আমার প্রিয় পোস্ট

মানুষ এবং মানুষ সম্পর্কে যাবতীয় বিষয়ে আমার দারুন আগ্রহ ……

নীলগিরি বান্দরবানঃ শেষ পর্ব

১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৯

শেয়ারঃ
0 1 0


২০০৮ সালে নির্মিত ক্যাফেটেরিয়া, নীলগিরি


নীলগিরি সৃষ্টির ইতিহাস
“সম্প্রীতির বান্দরবান” নামের একটা ফোল্ডারএর কথা আগেই উল্লেখ করেছি, সেখানে নীলগিরি সৃষ্টির ইতিহাস শিরোনামে উল্লেখ আছে — বান্দরবান জেলা সদর থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বদিকে বান্দরবান থানছি সড়কে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ২ শত ফুট উচ্চতায় মনোমুগ্ধকর দৃশ্যপটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত এই নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রটি অবস্থিত। ... বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৭ ইঞ্জিনিয়ার কন্সট্রাকশন ব্যাটালিয়ন কর্তৃক চিম্বুক –থানছি সড়কটি নির্মাণের সময় ম্রো আধিবাসী অধ্যুষিত বান্দরবান থানছি সড়কের কাপ্রু পাড়া এলাকায় প্রথমে নিরাপত্তা চৌকি হিসাবে এটি নির্মিত হয়। পরবর্তীতে সেনাপ্রধান মঈন উ আহমেদ এখানে একটি হিল রিসোর্ট তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহন করেন। ... ২০০৬ সালের ২৫শে জানুয়ারী মেঘদূত ও আকাশনীলা নামের দুইটি কটেজ সম্বলিত নীলগিরি রিসোর্টটি উদ্বোধন করেন। ... দিনের বেলায় এই রিসোর্ট থেকে খালি চোখে বঙ্গোপসাগর ও জাহাজ চলাচলের দৃশ্য দেখা যায়। ... এখানে মোবাইল ফোনের নেট ওয়ার্ক থাকার কারনে কথা বলার পাশাপাশি ইন্টারনেট ব্যবহার করা সম্ভব। ... নীলগিরি রিসোর্টে অবস্থান ও রাত্রিযাপনের জন্য সেনাবাহিনীর বান্দরবান ব্রিগেড হেডকোয়ার্টারে আগাম যোগাযোগ করতে হবে।


সেনাবাহিনীর অবদানঃ নীলগিরি রিসোর্ট


ম্যাপঃ বান্দরবান

এই সুযোগে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক নিয়ে কিছু কথা বলে নেই... বান্দরবানে মোবাইল ফোনের ব্যবহার এখনও একটা যন্ত্রনা বিশেষ। জিপির নেট ওয়ার্ক মাঝে মাঝে কাজ করে, কিন্ত আমি কখনই টানা ২/৩ মিনিটের বেশি কথা বলতে পারি নাই এবং সিগন্যালের মান ততটা উন্নত নয়। ওভারসীজ কল রিসিভ করা যায় না। আর বাংলা লিঙ্কএর অবস্থা জিপির চাইতেও খারাপ। আমি জিপি ইন্টারনেট ব্যবহার করি, তাতে করে ইমেল মোটামুটি চেক করা যায়, কিন্ত সামহোয়ারের এক একটা পেজ নেমে আসতে ৩ থেকে ৪ মিনিট সময় লাগে। মুলতঃ নেট ওয়ার্কের সমস্যাটা কক্সবাজার থেকেই ফেস করেছি, আর বান্দরবানে যে দুইদিন ছিলাম — বলা যায় পুরোপুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিলাম।




ফেরার পথে শৈল প্রপাত
বান্দরবান নিয়ে কিঞ্চিৎ জ্ঞান সবার সাথে শেয়ার করি — বান্দরবানে জনসংখ্যার বিচারে প্রধান সম্প্রদায় মারমা। তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে বান্দরবানে মারমা জনগোষ্ঠির বসবাস সর্বাধিক। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মার্মাদের প্রধান উৎসব সাংগ্রাই পোয়ে, ওয়াছো পোয়ে। সাংগ্রাই আমাদের বাংলা নববর্ষ উৎসবের সাথে যুক্ত। প্রায় পাঁচদিন ধরে চলা এই উৎসবের প্রধান আকর্ষন মৈত্রী পানি বর্ষন। এখন বান্দরবানের প্রধান জনগোষ্ঠি বাঙ্গালী(১,৬০,০০০ জন)র সংখ্যা প্রধান সম্প্রদায় মারমাদের (৭৫,৮৮০জন) চেয়ে তা দ্বিগুনের বেশি। এছাড়া অন্যান্য সম্প্রদায়ের মধ্যে রয়েছে ম্রো, ত্রিপুরা, বম, তঞ্চঙ্গ্যা চাকমা, চাক, খেয়াং সহ প্রায় ১১টি নৃতাত্ত্বিক উপজাতি জনগোষ্ঠি।

