somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... চলুন মহাকাশে যাই
বৃটিশ শিল্প উদ্যোক্তা ও ভার্জিন এয়ারওয়েজের মালিক রিচার্ড ব্রানসন ২৩ শে জানুয়ারী নিউইয়র্কের আমেরিকান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রিতে অনুষ্ঠিত এক নিউজ কনফারেন্সে জানিয়েছেন, ২০০৮ হতে পারে 'স্পেসশিপের বছর'।

ব্রানসন দুটো মহাকাশযানের মডেল প্রদর্শন করেছেন, এয়ারপ্লেন ডিজাইনার বার্ট রুটান সেগুলোর ডিজাইন করেছেন। দুটি ফিউশালাজ বা অবকাঠামোবিশিষ্ট, চার ইঞ্জিনযুক্ত প্লেন হোয়াইট নাইট টু ছোট একটি স্পেসক্রাফটকে উড়িয়ে নিয়ে যাবে। তারপর ওই প্লেনটি স্পেসশিপ টু নামে ওই প্লেনটিকে মহাকাশে মুক্ত করে দিবে। এরপর স্পেসশিপ টু এর পাইলট তার রকেট ইঞ্জিন চালু করবেন। ওই ইঞ্জিনটি নাইট্রাস অক্সাইড ও রাবারভিত্তিক কঠিন জ্বালানির সমন্বয়ে চালানো হবে। এর মাধ্যমে মহাকাশ যানটি পৃথিবী থেকে ১০০ কিলোমিটার বা ৬৮ মাইল উচ্চতায় গিয়ে পৌঁছবে। যদি ভ্রমন নির্বিঘ্ন হয়, তবে যাত্রীরা কিছুক্ষনের জন্য ওজনহীনতা অনুভব করবে এবং মহাকাশযানটিতে ১৮ ইঞ্চি আকৃতির যে জানালগুলো থাকবে, সেগুলো দিয়ে নজরকাড়া সব দৃশ্য দেখতে পাবেন।

এবারের সামহোয়ারইন পিকনিকটা মহাশূন্যে হলে কেমন হয়? মাথাপিছু ব্যয় হবে ২লক্ষ ইউএস ডলার মাত্র।

সূত্র: ইকোনোমিস্ট]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28771331 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28771331 2008-02-17 07:36:42
প্রফেসর গোলাম আযম একজন মহাপুরুষের জন্ম ৫ম খন্ড চতুর্থ খন্ড

আমার ইসলামী জীবন গঠন

১৯৪২ সালে যখন হাই মাদরাসা পাশ করি তখন আমার বয়স ১৯ বছর। প্রাইমারী স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগে কুরআন শিক্ষার জন্য ২ বছর, বীরগাঁও প্রাইমারী স্কুলে ৩ বছর, বড়াইল জুনিয়ার মাদরাসায় ৪ বছর, কুমিল্লা হাই মাদরাসায় ২ বছর ও ঢাকায় ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজে ২ বছর এভাবে মোট ১৩ বছরে নিজে নিজে কুরআন পড়তে সক্ষম হয়েছি। বাংলা, ইংরেজি ও আরবি ভাষা যতটুকু সম্ভব শিখেছি এবং ইসলামের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাসলা-মাসায়েল ও পাঠ্যপুস্তকে কুরআন ও হাদীসের কোর্সের অনুবাদ শেখার সুযোগ পেয়েছি। এছাড়া বাংলা ও ইংরেজী পাঠ্যপুস্তকে পরিবশিত বেশ কিছু জাগতিক জ্ঞান ও মূল্যবান উপদেশাবলী অবগত হয়েছি। কিন্তু ইসলাম সম্পর্কে চিন্তামূলক কোন বই পাঠ্যপুস্তকে ছিলো না। তাই ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত ইসলামকে জানা এবং বাস্তব জীবনে মেনে চলার পিছনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বাইরের অবদানই বেশি।

বাড়িতে দাদার সঙ্গ থেকে নিয়মিত জামাতে নামায আদায় ও কুরআন তিলাওয়াতের অভ্যাস গড়ে উঠেছে। খাওয়ার ইসলামী আদব-কায়দা - বিসমিল্লাহ বলে শুরু ও শেষে আলহামদুলিল্লাহ বলা, বাসন পরিস্কার করে খাওয়া, আঙ্গুল চেটে খাওয়া, খাবর জিনিস ঝুটা না করা, খাবার পড়ে গেলে দস্তরখান থেকে তুলে খাওয়া, খাবার নষ্ট না করা ইত্্যাদি দাদার কাছ থেকে শেখা যা সারাজীবন কাজে লেগেছে।

হোস্টেলে ও হলের ডাইনিং টেবিলে কর্মচারীরা আমাকে বলতো, "স্যার খাওয়ার পরে আপনার বাসন যেরকম পরিষ্কার থাকে, কুত্তায় চেটেও সেরকম পরিষ্কার করতে পারে না। অনেকের বাসন তুলবার সময় ঘৃণা বোধ হয়।"

আমি ডাইনিং টেবিলে ছাট্রদের খাবার ধরন দেখে হিসাব করতাম কে কি রকম পরিবার থেকে এসেছে। কাউকে দেখতাম ভাতের নলা মুখে দেওয়ার আগেই জিহবা অনেকটা বের করে নেয়। হাতের তালুতে পর্যাপ্ত খাবার লেগে যায়, লম্বা জিহবা বের করে আঙ্গুল চুষে, এমনভাবে চিবায় যে চপ চপ আওয়াজ হয়, বাসনে খাবারের কিছু অংশ রেখেই হাত ধোয়, এসব দেখেল রীতিমত বিরক্তিবোধ হতো। এর দ্বারা বুঝা যায়, যদি ছোট সময় পরিবারে এসব শিখানো না হয়, তাহলে বড় হয়েও এগুলো শেখার সুযোগ হয় না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28770313 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28770313 2008-02-14 05:27:33
প্রফেসর গোলাম আযম একজন মহাপুরুষের জন্ম ৪র্থ খন্ড প্রথম খন্ড, দ্বিতিয় খন্ড ,
তৃতীয় খন্ড

ঢাকায় আমার পাঠ্যজীবন

আমি যখন ক্লাস এইটে পড়ি তখন আমার ছোট চাচা জনাব শফিকুল ইসলাম সরকারি ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের ছাত্র ছিলেন। কুমিল্লায় আমার ক্লাসের সেকেন্ড বয় আমার চেয়ে ১০০ নম্বরেরও কম পেলে আব্বা মনে করেন, পরীক্ষায় ভালো ফল করতে হলে আমার চেয়েও ভালো ছাত্রদের সাথে প্রতিযোগিতার সুযোগ থাকতে হবে। তাই ছোট চাচার সাথে পরামর্শ করে ঢাকায় ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (বর্তমান কবি নজরুল কলেজে) ভর্তির সিদ্ধান্ত নিলেন।

ঢাকায় ভর্তি করার উদ্দেশ্যে আব্বা কুমিল্লার হাই মাদ্রাসার টিসির জন্য সুপারিন্টেন্ডেন্টের কাছে গেলেন। সুপারিন্টেন্ডেন্ট সাহেব খুবই বিস্মিত হয়ে বললেন, "ক্লাস এইটের সবচেয়ে প্রিয় ছাত্রটিকে আপনি নিয়ে গেলে আমার মনে খুব কষ্ট লাগবে। হাই মাদরাসার ফাইনাল পরীক্ষায় সে বৃত্তি পাবে বলে আমি আশা করি।" আব্বা বললেন, "যাতে আরো ভালো ফল করতে পারে, সেকারনেই আমি শাকায় নিয়ে যেতে চাই। সেখানে আরো ভালো ছাত্র রয়েছে। তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করতে বাধ্য হলে ফল ভালো হবে।" সুপারিন্টেন্ডেন্ট সাহেব শেষ পর্যন্ত সার্টিফিকেট দিয়ে দিলেন।

১৯৪০ সালের জানুয়ারী মাসে ঢাকার ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেটে ক্লাস নাইনে ভর্তি হলাম। কলেজের নিকটবর্তী কলতাবাজার হোস্টেলে স্থান পেলাম। কুমিল্লার তুলনায় ঢাকার শিক্ষকদের মান যেরকম উন্নত ছিলো, ছাত্রদের মানও সেরকম উন্নত ছিলো। প্রথম ত্রৈমাসিক পরীক্ষায় ক্লাসে আমার পজিশন ছয় নম্বরে চলে গেল। ক্লাস ওয়ান থেকে এইট পর্যন্ত ফার্স্ট বয় হিসেবে যে গর্ব ছিলো, তা চূর্ণ হয়ে গেলো। এ খবর পেয়ে আব্বা আমাকে উৎসাহ দিয়ে বললেন, "কুমিল্লায় তোমাকে এরকম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতে হয় নি। একারনেই আমি তোমাকে সেখান থেকে নিয়ে এসেছি। তোমাকে আরো সিরিয়াসলি পড়াশুনা করতে হবে।" আমাকে শান্ত্না দিয়ে বললেন, "তোমাকে ক্লাসে ফার্সটই হতে হবে এরকম কোনো দাবি নেই। তবে সব বিষয়ে শতকরা ৭৫ এর উপরে নম্বর থাকতে হবে।" ক্লাস টেনে ৪র্থ হয়ে প্রমোশন পেলাম, কিন্তু ফার্স্ট বয় থেকে আমার নম্বর তেমন কম ছিলো না। ফার্স্ট পজিশন পেলাম না, সেজন্য আমার দুঃখবোধ সত্তেও নম্বর ভালো পাওয়ায় নিরাশ হলাম না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28769988 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28769988 2008-02-13 13:15:03
প্রফেসর গোলাম আযম একজন মহাপুরুষের জন্ম ৩য় খন্ড প্রথম খন্ড, দ্বিতিয় খন্ড


আমার জীবনে জনসভায় প্রথম বক্তৃতা

৩৯ সালের ডিসেম্বর মাসে টাউন হল ময়দানে মুসলীম লীগ প্যালেস্টাইন ইসুতে যে জনসভা করে তাতে ঐ লাল মিয়া চাচাকে সভাপতিত্ব করতে দেখে আমি সাহস করে তার কাছে গেলাম। ফিলিস্তিন সম্পর্কে পূর্ববর্তী জনসভায় এ বক্তার যে পয়েন্টটি আমার মনে দাগ কেটেছিলো সে পয়েন্টটি এ সভায় কোনো বক্তার বক্তৃতায় না বলায় আমি তা বলার জন্য সাহস করলাম। চাচার কানে কানে বললাম, "আমিও কিছু বলতে চাই।" চাচা জনসভায় ঘোষনা করলেন, "এখন আপনাদের সামনে গোলাম আযম নামে একটি বালক বক্তৃতা করবে।" জনসভায় এটাই আমার প্রথম বক্তৃতা। আমি বিরাট উৎসাহ নিয়ে বক্তৃতা করার জন্য মঞ্চে দাড়ালাম। মঞ্চে দাড়াবার পর রীতিমত ঘাবড়ে গেলাম। পা দুটো কাপছে, মুখ দিয়ে কথা বেরুচ্ছে না, সভাপতির টেবিলে খুব জোর দিয়ে হাত চেপে ধরে সামলিয়ে নিলাম। মাত্র দেড় মিনিটে চিৎকার করে আমার কথাগুলো বলে ধপ করে বসে পড়লাম। শ্রোতারা খুব হাততালি দিলো এবং সভা শেষ হওয়ার পরে বেশ কিছু সংখ্যক লোক কাছে এসে আমার পরিচয় জানতে চাইলো। একজন মন্তব্য করলো মাওলানা আবদুস সোবহানের নাতিই বটে!

