প্রফেসর গোলাম আযম একজন মহাপুরুষের জন্ম ২য় খন্ড
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৭
১ম খন্ড পড়ুন
আমার প্রাথমিক শিক্ষা
আমি আমার দাদার প্রথম নাতি। দাদার চার ছেলের মধ্যে আমার আব্বাই সবার বড়। দাদা অবসর জীবনযাপন করছিলেন। তাই তারই কাছে মুখে মুখে অনেক কিছু শিখি। সাধারনত বাড়ির প্রথম সন্তানের লেখাপড়া শুরু হতে একটু দেরি হয় বলে দেখা যায়। বাড়ির আর কেউ লেখাপড়া করছে দেখলে ছোটরাও লেখাপড়া শুরু করে দেয়। আমার ছোটভাই গোলাম মুয়াযযম বয়সে আমার ২ বছরের ছোট হলেও লেখাপড়ায় মাত্র একক্লাস নিচে ছিলো। সে আমার পড়া দেখে দেখে স্কুলে যাওয়ার আগেই আমার সাথে সাথে পড়া শুরু করে দেয়।
ছয় বৎসর বয়স হলে একদিকে কুরআন পড়ার জন্য মসজিদে যেতাম। গ্রামের ছেলেমেয়েরা সবাই মসজিদে গিয়েই ক্বারী সাহেবের নিকট কোরআন পড়া শিখত। ক্বারী সাহেব সুরা দ্বোহা পর্যন্ত সবাইকে মুখস্ত করাতেন। যার মুখস্ত হত তার বাড়ি থেকে পিঠা তৈরি করে সবাইকে খাওয়ানোর রেওয়াজ ছিলো। এ প্রথাটির মাধ্যমে সারা গ্রামের সবাই জানতে পারতো অমুকের ছেলে বা মেয়ে সুরা দ্বোহা পর্যন্ত সকল সুরা মুখস্ত করে ফেলেছে। এটা সকলের জন্য উৎসাহের ব্যাপার। কুরআন শিক্ষার সাথে সাথে ক্বারী সাহেব সকলকে নামাযও শিক্ষা দিতেন। সকলকে একসাথে দাড় করিয়ে নামাযে যা যা পড়তে হতো তা জোরে জোরে পড়তে বলতেন। যার ভুল হতো টার ভুল শুদঃরে দিতেন। রুকু সিজদাহ ঠিকমতো হচ্ছে কিনা তাও লক্ষ্য রাখতেন।
বাড়িতে দাদার সান্নিধ্য বেশি সময় পেতাম এবং তিনি আমাদের দু ভাইকেই সুরা ইয়াসীন মুখস্ত করালেন এবং মুখস্ত ঠিকমত হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য মাঝে মাঝেই পড়ে শোনাতে বলতেন। যখন সঠিকভবাবে মুখস্ত হয়ে গেল তখন দুভাইকে বললেন, রসুল(সাঃ ) মৃতের সামনে সুরা ইয়াসীন পড়ার জন্য হুকুম করেছেন। আমি মারা গেলে তোমরা সুরা ইয়াসীন পড়বে। এখনো মনে আছে দাদার ইন্তিকালের পর দাফন করতে দেড়দিন দেরি হয়েছিলো বলে দাদার লাশ যে ঘরে ছিলো সে ঘরে সুরা ইয়াসীন আমরা বহুবার পড়েছি।
এক বছরের মধ্যে নিজে নিজে কুরআন পড়ার যোগ্যতা সৃষ্টির জন্য ৬ বৎসর বয়সে প্রাইমারী স্কুলে ভর্তি করা হয় নি। সকালে ক্বারী সাহেবের কাছে এবং দুপুরে ও সন্ধ্যায় দাদার কাছে কুরআন পড়া হতো। এভাবে এবছরেই নিজে নিজেই কুরআন পড়ার যোগ্যতা অর্জন সম্ভব হলো। তাই ৭ বৎসর বয়সে প্রাইমারী স্কুলে ভর্তি হলাম।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
গোলাম আযম তার বইতে জুতাপেটা খাওয়ার ব্যাপারে কি বলেছেন? উনার প্রতিক্রিয়াটা জানার একটা শখ ছিল।
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
আমার মনে হয় আপনি একটা ভাল উদ্যোগ নিয়েছেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বিতর্কিত একজন রাজনৈতিক নেতার জীবনি জানা থাকলে ব্লগের অনেক মারামারির অবসান ঘ্টবে।ধন্যবাদ।
একেমন দেখা বলেছেন:
@ মাহমুদউল্লাহ, অধ্যাপক গোলাম আযম নিয়মিত জুমার খুৎবা মগবাজার কাজী অফিস লেনের মসজিদে রাখেন, তাই আপনার কৌতহলের প্রতিক্রিয়া সরাসরি জানার জন্য ভাল স্থানের সন্ধান দিলাম। আশা করি ...... কেমন যাবেন কিন্তু।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
তুই বাচ্চা রাজাকার
সুশীল সমাজ বলেছেন:
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: গোলাম আযম তার বইতে জুতাপেটা খাওয়ার ব্যাপারে কি বলেছেন? উনার প্রতিক্রিয়াটা জানার একটা শখ ছিল।
নতুন বলেছেন:
""গোলাম আযম তার বইতে জুতাপেটা খাওয়ার ব্যাপারে কি বলেছেন? উনার প্রতিক্রিয়াটা জানার একটা শখ ছিল।"""??? আমারা ও জানার ইচ্ছা....
