গতকাল ছগির ঘুম থেকে বিছানার উপর পরেথাকা সেদিনের খবরের কাগজের হেডলাইনে থাকা প্রধানমন্ত্রীর ছবির উপর বসে সজোরে কয়েকটি পাদ মারে।সেসময় জানালার পাশে রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিল হাইকোর্টের বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের পেশকার মজনু।শব্দ শুনে পেশকার জানালায় উঁকি দিয়ে দেখে ছগির প্রধানমন্ত্রীর ছবির উপর বসে পাদ মারছে।সে গিয়ে এ খবর বলে বিচারপতিকে।
বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের সূয়োমোটো এক বেঞ্চ এক আদেশে ছগিরকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন। খবরটা ঠিক এরকম না হলেও বিডিনিউজ টুয়ান্টফোরের নিউজট ছিল নিম্নরুপ।
ফেইসবুক স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর 'মৃত্যু কামনা' করায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মুহাম্মদ রুহুল আমীন খন্দকারকে তলব করেছে হাইকোর্ট।
আগামী ১৭ অক্টোবর তাকে আদালতে হাজির হতে হবে। দুই সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে নোটিশ জারি করতে পররাষ্ট্র সচিবকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের বেঞ্চ বুধবার এই আদেশ দেয়।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির খণ্ডকালীন প্রভাষক রুহুল বর্তমানে শিক্ষা ছুটিতে অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছেন।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আলতাফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, "ওই শিক্ষক যে বিদেশে রয়েছেন, এ বিষয়টি আজ আমি আদালতকে অবহিত করি। এরপর আদালত নতুন এই নির্দেশ দেন।"
এর আগে 'ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কেন ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হবে না'- তা জানতে চেয়ে ১৮ অগাস্ট একটি রুল জারি করে হাইকোর্টের একই বেঞ্চ।
দুই সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও শিক্ষা সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালককে এর জবাব দিতে বলা হয়।
গত ১৩ অগাস্ট মানিকগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও এটিএন নিউজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মিশুক মুনীরসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
ওই দিন রুহুল তার ফেইসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন 'পরীক্ষা ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার ফল- তারেক ও মিশুক মুনীরসহ নিহত ৫: সবাই মরে, হাসিনা মরে না কেন?'
ওই স্ট্যাটাস নিয়ে ১৮ অগাস্ট একটি জাতীয় দৈনিকে 'জাবির জামায়াতপন্থী শিক্ষকের ঔদ্ধত্য' শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ সংবাদ আদালতের নজরে আনার পর আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করে।
ওই স্ট্যাটাসের কারণে রুহুল আমীনের অপসারণ দাবি করে ১৭ ও ১৮ অগাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করে সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ।
এছাড়া বিষয়টি তদন্তে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। সূত্র
মন্তব্যঃ চামচারা যদি মুনিব যতটুকু চায় ততটুকুও করতো তাহলেও এদের নাম চামচা হতো না।কিন্তু মনিব যদি বলে 'ওকে আসতে বলো" চামচারা তাকে কমোড়ে দড়ি বেঁধে পিডাইতে পিডাইতে নিয়ে আসে।চামচামির একটা লিমিট থাকা বাঞ্ছনীয়। ফেসবুকে কে কি, ছবি, কার্টুন, স্ট্যাটাস, ভিডিও ছড়াচ্ছে তা শুনেই আদালতে তলব করেন! এনএসআই, ডিজিএফআই, এ্যামবাসি, ইন্টারপোল সবার উপর দুই সপ্তাহের কইরা রুল দেন ।
আপনি নিজে দখছেন ফেইসবুকের স্ট্যাটাসটা ? স্কিন শট দেন ! দেখছেন ফেইসবুক জীবনে? ঐডা খায় না মাতাত দেয়? স্ট্যাটাস না দেইক্খা সমন দেন। আর দেশে যে লোকজন, শিক্ষক সহ মহাসমারহে মেয়েদের রেইপ করে তা ভিডিও করে নেটে মোবাইলে ছড়ায় এবং আবার রেইপ করে তখন কই থাকে বিচারপতিরা ? নেটকে নোংড়া করার অগ্রদূত রাজিব যে এক বিখ্যাত মডেলের পর্ন করে নেটে ছেড়ে বাংলার যুবক, বুড়ার মনে পর্নগ্রাফির এযাবৎ প্রচারিত সর্বাধিক প্রচার ও সচেতনা সৃষ্টির দাগ কেটে গেছে।ঐগুলি দেখে বিচারপতিরা কি হস্ত মৈথুনে ব্যস্ত থাকেন ?
