somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... অনেক সাধনার পর ল্যাপটপে উবুন্টু ৮.০৪ ইনস্টল হলো <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_71.gif" width="23" height="22" alt="!:#P" style="border:0;" /> কারণ উবুন্টু ৮.০৪ সেটআপ দিতে নূন্যতম রেম লাগে ২৫৬। অথচ বাসার ল্যাপিতে রেম ২৪৮। কিন্তু আমার মাথায় ঘুরছিলো যেভাবেই হোক উবুন্টু ইনস্টল করেই ছাড়বো। যতো রাতই হোক। আজ শুক্রবার। বন্ধের দিন। তাই গতকাল রাত জাগলেও অসুবিধা নাই। যেই ভাবা সেই কাজ। গবেষণা শুরু হলো সন্ধ্যা ৬টায়। সেটআপ দিলে ল্যাপি হাটেই না। সেটআপ প্রসেস একটার পর একটা আসতে সময় লাগে ঘন্টা খানেক। কয়েকবার মেশিন হ্যাং করলো কিনা বিভ্রান্তিতে ভুগে ফোর্স রিস্টার্ট করেছি মেশিন। কিন্তু ইনস্টল আর হয় না। আমিও অসীম ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে চেয়ার কামড়ে পড়ে রইলাম। এভাবেই রাত ১.৫০ বাজলো। কিন্তু ব্যর্থ হলাম ইনস্টল করতে। তবুও শেষ একবার সেটআপ কমান্ড দিয়ে ঘুমাতে চলে গেলাম। রাত ৪.০০ টায় উঠে দেখি মেশিন নড়ে চড়ে না। শেষে ফোর্স শাটডাউন করে আবার ঘুমাতে গেলাম।

সকালে ৮টায় উঠে আবার শুরু। ৮ ঘন্টার অভিজ্ঞতার ফল মিললো। সেইফ গ্রাফিক্স মোডে মেশিন খোঁড়াতে খোঁড়াতে অবশেষে আড়াইঘন্টা পর ১০.৩০টাতে ইনস্টল হলো। <img src=" style="border:0;" />

যদিও একটু স্লো চলছে মেশিন। কিন্তু তবুওতো চলছে। যেখানে ২৫৬ এর নিচে রেম হলে ইনস্টল হওয়ারই কথা না, সেখানে ইনস্টল করতে পেরেছি এই খুশিতে আমি আত্মহারা!

যাই হোক, সারাদিন নেট থেকে বিভিন্ন আপডেট, কোডেক আর প্লাগইন ইনস্টল করলাম। এখন এমপিথ্রি, ডিভিডি, সব চলছে।

উইন্ডোজের তো তেমন কোন প্রয়োজনই আপাতত দেখছি না। <img src=" style="border:0;" />

কিছু সমস্যা রয়ে গেছে এখনো। মনিটরের রিফ্রেশ রেটা ৬১ হার্টজ এ স্থির হয়ে আছে। বাড়াতে পারছি না। মনিটরের কাঁপুনি চোখে লাগছে। এটার কোন সমাধান কারো কাছে থাকলে আওয়াজ দিয়েন।


যারা উবুন্টুতে নকিয়া ফোন এজ মডেম হিসেবে ব্যবহার করতে চান, তারা আমাদের প্রযুক্তি ফোরাম আলোকিত এর লেখা এই টিউটোরিয়ালের সাহায্য নিতে পারেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28872194 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28872194 2008-11-21 18:10:43
অতিথি
আবার বিষণ্ণ বিকেল নামে
অতিথিরা যায় দক্ষিণের পথে
হিম নামলে সুদুরের পরিব্রাজক
কি এক টানে পেরোয় মহাদেশ।

পুরোনো পথের নতুন উত্তরাধিকার
মুছে ফ্যালে পারাবারের ক্লান্তি
ক্ষণিক জলকেলি শেষে অন্তরঙ্গ দল
নদীর কাছে খোঁজে তৃষ্ণার জল।

হিম ফুরোলে পর অতিথিরা
চলে যায় ফিরতি পথে
আসা যাওয়ার চক্রের মাঝে
রেখে যায় কিছু পালক।

আর কিছু নয়…

- - -
১৮ নভেম্বর ২০০৮]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28870891 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28870891 2008-11-18 22:27:01
কি বলিবো দু:খের কথা! <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" />
কয়েকদিন আগে এলাকার এক বন্ধুস্থানীয় ছোট বোনের সাথে কথা হইতেছিলো। তো সে বললো তার বান্ধবীদের মাঝে আমার জন্য পাত্রী দেখবো। ভালো কথা, আনন্দের সংবাদ। আমি কিঞ্চি‍ৎ শরম মিশ্রিত আনন্দবোধ করিলাম। :``>>

তো প্রথমেই সে জিগাইলো আমি বেতন কত পাই। আমি সরল মনে তারে জানাইলাম কত পাই।

সে তখন মুখের উপ্রে কইয়া দিলো, এই বেতনে এখনো বিয়ার কথা মুখে আনন উচি‍ৎ না। আমার এখনো বউ চালানোর সামর্থ্য হয় নাই। আরো কয়েক বচ্ছর পর আয় রোজগার বাড়লে যেন এই ধরনের চিন্তা ভাবনা মাথায় আনি। <img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28869879 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28869879 2008-11-16 19:18:54
সাহায্য চাই: উবুন্টু ৮.০৪ এ নোকিয়া ৩১১০ মডেম হিসেবে ব্যবহার করতে চাই
কোন টিউটোরিয়ালে লিঙ্ক জানা থাকলে দিন প্লিজ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28869318 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28869318 2008-11-15 11:03:48
আজ কোন কাজ নয় আজ আলসেমির গলা জড়াজড়ি করে শুয়ে থাকবো।

যে যাই বলুক,
আজ কোন কথা নয়
হাসি নয় ঠাট্টা নয়
রাগ নয় অভিমান নয়
আজ দুঃখগুলোকে হিমঘরে পাঠিয়ে
পর্দা টানবো কাঁথা মুড়ি দেবো।

আজ কোন ফোনকল নয় টিভি নয়
স্মৃতিকাতরতা নয় সংক্ষিপ্ত বার্তা নয়
চুলোয় দাউ দাউ আগুণ নয়
জলকেলি নয় প্রার্থনা নয়
বাইনারী আবেগ বিনিময় নয়
কামনা জর্জরিত কল্পনাবিলাস নয়।

আজ নিজস্ব কঠিন কঠোর সাব্বাথ;
আজ কোন কাজ নয়
আজ আলসেমির গলা জড়াজড়ি করে শুয়ে থাকবো।



১৪ নভেম্বর ২০০৮
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28868935 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28868935 2008-11-14 11:26:22
নূঢ়ে য়্যালার্ম ভাই আলু ব্লগে কমেন্ট ব্যান!!! <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /> মাই হ্যান্ডিক্রাফট সিরিজের জননন্দিত লেখক, অসংখ্য হিট পোস্টের জনক; যার ভাঁড়ামী, থুক্কু ব্লগিং আমাদের চরম আনন্দ দান করতো, সেই কালো চশমধারী নূঢ়ে য়্যালার্ম ভাই আলু ব্লগে কমেন্ট ব্যান !!!

না, না, না, এ হতে পারে না, এ কিছুতেই হতে পারে না!