কিছু দরকারী ফোন নাম্বার দিলাম এখানে। বান্দরবানের টেলিফোন কোড নম্বর 0361.

তথ্য কেন্দ্রঃ 62400, 01550603124.
ও সি, বান্দরবান থানাঃ 62233
পুলিশ কন্ট্রোল রুমঃ 62276
আর্মি টেলিফোন এক্সচেঞ্জঃ 62284, 62290.
পর্যটন মোটেল মেঘলাঃ 62741-2
হিল সাইড রিসোর্ট, (গাইড ট্যুরস লিমিটেড) মিলনছড়িঃ 01199275691
সাকুরাঃ 01556510277.

বান্দরবান থানছি রোডটা অতটা চওড়া নয়, কিন্ত এত মসৃন। সারা রাস্তা তেমন ভাঙ্গাচোরা নাই বললেই চলে। প্রায় নির্জন সেই রাস্তায় মাঝে মাঝে দু এক জন উপজাতীয় মানুষজন পায়ে হেঁটে যেতে দেখা যায়। রাস্তার পাশে কিছুদুর পর পরই প্রচুর আনারস আর বিভিন্ন ধরনের সব্জি পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, কচু, লাউ, ইত্যাদি জড় করে রাখা। ভাড়া করা ট্রাক এসে সেগুলো সংগ্রহ করে নিয়ে যায় দুরের হাট বাজারে। মেয়েরা বেশ সক্রিয়, প্রচুর কাজকর্ম করে তারা। কিছু কিছু পুরানো আমলের ল্যান্ডরোভার তাতে গাদাগাদি করে বসা স্থানীয় মানুষ, এ ছাড়া আর তেমন যানবাহন চোখে পড়ে না। এগুলোকে মনে হয় চাঁদের গাড়ী বলে। আর কিছু মিনিবাসকে চলাচল করতে দেখেছি। যেগুলো চট্টগ্রাম অথবা কক্সবাজার থেকে যাওয়া আশা করে। কিন্ত বেশির ভাগ লোকের কাছে পায়ে হাঁটাই একমাত্র যোগাযোগের ব্যবস্থা বলে মনে হলো। ভাবলে অবাক লাগে এই রাস্তাটুকুও যখন ছিল না, তখন এই পাহাড়ি এলাকার লোকজন কিভাবে চলাফেরা করতেন...?

মসৃন থানছি সড়ক দিয়ে যেতে যেতে ইমরান আমাদের বলছিল — এ রাস্তা কিন্ত পর্যটকদের জন্য বানানো হয় নাই, এমনকি এলাকার অধিবাসীদের চলাচলের সুবিধা অসুবিধা মাথায় রেখেও এ রাস্তা নির্মিত নয়। এটা তৈরি হয়েছে স্রেফ রাষ্ট্রের সামরিক প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে... রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যে কোন বিদ্রোহকে সামাল দিতে। যে কোন রাষ্ট্রে সামরিক বাহিনী তার ভুখন্ডের প্রতিটি ইঞ্চি জায়গা তার কাছে সুগম্য করে রাখতে চায়... বান্দরবানের মতো বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠা জায়গায় এর প্রয়োজন বলাবাহুল্য আরও বেশি।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ভ্রমনবান্দরবাননীলগিরি ;
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:০৭
বিডি আইডল বলেছেন: আমি মেঘলা ব্রীজটার ওইপাড়ে সেই ২০০৪ এ জিপিতে কথা বলেছিলাম :)
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১৫

লেখক বলেছেন: জিপি নেটওয়ার্ক মোটামুটি চলে... যদিও ঘরের ভেতর মাঝেমাঝে নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না।

আর ইন্টারনেট তো পুরাই পেইন... |-) |-)

২. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৩০
সততার আলো বলেছেন: দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্যে সক্রিয় সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন অপরিহার্য। সামরিক বাহিনীর কার্যক্রম সঠিকভাবে পালনের জন্যে অবশ্যই কিছু অবকাঠামো নির্মান প্রয়োজন। তবএ জনগনের প্রয়োজনটা তারও আগে হওয়া উচিত। বান্দরবানে যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই খারাপ। এই ঈদের একদিন পরে সেনাবাহিনীর এক সদস্য দুর্গম এক পাহাড় হতে পড়ে গিয়ে প্রচন্ড আহত হয়। গ্যারিসনে যখন পৌছলাম, তখন দেখি তার আহত দেহ নিয়ে আসা হয়ে হেলিকপ্টার দিয়ে। তার ডিউটিটা এমন স্থানে ছিল যে, সেখান হতে আকাশ ছাড়া সহজে চলাচলের কোন সহজ পদ্ধতি নেই। পরে সেই সৈন্যকে বাচানো সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অগনিত ত্যাগের মাধ্যমে এখনো আমাদের দেশের সার্বভৌমত্ব টিকে আছে।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দ্বায়ীত্ব আসলে প্রতিটি দেশপ্রেমিক নাগরিকের। জাতীয় সেনাবাহিনী তার একটা অংশ মাত্র। কিন্ত শক্রর বিরুদ্ধে বিজয়ের একমাত্র গ্যারান্টি দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য প্রতিটি সক্ষম দেশপ্রমিক নাগরিকদের অস্ত্র ধারন করা।

চাইলে কোন দেশের নিয়মিত সেনাবাহিনীকে যুদ্ধে পরাজিত করা যায়, এরকম উদাহরন আছেও ভুরি ভুরি... আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় ছিনিয়ে এনেছে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে, যারা ছিল নিয়মিত সেনাবাহিনী। এই বিজয় সম্ভব হয়েছিল সাধারন জনগন দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলো বলেই।

সামরিক বিজ্ঞানও এই একই মতকে সমর্থন করে... নিয়মিত সেনাবাহিনী যুদ্ধে পরাজিত হতে পারে... কিন্ত একটা সশস্ত্র জনগনের বাহিনীকে পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা সামরিক শক্তিও পরাভুত করতে পারে না। ৭০ এর দশকের ভিয়েতনাম তার বড় উদাহরন।

ফলে যদি সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয় আলোচনার এজেন্ডা হয়, আমি জনগনের সশস্ত্র শক্তির ওপর নির্ভর করতে পছন্দ করবো।

আপনাকে ধন্যবাদ।

১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: সে না হয় খাইলেন, কিন্ত আমারে ব্লক মারছেন কিলাই... আপনারে মাইনাস দিবার সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হইলাম... X((

বড়ই পেরেসানিত... :-<

৪. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:২৭
রাজর্ষী বলেছেন: আইহায়... আমিও গেসিলাম...জটিল জাগা। আমার একখান পুস্ট ও ছিলো..ভিডিও...:)
View this link

১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন: খাড়ান, ভিড্যু দেখতাচি... :)

৫. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:১৪
মুহিব বলেছেন: এইরকম তথ্যবহুল পোস্টই খুজছিলাম। ধন্যবাদ।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: কাজে লাগার জন্য ভাল লাগছে... মুহিবকে অনেক ধন্যবাদ।

৬. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৩
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো ছবিগুলো।
এবং সুন্দর লেখা তো অবশ্যই।
কখনো যদি যাই আপনার পোষ্টগুলো আবার পড়ে নোট নিয়ে যাবো।

অনেক শুভকামনা।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ সাজি, খুব মজা পেলাম আপনার কথায়... নোট নিতে হবে কেন...? টেলিফোন নাম্বারগুলো প্রিন্ট করে নিলেই চলবে।

ভাল থাকুন...