শান্ত বলেছেন:
লেখা চালিয়ে যান। যদিও ফ্লাডিং শুরু হয়েছে।
লেখক বলেছেন: এরা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি করতে আগেও ফ্লাডিং করেছে। যুক্তিতে না পারলে ফ্লাডিংই ভরসা।
পল্লব মুনতাকা বলেছেন:
অবাঞ্চিতদেরকর আমার ব্লগে না আসার অনুরোধ করছি।
একেমন দেখা বলেছেন:
@বামনী, প্রমাদ গুনছেন কেন? আপনার পছন্দ হচেছ না বুঝি????? কিন্তু অপরের পছন্দে আঘাত করা বুঝি আপনাদের জীবনের অংশ হয়ে গেছে................. আপনার সীমানাটা আবার একটু ঠিক করে নেবেন, গায়ে পরে ঝগড়া করা অন্তত আপনাদের মত প্রগতিশীলদের মানায় না।
অরুনাভ বলেছেন:
কি ভাইজান থু থু আর জুতা পিটার কথা শুইনা মন্তব্য মুইছা দিলেন..........ঈমানের এত জোড়..............
লেখক বলেছেন: ইনশাল্লাহ চালিয়ে যাব।
মদনবাবু বলেছেন:
মগবাজারে ৮ তলা বাড়িতে থাকে গোলাম আযম: একদল সত লোকের জীবন যাপনের নমুনা
এই পোস্টের ব্যপারে কি মন্তব্য আছে ?
আসসালামুআলাইকুম।
অনেক ধন্যবাদ।
ভাষা আন্দোলনের মাসে একজন ভাষা সৈনিকের জীবনী পোষ্ট করার জন্য।
মামু বলেছেন:
পটুর পাশে লাল সবুজ পতাকা টা সরাইয়া কতা কইতে কন....এই পতাকা হের ঘরে রাকার যোগ্যতা হের নাই
মনিটর বলেছেন:
খবিশ
সাম্যবাদী বলেছেন:
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: গোলাম আযম তার বইতে জুতাপেটা খাওয়ার ব্যাপারে কি বলেছেন? উনার প্রতিক্রিয়াটা জানার একটা শখ ছিল।
চিকনমিয়া বলেছেন:
মাইনাচ
ঢিল মারে কে মোর টিনের চালে বলেছেন:
আরে এতো সেই মহেশখালীর সেই মাগীর দালালটা না, আমি আগেই কইছিলাম এইটা সেই দালাল!অবশ্য এগো মধ্যে একটা তফাত আছে, দালাল গুলান দেশের লগে বাটপারী করে না, মাগীদের সাথেও না, তাগো পাওনা কম দিলেও মিটায়া দেয়। কিন্তু এরা দেশের সাথে বাটপারীও করে, ৭১ এ মাইয়াগো ফুসলাইয়া ক্যাম্পে নিয়া হানাদারদের খাইতে দেয় তারপর অচেতন অবস্হায় নিজেরাও খায়, আর দাড়ী রাইখা নামাজও পড়ে মসজীদে সবার সাথে।
তাইলে কেডা ভালো, মাগীর দালাল নাকি গোলামের মতো পাকিস্তানী দালাল?
লাল মিয়া বলেছেন:
বান্দর মিঞা বলেছেন:
লাবণ্য বলেছেন:
আমি আজ থেকে পড়তে শুরু করলাম। প্রথমপর্ব পড়ে যা বলেছি আমার অনুভূতি এখন আরও এককাঠি উপড়ে কারণ আজ আমি একসঙ্গে ৫খণ্ড পাচ্ছি।অনেক ধন্যবাদ। তবে হঠাৎ চুপসে গেলে কিন্তু মাইন্ড করবো।এবং সেটাকি প্রতারণা হবে না.. বলুনতো!
যীশূ বলেছেন:
গো আ যে গোয়ামারা খাইছিলো সেইটা লেখে নাই কেন?
মুনতাসির বিল্লাহ মুন্না বলেছেন:
৩১ নাম্বার মাইনাস..............সত্যি বলছি, এত এত মাইনাস একসঙ্গে দেখার সৌভাগ্য আগে কখনো হয়নি.............আসুন আমরা মহান আল্লাহতায়ালার কাছে শোকর গুজার করি আমাদের এমন একটা দূর্লভ সুযোগের জন্য।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