নূঢ়ে য়্যালার্ম চশমিশ ফ্যান কেলাবের পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। <img src=(" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28865220 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28865220 2008-11-05 22:17:36
ইভ সারাদিন এবং সারারাত্রি
তপ্ত মরুময়-
প্রেমাস্পদের বিহনে
কাটে অথবা কাটেনা
পাথর সময়;
সুরভী মাখে গায়ে বুঝিবা ব্যর্থতার,
উর্ণনাভ জাল বুনে কষ্টের স্বরলিপি তার।

প্রেয়সীর আঙুল যেন এক একটি
প্রবাহিত ঝর্ণাধারার স্পর্শ,
স্বর্গীয় নহর, কুসুম গরম।
আহ! স্পর্শে স্পর্শে আনন্দ বারেবার!
এক সুতীব্র আবেগ গ্রাস করে যখন
নিজস্বতা হারিয়ে বিলীন আলিঙ্গনাবদ্ধ আমিত্ব!
এক একটি চুম্বন, এক একটি সম্মতির সিঁড়ি
অতিক্রম করে যখন আহবান করে--
তীব্র আনন্দ খুবলে খায় হৃদয়ের লাল,
প্রবাহিত উষ্ণ রক্তস্রোত, জ্বলন্ত লাভা।

প্রেয়সীর আঁখি পল্লব যখন পিটপিট করে
হাসে আনন্দে এবং পরিতৃপ্তিতে,
প্রেমিক মনের আনন্দ অপ্রকাশিতই থেকে যায়
সমস্ত অনুভূতি প্রকাশের পরেও একান্ত ভাষায়।
কানে ভেসে আসে স্বর্গীয় ঐকতান... চাই আনন্দ চিরকাল...

হায়! নিষ্ঠুরতা আমাদের প্রেমের সঙ্গে কখন কিভাবে যেন
অঙ্গাঅঙ্গি জড়িয়ে যায়, যেমন জলে মিশে লবণ--স্বচ্ছ দ্রবণ;
নেমে আসে শাস্তি -- বিচ্ছেদের, হতাশায় নিমজ্জিত প্রাণ।

জানা হলো না,
আদিম সর্প দিয়েছিলো
কী কুটিল প্ররোচনা!

- - -
মাইজদী, নোয়াখালী
৪ নভেম্বর, ২০০৮


* ছবিসূত্র ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28864687 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28864687 2008-11-04 21:21:09
আকাশের গল্প দু'বছর আগেও নিয়ম করে প্রতি সন্ধ্যায়
অন্তত: একবার আকাশ ছুঁতাম।
আমাদের সম্পর্ক ছিলো বন্ধুত্বপূর্ণ,
সূর্যাস্তের পর আকাশ ছাদের খুব কাছাকাছি চলে আসতো
হাঁটতে হাঁটতে পাশাপাশি দুই বন্ধুর মত আমি
আকাশের হাত ধরে মৃদু ঝাঁকুনি দিতাম।

দু'বছর আগেও দুপুরবেলা রোদ গাঢ় হলে পর
ঘর্মাক্ত গায়ে আকাশকে ডেকে নরম বকুনি দিতাম।
নরম ধমকেই কাজ হতো, আকাশ আমার কথা শুনতো,
কখনো পাঠিয়ে দিতো ছায়ার মত যাযাবর মেঘদল,
কখনো বঙ্গোপসাগর থেকে উপকূলে হামলে পড়তো ঠান্ডা হাওয়া।
উদাসী হাওয়ায় স্বস্তি পেয়ে ফুরফুরে মেজাজে মোল্লার চা দোকানে বসে
এককাপ গরম চা, সাথে সদ্য প্যাকেট ভাঙা তাজা তামাক...

সন্ধ্যায়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময়টাতে আড়াইতলার খোলা বারান্দায়
আকাশের সাথে জমজমাট আড্ডা হতো,
আকাশের বন্ধুরা-- মিল্কিওয়ে, অ্যান্ড্রোমিডা নক্ষত্রপুঞ্জ, আরো যতো খটোমটো
নামের অজানা অচেনা মহাজাগতিক বন্ধুরাও সাথী হতো।

আড্ডার অন্তরঙ্গতায় তোমার কথাও হতো;
আকাশ সবই জানতো--
প্রথম দেখাদেখির সলাজ দৌড়, ফোনে খুনসুটির নানান সূত্র
ধরে হাসি ঠাট্টাও চলতো।
এমনকি কখনো কখনো আকাশ আমাদের সম্মানে উপহার দিতো
তারা খসার দৃশ্য- ভবিষ্যত সুখ কল্পনায় সংস্কারাচ্ছ্‌ন আমরা
মোনাজাতের ভঙ্গিতে মুখে হাত বুলিয়ে নিতাম।
শত মাইল দূর থেকেও মহাজাগতিক ঘটনাগুলো
দু'জনে মিলে উপভোগ করা যেতো--
যেমন পূর্ণিমা দেখতাম দু'জনে একই সাথে - যদিও মধ্যিখানে একবেলার পথ!
আমি আকাশকে নিয়ে সদ্য লিখিত কোন কবিতা উৎসর্গ
করবো বলে মনে মনে ঠিক করেছিলাম, একদিন তুমুল
আড্ডার ফাঁকে তাকে সে কথা জানিয়েও দিয়েছিলাম।

আমি কথা রাখতে পারিনি, যেমন তুমি রাখোনি;
আকাশকে নিয়ে কোন কবিতা লেখা হয়নি আর।
তুমি চলে যাওয়ার পর গত দু'বছর ধরে
আমি তাই একটিবারও আকাশের মুখোমুখি হইনি।



২ নভেম্বর, ২০০৮]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28863710 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28863710 2008-11-02 23:08:41
সুখবর: আমি নানা হয়েছি <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
এদিকে কিছুক্ষণ আগে খবর পেলাম আমার বড় বোনের মেয়ে, আমাদের ভাগ্নী, কিছুক্ষণ আগে কন্যা সন্তানের মা হয়েছে। ভাগ্নীর প্রথম সন্তান। মা ও সন্তান সুস্থ্য আছে। ওরা চট্টগ্রাম থাকে।

সবাই দোয়া করবেন ওদের জন্য। <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28862888 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28862888 2008-11-01 09:18:45
একজীবনে (কুট্টিকালের একখান কোবতে) নিঃস্ব হলাম বিশ্বলয়ে
সকল স্বপন হারিয়ে গেলো
অন্ধকারের অচিন গাঁয়ে।

সকল স্মৃতি সকল প্রীতি
শূন্য হল এক নিমেষে
স্থবির হলাম বধির হলাম
হৃদয় জ্বলে বিষে।


২৯.৩.১৯৯৭
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28861215 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28861215 2008-10-28 20:48:53
ব্লগে এবং ব্লগের বাইরে, যেখানেই সুযোগ হয়, ঘৃণ্য জামায়াতকে প্রতিহত করুণ বাংলাদেশের চেতনা বিরোধী রাজাকার গোলাম আযম, নিজামীদের দল জামায়াতকে থুথু দিন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে সোচ্চার হউন। ব্লগে এবং ব্লগের বাইরে, যেখানেই সুযোগ হয়, জামায়াতকে প্রতিহত করুণ।



