রহিমার রহস্যময় বিয়ে (আমার লেখা জীবনের প্রথম গল্প!) 
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৫
ঘটনার সময়কাল ১৯৪০। গ্রাম তো দুরের কথা, তখন অনেক মহকুমা শহরেও বিদ্যুতের নাম গন্ধ ছিলো না। রহিমার বাস কদমতলি গ্রামে। কদমতলি গ্রামের নাম শুনেছেন তো? ওই যে আমাদের পাশের গ্রামের শেষ প্রান্তে বড় যে আমবাগান ছিলো, তার পশ্চিম পাশের গ্রামটা। - এ কথা বলে মিজান সাহেব একটু দীর্ঘ থামলেন।
মিজান সাহেব আমাদের পাশের বাড়ীতে থাকেন। বয়স প্রায় ৮০ ছুই ছুই। সন্ধ্যার পর আমাদের আড্ডা হয় তার দোতলা বাড়ীর ছাদে। মিজান সাহেবের ছাদ আবার একটু অন্ধকার। গাছের আড়ালের কারণে ল্যাম্পপোস্টের আলো পুরোপুরি পৌছায় না। একেবারেই ভুতুড়ে পরিবেশ। আজ হঠাত করে আড্ডায় মধ্যে ভূতুড়ে অভিজ্ঞতার বয়ান শুরু হলো। এই বিষয়ে মিজান সাহেবের দেখলাম ব্যাপক আগ্রহ। তার নাকি জীবনে অনেক অদ্ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা আছে। তার একটি আজ বলবেন। সবাই আগ্রহ নিয়ে কান খাড়া করে আছি। পরিবেশটাই ভুতের গল্প শোনার জন্য মানানসই।
মিজান সাহেব আবার বলতে শুরু করলেন। আমার দিকে ফিরে বললেন, বুঝলেন নাফিদ সাহেব, ঘটনাটা আজও একটা রহস্য হয়ে আছে। যা বলছিলাম, রহিমার বয়স তখন ১৪। গ্রামে আমাদের প্রতিবেশী। তখনকার দিনে এই বয়সের আগেই মেয়েদের বিয়ে হয়ে যেতো। রহিমার বিয়ে একটু দেরিতেই হয়েছিলো। মা বাবার আদরের ছিলো বলে দেরিতে বিয়ে দিয়েছিলো।
রহিমার বিয়ে কার সাথে হচ্ছিলো, আমরা পরিস্কার জানতাম না। রহিমার বাবা ফকির দরবেশ টাইপ মানুষ ছিলেন। খেয়ালি প্রকৃতির। হঠাত করে তার এক মুরিদের পাল্লায় পড়ে মেয়ের বিয়ে ঠিক করে ফেলেছেন। বরের সম্পর্কে আগাম কিছুই আমাদের জানা ছিলোনা। রহিমার বাবাকে ভয় মিশ্রিত ভক্তি শ্রদ্ধা করতাম বলে কিছু জিজ্ঞেসও করা হয়নি কারো। ফকির দরবেশ মানুষ। কার উপর গোস্বা হয় কে জানে!