৭. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৬
বৃত্তবন্দী বলেছেন: আপনার বর্ণনায় মুনশিয়ানা রয়েছে...
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: :) :D B-) ;) :> =p~

৮. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:১৩
ঘাসফুল বলেছেন: বর্ষায় বান্দরবান চরম সবুজ লাগে... ১৫ তারিখ রাতে যাচ্ছি... খুশী রাখার যায়গা পাইতেছিনা... বর্ণনা চরম হৈছে :)

১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: ফিরে এসে একটা পোষ্ট লিখে ফেলুন। নিরাপদ হোক আপনার ভ্রমন।

যাবতীয় শুভকামনায়।

৯. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৭
জেড ইসলাম বলেছেন: খুব সুন্দর।

তা মনে হয় আপনার ভালই লিন্ক আছে নীলগিরির সাথে। আপনার নাম ভাঙ্গাইয়া কোন সুবিধা পাওয়া যাইবো না ওখানে ? :)
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: ঠিক ধরেছেন, নীলগিরির সাথেই আমার যাবতীয় লিঙ্ক... :)

নীলগিরির কানে কানে আমার নাম কইয়েন, কসম খোদার, নীলগিরি তার সৌন্দ্যর্য্যের সব টুকু খুলে দেবে আপনার জন্য। আপনার চোখ ঝলসে যাবে।

১০. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯
সেতূ বলেছেন: নীলগিরি রিসোর্ট রুম ভাড়া কেমন।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: খুব সম্ভবতঃ তিন হাজার টাকা।

আর্মি টেলিফোন এক্সচেঞ্জ এর এই নাম্বারে 0361(এরিয়া কোড) --62284, 62290.ফোন নাম্বারে ফোন করে দেখতে পারেন। আপনার জন্য মেঘদূত এবং আকাশনীলা কটেজ দুটির ছবি দিলাম।

১১. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯
ছায়ার আলো বলেছেন: কাজে লাগতে পারে। প্রিয়তে রাখলাম।
ধন্যবাদ তথ্যের জন্য
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: কাজে লাগতে পেরে ভাল লাগছে... আপনাকে ধন্যবাদ।

১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১৩. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: খুব ভালো লাগল।

নীলগিড়ির ইতিহাস সত্যিই আপনি অনেক জেনেছেন এই পোস্ট লেখার আগে। অসংখ্য ++

আপনার লেখা পড়ে আমার বার বার মনে হয়েছে আমি যেন সেই পথ ধরে চলছি।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: এই যে সৌহার্দ্য'র আম্মু কোথায় গেছলেন এতদিন, কোন সাড়া শব্দ নাই... X(




(আপনার জানুর জন্য শুভকামনা, আমার সালাম জানাবেন) :)

১৪. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১২
কালপুরুষ বলেছেন: ছবি ও বর্ণনা দুটোই ভাল লাগলো। সামনে কখনো যাবার ইচ্ছে আছে।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: ঘুরে আসুন কালপুরুষদা, ভাল লাগবে।

১৫. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪৬
ফারহান দাউদ বলেছেন: নীলগিরি রিসোর্ট টা তো সেইরকম জায়গায়, কিন্তু ভাড়া কত? :|
বান্দরবন গেলে আপনার পোস্ট গাইড হিসেবে কাজ করবে।
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন: নীলগিরি যেতে হলে যে নীলগিরি রিসোর্টে ই থাকতে হবে, এটা আমি মনে করি না... আপনি বান্দরবান শহরেও থাকতে পারেন। সেখানে ভাড়া অনেক কম হবে।

বুয়েটে তো ফি বছর আর্মি নেভির বহুত পুলাপাইন পড়তে আসে, আপনার ক্লাসমেটদের মধ্যে যারা আর্মি অথবা নেভির-- এই সব পুলাপাইনগুলারে পাকড়াও করেন। তারা নিশ্চয়ই আপনার জন্য কোন একটা বুদ্ধি বাইর করতে পারবে।

আপনার জন্য নীলগিরি রিসোর্টের একটা ব্যালকনির ছবি... যখন বিয়ে করবেন, অনুরোধ থাকলো :) হানিমুনটা এখানেই সারবেন...

১৬. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৪
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: ফারহান ভাই, ভাড়া আর্মিদের জন্য ৩০০-৪০০। সিভিলিয়ানদের জন্য ৩০০০ পার নাইট। আর আর্মিদের রিলেটিভদের জন্য মনে হয় ১০০০ এর মতো, এটা শিউর না।
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: ব্লাডি সিভিলিয়ানগো কুথাও কুনো বেইল নাই... /:)

১৭. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৩৭
আয়াত বলেছেন: সভ্যতা, সামরিক জীপ চেপে গহীন অরণ্যের জানু বেয়ে উঠতে থাক উপরে, অতি উচ্চতায়...
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫৪

লেখক বলেছেন: সভ্যতা, সামরিক জীপ চেপে গহীন অরণ্যের জানু বেয়ে উঠতে থাক উপরে, অতি উচ্চতায়...


