চলুন মহাকাশে যাই
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৩৬
মহাকাশ বিষয়ক সংস্থা ভার্জিন গ্যালাকটিক জানিয়েছে বিশ্বের যেসব ধনী লোক স্পেৎুরিস্ট হিসেবে মহাকাশে যেতে চায়, তারা ২০০৮ সালের শেষের দিকে পৃথিবীর বাইরে পাঠানো সম্ভব হবে। এজন্য তারা বিশেষ মডেলের মহাকাশযান তৈরি করেছে।
বৃটিশ শিল্প উদ্যোক্তা ও ভার্জিন এয়ারওয়েজের মালিক রিচার্ড ব্রানসন ২৩ শে জানুয়ারী নিউইয়র্কের আমেরিকান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রিতে অনুষ্ঠিত এক নিউজ কনফারেন্সে জানিয়েছেন, ২০০৮ হতে পারে 'স্পেসশিপের বছর'।
ব্রানসন দুটো মহাকাশযানের মডেল প্রদর্শন করেছেন, এয়ারপ্লেন ডিজাইনার বার্ট রুটান সেগুলোর ডিজাইন করেছেন। দুটি ফিউশালাজ বা অবকাঠামোবিশিষ্ট, চার ইঞ্জিনযুক্ত প্লেন হোয়াইট নাইট টু ছোট একটি স্পেসক্রাফটকে উড়িয়ে নিয়ে যাবে। তারপর ওই প্লেনটি স্পেসশিপ টু নামে ওই প্লেনটিকে মহাকাশে মুক্ত করে দিবে। এরপর স্পেসশিপ টু এর পাইলট তার রকেট ইঞ্জিন চালু করবেন। ওই ইঞ্জিনটি নাইট্রাস অক্সাইড ও রাবারভিত্তিক কঠিন জ্বালানির সমন্বয়ে চালানো হবে। এর মাধ্যমে মহাকাশ যানটি পৃথিবী থেকে ১০০ কিলোমিটার বা ৬৮ মাইল উচ্চতায় গিয়ে পৌঁছবে। যদি ভ্রমন নির্বিঘ্ন হয়, তবে যাত্রীরা কিছুক্ষনের জন্য ওজনহীনতা অনুভব করবে এবং মহাকাশযানটিতে ১৮ ইঞ্চি আকৃতির যে জানালগুলো থাকবে, সেগুলো দিয়ে নজরকাড়া সব দৃশ্য দেখতে পাবেন।
এবারের সামহোয়ারইন পিকনিকটা মহাশূন্যে হলে কেমন হয়? মাথাপিছু ব্যয় হবে ২লক্ষ ইউএস ডলার মাত্র।
সূত্র: ইকোনোমিস্ট
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন:
মহাকাশে চলে যাবি... তোর আব্বা গো আযমকে সাথে নিবি না...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














