের উতস? অথচ এই নোমানের ছেলে প্রতি বছর ২৭০০০ পাউন্ড দিয়ে পি এইচ ডি করছেন । মার্সিডিজ গাড়ি হাঁকিয়ে চলেন। কোথায় পেলেন তিনি এত টাকা?
তিনি আর কেউ নন বিখ্যাত দূর্নীতিবাজ বিএনপি নেতা নাজমুল হুদার মেয়া শ্রাবন্তী হুদার। আইন বিষয়ে পড়ছেন স্কুল অফ আফ্রিকান স্টাডিসয়ে।বিএনপি ক্ষমতায় থাকা কালে ২০০৬ সালে সিগমা হুদা লম্বা সময়ের জন্য তার দুই মেয়ে অন্তরা হুদা ও শ্রাবন্তী হুদার সাথে লন্ডনে বসবাস করেন। তার মানবাধিকার সংস্থার এক অনুষ্ঠানে তিনি ওপেনলি একটি আড্ডাতে বলছিলেন যে কি করে তিনি বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের গভর্ণরকে তার চাকুরীর ভয় দেখিয়ে প্রতি মাসে ২০ লক্ষ টাকা আনাবার কাগজপত্র স্যাঙ্কশন করিয়েছিলেন। শ্রাবন্তী হুদার নামে বিট্রেনের এইচএসবিসি এবং অন্তরা হুদার নামে ব্রিটেনের নেট ওয়েস্ট ব্যাংকে একাউন্ট আছে। সিগমা হুদা এবং তার মেয়ে অন্তরা হুদার নামে যৌথভাবে ১৫৩ দ্য ওয়াটার গার্ডেনস, বুরউড প্লেস, লন্ডন ডব্লিউ২ ২ডিই-তে ২০০৩ সালে একটি বাড়ি ক্রয় করা হয়। বাড়িটি অন্তরা হুদার নামে দুই লাখ ৮৫ হাজার পাউন্ডে ক্রয় করা হয়। দুই লাখ ৫০ হাজার নগদ পাউন্ড দিয়ে ৪ হেনলি কোর্ট, ডেনহাম রোড, এগহাম, সুরে টিডব্লিউ২০ ৯কিউজেড-এ ২০০৬ সালের নভেম্বরে আর একটি বাড়ি ক্রয় করা হয়।নাজমুল হুদা এবং সিগমা হুদার নামে যৌথভাবে বারক্লেস ব্যাংকে দু’টি একাউন্ট আছে।
নাম মেরিনা আলী। তিনি বর্তমানে ডেপুটি স্পিকার কর্ণেল শওকত আলীর কন্যা।শওকত আলী আওয়ামীলীগ থেকে নির্বাচিত এমপি। মেরিনা আলী তার স্নাতক সম্পন্ন করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ নরদাম্ব্রিয়া থেকে ২০০৯ সালে। স্বামী জোজোর সাথে থাকতেন ইংল্যান্ডের নিউক্যাসেলে। এখানেই স্বামীর ব্যাবসা রেস্টুরেন্ট ব্যাবসা ছিলো জাঁকানো। কিন্তু বাঁধ সেধে বসে ২০০৮ সালের তার বাবা যখন নির্বাচিত হয় ও স্পীকার হয়। তার বাবা উক্ত পদ পাবার পরের এক সপ্তাহের মধ্যে তারা ইংল্যান্ডের সব বিক্রি করে দিয়ে চলে যায় বাংলাদেশে। উদ্দেশ্য, এই ৫ বছরেই যা কামাবার কামিয়ে নিতে হবে।
নাম ব্যারিস্টার সাকেব মাহবুব রাফি। বিএনপি’র বর্তমান যুগ্ন মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের ছেলে। দেশের টাকা বাবা মেরে পাঠাবে আর ছেলে এখানে আরাম করে পড়বে। মওদুদের এপিএস থাকা অবস্থায় কি করেনি এই মাহবুব উদ্দিন? কোটি কোটি টাকায় ট্রেড লাইসেন্স বিক্রি, দূর্নীতি,চাকরির তদবির, এসব কিছু করেই কোটি কোটি টাকার মালিক হয় মাহবুব উদ্দিন খোকন। মওদুদের একটি