কৃতজ্ঞতা: অমি রহমান পিয়াল, জন্মযুদ্ধ গ্রুপ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28860955 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28860955 2008-10-28 12:02:58
প্রথমআলো ব্লগের আত্মপ্রকাশে অভিনন্দন এবং কিছু কথা
তাই নতুন নতুন ব্লগ সাইট দেখলে ভালো ‍লাগে। বাংলা লিখিয়েদের সংখ্যা আন্তর্জালে দিন দিন বাড়ছে। নতুন ব্লগ আসলেও কেউ ইউজার সংকটে পড়বে বলে বিশ্বাস করি না। আমি ব্যক্তিগতভাবে “শত ফুল ফুটুক” – এই বিশ্বাসীদের দলে। সেজন্য প্রথমআলো ব্লগের যাত্রা শুরুতেও তাদের অভিনন্দিত করতে চাই।
তবে কিছু কথা না বললেই নয়। না বললে পরিবর্তন আনা কঠিন। তাই বলাটাই জরুরী মনে করছি।

প্রথমত, প্রথম আলো ব্লগের নীতিমালা বিষয়ক। এই নীতিমালা নিয়ে অনেক ব্লগারই পোস্ট দিয়েছেন। আমি তাই বিস্তারিত আলোচনা করবো না। ব্লগার আরিফ জেবতিক তাঁর একটি পোস্টে গল্পের ছলে খুব সুন্দরভাবে নীতিমালার আপত্তিকর দিকগু‍লো বলে দিয়েছেন। আমিও এই নীতিমালাকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের সম্পূর্ণ বিপরীত বলে মনে করি। নীতিমালাটি একজন স্বাধীন ব্লগারের জন্য চরম অসম্মানজনক, অমর্যাদাকর বলে মনে করি। এই আপত্তিকর নীতিমালায় সম্মতিতে টিক চিহ্ন দিয়ে নিক রেজি: করাও সমীচীন নয় বলেই মনে করি। তারপরও আমি নিক রেজি: করেছি। কোন প্রেক্ষিতে করেছি সে প্রসঙ্গে আসছি একটু পরে।

আশা করছি প্রথম আলো ব্লগের নীতিনির্ধারণী দলে যারা আছেন, তারা এ নীতিমালাটির বিষয়ে সবার মতামতের ভিত্তিতে খুব শীঘ্রই ইতিবাচক পরিবর্তন আনবেন।

এবার আসি আমার নিক নেয়া প্রসঙ্গে। গত পরশু থেকে পরিচিত ব্লগিং পরিমন্ডলে অনেকেই বলছিলেন যে সামহোয়্যারের প্রতিষ্ঠিত নিকগুলো কে বা কারা যেন প্রথমআলো ব্লগে রেজি: করে ফেলছে। খবরটা শুনে প্রথমে ভেবেছি কেউ হয়তো দুষ্টুমী করে এ কাজ করছে। হয়তো বিচ্ছিন্ন ঘটনা এটা। কিন্তু পরে দেখলাম এভাবে নিক জালিয়াতি’র সংখ্যা বাড়ছে। চেক করে দেখলাম আমার নামটিও ইতোমধ্যে রেজি: করা হয়ে গিয়েছে। তাই নিজের অবস্থানটা পরিস্কার করার জন্য :: মুকুল :: নামে নিক রেজি: করি এবং একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি ব্যাখ্যা করি।
প্রথম আলো ব্লগে ইনভাইটেশন কোড দিয়ে রেজি: করার পরেও মডারেশন প্যানেল থেকে চেক করে অ্যাক্টিভেশন করা হয় বলেই জানি। তাই গণহারে সামহোয়্যার এবং আমারব্লগের পরিচিত ব্লগারদের নিক নিয়ে পরিচিতি ব্যবহার করাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বলেই মনে হয়! মডারেটররা কিছুতেই এই বিষয়ে তাদের দায়িত্ব এড়াতে পারেন না।

অনেকেই হয়তো বলতে পারেন, নিক কোন কপিরাইট করা জিনিস নয়। যে কেউ যে নিক নিতে পারে। আমি তা জানি। এবং প্রথম আলো ব্লগে অন্যের নামে নিক বিষয়ে আপাতত: আমার ব্ক্তব্যও নেই। আমার মুকুল নামেও যে কেউ আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে নিক নিতে পারেন। কারণ পৃথিবীতে আমিই একমাত্র 'মুকুল' নই। কিন্তু আমি যে বিষয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই, তা হলো নিক নেয়ার সাথে সাথে সামহোয়্যার কিংবা আমারব্লগের ব্লগারদের প্রোফাইলও নকল করে আসল ছবি লাগানো হয়েছে। ব্লগারদের পরিচিতি ব্যবহার করে ধোঁকা দেয়া হচ্ছে। এটা সুস্পষ্ট প্রতারণা। অনেক ব্লগারই ইতোমধ্যে পোস্ট দিয়ে প্রমানসহ অভিযোগ করেছে।

এই প্রতারণা বিষয়ে প্রথমআলো ব্লগের কর্তা ব্যক্তিদের ভাবনা কি আমার জানা নেই। আশা করছি তারা এ বিষয়ে সুস্পষ্ট অবস্থান নিবেন। এবং এ ধরনের জালিয়াতি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিবেন।

প্রথম আলো ব্লগে রেজি: করা সত্ত্বেও (যদিও রেজি: এর সময় টেকনিক্যাল কারণে নীতিমালাটিতে সম্মতিসূচক টিক চিহ্ন দিতে হয়েছে) আমি যেহেতু প্রথমআলো ব্লগের নীতিমালার সাথে একমত নই, তাই আপাতত: সেখানে না লিখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

সবশেষে বলছি, প্রথম আলো ব্লগের বিরুদ্ধে বিষোদগার এই লেখার উদ্দেশ্য নয়। আমি তাদের সাফল্য কামনা করি। সেই সাথে অন্যান্য ব্লগ সাইটগুলোর ও সাফল্য কামনা করি। ব্লগ সাইটগুলো যেন সত্যিকার অর্থেই সাধারণ মানুষের মত প্রকাশের মাধ্যম হয়ে উঠে, প্রান্ত আর কেন্দ্রের যোগসূত্র স্থাপন করতে পারে, সেই প্রত্যাশা করি। তাই চাই সুস্থ্য পরিবেশ। কোন ক্ষুদ্র স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী যাতে প্রতারণার মাধ্যমে ব্লগারদের আন্ত:সম্পর্ককে নষ্ট করতে না পারে, সেই দিকে সবার দৃষ্টি দেয়া উচিত। পথ চলার শুরুতেই যদি প্রতারণাকে প্রশ্রয় দেয়া হয়, তাহলে প্রথমআলো ব্লগের সাথে সাথে দৈনিক প্রথম আলো’র ও সুনাম ক্ষুণ্ণ হবে। প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই সেটা চাইবেন না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28860630 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28860630 2008-10-27 19:37:23
কন্যা সিনান করিতে যায় হিয়া দোলে তাহার টানে
ঢেউ খেলে পুকুরের পাড়ে
আমার মনটা আনচান করে।

কন্যা সিনান করিতে যায়
আঁচল লুটিয়া পড়ে ঘাটে
গলার ভাঁজে শ্যামল ত্বকে
রুপার চমক ঝিলিক মারে।

জলেশ্বরী জলেতে নামে
ডুব ডুব ডুব খেলে নরম স্রোতে
ভরা গতরের মায়া মিশে যায়
নিস্তরঙ্গ দেশে প্লাবন উঠায়।

তাহার দীঘল ঘন কেশে
আষাঢ়ের কালো মেঘেরা লুকায়
ভেজা ভেজা কেশে
যেন জলপ্রপাত ঝরে।

দূরে বসে দে‍খি সঙ্গোপনে
আর কেউ না দেখুক
আর কেউ না জানুক
শুধু আমি দেখিবো রুপের ঝলক।