বিয়ের সময় মাগরিবের পরে ঠিক হয়েছিলো। পাত্র পক্ষ মাগরিবের পরে অন্ধকার নামতেই হাজির হলো। বরের সাথে মাত্র দুইজন মানুষ। একজন রহিমার বাবার মুরিদ সেই মানুষটি, পাত্রের মামা। আরেকজন পাত্রের বাবা। এত কম বরযাত্রী আসাতে আমরা সবাই অবাক হলেও কিছু বললাম না। খেয়ে দেয়া হুজুর কলেমা পড়ালেন। পাত্রের চেহারা দেখলাম তখন। চেহারাটা কেন জানি সুবিধার লাগলো না। চোখগুলো ঘোলাটো ঘোলাটে। প্রথম দর্শনেই আমাদের কারো পছন্দ হলো না। কিন্তু কিছুই করার নাই। আমরা খেয়েদেয়ে বাড়ীতে চলে এলাম। পরের দিন ভোরে হইচই শুনে ঘুম ভাঙলো। রহিমাদের বাড়ীতে প্রচন্ড গোলমালের আওয়াজ পেলাম। এক দৌড়ে গিয়ে হাজির হলাম।
দেখলাম রহিমা অজ্ঞান পড়ে আছে। সবাই তার মুখে পানির ছিটকা দিচ্ছে। জ্ঞান ফেরার পর সবার কথায় ঘটনা পরিস্কার হলো আমাদের কাছে।
জানলাম, বরপক্ষের দুইজন বরকে রেখে রাতেই চলে যায়। রহিমার বাসর ঘরে যখন বর প্রবেশ করে, তখন রাত হয়েছে অনেক। গ্রামের বাড়ী। চারদিক ততক্ষণে নিশ্চুপ। শুধু ঝিঁ ঝিঁ পোকার ডাক। হারিকেনের মৃদু আলো জ্বলছে। বরের মুখ একবার মাত্র দেখেছিলো রহিমা। ঘোলাটে চোখ দেখেই ভয়ের একটা শিরশিরে অনুভূতি তাকে ঘিরে ধরে। আরো ভালো করে দেখার আগেই বর হারিকেনের আলো এক ঝটকায় নিভিয়ে দিলো। তারপর নি:শব্দে রহিমার পাশে এসে বসলো। রহিমার কেন যেন অস্বস্তি লেগে উঠলো। তবুও কিছু করার নেই। এই ছেলেই এখন তার সবকিছূর মালিক। সহ্য তো করতেই হবে। কিন্তু ছেলেটি যখন তাকে জড়িয়ে ধরলো, হাতগুলো কেমন যেন লোমশ লোমশ লাগলো। গা সিড়সিড় করে উঠলো রহিমার। অস্বস্তিকর অনুভূতি নিয়েই স্বামীসঙ্গ হলো। তার পুরো শরীর কেমন যেন অসাড় হয়ে উঠলো। তান্ডব শেষে ক্লান্ত রহিমা মরার মত ঘুমালো। ভোরে যখন ঘুম ভাঙলো, পাশ ফিরতেই দেখলো তার বিছানা খালি।
বাইরে তখন গন্ডগোলের শব্দ। রহিমার বাবা দরজায় ধাক্কা দিচ্ছেন। দরজা খোলার পরপরই তিনি মেয়েকে জড়িয়ে ধরে ডুকরে কেদে উঠলেন। তারপরের ঘটনা শুনেই রহিমাও অজ্ঞান।
ঘটনা হলো, যার সাথে রহিমার বিয়ে ঠিক হয়েছিলো, তারা নৌকায় করে আগের দিন দুপুরে রওনা দিয়েছিলো। কিন্তু আসার পথে বিকেলে নৌকাডুবিতে পাত্র তার দুই সাথী সহ মারা যায়। সকাল বেলা তাদের লাশ ভেসে উঠে নদীতে। গ্রামের মনু মাঝি লাশগুলো পাড়ে নিয়ে আসে।
- এই হলো ঘটনা। বুঝলেন নাফিদ সাহেব। এইটা এখনো এক রহস্য আমার কাছে। পাত্র যদি আগেই মারা যায়, রহিমার বাসর হলো তাহলে কার সাথে! আরো অবাক করা ঘটনা হলো, রহিমা পরবর্তীতে গর্ভবতী হয়। একটি সন্তানও হয়। ছেলে সন্তান। চেহারা অবিকল বাবার মতই। চোখগুলো ঘোলাটে ঘোলাটে।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
প্রলয় হাসান বলেছেন:
গাছ ভোদাইর কারনে হড়ড় গল্প তো এখন টক অব দ্য ব্লগ!!! ++লেখক বলেছেন: জীবনের প্রথম গল্প, তাও আবার হড়ড়! কেমন হইলো বলেন?
অক্ষর বলেছেন:
ব্লগের সবাই এখন সিরিয়াস হৈয়া গ্যাছে। কিছুক্ষনের মদ্ধে অনেক নীতিকথা সহ মাইনাস পর্বে এই পোস্টে
লেখক বলেছেন: ধুর মিয়া! এইখানে নীতিকথা কওনের কি আছে? গল্প কেমন হইছে বলেন।
অক্ষর বলেছেন:
ভয়ে আমার হাত পা.....