এরপর বেশ কিছুদিন কোথাও বক্তৃতা করার জন্য সাহস পাইনি। গ্রামের ঈদগাহ ময়দানে আব্বা বক্তৃতা করতেন। সেখানে কিছু বলার সুযোগ ছিলো না। লোকজনের বক্তৃতা শুনলে মনে হতো যে কাজটি সহজ। কিন্তু বক্তৃতা করতে দাড়ালে কেন এমন হতো তা রহস্যজনক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28769576 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28769576 2008-02-12 13:51:12
প্রফেসর গোলাম আযম একজন মহাপুরুষের জন্ম ২য় খন্ড ১ম খন্ড পড়ুন

আমার প্রাথমিক শিক্ষা

আমি আমার দাদার প্রথম নাতি। দাদার চার ছেলের মধ্যে আমার আব্বাই সবার বড়। দাদা অবসর জীবনযাপন করছিলেন। তাই তারই কাছে মুখে মুখে অনেক কিছু শিখি। সাধারনত বাড়ির প্রথম সন্তানের লেখাপড়া শুরু হতে একটু দেরি হয় বলে দেখা যায়। বাড়ির আর কেউ লেখাপড়া করছে দেখলে ছোটরাও লেখাপড়া শুরু করে দেয়। আমার ছোটভাই গোলাম মুয়াযযম বয়সে আমার ২ বছরের ছোট হলেও লেখাপড়ায় মাত্র একক্লাস নিচে ছিলো। সে আমার পড়া দেখে দেখে স্কুলে যাওয়ার আগেই আমার সাথে সাথে পড়া শুরু করে দেয়।

ছয় বৎসর বয়স হলে একদিকে কুরআন পড়ার জন্য মসজিদে যেতাম। গ্রামের ছেলেমেয়েরা সবাই মসজিদে গিয়েই ক্বারী সাহেবের নিকট কোরআন পড়া শিখত। ক্বারী সাহেব সুরা দ্বোহা পর্যন্ত সবাইকে মুখস্ত করাতেন। যার মুখস্ত হত তার বাড়ি থেকে পিঠা তৈরি করে সবাইকে খাওয়ানোর রেওয়াজ ছিলো। এ প্রথাটির মাধ্যমে সারা গ্রামের সবাই জানতে পারতো অমুকের ছেলে বা মেয়ে সুরা দ্বোহা পর্যন্ত সকল সুরা মুখস্ত করে ফেলেছে। এটা সকলের জন্য উৎসাহের ব্যাপার। কুরআন শিক্ষার সাথে সাথে ক্বারী সাহেব সকলকে নামাযও শিক্ষা দিতেন। সকলকে একসাথে দাড় করিয়ে নামাযে যা যা পড়তে হতো তা জোরে জোরে পড়তে বলতেন। যার ভুল হতো টার ভুল শুদঃরে দিতেন। রুকু সিজদাহ ঠিকমতো হচ্ছে কিনা তাও লক্ষ্য রাখতেন।

বাড়িতে দাদার সান্নিধ্য বেশি সময় পেতাম এবং তিনি আমাদের দু ভাইকেই সুরা ইয়াসীন মুখস্ত করালেন এবং মুখস্ত ঠিকমত হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য মাঝে মাঝেই পড়ে শোনাতে বলতেন। যখন সঠিকভবাবে মুখস্ত হয়ে গেল তখন দুভাইকে বললেন, রসুল(সাঃ ) মৃতের সামনে সুরা ইয়াসীন পড়ার জন্য হুকুম করেছেন। আমি মারা গেলে তোমরা সুরা ইয়াসীন পড়বে। এখনো মনে আছে দাদার ইন্তিকালের পর দাফন করতে দেড়দিন দেরি হয়েছিলো বলে দাদার লাশ যে ঘরে ছিলো সে ঘরে সুরা ইয়াসীন আমরা বহুবার পড়েছি।

এক বছরের মধ্যে নিজে নিজে কুরআন পড়ার যোগ্যতা সৃষ্টির জন্য ৬ বৎসর বয়সে প্রাইমারী স্কুলে ভর্তি করা হয় নি। সকালে ক্বারী সাহেবের কাছে এবং দুপুরে ও সন্ধ্যায় দাদার কাছে কুরআন পড়া হতো। এভাবে এবছরেই নিজে নিজেই কুরআন পড়ার যোগ্যতা অর্জন সম্ভব হলো। তাই ৭ বৎসর বয়সে প্রাইমারী স্কুলে ভর্তি হলাম।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28768927 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28768927 2008-02-10 18:27:44
প্রফেসর গোলাম আযম একজন মহাপরুষের জন্ম ১ম খন্ড
জন্ম আমার ঢকা শহরে হলেও আমার বাল্যকাল গ্রামেই কেটেছে। ১৯২২ সালের ৭ নভেম্বর ঢাকা শহরে লক্ষীবাজার এলাকায় 'মিয়া সাহেবের ময়দান' নামে পরিচিত এক ঐতিহ্যবাহী পীর বাড়িতে আমার জন্ম হয়। এটা আমার নানার বাড়ি। আমি আমার পিতামাতার প্রথম সন্তান। প্রাচীন রীতি অনুযায়ী প্রথম সন্তান মায়ের পিতার বাড়িতে জন্ম নেয়। একারনেই আমার আসল বাড়ি গ্রামে হলেও শহরেই জন্ম হয়। আম্মা প্রতিবছরই এক থেকে দেড়মাস পিতার বাড়িতে বেড়াতে আসতেন। এ সুযোগে বাল্যকালেই গ্রাম ও শহরের সাথে আমার পরিচয় হয়।

ক্লাস সিক্স পর্যন্ত আমার লেখাপড়া গ্রামেই হয়। প্রথম ক্লাস থ্রি পর্যন্ত গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার পর আরবী শিক্ষার প্রয়োজনে আমাদের গ্রাম থেকে ৫ কিলোমিটার দূর বড়াইল জুনিয়র মাদরাসায় আবার ক্লাস থ্রিতে ভর্তি হই এবং সেখানে ক্লাস সিক্স পর্যন্ত পড়ি। এ সময়টুকুকে আমি বাল্যকাল হিসেবে গন্য করি। এভাবে ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত গ্রামের পরিবেশেই বেড়ে উঠি। প্রথম ক' বছরের কথা মনে থাকাত সম্ভব নয়। তবে যখন থেকে আমার স্মৃতিতে বিভিন্ন ঘটনা সঞ্চিত আছে তা থেকে আমি শহর ও গ্রামের পার্থক্যটা তুলে ধরতে পারি।

----------------- চলবে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28768915 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28768915 2008-02-10 17:52:37
১০৫ চিকিৎসকের বিবৃতি
ইসলাম বিরোধী কার্টুনিস্ট আরিফুর রহমান মহানবী (সা: )-কে নিয়ে অবমাননাকর কার্টুন ছাপিয়ে শুধু বাংলাদেশের ১৪ কোটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেনি বরং মহানবীর অনুসারী বিশ্বের ৬শ' কোটি মুসলমানের ধর্মীয় আবেগ এবং রাসূলের (সা: )-এর প্রতি তাদের ভালবাসাকে অমার্যদা করেছে এতে বিশ্বের ৬শ' কোটি মুসলমানের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার ক্ষুণí হয়েছে। অথচ তার পক্ষে মানবাধিকার সংস্খা এ্যামনেস্টির একজন নেত্রী ওকালতি করছেন এটা ভাবতেই অবাক লাগে। তাহলে কি এ্যামনেস্টি বা আইরিন খানদের কাছে মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকারের কোন গুরুত্ব নেই, নাকি মুসলমানদের ক্ষেত্রে তাদের মানবাধিকারের সংজ্ঞা ভিন্ন। এই ওকালতির মাধ্যমে বৃটেনে অবস্খানকারী আইরিন খানরা নিজেদেরকে কার্টুনিস্ট আরিফুর রহমানের মত ইসলাম বিরোধীদের কাতারে শামিল করলেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলমানরা যদি এখন ধরে নেয় যে এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল আসলে তথাকথিত মানবাধিকারের আবরণে ইসলাম বিদ্বেষীদের আশ্রয় ও প্রশ্রয় দেয় তাহলে আইরিন খানদের বলার কিছু থাকবে না। আমরা তাকে এ ধরনের গর্হিত কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ডা. শহীদুল্লাহ, আব্দুল ওহাব, একেএম ওয়াহিদ উদ্দিন, জাহাঙ্গীর হোসেনসহ ১০৫ জন।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28760060 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28760060 2008-01-11 17:29:24
ইতিহাস বিকৃতি রুখে দাড়ান!!
কিছু বিতর্কিত নতুন তথ্য সংযোজন ও বাদ দেয়ার মধ্যে রয়েছে ৮ম শ্রেণীর সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের প্রথম অধ্যায়ের ৩য় পৃষ্ঠার ১১ নম্বর লাইনে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রেসিডেন্ট জিয়ার নাম বাদ দেয়া হয়েছে। অষ্টম শ্রেণীর বাংলা বইয়ে ড. সাঈদ উর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতার পথে স্মরণীয় যারা' প্রব বাদ দিয়ে ‘শেখ মুজিবুর রহমান' শীর্ষক একটি প্রব অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সূত্র মতে, শেখ মুজিবের পাশাপাশি শহীদ জিয়া সম্পর্কে একটি প্রব থাকার কথা থাকলেও তা রাখা হয়নি। এ বিষয়ে সুপারিশমালায় ‘জিয়াউর রহমান রচনাটি সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্ত নেই কেন?' মর্মে মন্তব্য করা হলেও তা কাজে আসেনি। ৯ম ও ১০ শ্রেণীর সমাজ বিজ্ঞান বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ের চতুর্থ পরিচ্ছেদে ‘গভীর রাতে শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার এবং ২৬ মার্চ স্যাবেলায় মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার' প্রসঙ্গটি বাদ দেয়া হয়েছে। ৮ম শ্রেণীর বাংলা বইয়ের পদ্যাংশে ফররুখ আহমদের ‘ধানের দেশ' নামের কবিতার পরিবর্তে হাসান হাফিজুর রহমানের ‘অবাক সূর্যোদয়' নামক কবিতা প্রতিস্খাপিত হয়েছে। এভাবে নতুন বইয়ের বিভিন্ন স্খানে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বেশি প্রশংসা এবং প্রসঙ্গ ছাড়াই বিএনপির সমালোচনা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মাধ্যমিক স্তরের সংশোধিত এসব বই দ্বিতীয় কিস্তি হিসেবে ১৪ জানুয়ারি থেকে বাজারে ছাড়বে এনসিটিবি। গত ২ জানুয়ারি ১ম কিস্তির বই বাজারজাত করা হয় এবং ১৭ জানুয়ারি সর্বশেষ বইগুলো বাজারে ছাড়া হবে।