অসাধারন মন্তব্য... অভিবাদন জানালাম আপনাকে...

১৮. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:২৪
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আগের পোস্টগুলোর লিংক যোগ করে দিলে ভালো হতো। হাতের কাছে পাওয়া যাবে।
কী আর কহি! দেখলে শুধু লোভ জাগে।
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: ইচ্ছা করেই দেই নাই... সিরিজ দেখলেই মানুষ বিরক্ত হয়। পড়তে আগ্রহ বোধ করে না।

লোভ করে যান, এই লোভে পাপ নাই, পুরোটাই পুণ্যি...

১৯. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৫
তারার হাসি বলেছেন:
আমি ছিলাম আকাশনীলায়... :)
@ মেঘদূত - আর্মি পারসন নিজে গেলেই শুধু তাদের জন্য নির্ধারিত ভাড়ায় থাকতে পারেন। তাদের নামে রুম বুকিং অথবা সুপারিশ কোনটাই কাজে আসে না।
এখান থেকে বগালেক দুই ঘন্টার পথ, গিয়েছিলেন ?
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:২২

লেখক বলেছেন:

নীলগিরিতে মেঘের কুয়াশা আমাদের যখন ঢেকে ফেলেছিল, তখন সেই আবছা পটভুমিতে এই পরিবারটিকে নজরে পড়ে। আকাশনীলায় বসবাসরত এই পরিবারটিকে দেখে আমার একটু ঈর্ষাই হচ্ছিল...

আর এখন ঈর্ষা হচ্ছে আপনাকে...

বগালেক যেতে পারি নাই... বড়ই আফসোস... চড়াই উতরাই পার হতে গিয়ে জীপের ফুয়েল ট্যাঙ্কে বাতাস ঢুকেছিল। সম্ভবতঃ ট্যাঙ্কে ফুয়েল ভর্তি ছিল না। বুড়া যক্ষা রোগীর মত খক খক করে গাড়ী এমন কাশতে লাগলো, আমরা সামনে এগুনোর আর ভরসা করি নাই...

২০. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:২৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: ৩০০০ টাকা পার নাইটে হানিমুন? একমাত্র আর্মির ক্যাপ্টেন মেয়ে বিয়া করলে সম্ভব, নাইলে আমার এক মাসের বেতন দিয়া না খায়া ৩ রাত থাকা যাইতে পারে, হানিমুন তখন বিটার মুন হয়া যাবে। :|
২১. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫০
বিপ্লব রহমান বলেছেন: ১। পার্বত্য চট্টগ্রামকে সুশীল সমাজের কাছে নান্দনিকভাবে উপস্থাপনের জলপাই রাজনীতির এক প্রকল্প নীলগিরি। এর নামকরণ, রাস্তা, রেস্ট হাউজ ও রেঁস্তরো নির্মাণ-সবই সেনা বাহিনীর তত্বাবধানে চলে।

লক্ষ্যনীয়, নীলগিরির রেস্ট হাউজ দুটির একটি সারাবছর থাকে সামরিক কর্তাদের দখলে, আরেকটিতে নিরাপত্তার অভাবে 'ব্লাডি সিভিলিয়ানরা' রাতের বেলা থাকতে সাহস পান না।

২। দেশের এক দশমাংশ পার্বত্য চট্টগ্রামে আটের দশক থেকে হাজার একর বন ও পাহাড় উজাড় এবং দখল করে ছয়টি স্থায়ী সেনা নিবাস এবং সাড়ে পাঁচশ সেনা ছাউনি নির্মাণ করে, শান্তিচুক্তির আগে শান্তিবাহিনী দমনের নামে লোগাং, নানিয়ারচর, লংগদু, পানছড়ি, বরকল, কাউখালি, দিঘীনালাসহ অসংখ্য পাহাড়ি গ্রামে গণহত্যা চালিয়ে, বাঙালি সেটেলারদের সব ধরণের মানবাধিকার লংঘনের জন্য প্রকাশ্যে মদদ দিয়ে, চুক্তির পরে প্রথমে 'অপারেশন উত্তরণ' ও এখন 'অপারেশন দাবানল' নামক সেনা অভিযান চালিয়ে,,,সংক্ষেপে, পার্বত্যাঞ্চলকে সামরিকীকরণের যে দীর্ঘ প্রক্রিয়া চলছে, তারই ধারাবাহিকতায় নীলগিরি হচ্ছে সেনা বাহিনীর পর্যটন শিল্প সৃষ্টির একটি পরিপাটি প্রহসন! ...

