২০০৮ সালের প্রথমদিক পর্যন্ত আমরা যাদের নিকট থেকে ইন্টারনেট কিনি/আইএসপি/মোবাইল তাদের জন্য ১ এমবিপিএস bandwidth এর সরকারী মূল্য ছিল ১২৭,০০০ একলক্ষ সাতাশ হাজার টাকা যা ততকালীন তত্বাবধায়ক সরকার কমিয়ে ২৭,০০০ সাতাই হাজার টাকা নির্ধারণ করে দেয়।এর পর বর্তমান সরকার দুই বারে কমিয়ে ১০,০০০ দশ হাজার টাকা নির্ধারন করে।অথচ যখন এক লক্ষ সাতাইশ হাজার টাকা ছিল তখনও আমার গ্রামীনফোনের মডেমে গড় স্পীড ছিল ৫-১০ kBps আর আজ যখন দাম ১৩ গুন কমে ১০০০০ (দশ হাজার টাকা) তখনও আমার গতি ৫-১০ kBps. যদিও গ্রামীনের বর্তমান নেটওয়ার্ক দিয়েই আমাদের ৬০ kBps বা দেখুন কে ! ৪৮০ kbps পর্যন্ত গতি দিতে পারবে।
এর মানে দাম কমার পর যদিও গ্রামীন একই দামে ১৩ গুন বেশি ব্যন্ডউইথ পাচ্ছে তবু সে বাড়তি ব্যন্ডউইথ কিনছে না, প্রতিমাসে বেঁচে যাওয়া টাকা অর্ধেক বিটিসিএল এর ইঞ্জিনিয়া ও বিটিআরসির চেয়ারম্যান সহ সদস্যরামিলে খাচ্ছে বাকি অর্ধেক গ্রামীনের পকেটেই থাকাছে।কারন সরকার ১৩ গুন দাম কমালেও বেশি ব্যন্ডউইথতো কিনছেই না আবার দামের ক্ষেত্রে ২০০৮ সালে আমার কাছে যে আনলিমিটেড এর মূল্য ১০৪৫ টাকা রাখতো ১৩ গুন দাম কমার পরও তা ৯৩৫ টাকা রাখছে। এ বিষয়টা দেখারও কেউ নেই।
আমার মনে হয় সরকারেরই নির্দেশ আছে আইএসপিদের ইউজার সংখ্যার উপর ভিত্তি করে সরকার কাওকে নিদির্ষ্ট পরিমানের বেশি ব্যন্ডউইথ দেয় না। শত চাইলেও না। তা না হলে কোন না কোন মোবইল অপারেটর মার্কেট ধরার জন্য স্পীড ঠিকই বাড়িয়ে দিত।
কেন এমন করবে ? এর সাথে দেশ জুড়ে ব্যডব্যন্ড জড়িত ভিওআইপি জড়িত। আর ভিওআইপিতে প্রতিদিন ৬ কোটি মিনিট আইএসডি কল দুর্নিতীর সুজোগ রয়েছে। প্রায় ৫০ কোটি টাকা প্রতিদিন।আর ভিওআইপির সাথে কে জড়িত তা সবাই জানেন। ৫ বছরের ইজারা নেয়া, প্রতিদিন ৫০ কটি টাকা, তিন বছর মাত্র গেছে, আরও ২ বছর বাকি আছে, যতদিন খাওয়া যায়।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