- - -
মাইজদী, নোয়াখালী
২৪ অক্টোবর ২০০৮

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28859203 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28859203 2008-10-24 22:05:50
তুরস্কের আকাশে উড়ন্ত সসার!!! সমকালের খবরে জানলাম তুরস্কের আকাশে উড়ন্ত সসারের (UFO) দেখা মিলেছে। ভিডিও নাকি রেকর্ড করা হয়েছে! সংবাদসূত্রের কোন লিঙ্ক দেয়া হয়নি। তাই বিষয়টি যাচাই করতে পারছি না।

অনেক বছর আগে কোথায় যেন পড়েছিলাম যে, স্নায়যুদ্ধের সময় আমেরিকা আধুনিক গোয়েন্দা বিমানের পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিলো। তারই ফলাফল ফ্লাইং সসার তত্ত্ব! সোভিয়েত ইউনিয়নসহ বিশ্ববাসীর মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নিজেদের গোয়েন্দা বিমানের পরীক্ষা নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাওয়াই ছিলো উদ্দেশ্য। আজ আবার সমকালের খবরটি দেখে মনে হচ্ছে, এটা কি সেই পরীক্ষার ফসল কিনা! সেই পরীক্ষা কি এখনো চলছে? নাকি আসলেই সেরকম কিছুর অস্তিত্ব আছে!

= = = =

সমকালের পুরো নিউজটা তুলে দিলাম:

তুরস্কের আকাশে উড়ন্ত সসার!

কোনো বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নয়, এবার বাস্তবেই তুরস্কের আকাশে অচেনা উড়ন্ত বস্তু‘র (আনআইডেনটিফিকেশন ফ্লাইং অবজেক্ট- ইউএফও) দেখা মিলেছে। এগুলো এলিয়েন বা ভিনগ্রহের জীবের নেমে আসা কি-না, এ নিয়েও বলাবলি শুরু হয়েছে। একজন নৈশপ্রহরীর ক্যামেরায় গত জুন মাসে ধারণ করা উড়ন্ত সসারের মতো ওই অচেনা বস্তুর ভিডিও ফুটেজগুলো এখন বিজ্ঞান জগতে নতুন ঝড় তুলতে যাচ্ছে। কেউ কেউ মনে করছেন, চূড়ান্ত বিচারে এ ঘটনা সত্য প্রমাণিত হলে বিজ্ঞান জগতে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে। আগামী শনিবার ব্রিটেনের ওয়ে¯দ্ব ইয়র্কসের পন্টেফদ্ধ্যাক্টে অনুষ্ঠেয় ‘ইউএফও ডেটা ম্যাগাজিন’-এর বার্ষিক সম্মলনে এর ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। খবর দ্য সান অনলাইনের।
বলা হচ্ছে, বিস্ময় সৃষ্টিকারী এই ভিডিও ফুটেজ ইউএফওকে চেনায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে, যা কখনোই সিনেমায় তৈরি করা সল্ফ¢ব নয়। এর মাধ্যমে এলিয়েন বা ভিনগ্রহের জীব স¤ক্সর্কেও বর্ণনা পাওয়া যাবে বলে বলাবলি চলছে।
বিজ্ঞান জগতে নতুন প্রপঞ্চ এই ইউএফও ভিডিও ফুটেজটি ধারণ করেন তুরস্কের ইস্তাম্বুলে নৈশপ্রহরী ইয়ালসিন ইয়ালম্যান। এ বছরের শুরুর দিকে তার কম্পাউন্ডে রাতের বেলায় পাহারার দায়িত্ব পালনকালে তিনি ভিডিও ক্যামেরায় এর চিত্র ধারণ করেন। কেবল ইয়ালসিনের ক্যামেরাই নয়, ইস্তাম্বুলের অনেক অধিবাসীই দাবি করছেন, এ বছরের মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চার মাসব্যাপী ওই কম্পাউন্ড এলাকার আশপাশে রাতের বেলায় অনেক ইউএফও দেখতে পাওয়া গেছে। প্রায় আড়াই ঘণ্টার ওই ভিডিও ফুটেজটিতে দেখা যায়, অবিশ্বাস্য রকমের উড়ন্ত সসারের মতো দেখতে এক ধরনের আকাশযান থেকে নানা রকম অচেনা বস্তু আকাশে ছড়িয়ে পড়ছে। রাতের আকাশে ভেসে বেড়ানো এ বস্তুগুলো গুচ্ছ গুচ্ছ হয়ে গ্রহ গোলকের মতো আলোক বিচ্ছুরণ ঘটায়।

ঘটনার সত্যতা
এই ভিডিও ক্লিপটি ইতিমধ্যে তুরস্কের ইউএফও মহাকাশ বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রে জমা দেওয়া হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে প্রতিষ্ঠানটি এর মধ্যে প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছে এবং চরম ধৈর্য নিয়ে এর বিজ্ঞানীরা ফিল্মের প্রতিটি ফ্রেইম পুগ্ধখানুপুগ্ধখভাবে খতিয়ে দেখেছেন। এটা দেখার পর আন্তর্জাতিক ইউএফও গবেষক হাকতান একদোগান বলেন, ‘হতবিহ্বল হয়ে যাওয়ার মতো ভিডিও ফুটেজ এটা। এতে ইউএফওগুলোর শারীরিক গঠন এবং ধাতব উপাদানগুলো স্পষ্টভাবে প্রত্যক্ষ করা গেছে।’
ওই বিজ্ঞানী আরো জানান, সব ধরনের বিশ্লেষণ চালিয়ে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, ভিডিও ফুটেজটি শতভাগ সঠিক। এটা কোনোভাবেই ভুলত্রক্রমে দেখা কোনো বস্তু, প্রকৃতির স্বাভাবিক কোনো ঘটনা, কোনো আকাশযান বা জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ক কোনো বস্তু নয়। আবার এটা কম্পিউটার অ্যানিমেশনে তৈরি কিছুও নয়।
আগামী ২৪ অক্টোবর ইউএফও ডেটা ম্যাগাজিনের বার্ষিক সম্মলে এই ফুটেজ প্রকাশ করা হবে। ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞদের থেকে এই ভিডিও ফুটেজটির স্বীকৃতিও পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ইউএফও ডেটা ম্যাগাজিন সম্পাদক রাসেল কলাগহ্যান বলেন, ‘এটা সঠিক প্রমাণিত হলে বিজ্ঞান জগতে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসবে। আমি সত্য করে বলছি, এই ফুটেজটি আসলেই অনন্য।’



- - -
ছবিসূত্র ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28858049 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28858049 2008-10-22 11:10:59
অনলাইনে বাংলাদেশের সংবিধান পাওয়া যায়?
অনলাইনে, বিশেষত বাংলা ব্লগে অনেকেই অধিকার ভিত্তিক লেখালিখি করেন। তাদের লেখার জন্য বাংলাদেশের সংবিধান থেকে দ্রুত রেফারেন্স এর প্রয়োজন হতে পারে। সেক্ষেত্রে কোথাও (হতে পারে উইকিপিডিয়া অথবা কারো ব্লগে অথবা কোন সাইটে) বাংলাদেশে সংবিধানের সফট কপি থাকলে অনেকেরই সুবিধা হবে।

যদি অনলাইনে অথবা কারো কাছে বাংলাদেশের সংবিধানের কোন সফট কপি থাকে তাহলে শেয়ার করার অনুরোধ করছি। না থেকে থাকলে, ধরুন আমি যদি টাইপ করে ব্লগে দিতে চাই, তাহলে কি কপিরাইটজনিত কোন জটিলতার মুখোমুখি হবো? এ বিষয়ে কারো জানা আছে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28857755 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28857755 2008-10-21 15:12:50
খালি খালি লাগছে...