প্রতিবন্ধী ছেলে আছে লন্ডনে। তার নাম আমান মমতাজ মওদুদ। ব্রিটিশ পাসপোর্ট ধারী। এই ছেলেকে দেখাশোনা করানোর জন্য মওদুদ এক সময় মাহবুব উদ্দিন খোকন কে লন্ডনে তার বারএটল ডিগ্রী করতে পাঠায়। কিন্তু মূল উদ্দেশ্য ছিলো মাহবুব উদ্দিন খোকন যাতে আমানের দেখাশোনা করে। খোকন প্রভু মওদুদের মতই চলেছিলেন। মওদুদ ক্ষমতায় থাকা কালীন মাহবুব উদ্দিন খোকন কে সব দিয়েছেন । দিয়েছেন অর্থের সন্ধান, সম্পদের সন্ধান,দূর্নীতি কি করে করতে হয় তার কলা কৌশল। ব্যারিস্টার হয়ে খোকন দেশে ফিরে যুগ্ন মহাসচিব হয়েছেন আর এখন ছেলেও ব্যারিস্টার হয়েছে বাবার দূর্নীতি আর কালো টাকায়।
ছবিতে যে দুইজনকে দেখছেন এই দুইজনের বাবার নাম কর্ণেল ফারুক রহমান। প্রথম জনের নাম সৈয়দ তারেক রহমান এবং পরের জনের নাম যুবায়ের ফারুক। তারেক এই মূহূর্তে ফ্রিডম পার্টির চেয়ারম্যান। ফারুকের বড় পূত্র পড়েছে ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া। পাশ করে বের হয়েছে ১৯৯৬ সালে। দেশের অর্থে লালিত পালিত এই হিংস্র খুনীর ছেলেও বাবার মত হিংস্র। ক্ষমতায় এসে রক্ত গঙ্গা বইয়ে দিতে, তার বাবার রেখে যাওয়া কাজ সম্পাদন করতে বদ্ধ পরিকর এই খুনীর দল ফ্রিডম পার্টি। এরা এখন ধীরে ধীরে গোপনে সংঘটিত হচ্ছে । ফ্রিডম পার্টিকে আবার সেই পুরোনো ফর্মে ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। বাবার অবৈধ টাকা ফূর্তি করে হয়ত বিএনপির সাথে আঁতাত করে জামাতের মত এরাও সামনের নির্বাচনে আসন পাবে।
নাম ববি রেদোয়ান সিদ্দীকি। শেখ রেহানার ছেলে। মায়ের দূর্নীতি আর দেশ থেকে মেরে দেয়া কোটি কোটি টাকায় বড় হওয়া এই রাজপূত্র পড়ালেখা করেছে লন্ডন স্কুল অফ ইকোনোমিক্সে অর্থনীতিতে। আওয়ামীলীগে কোনো পদ নেই, কোনো দপ্তর নেই কিন্তু অবলীলায় বলে দেয়া যায় তিনি ক্ষমতাধর। গত কয়েকমাস আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারর সফরে যে ১২৪ জনের এক বিশাল বাহিনী নিয়ে যান, সেই বাহিনীর মধ্যে আমাদের ববি ভাই আছেন।
১ম জনের নাম শেখ ফজলে ফাহিম সুভাষ এবং ২য় জনের নাম ব্যারিস্টার শেখ নাঈম। বিশিষ্ট চোর আর দূর্নীতিবাজ নেতা শেখ সেলিমের দুই পূত্র।
ফজলে ফাহিম সুভাসের রাজনীতিতে আনুষ্ঠানিক অভিষেক না হলেও ভবিষ্যতে রাজনীতিতে আসার সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দিচ্ছে না গোপালগঞ্জবাসী। গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের অপ্রতিরোধ্য ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চন্দ্রদীঘলিয়া হাইস্কুল মাঠে স্থানীয় এলাকাবাসী