এদিকে পাঠ্যপুস্তকে নতুন ইতিহাস সংযোজনের উদ্যোগ এবং সংযোজিত ও সংশোধিত তথ্য নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক প্রসঙ্গে এনসিটিবির চেয়ারম্যান ড. মছির উদ্দিন বলেন, ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠির দৃষ্টিভঙ্গির প্রেক্ষিতে এই কাজ শুরু হয়। তিনি বলেন, নতুন বইয়ে শব্দগত কিছু ত্রুটি হয়েছে। বই এখনো বাজারে আসেনি। সব বই বের হলে বোঝা যাবে কী ভুল ত্রুটি আছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির সাথে বসা হবে, ভুল ত্রুটি সংশোধন করা হবে। তবে এবার যেহেতু বই ছাপা হয়ে গেছে তাই সংশোধনের কোন সুযোগ নেই। আগামী বছর সংশোধন করা হবে বলে তিনি জানান। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক ড. হাসনা হেনা বেগম সরাসরি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28759706 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28759706 2008-01-10 13:53:33
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আলেম ব্যবসায়ীসহ পেশাজীবীদের বিবৃতি
মোহাম্মদ মুজাহিদসহ জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কেরানীগঞ্জে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আলেম, ব্যবসায়ীসহ পেশাজীবীরা গতকাল বিবৃতি দিয়েছেন। পৃথক পৃথক বিবৃতিতে তারা ৩৬ বছর পরে এ ধরনের কাল্পনিক মামলা দায়েরে তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, দেশের বর্তমান নাজুক পরিস্খিতির ৩৬ বছর পর একটি কাল্পনিক হত্যা মামলা দায়ের করা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা অবিলম্বে এ ধরনের কল্পিত মামলা প্রত্যাহার করে বন্যা ও সিডরে বিপর্যস্ত দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪১ জন শিক্ষক গতকাল এক বিবৃতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সম্প্রতি কোন কোন মহল বিভিন্ন অযৌক্তিক দাবি তুলে দেশের স্খিতিশীলতা বিনষ্ট করা এবং বাংলাদেশ থেকে ইসলামের নাম মুছে ফেলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তারা প্রথমে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলে। সে দাবি হালে পানি না পাওয়ায় তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি তুলে। একই ধারাবাহিকতায় জনৈক মুক্তিযোদ্ধা একটি ইসলামী দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কল্পিত হত্যা মামলা দায়ের করেছে। তারা মনে করে দেশে অস্খিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী রোডম্যাপকে বানচাল করা, সরকারকে বেকায়দায় ফেলা এবং দেশকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়ে বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র প্রমাণের জন্য এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। দেশের বর্তমান নাজুক পরিস্খিতিতে ৩৬ বছর পর একটি কল্পিত হত্যা মামলা দায়ের করা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা অবিলম্বে এ ধরনের কল্পিত মামলা প্রত্যাহার করে বন্যা ও সিডরে বিপর্যস্ত দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামরুল আহসান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. আফসার উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ড. মো: হায়দার আলী, অধ্যাপক ড. শেখ নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আনসার উদ্দিন, এটিএম ফজলুল হক, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুল মা'বুদ, অধ্যাপক এম মুজাহিদুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো: আইয়ুব আলী, অধ্যাপক ড. মো: আবুল হাশেম, ড. মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আ ক ম আব্দুল কাদের, অধ্যাপক ড. এ এফএম আমিনুল হক, অধ্যাপক ড. হাসান মোহাম্মদ, অধ্যাপক ড. বেগম ইসমাত আরা হক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো: আবু সিনা, অধ্যাপক ড. আবদুল হান্নান শেখ, অধ্যাপক ড. মো: রুহুল আমিন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো: আবু ইউসুফ, ড. মো: নজিবুর রহমান প্রমুখ। জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রামের ৩০৫ জন বিশিষ্ট ওলামা মাশায়েখ।

তারা গতকাল এক বিবৃতিতে বলেন, জামায়াত নেতৃবৃন্দকে হয়রানি ও দেশে অস্খিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্খিতি সৃষ্টি করার জন্য একটি মহল ৩৬ বছর পূর্বে নিত্তি হওয়া বিষয় যুদ্ধাপরাধীদের নামে ও মুক্তিযোদ্ধা হত্যার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে নতুন ইস্যু সৃষ্টি করতে চায়। এটি দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছু নয়।

বিবৃতিদাতারা হলেন- মাওলানা আহমদ হোসাইন, মাহবুবুল আলম সিদ্দিকী, শওকত আলী, মাওলানা ওসমান গনী, মহিবুল্লাহ কুতুব উদ্দিন, মাহমুদুল হক সিদ্দিকী, আহমদুর রহমান নদভী, মো: আলম, জিয়াবুল হক প্রমুখ।

কুমিল্লার ২৫১ আলেম

কুমিল্লা অফিস জানায়, জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার নিন্দা এবং অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে কুমিল্লার ২৫১ জন ইমাম ও ওলামা মাশায়েখ এক যুক্ত বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তারা বলেন, একটি মহল যুদ্ধাপরাধীর বিচারের মত ৩৬ বছর আগে নিত্তি হয়ে যাওয়া বিষয়কে নতুন করে ইস্যু বানিয়ে দেশে অস্খিরতা সৃষ্টি এবং জনগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে জাতীয় ঐক্য বিনষ্টের অপচেষ্টায় লিপ্ত। তাদের ইনে সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারী জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধ কেরাণীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় হত্যা ও অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন ধরনের কল্পিত ও মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। অথচ এসব অভিযোগের সাথে জামায়াত নেতৃবৃন্দের দূরতম সম্পর্কও নেই। জামায়াত নেতৃবৃন্দের সুনাম ও সম্মানহানি এবং জনগণের কাছে তাদের হেয় করতে হীন উদ্দেশ্যে এ মামলা করা হয়েছে। তারা এ ধরনের মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার নিন্দা এবং অবিলম্বে মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয়ার দাবি জানান। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, মুফতি মাওলানা আব্দুল আলীম আশ্রাফী, মুফতি মাওলানা আবু সাঈদ আব্দুল মতিন, মো: আব্দুল হক পাটোয়ারী, মাওলানা মোল্লা নাজিম উদ্দিন ফয়েজী, কাজী নজির আহমেদ হেলালী, মাওলানা সায়্যেদ মমিনুল ইসলাম, মাওলানা মো: আব্দুল মালেক, মাওলানা গাজী মো: নুরুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুর রহমান, হাফেজ মাওলানা নুরুল হক, মাওলানা নোমান হোসাইন, মাওলানা বেলাল হোসাইন, মাওলানা মো: মহসিন, মাওলানা এনামুল হক প্রমুখ।

চৌদ্দগ্রামের ২০০ বিশিষ্ট ব্যক্তি

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) সংবাদদাতা জানান, জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হাস্যকর মামলাটি অবিলম্বে প্রত্যাহার করার জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানান কুমিল্লার ২০০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তারা বলেন, স্বাধীনতার ৩৬ বছর পর একটি মিথ্যা ও কাল্পনিক সাজানো অভিযোগ এনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। একটি কুচক্রী মহল এই দেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে দেশকে অকার্যকর ও ব্যর্থ করার জন্য। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অব মডেল ইনস্টিটিউশনের চেয়ারম্যান মো: আব্দুর রব, হিউমেন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মো: আব্দুস সাত্তার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অধ্যাপক সারোয়ার ছিদ্দিকী, এডভোকেট এজেডএম সালেহউদ্দিন, এডভোকেট মো: শাহজাহান, এডভোকেট আ: বাতেন, এডভোকেট সহিদ উল্লাহ, এডভোকেট নূরে আলম বাবু, মডেল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আ: ওয়াদুদ প্রমুখ।

মাদারীপুরের ২০ জন

পেশাজীবী

মাদারীপুরের ২০ জন পেশাজীবী গতকাল এক বিবৃতিতে বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি একটি মহল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মত ৩৬ বছর আগে নিত্তি হয়ে যাওয়া বিষয়কে নতুন করে ইস্যু বানিয়ে দেশে অস্খিরতা সৃস্টি করতে চায় এবং জনগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে জাতীয় ঐক্য বিনষ্টের অপচেষ্টায় লিপ্ত। তারা জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের তীব্র নিন্দা এবং অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন মাওলানা মোসলেহ উদ্দিন, ডা. গোলাম নাঈম ফারুকী প্রমুখ।

পাবনার সহস্রাধিক আলেম

পাবনার সহস্রাধিক আলেম মামলার নিন্দা ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন, জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কেরাণীগঞ্জ থানায় একটি ডাহা মিথ্যা মামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় হত্যা ও অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন ধরনের কল্পিত মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। অথচ এ ধরনের অভিযোগের সাথে জামায়াত নেতৃবৃন্দের দূরতম সম্পর্ক নেই। মূলত এরা দেশপ্রেমিকের পোশাক পরে দেশের মধ্যে বিশৃকôখলা সৃষ্টি করে আগামী নির্বাচন বানচাল করতে চায়। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন মাওলানা আব্দুস সামাদ, হাফেজ ইকবাল হুসাইন, আশরাফ আলী, আব্দুর রহীম, খতিব আব্দুস শাকুর, আব্দুর রব, জাকারিয়া, ফজলুর রহমান প্রমুখ।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28759698 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28759698 2008-01-10 13:20:43
পাঠ্যপুস্তকে ইতিহাস বিকৃতি সাজজাদ হোসাইন খান
পাঠ্যপুস্তকে বিকৃতি গ্রহণযোগ্য নয়



অষ্টমশ্রেণীর পাঠ্যপুস্তক থেকে কবি ফররুখ আহমদকে বাদ দেয়া হয়েছে। সে পুস্তকে ‘ধানের দেশ' শিরোনামের একটি কবিতা সংকলিত ছিল। বাদপড়ার কারণ ‘ধান' শব্দটি, এই ধান শব্দটি নাকি বোর্ড কর্তৃক নিয়োজিত বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্যদের মনোপুত হয়নি। এরকম ইঙ্গিতই দিয়েছে পত্র-পত্রিকাগুলো। স্মরণযোগ্য পাঠ্যপুস্তকগুলোতে নাকি ‘বিকৃত' এবং ‘মিথ্যা' ইতিহাস রয়েছে, একটি চিহ্নিত শ্রেণীর এমন দাবির প্রেক্ষিতে রিভিউ কমিটি গঠিত হয়েছিল। উক্ত কমিটির সদস্যদের মহান কীর্তি বর্তমানে পাঠকদের হস্তগত হয়েছে। তাই এই কীর্তিনামা পত্রিকায় প্রকাশ পাচ্ছে ক'দিন যাবত। সেখান থেকেই জানা গেল খবরটি। ধানের দেশ বাংলাদেশ। এ দেশবাসীর প্রধান ফসল ধান। এই ধান থেকেই চাল আহরণ করে আমরা আমাদের খাদ্যতালিকার শীর্ষে স্খাপন করি। তাই কবিদের ধান নিয়ে কাব্য করা স্বাভাবিক। তাছাড়া ফররুখ আহমদ বাংলাসাহিত্যের বড় কবিদের একজন। যে জন্য ধান তাঁর কাব্য চিন্তা থেকে বাদ পড়েনি। যদিও বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক থেকে সযত্নে সড়িয়ে দেওয়ায় একটি চমৎকার কবিতা থেকে বঞ্চিত হলো বালক-বালিকাগণ। এই কবিতাটিতে প্রায় চল্লিশ-পঞ্চাশরকমের ধানের নাম ছিল। যার অধিকাংশই বর্তমানে বিলুপ্তির তালিকায়। স্কুলপড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা সেই সুগযুক্ত ধানের সাথে পরিচিত না থাকলেও নিদেনপক্ষে হারিয়ে যাওয়া নামগুলোর সাথে পরিচিত হতে পারত। শিক্ষা বিভাগের অপরিণামদর্শিতার কারণে সেটিও সম্ভব হলো না।