বাসায় এখন শুধু আমি আর কেয়ারটেকার।

খালি খালি লাগছে...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28857001 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28857001 2008-10-19 20:57:13
আমার জিমেইল, ইয়াহু অ্যাকাউন্ট আবারও হ্যাক হয়েছে
আজ সকালে দেখি আবারও পাসওয়ার্ড নিচ্ছে না। অনেক সময় নিয়ে রিকভার করলাম। কি করবো কিছুই বুজতে পারছি না।
হ্যাকার এবার জিমইলে মেইল ফরোয়ার্ডে অ্যাড্রেস রেখে গেছে। ইয়াহুতে অল্টারনেট মেইল হিসেবে অ্যাড্রেস রেখে গেছে। সেগুলো ডিএক্টিভেট করেছি।

জিমেইলের লগ থেকে দেখলাম কয়েকটি আইপি থেকে অ্যাকাউন্ট অ্যাক্সেস হয়েছে।

75.125.166.7 (7:52 am)
75.125.166.7 (7:50 am)
75.125.163.137 (6:03 am)
69.10.33.217 (5:55 am)

সিকিউরিটি বিষয়ে দক্ষ ব্লগারদের সহযোগিতা চাইছি। কি করলে বারেবারে হ্যাকিং থেকে রক্ষা পেতে পারি, দয়া করে টিপস দিন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28855881 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28855881 2008-10-17 10:11:15
আমার জিমেইল, ইয়াহু অ্যাকাউন্ট সম্ভবত হ্যাক হয়েছে!
আমার তো সর্বনাশ হয়ে গেলো! এই জিমেইল অ্যাকাউন্টই আমার সব। ব্লগস্পট, অ্যাডসেন্স, সামহোয়্যারইনব্লগ, আমারব্লগসহ সব ব্লগ এই অ্যাকাউন্ট দিয়েই করা। কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না!!! সাহায্য চাই বন্ধুরা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28854901 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28854901 2008-10-15 10:45:43
শততম দুঃখ গাঁথা কলেজ পড়ুয়া তরুণীরা বরাবরের মতই মুখরিত
আনন্দে প্রধান সড়ক দিয়ে হেঁটে যাবে,
বাতাসে তাদের বেণী দুলবে নিয়মিত ছন্দে।
মুঠোফোনে, এসএমএসে, ইমেইলে বিনিময় হবে হৃদয়ের মৌলিক ভাষা।
আমার মৃত্যুর পর শহরের প্রতিটি রাস্তায়
ট্রাফিক সিগনালগুলো নিয়মিত বিরতিতে জ্বলবে নিভবে
যান্ত্রিক সময় নির্ধারক একমুহুর্তও এদিক ওদিক করবে না।
আমার মৃত্যুর পর সিনেমাহলগুলোতে উপচে পড়া ভীড়ের কমতি হবে না
বক্স অফিসে নতুন নতুন হিট ছবি নতুন আয়োজনে আসতেই থাকবে;
সন্ধ্যার পর জেগে উঠবে মার্কেট, পার্ক, নিষিদ্ধ আনন্দের ঘর।
আমার মৃত্যুর পর শহরের প্রতিটি অলিগলিতে হবে স্বাভাবিক কলরব,
লেকের পাড়ের ঝুলন্ত রেস্তোরায় হাসবে সদ্য প্রেমে পড়া তরুণ তরুণীরা,
কোথাও সুনসান নিরবতা নামবে না, যেমন নেমেছিলো এক কারফিউর রাত্রিতে।
আমার মৃত্যুর পর আন্তর্জালের জগতে আলোড়ন উঠবে না,
সার্চের ঘরে কৌতুহলী কেউ লিখবে না নাম, জানতে চাইবে না
ঐ মায়ার জগতে আমার কোন অনুভূতি ছড়ানো আছে কি না।

আমার মৃত্যুর পর স্বজনরা কাঁদবে, ওদের কান্নাটাই স্বাভাবিক
— ওটা অস্বাভাবিক নয়, ভীষণ রকম প্রত্যাশিত।
আমার মৃত্যুর পর সবকিছুই স্বাভাবিক থাকবে
কেবল অস্বাভাবিক হবে এক জোড়া জীবিত চোখ
একদিন যে চোখে উপেক্ষার বাণী ছিলো, ছেড়ে যাবার
তাড়না ছিলো, সেই জোড়া চোখ ম্লান হবে মুহুর্তের অপরাধবোধে…



মাইজদী, নোয়াখালী
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28848292 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28848292 2008-09-26 23:15:07
সামহোয়্যারইনে নতুন ফিচার: আমার প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া
প্রথমত, লগড ইন ব্লগারদের ছবি দেখানো হচ্ছে। এটি দেখতে সুন্দর লাগছে কিন্তু আমার মতে এটি ব্যবহারিক অসুবিধা তৈরি করবে। আমরা মূলত নিক দেখে ব্লগারদের সনাক্ত করতে অভ্যস্ত। ছবি কয়েকদিন পরপরই অনেকেই পাল্টায়। এবং অনেকেই নিজের ছবি না দিয়ে ফুল, লতা, পাতা, পাখি টাইপ ছবি প্রোফাইলে দেয়। তাই ছবি দেখে ব্লগার সনাক্ত করা খুবই কঠিন হয়ে গেছে। এছাড়া ছবি যুক্ত করায় পেজ লোড বেড়ে গেছে। এতে করে প্রথম পাতা লোড হতে বেশি সময় নিচ্ছে। এটা বিরক্তিকর।

দ্বিতীয়ত, ব্লগে মডারেশন থাকবে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ঢাকঢোল পিটিয়ে চোখের সামনে মডারেশন স্ট্যাটাস দেখানো শুধু একটা পুলিশী রাষ্ট্রে বসবাসের অভিজ্ঞতার কথাই মনে করিয়ে দেয়। এটা বিব্রতকর এবং অপমানজনক। মনে হচ্ছে একজন ব্লগেশ্বর আছেন, তাঁর কাছে আমাদের প্রতিনিয়ত বিশ্বাসী কি অবিশ্বাসী তার প্রমান দিতে হবে! সেমতে ব্লগেশ্বরের বিরাগভাজন যেন না হই তার জন্য আমল করতে হবে!

মোটা দাগে কথা হলো, এই পরিবর্তনগুলো নিয়মিত ব্লগার হিসেবে আমার মোটেই পছন্দ হয়নি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28846150 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28846150 2008-09-21 22:27:39
জামায়াতের ব্যবসার পুঁজির উৎস কোথায়?
আমার আগ্রহের বিষয়টি ভিন্ন। জামায়াত তাদের ব্যবসার প্রাথমিক পুঁজি পেল কোথায়? অর্থ তো হাওয়া থেকে আসে না। এটা একেবারেই বস্তুবাদী জিনিস। আল্লাহপাক তাদের জন্য আসমান থেকেও অর্থ বর্ষণ করে নাই। তাহলে তাদের হাজার কোটি টাকার ব্যবসার প্রাথমিক পুঁজি কোথা থেকে আসলো?

