মহান করুণাময় আল্লাহর সৃষ্টিতে গবেষণার মাধ্যমে মানুষ নতুন নতুন তথ্য ও রহস্য আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছে। তবুও মানুষ বসে নাই এবং জানার অদম্য আগ্রহ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করেছেন যে উদ্ভিদে কীভাবে ফল হয় । তারা বর্ণনা করেন যে, পানি বর্ষিত হয়ে উদ্ভিদকে গজিয়ে দেয়। আর উদ্ভিদ পানি শোষণ করে সবুজ রঙ্গের পদার্থ তৈরি করে। ইংরেজিতে ওকে ক্লোরোফিল বলা হয়। এটাই সেই উপাদান যার দ্বারা উদ্ভিদের বীজ ও ফল সৃষ্টি হয়। একে বলা হয় ফল উৎপাদনের কারখানা সৃষ্টিকর্তার কুদরতের এই সবুজ কারখানা মাধ্যমের পানি, বাতাস, কার্বনডাই-অঙ্াইড ও সূর্যের তাপ সুগারে পরিবর্তন হয়ে ফলে পরিণত হচ্ছে।
আল্লাহ তা'আলা বলেন ঃ
তিনি (আল্লাহ) আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন অতঃপর আমি এর দ্বারা সর্বপ্রকার উদ্ভিদ উৎপন্ন করেছি, অতপর আমি তা থেকে সবুজ শাখা বের করেছি, ফলত ঃ তা থেকে আমি উপর্যুপরি বীজ উৎপন্ন করে থাকি খেজুরের কাঁদি থেকে গুচ্ছ বের করি যা নুয়ে থাকে এবং আঙ্গুরের বাগান, জয়তুন, আনার পরস্পর স্বাদৃশ্যশীল এবং স্বাদৃশ্যহীন। বিভিন্ন গাছের ফলের প্রতি লক্ষ্য কর যখন সেগুলো ফলন্ত হয় এবং তার পরিপক্বতার প্রতি লক্ষ্য কর। নিশ্চয়ই এ গুলোতে ঈমানদারদের জন্য নিদর্শন রয়েছে। (সূরা আনআম-৯৯)।
হাঁ, বিশ্বাসীদের জন্য এতে অনেক নিদর্শন রয়েছে। এ সব ফল একই জমিতে উৎপন্ন হয়, একই পানি দ্বারা সিক্ত হয়, একই সূর্যের আলো পায়। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো এ সবের রং ও স্বাদ ভিন্ন, আকারেও পার্থক্য। এ যেন মহান সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক কুদরতের অটোমেটিক মেশিন। জ্ঞান বিজ্ঞানের এসব আবিষ্কারের ১৪০০ বছর পূর্বে এ ধরনের তথ্য কি ভাবে আল্লাহ কুরআনে স্থান পেলো? এ প্রশ্নের একমাত্র সঠিক জওয়াব এটাই যে, এই কিতাব কোন মানব রচিত বিধান নয় বরং মহান সৃষ্টি কর্তার পক্ষ হতে অবতীর্ণ গ্রন্থ, এতে কোন সন্দেহ নেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



