somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সামহোয়্যারের মডারেশন জিন্দাবাদ..মডারেটরদের বিরুদ্ধে আক্রোশ প্রকাশকারীকে ব্যান করা হউক
এই শেষ মুহুর্তে এইটা নিয়া যারা গলাবাজি করে ব্লগে অস্থিরতা সৃষ্ঠি করতেছে তাদের ইনটেশন নিয়া প্রশ্ন তুলতেছি ।

মডারেটরদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করায় আগে একবার ব্যান হওয়া ত্রিভুজ নামধারী ব্লগার আবার প্রকাশ্যে মডারেশনের সিদ্ধান্ত নিয়া বিদ্রুপ করতেছে ।
Click This Link


নীতিমালার সঠিক প্রয়োগের জন্য ত্রিভুজ নামের এই অশান্তি সৃষ্ঠিকারী এবং প্রকাশ্যে মডারেশনকে চ্যালেঞ্জকারী নিকটাকে ব্যান করে মডারেশনের দৃঢ়তা রক্ষা করার আহ্বান জানাচ্ছি ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28777608 http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28777608 2008-03-09 03:21:01
একটা ঘৃনা স্তম্ভ করা হউক
আরেকটি স্তম্ভ করা দরকার আমাদের ।
সেইটা হইলো " ঘৃণা স্তম্ভ " ।
যে কুলাঙার রাজাকারের বাচ্চারা স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতা করছিল , গনহত্যা করছিল তাদের জন্য এই স্তম্ভ । এই স্তম্ভে গিয়া ফুল দেয়া হবে না , সবাই তাদের পুরাতন ব্যবহৃত জুতাগুলা সেইখানে গিয়া জমা দিবে । ( তবে নিজামী -গুআ- কামরুজ্জামান গিয়া যদি ফুল দিতে চায় তাইলে তাদের বাধাও দেয়া হবে না )

এই বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দৃষ্ঠি আকর্ষণ করিতেছি ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28776924 http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28776924 2008-03-06 15:22:45
মুরুব্বির পাশে কবিতার কেলাসে : আছি ।

: বস , কিষু কথা ছিল ।
: কও ।

: কবিতা লিকা ষিখতে চাই ।
: হঠাৎ ।

: বস , আগে কবিতা লিখলে মাইনষে পষন্দ করতো এখন করে না ।
: কেমনে টের পাইলা ?

: আগে টের পাই নাই । কাইলকা আমার বন্ধু রাতুল কইল , মাইনাস খাইতে খাইতে নাকি এককবির দফারফা হইয়া গেছে ।
: মাইনাস খাইলে অসুবিদা কী ? এখন তো টপলিস্ট বইলা কুনু বিষয় নাই।

: হ , তবুও । শুনলাম এক পাবলিকে নাকি অফিসে বইসা বইসা হাজার হাজার নিক বানাইয়া একলাই মাইনাষ দিয়া যাইতেচে ।
: একজনেই , এটা তুমারে কে কইলো ?

: বস ,সবগুলা নিক একলগে আসে , একলগে যায় । সবাই বিকাল ৬টার পরে একসাথে চুপ মারে ।
: হা হা হা ।

: উনার বোধহয় আমার কবিতা পছন্দ না । তাই ভালো কইরা কবিতা লিখতে চাই । শিখাইয়া দেন ।
: আগে ছন্দ শিখো , কাব্য ভাষা শিখো । মধ্যযুগের বাংলা কবিতার সাথে ৩০ দশকের কাব্য ভাষার তফাৎ শিখো । কবিতা লেখা এতো সহজ না ।

: বস , একটা কবিতা লিখছি । যদি একটু পইরা ভুলত্রুটি কইয়া দিতেন ।
: কিন্তু তুমারে একলা কইয়া লাভ কী ? তার চাইতে একটা পোস্ট দেই , সবার লগে কথা হউক ।

: না বস , এইটারেই আপনে দরকার হইলে পোস্ট কইরা দিবেন নে । মাগার আমার লগে কথা কইতে হবে ।
: ঠিকাছে ।

: কবিতাখান কি পাঠামু ?
: কিন্তু কবিতাট পাঠাইয়া লাভ কী ? ধরো এই কবিতাটাও মাইনাস খাইলো রাতুল ভাইয়ের কাছে ।

: বেপার না , তাইলে বুঝুম উনার এই কবিতাটা পছন্দ হয় নাই , তখন আরো সুন্দর কইরা লিখতে থাকুম । <img src=" style="border:0;" />
: আইচ্ছা পাঠাও । তবে এখন সময় নাই । পরে আলোচনা হইবে ।

:ঠিকাছে বস । এখন কবিতাটা দেইখা রাখেন । আলোচনা পরে কর্লে হইব ।

কবিতাটা দেইখা রাখেন :

খাসী ছিল বান্দর , ভ্যাকরন মানি না ,
হয়ে গেলু খোদাসী , কেমনে যে জানি না ।
লুঙির গিট্টুতে লিখেষিল লেখা তার
ভেবেষিল সে লেখায় পেয়ে যাবে দেখা "তার" ।

কালুদার লালু বাড়ি , একদিন সন্ধ্যায় ,
" তার " দেখা পেয়ে গেল ,খোদাসী আন্ধায় ;
তারপর নিবেদন নানাবিধ ম্যাৎকারে ;
তবু খাসি উড়ে যায় , বালিকার ফুৎকারে ।

ফুৎকারে উড়ে গিয়ে , কই কথা মিছানা
খোদাসী নিয়ে নিল তিনদিন বিছানা ।
তারপর দিনরাত কাজে কামে ঠিকনা
চিন্তায় শুকাইলো জিমে গড়া চিকনা ।

খাসী ভাবে , ফাসি নিয়া আর কোন লাভ নাই
ফুৎকার খেয়ে ছি তো , আর কোন ভাব নাই
আহা যদি লাদি নয় , হাচা ভালো লিখতাম ;
তাহলে তো এই বেলা প্রেমখেলা জিততাম ।

এই ভেবে খোদাসী পোস্ট দিলো বিদায়ের
পুরানা সে নাটকই , সিমপ্যাথী আদায়ের ।
এই থেকে হয় না তো তার কোন ফায়দা
খাসী তাই বের করে নতুন এক কায়দা ।

জিরো থেকে হিরো হতে চায় খাষী দামড়ায়
তাই সেতো বাপেদের পাছা দেখে কামড়ায় ।
তারপর নিজে নিজে বহু নিক বানিয়ে
একা বসে রেট করে দাতমুখ শানিয়ে ।

এই দেখে হেসে হেসে ,বলে সেই এলোকেশী
মানুষ আর হবে না তো , জিমবাজ কালোখাসী ।



: হুম , ঠিকাছে । কবিতার আলোচনায় এই কবিতাটারেই পরের পোস্টে বিশ্লেষণ করুমনে । তখন তুমি বুঝতে পারবা কিভাবে কবিতার ব্যকরন মাইনা , সুন্দর কবিতা লিখা যায় ।
সেইখানে কবিতার ইতিহাস নিয়াও আলোচনা পর্যালোচনা করুম নে ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28776609 http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28776609 2008-03-05 15:06:27
টেস্ট পোস্ট

আছি না গেছি ? হা : হা: হা: ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28776290 http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28776290 2008-03-04 11:29:03
ভাদ্র মাসে কুকুরী গরম , ফাল্গুনে ক্যান খোদাসী ?( বৈজ্ঞানিক পর্যালোচানমূলক পুস্ট) বঙ্গদেশে এক্খান কতা আচে ,যে ভাদ্র মাসে কুকুরী গরম । উহা শরমের কতা নয় , উহা বিজ্ঞানের বাস্তবতা । ঐ মাসে কুকুরীরা গরম হয় ( এই গরমের মানে আবার ছুটু পুলাপানরা বুঝবা না , তুমরা আগে বড়ো হও ) । কুকুরী গরম হইলে যদি অত্রাঞ্চলে কুকুর না থাকে তাহা হইলে সেই কুকুরী পাগলের মতোন আচরন করে এবং যাকে তাকে কামড়াইয়া দেয় ।

কিন্তু অদ্য দেখা যাইতেছে যে ফাল্গুন মাসে খাসী গরম হইয়া গেছে । খাসী বলিয়া কোন প্রানী জন্মায় না , ছাগের যৌনক্ষমতাকে বিনষ্ট করিয়া দিলে তাহা খাসী হিসাবে পরিগনিত হয় । উহা গরম হইয়া উল্টপাল্টা আচরন করিতেছে । ছাগে উপগত হওয়া কিছু দুষ্ট চরিত্রের বালকের পিছনে উহা ম্যাৎকার করিয়া ঘুরিতেছে বহুদিন ধরিয়া । দমে দমে সেই ছাগ উপগাতকদের নাম জপিতেছে , উল্টা পাল্টা বকিতেছে এবং উহার পশ্চাৎদেশ ছাগ উপগাতকদের সামনে বারংবার মেলিয়া ধরিতেছে ।

রাম ছাগলের অভাব না পড়ায় অদ্যবধি ছাগউপগাতকরা এই খোদার খাসীতে উপগত হইবার ইচ্ছা প্রকাশ করে নাই ।

কিন্তু জীববিজ্ঞানীদেরকে তালাশ করিয়া দেখিতে অনুরোধ করি , কী কারনে ফাল্গুন মাসে একটি নধরকান্তি খোদারখাসী (যাহাকে সংক্ষেপে খোদাসী বলা হয় ) গরম হইয়া পড়িল ।
সে কেন তাহার উপর সবাইকে উপগত হইবার আহ্বান জানাইয়া চিৎকার করিয়া পাড়া সরগরম করিতেছে ?





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28775976 http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28775976 2008-03-03 11:42:25
কপিরাইটের দূ:খ আর কতিপয়ের মাস্তানি মানসিকতা
ওরে আমার পাগলা ঘোড়ারে , কই থাইকা কই লইয়া যায় ...। হাসনের লেখার কপিরাইট নাই , হোসেইনের লেখার কপিরাইট থাকবে ক্যানে এইটা নিয়া ব্লগে তর্ক করন যায় বহুত সময় । আজাইরা টাইম থাকতে হইবে দুইপক্ষেরই । আফসুসের বিষয় সেই টাইম দুইপক্ষের কারোই তেমন নাই , আছে তৃতীয় পক্ষের যারা আবার আলুচনা করতে পারে না , করে ম্যাৎকার ।

সোজা কথায় আসি । ব্লগের লেখাগুলার কপিরাইট নিয়া প্রশ্নের চাইতে বড়ো প্রশ্ন হইলো গিয়া মাস্তানী সিমটম । মাহবুব মোর্শেদ পরিষ্কার কইরা কইতেছে যে তার লেখা দেয়া যাইবো না , নিধিরাম পরিষ্কার কইরা কইতেছে যে তার লেখা দেয়া যাইবো না , তারপরও বারো চৌদ্দহাজার ব্লগারের মাঝে ঐদুজনের লেখাই গায়ের জোরে দিতে হইব , এমন কী কথা ?

ব্লগের পোস্টের আগামাথা নাই , সকাল হইতে সন্ধ্যায় কয়েকহাজার শব্দ লেইখা ফালাইতে পারেন , সাকুরা হইতে সুন্দরবন সব বিষয়ে লেখেন , এমনকি আন্ডার গার্মেন্টস নিয়াও পোস্ট দিতে অসুবিধা হয় না । খালি অসুবিধা হইলো একটা ভদ্রতা কইরা লোকজনরে জানাইতে ,যে ভাই আপনার লেখাটা ছাপাইতেছি , কিছু মনে নিয়েন না ।

লালনের গানের কপিরাইট নাই , কিন্তু রবীন্দ্রনাথের গানে আছে । শাহ আব্দুল করিমের গানরে তার জীবদ্দশায়ই রেপ কইরা ফালাইতেছে সব আবাল রিমিক্স োদনারা । আব্দুল করিমের গান যতোটাকায় বেচাবিক্রী হয় তার ১ শতাংশ পাইলেও এই বুড়া লোকটা কালনীর চরে ধুইকা ধুইকা বাচতে হইতো না , তার সাতমহলা দালান থাকতো ।

শাহ আব্দুল করিমরে ঠকাইবার সময় আপনাদের কপিরাইট ভালো লাগে না তার বিরুদ্ধে কন , আবার পাইরেট সিডি যখন বাজারে আসে তখন তার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন । কী কইমু , শালার দেশে যতো না মানুষ তার চাইতে ধান্দাবাজ বেশি হইয়া গেছে ।

আইজ যদি আমি ছাপাকল নাইলে কিংবদন্তী নাম দিয়া আরেকটা দোকান খুইলা ফেলাই তাইলে আমার ঘাড়ে হাত দিবার মাইনষের অভাব হইবে না , ষাট টাকার অপর বাস্তব যদি নিউজপ্রিন্টে ছাপাইয়া মেলায় তিরিশটাকায় বেচিঁ তখন বহুত লোক আইয়া আমার পাছায় বাশঁ দিতে জামাতের লগে খাড়াইবেন , তখন কিন্তু কপিরাইট কপিবরদের সম্পত্তি হইবে না , তখন সমাজ বদলের সৈনিকরা ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি োদাইবেন ।

তাই কপিরাইটের বিস্তৃত আলোচনায় না যাওয়াই ভালা ।
কথা কপিরাইট নিয়া হয় নাই, কপিরাইটের দিকে ঘুরাইয়া দিয়া লাভ নাই ।

কথা হইছে সাধারন ভব্যতা ভদ্রতা নিয়া ।
একজন কইছে তার লেখা ছাপাইবেন না , তার লেখা ছাপাইলেন , এইটা কোন ধরনের ভদ্রতা ?
একজন নিজের জন্য কবিতা লিখছে , আরেকজন তার অফিসের নানা যন্ত্রনা লিইখা থুইছে নিজের ব্লগে , তারে না জিগাইয়া সেইটা বইয়ে ছাপাইয়া ফেলার অধিকার কে দিছে কারে ? একটা মুখের কথা জিগাইবার টাইম নাই আপনাগো মাগার আন্ডারপেন্ট আর ভোদকার বোতল নিয়া পাতার পর পাতা লিখবার টাইম ঠিকই আছে ।

আসেন আগে ভব্যতা শিইখা লই সকলে , সেইটাই জরুরী বিষয় । কপিরাইট নিয়া কথা না হয় পরে কওন যাইবে ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28775461 http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28775461 2008-03-01 18:52:30
কী যুগ পড়লো , চোরের হইছে বড়ো গলা (!)



সেই মহল্লায় এক তিনচাইরজন সুশীল ছিল । একজনের নাম খউশিক ।
সে এমুনই সুশীল যে মহল্লার বিচার সালিশে তারে পাওয়া যায় না , যখন মহল্লায় ঝামেলা বান্ধে তখন সে সেই ঝামেলারে অন্যখাতে নিবার জন্য নিজের ছাদে দাড়াইয়া উল্টাপাল্টা চিক্কুর দেয় ।
সেই সুশীলের আরো কিছু দুস্ত আছিল , ধরা যাক সেই সুশীলদের নাম "আহা" আর "ফাকী" ।

তিন সুশীলে মিইলা একবার ফন্দি করে মহল্লার মাইনষের ঘরের জানালা ভাইঙ্গা ঘরে ঘরে প্রবেশ কইরা মূল্যবান জিনিষ হাতাইয়া নিয়া সেইগুলা দিয়া দোকান দিবে ।

যেই ভাবা সেই কাজ । একে একে বহু বাড়িতে সিধঁ কাটে তারা । তারপর সেইগুলা নিয়া সাজাইয়া রাখে পাশের একটা মেলায় ।
এই দিকে হইছে কি ঐ যে মহল্লার দুষ্ট পুলাপানের কথা কইছিলাম , তারা তো সারারাত জাইগা থাকে , তারা শুরু করছে হাউকাউ । খাইছে , এ যে দেখি সুশীলরাও চুরিতে নাইমা গেছে গা ।

তাগো চিৎকার দেইখা পাবলিকেও চিৎকার করে । তখন ছোট সুশীলরা আইসা গালি দিয়া কয় , মহল্লার যতো বাড়িতে যতো সম্পদ আছে , সরকার চাইলে যেকোন সময় সেইগুলান বাজেয়াপ্ত করতে পারে । সরকার আমাদের কইয়া দিছে বাজেয়াপ্ত করতে তাই সেইগুলান বাজেয়াপ্ত করা হইছে , এই জন্য আলাদা কইরা ঘরের মালিকের অনুমতি নেই নাই ।

পুলাপানে কয় , ভোদাই পাইছ নি ? তুমরা তো সরকার না , তুমরা বাজেয়াপ্ত করার কে ? দেখি , সরকারের পারমিশন দেখাও , তারপর সরকারের একদিন কি আমগো একদিন ।

তখন বড়ো সুশীল দেখে এই তো বড়ো ঝামেলা বিষয় । সে তখন পাগলের ভুমিকায় অভিনয় করে । অবিরাম খিস্তিখেউড় দিয়া মহল্লারে অস্থির কইরা লায় । পাবলিকে কয় , ইশ এই বেচারার তো মানসিক ভারসাম্য নাই , এরে ছাইড়া দেও । সেই বড়ো সুশীল তখন "আর তোগো উঠানে আমু না " কইয়া নিজের ঘরে দরজা দিয়া গিয়া শুইয়া পড়ে ।

কিন্তু ঘটনা এখানেই শেষ না । বড়ো সুশীল শুইলে কি হবে , চুরির জন্য সিধঁকাটির খরচ দিছিল ছোট দুই সুশীল "ফাকী" আর "আহা" । তারা দেখে তাগো তো সিধকাটির খর্চাই উঠে না ।

তাগো তখন ভীষন রাগ হয় , তারা মনের দূ:খে সেই দুষ্ট পুলাপানের পেছনে লাগে । আইজ আইয়া "ফাকী" গাইল দেয় বান্দর কইয়া তো কাইল আইয়া "আহা" গাইল দেয় "লালু-ভুলু কুত্তা " কইয়া ।

পাবলিকে দেখে আর হাসে । সম্পত্তি পাহারা দিবার কুত্তা হইতে পারলেও মন্দ না , তবু তো চোরের হাত থাইকা সম্পদ রক্ষা করা যায় ।

"ফাকী" আর "আহা" র চিৎকার শুইনা এক মুরুব্বি মাইনষে মহল্লার পুলাপানগো কয় -তোরা দেখলি তো , মুরুব্বির কথাই সত্য হইছে । আগে ছিল চোরের মায়ের বড়ো গলা , এখন চোরেরা নিজেরাই বড়ো গলায় কথা কওয়া শিইখা গেছে । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28775397 http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28775397 2008-03-01 14:36:18
সারওয়ার ভাইয়ের বিরুদ্দে এইরকম চক্রান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাই ।
ইতিমধ্যে জেবতিক ভাই আর মনিটর ভাইয়ের কাছ থেকে কমেন্ট দেইখাও আমি পুরা বিশ্বাস করি নাই , কিন্তু আজকে নিজে শুদ্ধস্বরের স্টলে গিয়া দেখলাম সারওয়ার ভাইয়ের পুরানা দুইটা বইয়েরই কোন হদিস নাই ।

শুদ্ধস্বর থাইকা কিনলাম মাহবুব লীলেনের মাংসপুতুল , নজমুল আলবাবের নতুন বই - বউ বাটা বলসাবান । কিন্তু সারওয়ার ভাইয়ের কথা বললেই কইল , ওর বই আর বেচব না ।

বিশ্বাস না হয় সারওয়ার ভাই নিজে একজন লোক পাঠাইয়া গুপনে খবর নিতে পারেন ।

সারওয়ার ভাইয়ের বিরুদ্দে এইরকম চক্রান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাই ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28766765 http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28766765 2008-02-04 00:51:42
তুমি কোন খোয়াড়ের রামছাগল ( ধারাবাহিক উপন্যাস পর্ব-১ ) ( ইদানিং দেখি সবাই ধারাবাহিক উপন্যাস লেখা শুরু করছে ব্লগে । আমিও একটা সায়েন্টিফিক ধারাবাহিক লেখা শুরু করলাম । পইড়া মতামত দিয়েন ।)

সেদিন আমি সাভারে পার্কের ভেতর দিয়ে হাঁটছিলাম রাত বারটার কিছু পরে কিংবা আগে। হাঁটতে হাঁটতে আমি কিছুক্ষণ পর পর পাশ্ববর্তী সরকারী পশু প্রজনন কেন্দ্রের দিকে তাকাচ্ছিলাম । সেখানে নাকি বিভিন্ন প্রজাতির পশু নিয়া গবেষনা হয় । বিশেষ করে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল নিয়া নাকি কোটি কোটি টাকার গবেষনা চলতেছে ।

কিছুক্ষন হাঁটার পর পাশবর্তী একটি বেঞ্চিতে আমি বসে থাকি ।
হঠাত দেখি, নধরকান্তি একটি কালো ছাগল আমার দিকে তাকিয়ে হেসে উঠে ।আমি হতবাক। কিংকর্তব্যবিমূঢ়।

কিছু বুঝে ওঠার আগেই সে কথা বলে-
ভয় পাবেন না। চিত্কার করবেন না। কাউকে বলার চেষ্টাও করবেন না। আমি নতুন প্রজাতির একটি ব্ল্যাক বেঙ্গল রামছাগল ।

আমি বললাম , ধ্যাত্তেরী , আমি নিশ্চয়ই পার্কে সিগারেট মনে করিয়া গাঞ্জা
ধরাইছি । নাইলে ছাগলের হাসি আর ছাগলের কথা শুনতে পাই কিভাবে ।

রামছাগলটি হেসে বলল , আপনি ভুল জানেন । দেশের বিজ্ঞানের উন্নতি নিয়া আপনার কোন ধারনাই নাই । সাভারে এই যে এত্তো বড় ছাগল গবেষনা কেন্দ্র খুলছে , সেইখানে পিএইচডি করা বিজ্ঞানীই আছে তিন ডজন । তারা সরকারী টাকা খাইয়া অন্যান্য কর্মকর্তাদের মতোন ঘুমাই পড়ে না । তারা গবেষনা করে ।

ছাগলের বিভিন্ন জাত আবিষ্কার হইতেছে সেখানে । তেমনি একটা নতুন আবিষ্কৃত
জাতের নাম -থেরাপিস্ট ছাগল । আমি হইলাম সেই প্রজাতির ছাগল ।

আমি বিশ্বাস করি না । নিশ্চয়ই আমার মতিভ্রম হইছে । তারপরও জিগাই , -
থেরাপিস্ট ছাগল আবার কী জিনিস ?

ছাগলটি উত্তর দেয় - এই যে বললাম নতুন প্রজাতির ছাগল । এদেরকে কথা বলার ট্রেনিং দেয়া হয় । তাছাড়া স্যুট টাই পরার ট্রেনিংও দেয়া হয় ।

: স্যুট টাই পরার ট্রেনিং দিয়া লাভ কী ? স্যুট টাই তো ছাগলের পোষাক না !

আমি অবাক হইয়া বলি ।

: সুট টাই ছাড়া তো আরব দেশে যাওয়া যাবে না । এই সব ছাগলকে উন্নত মানের ট্রেনিং দেয়া হইতেছে যাতে আরব দেশে এক্সপোর্ট করা যায়।

: আরব দেশে গিয়া এরা কী করবে ?
: আরব দেশে গিয়া এরা আরব শেখদেরকে বিভিন্ন ভাবে বিনোদন দিবে । আমাদের কাজই হইতেছে বিনোদন দেয়া ।

আমি অবাক হইলাম । সার্কাসে ছাগলের খেলা দেখানো এককথা আর ছাগলরে ট্রেনিং দিয়া বিদেশে পাঠানো আরেক কথা । দেশ তাহলে এগিয়ে যাইতেছে । জ্ঞানে বিজ্ঞানে আমরা পিছায়া নাই ।

আমি বললাম , তাইলে তুমি এইখানে পার্কে কী করো ? তুমার তো ভিতরে থাকার কথা ? নাকি পার্কে হাওয়া বাতাস খাইতে এসেছ ?

রামছাগলটি কাদো কাদো গলায় বলল , - না জনাব , আমি পালিয়ে এসেছি । আরব দেশে যাইতে চাই না ।

এবার আমার দ্বিগুন অবাক হওয়ার পালা । যে দেশের মানুষ বিদেশ যাইতে পারলে আর কিছু চায় না , সেই দেশের ছাগল বিদেশ যাওয়ার ভয়ে পালিয়ে এসেছে , এইটা তো অবাক হওয়ার বিষয় ?