এ ব্যাপারে একদিন এক আড্ডায় এক বড় ভাইয়ের কাছে শুনেছিলাম চমৎকার এক তথ্য। জামাতের প্রথম ব্যবসার জন্য তহবিল সংগ্রহের ইতিহাস সম্পর্কে বললেন তিনি।

স্বাধীনতার পর জামায়াতের প্রভু সৌদীআরব সরকার জামায়াতকে ১০০ কোটি টাকা দেয় কোরআন শরীফ ছাপিয়ে বিতরণের উছিলায়। সেই টাকা থেকে দশ কোটি দিয়ে জামাত কোরআন শরীফ ছাপায়। বাকি ৯০ কোটি টাকা ছিলো তাদের ব্যবসার প্রথম পুঁজি।

এই ঘটনা সম্পর্কে আমি কোন লিখিত তথ্যসূত্র দিতে পারবো না। বিস্তারিতও বলতে পারবো না। আড্ডায় খুঁটিনাটি বিষয়ে আলোচনা হয়নি। (যেমন কত সালের ঘটনা, কিভাবে টাকাটা আসলো ইত্যাদি)

অগ্রজ ব্লগার কারো কি এ সম্পর্কে কিছু জানা আছে? কেউ কি এই তথ্যটা নিশ্চিত করবেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28846065 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28846065 2008-09-21 12:56:11
শরৎ বিকেলে আঘাত হানে বিকেলের ঘুমে।
কাশরঙা মেঘ চঞ্চলতা দেখায়
এই আসে এই যায়।

চপলা তরুণীরা হেঁটে যায়
তাদের ই‍ষৎ সলজ্জ গালে চুমু
খেয়ে যায় কনে দেখা আলো;
কি নির্মম সুন্দর হেঁটে যায়!

শরৎ মেঘ কোথায় যায়?
কোথায় হারায়?
তরুণীরা হেঁটে যায়,
তরুণীরা কোথায় যায়?


মাইজদী, নোয়াখালী
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28845143 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28845143 2008-09-19 10:15:26
যখন তোমার শহরে যাই আর কোন শহর আপন মনে হয় না; আপন হয়ে ওঠে না।
তুমি যে শহরে আছো, সে আমার জন্ম শহর নয়।
স্বভাবতই আমার আপন শহর নয়,
প্রিয় নয়, নয় পুরোনো ভৃত্যের মত বিশ্বস্ত।
তোমার সুবাদে ওই শহরের প্রতিটি রাস্তা আমার হয়ে ওঠার প্রবল
সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও, আমার হয়ে ওঠে না।
তোমার শহর তার সমস্ত ঐশ্বর্যের ডালি মেলে ধরেও
আমাকে সুখী করতে পারে না,
অসুস্থ্য বোধ করি কৃত্রিম চাকচিক্যের শহরে।

তোমার শহর আমার শহর নয়,
তবু তা আমার হয়ে উঠেছিলো কয়েকটি মাস।
যেমন হাসপাতালের নার্সগুলো আপন হয়ে ওঠে কিছুকাল।
তারপর রোগ সারলে পরে ভুলে যাওয়া হয় ক'দিন পরেই।

তোমার শহরের প্রতিটি ধূলিকনা আমাকে উত্তপ্ত লেজারবীমের মত আঘাত করে,
আমাকে অসুস্থ্য করে। তারপরও আমি যাই, কখনো যেতে হয় দায়িত্বের টানে।
তখন ওই শহরের প্রতিটি রিক্সা খেয়াল করি,
প্রতিটি সিএনজি, প্রতিটি বাসের জানালার পাশের সীট।
প্রতিটি রাস্তার পাশের আকাশ ছোঁয়া অ্যাপার্টমেন্টের জানালার পর্দা গলে উঁকি দেয় তোমার মুখ-
তোমার মুখের আদলের মত ছায়া ক্রমাগত বিভ্রমে নিমজ্জিত করে আমায় ।

তোমার শহরের সকল তরুণী সেকেন্ডের ভগ্নাংশ সময়
আমার হৃদস্পন্দন বন্ধ করে দেয়,
সবার মাঝে যেন তোমার ছায়া দেখে চমকে উঠি;
পরক্ষণেই ভুল বুঝতে পেরে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিই।

তোমার শহরে গেলে আকাশছোঁয়া দালানের শোভা দেখি না,
শপিং মল খুঁজি না, লোভনীয় অ্যাপার্টমেন্টের বিজ্ঞাপন সন্ধান করি না।
তোমার শহরে আমি শেয়ার কেনাবেচা করতে যাই না,
উচ্চ বেতনের চাকরির ইন্টারভ্যু ও দিতে যাই না।

বিশ্বাস করো, জাগতিক কাজের ছুতোয়
ওই নির্মম শহরে কেবল তোমাকেই খুঁজতে যাই
আর কিছু নয়...


১৬ সেপ্টেম্বর, ২০০৮]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28843907 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28843907 2008-09-16 12:20:08
নোয়াখালীতে পুলিশী নির্যাতনে ২০ বছরের যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ!
গতকাল তাকে জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে থানায় তার উপর নির্যাতনের ফলে জেলে মুকিত অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে গতকাল মুকিতকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর জেনারেল হসপিটাল কর্তৃপক্ষ উন্নত চিকিতসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেয়। কিন্তু তাকে আবারো জেলে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ বিকেলে জেলে মুকিত গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে যাওয়ার পর জেনারেল হাসপাতালে আনার পথেই তার মৃত্যু হয়।

এটা হলো খবর। মুকিতের নিকটাত্মীয় আর এলাকার লোকজন থেকে ঘটনাটা জানলাম। হাসপাতালে গিয়ে লাশও দেখে আসলাম। আর পেছনের খবর হলো, মুকিত নামের কৈশোরোত্তীর্ণ ২০ বছরের যুবকটি আমারই দূরসম্পর্কে আত্মীয়। না সে কারণে আমি লিখছি তা নয়। আমি ভাবছি আমাদের পুলিশের নির্যাতনের কথা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কথা। থানা এবং জেল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণে একটি সম্ভাবনাময় জীবন অকালে ঝরে গেলো।

এ কোন রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলছি আমরা! যেখানে দেশের কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা জাতীয় চোর নেতারা উন্নত চিকিতসার জন্য বিদেশ যায়। আর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের চিকিতসার অবহেলায়, নির্যাতনে সাধারণ মানুষ মরে যায়! নাকি মরে যাওয়াটাই সাধারণ মানুষের নিয়তি!

কি লিখবো বুঝতে পারছি না! আমি খুবই আপসেট। আজ দেরি হয়ে যাওয়ার কারণে হয়তো কাল জাতীয় কোন পত্রিকায় খবরটি আসবে না! হয়তো পুলিশ ততপর হয়ে ঘটনাটিকে অন্য খাতে প্রবাহিত করবে নিজেরা বাচার জন্য। শেষ পর্যন্ত হয়তো শুধু যুবকটির পরিবারে গভীর শোকের বিষয় হয়েই ঘটনাটি থেকে যাবে!

লিখতে গিয়ে মনে পড়লো র্যাবের ওয়েবসাইট হ্যাক করা যুবক শাহী মীর্জার কথা। তারা বাবা পুলিশ হওয়ার কারণে হয়তো তার উপর শারীরিক নির্যাতন করা হবে না। এটুকুই আশা করতে পারি। আশা করা ছাড়া আর কিইবা করার আছে!