লেখক বলেছেন: আমারও এখন ভয় ভয় করতেছে... লিখার আগে হয় নাই.. ভয়ে আমার হাত পা.....
হাই ৫ হাসান বলেছেন:
হড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়ড়
লেখক বলেছেন:
![]()
শেরজা তপন বলেছেন:
গল্পটা(নাকি কাহিনীটা)ভালই লাগল।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু। হড়ড় সাহিত্যিক হৈয়া যামু কিনা ভাবতেছি! ![]()
লেখক বলেছেন: আসেন ভাই আমরা সবাই হড়হড়ড়ড় গল্প লেখি। ![]()
স্বজন বলেছেন:
ভাই মাফ করবেন। আপনার হড়ড় ফ্লপ নাফে হড়ড়ের কাছে। ভুতের কাছে গেলেই ভুতে ধরে তেমনি নাফের ব্লগে মন্তব্য করলেই ব্লকড। পোষ্টে++++
লেখক বলেছেন: তা বটে। তা বটে। উনি কিংবদন্তীর হড়ড় সাহিত্যিক। উনার পায়ের ধূলার ও যোগ্য নই।
রাজর্ষী বলেছেন:
ভালোই হইছে।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু। সিরিয়াসলি হড়ড় সাহিত্যিক হওনের কথা চিন্তাইতেছি!
স্নো হোয়াইট বলেছেন:
"আমার দিকে ফিরে বললেন, বুঝলেন নাফে সাহেব, ঘটনাটা আজও একটা রহস্য হয়ে আছে।"হি হি হি
লেখক বলেছেন: ![]()
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
বুঝলেন নাফে সাহেব, থুক্কু...মুকুল সাহেব, অতি অবশ্যই এই গল্প জীবন্ত হড়ড়ড় নাফে ভাইরে উৎসর্গ করণের কাম আছিলো আপনার ।
নাহ, এ অন্যায় মেনে নেয়া যায় না ! অতি শীঘ্রই আমি নাফে ভাইরে হড়ড় গল্প উৎসর্গ করবো । আমি সিরিয়াস ।
লেখক বলেছেন: এইটা আবার বলতে হয় নাকি! উতসর্গ তো অলরেডি হয়ে গেছে! ![]()
লেখক বলেছেন: শারফু, কেমন আছো?
লেখক বলেছেন: অ্যাঁ ! কেইস তো খারাপ মনে হয়! সামী ভাইয়ের হৈছেটা কী? 
হৃদয়হীনা বলেছেন:
ভালই লাগল। কিন্তু নাফে সাহেব আবার কোথায় পেলেন? ব্লকড ভাইরাসে আক্রান্ত নাফে নাতো?!
লেখক বলেছেন: এইটা একটা চরিত্রের নাম মাত্র। ব্লগীর কারো সাথে মিল খুঁজে পাইলে কাকতাল মাত্র!
নাফিস ইফতেখার বলেছেন:
আমার কিন্তু খুব ভালো লেগেছে.........+ + + + নাপে সাহেবের দ্বারা আর কিছু না হোক একটা ভালো কাজ হয়েছে, সবাই হড়ড় লিখবার উৎসাহ পেয়েছেন........অনেকের সুপ্ত প্রতিভা বেরিয়ে আসছে.........
লেখক বলেছেন: হ। অনেকের সুপ্ত প্রতিভা বেরিয়ে আসছে.........
উনি অবশ্যই ধন্যবাদ প্রাপ্য। ![]()
লেখক বলেছেন: ম্যালাদিন সিনেমা দেখি না। ![]()
তোমার বিবাহের কদ্দুর?
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
বুক মার্কে রাখলাম,পরে পড়ব।হরর না হইলে মাইনাস পাইবেন লেখক বলেছেন: আপনার প্রত্যাবর্তন স্মাইলী হোক। ![]()
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
ভয়ের ব্যাপার....সবাই ভয়ের গলপু লিখতাসে....আমি ভাবতাছি একখান ভৌতিক কৌতুক লিখুম।
লেখক বলেছেন: অসুবিধা নাই। দিয়া ফালান।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কুউউউউই ![]()
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
পুরস্কারের জন্য নাফে ভায়ের কাছে আবেধোন পাঠায়া দেন..