ধান শব্দটির অপরাধ এটি নাকি বাংলাদেশের একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রতীক অর্থাৎ ‘ধানের শীষ'। আবিষ্কার বটে। আবিষ্কারকদের ধন্যবাদ দিতেই হয়, তাদের মেধার প্রাচুর্য আর প্রাবল্য দেখে। শিক্ষাবোর্ডের এমন নীতি অনুসরণ করলে তো শেখ ফজলল করিমের ‘গাঁয়ের ডাক' কবিতাটির ওপরও শনির দশা। কবিতাটির শুরুর স্তবকটি এরকম ‘ধানের ক্ষেতে বাতাস নেচে যায় দামাল ছেলের মত। ডাক দে বলে আয়রে তোরা আয় ডাকব তোদের কত।' আমাদের সময় বোর্ডের বাংলা পাঠ্যবইয়ে কবিতাটি সংকলিত ছিল। এই কবিতাটিও কি বাদ পড়েছে? ডিএল রায়ের বিখ্যাত গান ‘ধানে ধন্যে পুে ভরা/আমাদেরই বসুরা'র অবস্খা তাহলে কি দাঁড়ায়! উল্লেখিত নীতিতে তা প্রচারযোগ্যই নয় গানটি, কারণ শুরুতেই ধান শব্দ। শিক্ষাবিভাগের কর্মকর্তাদের কাছে জিজ্ঞাস্য তারা যাদের নিয়ে ঘরসংসার করেন, যাদের পরামর্শে পথ চলেন, ইদানীং তাদের হুকুমে বা পরামর্শে পাঠ্যবই বা পাঠ্যতালিকা থেকে কি ধান বিষয়ক রচনাটিও বাতিল করবেন? এরা যেভাবে আগে বাড়ছেন কোন দিন না ঘোষণা করে বসেন এখন থেকে বাংলাদেশে আর ধান চাষ করা যাবে না, ভুট্টা চাষ করতে হবে। এমন ঘোষণাকেই হয়তো মান্য করতে হবে আমাদেরকে। এখন যেমন মান্য করছি শিক্ষা বিভাগের অযাচিত অহেতুক মাতব্বরিকে। বাংলা একাডেমীর একটি শিশুপত্রিকার নাম ধানশালিকের দেশে, বাংলা একাডেমীর কাঁধে যে ধানের বোঝা সে বোঝা ফেলে দিলেতো থাকে শালিকের দেশে। একাডেমী কি খন্ডিত নামটি গ্রহণ করবে? কারণ, আমাদের শিক্ষা বিভাগতো ধানের উচ্ছেদ চাচ্ছে। বলাবাহুল্য ধানশালিকের দেশে নামটি পছন্দ করা হয়েছিল সত্তর দশকের শুরুর দিকে। কবি জসীমউদ্দীনেরও একটি কাব্যগ্রন্থের শিরোনাম ‘ধান খেত'। এখানে ধান বাদ দিলে তো থাকে শুধু ক্ষেত। জসীমউদ্দীন জীবিত থাকলে হয়তো শিক্ষা বিভাগের বিশেষজ্ঞরা প্রতিবাদ জানিয়ে নোটিশ পাঠাতেন। ধানক্ষেতের পরিবর্তে শিমক্ষেত রাখার পরামর্শ দিয়ে বসাও বিচিত্র ছিল না। কারণ কথিত বিশেষজ্ঞদের মস্তিষ্কের উর্বরতা দেখে তো তেমনটাই ধারণা হচ্ছে দেশবাসীর। গ্রাম-বাংলায় একটি রীতি চালু হয়ে আসছে নতুন বধূকে বরণ করে নেয় ধান দুর্বা দিয়ে। এখানেও ধানের বদলে অন্যকোন ফসল ব্যবহার করা যায় কি না শিক্ষাবিভাগের কথিত বিশেষজ্ঞরা এ ব্যাপারে কী ভাবছেন সে খবরটি জানতেও উদগ্রীব দেশবাসী।

ইতিমধ্যে কমিটি নাকি একশ চার জায়গায় পাঠ্যবই পরিবর্তন-পরিবর্ধন-সংযোজন এবং সংশোধন করেছেন। পত্রিকায় তেমনটাই ছাপা হয়েছে। ভুলের সংশোধন হতেই পারে। কিন্তু সংশোধনের নামে মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিমূলক তথ্য সংযোজন করাটা কতটা সমীচীন! এ পর্যন্ত যতটুকু জানা গেছে, তাতে তো মনে হয় পাঠ্যবইয়ে বিকৃতি কমার পরিবর্তে বৃদ্ধির পাল্লাটাই ভারি হয়েছে। এ জন্যে শিক্ষাবিভাগের বিশেষজ্ঞ কমিটির সস্যদের একদেশদর্শী দৃষ্টিকোণ এবং দলীয় মনোভঙ্গিই দায়ী বলে অনেকের ধারণা। একটি বিশেষ দলের ভাব-ভাবনার প্রতিফলন যেন ঘটানো হয়েছে এই পরিবর্তন-পরিমার্জনের মাধ্যমে। কমিটির সদস্যদের কি সে রকম করেই বাছাই করা হয়েছিল? বোর্ড কর্তৃক সরবরাহকৃত বই পাঠ করবে আমাদের সন্তানরা। তারা আগামী দিনের নাগরিক। জাতির ভবিষ্যৎ। কোমলমতি বালক-বালিকারা ভুল এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য শিখবে এটি কেমন করে মেনে নেয়া যায়? শিক্ষামন্ত্রণালয়ের কি কোনই দায়-দায়িত্ব নেই এ ব্যাপারে! বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেছেন, কোন কোন বিষয়ে তাদের আপত্তি নাকি কমিটির সদস্যরা গ্রাহ্য করেনি। চেয়ারম্যান মহোদয়ের কাছে জিজ্ঞাস্য তিনি কি সংবাদটি দেশবাসীর দৃষ্টিতে এনেছিলেন? আনেননি। তাই নতুন পাঠ্যবইয়ের ভুল বিকৃতির দায়-দায়িত্ব অবশ্যই তাকেও বহন করতে হবে বৈকি। এখন বলা হচ্ছে শিক্ষকরা নাকি ক্লাসে ভুলটি শুদ্ধ করে পড়াবেন। যারা ইচ্ছাকৃত বিভ্রান্তির জন্ম দিল তাদের ব্যাপারে শীতল থেকে বিড়ম্বনায় ফেলা হচ্ছে শিক্ষক আর ছাত্রদেরকে। বিকৃতি এবং বিভ্রান্তির ফসল বোর্ডের পাঠ্যবই নতুন করে সংশোধনের আগে বাজারে ছাড়া ঠিক হবে না, উচিতও নয়। প্রশ্ন আসতে পারে নতুন করে বই ছাপতে বিপুল অর্থের দরকার। এ অর্থ কে দেবে? দেবে তো জনগণ নামক হাজী মহসীন বা গৌরী সেন। এমনটাই তো হয়ে আসছে বরাবর। যদি ঔচিত্যকে সামনে আনতে হয় তবে পাঠ্যবইয়ের তথাকথিত সংশোধনের সাথে যারা জড়িত ছিলেন তাদের কাছ থেকেই সে অর্থ আদায় করতে হয়। শিক্ষামন্ত্রণালয়ও এর সাথে যুক্ত হয়ে যান অবধারিতভাবে।

দেশের শিক্ষাব্যবস্খা থাকবে সবরকম দলীয় এবং ক্ষুদ্রতা থেকে মুক্ত। কিন্তু এই নিচতা আর মূর্খতা আমাদের শিক্ষায়ও তার কালো হাত প্রসারিত করছে। বর্তমানের নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের আমলে পাঠ্যপুস্তকে বিশেষ দলীয় মতাদর্শের প্রতিফলন সত্যিই বেদনাদায়ক অপ্রত্যাশিত। দেশবাসী এর প্রতিকার অবশ্যই চাইতে পারে।



ইনসেট

ইতিমধ্যে কমিটি নাকি একশ চার জায়গায় পাঠ্যবই পরিবর্তন-পরিবর্ধন-সংযোজন এবং সংশোধন করেছেন। পত্রিকায় তেমনটাই ছাপা হয়েছে। ভুলের সংশোধন হতেই পারে। কিন্তু সংশোধনের নামে মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিমূলক তথ্য সংযোজন করাটা কতটা সমীচীন! এ পর্যন্ত যতটুকু জানা গেছে, তাতে তো মনে হয় পাঠ্যবইয়ে বিকৃতি কমার পরিবর্তে বৃদ্ধির পাল্লাটাই ভারি হয়েছে। এ জন্যে শিক্ষাবিভাগের বিশেষজ্ঞ কমিটির সস্যদের একদেশদর্শী দৃষ্টিকোণ এবং দলীয় মনোভঙ্গিই দায়ী বলে অনেকের ধারণা। একটি বিশেষ দলের ভাব-ভাবনার প্রতিফলন যেন ঘটানো হয়েছে এই পরিবর্তন-পরিমার্জনের মাধ্যমে। কমিটির সদস্যদের কি সে রকম করেই বাছাই করা হয়েছিল? বোর্ড কর্তৃক সরবরাহকৃত বই পাঠ করবে আমাদের সন্তানরা। তারা আগামী দিনের নাগরিক। জাতির ভবিষ্যৎ। কোমলমতি বালক-বালিকারা ভুল এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য শিখবে এটি কেমন করে মেনে নেয়া যায়?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28759351 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28759351 2008-01-09 16:49:50
জামায়াতের কেন্দ্রীয় রিলিফ কমিটির বৈঠক সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পুনর্বাসন ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণে ১ কোটি টাকা বরাদ্দ


জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় রিলিফ কমিটির এক বৈঠক গতকাল মঙ্গলবার স্যায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনের নায়েবে আমীর ও কেন্দ্রীয় রিলিফ

কমিটির আহ্বায়ক মকবুল আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্খিত ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় রিলিফ কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামন, আবদুল কাদের মোল্লা, এটিএম আজহারুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা রফিউদ্দীন আহমদ, ঢাকা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আহমাদুল্লাহ ভূঁইয়া।