সম্প্রতি সুভাসকে পরিচয়ও করিয়ে দিয়েছে আগামীর নেতা হিসেবে। শেখ সুভাস যুক্তরাষ্ট্রের অস্টিন এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যথাক্রমে বিবিএসহ পলিটিক্যাল ইকোনমিক্স বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন। বিয়ে করেছেন বিশিষ্ট রাজাকার নুলামুসা ওরফে প্রিন্স মুসার মেয়ে ন্যান্সি কে। ছোট ছেলে শেখ নাইম তার বারএটল ডিগ্রী করেছেন লন্ডন থেকে। বিয়ে করেছেন বি এনপির সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর মেয়ে সারাহ হাসিন মাহমুদকে। লন্ডনে থাকা অবস্থায় কোনো কাজ করতেন না আমাদের নাঈম ভাই। সেন্ট্রাল লন্ডনের একটি ফ্ল্যাটে মাস্তি আর আরাম করে কাটিয়ে দেশে ফিরে এসেছেন আমাদের এই রাজপূত্র। পরিশ্রম নেই, কষ্ট নেই, দুঃখ নেই।
শুধু বাবার চুরি করা অর্থ আর মানুষের হক মেরে দেয়া টাকা দিয়ে দুই ভাই এখন অনেক শিক্ষিত।
নাম ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নাজিব মোমেন। মতিউর রহমান নিজামীর তিন নাম্বার ছেলে। পড়ালেখা করেছে ঢাকা ইউনিভার্সিটতে পরে চলে যান সৌদি আরব। তিনি ১৯৯৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করেন। লন্ডনে উচ্চতর শিক্ষার জন্য আসেন, এবং বিষয় হিসেবে আইন বেছে নেন। দেশে ফিরে যান ২০১০ সালের শুরুতে। লন্ডনে থাকাকালীন লন্ডন জামাতী ইস্লামীকে শক্তিশালী করণের উদ্যোগ নেয় এই নাজিব মোমেন। কোনো রকম যোগ্যতার পরীক্ষা ও ইন্টারভিউ ছাড়াই শুধু জামাতী কানেকশনের জন্য ইস্টলন্ডন মসজিদের লাইব্রেরীর দায়িত্ব দেয়া হয় নিজামীর এই তিন নাম্বার ছেলেকে।
হাসান ইকবাল ওয়ামি । এসএসসি ও এইচএসসি ন্যাশনাল ব্যাংক স্কুল ও কলেজ থেকে। ইসলামি ইউনিভার্সিটি থেকে মিডিয়া এন্ড ম্যাস কমিনিকেশনে অনার্স করেছেন। শেষ সংবাদ অনুযায়ী ওয়ামী ফ্রান্সে ছিলো। তার একটি বিশেষ পরিচয় হলো সে জামাতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামরুজ্জমানের পুত্র। একসময় ব্লগিং করতো সামহোয়্যার ইনে। মুক্তিযোদ্ধাদের কুকুর বলে সম্বোধন করাতে পুরো ব্লগ ফুঁসে ওঠে। জামাতের সক্রিয় সদস্য এবং আন্তর্জাতিক ফান্ডের জন্য জামাতের অন্যতম প্রতিনিধিকারী এই ওয়ামি। ওয়ার্ল্ড এসোসিয়েশন অফ ইসলামিক ফান্ড নামে মধ্যপ্রাচ্যের একটি জঙ্গী সঙ্গগঠনের সরাসরি বাংলাদেশ এজেন্ট ।ওয়ামী আগে থেকেই গোপনে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলো। এখন জোরে শোরে শোনা যাচ্ছে তার ২০১৩ সালে এম পি ইলেকশন করবার কথা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে একজন বিদেশী নারীর সাথে ঢলা-ঢলিতে মত্ত ওয়ামি।