অথচ এখানে কে কোথায় কিবুকে কে একটা বাক্যে অর্থের প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু কামনা করেছে আর আপনি তাকে আদালতে তলব করে বসলেন ? আপনারা এত হাইপারএ্যাকটিভ কেন চামচামী করার লাইগ্গা? হাইপো অন একটু। তাইতো কবি বলেছেন চামচারা যদি মুনিব যতটুকু চায় ততটুকুও করতো তাহলেও এদের নাম চামচা হতো।কিন্তু মনিব যদি বলে 'ওকে আসতে বলো" চামচারা তাকে কমোড়ে দড়ি বেঁধে পিডাইতে পিডাইতে নিয়ে আসে।
এই দুই বিচারপতি ও ডিবি পুলিশের অতি চামচামীর আরেক পরিনতি নিচে দেওয়া হলো।
সুপরিম কোর্টের আইনজীবি এমইউ আহাম্মেদকে পুলিশ পিটিয়ে মেরেফেলেছে।
হাইকোর্টে বিশৃঙ্খলার মামলায় জামিনপ্রাপ্ত, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপিপন্থী আইনজীবী নেতা এম ইউ আহমেদের মৃত্যু।
হাইকোর্টে বিশৃঙ্খলার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া বিএনপি সমর্থক আইনজীবী এম ইউ আহম্মেদের মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ এসেছে, নির্যাতনই তার মৃত্যুর কারণ। আজ শুক্রবার দুপুরে ১টার দিকে স্কয়ার হাসপাতালে এম ইউ আহম্মেদের মৃত্যু হয় বলে বিএনপির যুগ্মমহাসচিব রিজভী আহমেদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, পুলিশি নির্যাতনের কারণেই এ আইনজীবীর অকাল মৃত্যু হয়েছে। সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মমতাজউদ্দিন (এম ইউ) আহম্মেদকে (৫২) গত ১১ অগাস্ট সেগুন বাগিচায় তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পরপরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের পর তাকে নির্যাতন করা হয়। তবে পুলিশ তখন বলেছিলো, ওই আইনজীবীর হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। সুপরিমকোর্টে হট্টোগোলের ঘটনায় এমইউ আহাম্মেদকে ডিবি পুলিশ বাড়ি থেকে রাতে ধরে নিয়ে গিয়ে অমানুষিক নির্যাতনের পর ভোরে অজ্ঞান অবস্থা হাসপাতালে ফেলে আসে। আজ দুপুর একটা পনের মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন।
গত ২ অগাস্ট হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে সংবিধান ছুড়ে ফেলা নিয়ে ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের চেয়ারম্যান মুফতি ফজলুল হক আমিনীর বক্তব্যের বিরুদ্ধে করা একটি আবেদনের শুনানি হয়। সেখানে খালেদা জিয়ার একই ধরনের উক্তির প্রসঙ্গে আদালত তার দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তুললে হট্টগোল বাঁধে ও হাতাহাতি হয়।
এরপর পুলিশ বাদি হয়ে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে। এর একটি মামলায় আসামি করা হয় এম ইউ আহম্মেদকে।
এম ইউ আহম্মেদ অসুস্থ থাকায় তার স্ত্রী সেলিনা আহম্মেদের রিট আবেদনে গত ২১ অগাস্ট হাইকোর্ট বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্য যে কোনো হাসপাতালে সরকারি খরচে ওই আইনজীবীর উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে বলে। এরপর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই শুক্রবার তার মৃত্যু হয়েছে।সূত্র
মন্তব্যঃ একজন মানুষকে ঘর থেকে ধরে নিয়ে মেরে ডেডবডি হাসপাতালে ফেলে আসবে, এটা একেবারেই ঠিক না।নাগরীকের এইটুকু নিরাপত্তা যেখানে নেই তাকে দেশ বলা যাবে না, বলতে হবে জঙ্গল।
এখানে কারো কোন অধিকার নেই, জোর যার মুলুক তার। ক্ষমতা সম্পন্ন লোকেরা যা ইচ্ছা তাই করতে পারে।তাদের একচেটিয়া আধিপত্য। রাজারা এখানে ডাকাতের মত।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