বৈঠকে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পুনর্বাসন এবং সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাসহ দেশের শীতপ্রধান এলাকার দরিদ্র লোকদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণের জন্য জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রিলিফ কমিটির পক্ষ থেকে এক কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া সার্বিক রিলিফ কার্যক্রমের তদারকি জোরদার করারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28759345 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28759345 2008-01-09 16:21:27
আমার পোস্ট মুছা হলো কেন? কতৃপক্ষ জবাব চাই! http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28747693 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28747693 2007-11-26 15:24:41 বিষয়: যুদ্ধাপরাধী আবার ইসলামের নাম শুনলে যেসব লোকের গায়ে জ্বালা ধরে সেসব মুসলিম নামধারীদের কোন ষড়যন্ত্রও হতেও পারে এটি। বিগত জোট সরকারের আমলে ইসলামপন্থীদেরকে জেএমবির সাথে জোর করে সম্পর্ক প্রমানের চেষ্টা চালিয়েছে তারা। পরবর্তীতে বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহন করলে তাদেরকে দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ততা আছে বলে সম্প্রচার করে। কিন্তু যখন এক্ষেত্রেও সুবিধা করতে পারেনি তখন আবার তাদেরকে ঘায়েল করতে যুদ্ধাপরাধী ইসু্টি নিয়ে আসছে। বর্তমান সরকারসহ সকলকে এ সকল চিহ্নিত পান্ডাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28742398 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28742398 2007-11-03 21:36:50 মতামত দিন http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28719594 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28719594 2007-07-06 12:26:28 গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ না পেয়ে বিষপান করেছেন খালেক ঘটনার পর গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক চোখ রাখছেন হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন খালেকের দুই ছেলের ওপর, যাতে তারা মিডিয়ার কাছে কিছু বলতে না পারেন।
খালেকের দুই ছেলে আনোয়ার ও দেলোয়ার জানান, তাদের মা রওশন আরা প্রায় 6 বছর যাবৎ গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্য। 5 মাস আগে তিনি চৌদ্দগ্রাম ফকিরবাজার শাখা থেকে হাঁস-মুরগি পালনের জন্য 10 হাজার টাকা ঋণ নেন। এ টাকা দিয়ে আব্দুল খালেক স্থানীয় চিওড়া বাজারে একটি চায়ের দোকান দিয়ে ঋণের কিসত্দি নিয়মিত পরিশোধ করছিলেন।
বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর অবৈধ উচ্ছেদকালে ভেঙে দেয়া হয় খালেকের একমাত্র অবলম্বন চায়ের দোকানটি। দোকানটি নতুন করে শুরু করার জন্য গ্রামীণ ব্যাংকের ফকিরবাজার শাখায় স্ত্রীর নামে আবারো 10 হাজার টাকা ঋণের জন্য আবেদন করেন খালেক।
এই ঋণের জন্য গত একমাস থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের পিছু পিছু ঘুরছিলেন তিনি। তাকে আশ্বাসও দেয়া হয়েছিল। সর্বশেষ গত 2 মার্চ সোমবার দুপুর 2টায় চিওড়া গ্রামে গ্রামীণব্যাংকের মাঠ কর্মকর্তা গেলে ঋণ চান খালেক। এসময় গ্রামের অন্য লোকজনের সামনে তাকে অপমান করা হয়। বেলা আড়াইটায় বাড়ি ফিরেই খালেক বিষপান করেন। খবর পেয়ে গ্রামের মানুষ ওই মাঠকর্মকর্তাকে আটক করলে গ্রামীণ ব্যাংকের স্থানীয় কর্মকর্তারা খালেকের বাড়িতে ছুটে যান। তাকে প্রথমে চৌদ্দগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে নিয়ে আসা হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
আব্দুল খালেকের চিকিৎসক ও মেডিসিন ওয়ার্ডের রেজিস্ট্রার ডা. আজাদ জানান, খালেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিষক্রিয়ার ফলে হার্ট ও ফুসফুস মারাত্দক ক্ষতিগ্রসত্দ হয়েছে।
সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, খালেক অচেতন অবস্থায় ওয়ার্ডের বারান্দায় পড়ে আছেন। গ্রামীণ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা চিকিৎসার খরচ দিচ্ছেন।
এই ঘটনা সম্পর্কে গ্রামীণ ব্যাংকের ফকিরবাজার শাখার ব্যবস্থাপক নুপুর কানত্দি দে জানান, খালেকের স্ত্রী রওশন হাঁস মুরগি পালনের জন্য 10 হাজার টাকা সহজ ঋণ নিয়ে এপর্যনত্দ নিয়মিত 18 কিসত্দি পরিশোধ করেছেন। এখনো 26 কিসত্দি বাকি রয়েছে। ফলে নতুন করে তার নামে কোনো ঋণ অনুমোদন করা হয়নি।

সৌজন্যে- আমাদের সময়]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28705037 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28705037 2007-04-05 06:56:14
এস এন এন বিডি ডট কম এর ঠিকানা Jiban Bima Tower (7th floor), 10 Dilkusha C/A,
GPO Box No 2994, Dhaka- 1000, Bangladesh
Phone: 880-2-9564217,9565929,7174401-2
Fax: 880-2-7171709
Tel : 880 2 911 6877, 913 7558, 913 7511
Fax : 880 2 911 9668
E-Mail :
Web : http://www.ssbclgroup.com,www.ssbcl.com