ভাইজানের নাম আব্দুল হামিদ পবন। উনার বাবার নাম খন্দকার দেলোয়ার। কখনো অস্ত্রবাজি, কখনো গাড়ি চুরি, কখনো বা দুর্নীতি, জবরদখল তিনি অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ শুনে প্রকাশ্যে বিচারককে হুমকিও দিয়েছেন' এ রায়ের ফল তোর সন্তানের ওপর দিয়ে যাবে।' পুলিশের হাতে কয়েক দফা ধরা পড়লেও বিশেষ মহলের হস্তক্ষেপে কারাগারে তাকে থাকতে হয়নি বেশি দিন। জামিনে বেরিয়ে আবারও ঘটিয়েছেন অপকর্ম।বিএনপি চেয়ারপার্সনের অফিসের সামনে 'বোমা হামলা নাটক' সাজানোর মূল হোতা তিনি। পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত এক দশকে আখতার হামিদ পবনের বিরুদ্ধে শতাধিক অভিযোগ এলেও মামলা হওয়ার সংখ্যা হাতে গোনা। বিচিত্র অপরাধে যুক্ত পবনের বিশেষ সিন্ডিকেট সক্রিয় আছে ঢাকা ও মানিকগঞ্জে। মূলত খোন্দকার দেলোয়ার যখন চিফ হুইপ ছিলেন, সে সময়ই পবনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বেশি। ২০০৫ সালের ১৩ অক্টোবর মতিঝিলের আমিন কোর্টের সামনে থেকে ব্যবসায়ী কাজী মিজানুর রহমান পিন্টুর গাড়ি ছিনতাই করেছিল পবন সিন্ডিকেট।
নাম আবেদ হাসান মাহমুদ । বিএনপি’র সাবেক বিদ্যুত মন্ত্রী এবং সিরাজগঞ্জ থেকে নির্বাচিত এম পি ইকবাল হাসান মাহমুদের ছেলে। টুকু ছিলো শেখ কামালের পেয়ারি দোস্তো। বিদ্যুতমন্ত্রী অবস্থায় ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর অবৈধ অর্থের সন্ধানে নেমে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে, আইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে টুকু ২৮ কোটি ৫২ লাখ ১৫ হাজার ২শ’ কালো টাকা সাদা করেছেন। সাম্প্রতিক খবর হচ্ছে, আমাদের আবেদ ভাইজান রাজনীতিতে আসতে চান। বাবা তাকে সিরাজগঞ্জে নিয়ে ভোদাই জনগনের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন । বি এন পি থেকেও গ্রীন সিগনাল দেখা যাচ্ছে।
নাম সালেহীন রেজা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামের ইতিহাস বিভাগে পড়েছেন তার পিতা হচ্ছেন মহামান্য ভূমি মন্ত্রী রেজাউল করিম হীরা। আপনি আপনার জমির সমস্যা নিয়ে কোথাও যাবেন? কোর্টে যাবেন?মামলা করবেন? না, তা আর হচ্ছে না, এই সালেহীন রেজাকে পার্সেন্টিজ না দিয়ে। সচিবালয়ে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা বাবার অফিসে কাটায় এই সালেহীন। ফাইল দেখে আর সিদ্ধান্ত দেয়। আপনি ভূমি মন্ত্রনালয়ে যান, একটা তেলাপোকা থেকে শুরু করে শেখ হাসিনাও জানে এই তথ্য। আপনি আপনার জমিজমা নিয়ে বিপদে পড়েছেন? তবে একেবারে চিন্তা না করে সালেহীন ভাইয়ের কাছে চলে যান। পকেটে রাখবেন জমির মূল দামের ১০ পার্সেন্ট।