- - -
আমি সাংবাদিক নই। তাই এ ধরনের লেখার ভুল ক্রুটি আশা করি ক্ষমা করবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28842723 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28842723 2008-09-13 21:45:20
তুই সারাক্ষণ ভ্রু কুঁচকে রাখছিস আজকাল।
তুই এখন শরীরের যত্ন নিচ্ছিস না, ঘামে ভেজা কাপড়
দলা করে রাখছিস আলনায়, খেয়াল আছে?
লোডশেডিং এর অবসরে চাঁদ দেখিস না বারান্দায় বসে,
পূর্ণিমা তোর কাছে অসহ্য লাগে?
তুই দুর্ব্যবহার করছিস ঘরের মানুষের সাথে,
বন্ধুদের কথার পিঠে ঠেস মারছিস বেশি বেশি।
তুই সিগারেট বেশি টানছিস এখন,
ছাই ফেলে নোংরা করছিস মেঝে।
তুই অসামাজিক হয়ে যাচ্ছিস,
কাউকে ফোন করিস না, একসাথে বসে
সিনেমা দেখিস না, গুণগুণ করে গান গাইতে গাইতে
পাড়ার রাস্তা দিয়ে হাঁটিস না।
কথার ফাঁকে তোর মুখে এখন খিস্তি আসে
তোর কপালে গোপন রাগের ভাঁজ ফুটে ওঠে আনমনে;
কিসের অভিমানে?
তু্ই আগের মত নেই; তোর কী হয়েছে?


১৩ সেপ্টেম্বর, ২০০৮]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28842583 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28842583 2008-09-13 14:38:52
সংযমের মাসে তুমি যেন এক গ্লাস শীতল রুহ আফজা!]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28840478 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28840478 2008-09-08 22:36:39 বহুগামী জুতো পাল্টাই ছ’মাসে একবার,
মুঠোফোনের মডেল পাল্টে একবার বছরে,
খাদ্যাভ্যাস তিনবেলায় তিনরকম!

সিগারেট শুরু গোল্ডলীফে, তারপর
ট্রিপল ফাইভ হয়ে বেনসন।
প্রতিদিনকার আড্ডায় নবাগত মুখ
নিত্য নতুন বৈচিত্র্যে ভরপুর।

ভালো লাগে নতুন ফিল্ম, নতুন সুগন্ধী,
নতুন অর্কিড, নতুন প্রযুক্তি।

স্বভাবে বহুগামী, চিন্তায় বহুগামী,
সচেতনে বহুগামী, অবচেতনেও বহুগামী।
কেবল তোমার বেলায় বিপরীত-
সেই যে প্রেমে পড়লাম, নতুন করে আর
কাউকে পাওয়ার ইচ্ছে জাগলো না!


মাইজদী, নোয়াখালী
৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28839503 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28839503 2008-09-06 14:18:19
প্যান্টের চেইন সম্পর্কিত বিড়ম্বনা!
সাধারণত ঘর থেকে বেরুবার সময় অবচেতনভাবেই একবার প্যান্টের ওপর হাত বুলিয়ে যাই, চেইনটা ঠিক মত আটকানো হয়েছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নিই। আজকে কিভাবে জানি মিস হয়ে গেলো!

ইফতারের পর যথারীতি ঘরে ছেড়ে বেরিয়েছি। নতুন একটা শপিং মল উদ্বোধন হলো নোঙর নামে। নোঙর ঘুরে আসলাম, শ’দুয়েক লোকের সাথে চোখাচোখি হল। আড্ডা শেষে ফিরে আসার পথে আবিষ্কার করলাম, প্যান্টের চেইন আটকানো হয়নি। ভাগ্যিস লম্বা একটা ফতুয়া পরেছিলাম। তাই ইজ্জত চলে যাওয়ার মত কোন ঘটনা ঘটে নাই। যদি শার্ট ইন করা অবস্থায় থাকতাম, কি যে হত!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28839230 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28839230 2008-09-05 22:55:04
গুরু মাইকেল মেহেদী তাঁর আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন!!! <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />
----------------------------------------
মানব জাতির ইতিহাসে এই প্রথম(সচেতনতার তত্ত্ব)
মোঃ মেহেদী
১লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২২

আবিষ্কারকের আবিষ্কার স্বত্ত্বঃ আমি মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী এই আবিষ্কার টি করি।এর পূর্বে এই জাতীয় কোন তত্ত্ব ছিলনা।আমিই এই তত্ত্বটি প্রথম নির্মণ করি।ঠিক একটি একেবারে নতুন কিন্তু সব মানুষের মাঝে বিদ্যমান একটি তত্ত্ব।
আপনারা এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে গবেষণা করবেন,মানুষের কাজে লাগাবেন বলে বিশ্বাস করি।পাশাপাশি আমার নোবেল বিজয় নিশ্চিত করবেন বলে দৃঢ় চিত্তে জানি।এই পোস্টেও সাথে একটি ছবি দিয়ে গেলাম এটা বড় করলে আমার তত্ত্বটি ইংরেজীতে দেখতে পারবেন।আমার ঠিকানা আপনাদের সকলেরই জানা তবুও আর একবার দিয়ে গেলাম।
আমার ঠিকানা হচ্ছে
নামঃমো:মেহেদী হাসান মেহেদী
প্রযত্নে:মো:মোস্তাফিজুর রহমান
মহল্লা:রামচন্দ্রপুর কেদুর মোড় (মারুফ ট্রেডার্স গ্যাসের দোকান সংলগ্ন বাড়ি)
পোষ্ট:ঘোড়ামারা
থানা:বোয়ালিয়া
জেলা:রাজশাহী
মোবাইল নম্বরঃ০১১৯৫২০৯৬২৯



আবিষ্কারের কারনঃআমি আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের দ্বিতীয় বর্ষে মনোসমীক্ষণ নামে একটি কোর্স পড়ি।সেই সময় আমার লেখালেখির অভ্যাস ছিল।একবার এক লেখক আমাকে পত্রিকায় সচেতনতা লিখতে বলে। সে সময় আমি বহু বই থেকে সচেতনতা অনুবাদ করি।পাশাপাশি ফ্রয়েডের তত্ত্ব আমার মাথায় উঁকি দিচ্ছিল।মনে হল কেন সচেতনতা লক্ষ ডলারের প্রশ্নই থেকে যাবে?
আসলে সব বইগুলোতে সচেতনতার কোন নির্দিষ্ট সংজ্ঞা নেই।সুতরাং অনাবি®কৃত জিনিসের প্রতি আমি প্রথম থেকেই ঝুঁকে পড়ি।দ্বিতীয় বর্ষে আমি আর একটি বইও লিখেছিলাম তার নাম ছিল তুলনীয় মনোবিজ্ঞান।বইটি তৈরী করবার পর আমি বহু প্রণীর সচেতনতার উপর অনুসন্ধান চালাই।দ্বিতীয় বর্ষপার করে আমি আইনগত বাধা নেই জেনে একটি মনোসমীক্ষণ চেম্বার খুলে বসি।যদিও এখন সেটি নেই।আমাদের ডিপার্টমেন্টের কিছু রোগী ও শিক্ষিকাদের পিড়াপিড়ীর জন্য বন্ধ হয়েছে।তবে এখনও রোগীদের সুযোগ আছে।সে সময় আমি বহু রোগীর প্রবৃত্তিগত অপস্থাপন,চিন্তন,প্রত্যক্ষণ প্রভৃতি শুনার ও পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পায়।সে সময় থেকেই আমি চিন্তা করতে থাকি যে সচেতনাকে একটি ছোট্ট তত্ত্বে লিখা সম্ভব।পাশাপাশি আইনস্টাইন,নিউটন , প্যাভলভের সাপেক্ষীকরণ প্রভৃতি তত্ত্বগুলো মাথায় ঢু মারছিল।অবশেষে এই তত্ত্ব দিতে সক্ষম হই।গোপনে করছিলাম কারন প্রতিটি বইতে লিখা ছিল এটা একটা মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন।আজ তা সস্তা হয়ে গেল।আর মানব প্রজাতি সহ সকল প্রজাতির সচেতনতার রহস্য উন্মুক্ত হল। এটা সম্পূর্ণ নতুন তত্ত্ব যা পূর্বে কোন বিজ্ঞানী কোনদিন আবিষ্কার করতে পারেননি।