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28703273 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28703273 2007-03-23 15:46:04
সংস্কার করতে 'বহু বছর লাগবে কেন!' প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীনের বিস্ময় টাইম ম্যাগাজিনকে তিনি বলেন, 'নির্বাচন কবে হবে সে সিদ্ধানত্দ নেবে নির্বাচন কমিশন। রাজনৈতিক দলগুলোর রেজিস্ট্রেশন, দলীয় গঠনতন্ত্র ও জনগণের কাছে দলগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাসহ রাজনৈতিক দল ব্যবস্থায় কিছু মৌলিক সংস্কার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।' খবর: ইউএনবি
ড. ফখরুদ্দীন আরো বলেন, 'বর্তমানে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স এবং ভোটার আইডি কার্ডের মতো টেকনিক্যাল ইসুগুলো নিয়ে ভাবছে নির্বাচন কমিশন। মোদ্দা কথা, এ সব সংস্কার করতে সময় লাগবে। স্বল্পতম সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানে আমরাও বদ্ধপরিকর। তবে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার অপরিহার্য, এ সংস্কারগুলো বাসত্দবায়ন করতে সময় নেবেই।' প্রধান উপদেষ্টা বলেন, প্রয়োজনের চেয়ে একদিনও বেশি ক্ষমতায় থাকার ইচ্ছা নেই তাদের।
এসব সংস্কারে বহু বছর পেরিয়ে যেতে পারে কি না-এ ধরনের এক প্রশ্নের জবাবে ড. ফখরুদ্দীন আহমদ বিস্মিত হয়ে বলেন, বহু বছর লাগবে কেন? টাইম ম্যাগাজিনকে তিনি আরো বলেন, শুধু পরবর্তী নির্বাচন নয়, এর পরের নির্বাচনগুলোও যাতে সুষ্ঠু হয়, এর জন্য কিছু নেতিবাচক পরিস্থিতি সমূলে উৎপাটন করতে হবে। বর্তমান সরকারকে অনেকে সামরিক বাহিনীর ছায়া অভু্যত্থান বলে মনে করেন- টাইম এমন মনত্দব্য করলে এর উত্তরে ফখরুদ্দীন বলেন, যারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানে না, তারা এ ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। যে পরিস্থিতিতে আমরা ক্ষমতায় এসেছি, তা পুরোপুরি সাংবিধানিক। সেনাবাহিনীও দেশের সংবিধান ও আইনের শাসনকে শ্রদ্ধা করে। এ প্রসঙ্গে ফখরুদ্দীন আরো জানিয়েছেন, অবশ্যই সেনাবাহিনী এ সরকারকে সাহায্য করছে। দেশের জরুরি অবস্থায় জনপ্রশাসনকে সহায়তা দেয়ার জন্য তাদেরকে ডাকা হয়েছে।
ফখরুদ্দীন তার নিজের ভূমিকা সম্পর্কে বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দেশে একটি অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হসত্দানত্দর করতেই তিনি কাজ করছেন। দেশে গণতান্ত্রিক ধারা আরো শক্তিশালী করাই তার লক্ষ্য বলে তিনি জানান।
সুশাসন ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দেয়ায় বর্তমান সরকার দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে নেমেছে বলে মনত্দব্য করেন প্রধান উপদেষ্টা। একটি যথার্থ গ্রহণযোগ্য, স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ অপরিহার্য। রাঘববোয়ালদের গ্রেফতারের ব্যাপারে তিনি বলেন, জনগণের ধন্যবাদ পাওয়ার জন্য নয়, বরং ভবিষ্যতে কেউ যাতে দুর্নীতি করতে না পারে এ জন্য পরিচিত দুর্নীতিবাজদের আটক করা হয়েছে।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের রাজনৈতিক পরিকল্পনা সম্পর্কে ফখরুদ্দীন বলেন, সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সব পথ রুদ্ধ করা হয়েছিল এ দেশের রাজনীতিতে। তার মতো যতো বেশি লোক নির্বাচনে অংশ নেবে, দেশের গণতন্ত্র ততোই উন্নতি করবে।
সূত্র- আমাদের সময়]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28703270 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28703270 2007-03-23 15:14:13
খালেদা হাসিনা এরশাদ বি চৌধুরী রাজনীতি থেকে অবসর নিচ্ছেন না সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদ ও অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী সহসাই রাজনীতি থেকে অবসরে যাবেন বলে এরইমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে, যদিও তারা তা অস্বীকার করেছেন। সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনাও রাজনীতি থেকে অবসরে যেতে পারেন বলে বহুদিন ধরে আলোচনা চলছিল। নানান বিশ্লেষণে সম্প্রতি তা আরো জোরদার হয়েছে।
জানা গেছে, সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও আমলাদের কেউ কেউ রাজনীতি থেকে বিদায় নিতে পারেন। কেউ নিজেদের বর্তমান রাজনৈতিক প্লাটফর্ম বদল করে নতুন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হবেন। অন্যদিকে আগে সরাসরি রাজনীতি করেননি, তবে রাজনীতিতে ভূমিকা রাখতেন কিংবা সুশীল সমাজের ব্যানারে নিজেদের পরিচিত করে তুলেছেন এমন অনেকের নতুন করে রাজনীতির খাতায় নাম লেখানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।
সূত্রমতে, বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও এলডিপিসহ বিভিন্ন দলের 'সৎ' নেতাদের সমন্বয়ে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের যে প্রক্রিয়া চলছে তাদের বেশিরভাগ তাতে যুক্ত হবেন।
এলডিপি সভাপতি অধ্যাপক বি চৌধুরী গতকাল এক বিবৃতিতে বলেছেন, এক সপ্তার মধ্যে রাজনীতি থেকে তার অবসরে যাওয়ার খবরটি আদৌ সত্য নয়। তিনি বলেন, 'ক্ষমতার রাজনীতি'র বিপরীতে দায়িত্ব গ্রহণের রাজনীতির সুস্পষ্ট ভিন্নধারার রাজনীতি প্রবর্তনের চেষ্টা করছি। আমি রাজনীতিতে না থাকলে যাদের সুবিধা হবে তারাই আমার অবসরে যাওয়ার গুজব রটাচ্ছে। দেশে জরুরি অবস্থা চলমান থাকায় অন্য রাজনীতিকদের মতো আমিও নিষ্ক্রিয় রয়েছি। কিন' এর অর্থ এই নয় যে, আমি রাজনীতিতে নেই।
জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ বলেছেন, 'আমি রাজনীতি থেকে অবসর নেবো তা আমিই জানি না, অন্যরা জানে কিভাবে? জাপার প্রেসিডিয়ামের এক নেতা আমাদের সময়কে বলেন, আগামী নির্বাচনের পর এরশাদ রাজনীতি থেকে অবসরে যাওয়ার কথা ভাবতে পারেন। এরশাদও বলেছেন, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনই তার জীবনের শেষ নির্বাচন। এরপর বয়সের কারণে তার হয়তো রাজনীতিতে থাকা সম্ভব নাও হতে পারে।
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে 57 বছর বয়সে রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে তিনি সে চেষ্টাও করেছিলেন। তবে দলীয় নেতাকর্মীদের অনুরোধে তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নেননি। তার বয়সও এরইমধ্যে 57 পেরিয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাজনীতি থেকে অবসরে যাওয়ার প্রকাশ্য ঘোষণা কখনো না দিলেও এজন্য মানসিকভাবে প্রস'তি নিচ্ছিলেন। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়াও রাজনীতি থেকে অবসর নেয়ার চিনত্দাভাবনা এখন আর করছেন বলে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য, সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান রাজনীতি থেকে অবসর নিতে পারেন, এমন সম্ভাবনা অনেক আগে থেকেই আলোচিত হচ্ছে। তবে বিএনপি নেতা আবদুল মান্নান ভঁূইয়া, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আব্দুল মঈন খান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন, মে. জে.(অব.) মীর শওকতসহ অনেকেই হয়তো রাজনীতি থেকে অবসর নিতে পারেন অথবা বিএনপি ছেড়ে নতুন কোনো দলে সম্পৃক্ত হতে পারেন।
আওয়ামী লীগ নেতা জিল্লুর রহমান, আমির হোসেন আমু, আব্দুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমদসহ দলের অনেক নেতাকে নিয়েও নানান গুজব রয়েছে। এছাড়া এলডিপি নেতা মে. জে. (অব.) আনোয়ারুল কবীর তালুকদার, রেদোয়ান আহমদ, আলমগীর কবির এবং জাপা নেতা কাজী জাফর আহমদ, ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুসহ অনেকের সম্পর্কেও একই আলাপ আলোচনা রয়েছে।
সূত্রঃ আমাদের সময়]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28703269 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28703269 2007-03-23 15:03:41
জরুরি অবস্থায় কর্মকর্তাদের বাড়িতে গিয়ে ঘুষ দিয়ে আসতে হয় সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় বলেন, সারা বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের পোশাকশিল্প এগিয়ে চলেছে। ভিয়েতনাম, শ্রীলংকা, ভারতের চেয়ে দেশের গার্মেন্ট অনেক বেশি দক্ষ। ফলে গত বছর প্রায় 8 বিলিয়ন ডলারের গার্মেন্ট পণ্য রফতানি করতে পেরেছে গার্মেন্ট মালিকরা। তিনি জানান, বিজিএমইএ ঘুষের বিরুদ্ধে জেহাদে নেমেছে। ঘুষ না দিলে কর্মকর্তারা ফাইলে সই করেন না। এ অসুবিধায় পোশাক মালিকদের বাধ্য হয়েই ঘুষ দিতে হয়। সময়মতো পোশাক রফতানি না করতে পারলে রফতানি আটকে যায়। ঘুষ সমস্যা, বিদু্যৎ সমস্যা, পোর্ট সমস্যা দূর করতে পারলে গার্মেন্ট রফতানি আরো বাড়বে। সম্পাদনা: সিডনী আহমেদ
দৈনিক আমাদের সময়ের সৌজন্যে।।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28701430 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28701430 2007-03-08 09:18:38
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জেনারেল মতিন দুজনের বক্তব্যের জন্য নিন্দা প্রসত্দাব 1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস ডিসিসির নাগরিক সংবর্ধনায় সামনে উপবিষ্ট 4 দলীয় জোটের (মূলত সকলেই বিএনপির) নেতৃবৃন্দকে দেখেও বক্তৃতায় উল্লেখ করেছেন 'এখানে সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ'। সেখানে 'সকল দলের নেতৃবৃন্দ' তিনি কোথায় দেখলেন? তার এই বক্তৃতা যখন ত্রিশ বছর পরে কোনো গবেষক পড়বেন তিনি জানতেও পারবেন না যে সব দলের কথা ঠিক নয়। এভাবেই ইতিহাস বিকৃতি ঘটে। সসময় জনাব ইউনূস 90 দিনের মধ্যে নির্বাচন না করলে দেশ থাকবে না সংবিধান থাকবে না বলেছিলেন বারবার। তিনি ড. ইয়াজউদ্দিনের ঘৃণিত ও বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে দিয়েছিলেন এ প্লাস। তার বিভিন্ন উক্তি ইয়াজউদ্দিনের সরকারকে জুগিয়েছে অনৈতিক শক্তি। এখন ইয়াজউদ্দিনের সরকার ইতিহাসের অাঁসত্দাকুড়ে কিন' কেউই ড. ইউনূসের ভূমিকা সম্পর্কে বলিনি। আমি এখানে ইউনূসের সে সময়ের ভূমিকার জন্য নিন্দা প্রসত্দাব উপস্থাপন করছি।
2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশের সবাই রাজনীতি করেন টাকা বানাতে। আমি এই ঢালাও উক্তিরও প্রতিবাদ জানাই। তিনি সম্প্রতি ভারত সফরে গিয়ে প্রয়োজনে সরাসরি রাজনৈতিতে আসার কথা বলেছেন। এটা উত্তম চিনত্দা। তাকে আমি মর্যাদা দেই অসাধারণ সাংগঠনিক যোগ্যতার জন্য। আমি আশা করি, তিনি স্বচ্ছভাবে রাজনীতিতে আসবেন তৃণমূল থেকে। আফগানিসত্দানের হামিদ কারজাইর মতো 'ইউনূস কারজাই' হিসেবে উপর থেকে চেপে বসবেন না।
3. উপদেষ্টা জেনারেল এমএ মতিন কথা বলেন খুব জোশে, শুনতে কৌতুককর ও উপভোগ্য, আড্ডা বা গল্পের জন্য তিনি আকর্ষণীয় কিন' ড. ফখরুদ্দীনের সরকারের ভাবমূর্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নন। সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসিতে ঝুলানোর আগে তাকে উদ্দেশ্য করে তীর্যক মনত্দব্য বা স্লোগান দেয়া যেকারণে (স্বয়ং বুশও স্বীকার করেন) অসভ্যতা ঠিক তেমনি মতিনের কিছু শব্দ ব্যবহার ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজ সুরুচি ও সভ্যতা পরিপন্থী। দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারকৃতদের প্রসঙ্গে জনাব মতিন বলেছেন 'আমরা রুই কাতলার ব্যবসা করতে চাই।' এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধানদের বলেছেন 'ক্লাউন'। কথাগুলো সত্য হলেও বলা শোভা পায় না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28696942 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28696942 2007-02-06 01:02:02
দেশে হচ্ছেটা কি???? ইতোমধ্যেই শোনা যাচ্ছে ড. ইউনুছ রাজনীতি করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু তিনি বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলোর উপর বিরক্ত ও অসন্তুষ্ট। সে েেত্র নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করার বিকল্প নেই। কিন্তু বর্তমানে এককভাবে একটি দল প্রতিষ্ঠা করে নির্বাচনের মাধ্যমে মতায় যেয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া ইউনুছের জন্য বেশ কঠিন হবে। এ েেত্র সামরিক শাসকদের আদলের বর্তমান অন্তর্বর্তী শাসক ফখরুদ্দিনকে সাথে নিয়ে সকল রাজনৈতিক দলের সুবিধাবাদীদের নিয়ে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করতে পারেন তিনি। আর সে জন্য রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার করে তাদের দলগুলোর বারোটা বাজিয়ে তাদের জন্য মতায় যাওয়া অনেকটা সহজতর হবে। যাক সে কথা, এবার অন্য প্রসঙ্গে আসি। দেশে জরুরী অবস্থা ঘোষনার প্রেেিত জরুরী আইন জারি করে বর্তমান সরকার জনগণ ও সংবাদপত্রের ঘাড়ের উপর খড়গ কৃপান তাক করে আছে। আইনী বাধ্য বাধকতার ভয়ে সংবাদপত্রগুলোও মুখ খুলতে পারছে না। এর সুযোগ নিয়ে যাচ্ছে তাই করে যাচ্ছে তারা। তারা যে কাজগুলো করছে তা সমালোচনার সুযোগ দিয়ে করলে দেখা যেত তাদের কার্যক্রম জনগণ পছন্দ করে না প্রত্যাখ্যান করে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28696939 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28696939 2007-02-06 00:50:02