নাম মোহাম্মদ আলী আরাফাত।বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক তিনি। কিন্তু এটা তার পরিচয় নয়, তার একমাত্র পরিচয় হচ্ছে, তিনি ওস্তাদ সজীব ওয়াযেদ জয়ের বন্ধু। ঠিক যেমন গিয়াসুদ্দিন আল মামুন ছিলো তারেক সাহেবের বন্ধু। অবশ্য আরাফাত ভাইসাবের আরেকটি সুন্দর পরিচয় আছে। তিনি হচ্ছেন আমাদের প্রিয় অভিনেত্রী শমী কায়সারের বর্তমান বয়ফ্রেন্ড। আপনি যদি বাংলাদেশ টেলিভিশন খোলেন, আর টিভিতে যান, চ্যানেল আই এ যান,এ ট এন বাংলায় যান, শুধু এই লোকটিকেই দেখতে পাবেন। শুধু সজীব ওয়াযেদ জয়ের বন্ধু বলেই আজ সে একজন মিডিয়া প্রভু। বাংলাদেশ টেলিভিশনে কি প্রোগ্রাম হবে, কি নাটক হবে, কি ডকুমেন্টারী হবে, কি গান হবে, সব ধরনের সিদ্ধান্তের জন্য যার সিদ্ধান্তই প্রধান তিনি আর কেউ নন। আমাদের মোহাম্মদ আলী আরাফাত ভাই। টেন্ডার পাইয়ে দেয়া, অফিস স্থাপন, চ্যানেল খোলার জন্য তদবীর,কাজের অর্ডার সব তিনি পাইয়ে দিতে পারেন। এই হচ্ছে তার যোগ্যতা। একটি অনলাইন সাইট চালান তিনি। নাম সুচিন্তা। আপনারা যদি সজীব ওয়াযেদ জয়ের পার্সোনাল ব্লগে যান তবে সেখানকার Link বিভাগে লেখা আছে, “A progressive Bangla Blog”. এইখানে ক্লিক করলে আপ্নিও চলে যাবেন সুচিন্তা ব্লগে। এই “প্রগ্রেসিভ বাংলা ব্লগে” ভাই জয়ের বন্ধু আরাফাত-ই লেখক, গবেষক ও চিন্তাবিদ।
নাম ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। বি এন পি’র রাজনীতিবিদ এবং ফলস কান্নার জন্য বিখ্যাত খালেদা জিয়ার সাবেক স্পীকার, যে কিনা, আসবাবপত্র চুরি করার দায়ে অভিযুক্ত ছিলো গত তত্ত্বাবাধায়ক আমলে। তার বাবা সাবেক স্পীকার জমিরুদ্দিনের বাসার আসবাব পত্রের টেন্ডার এই নওশাদ জমিরের মাধমেই নিশ্চিত হয়, বি এন পি আমলে তার আয়ের সবচাইতে বড় মাধ্যম ছিলো টেন্ডার বেচা ও সুপারিশ। বাপের ক্ষমতাকে অপব্যাবহার করে নিজের কাজিনদের একের পর এক টেন্ডার পাইয়ে দেয়া, চড়া দামে বিক্রি করা এইসব ছিলো এই দূর্নীতিগ্রস্থ ব্যারিস্টারের মূল কাজ। লন্ডনে থাকাকালীন অঢেল অর্থ উড়িয়েছেন এই ব্যারিস্টার নওশাদ। বাবার দূর্নীতির টাকায় লেখাপড়া করে, দেশে এসে এখন এলিট আইনজীবিদের সারিভুক্ত নওশাদ। হয় বাবার পঞ্চগড়ের আসন বা বগুড়ার কোনো একটি আসন থেকে সামনের ইলেকশনে নোমিনেশন পাবেন নওশাদ, একদম নিশ্চিত খবর। তারেক জিয়া ব্যাক্তিগত ভাবে নওশাদকে পছন করেন। ব্যাস, এইটুকু হলেই যথেষ্ঠ। আর কি লাগে?