লেখক বলেছেন: উনার নেক নজর একবার পড়ছে এই পোস্টে। মাইনাসটা উনারই দেয়া! ![]()
লেখক বলেছেন: সেই ভাগ্য কি আমার হবে! উনি ইতোমধ্যেই আমাকে বিনাদোষে ব্লক করেছেন।
এই হলো ঘটনা। বুঝলেন নাফে সাহেব। এইটা এখনো এক রহস্য আমার কাছে। পাত্র যদি আগেই মারা যায়, রহিমার বাসর হলো তাহলে কার সাথে! আরো অবাক করা ঘটনা হলো, রহিমা পরবর্তীতে গর্ভবতী হয়। একটি সন্তানও হয়। ছেলে সন্তান। চেহারা অবিকল বাবার মতই। চোখগুলো ঘোলাটে ঘোলাটে।
এটা যোগ করেনঃ
"সময়টা শীত কাল। নাফে সাহেব চাদর জড়িয়ে বসে গল্প শুনছিলেন। হঠাৎ তিনি একটা হাত চাদরের বাইরে বের করে বললেন, দেখেনতো পুলাডার হাত এইরাম কি না?"
হাহ হাহ হাহ... দারুণ গল্প হয়েছে কিন্তু।
কাইল নাফের পেতাত্তা আমারেও ধরছিল।
Click This Link
লেখক বলেছেন: আসতেছি আপনার পোস্টে...
লেখক বলেছেন: আসিতেছি....
পারভেজ বলেছেন:
খুব ভালো হয়েছে গল্পটা। নাফে দেখি সবাইকে গল্পকার বানিয়ে ছাড়লো! তবে লেখাটা সত্যি খুব ভাল হয়েছে। নিয়মিত পাব আশা রাখি।
লেখক বলেছেন: ভালো হয়েছে শুনে লজ্জা পেলাম। জীবনের প্রথম বলে কথা! ![]()
ড্রাকুলা বলেছেন:
তান্ডব শেষে ক্লান্ত রহিমা মরার মত ঘুমাল.........নাফে ভাইয়ের বিবেকের কাছে প্রশ্ন...........তান্ডব টা কি? আমরা একটা গ্রুপ খুলি.........ভূতুরে গ্রুপ। আপনি মডু।
লেখক বলেছেন: অতি অবশ্যই হড়ড় গ্রুপ খোলা যায়। এইটা এখন সময়ের দাবি। ![]()
লেখক বলেছেন: গল্পকার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলাম হড়ড় দিয়া। ভাবতেই ভালো লাগতেছে! 
লেখক বলেছেন: ভয়ে আমার হাত পা....
লেখক বলেছেন: আতঙ্কে হাত পা... ![]()
চিন্তার বিষয় হইলো পাত্রটা কেডা ?? তাইলে কি রহীমার বিয়ে একটা ভুতের সাথে হইছিলো
লেখক বলেছেন: তাইতো মনে হৈতাছে! ![]()
অ্যালন বলেছেন:
উনি য়ামারোও বোলোক্কর্সে..আমি খালি এই কথাডা জিগাইসিলা..উনি আমারে বলে রনদীপম কেমনাসেন..আমি বিলে রনদীপম..
আতোঙকে আমার্হাত্বা..
লেখক বলেছেন: সব ভূতের খেল! উনি ব্লক কৈরা হড়ড় আনন্দলাভ করেন! ![]()
লেখক বলেছেন: বাংলা সিনেমায় দেখেন না, ধুপ কৈরা মোমবাতি নিভ্যা যায়! তারপর...

কঁাকন বলেছেন:
মুকুল ভাই আপনেও শেষ পর্যন্ত আমি কিন্ত আপনারে ভালো ছেলে জানতাম
আফসোস
তবে গল্প ভালো লাগলো ; আসলেই ভালো লাগছে
আরো চাই
লেখক বলেছেন: না ভাই। জীবনে গল্প লিখমু, এইটাই ভাবি নাই। হঠাত কৈরা কী যে হৈলো, কয়েক মিনিটের মধ্যে এটা লিখলাম। ভালো কৈরা পইড়াও দেখি নাই কোন অসঙ্গতি আছে কিনা!
আর লেখার কোন শখ আপাতত নাই। ![]()
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
কঁাকন বলেছেন: মুকুল ভাই আপনেও শেষ পর্যন্ত আমি কিন্ত আপনারে ভালো ছেলে জানতাম
আফসোস।
লেখক বলেছেন: আমি কোন কালে ভালো ছেলে ছিলাম নারে ভাই!
লেখক বলেছেন: প্রচ্ছদ এখনো তৈরি হয় নাই। প্রুফ দেখতেছি। ফ্ল্যাপের লেখা রেডি করতেছি।
তপন চৌধুরি বলেছেন:
ভুতের দ্বারা প্রেগন্যান্ট?
লেখক বলেছেন: 
ক-খ-গ বলেছেন:
এত ভয়ের গল্প আর লেইক্খেন না, ভয়ে আমার হাত পা........
লেখক বলেছেন: হ। লেখার পর আমারও ডরডর লাগছে। 
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
ও আচ্ছা ; এইবার বুঝতে পারছি ...
গত কয়েকদিন ব্লগে নিয়মিত ছিলাম না
আপনেরে মনোণিত করা হইল
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু। কী সৌভাগ্য আমার! ![]()
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
পড়তে ভাল লেগেছে। তবে আমি অতিপ্রাকৃত বিষয়ে বিশ্বাস করি না। (আপনি বললেই হবে না, কে ভাল তা নির্ণয় করা কঠিন না।)
লেখক বলেছেন: আরে এইটা তো মজা কইরা লিখছি। আমি জীবনে গল্প লিখবো, এই জিনিসটা গতকালের আগেও ঘুনাক্ষরে ভাবি নাই।
আশা করি ভবিষ্যতেও গল্প লিখার দু:সাহস হৈবো না! 
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
আমি বুঝেছি আপনি মজা করে লিখেছেন। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে মানুষের মজায় ব্যাঙের সর্বনাশ হয়। বাদ দেন।আপনার নাকি কবিতার বই বের হচ্ছে?
লেখক বলেছেন: খবরটা ভেবেছিলাম পোস্ট হিসেবে দেবো। কিন্তু বিমা, অচেনা বাঙালি সহ অনেকের ব্যানে ঘটনায় মেজাজ খিচড়ে আছে। তাই দেয়া হয় নাই।
দেখি, প্রচ্ছদ তৈরি হলে হয়তো জানাবো সবাইকে। (আমারব্লগে খবরটা আগেই জানিয়েছি)
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
আমার ব্লগে যাই না, প্রচুর গালাগালি হয়। নাম কি বই'র? সাজিপু'র সাথে আপনার দেখা হবে (উনি দেশে যাচ্ছেন। )? দেখা হলে আমার জন্য একটা কপি দিবেন আপনার বই'র।
(টাকা না হয় আমি পরে শোধ করে দিব।
লেখক বলেছেন: এখন পরিবেশ অনেক ভালো। ছাগুরা আপাতত ভাগছে। আসতে পারেন।
হু ম ম। টাকা তো দিবেনই। বৈদেশীর কাছে ধার চামু কিনা ভাবতেছি! ![]()
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
ভয়ে আমার হাত পা.....
লেখক বলেছেন: আমারও ![]()
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন:
ভ....অ...য়ে হা..আ...ত পা....আ...
লেখক বলেছেন: আমারও ![]()
লেখক বলেছেন: 
লেখক বলেছেন: মাফ নাই। ধার চাই, দিতে হবে। ![]()
ড্রাকুলা বলেছেন:
হড়ড় গ্রুপে যোগ দিন এবং লেখাটা পোষ্ট করেন।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু ![]()
তবে আর না। ভয়ে আমার হাত পা...
শায়েরী বলেছেন:
Voy paisi!!
লেখক বলেছেন: মাঝে মধ্যে ভয় পাওয়া খ্রাপ না! ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