ঢালাও গ্রেফতার গ্রহনযোগ্য নয় http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28696926 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28696926 2007-02-05 22:06:58 বাংলাদেশে আরেকটি কারজাই সরকার
চারদলীয় জোট সরকারের শেষ দিকে যখন সরকারী দলের সাথে আওয়ামী লীগের সাথে বহুল আলোচিত সংলাপ চলছিল তখন বিদেশী দুতাবাসের প থেকে একটি কথা জোরে সোরে উচ্চারিত হত। সেটি হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে পৌছতে ব্যর্থ হলে দেশে তৃতীয় শক্তির উত্থান ঘটবে। তখন দেশের রাজনীতিক সহ প্রায় সবাই মনে করেছিলেন এখানে তৃতীয় শক্তি বলতে সেনা বাহিনীকে বুঝানো হতে পারে। অনেকে আবার বলেছিলেন ইসলামের নামে যারা চরম পন্থা াবলম্বন করছে তারাই এই তৃতীয় শক্তি। সে সময় রাজনীতিবিদরা বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব প্রদান করেন নি। তাছাড়া অনেক তোরজোরের পর বহুল আলোচিত সংলাপ ব্যর্থ হয়ে যায়। এরই মধ্য দিয়ে চারদলীয় জোট সরকারের মেয়াদ শেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকারে হাতে মতা হস্তান্তরের মুহুর্তে সংবিধান মোতাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে নিয়েআওয়ামী লীগ দেশে ভয়াবহ অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। রাজপথে প্রকাশ্যে মানুষ পিটিয়ে হত্যা করে। এর পরবর্তী ঘটনা প্রবাহ সবারই জানা। তাই এর পুনরাবৃত্তি করতে চাই না। সর্বশেষ গত 11 জানুয়ারী পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং বিদেশীদের চাপের কাছে নতি স্বীকার করে প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিন আহম্মদ দেশে জরুরী অবস্থা জারি করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারে প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরই মাধ্যমে অবসান ঘটে সাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের।
পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ড. ফখরুদ্দিন আহমদকে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ দেন এবং তিনদফায় শপথ দেন অন্যান্য উপদেষ্টাদের। যাত্রা শুরু হয় একটি নতুন সরকারের। শোনা যায়,আমেরিকার প্রেসক্রিপশন অনুযায়ীই ড.ফখরুদ্দিনকে নিয়োগ দেয়া হয়। যদিও উপদেষ্টারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন কিন্তু সংবিধানের আলোকে তারা সকল কাজ করছেন না। এমনকি তাদের সরকারের মেয়াদও তারা জানেন না। প্রধান উপদেষ্টাও জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে এ ব্যাপারে পরিস্কার করে কিছু বলেন নি। তারা শুধু এতটুকু বলছেন যে, একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে যতদিন লাগবে ততদিন তারা মতায় থাকবেন। প্রধান উপদেষ্টা শপথ গ্রহনের পর তার সরকারের ব্যাপারে সুস্পষ্ট কিছু বক্তব্য প্রদান রে সবাইকে শংকামুক্ত করবেন এমনটাই সচেতন মহল প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু ভাষণ তৈরি করতে তিনি সময় নেন 9 দিন। তিনি তার বহুল প্রত্যাশিত ভাষণে একটি মহা পরিখল্পণার কথা ঘোষণা করেন। যা 5 বছরেও বাস্তবায়ণ করা সম্ভব নয়। যাই হোক এবার অসল কথায় আসা যাক। এই সরকারটি গঠন করার মধ্য দিয়ে দেশের সংবিধান মুলতঃ স্থগিত হয়ে গেছে। কারণ সংবিধানের সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার যে দায়িত্ব দেশের প্রেসিডেন্টের উপর অর্পিত হয়েছিল, সে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে তিনি দেশকে সাংবিধানিক সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। অবশ্য পেসিডেন্টের তেমন কিছু করার ছিল না। কারণ এ সরকারটি প্রতিষ্ঠার পেছনে আমেরিকা ও বৃটেনের প্রত্য চাপ ও নির্দেশনা ছিল। তারা এ ধরণের একটি সরকার প্রতিষ্ঠার সকল আয়েজন করে রেখেছিল। আমেরিকা কোন সময়েই বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ভালো চোখে দেখেনি। যার প্রমান হচ্ছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তাদের বিরোধিতা এবং স্বাধীনতার পরে স্বীকৃতি প্রদান করতে গড়িমসি করা। এজন্য বাংলাদেশে গনতন্ত্রের ধারাবাহিকতা তাদের মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছিল। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের প্রধান দুটি দলের অনৈক্য বিশেষ করে আওয়ামী লীগের অপরাজনীতির সুযোগ নিয়ে আফগানিস্তানের হামিদ কারজাই সরকারের মত বাংলাদেশে ফখরুদ্দিন সরকার কায়েম করেছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিউটেনিসের 11জানুয়ারীর আগে পরের কর্মব্যস্ততা ও বৃটিশ হাই কমিশনারের বক্তব্য উল্লেখিত কথারই ইংগিত বহন করে। এছাড়া এ কাজের ত্রে প্রস্তুত করতেউ আমেরিকান ও ইইউ-এর পর্যবেক দল প্রত্যাহার এবং আমেরিকা নিয়ন্ত্রিত জাতিসংঘের মহাসচিবের মাধ্যমে বিবৃতি প্রদান করানো হয়। একাজটি প্রথমে করানোর চেষ্টা করা হয় নোবেল বিজয়ী ড. ইউনুছের মাধ্যমে। তিনি যে জাতীয় সরকারে ফর্মুলা দিয়েছেন তা মুলতঃ বিউটেনিসদেরই ফর্মুলা। কিন্তু সে ফর্মুলা বাস্তবায়ণে ব্যর্থ হয়ে মার্কিনিরা প্রত্যভাবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে হস্তপে করে। ইতোমধ্যেই আবার এখবরও বেরিয়েছে যে, রাজনীতিতে চরমভাবে ব্যর্থ ও হতাশ ড. কামাল হোসেন আমেরিকা সফর করে তার তথাকথিত 'জাতীয় সরকার' প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে উচ্চ পর্যায়ে লবিং করে আমেরিকাকে পরামর্শ দিয়েছিল।
বর্তমান সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার হিসেবে শপথ গ্রহন করলেও তাদের মেয়াদের ব্যাপারে বক্তব্য বড়ই অস্পষ্ট। আগামী 5/6 মাস কিংবা এক দেড় বছরের মধ্যে আদৌ নির্বাচন হবে কিনা এ ব্যাপারে অনেকেই সন্দীহান হয়ে পড়েছে।
এছাড়া সরকার যে পরিকল্পনা গ্রহন করেছে তা 5 বছর মেয়াদী কোন নির্বাচিত সরকার গ্রহন করতে পারবে কিনা বলা কঠিন। ড. ফখরুদ্দিন সরকারের পরিকল্পনা দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে, তারা বেশি দিন মতায় থাকতে চায়। তারা যে সব সিদ্ধান্ত গ্রহন করছে সংবিধান অনুযায়ী তা নির্বাচিত সরকারের কাজ। কিন্তু তারা সেসব সিদ্ধান্ত নিদ্বিধায় গ্রহন করে চলছেন। ফলে এটা প্রতীয়মান হচ্ছে যে, সংবিধানের কথা তারা মুখে বললেও বাস্তবে তা তারা মেনে চলছেন না । সুতরাং বলা যায়, সংবিধানের বাইরে দেশে একটি অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যাদেরকে তৃতীয় শক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করলে বোধ করি ভুল হবে না। এখন কবে তৃতীয় শক্তির হাত থেকে দেশকে উদ্ধার করতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ একত্রে আন্দোলনে নামবে তা দেখার জন্য আমাদেরকে অপেক্ষা করতে হবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28695121 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/28695121 2007-01-24 09:06:42
বাকশালী তান্ডব http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/22864 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/22864 2006-11-02 10:36:35 শিওর টু লিংক-এর মাধ্যমে ঢাকায় স্যাটেলাইট ব্যাকআপ সার্ভিস চালু বিটিটিবির বর্তমান ফাইবার অপটিকের গ্রাহকরা প্রায়ই সংযোগ বিচ্ছিন্নতার সমস্যায় ভোগেন। বিশেষ করে কপের্ারেট (ব্যাংক, কলসেন্টার ও আউটসোর্সিং) প্রতিষ্ঠানগুলোতে এ জন্য বিপাকে পড়তে হয়। 24 ঘণ্টা সার্ভিসের মাধ্যমে ফাইবার অপটিকের সংযোগ বিচ্ছিন্নতার সময় বিকল্প স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সার্ভিস দেয়ার উদ্দেশ্যেই এই সার্ভিস কাজ করছে বলে জানালেন জেনুইটি সিন্টেমের সিইও আনিস রহমান। বিটিটিবির এ সকল সমস্যার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান নিজেরাই ব্যয়বহুল স্যাটেলাইট ব্যাকআপ রাখেন। তাদের জন্য এ সার্ভিস ঝুঁকিমুক্ত ও সাশ্রয়ী। 17-25 ডলারেই গ্রাহকরা এ সুবিধা পাবে। সংযোগ বিচ্ছিন্নতার 1 মিনিটের মধ্যেই গ্রাহকরা ইউএস ইন্টারনেট ব্যাকবোনে সংযুক্ত হবেন। এছাড়া আইএসপিগুলো বিশেষ লোডের সময় এবং ডাটা এন্ট্রি কোম্পানিগুলো অতিরিক্ত ডাটা ডাউনলোডের সময়ে এ সার্ভিসের সাহায্য নিতে পারবে। বিসত্দারিত জানতে লগ-ইন করুন http://www.genuitysystem.com]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/20567 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/20567 2006-10-01 06:10:21 সমপ্রীতির বন্ধনে যুগান্তর-বসুন্ধরা ক্রোড়পত্রের প্রধান রচনায় রয়েছে বসুন্ধরার চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান শাহ্ আলমের বিশাল এক ছবিসহ সাক্ষাৎকার ও পরিচিতিমূলক প্রতিবেদন এবং রয়েছে গ্রুপটির কো-চেয়ারম্যান সাদাত সোবহান তানবীর ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনবীরের ছবিসহ মোট 4টি প্রতিবেদন। এসব প্রতিবেদনে বসুন্ধরা গ্রুপের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য প্রকল্প, বসুন্ধরা সিটির পূর্ণাঙ্গ তথ্য, উল্লেখযোগ্য শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকাসহ 7টি ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।
গত কয়েক মাসে বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে একের পর এক সংবাদ ছেপেছে যুগানত্দর। আর যুগানত্দরের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করে এসেছে বুসন্ধরা গ্রুপ। যুগানত্দরের মালিক প্রতিষ্ঠান যমুনা গ্রুপও মামলার দেঁৗড়ে পিছিয়ে থাকেনি। এ অবস্থায় এমন একটি ক্রোড়পত্র দেশের মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার ঝড় তুলেছে। এছাড়া কিছুদিন ধরে বসুন্ধরা গ্রুপের বিজ্ঞাপনও প্রকাশিত হচ্ছে যুগানত্দরে। দীর্ঘদিনের বিবাদ ভুলে এমন নজিরবিহীন সমঝোতা স্থাপনের ফলে এ দুটি প্রতিষ্ঠান ব্যাপক সাধুবাদ পেয়েছে মিডিয়ামহলের।
জানা যায়, উভয় প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের মধ্যকার পুরনো বিবাদের সম্প্রতি সুরাহা হয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/20566 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/20566 2006-10-01 06:07:29
একটি গবেষণা প্রবন্ধ, (শেষ কিস্তি)
আবর্তন ক্রিয়েটিভ সেল।।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তন:
সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে যোগযোগ ব্যবস্থা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিশেষ করে রাস্তা- ঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট নির্মাণের মাধ্যমে অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হলে অন্যান্য ক্ষেত্রেও উন্নয়ন তরান্বিত হয় ও সমাজে পরিবর্তন দেখা যায়। এ পরিবর্তন প্রক্রিয়ায় দেখা যায় অবকাঠামোগত পরিবর্তনসহ ইলেক্ট্রিক জগতে ব্যাপক পরিবর্তন সংঘটিত হচ্ছে। ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধি, সাবমেরিন ক্যাবল চালু ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার জীবনযাত্রার গতিশীলতা, জানমালের নিরাপত্তা জোরগার ও ক্ষেত্র বিশেষে পরিবেশ নষ্ট হওয়ার মতো অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। সামাজিক পরিবর্তনে যোগাযোগ ব্যবস্থার যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিদ্যমান তাতে উপরিউক্ত প্রবণতা ছাড়াও দেখা যায় যে, মানুষের জীবনযাত্রার তথা জানমালের গতিশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গ্রামীণ মানুষের শহর কেন্দ্রীক অকৃষি পেশা গ্রহণের প্রবণতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থাৎ পেশার বহুমাত্রিকতা ঘটছে।