তবে এর প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলী সত্যিই মনমুগ্ধকর।

৩। কিন্তু লেখা ও ছবিতে এর সামান্যই উল্লেখ থাকায় বেশ খানিকটা হতাশই হলাম। ১৯০০ সালের বিশেষ শাসনবিধি ও শান্তিচুক্তিতে কথিত 'উপজাতীয় অধ্যুষিত অঞ্চলটি' কথিত পাহাড়ি মানুষের কথা না হয় বাদই দিলাম। কারণ সেনা কর্তারা তো তাদের মানুষই মনে করে না; এ কারণে এই নিলগিরি-নামক সামরিক অশ্বডিম্ব সৃষ্টির আগে স্থানীয় জনগণের মতামত নেওয়ার প্রয়োজনও পড়েনি। আর এতে তাদেরও কোনো অংশ গ্রহণ নেই!

৪। আপনি পার্বত্যাঞ্চল নিয়ে লিখছেন, আপনার লেখায় ব্লগাররা সাড়াও দিচ্ছেন বেশ, তাই আশা করেছিলাম, দৃষ্টিসুখের মোহের বাইরে অন্তর্নিহিত দৃষ্টি নিয়েই পাহাড়কে দেখবেন...ভাসা ভাসা...পাখির চোখে নয়। তাই এই কথাগুলো বলা।

-- অনেক ধন্যবাদ।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ, আপনার দীর্ঘ মন্তব্যের জন্য।

২২. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯
বাংলাদেশ-ফয়সাল বলেছেন: মুনশি ভাই

কেমন আছেন??

১৯ তারিখ Gathering এ AIUB এর যে প্রফেসর স্যার ছিলেন উনার আইডি টা কি??
২৩. ১৭ ই মে, ২০১০ রাত ১০:১৬
Neelpoddo বলেছেন: সেনাবাহিনী আসলেই খুব খারাপ। #( #(

এই নীলগিরি বানানোর উদ্দেশ্যে তারা সকল রাজনৈতিক সরকারের মতামত উপেক্ষা করে ৭১ এর পর থেকে শান্তিবাহিনীর গুলি এবং এনোফিলিস মশার কামড় খেয়ে যাচ্ছে।আসলেই তারা খুব লোভী।থানচি থেকে যখন TNO সহ অনেক বাঙ্গালীকে কিডন্যাপ করা হয় তখন ১২০ কিমি হেঁটে মিয়ান্মারের ভেতর থেকে তাদের উদ্ধারের বিনিময়ে সেনাসদস্যরা মোটা অংকের উৎকোচ নিয়েছিলেন বলে শোনা যায়।আসলেই অনেক লোভী।রমরমা ব্যবসা করছে তারা পাহাড়ের ভেতর।যেখানে রুমা থেকেই হেঁটে যেতে ৪ দিন লাগে।পুরো পার্বত্য অঞ্চলে তারা নিজেদের নামে সব জায়গা জমি দখল করে ফেলেছে।ওখানে জমির যে আকাশ ছোঁয়া দাম।ফাইভ স্টার মানের ক্যাম্প রয়েছে প্রতিটি পাহাড়ে।AC/Satellite সহ রয়েছে আধুনিক জীবন যাপনের সবধরণের সুবিধা।আর তাদের প্রতিদিনের খাবার প্রথমে ঢাকার যেকোনো আভিজাত রেস্তোঁরা থেকে বিমানে করে চট্টগ্রাম এবং তারপর চপারে করে চট্টগ্রাম থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।কারণ তারা তো আর স্থানীয় বাজারে সারাবছ্রর শুধু যেসব মিষ্টি কুমড়া এবং পেঁপে পাওয়া যায় তারা তো আবার তা খান না। আসলেই পার্বত্য এলাকায় লোভী নপুংষক এসব সেনাসদস্যরা খুব মজায়ই আছেন।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৫৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে, আসে নাই কেহ ধরনী পরে- সকলে আমরা সকলের জন্য- প্রত্যেকে আমরা পরের তরে-
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই