মার্কিন কবি শ্যারন ওল্ড- এর ৩ টি কবিতা
আদিম
সভ্যদের ব্যাপারে শুনেছি,
তাদের পরিণয়গুলো কথামালায়, রুচিশীল, বিশ্বস্ত ও যৌক্তিক হয়।
অথচ তুমি আমি
অসভ্য আদিম। তুমি ব্যাগ হাতে এসে
নিরবে আমার দিকে বাড়িয়ে দাও
সুঘ্রানে চিনে নেই ম্যাকডোনাল্ডস আর
তোমার ইশারা বুঝে যাই। গতরাতে
পরিপূর্ণ তৃপ্তি দিয়েছিলাম। আমরা
নিরবে বসি, পাশাপাশি, খাই,
লম্বা প্যানকেকগুলো দোল খেয়ে কাঁপে,
ঝরে ঘ্রাণালো সস,
আর পরস্পরের দিকে আড়চোখে তাকায়, বাকহীন,
আমাদের চোখের কোনগুলো পরিষ্কার যেনো বর্শার ঝলক
চৌকাঠে লেপ্টে থেকে দেখায়
বন্ধুর সাথে বন্ধু বসে এখানে।
ভালোবাসাহীন মিলন
তারা কীভাবে এটা করে, সেইজন যে ভালোবাসা ছাড়াই
ভালোবাসে? নর্তকীর মত সুন্দর,
বরফের উপর আইস-স্কেটারের মত পরস্পর পরস্পরের ওপর উড়ে চলা,
একে অন্যের শরীরে গেঁথে দেয়া নখ,কাবাবের মত লাল মুখ, লাল মদ, সেই শিশুদের
প্রসবকালের মত ভেজা, যাদের মায়েরা তাদেরকে উগরে দিতে যাচ্ছে।
তারা কীভাবে আসে, আসে আর আসে প্রভুর কাছে, আসে
স্তব্ধ জলের কাছে, আর ভালোবাসা নয়
সেইজন যে তাদের সাথে ওখানে এসেছিলো, আলো
জাগে ধীরে যেন তাদের যুগল শরীর থেকে ধোঁয়া ওঠে?
এসবই সত্য ধার্মিক, বিশুদ্ধবাদী, পতিতা, একজন যে
মিথ্যা মসিহ্ স্বীকার করেনা, প্রভুর বদলে পুরোহিত ভালোবাসে।
নিজের আনন্দের জন্য তারা প্রিয়তমাকে ভ্রান্ত করেনা,
মহান দৌঁড়বিদের মতো: তারা জানে পথের উপরিভাগের মতোই
তারা একা, ঠান্ডা, একাকী বাতাস,
তাদের জুতার ফিতা, সামগ্রিক কার্ডিও-ভাসকুলার শরীর শুধুই একটা ব্যাপার,
বিছানার সঙ্গীর মতই, আর সত্য নয়, যেটি
নিজের সুসময়ের বিপরীতে একটি শরীর একা এই বিশ্বে
হপ্তাখানেক পর
হপ্তাখানেক পর এক বন্ধুকে বলেছিলাম: ভাবিনি
কখনো এ সম্বন্ধে লিখতে পারবো।
হয়তো এক বছরে আমি কিছু লিখতে পারবো।
আমার ভেতরের কথাগুলো হয়ত কোনো একদিন
লেখা হবে; এখন তারা সাজানো, গোছানো
এবং সাজানো, স্কুলের নোটের মতো। আর আমার স্বপ্নে
কেউ একজন তাস খেলে যাচ্ছে, আর বাতাসে ছুড়ে দেয়া
বিশাল, জবরদস্ত ইস্কাপনের গোলাম
পড়ছে আগুনের ওপর। আর ঘুম ভেঙ্গে দেখি
যেদিন আমার স্বামীকে শেষ দেখেছিলাম সেদিন থেকে গুনে
যাচ্ছি দিন-মাত্র দু'বছর, সামান্য কিছু হপ্তা
আর ঘন্টা। কাগজে সই করে আমরা ক্রিসলার বিল্ডিংয়ের
নিচ তলায় নেমে দাঁড়ালাম, লবির অখন্ড সৌন্দর্য যেনো
রাজার সমাধিশালা, ছাদের ম্যুরালে ছোট্ট বিমান, উড়ে যায়। আর
প্রবেশ করে আমার পাথুরে হৃদয়ে, এই সকাল,
নিরবে, লাজুক যেনো সতর্ক,
অন্তরঙ্গতাহীন, প্রাঞ্জলতার বৃহত্তর বোধ
আর তার বহমান জীবনের অনেকটাই
অজানা, অদেখা আমার,
অশ্রুত, অস্পর্শ-অথচ পরিচিত।
আর এটা একই সময়ে অনেকগুলো মুহূর্ত
হয়ে এসেছিলো, মুহূর্তের পর মুহূর্ত,
নিজের প্রবোধ দিয়ে খুশি হয়েছিলাম এই ভেবে
যাই হোক সেতো তার পছন্দের নারীর সাথেই আছে
আর আমি মায়ের কথা
ভাবছিলাম, তার মৃত্যুর আগের কয়েক মিনিট, তার জন্মের আগের
পচাঁশি বছর, আমার হাতের নিচে তার মুড়মুড়ে হাড়গুলো,
ডিমখোলসের খুলি, যেনো সে পরিষ্কার বিছানায়
খানিক শান্তিতে শুয়ে আছে, আর আমি তাকে আমার নিঃস্বতার
সর্বোচ্চটুকু বলতে পারতাম, আমি চিৎকার করে
তাকে জানাতে পারতাম একপক্ষীয় ভালোবাসার কথা
যদিও বিধি আর বিলাস সে ঘন্টায় আমি দেখেছিলাম।
[email protected]
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।