নাম হাসান মওদুদ। রাজাকার কাদের মোল্লার ছোট ছেলে। রাইফেলস পাবলিক স্কুল থেকে এস এস সি ও এইচ এস সি’র পর বি বি এ পড়তে যায় মালেশিয়াতে। বয়সে ছোট ও নবীন হলেও, খোদ মালেশিয়াতেই রাজাকার বাপ-চাচাদের সমর্থনে একটি সমর্থক বাহিনী গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশের জল-হাওয়ায় মানুষ হয়েও তলেতলে বাংলাদেশ বিরোধী কাজ করে যাচ্ছে। মালেশিয়াতে বিভিন্ন ধরনের সেমিনার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরুদ্ধে মালেশিয়া সরকারকে জড়াবার ব্যাবস্থা করে যাচ্ছে মওদুদ। যে কাদের মোল্লা ইস্লামের নামে শত শত মেয়েদের ধর্ষন করেছে, মুক্তিযোদ্ধাদের ধরিয়ে দিয়েছে পাকি বাহিনীর কাছে, সেই কাদের মোল্লার ছেলে এখন মালেশিয়াতে লিভ টুগেদার করছে। তাদের ক্ষেত্রে এটা আর ইসলাম অসম্মত নয়। বিভিন্ন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের থেকে ডোনেশ্নের টাকা, সৌদি আরব থেকে পাওয়া ফান্ডের মাধ্যমে ফেলে ফুঁপে একাকার কাদের মোল্লার এই ছেলে আরাম আয়েশে মালেশিয়াতে পড়াশোনা করছে আর করছে লিভ টুগেদার।
নাম কাজী রাজীব হাসান। জাতীয় পার্টির নেতা কাজী ফিরোজ রশীদের পূত্র। ইংল্যান্ড থেকে পাশ করা ব্যারিস্টার।এরশাদের আমলে এই সাধারণ চাকুরীজীবি ফিরোজ রশীদ ফুলে ফেঁপে টাকার কুমির হিসেবে আবির্ভূত হন। দেশের মানুষের টাকা এবং বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক থেকে শত শত কোটি টাকা মারা ফিরোজ রশীদের এই পূত্রের ঠাট-বাঁট আলাদা। অত্যন্ত নাক উঁচু এবং মানুষকে মানুষ জ্ঞান না করা এবং বাবার নামে সর্বক্ষণ স্তুতি গাইতে থাকা রশীদের এই পূত্র এখন জাতীয় পার্টির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হবার জোর সম্ভাবনা আছে এই কাজী রাজীব হাসানের।
নাম মীর হেলাল উদ্দিন। চট্রগ্রামের বি এন পি’র প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক বিমান মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের একমাত্র পূত্র। বাবার দুর্নিতীর টাকা মৌজ করে হেলালুদ্দিন ব্যারিস্টার হন ইংল্যান্ড থেকে। তত্ত্বাবাধায়ক আমলে বাপ ছেলে সবচাইতে বেশীদিন কারাভোগ করেন। মীর নাসিরউদ্দিন নিজের দূর্নীতি ঢাকতে তার ছেলে মীর হেলাল উদ্দিনের একাউন্টে কয়েকশত কোটি টাকা জমা রাখেন। এই হেলাল উদ্দিন ইংল্যান্ডে থাকাকালীন অবস্থায় রাজাবাদশার জীবন যাপন করেছেন, যুক্তরাজ্য বিএনপি থেকে তাকে প্রতিনিয়ত সকল রকম সুযোগ সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করা হতো। মদের প্রতি অসম্ভব আকৃষ্ট মীর হেলাল। বাপের অবৈধ টাকায় মৌজ-মাস্তি করে যাওয়া এই ব্যারিস্টার বাবার আসন থেকে নির্বাচন করবেন এবং সেই পথে চলছে জোর লবিং। সংগ্রহ
মন্তব্যঃ লেখাটি যত পারুন সেয়ার করুন পারলে প্রিন্ট নিয়ে জনগণনের মাঝে বিতরন করুন। জাতির তার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সচেতন থাকা উচিত।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