আমি জানতে চাই - পালিয়ে এসেছ কেন ?
: জনাব ,আপনি বিষয়টি ধরতে পারেন নাই । আরব দেশে যে বিনোদনের জন্য আমাদেরকে এক্সপোর্ট করা হয় , সেইটি কোন ভালো বিনোদন নয় । গান বাজনা করা আমাদের কাজ নয় । আরব শেখদের বিভিন্ন বিকৃত যৌনেচ্ছা থাকে , সেগুলো পূরন করাই আমাদের কাজ । আমি ছাগল হইতে পারি , কিন্তু নিজের ইজ্জত নিয়ে বড়োই চিন্তিত , তাই ফাক পেয়ে পালিয়ে এসে এই পার্কে লুকিয়ে পড়েছি ।

এইবার আমার মনটা খারাপ হলো । বেচারা ছাগলকে কতো কষ্ট করেই না তার ইজ্জত বাচাইতে হইতেছে ।

আমি বললাম , এখন তুমি কী করবে , দেশে থাকলে তো কসাইরা ধরে জবাই করে ফেলবে , বিদেশ গেলে অন্তত : প্রানে বাচতে ।

এই কথা শুনে ছাগলটি চিন্তায় পড়ল আর লেজ নাড়তে লাগল ।

তারপর বলল , সেটা অবশ্য কথা সত্য । তাছাড়া আমাদের পেছনের দিকের মেশিনপত্রও উন্নত করে তৈয়ার করা হয়েছে । আরব দেশে খুব একটা অসুবিধা হওয়ার কথা না । তবু পালিয়ে যখন এসেছি , তাইলে কয়দিন ঘুরা ফিরা করি ।

আমি বললাম , ঘুরাফিরা করলেই কিন্তু তোমাকে কসাই রা ধরে নিয়ে যাবে ।

ছাগলটি ছলো ছলো চোখে তাকিয়ে বলল , জনাব , আমাকে আপনি রক্ষা করেন ।

কয়েকদিন আমাকে আপনার সঙ্গে সঙ্গে রাখেন ।
বড়ো শখ ছিল একবার বইমেলায় গিয়ে বার্টান্ড রাসেলের বই কিনব , তাছাড়া বঙ্গ
থেকে একটা সুট কিনারও বড়ো শখ ।

আমি ছাগলের দিকে তাকাইলাম । আহারে রামছাগল , কতো কষ্টেই না বেচারা আছে ।
গঞ্জিকা সেবনে আমার মনটি খানিক দ্রবীভূত ছিল ।
আমি ঠিক করলাম , কয়েকদিন এই ছাগলটিকে সঙ্গে সঙ্গে রাখব ।

আমি বললাম , ছাগল ,তোমার তো একটা নাম দেয়া দরকার ।
ছাগল হেসে বলল , আমার তো নাম আছে । তবে মানুষের মতো বড়ো নাম হয় না , ছাগলের নাম হয় একঅক্ষরে ।

আমি জানতে চাইলাম , তাহলে তোমার নামটা কী :
ছাগল উত্তর দিল , আমার নাম - "স" ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28766141 http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28766141 2008-02-01 21:38:31
থোড়াই কেয়ার করি আমি সামনে যা আসে, তাই উড়িয়ে দিই।
ভেঙে ফেলি দুমদাম, বস্তু ও বাস্তব সব অস্তিত্বকে।

জেনারেশন গ্যাপ বা তোমরা পুরনো
ধরনের কথন শুনতে হয়
নতুনদের কাছ থেকে। উড়িয়ে দিতে পারি না।
হয়তো সত্যি, হয়তো নয়।

কিন্তু, তারপরও নিজের পরিপূর্ণতাতে আমি মুগ্ধ হয়ে থাকি।
কারণ আমি জানি, আমি থোড়াই কেয়ার করি সবকিছুর।
আমি মুরব্বি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28761328 http://www.somewhereinblog.net/blog/murubbiblog/28761328 2008-01-16 12:58:07