প্রায় 90 শতাংশ মুসলিম অধু্যসিত কৃষি প্রধান বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে যে সব বিষয় নির্ধারকের ভূমিকা পালন করে তম্মধ্যে উপরিউক্ত বিষয়গুলো ছাড়াও উৎপাদনের উপকরণের পরিবর্তনশীলতা, ভৌগোলিক পরিবর্তন, সময়ের ব্যবধানে চাহিদার পরিবর্তন, সাংস্কৃতিক বিনিময়, পাশ্ববতর্ী দেশের প্রভাব ইত্যাদি অন্যতম।

সামাজিক পরিবর্তন যেহেতু সাধিত হয় সমাজস্থ মানুষের আচার-আচরণ, চাল-চলন ও সার্বিক কর্মকান্ডের প্রভাবে এবং মানুষই যেহেতু অন্যান্য সমস্ত উপাদান ও অনুসঙ্গগুলোর বিনির্মাণ, পরিচালন, পরিবর্ধনের একমাত্র মূল নিয়ন্ত্রক ও নিয়ামক শক্তি হিসেবে ভূমিকা পালন করছে। কাজেই সামাজিক পরিবর্তনের গতি প্রকৃতি, অবস্থা, ভবিষ্যৎ, কর্মপ্রক্রিয়া ইত্যাদি বিষয়গুলো সমাজের মানুষ যেভাবে চান সেভাবে গড়ে তুলতে পারেন। মুসলমানগণ আল্লাহর এই জমিনে আল্লাহরই প্রতিনিধি হিসেবে খেলাফতের দায়িত্ব পালন করতে গেলে সেখানে আল্লাহ নির্দেশিত পন্থায় পরিচালিত হয়ে ঈমানের সর্বোচ্চ শিখড়ে আরোহন করে সম সাময়িক সময়ে সবচেয়ে বেশি উৎপাদনশীল,বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন, শৌর্য- বীর্যের অধিকারী, শক্তি-সামর্থ ও প্রভাব প্রতিষ্ঠায় সবের্াত্তম জাতি হিসেবে নিজেদেরকে প্রমাণ ও প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এক্ষেত্রে সমাজ পরিবর্তনে আল্লাহ নির্দেশিত পথ ও পন্থা যেমন অনুসৃত হবে, তেমনি সুস্থ্য, সভ্য, বিবেকবান প্রাণী হিসেবে মানুষের বসবাস যোগ্য সুন্দর ও মনোরম আবাসস্থল/পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এজন্য আমাদেরকে সর্ব প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ যে কাজটি করতে হবে তা হচ্ছে, শিক্ষাগত যোগ্যতা তথা বর্তমান সময়ে জ্ঞানের রাজ্যে প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করে জ্ঞানের প্রতিটি শাখায় বিশেষ করে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, চিকিৎসাবিদ্যা, অর্থনীতি, সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইতিহাস-দর্শন, কলাসহ সব ক্ষেত্রে ছাত্র নয় বরং শিক্ষকের ভূমিকা পলন করতে হবে। বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষের বর্তমান এই সময়ে সব কিছুই যখন ইহুদি ও পাশ্চাত্যের বস্তু পুঁজারিদের দখলে তখন আমাদের হাত গুটিয়ে থাকার অর্থই হচ্ছে আল্লাহ প্রদত্ত আমানতের সুস্পষ্ট খিয়ানত। সামাজিক পরিবর্তনকে যদি আমরা নিজেদের মতো করে দেখতে চাই তাহলে মানুষের চিন্তার রাজ্যে পরিবর্তকারী বিষয়গুলোর প্রতি সুক্ষ্ন দৃষ্টি দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে বর্তমান সময়ের সাহিত্য থেকে আরম্ভ করে শিল্প, সংস্কৃতির প্রতিটি শাখায় যেমন লেখক, সাহিত্যিক, গায়ক, চিত্রশিল্পী, নাটক, গান, কবিতাসহ প্রতিটি সেক্টরেProductive, Dadicative man power তৈরী করতে হবে। সামগ্রিকভাবে মুসলিম জাতির মধ্যে মিশন ও ভিশনের অভাব পরিলক্ষিত হয় এবং আমরা আমাদের মূল ও নিগুঢ় সমস্যা গুলোকে চিহ্নিত করতে পারিনা কিংবা চিহ্নিত করলেও তার উত্তম সমাধানের পথ নির্ধারন করতে আমরা ধৈর্যহারা কিংবা অদুরদর্শিতার পরিচয় দিয়ে থাকি। আমরা যদি স্রোতের বেগ ও বাতাসের গতিকে ঘুরিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা নিয়ে অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তা ও হেকমতের সাথে অগ্রসর হই তাহলে সমাজ পরিবর্তনের মতো স্বাভাবিক কাজটিতে আমাদের চরিত্র ও মেধা, আমাদের আদর্শ ও লক্ষ্য আমাদের মিশন ও ভিশনের প্রতিফলন দেখতে পাবো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/19927 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/19927 2006-09-24 12:21:27
ডালিমের সাংবাদিকতা তিনি বলেন, সংবাদ উপস্থাপনার সবচে সম্ভাবনাময় সময়ে আমরা এসে পেঁৗছেছি। ভবিষ্যতে 24 ঘণ্টার নিউজভিত্তিক চ্যানেলের গুরুত্ব আরো বৃদ্ধি পাবে। এখন অধিকাংশ উপস্থাপক অপশনাল হিসাবে টিভি চ্যানেলে সংবাদ উপস্থাপনা করেন। আমার ধারণা, 24 ঘণ্টার নিউজ চ্যানেল চালু হলে সংবাদ উপস্থাপনাকে অনেকেই মেজর ওয়ার্কের পেশা হিসাবে স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে গ্রহণ করবে।'
টিভি মিডিয়ায় শামসুদ্দিন হায়দার ডালিমের কাজ শুরু কিশোর বয়সে 1980 সালে 'ছোট্ট খবর' অনুষ্ঠানে খবর পাঠের মধ্য দিয়ে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াশোনা শেষে 1996 সালে রিপোর্টার হিসেবে যোগ দেন বিশ্বব্যাপী সংবাদ সরবরাহকারী সংস্থা এসোসিয়েটেড প্রেসের টেলিভিশন নেটওয়ার্কের (এপিটিএন) বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবে। 1999 সালে বাংলাদেশের প্রথম টেরিস্টেরিয়াল চ্যানেল একুশে টিভি চালু হলে নিউজের নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে কাজ শুরু করেন।
ডালিম মনে করেন, এখন যারা সংবাদ উপস্থাপনায় আসছেন তাদের শুধু লিখিত সংবাদ পাঠ করলেই চলবে না; সংবাদ সম্পর্কে বাস্তব ধারণা থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। অর্থাৎ তিনি হবেন একজন পরিপূর্ণ সংবাদ সচেতন মানুষ। যিনি প্রথমে সংবাদকে বুঝবেন পরে সঠিক উচ্চারণে সংবাদটি দর্শককে বুঝাবেন।
বাংলাদেশের বাস্তবতায় 24 ঘণ্টার নিউজ চ্যানেলের গুরুত্ব সমর্্পকে তিনি বলেন, অবশ্যই 24 ঘণ্টার নিউজ চ্যানেলের গুরুত্ব রয়েছে। কেননা এখানে সংবাদ মানুষের গুরুত্বপূর্ণ বিনোদনের জায়গা দখল করে আছে। মানুষ সংবাদ দেখতে চায় ইনফরমেশন জানতে চায়। সেই জায়গায় সমগ্র বাংলাদেশের খবর আমাদের মিডিয়ায় এখনো পরিপূর্ণভাবে আসে না। শুধু ঢাকাভিত্তিক সংবাদই আমাদের মিডিয়ায় প্রধান্য পায়। এর থেকে উত্তরণের জন্য 24 ঘণ্টার নিউজ চ্যানেল চালু হওয়ার সময় এখন এসেছে। আর এর জন্য যে টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রয়োজন; অন্তত প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের বড় শহরগুলোতে স্টুডিও করা, সে যন্ত্রগুলো এখন আমাদের জন্য দুষ্প্র্রাপ্য নয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/19583 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/19583 2006-09-20 17:01:41
উল্ল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে চূড়ান্ত বিলে গত রোববার জাতীয় সংসদে তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির উত্থাপিত ক্যাব্ল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন 2006-এর বেশ কিছু ক্ষেত্রে সংশোধনী আনা হয়েছে। এর মধ্যে লাইসেন্স পাওয়া, লাইসেন্সপ্রাপ্তির পর কার্যক্রম শুরু ও লাইসেন্সের মেয়াদ পুনর্নির্ধারণ, বিদেশ থেকে সম্প্রচারিত দেশীয় চ্যানেলের সম্প্রচার, অপারেটরদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চ্যানেল চালু, পে চ্যানেলের বিপরীতে বিদেশে অর্থ পাঠানো, প্রাইম ব্যান্ডে সরকারি ও সরকার অনুমোদিত বেসরকারি চ্যানেলগুলোকে বাধ্যতামূলক, বিদেশি চ্যানেল বন্ধ ইত্যাদি বিষয়ে সংযোজন ও বিয়োজন করা হয়েছে।
নতুন করে সংযোজিত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে, কোনো পরিবেশক ও অপারেটর ভিডিও ভিসিডি, ডিভিডির মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে নিজস্ব কোনো চ্যানেল বাংলাদেশে বিপণন, সঞ্চালন ও সম্প্রচার করতে পারবে না, পরিবেশকদের নতুন করে এলসি খোলার মাধ্যমে বিদেশি পে চ্যানেল ডাউনলিংক করতে হবে এবং সরকারি অনুমোদন ও বিদেশে অর্থ প্রেরণে সরকারি অনুমতি না নেওয়া পর্যন্ত বিদেশি পে চ্যানেল ডাউনলিংক, সঞ্চালন ও সম্প্রচার করা যাবে না । এছাড়া লাইসেন্স না পেলে মাল্টি চ্যানেল মাল্টি পয়েন্ট ডিস্ট্রিবিউশন সার্ভিস (এমএমডিএস) বা ডিটিএইচ (ডাইরেক্ট টু হোম) টার্মিনাল স্থাপন, ব্যবহার, বিপণন ও সঞ্চালন করা যাবে না এবং মাল্টি চ্যানেল মাল্টি পয়েন্ট ডিস্ট্রিবিউশন সার্ভিসের মধ্যে টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত নয় বলে সংশোধিত বিলে উল্লেখ করা হয়।
সংশোধিত বিলে বিদেশ থেকে সম্প্রচারিত কোনো দেশীয় চ্যানেল এ দেশে ডাউনলিংক, বিপণন ও সম্প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ধারাটি নিয়ে দ্বন্দ্ব সৃষ্টির সুযোগ রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচারের ক্ষেত্রেও।
বিলে শতকরা 20 ভাগের বেশি শেয়ারের মালিকানায় কোনো বিদেশি ব্যক্তি থাকলে ওই পরিবেশক ও অপারটরকে লাইসেন্স ইসু করা হবে না বলে সংশোধনী আনা হয়। একই উপধারায় কোনো বিদেশি নাগরিকের মালিকানায় পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে লাইসেন্স ইসুর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নতুনভাবে সংযোজন করা হয়। এছাড়া নতুন করে সংযুক্ত করা হয়েছে 5টি উপদফা। এগুলোতে রয়েছে পরিবেশকদের পে চ্যানেলের প্যাকেজ বা বান্ডিলে নিষেধাজ্ঞা, অপারেটরদের গ্রাহক চাহিদা না থাকলে ক্রয়কৃত পে চ্যানেল পরিবেশকদের ফেরত দেওয়ার সুযোগ, গ্রাহকদের পছন্দ অনুযায়ী সংযোগ দেওয়া, জোরপূর্বক গ্রাহকদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সংযোগ নিতে বাধ্য করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা, বিপণনের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী বিধির মাধ্যমে চ্যানেল সংখ্যা সময়, সময় নির্ধারণ ও বিদেশি পে চ্যানেল অনুমোদনের ক্ষেত্রে মূল্য নির্ধারণে সরকারের হাতে ক্ষমতা।
বেশকিছু পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে, আইন প্রণয়নের আগে লাইসেন্সপ্রাপ্তদের এ আইন বলবৎ হওয়ার পর পুনরায় লাইসেন্সের জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে 90 দিনের মধ্যে পরিবর্তে 30 দিন, লাইসেন্সের আবেদনের পর 30 দিনের মধ্যে অপারটেরদের লাইসেন্সিং কতর্ৃপক্ষের তা ইসু করা এবং লাইসেন্সের মেয়াদ পরিবেশকদের ক্ষেত্রে 3 বছর ও অপারেটরদের ক্ষেত্রে 1 বছরের পরিবর্তে প্রত্যেককে 2 বছর নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া অননুমোদিত যন্ত্রপাতি বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার এবং লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে সেবা প্রদান বা সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে স্থাপনকৃত যন্ত্রপাতি আটকের পর লাইসেন্স নেওয়ার সময়সীমা 45 দিনের পরিবর্তে 30 দিন করা হয়েছে।
খসড়া বিলের বেশ কিছু উপধারা এ বিলে বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে অপারটরদের দৃটি পৃথক প্যাকেজে বিদেশি পে চ্যানেল ও ফ্রি টু এয়ার চ্যানেল সঞ্চালন। এছাড়া সংশোধিত বিলে জনস্বার্থে যে কোনো চ্যানেল বন্ধের পরিবর্তে সরকার যে কোনো কেবল্ টেলিভিশন নেটওয়ার্কের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে নিষিদ্ধ করতে পারবে।
সংশোধিত বিলে সরকারি ও বেসরকারি চ্যানেল সঞ্চালনের ক্ষেত্রে প্রাইম ব্যান্ড ও প্রাইম ব্যান্ডের মাঝখানে ঢুকে যাওয়া অন্য ব্যান্ডগুলোতেও সরকারি চ্যানেলগুলো ও সরকার অনুমোদিত বেসরকারি দেশীয় চ্যানেলগুলো অনুমোদনের তারিখ অনুযায়ী অগ্রাধিকারক্রমে অব্যাহতভাবে সঞ্চালন বা সম্প্রচার করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/19580 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/19580 2006-09-20 16:59:02
সাংবাদিকতা নিয়ে ধারাবাহিক নাটক 'কাগজের মানুষ' http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/19578 http://www.somewhereinblog.net/blog/muntakablog/19578 2006-09-20 16:49:37