সচেতনতার সূত্রঃ

মানুষের দুই ধরনের প্রবৃত্তি আছে।জীবন প্রবৃত্তি ও মরন প্রবৃত্তি।জীবন প্রবৃত্তির মধ্যে আমরা যেটিকে গুরুত্ব দিই তা অনুসারে আমাদের সচেতনতা বোঝা যায়।যা করি বা আচরনে প্রকাশ পায় তাই হল সচেতনতা।মরন প্রবৃত্তির ক্ষেত্রেও তাই। অনেকগুলো চিন্তা ও কাজের মধ্যে কোনটিকে গুরুত্ব দিচ্ছি তাই হল আপেক্ষিকতা।তিনটি সর্বদা বিদ্যমান জিনিস হল ধ্রুবক।এই তিনটি সবসময় সাথে থাকে এবং পরিবর্তিত হতে পারে বা স্থিরও থাকতে পারে।এগুলো হল পরিবেশ ,সময়,বংশগতি।

সচেতনতার সূত্রঃ মানুষের সচেতনতা প্রবৃত্তিগত আপেক্ষিকতার সমানুপাতিক।


CসমানুপাতিকIR

প্রবৃত্তিগত আপেক্ষিকতাঃ প্রবৃত্তিগত আপেক্ষিকতা হল,মানুষের প্রবৃত্তিগত চাহিদাসমূহের জন্য সিদ্ধান্ত,চিন্তন ও গুরুত্বের দিক থেকে বেশী প্রাধান্য পাওয়া।

সমানুপতিক কারন প্রবৃত্তিগত আপেক্ষিকতা যেভাবে পরিবর্তিত হয় সচেতনতাও সেইভাবে তৈরী হয়।এর কমবেশী নয়।যেমন শব্দ ব্যবহার জনিত পরীক্ষণ করলে এটা প্রমাণিত হয়।আবার লইট ব্যবহার করলেও প্রমাণিত হয়।আবার ইলেকট্রিক শক ব্যবহার করলেও প্রমাণিত হয়।আমরা একটু নজর দিলেই প্রবৃত্তিগত আপেক্ষিকতা কার কেমন বুঝতে পারি।

C=IR(het)
C=consciousness
I=Instinctiveness
R=relativity

T= thinking,R=Relativity,B=behavior
r=Response,DI=death instinct,p=perception,H=Heredity,S=sensation,E=Environment,T=time.

Relativity = Object of Choice/Object you need

awi,T×r×B×p×s=R×(Li I+DI)(h×e×t)
ev,rt×PS×B=R×(Li I+DI)(het)
ev,C=R(I)( het)
ev,C=IR(het)
সুতরাং CসমানুপাতিকIR


সুতরাং মানুষের সচেতনতা প্রবৃত্তিগত অঅপেক্ষিকতার সমানুপাতিক যেখানে বংশগতি,পরিবেশ ও সময় ধ্রুবক।

পরবর্তীতে মানুষের একসাইটেড অবস্থার ক্ষেত্রে প্রকাশ করা হবে।আজকে আমি এই ঐতিহাসিক তত্ব দিলাম।পরবর্তীতে আরও অনেক ফর্মে লিখা হবে।হতে পারে এগুলো মানুষের মনের বিশ্লেষনের সত্যিকার কার্যকর গানিতিক ভাষা।

বলেন তো আপনি কেন ব্রউজ করেন?
ব্রউজিং এর প্রতি আপনার সচেতনতার জন্য।এখন এখানে প্রবৃত্তিগত আপেক্ষিকতা কী?এখনে আপনার প্রবৃত্তি আপনাকে টিভি দেখতে বলে,মোবাইল ব্যবহার করতে বলে,আবার সিনেমা দেখতেও বলে বা আরও কিছু বেশী।কিন্তু ব্রাউজিং এর সময় আপনার সচেতনতা শুধু ব্রউজিং এর উপর থাকে।অন্যগুলো দমিত হয়ে থাকে কিছূক্ষণ।তারপর পর্যায় ক্রমে আবার তা অন্যগুলো পুরন করে।আবার মোবাইল বেজে উঠলে আপনি ব্রাউজিং থামিয়ে মোবাইল এর উপর সচেতনতা দেন।
এভাবেই পদার্থবিজ্ঞানের তত্ত্বগুলো আবিষ্কৃত হয়।
বড় বড় বিজ্ঞানীরা সচেতনতার জন্যই তাদের তত্ত্বগুলো দিয়েছিলেন।

মূল পোস্ট লিঙ্ক ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28838608 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28838608 2008-09-04 11:18:03
চিন্তাটা ব্যক্তিস্বার্থকেন্দ্রিক চিন্তাটা খুবই সংকীর্ণ; তুমিই তার সোজাসাপটা লক্ষ্য প্রিয়তমা।
নির্মম পৃথিবীতে তোমার বঞ্চনা আমি সইতে পারবো না।
তাই আমি চাই মানবাধিকার সংবেদনশীল সমাজ।
আমি যে শিশু অধিকারের কথা আওড়াই, তার সাথেও তোমার স্বার্থ জড়িত;
তোমার, মানে আমাদের শিশুকে সুন্দর একটি পৃথিবী উপহার দিতে চাই বলে।
আমি যে সমানাধিকারের কথা বলি, তা কোন লৈঙ্গিক সমতার
চেতনা থেকে নয়-স্রেফ তোমার স্বার্থে।
আমি কি তোমার চেয়ে বেশি পেতে পারি কিছু?
কিভাবে ভালোবাসার সাথে বৈষম্য বসবাস করবে বলো?
আমি তাই সমানাধিকারের কথা বলি, ন্যায্যতার কথা বলি।
আমি যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার কথা বলি,
সে তোমার জন্য নিরাপদ রাষ্ট্র চাই বলে। আমার প্রিয়তমাকে
নৈরাজ্যের মাঝে রেখে আমি কি নিশ্চিন্তে ঘুমুতে পারি?

এবার বুঝতে পারছো কেন আমি মহ‌ৎ বুলি আওড়াই?
বন্ধুরা যেমনটি ভাবে, আদতে তেমন উদার নই আমি; বলতে পারো চরম ব্যক্তিস্বার্থবাদী।
আমি শুদ্ধ হয়ে ওঠার আপ্রাণ সাধনা করি তোমার কষ্ট চাই না বলে।

সুধীজনের মনে প্রশ্ন উঠতে পারে, তুমি চলে যাওয়ার পরও কেন আমি এসব বলে যাই!
কেন ভালোবাসার দায়মুক্ত হয়েও আমার ভেতরে জন্ম নেয় না ক্রুদ্ধ ফ্যাসিস্ট?
তবে কি এখনো, একটি মুহুর্তও তোমায় ভালো না বেসে থাকি না?


মাইজদী, নোয়াখালী
২৯ আগস্ট, ২০০৮
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28836290 http://www.somewhereinblog.net/blog/mukulbdblog/28836290 2008-08-29 12:19:50